আমার প্রিয় পোস্ট
- ঝামেলাহীন প্রিমিয়াম ডাউনলোড - আহমেদ সাদমান
- "হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে" - কৃষক-কিষাণীর রোজনামচার সংকলন (পিডিএফ) - ~স্বপ্নজয়~
- শুধু তুমিই মনে রেখেছ আমার এ দিনটাকে। - এন এইচ আর
- আধা টেকি পোস্টঃ ফটোশপ :: রং-বেরং - ভাঙ্গা পেন্সিল
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার আইনটির {দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট, ১৯৭৩} বাংলা অনুবাদ - প্রথম পর্ব - একরামুল হক শামীম
- বছরে এই দিনটিতে ফুল কিনতে কখনও ভুল হয় না। - এস্কিমো
বিশ্ববিদ্যালয় প্রেম--- যবনিকা
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৮
মেইল করবার পর ওকে মেসেন্জারে এড করলাম। কৃষক দেশের বাইরে থাকে , তাই একটা সময় দিয়ে বলল এই সময় অনলাইনে এসো কথা হবে। আমি বেশ একটা উত্তেজনা অনুভব করছি ১৬ বছর পর কথা হবে, হোক না,মেসেন্জারে। ঠিক সময় মত সব কিছু গুছিয়ে পিসি ছেড়ে বসলাম। কত যে কথা। সব আমিই বলি। শুধু প্রশ্ন করি আর সে উত্তর দেয়। বিয়ে করেছে কিনা জানতে চাই, বাচ্চাদের কথা জানতে চাই। বউ বাচ্চার ছবিও দেখা হয়। ভারী মিষ্টি একটা বউ তার, (ইয়ে মানে আমার চেয়ে সুন্দরী না)।
ভালোবেসে বিয়ে করেছে ওরা, আর বাচ্চটা একেবারে মায়ের কপি।
একটা পর্বে ব্লগার বরুণাকে বলেছিলাম কৃষকের চুল সব কাশফুলের মত সাদা। ওটাও মেসেন্জারে জেনেছি। কৃষকের বর্তমান সময়ের ছবিও আমি দেখিনি।ওর সব ভাই, কাজিনদের খবর নিলাম। পিচ্চি পিচ্চি কাজিনগুলো সব নাকি এখন বিয়ে করে সংসার করছে!!!! সে ও আমার ভাই বোন এমনকি বাড়ীর পিচ্চিগুলার নাম ধরে ধরে খবর নিল। আমি অবাক হয়ে বলি, সবার নাম তোমার মনে আছে!
ফেসবুকের প্রোফাইলে তার যে জন্মতারিখ দেয়া আছে, সেটা নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার জন্মতো আগষ্ট না তাহলে আগষ্ট লিখেছ কেন? ওপাশ থেকে বলে...জাননা কেন?...আমি সত্যি জানিনাা...মানে ভুলে গেছি।
মনে করবার চেষ্টা করছি কি ছিল সেইদিন...একটু আন্দাজে ঢিল ছুড়লাম...ঐ দিন কি তোমার হাত ধরেছিলাম নাকি? বলে কেন তুমি জাননা?....বুঝলাম তাহলে এটাই ঠিক। মনে মনে ভাবছি সেরেছে...আমি ভুলে গেছি সে তো ঠিকই মনে রেখেছে!
ক্যাম্পাসের একথা সেকথা বলছিল, অনেকদিন আগের ঘটনা আমি অনেক কিছু ভুলে গেছি....অবাক হই। বলি তোমার মনে আছে? সে বলে আমার সব মনে আছে কিষাণী, সব! কেন জানো? কারন আমাকে তুমি ছেড়ে গেছ আমি তো তোমাকে ছাড়িনি, তাই আমি কিছু ভুলিনি। কেমন লাগে!!!!!! মন খারাপ করে থাকি কিছুন তারপর বলি কৃষক গত ১৩ বছরে আমার জীবনে অনেক ঝড় বয়ে গেছে, ওসব স্মৃতি তাই আমার মনে নেই। তারপর ব্লগের লিংকগুলো দিল বলল পরে পড়বা, যাতে বোঝা যায় সে কিছু ভোলেনি।
আমার ফেলে আসা সংসার নিয়ে কথা হয়....কৃষক বলে মনে আছে আমি অভিশাপ দিয়েছিলাম..........ওর মনে হয়তো একটা কাঁটা খঁচখচ করে.... তাই আমি বলি তুমি এটা নিয়ে একদম গ্লানি বোধ করবে না। যা হবার ছিল তা হয়েছে...এখানে অভিশাপ এর কিছু নাই।
দুজন কথা বলছি, কৃষক একটু পর পর বলে কত বছর পর তোমার সাথে কথা তাইনা?
আমার মাথায় দুষ্ট বুদ্ধি চাপলো, আমি জিজ্ঞেস করলাম........আচ্ছা আজকে যদি তোমার সাথে আমার দেখা হত কোন কফিশপে বা অন্য কোথাও.....তোমার কি অনুভূতি হত? তোমার কি আমার হাতটা ধরতে ইচ্ছা করতো? আমাকে চুমু খেতে ইচ্ছা করতো?
ওপাশে খানিন নীরবতা। বেশ বেকায়দায় ফেলে দিলাম মনে হয়। আমি এপাশে হাসছি।
উত্তর এল...না, তারপর বলল মনে হয় না।
আমি বললাম এটাই স্বাভাবিক। ও বলল কেন?
বললাম তুমি এখন একজনের স্বামী, একটা মানুষ দুজনকে একসাথে ভালোবাসতে পারে না, তাই তোমার আমার হাত ধরতে ইচ্ছা করবে না।
আমি বলি আমারউপর তোমার অনেক রাগ? বলে ....আগে ছিল, এখন নাই। ...এখন নাই কেন?....নাই কেমন করে যেন রাগ চলে গেছে। বলি.... কেন এখন আমি একা এজন্য এত মায়া?....বলে না না তা হবে কেন....এটার সাথে ওটার কোন সম্পর্ক নাই। রাগ আরো আগেই চলে গেছে।
থেকে থেকে কৃষক বলে....জীবনটা এমন নাও হতে পারতো।আবার হয়তো খানিক পর বলে সব দোষই তো ছিল আমার, আর সুস্থ হতেও অনেক সময় লেগেছিল প্রায় ৩ বছর, তুমি আর কি করবা। আবার বলে তুমি তো আমাকে ছেড়ে চলে গেলা, একবার সুযোগ ও দিলা না।
আমি বলি তুমি আমার কাছে কেন সত্য বলতা না, আমার চেয়ে আপন ক্যাম্পাসে তোমার আর কে ছিল? ও বলে তোমাকে হারানোর ভয়ে বলতাম না। তুমি বলেছিলা ওটা খেলে যেন তোমার কাছে আর না আসি। অথচ না খেয়ে তো পারতাম না। আমি বলি এটা আমাকে কেন বল নাই, কেন বন্ধুর মত অকপট হওনি কৃষক? তোমার অনেক ভার আমি কাঁধে তুলে নিয়েছিলাম, এটুকু নির্ভর কেন আমার উপর করনি? কৃষক বলল....তুমি তো বন্ধু হতে চাওনি কিষাণী....তুমি সাধারন কোন নারীর মত বলেছিলা... ওটা খেলে যেন তোমার কাছে আর না আসি!!!!!!! হা কপাল, আমি যা বললাম তাই তোমার কাছে বড় হল। কখন তোমার বন্ধু আমি ছিলাম না, আর আমি তো নারীই, অতি সাধারন বাঙ্গালী নারী............আমার কাছে আর কি অসাধারনত্ব তুমি চেযেছিলে আমি জানিনা।
আরেক বার বলি সুস্থ যখন হলে তুমি তো জানতে আমি কোথায় আছি, তখন কেন এলেনা আমার সামনে? পাল্টা প্রশ্ন করলো ..আসলে কি হত? আমাকে গ্রহন করতা?...থমকে যাই আমি....একটু ভাবি...তারপর বলি...আমি জানিনা তখন গ্রহন করতাম কিনা, তবে জানতাম তো ভালো আছো...এখন এই যে স্বাভাবিক হয়ে কথা বলছি সেটা সেই অতটা বছর আগেই বলতাম.... আর যদি তখনো বিয়ে না হয়ে থাকতো, হয়তো বিয়েও করতাম..........আবেগ জড়িয়ে ধরে আমাদের ...বলি, ভালোবেসেছিলাম তোমাকে কৃষক... অনেক অনেক ভালোবেসেছিলাম....তুমি জানো সেটা। তারপর আবার স্বভাবিক হয়ে বলি....থাক, হয়তো বা যদি নিয়ে কথা বলে কি হবে। এখনকার কথা বল...। বলি বাদ দাও...সাথে সাথে উত্তর আসে বাদ দিলাম।
