somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কি করলে যে বেহেস্তে যামু ... বুঝতাছি না আগ্রহ নিয়া বয়ান শুন্তে বসলাম ..

কারন এই হুজুরের মুখে বছর পাঁচেক আগে বলতে শুনছিলাম -

"ইসলাম প্রতিষ্ঠায় আপনার সামনে যারা বাঁধা দিতে আসবে তাদেরকে সরিয়ে ফেলা আপনার ঈমানী কর্তব্য, ক্ষেতে ফসল ফলানোর সময় আগাছা যেমন উপড়ে ফেলতে হয় সেভাবে সকল বাঁধা উপড়ে ফেলতে হবে। আগাছাকে যেমন যেমন গাছ হিসেবে দেখার কোন কারন নাই, তেমনি ইসলামের শত্রুদের মানুষ হিসেবে দেখার কোন কারন নাই।"

খুব ছোটবেলায় বইয়ে একটা গল্প পড়েছিলাম,

এক বুড়ি রোজ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখতেন, একদিন রাস্তায় কাঁটা দেখতে না পেয়ে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বুড়ির বাসায় গিয়ে হাজির হলেন বুড়ি অসুস্থ্য কিনা জানার জন্য।

আমি তখন চিন্তায় পড়ছিলাম নবীর উপর আঘাত মানেই তো ইসলামের উপর আঘাত ... সেই বুড়িকে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কেন আগাছা হিসেবে উপড়ে ফেল্লেন না !

আজকে দেখি সেই সাচ্চা মুসলমান হুজুর মহা জোশে টিভি চ্যানেলে বয়ান দিচ্ছে.. উনি একটা ফিকশন গল্প শুরু করলেন..

"রোজ হাশরে আল্লাহর সামনে এক বান্দাকে হাজির করা হলো । আল্লাহ জানতে চাইতেন
- তুমি পৃথিবীতে কি করেছো ?
বান্দা জবাব দিলেন -
- হে আল্লাহ আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম ।
আল্লাহ সাথে সাথে বল্লেন -
- তুমি তো আমার জন্য কিছু করো নাই।
বলেই বান্দাকে দোজখে নিক্ষেপ করা হইলো।......"

আমি আবার চিন্তায় বসলাম .. মুক্তিযোদ্ধারা বেহেস্তে যাচ্ছে না কনফার্ম । তারমানে বেহেস্তে কারা যাচ্ছে ??

এখনো চিন্তা করে যাচ্ছি ............


(হারামজাদার ছবি আপলোড করলাম)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/29001004 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/29001004 2009-08-28 16:50:35
ফ্রী পুস্ট ২ বছর ৪ ঘন্টা আজকে দেখাইতাছে আমার বয়স নাকি ২ বছর চাইর ঘন্টা । লে হালুয়া !!!
সামুনে দৌড়া দৌড়ির দুই বছর হয়া গেলো !!!

দুস্ত দুস্তি বড় ভাই আফা ছুটু পুলাপান সবাইরে মনে কইরা এক্টু জাবর কাটলাম কিছুক্ষন ।

আহারে সোনালী দিনগুলিরে ।

.. দেখি আবার জাবর কাটতে বসি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28998629 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28998629 2009-08-23 20:43:29
কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ৩
ফোন দিলাম লীনাকে, উচ্ছসিত কন্ঠে বললো -
- যাস্ট সাত মিনিট অপেক্ষা করো দোস্তো আমি আসছি ।
বলেই ফোন রেখে দিলো, একটা সিগারেট ধরিয়ে চিন্তা করতে থাকলাম সাত মিনিট আবার কি রকম হিসাব !
ঘড়ি ধরে সাত মিনিটের মাথায় দুরে লীনাকে গাড়ি থেকে নামতে দেখা গেলো, লীনার কোকড়া চুলের রং বদলে গেছে ইতিমধ্যে, আগে হালকা বাদামী ছিলো এখন লালচে কমলা। কিছু বুঝে উঠার আগেই আশপাশ কাঁপিয়ে চিৎকার করে আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে তার শহরে স্বাগতম জানালো।
বাসায় যাবার পুরোটা পথে বকবক করে আশেপাশের জায়গাগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে থাকলো। গাড়ি থেকে নামলাম একটা ছিমছাম চারতলা বাড়ির সামনে, এলাকাটা একটু পাহাড়ী উঁচু নিচু রাস্তা কিন্তু বেশ ছিমছাম। নেমেই গেটের ভিতর শেফার্ডের সাথে আমার ভালো মতন পরিচয় করিয়ে দিলো । ঘরে ঢুকে সিড়ি বেয়ে উপরে ওঠার সময় দোতালায় ফিসফিস করে বললো এইটা আমার বাবার ফ্লোর এখানে কখনো শব্দ করবা না, বাবার হার্টের সমস্যা আছে। তিনতলায় তিনটা বিশাল বিশাল বেড রুম । এরমধ্যে একটাতে আমাকে ঢুকিয়ে ম্যাট্রেসের উপর একটা স্লিপিং ব্যাগ দেখিয়ে বললো,
- এখানে তুমি ঘুমাবা । তোমার ব্যাগ রেখে উপরে চলো..
ব্যাগ রেখে চারতলায় গিয়ে দেখি পাঁচ ছয়জন ছেলে-মেয়ে তুমুল আড্ডা দিচ্ছে। সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে লীনা বললো,
- এই ফ্রীজে যত কিছু আছে , এবং ঐপাশে যত খাবার আছে এবং কাবার্ডের উপর যত সিগারেট আছে সব আমার বন্ধুদের জন্য মানে তোমাদের সবার জন্য সুতরাং যখন যা লাগবে যাস্ট নিয়ে খেয়ে ফেলবা, কাউকে জিজ্ঞাসা করার কিছু নাই । আর ভাল কথা , আমি জানি তুমি পোর্ক খাও না সুতরাং ফ্রীজে পোর্কের তৈরী কোন খাবার নাই , নিশ্চিন্তে সব খেতে পারো। আরেকটা কথা এই রুমে যতখুশী সিগারেট খেতে পারবা কিন্তু ব্যালকনিতে সিগারেট খাওয়া নিষেধ।
সেখানেই আড্ডায় জমে গেলাম, একজন একজন করে আরো কয়েকজন এসে যোগ দিতে থাকলো। সন্ধ্যে নয়টার দিকে সবাই মিলে ঠিক করলো সাগর পাড়ে যাবে । হৈ হৈ করে সবকটা মিলে তিনটা গাড়ি বোঝাই করে বালটিকের পাড়ে রওনা দিলাম। লীনা আমাকে তার গাড়িতে নিলো, গাড়ি চালাতে চালাতে চিৎকার করে গান গাচ্ছিলো সারা রাস্তায়, একসময় আমাকে বললো,
- তোমাদের দেশি একটা গান শোনাও। মিনমিন করে গাইলে হবে না আমার মত গলা ছেড়ে গাইতে হবে, শুরু করো ।
বেচারী তখনো জানে নাই আমি কি জিনিস ! হেড়ে গলায় গান গাওয়া আমার কাছে ওয়ান-টু'র ব্যাপার।
শুরু করলাম হ্যাপী আকন্দের 'চলো না ঘুরে আসি' দিয়ে শেষ হতেই হাইওয়ের পাশে ঘ্যাচ করে গাড়ি থামিয়ে লীনা বললো ,
- ঐ ব্যাটা ! তুমি কি গান গাও নাকি !! আগে বল্লা না কেন !!! যাইহোক , গানটা মারাত্মক লাগছে আমার এই নাও তোমার পুরষ্কার বলে আমার হাতে এক প্যাকেট মার্লবরো ধরিয়ে দিয়ে বললো আরেকটা শুরু করো ।

মিনিট পনের পরে সাগরে কাছে পৌছলাম, সাগর দেখা যাচ্ছে না কিন্তু প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস বুঝিয়ে দিচ্ছে সাগরের উপস্থিতি। দু'মিনিট হেঁটেই পুরনো বন্ধুর দেখা মিললো, বালটিক সাগর । হালকা কাপড় পড়ে চলে আসছিলাম আমি প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাসে ঠকঠক করে কাঁপতে শুরু করলাম। ওদিকে বিয়ের কনে বালুর উপর তার আরেক বন্ধুর সাথে জুডো শুরু করে দিয়েছে। পরের দিন এই মেয়ের বিয়ে কে বলবে !

