আমার প্রিয় পোস্ট
- ১০০০০০ ই-বইয়ের ভুবনে স্বাগতম
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- ভয় কি মরণে : মুকুন্দ দাসের গণসঙ্গীত - আবু নাঈম
- জগৎজ্যোতি! যিনি ছিলেন বাংলার প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ/............ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- গানপাগলাদের ( আরণ্যক, হাসান মাহবুব, নকীব, সুদীপ্ত, বি.মা, আরো যারা আছেন) - অমি রহমান পিয়াল
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- পুত্রের দোষ স্বীকার ( বিমা ছাড়া অন্য সবার জন্য উৎসর্গীকৃত !!!!!!!!!!!!!!!! - মেহবুবা
- নারী অবমাননাকারী উইকি বিকৃতিকারী ছাগুরামের বড় বড় বুলি - ঠুকেমারি
- শুভ জন্মদিন: শাহ আবদুল করিম - ইমন জুবায়ের
- বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই দালালদের ক্ষমা করেছিলেন? আসুন নতুন করে ট্রুথ কমিশন গঠনের দাবি জানাই - শওকত হোসেন মাসুম
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ব্লগে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা তুলে দেওয়া কি ঠিক? - ফিউশন ফাইভ
- মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় - শওকত হোসেন মাসুম
- নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি? - মনসুর হিল্লাজ
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- কবি ভিশোয়া সিমবোরস্কা ও তাঁর কবিতা - নকীবুল বারী
- আমরা বিজয় দেখেছি খালি চোখে - আমরা বিজয় দেখছি দূরবীনে ! - মনজুরুল হক
- রাজনীতি, সংঘাত ও আর কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে পছন্দের কিছু ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- এন্টি গল্প > প্রাতঃকালে ঈশ্বরদর্শন > - মনজুরুল হক
- রাজাকার, জামাত এবং ইত্যাদি.... - অমি রহমান পিয়াল
- হট এন্ড স্পাইসি স্নো হোয়াইট কেক ফর বিমা
- আউলা
- ইচ্ছাঘুড়ি'র শুভ জন্মদিন - েজবীন
- শুভ জন্মদিন বিমা (বিষাক্ত মানুষ) - রাশেদ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২৫ ( আসমানী প্রেম--নির্মলেন্দু গুণ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-১ উৎসর্গ (প্রতু,রাশেদ, নাদান,সাইফুর,সামী,বিমা,মানুষ) - রুধীণ
- এ'টিমের জন্মদিন ।। সময়ের নবকুমারদের জন্য তিনউল্লাস - হাসান মোরশেদ
- পাকমন পেয়ার - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- আমরা মহল্লায় আছি , লাগলে মিসকল দিয়েন ( এ-টিমের জন্মদিন, হোসেইনের শুভেচ্ছা ) - হোসেইন
- প্রবাস জীবনে - ৩ (নেকু দৈ রেসিপি) - এস্কিমো
- আমার দেখা সেরা ১০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- প্রজাপতি’টা (ব্লগে, গান পাগল বিষাক্ত মানুষ কে)
- কাল্বেলা
- লুটপাট- জেমস (উৎসর্গ- বিষাক্ত মানুষ) - হমপগ্র
- Another Brick in the Wall--Pink Floyd - রাশেদ
- আমাদের বিমার গাওয়া (বিষাক্ত মানুষ) একটি গান। (এ্যালবাম স্বপ্নচূড়া -২) ও আমার একটি কবিতা। - নাদান
- বিমা রে মাইকে ধন্যবাদ............
