আওয়ামী লীগেও ছিল যুদ্ধাপরাধী! সেই তালিকা তৈরি করছে জামায়াত

২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫০

শেয়ারঃ
0 1 0

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের যেসব নেতা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন জামায়াত সমর্থক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান তাদের তালিকা করছে। জামায়াত আসলে সেই সময়ে আওয়ামী লীগে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের খুঁজছে। অন্যান্য দলের নেতাদের নিয়েও আরেকটি তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

বর্তমান সরকার সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধের তালিকা তৈরি করে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর প্রেক্ষিতেই জামায়াত এ উদ্যোগ নিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী দেখাতে চায় আওয়ামী লীগেও যুদ্ধাপরাধী আছে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের লক্ষ্যে গঠিত ‘বিশেষ ট্রাইবুনালে’ এই তালিকা এবং সঙ্গে কিছু অভিযোগ জমা দেয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ধরনের তালিকার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যেহেতু তদানীন্তন জামায়াতের রাজনৈতিক ভূমিকাকে অবলম্বন করে আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে যুদ্ধাপরাধী ইসু চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে, সঙ্গত কারণেই আমরা সেই সময়কার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার কী ভূমিকা ছিল- তা খোঁজ নেয়ার কিছুটা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।’

কামারুজ্জামান বলেন, ‘যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে- তাতে দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রচুরসংখ্যক নেতা পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছেন। তাদের মধ্যে বর্তমান আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, এমনকি মন্ত্রিসভার সদস্যও আছেন। তাঁদের পিতা-পরিবারের সদস্যরাও জামায়াতের মতোই পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন।’

‘ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’র আহ্বায়ক ডা. এমএ হাসান জামায়াতের আওয়ামী লীগে যুদ্ধাপরাধী খোঁজার বিষয়ে আমাদের সময়কে বলেন, ‘তালিকা করুক না ক্ষতি কী? তাদের করা তালিকাভুক্তরা সত্যিকার অপরাধী হলে সরকারের উচিত এর বিচার করা।’

তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো, দলের মর্যাদা অক্ষুণœ ও নিষ্কলুষ করার জন্য নিজেদের উদ্যোগেই জরুরি ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি করা উচিত।’

জামায়াত সমর্থিত প্রতিষ্ঠান সূত্র বলেছে, নোয়াখালী থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের ‘এমএনএ’ (জাতীয় পরিষদ) মো. ওবায়দুল্লাহ মজুমদার ও চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ (প্রাদেশিক পরিষদ) অধ্যাপক শামসুল হক দু’জনই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর তৈরি এমএ মালেকের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

তালিকাভুক্ত অপর আওয়ামী লীগ নেতারা হচ্ছেন- চট্টগ্রামের প্রাদেশিক আসন ২৪ থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, পটুয়াখালী থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ মুজিবুর রহমান তালুকদার, যশোর থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ মো. মঈনুদ্দীন মিয়াজী, খুলনার ‘এমপিএ’ হাবিবুর রহমান খান, বগুড়া থেকে নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে নির্বাচিত ‘এমএনএ’ জহির উদ্দিন, লে. কর্নেল একেএম মাহবুবুল ইসলাম (পাবনা), সৈয়দ হোসেইন মনসুর (পাবনা), মো. আবদুল গাফফার (খুলনা), মো. সাঈদ (খুলনা), মোশাররফ হোসেন শাহজাহান, একে ফায়জুল হক (বরিশাল), এবিএম নুরুল ইসলাম (ফরিদপুর), আমজাদ হোসেন খান (ফরিদপুর), মো. নুরুল ইসলাম (ঢাকা), আখতারুজ্জামান (ময়মনসিংহ), সৈয়দ বদরুজ্জামান ওরফে এসবি জামান (ময়মনসিংহ), ডা. আবুল হাসেম (সিলেট)।

উল্লিখিত ২০ নেতার প্রত্যেকে জাতীয় পরিষদ অথবা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। দৈনিক পাকিস্তান ও আজাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসব নেতার স্বাধীনতাবিরোধী বিবৃতি প্রকাশ হয়। তালিকাভুক্ত এসব আওয়ামী লীগ নেতারা মুক্তিযুদ্ধের সময় কেবল বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে ইয়াহিয়া সরকারের পক্ষই নেননি, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করেন বলেও তাতে উল্লেখ আছে। যে কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়েই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কিছু গণপরিষদ সদস্যের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। অনেকের নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছিল। উল্লেখিতদের অনেকেই ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