বাসায় ফিরে লীনা বন্ধুদের নিয়ে পাড়া দেখাতে বের হলো, প্রতিটা গলি প্রতিটা বাসা নিয়ে তার শৈশবের অনেক গল্প। তার ছোট বেলার খেলার মাঠ , মাঠের পাশে বিরাট গাছে ছোটবেলার গাছবাড়ি। বড় এক পাথরের উপর মাথা ফাটিয়ে ফেলার সেই পাথরটা। মাথার উপর তখন হাজার তারার রাতের আকাশ। হৈ-হুল্লোর করতে করতে আবার সব বাসায় ফিরলাম, বাসায় ফিরে চরতলার হলরুমে আবার আড্ডা শুরু হলো । এমন সময় লীনার বাবা আড্ডায় হাজির হলো । ৫৪ বছর বয়সী পেটানো শরীরের ভদ্রলোক। গমগম স্বরে সবাইকে 'দোব্রে ভিয়েচর' জানালো। একটা চেয়ার ছেড়ে দেয়া হলো উনার জন্য, লীনার বাবা আসার পর আড্ডার ভলিউম একটু নেমে গিয়েছিলো । উনি হাসি মুখে বললো - তোমরা ভলিউম কমিয়ে দিলে কেন ? আমি কিন্তু এখনো তোমাদের মত তরুন .. অবশ্য শরীরের বয়সটা সামান্য একটু বেড়ে গিয়েছে।
কথা শুনে সবাই আবার চিৎকার চেচামেচি শুরু করলো ।

সবার সাথে টুকটাক কথা বলে আমার কাছে এসে ভদ্রলোক আটকে গেলেন । লীনাকে বললেন ,
- তুই তো কখনো বলিস নাই তোর বাংলাদেশী বন্ধু আছে !!
লীনা দুষ্টামির হাসি দিয়ে বললো,
- এখন বল্লাম ।
আমাকে উনি হাসি মুখে হুকুমের স্বরে বললেন,
- মাই সান , এখানে আমার পাশে তোমার চেয়ারটা নিয়ে আসো, তোমার কাছে আমার অনেক কিছু জানার আছে ।
তারপর প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে আমার সাথে কথা হলো উনার । প্রচন্ড রকমের মেধাবী লোক । বাংলাদেশ সম্পর্কে ভাসা ভাসা জানতেন, আমাকে পেয়ে পুরোটা জেনে নিলেন (উনার সাথে কি কি কথা হয়েছে পুরোটা বলতে গেলে সেটা আরেক পর্বের সমান হবে)।
যাবার সময় বললেন ,
- আমাদের গল্প কিন্তু এখানেই শেষ হয় নাই । আশা করি কাল আমরা আবার আড্ডা দিবো।

একে একে সবাই উঠে ঘুমাতে চলে গেলো । শেষে আমি লীনা আর মারেক নামে লীনার ছোটবেলার এক বন্ধু রইলাম। মারেক ছেলেটা লন্ডন থাকে, বন্ধুর বিয়েতে চলে আসছে এখানে।

এখানে একটা কথা বলে রাখি , পুরো বাড়িতে বয়স্ক লোক বলতে একমাত্র লীনার বাবা। কনের বাড়ি , পরদিন বিয়ে অথচ সারা বাড়ি ভর্তি শুধুমাত্র কনের বন্ধু-বান্ধব । এক ফাঁকে লীনার কাছে তার মায়ের কথা জানতে চাইলাম। লীনা স্বাভাবিক গলায় বললো ,
- আমার বাবা-মা'র ডিভোর্স হয়ে গেছে। আমার ছোট বোনটা মা'র সাথে থাকে, এ শহরেই। আমি হচ্ছি বাবার মেয়ে , বাবা আমার সবকিছু এবং আমিও বাবার সবকিছু। কাল বিয়েতে আমার মা আর ছোট বোনটা আসবে তুমি তখন তাদের দেখতে পাবে।
আমি বোকার মত আরেকটু আগ্রহ দেখালাম ... লীনা বললো,
- না, মা বিয়ে করেনি । আমার ধারনা বাবা-মা দু'জন দু'জন কে এখনো ভালবাসে, তাও দু'জন আলাদা থাকে। কিন্তু সত্যি কথা হচ্ছে আমার মা একটা প্রচন্ড রকমের উচ্চাকাংখী মহিলা। তার চাহিদার শেষ ছিলো না। আমাদের এই বাড়িটা দেখছো এটা আমার দাদা বানিয়েছে । আমরা দু বোন এখানেই শৈশব কাটিয়েছি তার পরেও বাবাকে মা বাধ্য করেছে শহরের উচ্চবিত্ত এলাকায় আরেকটা বাড়ি কেনার জন্য। বাবা পরে সেখানে বাড়ি বানিয়েছে .... এবং সেই বাড়িতে ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই বাবা-মা'র ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

পরদিন মেয়েটার বিয়ে, তাই মন খারাপ করা বিষয়টা নিয়ে আর ঘাটালাম না। শুভ রাত্রি বলে ঘুমাতে চলে গেলাম।

......... চলবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28966494 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28966494 2009-06-18 22:36:33
কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ২
কার্ড হাতে নিয়ে জানতে চাইলাম,
- তোমার বিয়ে কোথায় হচ্ছে?
- আমার গ্রামে।
- কদ্দুর এখান থেকে ?
- প্রায় সাড়ে চারশ কিলোমিটার
দুরত্ব শুনে মনে মনে একটু দমে গেলাম, এমনিতেই প্রচন্ড ব্যাস্ততায় আছি এইখানে কোনভাবেই যাওয়া সম্ভব না আমার জন্য এখন। সিগারেটে হালকা একটা টান দিয়ে বল্লাম,
- আমার প্রচন্ড আগ্রহ হচ্ছে তোমার গ্রামে যেতে, কিন্তু কিছুদিন আগে নিজের ফাইনাল পেপার জমা দিয়ে দিয়েছি আমি , কবে যে প্রফেসরের ডাক আসে বলতে পারছি না । আমার মনে হয় তোমার বিয়েতে যাওয়া সম্ভব হবে না ।
আমার ধারনাই ছিলো , বিষয়টা লীনা স্বাভাবিক ভাবে নেবে । সে সেটাই করলো। শ্রাগ করে বললো - তুমি আসলে খুব খুশি হতাম।
এরমধ্যে তার মোবাইল বেজে উঠলো , আমাকে লাজুক ভঙ্গিতে বললো,
- আমার হবু বর আসছে একটা বই নিয়ে । আমি ভুলে বাসায় ফেলে আসছিলাম । একটু অপেক্ষা করো আমি আসছি ..
বলেই সে ইউনিভার্সিটির গেটের দিকে ছুটে গেল ।

একটু পরেই একাই ফিরে এসে কপট রাগ দেখিয়ে বললো ,
- তুমি কি বিশ্বাস করবা ! আমার গাধা প্রেমিকটাকে আমি ফোন করে বলেছি আমার বইটা নিয়ে আসার জন্য। এই কারনে তার অফিসেও দেরি হয়ে গেলো । শহরের আরেক প্রান্ত থেকে সে এখানে এসেছে শুধু মাত্র বইটা দেবার জন্য। এখন গিয়ে দেখি সে তার সারা ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও বইটা পাচ্ছে না । আবার ঢং করে 'সরি' বলে । শুনেই আমার মেজাজ আরো গরম হয়ে গেলো।

আমি হালকা গলায় বল্লাম ,
- বেচারা বিয়ের চিন্তায় এখনি সব ভুলে যাওয়া শুরু করেছে। তার উপর ব্লাক বেল্ট ধারী হবু বউ ... ভয়ে সারাক্ষন সব তালগোল পাকাবারই কথা।
- তুমি বিষয়টা হালকা ভাবে বললেও আমি কিন্তু আমার বাগদত্তার কাছে একেবারেই সুইট একটা মেয়ে। আমাকে ছোটবেলায় আমার বন্ধুরা কি ডাকতো জানো ? 'দ্যা কিলার' , সেটাই ছিলো আমার নাম । আমি খুব জংলি টাইপ মেয়ে ছিলাম ছোটবেলায়। আমার ক্লাস ফোর ফাইভ পর্যন্ত কোন মেয়ে বন্ধু ছিলো না । সব সময় ছেলেদের সাথেই দৌড়-ঝাপ করতাম। একটা ঘটনা বলি , একবার খেলতে খেলতে এক চারতলা বাড়ির কার্নিশে চড়েছিলাম সবার আগে ছিলাম আমি বাকি বন্ধুরা সব আমার পেছনে আমি খেলনা দুরবিন চোখে লাগিয়ে আমার সাথিদের বলে যাচ্ছি - 'দুরে কোথাও আমাদের শত্রুপক্ষকে দেখা যাচ্ছে না'
কিন্তু পেছনে কারো কোন সারাশব্দ নেই , ঘাড় ঘুরিয়ে ফিরে দেখি মা আমার ঠিক দু'হাত পেছনে কোমড়ে হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছে । মা'র হাতে আমি অনেক পিট্টি খেয়েছি ছোট বেলায় জানো !
তোমাদের ছোটবেলা কেমন হয় ? তোমরা কি পিট্টি খাও ? তুমি কি কখনো পিট্টি খেয়েছ ?
আমি সমস্ত দাঁত বের করে জবাব দিলাম - আবার জিগায়!

এরপর লীনার সাথে আর যোগাযোগ হয় নাই । নিজের কাজ আর ক্লাস নিয়ে ত্রাহি অবস্থায় ছিলাম গত মাস পুরোটা। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই লীনার একটা মেইল পেলাম ..