- েজবীন
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- গনপ্রজান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে যুদ্ধাপরাধ কি এবং যুদ্ধাপরাধী কারা? - এস্কিমো
- বিজ্ঞাপনোষ্টালজিয়া ... - অলৌকিক হাসান
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ৩
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৬
বিয়ের আগের দিন সকাল সাড়ে সাতটার বাসে চড়ে রওনা দিলাম কোশালিনের উদ্দেশ্যে। সাথে একটা ছোট ব্যাগ আর ডজনখানেক সফর সঙ্গিনী , প্রায় নয় ঘন্টার জার্নি খুব মেজাজ খারাপ নিয়ে শুরু হলো , বাস ভর্তি লোকজন কিন্তু সুন্দরী সফর সঙ্গিনী নাই একটাও। সুন্দরী তো দুরের কথা ত্রিশের নিচেই কেউ নাই। জানলা দিয়ে বাইরের প্রাকৃতির ফটু তুলতে তুলতে পুরাটা রাস্তা কাটাইলাম। বাইরে মন খারাপ করা থেমে থেমে ঝিরঝির বৃষ্টি, এরমধ্যেই বিকাল সাড়ে চারটায় কোশালিন নামলাম। একেবারে উত্তরের মফস্বল শহর একটা, ছয় কিলোমিটার দুরেই বালটিক সাগর, শহরটা ছিমছাম সুন্দর এবং তুলনামূলক বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। লোকজন অনেক কম এবং চমৎকার চমৎকার স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ধাচের বাড়ি-ঘর সারা শহর জুড়ে।
ফোন দিলাম লীনাকে, উচ্ছসিত কন্ঠে বললো -
- যাস্ট সাত মিনিট অপেক্ষা করো দোস্তো আমি আসছি ।
বলেই ফোন রেখে দিলো, একটা সিগারেট ধরিয়ে চিন্তা করতে থাকলাম সাত মিনিট আবার কি রকম হিসাব !
ঘড়ি ধরে সাত মিনিটের মাথায় দুরে লীনাকে গাড়ি থেকে নামতে দেখা গেলো, লীনার কোকড়া চুলের রং বদলে গেছে ইতিমধ্যে, আগে হালকা বাদামী ছিলো এখন লালচে কমলা। কিছু বুঝে উঠার আগেই আশপাশ কাঁপিয়ে চিৎকার করে আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে তার শহরে স্বাগতম জানালো।
বাসায় যাবার পুরোটা পথে বকবক করে আশেপাশের জায়গাগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে থাকলো। গাড়ি থেকে নামলাম একটা ছিমছাম চারতলা বাড়ির সামনে, এলাকাটা একটু পাহাড়ী উঁচু নিচু রাস্তা কিন্তু বেশ ছিমছাম। নেমেই গেটের ভিতর শেফার্ডের সাথে আমার ভালো মতন পরিচয় করিয়ে দিলো । ঘরে ঢুকে সিড়ি বেয়ে উপরে ওঠার সময় দোতালায় ফিসফিস করে বললো এইটা আমার বাবার ফ্লোর এখানে কখনো শব্দ করবা না, বাবার হার্টের সমস্যা আছে। তিনতলায় তিনটা বিশাল বিশাল বেড রুম । এরমধ্যে একটাতে আমাকে ঢুকিয়ে ম্যাট্রেসের উপর একটা স্লিপিং ব্যাগ দেখিয়ে বললো,
- এখানে তুমি ঘুমাবা । তোমার ব্যাগ রেখে উপরে চলো..