আবার বলি, তোমার সাথে সারারাত আমার পূর্ণিমা দেখার কথা ছিল, ..বলল মনে আছে, আমি কিছুই ভুলি নাই। আমি বললাম আজো আমার পূর্ণিমা দেখা হয়ে ওঠেনি....বুঝতে পারি ওপাশে মন খারপ হল। বলি ..জানো বিয়ের পর স্বামীকে বলেছিলাম আমার এই শখটার কথা...শুনে আমার দিকে এমন করে তাকিয়েছিল...আমি বুঝে গেছিলাম এ জাতীয় কথা এখন আর বলা চলবেনা। আবার ওর মন খারাপ হল বুঝতে পারি... আবার টপিক চেইন্জ। এই কথাটা বলার সময়ও আমার চোখ ভরে এসেছিল।
জিজ্ঞেস করেছিলাম ক্যাস্পাস ছেড়ে চলে গেলে কেন? পড়াটা শেষ করলে না। আমার ওপর জেদ করেও তো পড়াটা শেষ করতে পারতা। ও বলল... সবাই বলেছিল প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়তে....আমি পড়িনি। কেন?...আমার একটা রাগ হয়েছিল...সাফল্যের প্রতি কোন মোহ ছিল না।.....আবার একসময় বলল..আমার মনে হত পাপ করেছি কিষাণী, আমার শাস্তি হওয়া দরকার,তাই ভাল কোন সাবজেক্ট নিয়ে পড়িনি,এখন যে কষ্টটা করবো তাই হবে পাপের শাস্তি। আমি শুনে আঁতকে উঠি...এসব কি বল, পাপ কেন হবে,তুমি ভুল করেছিলে,ভুল আর পাপ এক কথা হল? যে ভুল করেছিলা তার জন্য এমনি কত কষ্ট পেয়েছ, ডিগ্রি হল না, আমিও চলে গেলাম,আর কত শাস্তি হবে তোমার। আমার বুক ভেঙ্গে যায়। এই ছেলেটা এত আত্মনীপীড়ণ করতে পারে!!!!!! অসহ্য!!! তারপর বলি...তাতে কি, এখন তোমার সোনার সংসার, এখন তো ভাল আছ। বলে হ্যাঁ, এখন ভালো আছি।
আবার বলল....শেষ যেদিন তোমার পথ আগলে দাঁিড়য়েছিলাম, তোমার চোখে আমার জন্য কোন ভালবাসা দেখতে পাইনি কিষাণী, শুধু ঘৃনা ছিল, তাই আর তোমাকে খুঁিজনি। আমি বলি আমি তোমাকে ঘৃণা করবো? তোমাকে? আমি তোমাকে ভালবাসতাম!!!!! ছায়ার মত তোমার পাশে ছিলাম। বলল আমার তখন এমনই মনে হয়েছে, এবং সেটা ভুল ছিল না।
আবার বলছে ....কতদিন পর কথা বলছি, একদম সিনেমার মত!!!! আমি বললাম, না না মৈত্রয়ী দেবীর "ন হণ্যতে" র মত। অনেক অনেক বছর আমরা পুরোনো দিনের কথা ভাবছি!!! কৃষক যখন বলে আমার শুধু একটা কথাই মনে হয়, এমন তো না ও হতে পারতো, তখন খুব খারাপ লাগে কিষাণী, মানতে পারি না। কিংবা যখন বলে...তুমি সেজেগুজে ঘুরে বেড়াতা, আমাকে দেখানোর জন্য, চারদিকে তোমার স্মৃতি, আমি আর থাকতেই পারলাম না ওখানে। তখন আমি পিসির সামনে বসে ঝরঝর করে কাঁদি তারপরও বলি বাহ, তোমার একারই শুধু কষ্ট হত, আমার হয়নি, আমি কেমন করে ছিলাম???? ও বলে আমি পারিনা কিষাণী, তুমি ছেড়ে গেছ আমি তো যাইনি, তোমার বলয় ছেড়ে বের হতে আমার অনেক সময় লেগেছিল।
তখন আমি আবার দুষ্টুমি জুড়ি, বিয়ে কিভাবে হল, প্রেম করে? বলে ন্যাড়া একবার বেলতলায় যায়, আমি গেছি দুবার। শুনে হাসতে হাসতে আমি খুন। বলি যাই বল তোমার নারী ভাগ্য ভাল...সুন্দরী মেয়েরা তোমার প্রেমে পড়ে!! ও বলে ওরে কি বলে রে!!!
এরপর যেদিন কথা হল জিজ্ঞেস করলাম আমার সাথে কথা বলে তোমার কেমন লাগলো? উত্তর টা না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলো তোমার কেমন লাগলো।...বেশ চালাক হয়ে গেছে কৃষক, ঘুরিয়ে কথা বলতে শিখেছে। আমি বললাম কখনো খুব ভালো লেগেছে, কখনো আমি বুকের মধ্যে কষ্টের তীব্র ব্যথা টের পেয়েছি, কখনো ঝরঝর করে কেঁদেছি ........এমনি অনুভূতি ছিল আমার। এবার বলল... আমাদের সব কিছু তো একই রকম ছিল....এখন তো আলাদা অনুভূতি হবার কোন কারন নাই!!!!!!! ফাঁকিবাজ, এখানেও ফাকি দিল।
এরপর ব্লগে লেখা এই পর্বের লেখা গুলো পড়লাম, পড়তে পড়তে আবার স্মৃতির মাঝে হারিয়ে গেলাম....কৃষক আমাকে নিক আর পাসওয়ার্ড দিয়ে দিল বলল তুমি ও লেখ। সে থেকে কিষাণীর আগমন। কিছুদিন পর আমি বলতাম এ কিসের মধ্যে ফেলে দিলা.... এ পর্ব আমি কেমন করে শেষ করবো?....সে বলতো কৃষকের ব্লগ আমি তোমাকে দিয়া দিলাম, তুমি যেভাবে খুশি শেষ কর। কিছুদিন লেখার পর আর এগুতে পারিনা। তারপর লেখা বন্ধ ছিল। মনে হল শেষ করি, সবাই ভাবে আমরা সত্যিকার কৃষক-কিষাণী....এ খেলা সাঙ্গ করি। ঝড় তোলা সেই দিনগুলির মুখোমুখি হওয়া যে এখনো কত কঠিন!.........কতবার লিখতে লিখতে চোখ ঝাপসা হয়েছে.....।
এখনো আমাদের মেসেন্জারে কথা হয়..... হয়তো দেশে ফিরলে সময় সুযোগ হলে দেখা হবে....না হলেও তি নেই। সেই দিনগুলি মনের মাঝে আছে সেই ভালো..... । কৃষকের বাকী জীবনটা সুখে কাটুক...।
আমাদের দুজনের মধ্যে এখন যে সম্পর্ক....এটা না প্রেম...... না ভালোবাসা,.... এটা একটা মায়া। তবে বন্ধুত্ব হয়তো আছে। একটা গান শুনেছিলাম উড়ে যায় বকপক্ষী; পড়ে থাকে মায়া.........এমন কিছু একটা। তাই ভালোবাসা, কামনা সব ধুয়ে গেছে, রয়ে গেছে মায়া। সময় এক অদ্ভুদ জিনিস...অনেক কঠিন ব্যাপারকে সহজ করে দেয়। সব কথা অবলীলায় তার সাথে এখন শেয়ার করি।কৃষক কোন ইন্টারফেয়ার করে না, চুপচাপ নিরবে,অনেকটা নিরাসক্ত হয়ে শোনে। কখনো উপদেশ দেয়। মতের মিল না হলে আমি যখন তর্ক করি, যুক্তি দেখাই, তখন বলে তোমাকে তো কিছু বলে লাভ নাই, সব কিছুর মধ্যে একটা যুক্তি দাঁড় করিয়ে দিবা, তোমাকে তো আমি চিনি!!! এই মায়ময় সম্পর্কটা হয়তো থাকবে.......দ্বি পাকি আগ্রহের উপর ভিত্তি করে। ভাল আছে, সুখে আছে, এটা জানাতেই সুখ, পরম শান্তি।
এই সিনেমার আরো নাটকীয় কোন মোড় হতে পারে ------আগামী ২০ বছর পর কৃষকের ছেলে আমার মেয়ের পেছনে ঘুরঘুর করছে, পটিয়ে ফেলেছে, তখন আমি ওর ছেলের ঠ্যাং ভেঙ্গে দিব বলে হুমকি দিচ্ছি। আর কৃষকের বউ বলছে...এই মেয়েটার মা আমার স্বামীর মাথা খেয়েছে আর মেয়েটাও হয়েছে তেমনি, এখন আমার সোনার ছেলেটার মাথা খাচ্ছে!!!!!!!!!! হাহাহাহা।
সমাপ্তি
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
শেষটুকু খুব মজার! ছিনেমা ভালা পাই
লেখক বলেছেন: হ, তোমার কপালে একখানা দজ্জালনী জুটুক...যার পিছনে কমছে কম দশ বছর ঘুরতে হবে......
