আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা শহরের আধুনিক ছেলেদের কিছু কর্ম কান্ডের হদিস বুঝতে কস্ট হয়। এর মানে কি? - মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন
- রাইফেল সিরিজ - বিডি ০৮ সাবমেশিন/ মেশিনগান গান - সাধারণমানুষ
- অধিকার বিষয়ে ব্লগের বুদ্ধিজীবীরা কী বলেন? - ব্রাত্য রাইসু
- ফাহমিদুলের আত্মপরিচয় অনুসন্ধান: পুনর্পাঠ - ভূপর্যটক
- শীতনিদ্রা থেকে ফিরে: পুরাতন কবিতা - মানস চৌধুরী
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- প্রসঙ্গসূত্র জা.বি.: প্রতিরোধ প্রায়শই এনার্কিক; প্রায়শই লাইফস্টাইলে পরিসীমিত; কিন্তু অনেক অপশনও তো খোলা নেই ... - মানস চৌধুরী
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- একটি বাংলা রচনা: জনসংখ্যা সমস্যা - ফাহমিদুল হক
- সিডনীর ভন্ড আলেম থিকা সাবধান!! - সমালোচনাকারী
- পাকমন পেয়ার: আস্তমেয়ের শেঁকড় সন্ধানের অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- পাকমন পেয়ার: নেকাবের আড়ালে ফিসফাস, এক অদ্ভুত সৎ প্রচেষ্টা! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
ধর্ম বিশ্বাসের রকম ফের, জামাতী নমুনা
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১০
আমি ইসলাম গ্রুপের সদস্য নই, ধর্ম নিয়ে এ ব্লগে পোস্ট দিইনি কখনও।
পরধর্ম বা অবিশ্বাসীরা বিব্রত হতে পারেন/ তাদের কুৎসিত আক্রমণের দরজা খুলে দিয়ে নিজে বিতর্কিত হবার ইচ্ছা নাই। তবে গোফ দাড়ির পক্ষে এক ধর্মনিরপেক্ষ পোস্ট দিয়েছিলাম View this link
চারপাশে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি দেখে ব্লগ না লিখে পারছিনা। স্বধর্মের উপর আমার বিশ্বাস আছে। মৃত্যু, পরকালকে ভয় করি ভীষন। ইসলাম ধর্মের মূল কথা হল , "শান্তির কাছে আত্মসমর্পণ"। কোরআন-হাদীস অন্যান্য শাস্ত্র, গ্রন্থ পড়ে, যুগ কাল, প্রক্ষাপট, আঙ্গিক যাচাই করে কোন সমস্যার সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া ভীষণ দুরূহ ও দ্বায়িত্বশীল কাজ। ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে জ্ঞানার্জন এবং ধর্ম চিকিৎসা দেয়া দীর্ষ দিনের পড়াশোনা, অভিজ্ঞতা, গবেষণার ব্যাপার। জামাতেরা এ কাজটিকই সস্তা করে ফেলেছেন দুচারটা বাংলা অনুবাদ বই পড়ে, হাদীসের সনদ পুরোপুরি না জেনে নিজেরাই ব্যাখ্যা, ফতোয়া, কোটেশান, তাফসীর দেয়ার কাজ করে।যে কোন সমস্যায় নিজেরাই হুট করে আন্দাজে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।বিকৃত হচ্ছে ধর্ম আর বিভ্রান্ত হচ্ছে মুসলমান।
আমার পরিচিত এক মুফতি বলতেন,
"সাধারণ মানুষের চেয়ে আলেমদের পরকালে শাস্তি হবার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ধর্ম পালন, বিস্তার, সত্য প্রচারের গুরু দ্বায়িত্ব আলেমদেরই নিতে হয়। এতে ভুল ত্রুটি হলে বহু মানুষকে পথভ্রষ্ট করার জন্য ভয়ংকর শাস্তি ভোগ করতে হবে তাদের।"
মুফতি সাহেব নিজে মাদুর বিছিয়ে ফ্লোরিং করে ঘুমান। একবারেই সাদাসিধে জীবন যাপন করেন। আসবাব বলতে তিন ঘর ভর্তি হাজার খানেক বিভিন্ন ভাষায় লেখা ধর্ম আর ইতিহাসের বই। বই পড়া আর সংগ্রহ করা তার নেশা। উর্দু, ফারসি, আরবি ভাষায় অগাধ পান্ডিত্য, তিনি আবার হাফেজও বটে। জেলার সবচেয়ে বড় মসজিদের খতিব, মাদ্রাসায় হাদীস শাস্ত্র পড়ান।
মুফতির ভাষায়,
"সবচেয়ে বড় উপাসনাকারী সেই, যে পাপ কাজ থেকে বেচে থাকে। এটা হাজার রাকাত নফল নামায পড়ার চেয়েও উত্তম।"
ব্লগের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, "মেয়েদের চুল দেখলে ছেলেদের সমস্যা হয় কিনা?"