ব্যাগ রেখে চারতলায় গিয়ে দেখি পাঁচ ছয়জন ছেলে-মেয়ে তুমুল আড্ডা দিচ্ছে। সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে লীনা বললো,
- এই ফ্রীজে যত কিছু আছে , এবং ঐপাশে যত খাবার আছে এবং কাবার্ডের উপর যত সিগারেট আছে সব আমার বন্ধুদের জন্য মানে তোমাদের সবার জন্য সুতরাং যখন যা লাগবে যাস্ট নিয়ে খেয়ে ফেলবা, কাউকে জিজ্ঞাসা করার কিছু নাই । আর ভাল কথা , আমি জানি তুমি পোর্ক খাও না সুতরাং ফ্রীজে পোর্কের তৈরী কোন খাবার নাই , নিশ্চিন্তে সব খেতে পারো। আরেকটা কথা এই রুমে যতখুশী সিগারেট খেতে পারবা কিন্তু ব্যালকনিতে সিগারেট খাওয়া নিষেধ।
সেখানেই আড্ডায় জমে গেলাম, একজন একজন করে আরো কয়েকজন এসে যোগ দিতে থাকলো। সন্ধ্যে নয়টার দিকে সবাই মিলে ঠিক করলো সাগর পাড়ে যাবে । হৈ হৈ করে সবকটা মিলে তিনটা গাড়ি বোঝাই করে বালটিকের পাড়ে রওনা দিলাম। লীনা আমাকে তার গাড়িতে নিলো, গাড়ি চালাতে চালাতে চিৎকার করে গান গাচ্ছিলো সারা রাস্তায়, একসময় আমাকে বললো,
- তোমাদের দেশি একটা গান শোনাও। মিনমিন করে গাইলে হবে না আমার মত গলা ছেড়ে গাইতে হবে, শুরু করো ।
বেচারী তখনো জানে নাই আমি কি জিনিস ! হেড়ে গলায় গান গাওয়া আমার কাছে ওয়ান-টু'র ব্যাপার।
শুরু করলাম হ্যাপী আকন্দের 'চলো না ঘুরে আসি' দিয়ে শেষ হতেই হাইওয়ের পাশে ঘ্যাচ করে গাড়ি থামিয়ে লীনা বললো ,
- ঐ ব্যাটা ! তুমি কি গান গাও নাকি !! আগে বল্লা না কেন !!! যাইহোক , গানটা মারাত্মক লাগছে আমার এই নাও তোমার পুরষ্কার বলে আমার হাতে এক প্যাকেট মার্লবরো ধরিয়ে দিয়ে বললো আরেকটা শুরু করো ।
মিনিট পনের পরে সাগরে কাছে পৌছলাম, সাগর দেখা যাচ্ছে না কিন্তু প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস বুঝিয়ে দিচ্ছে সাগরের উপস্থিতি। দু'মিনিট হেঁটেই পুরনো বন্ধুর দেখা মিললো, বালটিক সাগর । হালকা কাপড় পড়ে চলে আসছিলাম আমি প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাসে ঠকঠক করে কাঁপতে শুরু করলাম। ওদিকে বিয়ের কনে বালুর উপর তার আরেক বন্ধুর সাথে জুডো শুরু করে দিয়েছে। পরের দিন এই মেয়ের বিয়ে কে বলবে !
বাসায় ফিরে লীনা বন্ধুদের নিয়ে পাড়া দেখাতে বের হলো, প্রতিটা গলি প্রতিটা বাসা নিয়ে তার শৈশবের অনেক গল্প। তার ছোট বেলার খেলার মাঠ , মাঠের পাশে বিরাট গাছে ছোটবেলার গাছবাড়ি। বড় এক পাথরের উপর মাথা ফাটিয়ে ফেলার সেই পাথরটা। মাথার উপর তখন হাজার তারার রাতের আকাশ। হৈ-হুল্লোর করতে করতে আবার সব বাসায় ফিরলাম, বাসায় ফিরে চরতলার হলরুমে আবার আড্ডা শুরু হলো । এমন সময় লীনার বাবা আড্ডায় হাজির হলো । ৫৪ বছর বয়সী পেটানো শরীরের ভদ্রলোক। গমগম স্বরে সবাইকে 'দোব্রে ভিয়েচর' জানালো। একটা চেয়ার ছেড়ে দেয়া হলো উনার জন্য, লীনার বাবা আসার পর আড্ডার ভলিউম একটু নেমে গিয়েছিলো । উনি হাসি মুখে বললো - তোমরা ভলিউম কমিয়ে দিলে কেন ? আমি কিন্তু এখনো তোমাদের মত তরুন .. অবশ্য শরীরের বয়সটা সামান্য একটু বেড়ে গিয়েছে।
কথা শুনে সবাই আবার চিৎকার চেচামেচি শুরু করলো ।
সবার সাথে টুকটাক কথা বলে আমার কাছে এসে ভদ্রলোক আটকে গেলেন । লীনাকে বললেন ,
- তুই তো কখনো বলিস নাই তোর বাংলাদেশী বন্ধু আছে !!