’৭১ সালের ৩ জুলাই সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানকে খণ্ডবিখণ্ড করার জন্য জনগণ আমাকে ভোট দেয় নাই।’ ৬ জুলাই মুজিবুর রহমান তালুকদার পৃথক বিবৃতিতে ‘পাকিস্তানকে খণ্ড-বিখণ্ড করার জন্য আওয়ামী লীগের মতলব সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না’ বলে মন্তব্য করেন। হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘পাকিস্তান এক ও অবিচ্ছেদ্য। পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে পারে এমন কোনো শক্তি পৃথিবীতে নেই।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের যেসব নেতা জেলা ও শহর শাখার শান্তি কমিটিতে ছিলেন তাদেরও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম। একাত্তর সালে তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি রাজাকার কমান্ডার ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়। তখন ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপিএ খোদাবক্স মুক্তার, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. ফিরোজুর রহমান, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবদুস শুকুর মিয়া, ফরিদপুর আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল জলিল মিয়া মোক্তার, অ্যাডভোকেট কাজী খলিলুর রহমান, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন মিয়া, চট্টগ্রাম সদর মহকুমা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবুল বাশার, নেত্রকোণার আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম খান, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, মহকুমা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি চাঁদবক্স পাটওয়ারী মোক্তার, নেত্রকোণার বায়লাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি ডা. গিয়াসউদ্দিন আহমদ, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সদস্য সোহরাব হোসেন, নেত্রকোণা মহকুমা আওয়ামী লীগ সদস্য এমদাদুল হক, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী মোক্তার, চাঁদপুর রেডক্রস সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের কার্যকরি সদস্য খুরশিদ আলম চৌধুরী, মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ বজলুর রহমান শেখ, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও তরপারচান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান মৃধা, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজ শেখ পাটওয়ারী, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও ঠিকাদার মোফাজ্জল হোসেন, ফরিদগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম, রাজশাহীর সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান, যশোর আওয়ামী লীগ নেতা মীর তৈয়ব, মোহাম্মদ আবদুল হাকিম বিক্রমপুরী।

নেত্রকোনা শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। তিনি মুসলমানদের চিরশত্র“ ভারতের সমর্থনপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী দুষ্কৃতকারীদের উৎখাতকল্পে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৬
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: কি কমু গালি দিলে মডু চেচামেচি করে . যাদের একের অধিক নিক আসে তাদের কে কৈতেছি এই বেটারে এবং জামাতরে হায়রে দুনিয়ার গালি দিয়া একটা নিক শহীদ করেন
২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪১
দিগন্ত বলেছেন: আচ্ছা এরা কি খুন-জখম করেছে?
৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫০
দাসত্ব বলেছেন: সঠিক কাজ করতেসে। আওয়ামী লীগ জামাতী যুদ্ধাপরাধীদের লিস্ট করতেসে। ওরা ভুলেও নিজের দলের লোকের অপরাধের কথা স্বীকার করবেনা । বিএনপি চুপ মেরে বসে আছে। জামাত ঠিক কাজই করতেসে । মিডিয়া গুলাও নিরপেক্ষতা বাদ দিয়া দালালি করতেসে। সো ভালো কাজটা জামাত রে দিয়া হইতেসে।
অভিনন্দন
৪. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫১
বাকরুদ্ব বলেছেন: জটিল হইছে....তথ্য বহুল...সোর্সটা দিলে আরো ভাল হত।
প্লাস দিলাম........
২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: ২৮ তারিখের আমাদের সময় হেডিং করছে।

৫. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৭
রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: কামের কাম হইতেসে...এইবার শুরু হবে পাল্টা পাল্টি তালিকা !! শেষ মেষ দেখা যাবে, যুদ্ধাপরাধি বলতে গেলে আমাদের specify করে বলতে হবে.... আওয়ামী যুদ্ধাপরাধি or জামায়াতী যুদ্ধাপরাধি !! অথচ মৃত মানুষের যেমন কোনো দল থাকেনা, তেমনি যুদ্ধাপরাধির ও কোনো দলীয় পরিচয় না থাকাটাই better ছিলো !
৬. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০২
আইকন বলেছেন: জটিল.. মুদ্রার এপিট দেখেছে.. ঐপিট নিয়া চিন্তা করেনাই।
নিজেদের জালে নিজেরাই ধরা পড়বে.. মিথ্যা বলার জন্যও একটু বুদ্ধি থাকা দরকার। বালগো মাথায় ঐডাও নাই। ++
৭. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:১০
সুধাসদন বলেছেন: আওয়ামী লীগই যুদ্ধাপরাধের ইস্যুকে বিতর্কিত করেছে। তারা যদি নিরপেক্ষভাবে বিচার করার উদ্যোগ নিতো তাহলে এমনটি হতো না। আওয়ামী যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা সরকারীভাবে প্রকাশ করা হোক।
৮. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:২৪
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: এখানে লক্ষনীয় যে আওয়ামীলীগের নীতি রাজাকারী ছিলো না . কিন্তু জামাতের ছিলো . এখন জামাত করতেছে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা ! চোরের সাক্ষী গাটকাটা! ওরা যদি পারে তবে প্রমান দেখাক , সমস্যা নাই . কিন্তু ফাসির দড়ি নিজামী, গু আজম এবং কামরুজ্জামানের জন্যে ঠিকই সাজানো থাকবে .
৯. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:৫৫
ডিটেকটিভ বলেছেন: চোরের কাছে চোরের গ্যাং এর আসল তথ্য পাওয়া যায়।
হেহেহে.... বড়ই খোশ খবর , ৭১ এর সব চোরের চেহারা এবার চেনা যাবে । জামাত কে ধন্যবাদ।
১০. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:০৮
কঠিনলজিক বলেছেন: রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: কামের কাম হইতেসে...এইবার শুরু হবে পাল্টা পাল্টি তালিকা !! শেষ মেষ দেখা যাবে, যুদ্ধাপরাধি বলতে গেলে আমাদের specify করে বলতে হবে.... আওয়ামী যুদ্ধাপরাধি or জামায়াতী যুদ্ধাপরাধি !! অথচ মৃত মানুষের যেমন কোনো দল থাকেনা, তেমনি যুদ্ধাপরাধির ও কোনো দলীয় পরিচয় না থাকাটাই better ছিলো !
১১. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৩৯
জাতি জানতে চায় বলেছেন: সব দলের রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী তালিকা জরুরী! তারপর সবগুলারে দড়িতে বেধে লম্বা করে দাড় করিয়ে একে-৪৭ দিয়ে ঠা ঠা ঠা ঠা ঠা ঠা....... আহ কি শান্তি! বেচে থাকা সবচেয়ে জঘন্য ইস্যুটার মৃত্যু হলো!