(তবে তুমি যা ভাল লেখো...মেয়েটার পটানো ঠেকাবে কে!!!!!
ভালো থেকো)
টুশকি বলেছেন:
হুমমমমমমমমমমমমমমম
লেখক বলেছেন: হুমমমমম,হুমমমমম।
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: ভালো থেকো তোমরা দুজনে।
লেখক বলেছেন: শেষ যে হয়ে গেছে অনেক আগেই!!!!!
এখন তো শুধু পেছন ফিরে দেখা..
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অনেক স্মৃতিকথা.....এখন কথা হলো- সিরিজতো শেষ।
....
এই সিনেমার আরো নাটকীয় কোন মোড় হতে পারে ------আগামী ২০ বছর পর কৃষকের ছেলে আমার মেয়ের পেছনে ঘুরঘুর করছে, পটিয়ে ফেলেছে, তখন আমি ওর ছেলের ঠ্যাং ভেঙ্গে দিব বলে হুমকি দিচ্ছি। আর কৃষকের বউ বলছে...এই মেয়েটার মা আমার স্বামীর মাথা খেয়েছে আর মেয়েটাও হয়েছে তেমনি, এখন আমার সোনার ছেলেটার মাথা খাচ্ছে!!!!!!!!!! হাহাহাহা।
এইটুকু পড়ে খুব হাসি পেল।
লেখক বলেছেন: ২০ বছরের বদলে ১০ বছর করে দেই....এত দিন পর আমার মেয়ে তো বুড়ি হয়ে যাবে!!!!!![]()
![]()
কিষাণী আপুর কি হবে সেটা আসলেই একটা চিন্তার কথা.....
আপাত বিশ্রাম....কাহিল লাগছে....দেখা হবে আবার, এখানেই কিষাণী হিসেবে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কিষাণ কিষাণীর এ লেখা বিবর্তনবাদী একটানে পড়ে ফেলল। মির্চা এলিয়াচাদের "লা নুই বেঙ্গলি" ও মৈত্রয়ী দেবীর নহন্যতে যখন পড়েছিলাম, চোখে পানি এসেছিল। পোস্ট আর একটু বড় হলে হয়ত আজও চোখের পানি বেড়িয়েই পড়ত। আসলে মানুষের জীবন নিয়েই সিনেমা। সাধারণের আড়ালে আমাদের প্রত্যেকের জীবন অদ্ভুত, অসাধারণ, নাটকিয়তা আর কাকতলীয় সব ঘটনায় পরিপূর্ণ। কিষাণ কিষাণীর এই কাহিণী অদ্ভুত কিন্তু বাস্তব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রেম নামের এই সিরিজের প্রতি আমার আগ্রহের প্রথম কারন বিবর্তনবাদীর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকে শেষ নাগাদ প্রেমের আচলে বন্দী। এই সাড়ে ছয় বছরে কয়েকবার ভাঙা গড়া, শত চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আমরা চলছি। আমার জীবনে আমি কৃষক, সে কিষাণী। তার প্রতি খুব রাগ করে তারই কথা শক্তভাবে ধরে বসেছিলাম। নিজেকে স্বার্থপর বানিয়েছি, সবার আগে নিজ স্বার্থ দেখা শিখেছি। যেমনটি কৃষক করেছিল, কিষাণীর প্রতি রাগ করে তার কথা মত সরে গিয়ে। কৃষকের মত আমিও তার কাছে চেয়েছিলাম অসাধারনত্ব। ভুলেই গিয়েছিলাম আমার কাছে যাই হোক বাস্তবে সে রক্ত মাংসের মানুষ ভিন্ন কিছু নয়। শত সীমাবদ্ধতার শেকলে বন্দী।
তবে ব্লগের এই কিষাণ কিষাণীর সম্পর্ককে আমি বন্ধুত্ব, মোহ, আকর্ষণ, দায়িত্ব, ভাললাগা এগুলোর মাঝে থেকে যেই নামই দেই না কেন "প্রেম" বলতে পারব না। কারন প্রেমের সাথে আত্মত্যাগ জড়িত অবশ্যই। এটার জন্য তারা কেউই প্রস্তুত ছিল না। কৃষক কিন্তু ঠিকই নেশা ছেড়েছে, কিন্তু তা কিষানীর আহ্ববানে নয়। কিষানী জীবনে কৃষকের কোন বাস্তব গুরুত্ব নেই। তাই কৃষক বিহীন তার জীবন প্রবাহে কোন ছেদ হয়ত পরে নি। প্রেম বড়ই কঠিন জিনিস। প্রেমে পড়া বলতে আমরা আসলে যা বুঝি তা কোন ক্রমেই প্রেম নয়। প্রেম এত সস্তা না, প্রেমের অনুভূতি এত সহজে আসে না। আর একবার এলে এই অনুভূতি কোন প্রকার নেশা বা ক্যারিয়ারের লোভের কাছে ঠেকে না। আমি নিজে কতটা প্রেমে পড়েছি তা নিয়ে আজ আমিও কনফিউজড। কতটুকু আত্মত্যাগই বা আমি স্বীকার করতে পারি, কতক্ষণ পারি?
আমাদের কিষাণ কিষাণী আজ ভাল আছে। তাদের সেই পুরনো মোহ আজ দুজনকেই নাড়া দিচ্ছে। এ যেন কোমল হেমন্তের হাওয়ায় দোল খাবার মতই। তাদের এই শান্ত বিহারের সঙ্গী হতে পেরে খুব খুব ভাল লাগছে। তারা দুজনেই সুখি হোক, নিজস্ব সুখের সংজ্ঞার ভিত্তিতে।
অবশেষে একটা প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রেমেরতো যবনিকা ঘটল। ব্লগের কিষাণ কিষাণী কি একত্রেই চলবেন নাকি যে যার ব্লগে?
লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যের জবাব চিন্তা করে দিতে হবে.....
আগে পড়াশোনা করে নেই....
অফিসে বসে মাথা খুলছে না।![]()
তবে বিবর্তনবাদীর পর্যবেক্ষন অনেকটাই ঠিক.....