লীনা দুষ্টামির হাসি দিয়ে বললো,
- এখন বল্লাম ।
আমাকে উনি হাসি মুখে হুকুমের স্বরে বললেন,
- মাই সান , এখানে আমার পাশে তোমার চেয়ারটা নিয়ে আসো, তোমার কাছে আমার অনেক কিছু জানার আছে ।
তারপর প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে আমার সাথে কথা হলো উনার । প্রচন্ড রকমের মেধাবী লোক । বাংলাদেশ সম্পর্কে ভাসা ভাসা জানতেন, আমাকে পেয়ে পুরোটা জেনে নিলেন (উনার সাথে কি কি কথা হয়েছে পুরোটা বলতে গেলে সেটা আরেক পর্বের সমান হবে)।
যাবার সময় বললেন ,
- আমাদের গল্প কিন্তু এখানেই শেষ হয় নাই । আশা করি কাল আমরা আবার আড্ডা দিবো।
একে একে সবাই উঠে ঘুমাতে চলে গেলো । শেষে আমি লীনা আর মারেক নামে লীনার ছোটবেলার এক বন্ধু রইলাম। মারেক ছেলেটা লন্ডন থাকে, বন্ধুর বিয়েতে চলে আসছে এখানে।
এখানে একটা কথা বলে রাখি , পুরো বাড়িতে বয়স্ক লোক বলতে একমাত্র লীনার বাবা। কনের বাড়ি , পরদিন বিয়ে অথচ সারা বাড়ি ভর্তি শুধুমাত্র কনের বন্ধু-বান্ধব । এক ফাঁকে লীনার কাছে তার মায়ের কথা জানতে চাইলাম। লীনা স্বাভাবিক গলায় বললো ,
- আমার বাবা-মা'র ডিভোর্স হয়ে গেছে। আমার ছোট বোনটা মা'র সাথে থাকে, এ শহরেই। আমি হচ্ছি বাবার মেয়ে , বাবা আমার সবকিছু এবং আমিও বাবার সবকিছু। কাল বিয়েতে আমার মা আর ছোট বোনটা আসবে তুমি তখন তাদের দেখতে পাবে।
আমি বোকার মত আরেকটু আগ্রহ দেখালাম ... লীনা বললো,
- না, মা বিয়ে করেনি । আমার ধারনা বাবা-মা দু'জন দু'জন কে এখনো ভালবাসে, তাও দু'জন আলাদা থাকে। কিন্তু সত্যি কথা হচ্ছে আমার মা একটা প্রচন্ড রকমের উচ্চাকাংখী মহিলা। তার চাহিদার শেষ ছিলো না। আমাদের এই বাড়িটা দেখছো এটা আমার দাদা বানিয়েছে । আমরা দু বোন এখানেই শৈশব কাটিয়েছি তার পরেও বাবাকে মা বাধ্য করেছে শহরের উচ্চবিত্ত এলাকায় আরেকটা বাড়ি কেনার জন্য। বাবা পরে সেখানে বাড়ি বানিয়েছে .... এবং সেই বাড়িতে ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই বাবা-মা'র ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
পরদিন মেয়েটার বিয়ে, তাই মন খারাপ করা বিষয়টা নিয়ে আর ঘাটালাম না। শুভ রাত্রি বলে ঘুমাতে চলে গেলাম।
......... চলবে
প্রকাশ করা হয়েছে: ব্লগর ব্লগর বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আছি কোনরকম । সেই আড্ডার ছবি তোলা হয় নাই আসলে । তখন ক্যামেরা ব্যাগে ছিলো।
খাইতে গেলাম .. খিদা লাগছে।
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
সিরিজের এই পর্বটা সবচে ভাল লাগলো।ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে, গিটারওয়ালা রুমটা কি লীনাদের বাসার?