-------------------------------------------------

প্রিয় বন্ধু

আমি জানি তুমি অনেক ব্যস্ত, আমি এখন আমার বাসায় চলে আসছি। সবকিছুর প্রস্ততি চলছে। তুমি কি দুই দিনের সময় বের করতে পারবা না ? আমার ডজন খানেক বন্ধু সেই সাড়ে চারশ কিলোমিটার থেকে আমার বিয়েতে আসছে .. তুমি কোথাকার কোন ব্যস্ত বান্দা ! আজব !
যাই হোক , আমি তোমাকে আমার গ্রামে আসার পথ বাতলে দিচ্ছি বাকিটা তোমার ইচ্ছা।

# প্রথম রাস্তা, গাড়ি
আমি জানি না তোমার গাড়ি আছে কিনা , থাকলে খুবই ভালো। তেল ভরে সোজা বেড়িয়ে পড়ো ম্যাপ হাতে। সাতাত্তর নাম্বার হাইওয়ে ধরে প্রথমে যাবে বিদগস্জ নামক শহরের দিকে, সেখান থেকে কশোলিন। কশোলিন এসেই আমাকে একটা ফোন দিবে , বাকি ব্যাবস্থা আমি করবো ।

# দ্বিতীয় রাস্তা, ট্রেন
উজ কালিস্কা স্টেশন থেকে সকাল ৮:৩৩ ট্রেন ছাড়বে, সেখানে থেকে পোজনান পৌছবে ১৩:২১ , পোজনান এসে তোমাকে ট্রেন বদলাতে হবে সেই ট্রেন ছাড়বে ১৬:৪৫ এবং ২০:৫৩ তে তুমি আমার শহরে হাজির হবে । আমি এসে তোমাকে বাসায় নিয়ে যাবো।

# তৃতীয় রাস্তা, বাস (এইটা সবচেয়ে ভালো রাস্তা)
উজ ফেব্রিচ্না থেকে ৭:৩০ এ বাস ছাড়বে এবং ১৬:০৮ এ কোশালিন এসে পৌছবে। এখানে এসে আমাকে শুধু একটা কল দিলেই হবে । আমি এসে নিয়ে যাবো ।

ঠিকানা -
এইটা আমার বাসার ঠিকানা (যেখানে তুমি থাকবা)
জিগ্রাস্কা ৬৩
কোশালিন

এইটা বিয়ের অনুষ্ঠানের ঠিকানা (৬ তারিখ বেলা দুইটা)
দেওভরোভকি ১
কোশালিন

এইটা পার্টি সেন্টারের ঠিকানা (বিকাল তিনটার পর থেকে সারারাত)
পাব পার্কোভি
ভিসেওস্কা ১০৬
কোশালিন

আর যদি আর কিছু প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাকে মেইলে জানাও।




---------------- চলবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28963011 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28963011 2009-06-11 05:58:50
কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ১ কিন্তু এই দুই ধরনের অনুভূতি একই ব্যাক্তির ব্যপারে কখনো টের পাই নাই লীনার সাথে পরিচয় হওয়ার আগে ।

দু'মাস আগে আমার ইউনিভার্সিটির প্রফেসরদের সাথে আগডুম বাগডুম আলাপ করছিলাম , প্রফেসর আমার খুব পরিচিত সে একটা পেপার বের করে বললো - এই ক্লাসটার বিষয়ে কিছু জানো ?
দেখি লেখা - 'ক্রিয়েটিভ এক্টিভিটি'
আমি আগ্রহ নিয়ে বল্লাম - না তো ! এই বিষয়ে শুনিই নাই কখনো কিছু !
- খুবই ইন্টারেস্টিং , সময় পাইলে টিচারের সাথে যোগাযোগ কইরা একটা ক্লাস করে দেখতে পারো ।

নিজের ব্যস্ততায় সেই ক্লাসের টিচারের সাথে আর যোগাযোগ করতে পারি নাই । গত মাসের ১৬ তারিখ একটা ক্লাস ছিলো আমার, ইউনিতে গিয়া দেখি ক্লাস ক্যান্সেল । ক্যাফেটেরিয়ায় বসে কম্পু গুতাচ্ছিলাম আর কফির মগে চুমুক দিচ্ছিলাম , তখন কানে আসলো কিছু পুলাপান 'ক্রিয়েটিভ এক্টিভিটি'র ক্লাস নিয়া আলাপ করছে । জানতে চাইলাম ওরা কি সেই ক্লাসটা করে কিনা । বললো পনের মিনিট পরেই তাদের ক্লাস শুরু হবে। আমি তখন ঠিক করলাম গিয়া দেখি কাহিনীটা কি !

ক্লাসে ঢুকে দেখি ক্লাস ভর্তি ছেলেমেয়ে । ৩২/৩৩ বছর বয়সী এক মহিলা ক্লাস নিচ্ছেন । আমাকে দেখে জানতে চাইলো আমি এই ক্লাসের ছাত্র কিনা । বল্লাম - না .. শখে আসছি একটা ক্লাস করতে ।

কোনার এক চেয়ারে গিয়ে বসলাম । মহিলা সবার হাতে 'এ থ্রি' সাইজের একটা করে শক্ত পেপার দিয়ে 'হাত' বিষয়ক কি সব লেকচার দিলো কিছু বুঝলাম বেশির ভাগই বুঝলাম না (ক্লাস টা পোলীশ ভাষায় হচ্ছিলো )। কাছে ডেকে বিনয়ের সাথে বল্লাম আমি তোমার কথা কিছুই বুঝি নাই, তুমি কি আমাকে একটু আলাদা ভাবে বুঝায় দিবা ?
বেচারী মুখ কালো করে নিজ ভাষায় বললো - তুমি কি কিছুই বোঝ না !
আমি আমার বিখ্যাত বিনয়ের হাসি দেখিয়ে বল্লাম -
- বুঝি । কিন্তু অল্প সল্প।
- আমি তো ইংরেজী তেমন পারি না। আচ্ছা দেখি তোমার জন্য কি করা যায়।
বলেই নিজ ছাত্র/ছাত্রিদের উদ্দেশ্যে জানতে চাইলো ভালো ইংরেজী জানে কে ? এই ছেলেটাকে কে সাহায্য করবে ।
পাঁচ ছয়টা হাত উপরে উঠলো এর মধ্যে আমার সবচেয়ে কাছের মেয়েটাকে টিচার অনুরোধ করলো আমাকে সাহায্য করার জন্য ।

নাদুস নুদুস শরীরের ২৪/২৫ বছর বয়সের একটা মেয়ে ১৪/১৫ বছর বয়সী কিশোরের ক্ষিপ্রতায় চেয়ার টেবিল কাটিয়ে আমার পাশে এসে বসে হাসি মুখে বললো-
- হ্যাল্লো ! কিছু চিন্তা কইরো না আমি সব বুঝায়া দিবোনে তোমাকে । প্রথমে আমরা হাত দিয়ে যে কোন একটা সাইন দেখাবো , সেটা শান্তির প্রতিক হতে পারে শয়তানের চিহ্ন হতে পারে যে কোন কিছু ... সেইটা আমরা কাগজে এঁকে ফেলবো ছাপ দিয়ে, তারপর আমরা কাগজ বদলাবদলি করবো এবং তোমার হাতের ছবি দেখে আমার কি মনে হচ্ছে সেটা আমি একই কাগজে আঁকবো আর তুমি আমার কাগজটাতে আঁকবে । এরপর আবার আমরা যার যার কাগজ নিয়ে আমি নিজে কি ভেবে এই হাতের সাইন দিলাম সেটা সেই কাগজেই এঁকে বোঝানোর চেষ্টা করবো । বিষয়টা একটু ছেলেমানুষী .. কিন্তু আমি নিশ্চিত তুমি মজা পাবে । ওহ .. ভালো কথা ..আমাকে আমার বন্ধুরা লীনা ডাকে । তুমিও আমাকে লীনা ডাকতে পারো । তোমার নাম কি ?
সারা ক্লাসেই লীনার সাথে টুকটাক আলাপ হচ্ছিলো .... প্রচন্ড প্রানবন্ত একটা মেয়ে, নিজের নাদুস নুদুস শরীর নিয়ে নিজেই ভয়ংকর ভয়ংকর টাইপ রসিকতা করতে দ্বীধা করে না। দারুন ছবি আঁকতে পারে। নিজের ছবি আঁকার খাতা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বললো- দেখ। সেই খাতায় মার্শাল আর্ট বিষয়ক ছবি দেখে জানতে চাইলাম এগিলিও পারো নাকি !!
বললো - তার ব্লাক বেল্ট আছে ।

ক্লাসের শেষের দিকে এসে লীনা তার হাত বাড়িয়ে বললো -
- তোমার আমার খুব পছন্দ হয়েছে । আমার সামনের মাসে ৬ তারিখে বিয়ে (অবাক হয়ে খেয়াল করলাম কথাটা বলার সময় লীনার গালদুটো রং বদলালো) তোমাকে আমি আমন্ত্রন পত্র দিতে চাই , তুমি কিন্তু অবশ্যই আসবে ।


----- চলবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28962575 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28962575 2009-06-10 03:22:34
বুরকা পরা মেয়ে পাগল করেচে
"বুরকা পরা মেয়ে পাগল করেছে: এইবার বাংলাদেশে গিয়া এই গানটা শুনলাম। অনন্য সাধারণ লিরিক, অসামান্য সুর এবং নিখুঁত চিত্রায়নের সমন্নয়ে গায়ক শরীফ উদ্দীনের কণ্ঠে এক চমৎকার গান "বুরকা পরা মেয়ে"। গানটি শুনে সকলে আনন্দ পাবেন আশা করি।"

গান শুনে সকাল সকাল আমার মনটাই ভালো হইয়া গেলো । গানের লিরিকটা ছাপানোর লোভ সামলাইতে পারলাম না আর ।

গানটা শুধুমাত্র তুমিনালীতে আছে । তুমিনালী'র লিংক দেয়া হৈলো Click This Link

অসাধারন গানটার লিরিকটা জনস্বার্থে ছাপানো হইলো ...