লেখক বলেছেন: বিবর্তনবাদীর জীবনের ভালবাসার সফল সমাপ্তি কামনা করে শুরু করি। আপনি ভাগ্যবান একজন আপনাকে ভালবাসার আঁচলে জড়িয়ে রেখেছে।
ভালবাসা একটা অনুভুতি....এর ব্যাখ্যা অনেক রকম।
আমরা আসলেই পারিনা নিজের স্বার্থ ত্যাগ করতে, ত্যাগ স্বীকার কতটা করা যায় এটা নিয়েও অনেক কথা বলা যেতে পারে। মূলত মানুষ নিজেকেই বেশী ভালবাসে: তার ভালবাসার মানুষ দরকার, বন্ধু দরকার, সন্তান দরকার--- কারন এরা সবাই তার নিজের সুখী হবার এক একটি উপকরন।
আমার কথাই বলি----সবকিছু ত্যাগ করার মত প্রেম নিয়ে আজো আমার যথেষ্ট দ্বিধা আছে...যদি সেরকম না হলে প্রেম না হয়, তাহলে সে প্রেম কখনো আমার জীবনে আসবে বলে আমার মনে হয় না। এটা আমার সরাসরি স্বীকারোক্তি। কারন আমি একই সাথে মন ও মস্তিস্ক দুটোর নির্দেশে চলি। আমার কখনো মনে হয়নি, খুব আবেগতাড়িত সময়েও মনে হয়নি, ভালবাসার মানুষের জন্য আমি প্রয়োজনে বস্তিতে যেয়েও থাকতে পারবো......
নিজের সামাজিক এবং মানসিক পরিমন্ডলের খুব বেশী দূরে যাওয়ার সাধ্য আমার নেই.....
খুব বেশী ত্যাগ স্বীকার করাটাও ঠিক না, এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত।
আর কৃষকের কথা যদি বলি....আমার সে সময় মনে হত, আমার মত একটি মেয়ে পাশে থাকার পরও কেন কৃষক এমন হয়ে গেল? কেন কিষাণী র টানেও সে নেশা ছেড়ে আসতে পারলো না? তবে কি ভালবাসা ছিল না?? সেটা নিয়েই অভিমান অভিযোগ, সেটাকে ভিত্তি করেই কিষাণীর চলে যাওয়া।
এব্যপারটির ব্যাখ্যা আমার কাছে এমন----আমার সে সময়কার অভিমান টি ঠিক ছিল না।কৃষক কোন হতাশা থেকে নেশায় জড়ায় নি। শখের বশে জড়িয়ে গেছে। এখন যদি ছেড়ে আসবার কথায় আসি.... ভালবাসার মানুষ নেশামুক্তিতে কোন সহায়তা করতে পারে না। মাদক মুক্তর জন্য তার দরকার যথাযথ চিকিৎসা এবং মানসিক শক্তির পুনরুদ্ধার...যে সেও পারবে নেশামুক্ত হতে, যেটা ক্রমাগত কাউন্সিলিং থেকে রোগী পাবে। যেটা পরবর্তীতে কৃষক করেছিল। যে মানুষটা নিজেকে ভালবাসতে পারছে না, নেশার মত কালসাপে নিজেকে ডুবিয়ে দিয়েছে....তার কাছে অন্য কারো প্রতি ভালবাসা প্রত্যাশা করা যায় না। মুক্তি সে তখনই চাইবে যখন বুঝবে বাঁচার জন্য,কেবল মাত্র বাঁচার জন্য তার নেশা থেকে মুক্ত হতে হবে।
কৃষক যখন দেখলো সে এই নেশার জন্য সব হারাতে বসেছে...তখনই তার উপলদ্ধিতে এসেছিল...সুস্থ হবার কোন বিকল্প নেই।
এত বছর পর স্মৃতিচারন নিয়ে আপনি যেটা বলেছেন তার সাথে আমি একমত। আমরা কষ্ট গুলো ভুলে যেয়ে, ভাললাগার দিনগুলোকে এক রকম মুগ্ধতা নিয়ে পেছন ফিরে দেখছি।
ব্লগের কৃষক কিষাণী কি করবে েসটা এখনো ঠিক করা হয়নি....তার মেসেন্জারে সমস্যা, যোগাযোগ বন্ধ![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
শেষ কয়েকটা পর্ব আগে পড়া হয়নি। সব একসাথে পড়ে শেষ করলাম! মজার ব্যাপার, আমি একটু আগেও জানতাম না মূল অংশটুকু। এখন পুরো লেখাটা শেষ করে আমার খুব অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে! ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারবো না! কৃষক, কৃষাণী যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক। তাদের মঙ্গলময় জীবন হউক। একজীবনের এই অভিজ্ঞতা! সেটাই সম্পদ হয়ে থাক!
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
আর কি বলব!!!!!
কালপুরুষ বলেছেন:
একটানে পড়ে গেলাম। ভাললাগায় অবিভূত হলাম, না বলা কষ্টে ব্যথিত হলাম। তবুও ভাল লাগলো। শেষটুকু ভালভাবেই শেষ হলো। তবে মানুষের মনতো- হাত লেখে এক কথা আর মন ভাবে আরেক কথা। কিছু জিনিষ মানুষ কখনোই ভুলতে পারেনা- ভুলতে চায়ও না। কারণ সেটাই একসময় বেঁচে থাকার জন্য পুঁজি হয়ে দাঁড়ায়। ভাল থাকুন, খুউব ভাল। সকর অমঙ্গল দূরে থাকুক- এই কামনাই রইলো।
লেখক বলেছেন: ভুলেত তো চাই না।
কেন ভুলবো???
এখন তো ঝড় থেমে গেছে.... এখন মন শান্ত দীঘীর মত স্বচ্ছ, স্থির। সোনালী দিনগুলোতে যা পেয়েছি সেটাই অর্জন...সেটাকে পুজি করেই বাকীটা জীবন পথ চলা।
যা পাইনি তা নিয়ে কোন আক্ষেপ নেই।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
কি বলব বুঝতে পারছি না ...আমার জীবনের খুব কাছের একজন যখন একদিন হঠাৎ করে পর হয়ে গেল, আমি বিস্বাস করতে পারছিলাম না ব্যাপারটা, শুধু মনে হচ্ছিল, একটু পরেই ফোন করে বলবে, "ওই , কই তুমি?কি কর?..."
ওকে দোষ দেই না, একটুও না, আমারি হয়ত দোষ, আমিই পারিনি, আমিই পারিনি... ওর পক্ষে যা করা সম্ভব ছিল ও করেছে ...
ও আমার পর হয়ে যাবার বেশ কয়েকমাস পর যখন ওর সাথে দেখা হয়, কি যে অবাক লাগছিল আমার, শুধু মনে হচ্ছিল, এই মানবীর সাথে আমি সারাদিন কাটিয়েছি, কত স্বপ্ন, কত আশা, কত কিছু ...আর এর কাছে এখন আমাকে প্রটোকল মেনে কথা বলতে হয় ! কি জীবন আমার ...
এখনও মাঝে মাঝে দেখা হয়, কথা হয় ফোনে, কিন্তু আগের মত আবেগের তীব্রতা আসে না, কি জানি, এটাই হয়ত স্বাভাবিক, এটাই জীবন ...
ও আরেকটা কথা, আমার ভাগ্য বেশ ভাল , ওই খারাপ সময়টাতে আমি এমন একজনকে ফিরে পেয়েছিলাম আমার জীবনে, যে তখন আমাকে আগলে না রাখলে আমি হয়ত হারিয়েই যেতাম ...সেজন যদি আমাকে এখন খুন ও করতে চায়, আমি হাসতে হাসতে তাকে ক্ষমা করব ...
লেখক বলেছেন: এটাও কঠিন লাগছে....
আজকে প্রশ্ন কমন পড়ছে না!!!!!!![]()
![]()
লেখক বলেছেন: এমনি করেই খারাপ সময়গুলোতে আমরা কাউকে না কাউকে পাই, তাকে আঁকড়ে ধরে আবার বাঁচার স্বপ্ন দেখি.....