লেখক বলেছেন: হুম ... আমি যে রুমে ছিলাম সেখান থেকে তোলা
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
খুব সুন্দর, একদম ছবির মতো!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
এই ফ্রীজে যত কিছু আছে , এবং ঐপাশে যত খাবার আছে এবং কাবার্ডের উপর যত সিগারেট আছে সব আমার বন্ধুদের জন্য মানে তোমাদের সবার জন্য সুতরাং যখন যা লাগবে যাস্ট নিয়ে খেয়ে ফেলবা, কাউকে জিজ্ঞাসা করার কিছু নাই----কি কন। এও সম্ভব।
চলুক।
লেখক বলেছেন: চার দিন ছিলাম সেখানে । তখনো তিন ভাগের একভাগ খাবার থেকে গিয়েছিলো। একগাদা ছেলেপেলে মিলেও শেষ করতে পারে নাই খাবার। তবে সিগারেট দ্বিতীয় দিনেই শেষ ।
নৈঃশব্দ্যের কোলাহল বলেছেন:
পড়ে খুব মজা পেলাম। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
এই পর্বের লেখাটা ভালৈছে। ছবিগুলোও সুন্দর। প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো অনেকটা আমাদের দেশের মত।জলদি জলদি পরের পর্ব দিয়ে দিয়েন। লেইট করবেন না একেবারে।
ভালো থাকবেন বিমা ভাই।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে তাড়াতাড়ি দিবো নে। থ্যাংকু
লেখক বলেছেন: না , এইটা কোম্পানীগঞ্জে গিয়া এক্টা বিয়া খাইছিলাম... সেই কাহিনী । ![]()
চানাচুর বলেছেন:
বিষাক্ত ভাইয়া সেইদিন ওই গানটা পেয়ে হাত থেকে পিছলায়া গেল। তবে দশদিনের মধ্যেই ওই গান আপনাকে শুনাবো ইনশাল্লাহ্ লেখক বলেছেন: ঠিকাছে । অপেক্ষায় বয়া রৈলাম
লেখক বলেছেন: কারে !
লেখক বলেছেন: এই যাহ ! এই রাতে তো লীনার প্রেমের সূচনা পর্ব নিয়ে অনেক আলাপ হয়েছিলো । একেবারেই মনে নাই বলতে । ধুর!
কঁাকন বলেছেন:
তিন পর্ব হইয়া গেল এখনো তো কুকুর্মা, মেন্দি কিছু কিনলোই না ; বাটা তো দূরের কথা এইরকম একতা স্টাইলে টানেন কেন
লেখক বলেছেন: একতা মানে ? একতা এক্সপ্রেস ??!!
জীবিত থাকিয়াও মৃত বলেছেন:
'দোব্রে ভিয়েচর'
লেখক বলেছেন: জিন্দোব্রে
সহেলী বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং অভিজ্ঞতা ! লীনার মা কিভাবে এমন করতে পারে ; অদ্ভুত !
লেখক বলেছেন: আসলেই অদ্ভুত।
অক্ষর বলেছেন:
পর্লাম, এখনো স্বাভাবিক লাগতাছে
লেখক বলেছেন: পুরাটাই স্বাভাবিক । অস্বাভাবিক কিছুই নাই
লেখক বলেছেন: হু !! ![]()
লেখক বলেছেন: তোমার কপালে মনে হয় আর বিদ্যাশ যাওয়া নাই । একটা সিলেটী কইন্যা দেইখা ঝুলে পড়ো তাইলে লন্ঠন যাইতার্বা। লন্ঠন শহরের নাম শুন্ছো তো ?
লেখক বলেছেন: হ .. কবে যে বিদ্যাশ যামু । সেই ৯৮ সালে একবার সাতক্ষিরা গেছিলাম ... তারচেয়ে দুরে আর কোথাও যাই নাই ।
বালটিকে যাইয়া কি কর্বা ?
মানুষ বলেছেন:
বাল টিক নামটা অশ্লীল
লেখক বলেছেন: এক দেশের বুলি আরেক দেশের গালি ।
ওয়ারশ তে একটা রেস্টুরেন্ট দেখছিলাম নাম 'pootki' ![]()
চাঙ্কু বলেছেন:
আমিতো আমাগো গেরামের বাইরেই কুন দিন যাই নাই বালটিকে যাইয়া বরফ ঠান্ডা পানি সাতার কাটমু । কইতে পারুম "বিদেশী সাগরে সাঁতার কাটছি "
লেখক বলেছেন: হ... আর পিপাসা পাইলে ঠান্ডা পানিতে চিনি দিয়া সরবত বানায় খাওন যাইবে , আলাদা কইরা বরফ দিতে হবে না ![]()
নীল-দর্পণ বলেছেন:
আগের একটা পর্ব মনে হয় পড়ছিলাম। এই পর্বটা অনেক ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
আহা! এইরকম বিয়ে আসলেই খাওয়া দরকার.....""কনের বাড়ি , পরদিন বিয়ে অথচ সারা বাড়ি ভর্তি শুধুমাত্র কনের বন্ধু-বান্ধব """
ইশ! কী মজা রে.... আমার বইনের বিয়ার সময় কাম করতে করতে কোমর বাঁকা হইয়া গেছিল
লেখক বলেছেন: তার্পর ক্যামনে সোজা করছিলা ?