এই পতে যখনই আমি যাই
মাজে মাজে একটা মেয়ে দেকতে পাই
আলতা রাঙ্গা পাই আবার নুপুর পরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

চোকেতে চশমা হাতে কাঁচেরও চুড়ি
বয়সটা অনুমানে উনিশ কি কুড়ি
চশমা খুইল্যা যকন একটু আমার দিকে চায়
ফুরুৎ কইরা পরান পাকি শূন্যে উইড়া যায়
একন বুজি মজনু কেন লাইলির জন্য মরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

ছট্টু একটা নল দিয়া খায় যখন জুশ
খুদার কসম তকন আমার তাকে না যে হুশ
জুশের পেকেট ফেলে দিয়ে আবার জকন হাটে
জানি না তার কেমুন লাগে আমার বুকটা ফাটে
গাড়িতে নয় বাড়িতে নয় মানে আগুন ধরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

হাটতে হাটতে এসে দাড়াই রাস্তারো মোড়ে
রিশকাতে চড়িয়া আবার কিচুখন গুড়ে
বুক পকেটে রাকে যখন মুবাইল টেলিফন
বাকুম বাকুম করে তখন আমার অবুজ মন
নতুন গাছে ফুল ফুটিয়া বাগান আমার বরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে

এই পতে যখনই আমি যাই
মাজে মাজে একটা মেয়ে দেকতে পাই
আলতা রাঙ্গা পাই আবার নুপুর পরেচে
বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে
একটা বুরকা পড়া মেয়ে পাগল করেচে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28959620 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28959620 2009-06-03 15:55:10
ঝর্নাধারার উপকথা - উৎসর্গ হাসিব ভাই এদিক ওদিক তাকায়া সিংহও পানি খাওয়া শুরু করলো , একটু পরে সিংহ চ্যাত দেখায়া কয় আবে ঐ পানি ঘোলা করস ক্যান আমি পানি খাইতাছি দেখোস না !
হরিনে কয় মামু পানি তো তুমার কাছ থিকা আমার দিকে আসতাছে ক্যামনে কি !!
সিংহ কয় এত কথা কস ক্যান !
এরপরে সম্ভবত সিংহটা হরিনটারে খায়া ফেলছিলো ।

এইটার একটা উত্তরাআধুনিক ভার্সন বানানির চেষ্টা করি -

একবার একদেশে এক ঝর্নার আছিলো , সেই ঝর্নায় নানা কিসিমের পাব্লিক আইসা পানি খাইতো ... এইসব পাব্লিকের মাঝে ছাগলের বাচ্চা থিকা শুরু কৈরা ষাঢ় কোম্পানির কুটিপুতি মালিক, লুল টাইপ কুবি থিকা শুরু কৈরা গৃহপালিত ভাড় সবাই চইড়া বেড়াইতো । কিছু বিষিষ্ট ছাগল,কুটিপুতি,লুল,ভাড়দের শান্তি মত চইড়া বেড়াইতে দেয়ার জন্য ঝর্নার মালিক কিছু আম পাব্লিকরে খায়া ফেল্লো।
গল্প শ্যাষ।

আমি একবার বোকার মত পোস্ট মুইচ্ছা অভিমান কইরা ভাবছিলাম ধুর হালা যামুগা এইখান থিকা।

অনেকে আমারে নানান ভাবে অনেক কিছু বুঝাইছে । সবাইরটার সাথে হাসিব ভাইয়ের একটা কথা আমার মনে ধর্ছিলো খুব ।

হাসিব ভাই আমারে কৈছিলো -
"আমি এক বছর ব্যান আছিলাম । পোস্ট মুইছা দিছিলাম সেইসময় সব । তুমিও মুচ্ছো বুঝলাম । তয় মাঠ ছাইড়ো না । আমরা গ্যালেগিয়া আবাল, ছাগু, সুশীল আর সামু অফিসে চা-বিস্কুট খাওয়া নপুংসকরা রাজত্ব করবে । সেইটা হৈতে দেয়া যাবে না । বাংলা ব্লগ খুব ইম্পর্টেন্ট জিনিস । এইটাতে নিজেগো অস্তিত্ব টিকায়া রাখাটা জরুরী ।"

হাসিব ভাই লোক খারাপ, কিন্তু আমি এই লোকরে প্রতিরাতেই মিস করি ।

আমি জানি হাসিব ভাই এইটা দেখতাছে এখন । তিনি মাঠ ছাইড়া যাওনের লোক না ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28949125 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28949125 2009-05-11 03:58:16
যা চেয়েছি, যা পাবো না ----- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতা - কী চাও আমার কাছে ?
- কিছু তো চাইনি আমি !
- চাওনি তা ঠিক । তবু কেন এমন ঝড়ের মতো ডাক দাও ?
- জানি না । ওদিকে দ্যাখো ...
রোদ্দুরে রুপোর মতো জল
তোমার চোখের মতো দূরবর্তী নৌকো
চর্তুদিকে তোমাকেই দেখা।
- সত্যি করে বলো, কবি, কী চাও আমার কাছে ?
- মনে হয় তুমি দেবী
- আমি দেবী নই ।
- তুমি তো জানো না তুমি কে !
- কে আমি !
- তুমি সরস্বতী
শব্দটির মূল অর্থে যদিও মানবী
তাই কাছাকাছি পাওয়া
মাঝে মাঝে নারী নামে ডাকি
- হাসি পায় শুনে যখন যা মনে আসে তাই বলো, ঠিক নয় ?
- অনেকটা ঠিক । যখন যা মনে আসে...
কেন মনে আসে ?
- কী চাও, বলো তো সত্যি ? কথা ঘুরিয়ো না
- আশীর্বাদ !
- আশীর্বাদ ! আমার, না সত্যি যিনি দেবী
- তুমিই তো সেই !
টেবিলের ঐ পাশে ফিকে লাল শাড়ি
আঙ্গুলে ছোঁয়ানো থুতনি,
উঠে এসো
আশীর্বাদ দাও, মাথার ওপরে রাখো হাত
আশীর্বাদে আশীর্বাদে আমাকে পাগল করে তোলো
খিমচে ধরো চুল, আমার কপাল নখ দিয়ে চিরে দাও
- যথেষ্ট পাগল আছো ! আরও হতে চাও বুঝি ?
- তোমাকে দেখলেই শুধু এরকম,
নয়তো কেমন শান্তশিষ্ট
- না দেখাই ভালো তবে ! তাই নয় ?
- ভালো মন্দ জেনে শুনে যদি এ-জীবন কাটাতুম
তবে সে-জীবন ছিল শালিকের, দোয়েলের
বনবিড়ালের কিংবা মহাত্মা গান্ধীর
ইরি ধানে, ধানের পোকার যে-জীবন
- যে জীবন মানুষের ?
- আমি কি মানুষ নাকি ? ছিলাম মানুষ বটে
তোমাকে দেখার আগে
- তুমি সোজাসুজি তাকাও চোখের দিকে অনেকক্ষণ চেয়ে থাকো পলক পড়ে না কী দেখো অমন করে ?
- তোমার ভিতরে তুমি,
শাড়ি-সজ্জা খুলে ফেললে তুমি
তারা আড়ালে যে তুমি
- সে কি সত্যি আমি ? না তোমার নিজের কল্পনা ?
- শোন্ খুকী
- এই মাত্র দেবী বললে...
- একই কথা ! কল্পনা আধার যিনি, তিনি দেবী-
তুই সেই নীরা
তোর কাছে আশীর্বাদ চাই
- সে আর এমন কি শক্ত ? এক্ষুনি তা দিতে পারি
- তোমার অনেক আছে, কণা মাত্র দাও
- কী আছে আমার ? জানি না তো
- তুমি আছো, তুমি আছো, এর চেয়ে বড় সত্য নেই
- সিঁড়ির ওপরে সেই দেখা তখন তো বলোনি কিছু ? আমার নিঃসঙ্গ দিন, আমার অবেলা আমারই নিজস্ব, শৈশবের হাওয়া শুধু জানে
- দেবে কি দুঃখের অংশভাগ ?
আমি ধনী হবো
- আমার তো দুঃখ নেই ! দুঃখের চেয়েও কোনো সুমহান আবিষ্টতা আমাকে রয়েছে ঘিরে তার কোনো ভাগ হয় না আমার কী আছে আর, কী দেবো তোমাকে ?
- তুমি আছো, তুমি আছো, এর চেয়ে বড় সত্য নেই !
তুমি দেবী, ইচ্ছে হয় হাঁটু গেড়ে বসি
মাথায় তোমার করতল, আশীর্বাদ...
তবু সেখানেও শেষ নেই
কবি নয়, মুহূর্তে পুরুষ হয়ে উঠি
অস্থির দু'হাত
দশ আঙুলে আঁকড়ে ধরতে চায়
সিংহিনীর মতো ঐ যে তোমার কোমর
অবোধ শিশুর মতো মুখ ঘষে তোমার শরীরে
যেন কোনো গুপ্ত সংবাদের জন্য ছটফটানি
- পুরুষ দূরত্বে যাও, কবি কাছে এসো তোমায় কী দিতে পারি ?
- কিছু নয় !
- অভিমান ?
- নাম দাও অভিমান !
- এটা কিন্তু বেশ ! যদি অসুখের নাম দিই নির্বাসন না-দেখার নাম দিই অনস্তিত্ব দূরত্বের নাম দিই অভিমান ?
- কতটুকু দূরত্ব ? কী, মনে পড়ে ?
- কী করে ভাবলে যে ভুলবো ?
- তুমি এই যে বসে আছো, আঙুলে ছোঁয়ানো থুতনি
কপালে পড়েছে চূর্ণ চুল
পাড়ের নক্সায় ঢাকা পা
ওষ্ঠাগ্রে আসন্ন হাসি
এই দৃশ্যে অমরত্ব
তুমি তো জানো না, নীরা,
আমার মৃত্যুর পরও এই ছবি থেকে যাবে ।
- সময় কি থেমে থাকবে ? কী চাও আমার কাছে ?
- মৃত্যু ?
-ছিঃ , বলতে নেই
- তবে স্নেহ ? আমি বড় স্নেহের কাঙাল
- পাওনি কি ?
- বুঝতে পারি না ঠিক । বয়স্ক পুরুষ যদি স্নেহ চায়
শরীরও সে চায়
তার গালে গাল চেপে দিতে পারো মধুর উত্তাপ ?
- ফের পাগলামি ?
- দেখা দাও ।
- আমিও তোমায় দেখতে চাই ।
- না !
- কেন ?
- বোলো না । কক্ষনো বোলো না আর ঐ কথা
আমি ভয় পাবো ।
এ শুধুই এক দিকের
আমি কে ? সামান্য, অতি নগণ্য, কেউ না
তবু এত স্পর্ধা করে তোমার রূপের কাছে...
- তুমি কবি ?
- তা কি মনে থাকে ? বারবার ভুলে যাই
অবুঝ পুরুষ হয়ে কৃপাপ্রার্থী
- কী চাও আমার কাছে ?
- কিছু নয় । আমার দু'চোখে যদি ধুলো পড়ে
আঁচলের ভাপ দিয়ে মুছে দেবে ?