জীবন যাপনের এই ব্যপারগুলো স্বাভাবিক ভাবে দেখলেই হয়...
তবে আমি সাঁঝবাতির রূপকথার কান্নার কথা মানতে পারিনা, কেন যে পারি না!!!!! হয়তো আমি আর কারো মাঝে আমাদের জীবনের কালো ছায়াটা দেখতে চাই না, তাই!!!!
লেখক বলেছেন: তাই তো!!!! ![]()
লেখক বলেছেন: এভাবে হবে না রাজামশাই, আপনার রাজ্যের প্রজারা এত কষ্টে থাকবে আর আপনি এক কথায় কাট মারবেন।
মন্তব্য করতে হবে, করতে হবে।
সহেলী বলেছেন:
কিভাবে চিন্তায় , ভরসায় , ভাবনায় মিল পেয়ে গেলাম । তবে আমার জীবনে সেই কাল ছায়াটা নেই যেটা তোমার জীবনে পড়েছে ।এখন একটা বিয়ে করে ফেল । জীবনটা তো বেশীদিনের নয় ।
এ পর্বটাই বেশী মন কাড়া ।
ভাল থেকো । মাঝে মাঝে দেখা দিও ।
লেখক বলেছেন: সহেলি আপু একখান কামের কথা কইছে রে........
ভালো আছি, ভাল থাকবো। অবশ্যই দেখা দিব, কিছুদিন ডুব দিব...এরপর আবার...।
তুমিও ভালো থেকো।
বরুণা বলেছেন:
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: শেষটুকু খুব মজার! ছিনেমা ভালা পাই। হিহিহি আমিওওও!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
তবে অনেক অনেক খানে পড়তে গিয়ে আমি তোমার ভিতরে যেন ঢুকে গেছিলাম আপুনি ।এমনি করেই বুঝেছি সেই লেখাগুলো যা ভাষায় প্রকাশ করা যায়না। শুধুই অনুভুতির মাঝে বোঝা যায়।
অনেক ভালো থেকো আপুনি। আমাকে মনে রেখো।
লেখক বলেছেন: এমনই!!!!!!!!
তুমিও অনেক ভালো থেকো আপুনি। আমাকেও মনে রেখো।
রাজামশাই বলেছেন:
কেউ কৃষকরে ভালা পায় না - আমি কৃষকের পক্ষে
লেখক বলেছেন: আমি ও কৃষকের পক্ষে।
কৃষকরে ভালা পাই
।
(আমি রাজামশাই এর পক্ষে...রাজ্যে থেকে বিট্রে করা পোষাবে না।)
কালপুরুষ বলেছেন:
সোহেলীর ব্লগে আমার কিছু লিংক দেয়া আছে, পড়ে দেখতে পারো। হয়তো কোথাও কিছু মিল খুঁজে পেতে পারো।
লেখক বলেছেন: পড়ে দেখবো।
ভালো থাকবেন।
লগ ইন করলাম লেখার জন্য: মানুষের জীবন তো আমাদের,
সব সময় চাওয়া মতো, সব কিছু ঘটে না।কোন কিছুর ই অভাব নেই,কোন চাওয়াই অপূর্ন নেই,এমন কোন মানুষ নেই।কোন বাঁধাই যে ভালবাসা টায় ছিল না,২ পরিবারের মত ছিল,তার শেষ টা এমন হবে,কে ভাববে/চাইবে?
এখন তো ভালবাসা =ভালো বাসা[ঘর/বাড়ি]হয়ে গেছে।টাকা/বাড়ি হলে যত খুশি ভালবাসা করা যাচ্ছে,পাওয়া যাচ্ছে।মন,বিবেক,রুপ,আবেগ এগুলো এখন বানানো যায়...অনেক অনেক আশেপাশে দেখছি।শিখছি।সব কিছু মালটিপারপাজ/মালটিইউজড।২য়/৩য়/৪র্থ ব্যক্তি দের কুটচাল/কথা এ গুলা তো আগে ও ছিল...প্রেমে।
এসব ইট-পাথরের ঘষাঘষি[এখন কার/এযুগের ভালবাসা!!]র মাঝে আপনাদের লেখা মনকে এলোমেলোই করে না,উদাস ও করে।
২জনে ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনি ও ভালো থাকুন, এখনকার ছেলেমেয়েদের মাঝে আমি অনেক অস্থিরতা দেখি।
তারপরও আমি চারপাশে অনেক সুখী মানুষ দেখি....ভাল মানুষ দেখি...মনে হয় জীবনটা আসলেই অনেক সুন্দর। বেচে থাকাটা অনেক আনন্দের।
ভালোবাসার আলো যেভাবে ছুয়ে গেছে আপনাদের তার উচ্ছলতা বারবার ছুয়ে গেছে আমাকে। পড়তে পড়তে যখন দেখলাম বাস্তবতা আর দুর্ঘটনা যখন বারবার ছেয়ে আসছিলো আপনাদের তখন শুরু হলো কষ্টে আনাগোনা।
কৃষানি যখন একের পর এক অন্যায় আবদার মেনে নিচ্ছিলো ভাবলাম কৃষনী কেন এট বোকা আর ভালো। এখনও মনে হয় তিনি অনেক বেশী ভালো। সময় থাকতে তার দুরে ডিশিসনটা ভাল।
শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: হায় হায় এখন তো কৃষক আবার মাইন্ড করবে!!!!!!
সেটাই আশফাক সফল, একবার আমার এক সিনিয়র আমাকে বলেছিলেন....কখনো কোন এক্সট্রিম এ যেতে নেই, তাতে ফল ভালো হয়না....অতি স্বার্থপরতা, বা অতি ত্যাগ কোনটাই ভাল নয়।
এই "অতি" জনিত ব্যপারগুলো থেকে আমাদের সচেতন ভাবে মুক্ত থাকা উচিত।
আপনার জন্য ও শুভকামনা।
সহেলী বলেছেন:
ডুব দাও আর যাই দাও আমার ভ্যালেন্টাইন ডে স্পেশাল (২২ বছর পরের ) না পড়ে কোথাও যাবে না ।অ:ট: তোমার রাশি কি ?
লেখক বলেছেন: পড়ছি...
আমার রাশি কি , তুমি বল, আমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট কি বলে?????
ইয়াহু নিয়াজ বলেছেন:
আপনার ব্লগে এটাই আমার প্রথম মন্তব্য। আমি আসলে আপনাদের লেখাগুলি একটু পর থেকে শুরু করেছি... যখন সবাই প্রায় ১৩-১৪ টা পড়ে ফেলেছিল। যাই হোক একদিন এই ব্লগের প্রথম পাতায় একটা পোষ্ট এর খানিকটা পড়ে মনে হলো এই লেখাগুলো আমার পড়া দরকার। তাই একদম প্রথম থেকে পড়া শুরু করলাম।যেহেতু এটাই আমার প্রথম মন্তব্য তাই বলতে চাই শুরুর দিকটা ছিল অনেক আবেগময়, ভালবাসায় পরিপূর্ণ। আপনাদেরকে একটা ধন্যবাদ দিতে চাই কারণ একটা সৎ সাহস নিয়ে আপনারা আপনাদের ব্যক্তিগত জীবনের স্মৃতিচারণ করলেন তা সত্যই প্রসংসার দাবী রাখে।
আমরা যারা বয়সে আপনাদের চাইতে ছোট তারা অনেক কিছু শিখতে পারলাম। এই যেমন বাস্তবতা, ভালবাসা, ত্যাগ, প্রতিদান ইত্যাদি।
আপনাদের লেখাগুলোর জন্য আমরা অনেকেই তীর্থের কাকের মত অপেক্ষা করতাম। মাঝে মাঝে বিরক্তও লাগতো। হয়তো সেটা স্বাভাবিক ছিল।
সবশেষে একটা প্রত্যাশার কথা... আপনারা যে যার জীবনে খুশী থাকুন।
লেখক বলেছেন: তরুন দের জন্য যে মেসেজ টা...এখানে আশা করি সবাই তা থেকে মুক্ত... শখ করেও যেন কোনরকম নেশার কাছে যাওয়া না হয়, নেশার শুরুটা হয় এক রকম হিরোইজম দেখাতে যেয়ে।
এ রকম একটা এড এখন দেখায় টিভি তে...আর কতকাল বাচ্চা থাকবি....এমনি প্রলোভনেই কিন্তু কৃষকের মত মেধাবী ছেলেরা ছিটকে পড়ে... বাবা মায়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়...কিষাণীদের ঘর বাঁধা হয় না।
আর সম্পর্কে সততা, ভালবাসার তো কোন বিকল্প নেই।
ভাল থাকবেন।
সহেলী বলেছেন:
তুমি কি মেষ অথবা সিংহ রাশির জাতিকা !