লেখক বলেছেন: হা হা ,,, বুচছি এইবার
লেখক বলেছেন: হু ... শুধু আমাকেই পাইছিলো ![]()
লেখক বলেছেন: কি হৈলো আবার !
জয়িতা বলেছেন:
ভালো লাগছে তোমার আনন্দ ভ্রমনের গল্প পড়তে।আ কেমন?এতদিন পর পর পুষ্ট দেও কেন?আইলসা হয়ে গেছ নাকি?
লেখক বলেছেন: ঝামেলায় আছি গো আফা
লেখক বলেছেন: ভুলে মিসটেক হয়া গেছে ।
লেখক বলেছেন: আলসামি লাগে লেখতে ![]()
আপনি কেমন আছেন !!! ম্যালাদিন পরে দেখলাম ব্লগে
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন:
চলবে চলবে বলে থেমে আছে কেনো লেখা?!চাচ্চুওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওওও
লেখক বলেছেন: আলসামি লাগে রে ![]()
লেখক বলেছেন: এই সারছে !!! কোন গানটা যেন !! বয়স হইছে তো ইদানিং কিছু মনে রাখতে পারি না
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে পড়িস। তোর ডিফেন্সের কদ্দুর !
লেখক বলেছেন: ও আইচ্চা
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
"বংগ আমার জননী আমার.......কোটি কোটি মিলিত কন্ঠে ডাকে যখন আমার দেশ"
এই গানটা অনেক আগে আমি ইন্দ্রানি সেনের কন্ঠে শুনেছিলাম, "বেস্ট অফ ইন্দ্রানি সেন" টাইপের কোন একটা ক্যাসেটে।
গানটা আমার ইন্দ্রানি সেনের কন্ঠে দরকার।
--
পরের পর্ব কবে?
লেখক বলেছেন: খুজলাম অনেক .. পাইলাম না ![]()
তবে চেষ্টা জারি থাকবে
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
আরেকটা কথা - যেহেতু সবকিছু ভোলার রোগে পাইছে, আর যেহেতু এই ইহজনমে করবা না, একটা সুন্দরী সেক্রেটারী রাখলেই পার। পোলিশরা তো দেখতে খুব একটা খারাপ না লেখক বলেছেন:
লা-হাউলা ওয়ালা কুউয়াৎ ![]()
বিডি আইডল বলেছেন:
ছবিগুলা জোশ
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
রাশেদ বলেছেন:
কই তুই!
লেখক বলেছেন: কাল্কে তাড়াতাড়ি ঘুমায় পরছিলাম। এখন আবার আসলাম
ড়ৎশড় বলেছেন:
আপনার লিখা পড়ে আর ছবিগুলো দেখে সেখানে যেতে মনে চাচ্ছে।কি মজায় না আছেন আপনারা!আর আপনার লিখার হাত অসাধারণ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু ![]()
আসলে কিন্তু ব্যাপারগুলা এত মজা না । হাজার মাইল দুরে সারাক্ষন যখন দেশের জন্য মন কেমন করবে .. সেই অনুভূতিটা কিন্তু লিখে বোঝাতে পারবো না। এরজন্য ছোটখাটো বিষয়গুলো নিয়ে মেতে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। দেশান্তরী জিনিসটা কিন্তু সুখকর কিছু না
পারভেজ বলেছেন:
পড়তে খুব ভালো লাগছে।তবে আধুনিক নাগরিক জীবনের ধাঁচটা সব দেশেই বোধহয় কমবেশী সমান। লীনার মায়ের মতো এদেশেও আছে বৈকি।
লেখক বলেছেন: সে আর বলতে !