যা চেয়েছি, যা পাবো না ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28942987 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28942987 2009-04-27 00:47:49
চন্দ্রাভিলাষী নারী ----- মাকিদ হায়দারের কবিতা তোমার মনের সাধ
তুমি অথৈ জলে খুঁজেছিলে
পূর্নিমারই চাঁদ

তুমি বাসতে ভাল জলের খেলা
ভয়াল নদী সাঁঝের বেলা
সেই জলের মাঝে খুঁজতে তুমি
দুর গগনের সাঁঝের তারা
মেঘের ছায়া
নীল সাগরে ভাসিয়ে দিতে
আমার অপরাধ
তুমি অথৈ জলে খুঁজেছিলে
পূর্নিমারই চাঁদ

আজকে দেখ সবাই যেন
ক্লান্ত চোখে তাকিয়ে আছে
প্রাণের ভয়ে জলের দিকে
দাড়িয়ে আছে গাছের মত
গভীর শোকে স্তব্ধ পায়ে
নিঃস্ব জলের বুকের ভেতর
দাড়িয়ে আছে অষ্টপ্রহর

কিন্তু তবু দুঃখ আমার ভিন্নপ্রকার
মুষ্টিমেয় কয়টি লোকে
চালায় গাড়ি জ্বালায় বাতি
দিন দুপুরে ইচ্ছেমত ছিটিয়ে কাঁদা
শখের গাড়ি যাচ্ছে দেখো যাচ্ছে দেখো
রাজার মত নিজের বাড়ি
ছিটিয়ে থুথু
আমরা যারা দাড়িয়ে আছি
নিঃস্ব জলের বুকের ভেতর

চতুর্দিকে চোখের নিচে শবের খেলা
কলার পাতে নিজের ছেলে
শুইয়ে দিয়ে ভাবছি শুধু
এবার থেকে তোমার চোখে পড়িয়ে দেব
কোন সে মায়ার ফাঁদ
তুমি অথৈ জলে খুঁজেছিলে
পূর্নিমারই চাঁদ


চন্দ্রাভিলাষী নারী - শিমুল মোস্তফা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28942063 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28942063 2009-04-24 16:55:00
স্বপ্নগুলো তোমার মত ----- [ অর্থহীন ] তোমার জন্য সব ভুলে থাকা
জীবন মানে বাঁচার অভিনয়
মৃত্যু মানে তোমায় না পাবার ভয়

তোমার আশা কতটা কাছে টানে
আমার ছায়া যতটা আঁধার আনে
কাঁচের দেয়াল ভাঙার মত
তোমায় ভাঙি ইচ্ছে মত
আমার কেন ভালো লাগে না
কোন কিছু তোমার মত

যখন তুমি একা থাকো
আগুন জ্বলে আলোর মতন
নিজের কাছেই লুকিয়ে রাখি
স্বপ্নগুলো তোমার মত

আমার শরীর জুড়ে বৃষ্টি নামে
অভিমানের নদীর তীরে
শুধু তোমায় বলতে ভালবাসি
আমি বারেবার আসবো ফিরে

আমার শরীর জুড়ে বৃষ্টি নামে
অভিমানের নদীর তীরে
শুধু তোমায় বলতে ভালবাসি
আমি বারেবার আসবো ফিরে

[ স্বপ্নগুলো তোমার মত]

ব্যান্ড - অর্থহীন
এ্যলবাম - স্বপ্নগুলো তোমার মত

** গানটা পরে আনিলা গাইছে ফুয়াদের কোন এক এ্যলবামে Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28935137 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28935137 2009-04-08 04:27:58
বন্ধ জানালা ----- [ শিরোনামহীন ] রিম ঝিম ঝিম সুদূরপুর
অবাক রোদে ভেজা তপ্ত দুপুর
আরেকবার তোমাদের
লাল নীল রং আনন্দে
একলা রাস্তায় এক চিলতে রোদ্দুর
সারা বেলা বন্ধ জানালা

যদি তোমাদের অনেক শব্দ
আমার জানালায়
ছোট ছোট আনন্দের স্পর্শে
আঙুল রেখে যায়
যদি সহস্র শব্দের উৎসব থেমে যায়
সারা বেলা বন্ধ জানালা

যদি তোমাদের লাল নীল গল্প
আমার শরীরে
কোন একলা রাস্তায়
অবাক ভ্রমনে
যদি ইচ্ছের নীল রং আকাশ ছুঁয়ে যায়
সারা বেলা বন্ধ জানালা

বন্ধ জানালা

ব্যান্ড - শিরোনামহীন
এ্যলবাম - বন্ধ জানালা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28933755 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28933755 2009-04-05 00:43:22
বাইসাইকেল চোর ----- [ ফসিলস ]

শ্রাবণ ভিজুক বর্ষায়
আর সাবান মাতুক ফর্সায়
বাষ্প জমে চশমায়
হলে পরশ্রীকাতর

মস্তিস্কে স্মৃতির পেচ্ছাপ
লেখে করোটিতে কেচ্ছা
মা-বোন হয়েছে বেশ্যা
আমি বাইসাইকেল চোর

বয়েস তের থেকে উনিশ
চয়েস চোর হবি না খুনি
কে যে মরা কে শকুনি
ফালতু চিরুনি তল্লাশ

চোরাই বাইসাইকেল সিটে
পারি তোমাকে লিফট দিতে
যৌনতা দেবো ফ্রীতে
যদি সতীত্ব না চাস

বাইসাইকেল চোর

যেও সাবধানে দোকানে
যে সব মাল পাবে ওখানে
সব আমার থেকেই কেনা
কারন উৎপাদন বন্ধ

কেন্দ্রীয় অর্থনীতি
ব্যস্ত আগলাতে সম্প্রীতি
শুনে ভাষনের এমপিথ্রি
রোমাঞ্চিত ত্বকরন্ধ্র

খিস্তি খেউড় অশ্রাব্য
মিশছে নোংরা হচ্ছে কাব্য
ঐতিহ্য পুজো পাব্বনে
স্পন্সর যত তাবড়

দোহাই খোদার ওয়াস্তা
পিসফুলি করে নি নাস্তা
আহা ডালপুড়িটা খাস্তা
দিই টিকিয়াতে কামড়

বাইসাইকেল চোর

সাম্যবাদী উঞ্ছবৃত্তি
কারন চোখ টানে সম্মৃদ্ধি
টুকে টুকে টুকে মুখস্থতে
পরীক্ষা আসান

সব প্রশ্নকর্তাই প্রাইভেট
হয়ে দেয় সাজেশান আই বেট
আহা জেরক্স বুদ্ধি জেরক্স সত্ত্বা
বারোয়ারি সামান

পাকড়াতে পারো বামাল
তবে কনসিকোয়েন্সটা সামাল
দিতে পারবে কি পারবে না
ভেবে পুলিশ সেজো ভাই

ক্যাটালগটা দেখো বরং
বলো পছন্দ কোন গড়ন
কম দামে পুষ্টি ফুল সন্তুষ্টি
মাল কেনো চোরাই

বাইসাইকেল চোর

বাইসাইকেল চোর

* ব্লগার 'হাসান মাহবুব'কে উৎসর্গ করা হইলো ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28932509 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28932509 2009-04-02 06:07:17
ও মোর রমজানের ঐ বয়স শেষে এল জন্মদিন মানুষ ' নামেই চেনে । কেউ কেউ আদর করে 'মানু'ও ডাকে । কিন্তু তার নাম রমজান হইলো কেমনে এই ইতিহাস সম্ভবত অনেকেরই অজানা। আজকে সেই ইতিহাস বলবো একটু পরে। তার আগে একটু রমজানের গুনগান গাইয়া নেই ।

রমজান সম্ভবত এই ব্লগে তরুন কবিদের মধ্যে অন্যতম (আমার কথায় কারো সন্দেহ থাকলে তার পুরানা কবিতার পোস্টগুলিতে চোখ বুলানোর অনুরোধ করছি)। মনে আছে ২০০৭ এর আগস্টে সে বিশাল এক জাহাজ নিয়ে হাজির হয়েছিলো গোলাম আজমের পশ্চাতদেশ উৎসর্গ করে । তখন থেকেই রমজান আমার বন্ধু। সে ভালো কবিতা লেখে আগেই বলছি, এর বাইরেও সে মাঝে মাঝে আবজাব প্রলাপ বকতো সেই সিরিজও ব্যপক জনপ্রিয় ছিলো। যে কথাটা বলি বলি করেও এতক্ষনেও বলতে পারছি না সেটা হচ্ছে তার একটা বিশেষ দোষের কথা । আমাদের প্রিয় রমজানের একটু লুল সংক্রান্ত দোষ আছে, এইটা অবশ্য দুষ্টু লোকেরা বলে আমি বলি নাই ।