লেখক বলেছেন: কাছাকাছি হয়েছে....ঐ দুটোও হল আগুন; আমি ধনু রাশি, আপুনি।
এজন্য ই তো এত ভাঙ্গাগড়া!!!!!!
হাল্ক বলেছেন:
সিরিজটা যেদিন শুরু করেন কৃষক, সেইদিন থেকেই আমি এটা একটু একটু করে পড়েছি। সব পর্বে কমেন্ট করা হয় নাই। আমার দোষ- আমি অন্যদের ব্লগ পড়ি কম। কমেন্ট করি তারচেয়েও কম। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কিষানীর তার ভালোবাসার মানুষকে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত- সঠিক ছিল।
লেখক বলেছেন: প্রথম থেকে এই সিরিজ যে পড়েছে সে হল আখসানুল আর এখন কমেন্ট করছে হাল্ক, ![]()
![]()
।
অনেক ধন্যবাদ,হাল্ক।
কৃষক বলতেছে....সবাই তো দেখি তোমার পক্ষে....কিষাণী তো হিট হয়ে গেল..হিহিহি।
কালপুরুষ বলেছেন:
সহেলী, আপনর রাশি কী? সম্ভবত "মীন"।
লেখক বলেছেন: আরে কিষাণীই তো চিনে!!!!
আমি বিড়ালের মত ব্লগে ঘুরে বেড়াই, একদিন কার ব্লগে যেন দেখেছিলাম, আপনি বলেছেন আমি আখসানুল। এদিকে আমার ব্লগে আমি দুজনের কমেন্টই পাই।
আপনার ব্লগে কিষাণীই তো কমেন্ট করে এলাম। আপনি কি কৃষক ভেবেছিলেন।
ধনু রাশিতে নাকি খুব ভাল বন্ধুত্ব হয়, কিন্তু সম্পর্ক নাকি তেমন ভাল হয় না
কেন যানি মনে হচ্ছে, আপনাদের মধুর শেষ টা হয়েছে এমনটা পড়লে , মনে এতটা দাগ পড়ত না। কাল থেকে বারবার-ই এই পোস্ট টায় আসছি। এমন একটা সিনেমা স্টাইলে ধাক্কা দেবেন বুঝি নি
পাঠক হিসেবে লেখার প্রশংসা করছি।
লেখক বলেছেন: কে ছোট, এইটা আবার কি শোনাইলা?
ধনু-ধনু সম্পর্ক খারাপ হয় না। ভালো হয়।
হুম বেশী সিনেমা হয়ে গেল।
আমার মনে হচ্ছে আমি একজন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছি, এমন সব কথা বলছি!!!!
একটা কথাই বলি শেষের প্যারাটার বাস্তবায়ন হোক এই কামনাই করতেছি।
লেখক বলেছেন: শেষ প্যারাটা সত্যি হলে কেমন হয় বুঝতেছি না!!!
একটু হাল্কা করার জন্য বলেছি....অনেক বেশী ভারী ভারী কথা চলছে এতদিন।
লেখক বলেছেন: আফসুস....
আফসুস...
কি করবো চান্কু আর থ্রিল পায় না...তাই শেষ![]()
লেখক বলেছেন: দেখছি।
পারভেজ বলেছেন:
ভালোবাসার দূর্বলতা টুকুই ভালবাসাকে ধ্বংস করে। নেশার মরণ ছোবলটা একটা রোগ ছিল। ভালবাসা দইয়ে রোগ সারানো যায়না। এখানে কিষাণী ভুল করেছিল পরিবারকে ঠিক মতো তথ্যাদি না দিয়ে। খালি কিষাণী নয়, সব বন্ধুরাই দায়ী। ভালবাসা যখন দুজনকে ছেয়ে ফেলে; তখন আর কারো উপস্থিতির প্রয়োজন বোধ হয়না। "পৃথিবীতে যদি শুধু আমরা দুজন থাকতাম, তাহলে কেমন মজা হতো"- এই জাতীয় স্বপ্নরা থাকে মনোজগত জুড়ে। কিন্তু একসময় কিষাণীর আবেগ যখন তার ব্যক্তি্ত্ব কে ছাপিয়ে উঠতে পারলো না, তখন যে সরে যেতে চাইলো। এতে দোষের কিছু নয়; সরে না গেলে পরিস্থিতি যে খুব একটা ভালো হতো সেটাও নয়। তবে হ্যাঁ, কিষাণী যদি ঐ মুহুর্তে পরিবারকে আরো ভালোভাবে সম্পৃক্ত করতে পারতো। তাকে ক্যাম্পাস থেকে একটু আগেই সরিয়ে দিতে পারতো, তাহলে এটা হয়তো অন্য কিছু হতো। আর কৃষকের কাছ থেকে, ঐ সময়ে প্রেমিকার কাছে মিথ্যে বলা ছাড়া অন্য কিছু করার ছিলনা। নেশার মরণ থাবাটা এমনই। কৃষক নিজেকেই নিজে মিথ্যে বুঝ দিত; নিজের সাথেই ছিল তার মিথ্যে অভিনয়। ভালবাস যখন একবার মুখ ফিরিয়ে নিতে থাকে তখন পড়ে থাকে, মায়া, করুণা আর সমবেদনা। এসব অনুভুতিও মানুষদের জোড় বেঁধে রাখতে পারে বৈকি। কিন্তু অহং বোধে আঘাত মানুষ কখনো ভুলতে পারেনা। হয়তো বা তাই , কৃষকের কাছে ছুটে যাওয়ার ইচ্ছে কৃষাণীর পরবর্তীতে আর হয়নি। আমার একটু সন্দেহ হয়; সম্ভবত ২৪/২৫ বছরের তরুণ তরুণীদের কাছে এই ম্যাচুরিটি টুকু আশা করা যায়না। আজকে তাই পেছন তাকালে মনে হতে পারে, হয়তো ফিরে গেলেও মন্দ হতোনা। ভালোবাসার স্বাদ যে একবার পায়, তার ভেতরে ভালবাসার জন্য কঙালপনাটুকু মনে হয় থেকেই যায়। তাই কৃষকের সেই অনুভুতির দিকে ছুটে চলার প্রচেষ্টায় আসে নতুন মুখ, এটাও জীবনেরই অংশ। আর যথারীতি, ভালবাসাকে ছাঁপিয়ে উঠে দাম্পত্যের খুঁটিনাটি। প্রেমিক জুটি যায় যাপিত জীবনের খেলার পুতুল। এখানটায় কেউ কেউ হয়তো ভিন্নমত পোষণ করতে পারেন। কারণ, ভিন্নতা আছেই। থাকা উচিত।
আচ্ছা, এবার আসি বর্তমানের কথায়। কৃষাণী ঠিকই বলেছে-
মায়াটাই থেকে যায়, দূরে কিংবা কাছে। তাই, ছোট ছোট পাওয়া না পাওয়ার যে সুখ দুঃখ গুলি এখন দুজনের স্মৃতি ঘিরে থাকলো কিংবা এখনো প্রবাহমান। সেটাকেই নাহয় বড় পাওয়া হিসাবে আঁকড়ে থাকলো তারা। ভালো থাকুন দুজনেই।
অনেক কিছু লেখার ইচ্ছে ছিল; তাই হয়তো এলেমেলো কিছু বলে ফেল্লাম। শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: অনেক সময় নিয়ে চমৎকার কিছু কথা বলেছেন....