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
নানা ধরনের মানুষ নিয়ে আমার ভাবতে ভাল লাগে ... কত অদ্ভুত অদ্ভুত মানুষ দুনিয়া জুড়ে ! তিন পর্ব একসাথে পড়ে ফেললাম, অসাধারন লাগলো ....পরের পর্বে জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে আছি ......
লেখক বলেছেন: লিখবো শিঘ্রিই
লেখক বলেছেন: ভাল্লাগে না
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: কে রে এটা !
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
আপনার ব্লগে আসলাম গান শুনবো আশায়। নতুন কোন গানের পোষ্ট নাই। বিমা গান চাই, গান
লেখক বলেছেন: আচ্ছা গান দিবো নে
লেখক বলেছেন: হুমম .. গান শুনছিলাম । ডিপ পার্পল, রেইনবো, ডিও ... জীবনের প্রথম দিকে শোনা ইংরেজী গানগুলো পিয়াল ভাই খোমাখাতায় দিয়ে নস্টালজিক বানায় দিলো
লেখক বলেছেন: না .. বিয়া তো শুরুই হয় নাই
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন:
ধুর, আমি বাংলা গানের কথা বলছিলাম। ভালো কথা গানটান পোষ্টাও না কেনো আর ?
লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা !!!! সেই পুকুর জলে সাতার দিও !!!
ইউটু্বে খুজলাম তো .. পেলাম না ![]()
লিংক দে
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন:
পুকুর জলে সাঁতার না দিঘীর জলে সাঁতার (গররররররররররর)পাও নি!! বলো কি! আমিতো আমার ব্লগের পোষ্টে দিলাম, সবাই পেয়েছে। আর লিংকতো তোমাকে সকালেই এফ.বি. তে দিলাম!
Click This Link
লেখক বলেছেন: ![]()
সুন্দর গান । থ্যাংকু
লেখক বলেছেন: হ
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
এরপরে কই??
লেখক বলেছেন: লিখুম
দূরন্ত বলেছেন:
পড়লাম।। পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি....
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
নুশেরা বলেছেন:
"উনার সাথে কি কি কথা হয়েছে পুরোটা বলতে গেলে সেটা আরেক পর্বের সমান হবে"কুর্কুমা বাটাবাটি শেষ হইলে (শেষ হওনের কোন লক্ষণ দেখতেছিনা
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
রুবেল শাহ বলেছেন:
দারুন হইছে বস লেখা বড় বলে প্রিন্ট করে নিয়ে যাই বাসায় গিয়ে পড়তে হয় ...................ভাল লাগা রইল
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু
দীপান্বিতা বলেছেন:
খুব ভাল লা গ ল......পরেরদিন কি হল কবে যানাবেন?
লেখক বলেছেন: জানাবো একটু ব্যস্ত আছি
লেখক বলেছেন: না নাই ![]()
লেখক বলেছেন: দিবো দিবো .. একটু ফুসরত পাইয়া নেই
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
লেখক বলেছেন: জানাবো একটু ব্যস্ত আছি লেখক বলেছেন: দিবো দিবো .. একটু ফুসরত পাইয়া নেই ......
আপনে তো বলতেছেন ঠিকাছে, ফুসরত পাইয়া নিয়াই লেখেন। কিন্তু এই ক্লাইম্যাক্সে আইসা দোস্তনীর বিয়া আটকাইয়া রাইখা কি ভাল কাম করতেছেন??? আপনের দোস্তনীর হবু জামাইয়ের অবস্হা কি হইতেছে ভাবছেন সেইটা???
লেখক বলেছেন: সেইটা তো আসলেই ভাবনার বিষয়
লেখক বলেছেন: আর বইল্লেন্না, সেই পোল্যান্ড থিকা চেক রিপাব্লিক, অস্ট্রীয়া, ইতালি ঘুইরা ঢাকা আসতে আসতে দেরি হইয়া গেছে
নাহিন বলেছেন:
তারপর? তারপর?? তারপর???