এবার বলি তার রমজান নামকরনের ইতিহাসের কথা । সেই ২০০৭ এর শেষের দিকের কথা । ব্লগে আমরা কয়েকজন ধুমায়া দৌড়া দৌড়ি করতাম তখন । আমি, নাদান, ড়াষূ, রমজান, ছালু, আউলা, জেবীন, জয়ীতা সহ আরো অনেকে । কেউ কারো চাইতে কম ছিলো না । কোন একদিন স্কুলে কার কি নাম দিছিলো বন্ধুরা সেইটা নিয়া আলাপ হচ্ছিলো । এর মধ্যে রমজান বেমাক্কা বলে বসে তার আসল নাম বিকৃত কইরা তার স্কুলের দোস্তরা এক নাম রাখছিলো সেইটা বলা যাবে না । আমরা রমজানের আসল নাম জানতাম । তার আসল নাম রঞ্জন। তার নাম কি হইতে পারে সেইটা নিয়া আমরা যখন চিন্তায় শেষ তখনই আমাদের আরেক বন্ধু বিশিষ্ট সিজি ইসপিশালিস্ট ব্লগার 'ছায়ার আলো' ওরফে ছালু দুই রাত চিন্তা কইরা বের করে ফেল্লো রঞ্জনের নাম বিকৃত কইরা কি হইতে পারে । সেটা আর কিছুই না সংসপ্তক নাটকের হুরমতির কাছে নিজের কান হারানো বিখ্যাত 'রমজান'।

আজকে সেই বিখ্যাত রমজানের জন্মদিন । হতভাগা বেলায় বেলায় কয় ডজন বসন্ত একা একা পার করে দিলো । কেউ ফিরে চায়নি । জন্মদিনে আমাদের প্রিয় রমজান তার আসল হুর(মতি) খুঁজে পাক .. সুম্মা আমিন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28929469 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28929469 2009-03-25 23:57:48
যাও ছেড়ে চলে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ]

ইনসোমনিয়ায় ভুগছি গত জনম থেকে। রাতগুলো কাটে নির্ঘুম আর দিনগুলো ব্যস্ততায় । অনেক অনেক আগে দেশে আমার টেবিলের এক কোনায় লিখে ছিলাম 'নির্ঘুম রাত' । পেন্সিল দিয়ে লিখেছিলাম । কেন লিখছিলাম আজ আর মনে নাই। কিন্তু সেই ছোট শব্দ দু'টা আজও পিছু ছাড়লো না । আজও রাত জেগে রাত পাহারা দেই । রাতটা আমার খুব আপন , ঘুমে কাটিয়ে আপনজনের কাছে থাকার সুজোগটা আমি হারাতে চাই না । আমার ধারনা রাতও আমাকে ছেড়ে একা থাকতে চায় না ।

এইসব আবজাব লেখা পড়ে সময় নষ্ট না করে তার চেয়ে একটা গান শোনাই । 'মহীনের ঘোড়াগুলি'র গান । রাতের গান । আমার ধারনা গানটা খুব বেশি একটা ভালো লাগবে না অনেকের। কিন্তু এইটা আমার অনেক পছন্দের গান । অনেক পছন্দের ....

যাও ছেড়ে চলে
ভাবনা আমার
চাই না কাছে পেতে
তোমাকে আর
কেন আসো ফিরে
বারে বারে রাত গভীরে
না পারি যেতে
স্বপ্নে ভেসে চলে দুরে
হলো যে রাত অনেক
কেন আছি তবু জেগে
কাটে কত রাত এভাবে
না যে পারি সামলাতে
নির্ঘুম রাতকে
যায় দিন রাত্রি
হয়ে যায় যে কত কি তা জানি না
নেই সময় তোমার
নেই সময় আমার এত ভাবনা
যাব যে কোন পথে
কে আজ আমায় বলে দেবে

যাও ছেড়ে চলে
ভাবনা আমার
চাই না কাছে পেতে
তোমাকে আর
কেন আসো ফিরে
বারে বারে রাত গভীরে
না পারি যেতে
স্বপ্নে ভেসে চলে দুরে
হলো যে রাত অনেক
কেন আছি তবু জেগে

[ যাও ছেড়ে চলে]

ব্যান্ড - মহীনের ঘোড়াগুলি
এ্যলবাম - মায়া

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28928937 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28928937 2009-03-24 20:10:34
উঁ (১০০ ভাগ ভয়ংকর সাঙকেতিক পোস্ট) উঁ (এইটা কোন প্রতিবাদ মুলক পোস্ট না । এইখানে কারো আনব্যানের দাবি জানানো হয় নাই । এইখানে কোন কুটিপতির দালালদের কথা বলা হয় নাই । সুতরাং কেউ যদি কমেন্টর ঘরে এই সব প্রসংগে বক্তব্য দেয় তাইলে মুছা হবে)




*এই পোস্ট দিয়া ব্যান খাইছিলাম । কে জানি মেইলে জানাইলো 'আমরা সাংকেতিক ভাষা বুঝতে না পারলে বান মারুম আমাগো হাদিসে নিয়ম আছে ' তাই এইটা অনির্দিষ্ট কালের জন্য আপাতত ঝুলায়া রাখলাম, সাংকেতিক ভাষা যদি কেই পাঠোদ্ধার করতে পারে । এইখানে আবার কাউরে গালি দেয়ার নিয়ম নাই । নইলে "গাধার বাচ্চা" বইলা গালি দিতাম । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28923124 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28923124 2009-03-12 03:26:19
ঘন্টা দুয়েক আগের রিয়েল লাইফ জুক্স " style="border:0;" /> })
বাইরে তুমুল বরফ পর্তাছে .. কাঁপতে কাঁপতে গেলাম মার্কেটে, বাজার সদাই কইরা গেলাম ইন্টারনেটের বিল দিতে , সুন্দরী এক কইন্যা আমারে ডাকলো তার টেবিলে , কাছে যাইতেই কয় 'জিন্দোব্রে পানু' শুভ সকাল জনাব , বলেন আমি কেমনে আপনারে সাহায্য কর্তারি ?
আমি মেজাজ দেখায়া কইলাম - তোমগো সমস্যাটা কি ? দুইদিন বরফ পর্ছে আর নেটের লাইন ডিস্টার্ব দেয়া শুরু কর্ছে .. কি যন্ত্রপাতি লাগাইছো যে সামান্য বরফ সহ্য করতে পারে না !!!
সুন্দরী ঝারি খাইয়াও মুখের হসি সরায় না , আমারে 'দিল ম্যায় চাক্কু' টাইপ হাসি দিয়া কইলো -
স্যার আপনের নেটের লাইন চলে গেলে এই মেইল এড্রেসে একটা মেইল পাঠায়া দিবেন আমরা তুরন্ত ব্যবস্থা নিবো , এইটা কিন্তু ফোনের চাইতেও কার্যকর, আপনে ফোন করলে আপনার কথা কেউ নাও বুঝতে পারে ,, কিন্তু মেইল পাবার সাথে সাথে লোক চলে যাবে আপনার বাসায় ।
আমি হতাশ কন্ঠে কইলাম -
আইচ্ছা .. এরপরে আমার নেটের লাইন না থাকলে আমি ইমেইল করুম নে তোমাগো , আজকে যাই নারাজিয়া পা পা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28913014 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28913014 2009-02-18 21:04:10
এইটা কিন্তু একটা কবিতা ... অন্য কিছু না ঐ আমাদের গাঁ
ঐ খানেতে বাস করে
কানা বগির ছা

ও বগি তুই চাস কি
নেসক্যাফে খাস কি
কফি আমি খাই না
লিপটন চা পাই না
একটা যুদি পাই
অমনি ধরে গাপুস গুপুস খাই


(কি যন্ত্রনায় পর্লাম ... আগের পুস্টে সবাইরে কবিতা লেখার আমন্ত্রন জানাইয়া জেনারেল হয়া গেলাম !! )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28912679 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28912679 2009-02-18 00:52:56
রঙিলা ----- [ দলছুট ] তারপর আরকদিন দেখা হলো ধানমন্ডিতে এক কনসার্টে , সেই দিন একসাথে চা বনরুটি আর কলা খেয়েছিলাম মনে আছে ।
তারপর দেখা হলো আজ বিকেলে । কি কি নিয়ে যে আলাপ করলাম দু'জন .. কিছুই মনে নাই ।
সঞ্জীব দা আপনার মৃত্যু আমাকে মাঝে মাঝে অনেক কষ্ট দেয়।
আপনাকে নিয়ে আমি ভাবতে চাই না , আমি কখনো ভাবিও না ... ভাবলেই কষ্ট হয় ... খুব কষ্ট হয় ।
আপনি যেখানেই থাকেন .......... ভালো থাকবেন

সঞ্জীব দা'র খুব প্রিয় একটা গান শেয়ার করলাম .... একটানা প্রায় সাত ঘন্টা গানটা শুনছি .. শুনেই চলছি ........
-----------------------------------------------------

সাদা ময়লা রঙিলা পালে
আউলা বাতাস খেলে
আর কাদায় ভরা মনের মধ্যে
জলের সন্তরন
শুধুই জলের সন্তরন

সদ্য ফোটা কুড়ির মধ্যে
ভ্রোমরে গান তোলে
আর কামে ভরা দেহের মধ্যে
জলের সন্তরন
শুধুই জলের সন্তরন

হাঁজা মজা এক পুকুর তার
ভিতরে শিং মাছ
জংলা ভরা ক্ষেতের ভিতর
গরম দেহের আঁচ
নির্বিবাদে নারীর সঙ্গে
মিললো যখন নর
পাল উড়াইয়া নৌকা গেলো
বাতাসে সর সর
কালো জলের নোংরা সবই মিলায় যে নির্ভুল
শাস্ত্রে তবু সব কলমই ঝরায় কালো ফুল

জীবন শাস্ত্রে মন্ত্র তোলে ভ্রমর গুঞ্জন
জীবন ফুলে থাকে যদি সাদায় ভরে মন
গায়ের ময়লা রঙিলা জামায়
পুঁতি গন্ধ গোলাপ
আর .......... ময়লা মনে
হাতির সন্তরন
শুধুই হাতির সন্তরন