আমি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এ কথাগুলোই বলার চেষ্টা করছি....
আমাদের দুজনের বয়স আর অভিজ্ঞতায় এর বেশী কিছু করার ছিল না...
আপনি ও ভালো থাকবেন।
আপনার রঙের খেলার কবিতা টার ব্যাখ্যা যখন দিয়েছিলেন.....আমার মনে হয়েছিল এর সবকটি আমার দেখা হয়ে গেছে...
তারপরও জীবন সুন্দর, বেঁচে থাকাটা বড় আনন্দের....
আবু সাইদ জিয়াউদ্দিন বলেছেন:
লেখাটির ভঙ্গি ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বজ্রনিনাদ বলেছেন:
"বললাম তুমি এখন একজনের স্বামী, একটা মানুষ দুজনকে একসাথে ভালোবাসতে পারে না, তাই তোমার আমার হাত ধরতে ইচ্ছা করবে না".........এই কঠিন কথা কতখানি সত্য এখনো জানিনা। তবে আপনি যে দুই বছরের ট্রাঞ্জিশন পিরিওড এর কথা বলেছেন তা বোধহয় আমার জন্য একটু বেশিই হবে। আপনার কাছে কৃ্তজ্ঞ এত সময় নিয়ে উত্তর দেবার জন্য।
আমি কিন্তু অনেক এর সাথে মিশেছি। কাউকে ভাল লাগেনি।...আমার নিজের মতামত বদলে যায় তার মতামতের কারনে। এমন নয় যে তার ভাললাগা বেশি যুক্তিসঙ্গত,কিন্তু প্রতিনিয়ত তাও আমি বদলে যাই। অনেক ভেবেছি কেন তাকে ভালবাসলাম।কোন কারন খুজে পাইনা। তাই বেরোতেও পারিনা তার বৃত্ত ছেড়ে। কৃ্ষক এর মত ভাবছি বোধহয়-সে আমার না হলেও আমি তার। জানিনা কোনদিন অন্য কিছু মনে হবে কিনা। আর সে চিন্তা মনে হয় আমি পছন্দ করবো না।
সে কিন্তু অনেক ভাল স্টুডেন্ট। তার প্রতিষ্ঠানে সে টিচার ফাইটার। কিন্তু তার ভালবাসার মানুষ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
সে খুব ক্যারিয়ার ওরিএন্টেড। তার বয়ফ্রেন্ড আবার সে রকম না। কিন্তু আমি ক্যারিয়ার ওরিএন্টেড মেয়ে খুব পছন্দ করি। জানিনা এও তার প্রভাব কিনা।
জানেন,সে আমার সবচেয়ে ভাল দুজন বন্ধুর একজন। আমার সবকথা সে জানে। আমি আজও তার সাথে সবকথা শেয়ার করি। তার কাছে দূরে সরে যাবার কথা চিন্তাও করতে পারিনা। আবার তার ভালবাসার মানুষের সাথে বসেও গল্প করি। ওই ছেলের কাছে ও অনেক ভাল থাকবে বলে নিজেকে বোঝাই। তাও মাঝে মাঝে মনে হয় ওকে কেড়ে নিয়া আসি। তখন নিজের সাথে যুদ্ধ করতে হয় শান্ত রাখার জন্য।
আমি খুব কনফিঊসড তার বিষয়টা নিয়ে। তার জীবনে আমার প্রভাব অনেক বেশি। মাঝে মাঝে ভাবি আমার সরে আসা উচিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারিনা।
কোন প্রশ্ন করছিনা। যদি আমার কোন কিছু জানার বা বোঝার দরকার থাকে তবে বলবেন, আমি অপেক্ষায় থাকব।
আর একটা কথা। আমি আপনার সাথে যোগাযোগ হারাতে চাই না। যদি কিষানি নামে আর না লেখেন তবে যোগাযোগ এর অন্য কোনো ব্যবস্থা রেখেন,প্লিজ।
(আমার মন্তব্য যদি মুছে দেবার প্রয়োজন মনে করেন তবে মুছে দিয়েন। )
লেখক বলেছেন: ব্লগে আমি থাকবো, আপত জটিল সমস্যাটির সমাধান বুঝতে পারছি না। পরে ভেবে বলি।
লেখক বলেছেন: কে কার ছোট এটা বুঝি নাই। সে ছোট না তুমি ছোট।
ইসানুর বলেছেন:
কিষাণী আপু ব্লগে নিয়মিত লিখবেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: আশা করি।
সহেলী বলেছেন:
পড়ে নিও আমার শেষ কল্পনা । তোমার সাথে অনেক মিল থাকলেও অমিল ও আছে আমার । আর তোমাকে বিয়ে করার কথাটা আমি ভেবেই বলেছি । খুঁজে নাও না একজনকে ।
লেখক বলেছেন: তোমার সাথে আমার কোন কিছুতেই মিল নেই!
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
পড়া শুরু করলাম। প্রথমের অংশটুকু পড়ে কষ্ট লাগলো খুব। সাথে ভয়ও লাগলো একজনকে হারানোর। তাই পুরোটা আর পড়তে পারলাম না। দূঃখিত। অন্য কোন সময় পড়বো। যখন সেই হারানোর ভয়টা আর থাকবে না।।।
লেখক বলেছেন: থাক তাহলে পড়ার দরকার নাই।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
রাজামশাইর সাথে একমত। আমি কৃষকের পক্ষে।কিষাণীরে মাইনাস!!!
তবে এতদিন পর এক হয়ে এত সুন্দর লেখার জন্য দুইজনকেই ++
আমিও সিনামা ভাল পাই !!!
লেখক বলেছেন: আমিও কৃষকের পক্ষে।
কিষাণীরে মাইনাস!!!
আমিও সিনামা এবং মুক্ত বয়ান রে ভালা পাই !!!
