চির পরিচিত বাবা মার মুখ গুলো হারিয়ে যায় অজ্ঞাত কোন নারীর কামনার টানে। দুর্নীতির টাকায় ফুলে ফেপে ওঠে নরমাংস ভোজী মানুষের মেদ গুলো, তাদের প্রাণপ্রিয় অর্থগৃধ্নু স্ত্রীর পেটে জমে ওঠে দুই তিন পরত চর্বির লেয়ার।
ভদ্র লোকের কুতসিত রূপ দেখে ক্লান্ত। বাবার বয়সী লোক হা কের গলাধঃকরণ করছে পথ ধরে বেণী দুলিয়ে চলে যাওয়া কোন সুবেশী ষোড়শী। আমি ক্লান্ত, আমি জানি পুরুষের ঐ আপাত নিরীহ চাহুনীর কি কুতসিত মর্ম।
কি দরকার তাদের ওড়নাটার গলায় পেচিয়ে ঘুরার? নষ্ট পুরুষের ললুপ দৃষ্টিকে উস্কে দেয়া। নারীরা কি এতটা কুতসিত ভাবে তাকায়, ভাবতে পারে কোন পুরুষকে?
অবাক হয়ে দেখি। কি দরকার ২০,০০০ টাকার মুঠোফোন কিনার নেশা করা, বাবা যেখানে মাসের ১০,০০০ টাকার চাকুরে?
একটা নষ্ট সময় মুঠোফোনে ভর করে নারী-পুরুষকে নিয়ে আসছে খুবই কাছে, একটা অজাচারময়, বহুগামী সংস্কৃতির আবাহন। আমরা ভাবিনা আমাদের ভবিষ্যত বংশধরদের কথা, আমরা ভাবিনা আমাদের এই নষ্টামির কথা গুলো অনাগত সন্তানেরা কিভাবে নিবে।
প্রেম-ভালোবাসার আপাদ-মস্তক জৈবিক অন্ধকার জগতে কেবই স্বার্থপরতা, লোভ, অবাস্তব বাদ আর ছেলেমানুষী পাগলামী। যার পরিণতিটা হয় ফাসির ওড়না, মরণঘাতি মাদক।
কত প্রচন্ড সম্ভবনাময় অস্তিত্বকে পৃথিবীর বুক হতে মুছে যেতে দেখেছি, আমি ক্লান্ত। এ নষ্ট সময়ে আমার সন্ন্যাসবাদের আজন্ম লালিত অনুভূতিতে আজ কর্কট রোগ, আমি আজন্ম হতাশাবাদী। আমি একা ঘুরে দাড়ানোর মত কোন বিপ্লবী নই।
ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দার মত একটা ইন্দ্রীয়পরায়ণ, ভোগবাদী সমাজের সাথে যুদ্ধ করে বেচে থাকাটা আজ ভীষণ দাহের, আমি আজ মানসিক বিকারগ্রস্থ, অনিশ্চিত, আশংকিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