টিভি দেখা ছেড়ে দিয়েছি প্রায় ৯-১০ বছর হল। মাঝে মাঝে একটা শ্যাম্পু বা তেলের এডের কথা কানে আসে, "তোমার ঐ দীঘল কাল চুল দেখে পাগল আমি হবই তো!" মেয়েরা বিউটি পারলারে গিয়ে ৬/৭ হাজার টাকা দিয়ে চুল কালার, সিল্কি করছে কার জন্য? মেয়েদের কোনটা ছেলেদেল ভাল লাগে মন্দ লাগে এটা পুরুষ ব্লগারা জেনেও না জানার ভান করেন।
মুসলমানদের জন্য নির্দেশ হিসেবে বলা হয়েছে, 'তারা যেন পর নারীর দিকে দৃষ্টি না দেয়, এজন্য পুরুষদের দৃষ্টি সংযত রেখে চলতে বলা হয়েছে, প্রথম অসতর্ক দৃষ্টি মাফ, ২য় বার নেত্রপাত করলে পাপ। যে পুরুষ এভাবে নিজেকে রক্ষা করে চলবে তার অন্তরে ধর্ম বিশ্বাসের এমন আলো তৈরি করে দেয়া হবে যার অনুভূতি হবে তুলনাহীন।'
বাংলা জানা স্বশিক্ষিত জামাতের ধর্মীয় ডাক্তারদের কাছে প্রশ্ন আপনারা কি এমন কাহিনী শুনেছেন?
"নবীজীর (সাঃ) সাথে ফাতেমা (রাঃ) ছিলেন আর সামনে ছিল এক অন্ধ লোক। নবীজী ফাতেমাকে পর্দা করতে বললেন। ফাতেমা শুধালেন ,'কেন? উনি তো অন্ধ, আমাকে দেখছেন না', নবীজীর উত্তর ছিল, 'তুমি তো তাকে দেখছো!' "
আপনাদের রেফারেন্সের প্রয়োজন হলে দিব। জামাতের মেয়েদের দেখা যায় ধর্মের কথা বলে মাথায় কোন রকম কাপড় দেয় আবার ক্ষ্যাত ভাব কাটানোর জন্য সাথে জিনসের প্যান্ট। তাদের অনেকেই রোমিওদের বুকের রক্ত লিপস্টিক বানিয়ে ঠোটে লাগায়।
জামাতীরা আপনারা কি ভুলে গেছেন সেই মহান হাদীস?
"সকল ব্যাভিচারের শুরু/জন্মদাতা হল দৃষ্টি!"
আপনি জানেন না আপনার বন্ধু আপনার মাথায় কাপড় দেয়া ছোট বোনের সাথে কিভাবে কথা বলছে....আপনি সাধু কিন্তু আপনার বন্ধুর মনে কথা আপনি জানেন না সরল বিশ্বাসে অনুমতি দিলেন, ভাইয়া ভাইয়া ডাক শুনানোর জন্য.....হুমায়ুন আহমেদের ছোট মেয়ে শিলা সরল বিশ্বাস নিয়েই তার বান্ধবী শাওন কে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। স্থূল দৃষ্টিতে যাকে নিজের মেয়ের মত দেখার কথা সে এখন তার বান্ধবীর সৎ মা!!!
আমরা কি পুরুষ জাতির মনকে একটু চিনবোনা?