ধনীর আহার কারো পেটে
গন্ধ ভরা জোলাপ
আর বাসী ভাতে পান্তা দিলে
মনের সন্তরন
শুধুই মনের সন্তরন

মাটির সাবান খাঁটি যে তার ভিতর সোডিয়াম
প্যাকেট ভরা সাবান জুড়ে গন্ধ ভরা দাম
ট্যাপের জলে যায় না কোন দেহেরই সন্তাপ
নদীর জলই ধুয়ে দিলো দেহের সব পাপ
শাস্ত্রে লেখা সব নদী যে সরল বায়ে
জীবন নদী আঁকাবাঁকা তার ভিতরে নায়ে
নর নারীর হাড়ি পাতিলে ধোঁয়ার সংসার
মিলন কি হয় সাগরে শেষে আরেকবার


[link|http://www.esnips.com/doc/d80b2dca-0e08-49b9-8226-c88bb961ca15/Dolchut---Rongila-(PoLaPaIn[1].com)|সাদা ময়লা রঙিলা পালে]

ব্যান্ড - দলছুট
এ্যালবাম - আহ্]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28911865 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28911865 2009-02-16 06:19:06
১৩ বছরের আলফি পারলো .. মাগার আমাগো ৩১ বছরের প্রত্যুদা আজো পারলো না
(ইহা একটি টেরম টেরম যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্ব .... প্রথম পর্ব অনেক আগে থিকাই ইয়াহুতে চল্তাছে ) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28911613 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28911613 2009-02-15 15:58:16
হাসনুহেনা ----- [ ফসিলস ]

ও মেয়ে
তুমি জানো না যে মাঝরাতে
একঘেয়ে এই বিছানাতে
আজো কথা বলি কার সাথে

জানি না
কার কি যায় বা আসে তাতে
তাই গান গাই রাস্তাতে
আর ভুলে যাই পস্তাতে

জীবন
চলছে না আর সোজা পথে
দেখ আজও হাসি কোনও মতে
বেঁচে গেছি বলি হতে হতে

হয়ত
মরে গেলে হতো বেশি ভাল
কেন এত সুখ ফেলে গেল
জীবনের সেরা স্মৃতিগুলো

স্মৃতি এসে রোজ দরজাতে
কড়া নাড়ে আর হাত পাতে
আর ভেঙে পড়ে কান্নাতে
উৎপাতে হয়ে দিশেহারা
তার ভয়ে হই ঘর ছাড়া
দি' পলায়নে আস্কারা
আমায়

এই প্রাণ
এই ভাবে পলাতক হলো
তবু যাবে কাঁহাতক বলো
শেষ হয়ে গেল পেট্রলও

থামি
শুনশান ফাঁকা বাইপাসে
আর হৃদয়ের সার্কাসে
স্মৃতি দেয় দুয়ো আর হাসে

বলো
ঘৃনা করবে কি প্রিয়তমা
যদি চেয়ে নিতে বলি ক্ষমা
বলি শো-কজ টা দিতে জমা

এ হৃদয়
দপ্তর পাল্টাচ্ছে না
অবসর নেওয়া যাচ্ছে না
আরে ! ফুটেছে হাসনুহেনা
তাকাও

হাসনুহানা

ব্যান্ড - ফসিলস (কলকাতার ব্যান্ড)
এ্যলবাম - ফসিলস (প্রথম এ্যলবাম)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28911332 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28911332 2009-02-14 23:56:32
ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় ----- [ রবীন্দ্র সঙ্গীত ] * জেবীন কালকে রাতে বলছিলো ফাগুনের গান দেয়ার জন্য। আমি বল্লাম কোন গান দিবো বলো , আমার মাথায় কোন গান আসছে না। জেবীন বল্লো - 'ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে' গানটা দিতে । আমি গান লেখা শুরু করবো তখনি রবীদার আরেকটা ফাগুনের গান মনে পড়লো - 'ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান'। আমি তখনি ভাবলাম এটাই দিয়ে দেই । গানটা জেবীনের রিকুষ মত হয় নাই ... তারপরেও এই গানটা প্রিয় দুস্তি জেবুন্নেসা খাতুন কে উৎসর্গ করিলাম । (কারন সে আমার বিয়াতে সিকো ফাইভ ঘড়ি আর মেড ইন দুবাইয়ের রেডু গিফট দিবে বলছে)


ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায়
করেছি যে দান
তোমার হাওয়ায় হাওয়ায়
করেছি যে দান
আমার আপনহারা প্রাণ
আমার বাঁধন ছেঁড়া প্রাণ

তোমার অশোকে কিংশুকে
অলক্ষ্য রঙ লাগলো আমার অকারণের সুখে
তোমার ঝাউয়ের দোলে
মর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখ রাতের গান

পূর্ণিমা সন্ধ্যায় তোমার রজনীগন্ধায়
রূপসাগরের পাড়ের পানে উদাসী মন ধায়

তোমার প্রজাপতির পাখা
আমার আকাশ চাওয়া মুগ্ধ চোখের রঙিন স্বপন মাখা
তোমার চাঁদের আলো
মিলায় আমার দুঃখসুখের সকল অবসান

ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায়

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28910637 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28910637 2009-02-13 16:16:49
মানুষ ধরো মানুষ ভজ ----- [ রশীদ উদ্দিন ]


মানুষ ধরো মানুষ ভজ
শোন বলিরে পাগল মন
মানুষের ভিতরে মানুষ
করিতেছে বিরাজন

মানুষ কি আর এমনি বটে
যার চরনে জগৎ লুটে
এই না পঞ্চভুতের ঘাটে
খেলিতেছে নিরঞ্জন
চৌদ্দতালার উপরে দালান
তার ভিতরে ফুলের বাগান
লাইলী আর মজনু দেওয়ান
সুখেই করেছে আসন

মানুষ ধরো মানুষ ভজ
শোন বলিরে পাগল মন

দুই ধারে দুই কঠোরা
হায়াৎ মউত মাঝখানে ভরা
সময় থাকতে খুঁজরে তোরা
নিকটেতে কালসময়
সোনার পুরী আন্ধার করে
যেদিন পাখি যাবে উড়ে
শূন্যখাঁচা থাকবে পড়ে
কে করবে আর তার যতন

মানুষ ধরো মানুষ ভজ
শোন বলিরে পাগল মন

তালাশে খালাশ মেলে
তালাশ করো রংমহলে
উঠিয়া হাবলঙের পুলে
চেয়ে থাকো সর্বক্ষন
দেখিবে হাবলঙের পুলে
দুই দিকেতে অগ্নি জ্বলে
ভেবে রশীদউদ্দিন বলে
চমকিছে স্বর্ণের মতন


মানুষ ধরো

** ব্লগার 'তনুজা' কে উৎসর্গ করা হইলো ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28908934 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28908934 2009-02-09 23:45:07
দুইটা কথা আছিলো

নতুন ব্লগারদের লিস্টে খুব সাম্প্রতিক এপ্রুভ করা নিকগুলা দেখা যাইতেছে । এইখানে একটা নিক জ্বল জ্বল করতাছে "আমরাশিবির"। এইটা ক্লাস টুর একটা বাচ্চাও বুঝবো এই নিকটা জন্মাইছেই গোয়ার গুহ্য চাটতে চাটতে। এখনো নিয়মিত সময় করে মইত্যা , গোয়ার গুহ্য চাটে । মানে জন্মই এইটার আজন্ম পাপ। বেজন্মা একটা নিক ।

বেশি কথা কমু না ...

দুইখান খালি প্রশ্ন -

১ এই নিকটারে কেন বাতিল করা হইবো না ।
২ কে এই নিকটারে এপ্রুভ করলো জানতে চাই ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28908312 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28908312 2009-02-08 14:27:12
তোমার জন্য নীলচে তারার একটু খানি আলো ----- [ অর্ণব ] ভোরের রঙ রাতের মিশকালো।
কাঠগোলাপের সাদার মায়া মিশিয়ে দিয়ে ভাবি
আবছা নীল তোমার লাগে ভালো

ভাবনা আমার শিমুল ডালে লালচে আগুন জ্বালে
মহুয়ার বনে মাতাল হাওয়া খেলে
এক মুঠো রোদ আকাশ ভরা তারা
ভিজে মাটিতে জলের নকশা করা
মনকে শুধু পাগল করে ফেলে

তোমার জন্য এতোগুলো রাত অধীর জেগে থাকা
তোমায় ঘিরে আমার ভালো লাগা
আকাশ ভরা তারার আলোয় তোমায় দেখে দেখে
ভালবাসার পাখি মেলে মন ভোলানো পাখা।

তোমার জন্য নীলচে তারার একটু খানি আলো

এ্যলবাম - হোক কলোরব]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28907714 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28907714 2009-02-07 00:03:21
আমার কিছু কথা ছিলো ----- [ মৌসুমী ভৌমিক ]

আমার কিছু কথা ছিলো
তোমায় বলার কেবল তোমায়
যেই না আমি ঠোঁট নেড়েছি
সেই কথাটা তলিয়ে গেল
এ সময়ে শব্দ তলায়

কিছুই তো আর যায়না শোনা
কার কথা কে বুঝবে বলো
বুঝতে হলে কথার মানে
চেনা পথের বাইরে চলো
মন
তোমার বুকের আগল খোল

এখন নাকি শব্দগুলো
এক মূহুর্তে সাগর পেড়োয়
এখন নাকি যন্ত্রগুলো
এপার থেকে আমার কথা
তোমার পারে পৌছিয়ে দেয়

তবু কিছুই যায়না বলা
শব্দ খেলায় কেবল ফাঁকি
কথার পিঠে কথা সাজাই
আমরা এখন একলা থাকি