লেখক বলেছেন: বলুম আস্তে আস্তে
লেখক বলেছেন: দিমুরে ভাই । ![]()
মেহবুবা বলেছেন:
কেমন আছো ? আগে জমিয়ে রাখতে ব্লগ এখন কি ব্যস্ত ?
লেখক বলেছেন: ঢাকায় প্রচন্ড গরমে মারা যাচ্ছি।
একটু ঘুরে ফিরে নেই । তার্পর আবার মাতাবো।
আয়মান কেমন আছে ?
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
টিং টং!!!!!!এতদিন আপনের পোল্যান্ডের বাসায় নক করছি... দরজা খুলেন নাই..
লেখক বলেছেন: হে হে .. বাসায় তো থাকার টাইম পাই না । পুরা দৌড়ের উপ্রে আছি রে
লেখক বলেছেন: ট্যুর দিছিলাম । সেই একমাসের ট্যুরের শেষ গন্তব্য ছিলো ঢাকা।
হনলুলু বলেছেন:
বিমাভাই বান্দরবান ঘুরতে আসবেন না ?
লেখক বলেছেন: তুমি বল্লে তো অবশ্যই আসুম ![]()
সিনথিয়া জামান বলেছেন:
তুই লাল পাহাড়ের দেশে যারাঙামাটির দেশে যা
ইথাক তোকে মানাইছে না রে
ইক্কেবারে মানাইছে না রে
আমার খুব প্রিয় একটা গান। খুব ছোটবেলায় কলকাতা গিয়ে এই গানটা প্রথম শুনি। গানটা শুনেই দেশে ফিরে আসার জন্য মন কাদঁতে লাগলো!
লেখক বলেছেন: কোথায় আছেন এখন ?
লেখক বলেছেন: আমিও দেশের মানুষ দেশেই ফিরে আসছি
লেখক বলেছেন: দেশে বইসা বিদ্যাশি গল্প লেখতে মঞ্চায় না
লেখক বলেছেন: দেশে থাকবো আরো বেশ কিছুমাস ![]()
কেমন আছেন?
ভাঙ্গন বলেছেন:
লেখেন পরের পর্ব!
লেখক বলেছেন: লিখুম ... দিরং আছে
লেখক বলেছেন: হুমম .. এয়ারপোর্ট থেকে ফেরার পথে লবন-মরিচ দেয়া তিন্টা আমড়া খেয়ে শুরু করেছি ... এখনো চলছে সেটা
'লেনিন' বলেছেন:
দারুণ সব ঘটনা.. কিন্তু এতো দেরি কেনো? ছোট ছোট আকারে পর্ব চালিয়ে নিন না।
লেখক বলেছেন: নিবো ...
লেখক বলেছেন: দেশে আসবেন কবে !!
লেখক বলেছেন: দেখলাম .. ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: সবুরে মেওয়া ফলে .. (মেওয়াটা কি জিনিস জিজ্ঞাস কইরেন্না আবার ..)
লেখক বলেছেন: আপনার কি অবস্তা !
লেখক বলেছেন: লিখা লিখি করতে ক্যান জানি আগের মত ভাল্লাগেনা .. আগে তো কোন কাজ ছিলো না ... এখন তো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়াটাও একটা ভিষন জরুরি কাজ
লেখক বলেছেন: আমি তো গাইবান্ধা গেছিলাম ১৯৯৮ সালে .... এরচেয়ে বেশি দুর কখনো যাই নাই .. বিদ্যাশ তো দুরের কথা ![]()
লেখক বলেছেন: নাহ .. এবার লিখা শুরু করবোই
পান্থ বিহোস বলেছেন:
পরের পর্ব দেন জলদি কইরা। নইলে কিন্তু... নইলে কিন্তু... নইলে কিন্তু.... না, কিচ্ছু না।
পরের পর্ব দেন, ভাই না বালা.......
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
এইটার পরের পর্ব কি ঐ মেয়ের বাচ্চার বিয়ের সময় আসবে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















এই পুস্টে লুকজনের ফটুক দিলেই বোধহয় ভালা হইতো।
আছেন ক্যামন?