ক'দিন আগে অদ্ভুত এক দৃশ্য দেখলাম টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে। ফিনফিনে দাড়িওয়ালা বা দাড়ি ওঠেনি এমন জনা পঞ্চাশেক মাদ্রাসার বালক জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের চত্বরে নির্মানাধীন একটি ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার জন্য সেটাতে দড়ি বেধে টানাটানি করছে!!! ওরা মনের আনন্দে ওদের কাজ করে যাচ্ছে, কেউ বাধা দেবার নেই, কেউ দেখার নেই। মনে হল দেশে যেন কোন সরকারই নেই- নেই কোন পুলিশ; নয়তো একটি দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের সামনে এমন কম্মো হয় কি করে ??????? - এটাতো কল্পনার বাইরে!!
আবার এও মনে হল, এদেশের পুলিশ বাহিনী হয়তো নাকে তেল দিয়ে ব্যারাকে ঘুমুচ্ছে - তাই কিছুই দেখেনি!!
কিন্তু আজ দেখলাম ভিন্ন চিত্র। যে পুলিশ বাহিনীর টিকিও সেই দিন দেখা যায়নি, তারাই আজ মুক্তমনা মানুষের শান্তিপূর্ন প্রতিবাদ পদযাত্রা থামিয়ে দিয়েছে চারুকলার সামনে!!!!!!!!! যেন হঠাৎ করেই পুলিশ বাহিনী তাদের কর্তব্য জ্ঞান ফিরে পেয়েছে- আকাশ থেকে যেন সহসাই সরকার বাহাদুর নেমে এসেছে, যারা দেশে সামান্যতম প্রতিবাদ সহ্য করবে না। আজ হঠাৎ করেই সরকার ও পুলিশ তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে অতিমাত্রায় সজাগ। একোন যাদু মন্ত্র!!
বুঝতে কষ্ট হয় কি কারণে গুটিকয় ধর্মান্ধ বিনা বাধায় দেশে যা খুশি তাই করতে পারে; অথচ তার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নামতেই দেয়া হয় না!!!!!!!!!!!!!!!!!
এই পুলিশকেই দেখেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের ন্যায়সংগত প্রতিবাদ কর্মসূচি নির্দয়ভাবে দমন করতে - দেশের সেরা বিদ্যাপীঠের সেরা ছাত্রদের অন্যায়ভাবে লাঠিপেটা করতে। এতে কিন্তু তাদের হাত একবারও কাঁপে না, যে সরকার নেপথ্যে থেকে দেশের সেরা মেধাবীদের মারতে নির্দেশ দেয় তারাও বিষয়টি ঠিক হচ্ছে কি হচ্ছেনা দ্বিতীয়বার ভেবে দেখেনা। তবে কোন কারণে গুটিকয় ধর্মান্ধের অপকর্মে সরকার বাহাদুর এবং আইনশৃংখলা রক্ষাকারী পুলিশ বাহিনী নিশ্চুপ থাকে????
এই ধর্মান্ধ গোষ্ঠী আমাদের সরকার ও পুলিশ বাহিনীর কি লাগে?
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