তোমার আমার ক্লান্ত দেহ
শব্দে কথায় ভারাক্রান্ত
কত রকম কথা বলা
বলতে বলতে চলতে চলতে
পৌছে গেছি এ কোন প্রান্ত

হয়তো তুমি পাশেই আছো
তবু তোমায় ছুঁতে কি পাই
তোমার বুকে ব্যথা ছিলো
কেমন করে কথা দিয়ে
সেই ব্যথাতে আঙুল বুলাই

বলতে হলে নতুন কথা
চেনা পথের বাইরে চলো
অন্ধকারে যায়না দেখা
তবু তুমি হাতড়ে চলো
তোমার বুকের আগল খোলো

মন রে আমার কিছু কথা ছিলো


আমার কিছু কথা ছিলো

* ব্লগার পালকি কে উৎসর্গ করা হইলো ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28907306 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28907306 2009-02-05 23:42:46
যে ক্ষতি আমি নিয়েছিলাম মেনে ----- [ মান্না দে ]

যে ক্ষতি আমি নিয়েছিলাম মেনে
সেই ক্ষতি পূরণ করতে কেন এলে
কি খেলা তুমি নতুন করে যাবে আবার খেলে

আমি যেসব কথা গিয়েছিলাম ভুলে
রেখেছিলাম অন্ধকারের বন্ধ খাঁচায় তুলে
সে পাখি কে ডাকলে কেন নতুন পাখা মেলে

আমার যা কিছু আকাঙ্খা যা কিছু অনুভব
পাথর হয়ে বুকের মাঝে জমেছিলো সব
সেই পাথরচাপা ঝর্ণাকে আবার বললে কেন
সময় হলো নদী হয়ে যাবার
জানিনাতো কোন মরুতে রাখবে তারে ফেলে

যে ক্ষতি আমি নিয়েছিলাম মেনে
সেই ক্ষতি পুরন করতে কেন এলে
কি খেলা তুমি নতুন করে যাবে আবার খেলে

যে ক্ষতি আমি নিয়েছিলাম মেনে

* ব্লগার সহেলী কে উৎসর্গ করা হইলো । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28906358 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28906358 2009-02-03 23:52:57
আমার চোখের জলের মাঝে ----- [ চিত্রা সিং ] তোমার স্বপ্ন কমল আছে
তুমি জানো কি তা

দেখবো কি করে তারে
নিরব অহংকারে
আমার গহন মনে
সে যে গান হয়ে বাজে
তুমি জানো কি তা

কেন তুমি কাছে এলে
এত আশা দিয়ে গেলে
কোথায় রেখেছি তারে
বুঝে তুমি বোঝে না যে
তুমি জানো কি তা

আমার চোখের জলের মাঝে
তোমার স্বপ্ন কমল আছে
তুমি জানো কি তা

আমার চোখের জলের মাঝে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28905911 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28905911 2009-02-02 23:42:21
পৌষের কাছাকাছি রোদমাখা সেইদিন ----- [মান্না দে] ফিরে আর আসবে কি কখনো
খুশি আর লজ্জার মাঝামাঝি সেই হাসি
তুমি আর হাসবে কি কখনো

অনুযোগ কার নাম না জেনে
অধরেতে কোন সাড়া না এনে
দেখা আর না দেখার কাছাকাছি কোন রং
চোখে আর ভাসবে কি কখনো

কাব্য কি কথা সে ভাববো কি বিলাসে
মায়া জাল বুনবো কি কখনো
ভুল কি পাখিদের সে কাকলি শুনবো কি তখনো
সে বাতাস বাঁশি কি গো বাজাবে
সে আবেশ মনে মনে সাজাবে
বোঝা আর না বোঝার কাছাকাছি কোন গান
ভাল আর বাসবে কি কখনো


পৌষের কাছাকাছি

* ব্লগার পান্থ বিহোস কে উৎসর্গ করা হইলো]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28905473 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28905473 2009-02-01 23:38:03
দুটি মন আর নেই দু'জনার ----- [ চিত্রা সিং ] রাত বলে আমি সাথী হবো যে
ফাগুনের রাতে আমি
রূপকথা হয়ে কাছে রবো যে

ফুল বলে রঙে আর ছেয়ো না
পাখী বলে আর গান গেয়ো না
আমাদের মিতালী মায়াতে
কানে কানে কত কথা কব যে

শুকতারা বলে আমি আছি তো
দিশাহারা হতে আর ভয় কি
পাছে ঘুম ঝরে পড়ে দু'চোখে
হাসি মুখে তাই জেগে রবো যে


[ দুটি মন আর]

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28905059 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28905059 2009-02-01 02:04:00
সুন্দরীদের বুদ্ধির দৌড়

[এই পোস্ট টা ১৭ তারিখ তাড়াহুড়ায় লিখছিলাম ব্লগার মদনের একটা পোস্ট দেইখা .. ছাপাইতে গিয়া দেখি পোস্ট দিতে পারতাছি না ... একটু পরে আবিষ্কার করলাম আমার মিটারের কাটা নাই ... বন্ধুরা ক্ষেপাইলো এই কইয়া 'আমার কোন স্ট্যাটাস নাই এজন্য কোন বাপ তার মেয়েকে দিবে না আমার কাছে ' আজকে আমি অনেক খুশি আমার স্ট্যাটাস ফিরা পাইয়া .. অবশ্য ধাপে ধাপে আসতে হইছে .. প্রথমে নজর কি সামনে জিগার কি পাস .. তারপর জেনারেল .. ফাইনালি আমি পাত্রির বাপের সামনে দাড়াবার মত উপযুক্ত হইলাম ]

আমার এক ফুপাত বোন আছে আমার চেয়ে এক বছর বড়। ব্যপক রকমের সুন্দরী। (অতি উৎসাহিদের জ্ঞাতার্থে: উনি বর্তমানে বিবাহিতা )
সে যতবার আমাদের বাসায় বেড়াতে আসতো আমাদের বাসার সামনে পাড়ার বড় ভাইদের জটলা লেগে যাইতো।
আমার ফুপুর বাসায় গেলে নিত্য নতুন ঘটনা শুনতাম খালি। কোন এক ছেলে নিচের গেটে হাটু গেড়ে তার কাছে প্রেম নিবেদন করতে গিয়া ফুপার কাছে হাতেনাতে ধরা খায় ।
একবার আমার সেই ফুপাত বোন খালেদা জিয়ার শাসন আমলে টিভিতে খবর দেখতে দেখতে খুব সিরিয়াসলি আমারে কইলো -
- খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়াতে বাংলাদেশের অনেক লাভ ।
আমিও খুব আগ্রহের সাথে জিজ্ঞাস করলাম ,
- কেমনে ?
- খালেদা জিয়া দেশের বাইরে গেলে বিদেশিরা সবাই ভাববে আমাদের দেশের মেয়েরা সব সুন্দরী। এটা আমাদের জন্য কত সন্মানের বুঝতে পারোস ??

আমি লজিকের মারপ্যাচে টাসকিত হয়ে তব্ধা খায়া বোনের থিকা মুখ ফিরায়া টিভির দিকে তাকায় অনেক কষ্টে কইলাম ,
- আপা .. এইটা ভাবতে আমার যারপর নাই আনন্দ হৈতাছে যে তোমার মত একজন সুন্দরী আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী।

ব্লগার মদনের পোস্টে দেখলাম দেশের কোন সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অলিভ অয়েল কি থিকা বানায় সুন্দরীরা বলতে পারে নাই । শুইনা আমি অবাক হইনা।
আমাদের দেশি সুন্দরীদের দোষ দিবেন না আপনে যদি নিচের ঘটনা টা খুব খেয়াল কইরা দেখেন -----

২০০৭ সালে আমেরিকায় মিস টিন প্রতিযোগিতায় এক সুন্দরী রে জিজ্ঞাসা করা হইছিলো ..
- সম্প্রতি জরিপে দেখা গেছে শতকরা ৫ জন আমেরিকান বিশ্বমানচিত্র থিকা আমেরিকা কোন জায়গায় বাইর করতে পারে না, তোমার কি বক্তব্য এই বিষয়ে ?

সুন্দরী জবাবে একটা মাঝারি দম নিয়া কয় --

- আমি ব্যক্তিগত বিশ্বাস করি যে , মার্কিন আমিরিকানরা এই কামটা করতে পারে না কারন .. আমাদের জাতির মধ্যে কিছু পাব্লিকের বাসায় মানচিত্র নাই। আমি বিশ্বাস করি শিক্ষা ব্যবস্থা .. যেমন উদাহারন স্বরূপ দক্ষিন আফ্রিকায় , দি ইরাক আর বাকি সব জায়গায় সবার মত। আমি বিশ্বাস করি তাদের উচিত.. মানে .. আমাদের আমেরিকান শিক্ষা ব্যবস্থা আমেরিকানদের সাহায্য করা উচিত , দক্ষিন আফ্রিকাকে সাহায্য করা উচিত, ইরাককে সাহায্য করা উচিত এবং বাকি সব এশিয়ান দেশগুলারেও সাহায্য করা উচিত। তাহলেই আমরা সবার জন্য আমাদের ভবিষৎ গড়ে তুলতে পারবো ।

উত্তরের নমুনাটা দেখলেন !!!!! প্রশ্ন কি করলো আর উত্তর কি দিলো !!!

সওয়াল জবাবের ভিডুটা দেখেন এইখানে

এই জবাব নিয়া চুলচেরা বিশ্লেষন হইছে এইখানে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28904087 http://www.somewhereinblog.net/blog/bishaktomanushblog/28904087 2009-01-29 21:21:28