আগে ভাত খাওয়া নিয়ে অনেক অনিয়ম করতাম। মা ভাত খাওয়ার জন্য বার বার তাড়া দেবার পরও বসে বসে অন্যকাজ করতাম। দুপুরের ভাত খেতে খেতে বিকাল হয়ে যেত, কিংবা সন্ধ্যা। রাতের ভাত খেতাম মাঝ-রাতে।
কিন্তু এখন আমি একদম বদলে গেছি। টেবিলে ভাত দেবার আগেই উপস্থিত থাকি। খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করি। কখন ভাত দিবে!! অন্য কিছু না, শুধুই ভাতের জন্য অপেক্ষা। যখন ভাত খাই, খুব মনোযোগ দিয়ে খাই। একটাও ভাত ফেলেদেই না। প্রতিটা ভাতের দানা একেকটা স্বর্ণের দানার মত মনে হয়। না হবার কোন কারণ নেই।
চালের যা দাম!!!!!!!
তো চালের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে আমার মাথায় চালের আরও কিছু ব্যবহার আমার মাথায় এসেছে। যেমন:
১. মেয়েরা মূল্যবান বস্তু দিয়ে গহণা বানাতে ভালোবাসে। তাই মেয়েরা এখন থেকে চাল দিয়ে তৈরি গহনা পরতে পারে।
২. এমনও হতে পারে একসময় বউরা স্বামীদের কাছে মুক্তার মালা, স্বর্ণের হারের বদলে চালের হার চাইবে।
৩. চালের যে হারে দাম বাড়ছে তাতে কিছুদিন পর চাল কিনতে বাজারে টাকার বস্তা নিয়ে যেতে হতে পারে। তাই বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে চাল ব্যবহার করা যায়।
৪. মানুষজন ব্যাংকে টাকা ডিপোজিট করার বদলে চাল দিয়ে কারেন্ট, সেভিংস ও ফিক্স্ড ডিপোজিট করতে পারে। ইন্টারেস্ট ও চালে দেয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিদেশী মুদ্রার বদলে রিজার্ভ হিসেবে চাল রাখা যেতে পারে।
৫. চাল রাখার জন্য ড্রামের বদলে সিন্দুক ব্যবহার করা উচিৎ।
৬. মানুষকে বিয়ে বা কোন উপলক্ষে অন্য কিছুর বদলে মোড়কে মুড়ে কেজি খানেক চাল দেয়া যেতে পারে। তাতে উপকার হবে।
৭. শেয়ার মার্কেট বন্ধ করে সেখানে চালের সেকেন্ডারি মার্কেট খোলা যেতে পারে। সেখানে মানুষ চালে বিনিয়োগ করবে। কারণ শেয়ারের চাইতে চালের দাম দ্রুত বাড়ে।
(চালের আর কি কি নতুন ব্যবহার হতে পারে তা সাজেশন করুন। পরবর্তীতে তা নিয়ে জনসচেতনতা মূলক প্রচারণা করা যেতে পারে।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