লেখক বলেছেন: তাহলে তো লাগলো পেজগি।
এ কথাটা বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের দুজনের পরিবারে না জানানোই সমীচীন হবে বলে মনে করি। লোকজনের কাজই হল ঝামেলা করা।
পাপী বলেছেন:
অনেক চেষ্টা করে যে কষ্টটাকে চাপা দিয়েছিলাম। সব চেষ্টাই বৃথা মনে হচ্ছে। কবে যে এই কষ্টটাকে পুরোপুরি কবর দিতে পারবো আল্লাহ ভালো জানে।
লেখক বলেছেন: চাপা দেয়ার চেষ্টা বাদ দিয়ে দিন, উপরের বাষ্পটা উড়ে যাক। দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে।
বাকী পর্বগুলোও সময় করে পড়ে ফেলব। খুব কষ্ট পেয়েছি। তবে আমিও আপনার মত বাস্তবতায় বিশ্বাসী।
আর শেষ প্যারাটা না ঘটলেই ভাল --- আমার মতে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার ভালোলাগা আমাকেও ছুঁয়ে গেল।
শেষ প্যারাটা জাষ্ট একটা ফান, এটা বাস্তব হওয়া না হওয়া নিয়ে আমি মোটেই চিন্তিত না।
কালপুরুষ বলেছেন:
কিষাণী কবে যে বিন্নি ধানের খই ভেজে কৃষককে দাওয়াত করে খাওয়াবে সেটাই ভাছি। আমরাও সাথে একটু নবান্নের স্বাদ পেতাম। সর্বদা ভাল থাকা হউক।
লেখক বলেছেন: আমি দেশে নাই । ![]()
বজ্রনিনাদ বলেছেন:
কিষানি,আমি প্রতিদিন একবার করে ঘুরে যাই এই ব্লগটা থেকে।অপেক্ষায় আছি।
কৃষক বলেছেন:
সম্পর্ক টি একতরফা? আপনে যে তাকে ভালবাসেন সে মনে হচ্ছে জানেনা, এবং অন্য কাউকে ভালবাসে। যদি তাই হয়, তাহলে আপনি বন্ধুর মতই পাশে থাকুন। আপনার অনুভূতি সে হয়তো বুঝতে পারবে, যদি আপনাদের মধ্যে কিছু হওয়া সম্ভব হয় হবে। এটা এখনি বলা মুশকিল। আমি সম্পর্ক িবষয়ে কোন এক্সপার্ট না, আপনি আরো অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিনআমার জন্য আপনার েকান ভোগান্তি হোক তা চাই না।
মানুষের জীবন বড়ই অদ্ভুত। আপনাদের জীবনে যা ঘটে গেল তা রীতিমত অত্যাশ্চর্য। পড়তে পড়তে বিমূঢ় হয়ে গিয়েছি।
কৃষক আর কিষানিকে দেখতে ইচ্ছে করছে
(বাই দ্য বাই আমার পতিদেবও একজন কৃষিবিদ!! তবে চাকুরী করছে অন্য মন্ত্রনালয়ে)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লীনা।
ভালো থাকবেন।
সহেলী বলেছেন:
তোমার সাথে আমার কিছু মিল আছে , তবে বলা যাবে না ।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
ঘাস ফুল বলেছেন:
এক বসায় পুরোটা সিরিজ শেষ করলাম। ...............কখনও ভীষণ ভাললাগায় সিক্ত হলাম ...কখনও দুচোখ ঝাপ্সা হয়ে মনিটর এর লিখাগুলো অস্পষ্ট হয়ে এল...।কিছু কিছু লিখা মানুষ্কে জীবনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।অকপট সরলতা আর ভালবাসার স্নিগ্ধ স্পর্শে কখন যে এত একাত্ত হয়ে গিয়েছি আপনাদের জীবনের গল্পে টের-ই পাইনি।......পুরোটা পড়ে শেষ করার পর ভাবছি...সত্যি...কী বিচিত্র মানুষের জীবন...কী বিচিত্র সময়ের খেলা!!আপনাদের এই সুন্দর উদ্যোগটির সাহিত্যগুণ বিচার করতে যাবার ধৃষ্টতা আমার নেই...তবে জীবনের গল্পকে দুজনেই যে অসামান্য পরিমিতিবোধ নিয়ে উপস্থাপণ করেছে তা প্রশংসনীয়.........।কবে জানি গুণের একটা কবিতা পরেছিলাম.........
হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোরে
মন বাড়িয়ে ছুঁই.......
দুই কে আমি এক করি না
এক কে কর দুই
..................
খুব ভাল থাকুন দুজনেই।শুভ বসন্ত......
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ঘাস ফুল বলেছেন:
****এক কে করি দুই
হাসান মাহবুব বলেছেন:
যাউক শ্যাষইসে?বাঁচলাম।পৃথিবীতে মনে কয় পেরেম ছাড়া আর কুনু কিচু নাই।
লেখক বলেছেন: মনে কয় ![]()
ছানাপোনা বলেছেন:
সবগুলো পর্ব একসাথে পড়লাম..........................."আমাদের দুজনের মধ্যে এখন যে সম্পর্ক....এটা না প্রেম...... না ভালোবাসা,.... এটা একটা মায়া। তবে বন্ধুত্ব হয়তো আছে। একটা গান শুনেছিলাম উড়ে যায় বকপক্ষী; পড়ে থাকে মায়া.........এমন কিছু একটা। তাই ভালোবাসা, কামনা সব ধুয়ে গেছে, রয়ে গেছে মায়া। সময় এক অদ্ভুদ জিনিস...অনেক কঠিন ব্যাপারকে সহজ করে দেয়"
এই কথাটা অসম্ভব সত্য মনে হচ্ছে...........
খুব ভালো লাগলে...................
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: এইটা কৃষক
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
এতদিন এই পোস্টটা আমার শোকজে ছিল; আমার এক বান্ধবী লিংকটি দিয়েছিল। আজ পড়লাম; বেশ ভালো লাগল। আপনার এই একই কাহিনী হয়ত ১০ বছর পর আমার জীবনেও ঘটবে।লেখক বলেছেন: এরকম না ঘটুক সেটাই চাই, ভাল থাকুন।....কিষাণী
চাঙ্কু বলেছেন:
এই পর্বটা যতবার পড়ি ততবার মুগ্ধ হই যদিও মন খারাপও হয় ।কারো জন্য এই রকম ভয়ানক ভালবাসার গভীরতা এখন খুব কম জুটির মাঝেই দেখি ।
লেখক বলেছেন: একতরফা ভালবাসা একেই বলে..........আমাদের ভালবাসো বলে দোষত্রুটি আর দেখতে পাওনা চান্কু!
তবে আমি এ লেখা নিজেই বারবার পড়ি![]()
সৌরভ সাখাওয়াত বলেছেন:
মনটা ভীষণ খারাপ করে দিলেন।
লেখক বলেছেন: কিছু করার নাই ।
অন্যরকম বলেছেন:
সবার আগে যবনিকা দিয়ে শুরু করলাম! একটানে শেষটা পড়ে শেষ করলাম! আমি তব্ধা, মন্ত্রমুগ্ধ, এবং ইর্ষান্বিত!!!!!!! বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে কর্ম জীবনে প্রবেশ করার পরও একটা প্রেমপীরিত করতে পারলঅম না!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আশরাফুল ইসলাম সাগর বলেছেন:
হুমমম.... এই সেই ক্যাম্পাস, যা দিয়েছে অনেক.... িকন্তু কেড়ে নিয়েছে সর্বস্ব.... লেখক বলেছেন: বলেন কি!
লেখক বলেছেন: দুঃখিত কালোপরী!
তবে জীবন মানেই হাসি কান্নার খেলা...................
ভাল থাকবেন।
তুতুষার বলেছেন:
সকাল থেকে সবগুলো পর্ব একসাথে পড়ে শেষ করলাম।
ভাবতেছি কি হইতে পারতো, আর কি হইলো!!!
মানুষের জীবন কতভাবেইনা বদলে যায়!!!
যাই হোক, ভাল থাকবেন ২ জনেই। শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
আরাফাত হোসেন বলেছেন:
আমি সবসময় সামু পড়ি । আজ অনেক দিন পড় সামু ওপেন করলাম শুধ মাত্র কৃষকের জন্য ।কাউকে দোষ দেওয়া যায় না । যাকে ভালবাসা যায় তাকে কি দোষ দেওয়া যায় ? সত্যি তুমি আমায় ভাল না বাস কিন্তু আমায় ঘৃনা কর না । আমার কাছে কৃষক তোমাকে কোনদিন কৃষানী তোমার মত করে ভাবতে পারনি । তাইতো ১৬ বছর পড় তুমি তাকে খুজে বের করছ । তুমি কৃষানীর সব কিছু মন রাখছ ও । কৃষানী তোমার কিছুই মনে রাখি নি । কৃষানী যদি একা না থাকতো তাই লে সে আজো ও তোমার কাছে আসতো না । কৃষক তুমি কৃষানীরে বিশাস্ব করে ভালবাসছিলে । আর কৃষানী তোমায় ভাল বাসছিল বিশাস্ব করে তাই তোমায় ত্যাগ করেছিল । আবার কৃষানীর কি করার ছিল ।সে ও একটা মানুষ । কৃষক তুমি আমি এক সুতাই গাথা । তোমার হয় একটা বড় কারন ছিল ? আমার টা কি আজ জানতে পারলাম না ???
চাঙ্কু বলেছেন:
অনেকদিন পরে পোষ্টটাতে আবার ঘুরে গেলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
ধূসর বিষাদ বলেছেন:
মনটা খারাপ হয়ে গেলো………ভয় লাগছে এই ভেবে যে আমাদের দুজনের শেষটা যদি এমনটা হয়।বাঁচব কিভাবে………।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















যারা পড়বে তাদের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা।
ঘুমাতে গেলাম...কাল দেখা হবে।