আগে ভাবতাম মেয়েরা হয়ত বুঝেতই পারেনা তাদের অসংযত অসাবধানী পোশাক পুরুষদের মানসিক সমস্যায় ফেলে দেয়। অন্তরে অনৈতিক কামনার রোগ সৃষ্টি করে। বয়স হয়ে বুঝলাম, এটা মেয়েদের একটা ইচ্ছাকৃত ফাদ, পুরুষকে ধোকায় ফেলার জন্য।
আমাদের চলনসই রুচিবোধের দিকে তাকাই। প্রচন্ড গরমে পুরুষ উপস্থাপক স্যুটেড বুটেড আর প্রচন্ড ঠান্ডার মাঝে তার পাশে ক্ষীণাঙ্গী উপস্থাপিকা গলা কাটা, হাত কাটা, পেট কাটা, পিঠ কাটা পরে কাপছে। এসব ভন্ডামি যাচাইয়ের জন্য কোন ধর্ম জ্ঞান লাগেনা।
একটা বিষয় স্বতঃ সিদ্ধ, নারীর দিকে পুরুষের দৃষ্টি আর পুরুষের দিকে নারীর দৃষ্টির ভাষা ভিন্ন। তবে উভয়ই কামনা করে এক পক্ষ আরেক পক্ষের দিকে তাকাক, মেয়েরা ছেলেদের যতই লম্পট অসভ্য বলে গালি দিকনা কেন...পুরুষের দৃষ্টি (যেটা তারা বাই ডিফল্ট কামনার দৃষ্টি হিসেবে ধরে নেয়) মেয়েদের কাছে ভীষণ কাম্য। সেটা বোরকার উপর কৌতূহলী পুরুষ দৃষ্টিকে উস্কে দেয়ার জন্য ফর্সা হাত বা মুখটা বের করে দেয়ার মাধ্যমেও হতে পারে।
শিবিরের ছেলেদের দেখেছি তারা সাধারণ মানুষের ছদ্মবেশে থাকতে পছন্দ করে। ক্লিন শেভ, টাখনুর নিচে কাপড়, স্বাভাবিকভাবেই প্রায় সবধরনের গান শুনা , মুভি দেখায় অভ্যস্ত। তাদের এক ফতোয়া,
"ইসলামী আন্দোলনের মহান স্বার্থে ছদ্মবেশ নেয়া জায়েজ আছে।"
এ পর্যন্ত যত দল মতের আলেম দেখেছি সবাই বলেছে,
"পুরুষদের জন্য দাড়ি রাখা ওয়াজিব।বাদ্য যন্ত্র সহকারে গান নিষিদ্ধ।"
জামাতীরা তাদের সুবিধা মত এসব বিষয় পুরোপুরি অস্বীকার করে, প্রয়োজনে তাদের স্বশিক্ষিত স্বঘোষিত মাওলানা মওদুদীর বাণীও তারা মানতে নারাজ। তাদের মতে এসব হল ফালতু বিষয়ে তর্ক করা।
আসল কাজ হল "ইসলামী আন্দোলন"। আরবি ব্যকরণ না জেনে ইসলামের ধর্ম পুস্তকগুলো ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত নেয়া মত গুরুতর কাজ করতে তারা অভ্যস্ত। ধর্মের মর্ম বা ধর্ম না বুঝে ধর্ম পালন যে সবচেয়ে বড় অধর্ম এটা তাদের বোঝানো দায়, যখন ধর্মের মৌলিক কিছু কর্মকান্ডকে খাট করে নিজেদের দলের রাজনীতিই যখন দেশ, ধর্ম সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আতরাফ রহমান বলেছেন:
প্লাস না দেয়ার কোন কারন নেই, তাই দিলাম। ধন্যবাদ ভাই। স্মাইল হুসাইন গং কিন্তু আপ্নার সাথে দ্বিমত পোষন করেন উনারা নিয়মিত গান শুনেন বাদ্যযন্ত্র সহই, যৌনতা সমদ্ধ গল্প উপন্যাস পড়েন, যৌন সুড়সুড়ি ভরা সিনেমাও দেখেন। তাদের ফতোয়া মতে এগুলো হালাল।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
আপনারে উত্তম ঝাঝা!!!
রামন বলেছেন:
ধর্ম এদের ব্যবসা ।লাভ্যাংশ গননা তাদের মূল উদ্যেশ ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
তাহইলে "হালাল ছায়াছবি"র ক হইবো?
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
জামাত শিবিরের কিছু ভন্ডামি এখানে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।
চে বলেছেন:
আপনার বক্তব্যে আবেগ এং যুক্তি দুটোই আছে। ধন্যবাদ।
নতুন বলেছেন:
ভালো লেখা...কিন্তু যারা অসুস্ত.. তারা কি আপনার কথা বুঝবে...??
আমাদের ব্লগের জামাতী বিবেক এখনো এখানে আসেনাই দেখছি...
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
পিলাচ। বিনতে স্মাইল কই?
ইয়র্কার বলেছেন:
জামাতি বিবেক তো ক্রিকেট খেলা দেখতে গেছে। সে ব্রেট লির ভক্ত। তার পাশে বসে ঈমান জাগ্রত করে খেলা দেখে। ব্রেট লি আশা ভোশলের ওই গান দেখেই সে ব্রেটের পাগলি।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
+++++
পথিক ছেলে বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন । তবে কিছু কথা না বল্লেই নয়। আমি জামাত, শিবির করি না। তবে জামাত ও শিবির কে খুব কাছে দেখেছি।
আপনি বলেছেন:
"জামাতেরা এ কাজটিকই সস্তা করে ফেলেছেন দুচারটা বাংলা অনুবাদ বই পড়ে, হাদীসের সনদ পুরোপুরি না জেনে নিজেরাই ব্যাখ্যা, ফতোয়া, কোটেশান, তাফসীর দেয়ার কাজ করে।"
জবাব: আপনি জামাতের সিলেবাস হয়তো দেখেছেন, কোরান, হাদীস থেকে শুরু করে মাকস্ বাদ সহ প্রচুর different বই আছে। সিলেবাস এর বাইরেও বই পড়ার প্রতি জামাত উৎসাহ দেয়। জামাতেরা কর্মিরা কেউ কেউ হয়ত পুরোপুরি না জেনে নিজেরা ভুল ব্যাখ্যা দেয় । কিন্তু অনেকেরই ব্যাখ্যা দেওয়ার যোগ্যতা আছে।
অতিরিক্ত: কোরানকে জানা, হাদীস বুঝা , তাফসীর দেয়া শুধু মুফতি বা হুজুর দের বা জামাতী দের কাজ না। বরং মুসলমান হিসাবে সকলের ই কোরান, হাদিস বুঝা এবং ব্যাখ্যা দেওয়ার যোগ্যতা অজন করা এবং আমল করা কতব্য।
আপনি বলেছেন:
"জামাতের মেয়েদের দেখা যায় ধর্মের কথা বলে মাথায় কোন রকম কাপড় দেয় আবার ক্ষ্যাত ভাব কাটানোর জন্য সাথে জিনসের প্যান্ট। তাদের অনেকেই রোমিওদের বুকের রক্ত লিপস্টিক বানিয়ে ঠোটে লাগায়।"
জবাব: আপনার কিছু exception তুলে ধরেছেন। তাও positive বলেছেন "মাথায় কোন রকম কাপড় দেয়" । From my experiance যারা জামাত করে বেস ভালো পর্দা করে (অনেকের চেয়ে বেশি) ।
অতিরিক্ত: আমি যেই university তে পড়ি । বাংলাদেশি মেয়েদের চিন্তে কষ্ট হয় (For their dress and free mixing). কিছু মেয়ে যারা ইসলাম কে ভালবাসে তারা পর্দা করে, অন্তত মাথায় কোন রকম কাপড় দেয়। জামাতের মেয়েদের good reputation এর কারনেই বিয়ের বাজারে তাদের ডিমান্ড বেশি। (অন্তত, আমি জামাতী পাত্রী খুজছি :
আপনি বলেছেন:
" শিবিরের ছেলেদের দেখেছি তারা সাধারণ মানুষের ছদ্মবেশে থাকতে পছন্দ করে। ক্লিন শেভ, টাখনুর নিচে কাপড়, স্বাভাবিকভাবেই প্রায় সবধরনের গান শুনা , মুভি দেখায় অভ্যস্ত।"
জবাব: শিবিরের ছেলেরা কি "সাধারণ মানুষ" না ? ছদ্মবেশে থাকবে কেন? আপনি কি মনে করেন, শিবিরের ছেলেরা মানেই হুজুর। যে Criteria গুলো বলেছেন, এগুলো তাকওয়ার Criteria। যার তাকওয়া বেশি সে এগুলো পরিত্যাগ করবে। আমি অনেক শিবিরের ছেলেদের দেখেছি যারা এগুলো থেকে বেচে থাকে।
অতিরিক্ত: আপনি দুইটা ছেলে (একটি শিবির এর এবং আর একটি অনান্য) কে পাশাপাশি দাড়ঁ করিয়ে বিচার করুন: কে নামাজ পড়ে, কে কোরান, হাদীস এর Knowledge রাখে ? কোনটা ভালো?