হায় ঈশ্বর! @ আপনের মন্তব্য শুনে মনে হলো, এ খবরে আপনের মন খারাপ! কিন্তু চিন্তা করে দেখেন ৩৮ বছরের জগদ্দল পাথর জাতির পিঠ থেকে নেমে যাবে, এর থেকে জাতির জন্য শান্তির আর কি হতে পারে! জামাতি প্রধান রাজাকার ছিলো তাই পুরা দলটাই রাজাকার নীতিতে চলছে, আর আলীগ প্রধানের রাজাকার নীতি ছিলো না, তাই দলের অংশ বিশেষের নেতারা রাজাকার নীতিতে চলছে! আর যুদ্ধের পর মুজিবুরের ক্ষমা পাওয়ার পর সেসময়ের একমাত্র বড় দল আলীগে তাদের উল্লেখ যোগ্য একটা অংশের যোগদান করার সম্ভাবনা প্রবল!
১২. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৫৪
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: হায় ঈশ্বর! @ ঐ লিষ্টে রিলেটিভ কেউ আছে নাকি!
১৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৪৩
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: জেনারেশন৭৫ বলেছেন: হায় ঈশ্বর! @ ঐ লিষ্টে রিলেটিভ কেউ আছে নাকি!


হাসতে হাসতে পইরা গেলাম :)


গুডজব ম্যান :)
১৪. ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৩
এস এইচ খান বলেছেন:


ওরে নিতাইরা, তোরা কই, প্যাচতো লাইগা গেছে, আউয়ামীদের নতুন বুদ্ধি দে =p~

======

আসুন ভাদা ভাকুর, এই জারজদের তালিকা তৈরির কাজটাও এখনই শুরু করি নতুবা পরে ভাদা ভাকুর জারজরা বলবে হেন্দুশতান আমার বাপ আছিল না।

১৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২১
রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: জেনারেশন৭৫....দারুন বলেছেন ভাই !!! হাহাহাহাহা...আমারও টাই মনে হয় !! :) ;)
১৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২২
রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: জেনারেশন৭৫....দারুন বলেছেন ভাই !!! হাহাহাহাহা...আমারও তাই মনে হয় !! :) ;)
১৭. ২৪ শে মে, ২০১০ রাত ৮:৪১
শাহ জাহান মাহমুদ বলেছেন: "আওয়ামী যুদ্ধাপরাধি or জামায়াতী যুদ্ধাপরাধি !! অথচ মৃত মানুষের যেমন কোনো দল থাকেনা, তেমনি যুদ্ধাপরাধির ও কোনো দলীয় পরিচয় না থাকাটাই better ছিলো"-----একমত।
কিন্তু আওয়ামীগে কোন যুদ্ধাপরাধি নাই । তারা এখন সবই মুক্তিযোদ্দা । এইটা বললে আপনি যুদ্ধাপরাধি হইয়া যাইবেন । হাম্বালীগের চরিত্রই এই রকম ।

যুদ্ধাপরাধির ও কোনো দলীয় পরিচয় না থাকাটাই উত্তম । তাহলে বিচার সঠিক হবে । যুদ্ধাপরাধির বিচার হওয়া উচিত ।
১৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
জাকির সজিব বলেছেন: সবচেয়ে বড় যুদ্ধাপরাধি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধের সময়ে যিনি পাকিস্তানে ছিলেন, যুদ্ধের মাঝে অনুপস্তিত থাকাও একটা চরম যুদ্ধাপরাধ

 

মোট সময় লেগেছে ০.৮৯২৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সত্য বলি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই