অনেকেরই দেশের বাহিরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। নানান দেশে। বিভিন্ন নামের জায়গায়। অনেক রকম প্লেনে চড়ার, আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা হয়েছে। বিদেশে যেয়ে কেনাকাটা করেন না এমন কমই। নিজের জন্য, পরিবারের সদস্যদের জন্য, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন কারো না কারো জন্য কিছু কেনাকাটা করেন। কেউ অফিস কলিগ, বস তাদের জন্যও কেনেন। বাজারে গেলে দেখা যায় স্হানীয় জিনিসের সাথে অন্য দেশের জিনিস। এখন বহুদেশে চায়নীজ জিনিসের দেখা পাওয়া অতি সাধারন ব্যাপার।
বিদেশে যেয়ে বাংলাদেশীদের নিজ দেশের জিনিসের দেখা মিলতো খুবই কম। অনেক দেশে নাই ই।একই ধরনের জিনিস দেখে নিজেদের দেশের সেই জিনিসের কথা মনে পড়তো। অথবা কাছাকাছি কিছু মনে করিয়ে দিত দেশের কোন স্মৃতি।
বিদেশে যাবো এমন ভাবিই নি। কেন যাবো, কোথায় যাবো? আমায় কে নেবে, কেন নেবে- এইসব ভাবতাম। ১৯৮৫ সালে পাসপোর্ট বানালাম। জানি, কোথাও যাওয়া হবে না, তাও।আমার খুব ইচ্ছা ছিল, মনে মনে, যদি আল্লাহ বিদেশে নেন তবে যেন আগে সৌদী আরব যাই। তাই হলো। গেলাম, তবে ১৯৯৩ সালে। সেখানে যেয়ে অনেক দোকানের ভিড়ে এক দোকানের শোকেসের পাশে থমকে দাঁড়াই। যে জিনিস দেখে নিজের দেশ দেখি তা' ছিল তিব্বত স্নো। রূপালী ঢাকনায় স্বচ্ছ কাচের কৌটায় রংগীন ছবি লাগানো, ভেতরে নরম, তুষারের মতো সাদা স্নো।খুবই ভালো লেগেছিল।
বাংলাদেশের অনেক জিনিস বিদেশে পাওয়া যায় জানি। কে কোথায় কি দেখেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