আপনি বলেছেন:
"আরবি ব্যকরণ না জেনে ইসলামের ধর্ম পুস্তকগুলো ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত নেয়া মত গুরুতর কাজ করতে তারা অভ্যস্ত। ধর্মের মর্ম বা ধর্ম না বুঝে ধর্ম পালন যে সবচেয়ে বড় অধর্ম এটা তাদের বোঝানো দায়, যখন ধর্মের মৌলিক কিছু কর্মকান্ডকে খাট করে নিজেদের দলের রাজনীতিই যখন দেশ, ধর্ম সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায়।"
জবাব: আপনি দুর থেকে দেখে কিভাবে বল্লেন যে, তারা "না জেনে ইসলামের ধর্ম ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত নেয়া মত কাজ করতে অভ্যস্ত" । আর "ধর্মের মর্ম বা ধর্ম না বুঝে ধর্ম পালন যে সবচেয়ে বড় অধর্ম"--এই কথা টাই তো ভুল বল্লেন। যদি আপনি ধর্ম মানেন, তবে আপনি যত টুকু জানেন বা বোঝেন, আপনাকে পালন করতে হবে, এটিই ইসলামের বিধান।
Summary:শুধু জামাত/শিবির ই নয়, বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলো , তাবলীগ জামাত সকলেই ইসলাম, কোরান কে বুঝে আমল করার চেষ্টা করছে । এবং মানুষকে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছে। চোখ বন্ধ করে, বিরোধীতা না করে, চোখ খুলে, সব দেখে, বিরোধীতা করুন। Good Luck.
লেখক বলেছেন: (অন্তত, আমি জামাতী পাত্রী খুজছি ...
...........দেখুন জামাতী ছেলে জামাতী মেয়ে খুজে, আওয়ামীলীগের মেয়ে খুজেনা। আপনার আদর্শ জামাতী বা জামাত ঘেষা হলেই কেবল আস্ত টাইপ জামাতী মেয়েদের কর্মকান্ড (জামাতী পিতৃপুরুষ কর্তৃক মগজ ধোলাইকৃত) আপনি সাদরে গ্রহণ করবেন। আপনার স্ত্রী আপনার উৎসাহে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা করবে..বাড়িতে মওদুদীর বই আসবে, ডিশের লাইন আসবে ইসলামী চ্যানেল দেখার জন্য... ইত্যাদি। এর চেয়ে যদি বলতেন নেক কার মেয়ে চাই.তাও এক কথা.......জামাত ছাড়া কি পৃথিবীতে ধার্মিক মেয়ে নাই?
কিছু মেয়ে যারা ইসলাম কে ভালবাসে তারা পর্দা করে, অন্তত মাথায় কোন রকম কাপড় দেয়। জামাতের মেয়েদের good reputation এর কারনেই বিয়ের বাজারে তাদের ডিমান্ড বেশি।
........পর্দানশীল বা দাড়ি টুপি দেখলেই ঢালাও ভাবে তাদের সবাইকে জামাতী মনে করে আমোদিত হয় জামাতে শুভাকাঙ্ক্ষীরা।আপনিও সেরকম একজন বিভ্রান্ত দর্শক। আপনি তাবলীগের মেয়েদের ডিমান্ড জানেন?
জামাতেরা কর্মিরা কেউ কেউ হয়ত পুরোপুরি না জেনে নিজেরা ভুল ব্যাখ্যা দেয় । কিন্তু অনেকেরই ব্যাখ্যা দেওয়ার যোগ্যতা আছে।
...........দেখুন, ইসলাম ধর্মকে সহজলভ্য আর সস্তা পণ্য বানানো জন্য যে বিকুতি হচ্ছে তার পুরো দায়ভার জামাতের। আমার পরিচিত এক জামাতী ব্লগার গতকালেই বললেন, "মওদুদী বলেছেন, বাদ্যযন্ত্র হারাম।" আজকেই তর্কের খাতিরে উচু গলায় বলে এসব জায়েজ আছে, কে বলল পাপ...!!! আস্তমেয়ের ভাষায়, "এক্ষেত্রে আমি মওদুদী মানিনা, কারযাভী মানি।"...যার যখন যেভাবে পারে সুবিধা মত ব্যাখ্যা দিচ্ছে আর নিচ্ছে জামাতীরা।
............যেকোন শিক্ষার জন্য নিয়মতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিষয়টা একমাত্র তারাই অগ্রাহ্য করে যারা, (১) সংশ্লিষ্ট জ্ঞান আহরণকে সহজ-সস্তা মনে করে, (২) গন্ড মূর্খ
...............জামাতের কাছে ধর্ম হল সস্তা পণ্য...১০০০ জামাতী নাদান বালক বাংলায় কোরআন পড়ে ১০০০ ধরনের সুবিধাবাদী ফতোয়া দিতে পারে ধর্মকে পাশ কাটিয়ে। এটা হল এক প্রকৌশলীর বাংলায় লেখা ডাক্তারি বই পড়ে হাতুড়ে চিকিৎসক হবার মত বিষয়।
আপনি কি মনে করেন, শিবিরের ছেলেরা মানেই হুজুর।
..............সাধারণ মানুষ কি রাত দিন ইসলাম ইসলাম....আন্দোলন আন্দোলন বলে চেচায়? নাকি এটা হুজুরদের কাজ? মুখে ধর্ম নিয়ে বড় বড় কথা অথচ হিন্দুদের মত গোফ আর খ্রিস্টানদের মত ক্লিন শেভ করে কোন জাতের মুসলমানিত্ব ফলায় এরা? যারা নিজেদের সাড়ে তিন হাত শরীরের মাঝে প্রগতির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইসলাম ফিট করতে পারেনা...সেসব ভন্ডদের হাতে ইসলামী শাসন কায়েম হবে এটা আমি বিশ্বাস করিনা।
যে Criteria গুলো বলেছেন, এগুলো তাকওয়ার Criteria। যার তাকওয়া বেশি সে এগুলো পরিত্যাগ করবে। আমি অনেক শিবিরের ছেলেদের দেখেছি যারা এগুলো থেকে বেচে থাকে।
...........অনেক অনেক শিবিরের ছেলে বেপর্দা মেয়েদের সাথে দেখা করে, উঠা বসা করে, সামাজিক অনুষ্ঠানে যায় পরিচিত হয় নতুন মেয়েদের সাথে ...শেভ করে ছদ্মবেশে থাকার মজাই আলাদা..মেয়েদের একসেস পাওয়া যায়....এমন কি শিশু যৌন নির্যাতন কারীও আছে তাদের মাঝে...যারা ধর্ম না বুঝেই..ঈমানকে পোক্ত না করেই ... পরিবার আর আবেগের বশে মগজ ধৌলাই হয়ে শিবির করে...
অতিরিক্ত: আপনি দুইটা ছেলে (একটি শিবির এর এবং আর একটি অনান্য) কে পাশাপাশি দাড়ঁ করিয়ে বিচার করুন: কে নামাজ পড়ে, কে কোরান, হাদীস এর Knowledge রাখে ? কোনটা ভালো?
...........শিবিরের ছেলেরা নামায পড়ে আবার রেটেড ছবিও দেখে, প্রেমের গান শুনে.....আল্লাহকেও খুশি রাখে আবার শয়তানও খুশি হয় এসব ভন্ডদের দিয়ে।
আপনি দুর থেকে দেখে কিভাবে বল্লেন যে, তারা "না জেনে ইসলামের ধর্ম ব্যাখ্যা, সিদ্ধান্ত নেয়া মত কাজ করতে অভ্যস্ত" ।
....জামাতীরা হল হাতুড়ে ফতোয়াবাজ। আরবি ব্যকরণ কতটা কঠিন আপনার জানা আছে? কোরআনের মর্ম আর প্রকৃত অর্থ জানার জন্য আরবি ভাষা জানার বিকল্প নাই। কোরআন পড়তে পারেন, বুঝার চেষ্টা করতে পারেন...কিন্তু ব্যাখ্যা বা ফতোয়া দেয়ার জন্য আলেমদের শরণাপন্ন হতেই হবে...তারা সারজীবন এসব নিয়েই পড়াশোনা করেছেন......।নচেৎ মওদুদীর বইয়ের বাংলা অনুবাদ পড়ে (নিজেদের স্বার্থ-সুবিধা মত)......অন্ধ হয়ে হাতির লেজ নেড়ে ইসলামের বারোটা বাজানো ছাড়া কিছূই হবেনা।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এই পোষ্ট ভাল হইছে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















এইজন্যেই এই পোলাটারে আমি জিনিয়াস কই।
এই পোলা পশ্চিমে থাকলে মানাইতো। বাংলাদেশ অ্যার মর্ম বুঝবেনা।
উত্তম জাঝা।