somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এর যাত্রা হল শুরু

উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ অবশেষে তার যাত্রা শুরু করল !

উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন জনপ্রিয় মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া সহ ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন মুক্ত প্রকল্প পরিচালনা করে আসছে । একাজে সহযোগীতার জন্য সারা পৃথিবীতে উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের ৩৮ টি স্বীকৃত চ্যাপ্টার রয়েছে যার মধ্যে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ একটি।

উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন শিক্ষামূলক মুক্ত প্রকল্পের প্রচার এবং প্রসারের লক্ষ্যে সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে কাজ করবে ।

উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি প্রকল্প হিসাবে ২০০৪ সালে প্রথম বাংলা অনলাইন বিশ্বকোষ বাংলা উইকিপিডিয়া আত্মপ্রকাশ করে – কালক্রমে তা আজ অনলাইনে সবচেয়ে বড় বাংলা বিশ্বকোষ। সেই থেকে স্বপ্নের পথচলা শুরু । পরবর্তীকালে উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পগুলোকে এগিয়ে নিতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফাউন্ডেশনের স্থানীয় চ্যাপ্টার সমূহ গঠন শুরু হল । তখন থেকেই বাংলাদেশে একটি চ্যাপ্টার গঠনের ইচ্ছা দানাবাঁধতে থাকে এবং ২০০৮ সালে উকিমিডিয়ার মেটায় উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এর জন্য একটি পাতা শুরুর মাধ্যমে এ যাত্রা শুরু হয় । বাংলাদেশী উইকিপিডিয়ানরা এর পরের তিন বছর অনলাইন এবং অফলাইন বিভিন্ন কার্যক্রম ও কর্মসূচীর মাধ্যমে বাংলাদেশ চ্যাপ্টার গঠনের জন্য একটি সুসংগঠিত উইকিমিডিয়া সম্প্রদায় গঠনে কাজ করে যায় । এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে শুরু হয় চ্যাপ্টার গঠনের মূল কাজ – টানা দুই মাসের পরিশ্রমের ফসল হিসাবে তৈরি হয় উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এর গঠনতন্ত্র, যা খসড়া হিসাবে ফাউন্ডেশনের কাছে জমা দেয়া হয় । প্রায় পাঁচ মাসের যাচাই বাছাই ও সংশোধনের পর গত ৩রা অক্টোবর উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন উইকিমিডিয়া বাংলাদেশকে চ্যাপ্টার হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় । বর্তমানে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্হানীয় নিবন্ধনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ।

উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ–এর এই অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষা এবার মুক্ত জ্ঞান চর্চার বিশ্বে সামনের কাতারে এসে দাড়ালো ।

উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট :bd.wikimedia.org
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এর facebook পেজ :www.facebook.com/WikimediaBD
সামহোয়্যার ইন ব্লগ এ উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ :www.somehereinblog.net/blog/WikimediaBDblog

[লেখাটি পরবর্তীতে উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এর সাম.ইন. ব্লগ একাউন্টে ও প্রকাশ করা হবে]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29497597 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29497597 2011-12-06 17:23:16
বিদেশী তেল-গ্যাস কোম্পানীর দালাল অধ্যাপক হোসেন মনসুরের গালে আমার কয়েকটি চপেটাঘাত

একটু আগে একুশে টিভিতে একুশের রাত অনুষ্ঠানটা দেখলাম যেখানে আলোচনার মূল বিষয় ছিল কনোকোফিলিপস এর সাথে বাংলাদেশের বর্হিসমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের নতুন চুক্তি। এখানে অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, আরও একজন এবং পেট্রোবাংলার বর্তমান চেয়ারম্যান (আসলে বিদেশী কোম্পানীর দালাল) ড. হোসেন মনসুর সাহেব উপস্থিত ছিলেন। আলোচনাটা শুনে অনেক কিছুই বুঝলাম - অর্থাৎ কিনা এবারও আমাদের দেশের স্বার্থ বর্হিসমুদ্রেই তলিয়ে দেবার সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এই দালাল হোসেন মনসুর কয়েকটা যুক্তি দিলেন যার বিপরীত চিত্র তার কথাতেই ফুটে উঠল, তার প্রেক্ষিতেই তার গালে আমার এই চপেটাঘাত:

চপেটাঘাত ১:
উনি বললেন বর্হিসমুদ্রে তেল গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন এখন আমাদের সার্বভৌমত্বের একটা প্রশ্ন হিসাবে দাড়িয়ে গেছে, কেননা ভারত আর মায়ানমার আমাদের সমুদ্র সীমার একটা অংশ দাবী করে বসেছে এবং তারাও সমুদ্রে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। তাই এই চুক্তির মাধ্যমে এখনই অনুসন্ধান শুরু না করলেই নয়।

আবার দালালটা এও বললেন যে ভারত আর মায়ানমারের সাথে বিরোধপূর্ণ জায়গা বাদ দিয়ে বাকি ব্লকটুকু কনোকোফিলিপস কে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিদেশী কোম্পানীকে যে ব্লক দেয়া হয়েছে তা নিয়ে কোন দেশের সাথেই আমদের কোন বিরোধ নেই।

তাহলে দালালটা কেন বলল যে বর্হিসমুদ্রে এই অনুসন্ধান আমাদের সার্বভৌমত্বের একটা ব্যাপার? গাধাটার কাছে আমার প্রশ্ন রইল।

চপেটাঘাত ২:
দালালটা বলল বিদেশী কোম্পানীগুলোর কাছে আমাদের যেতে হয় কেননা আমাদের সে অর্থ, প্রযুক্তি বা দক্ষতা নেই, তাই বর্হিসমুদ্রে দেশী কোম্পানীর পক্ষে অনুসন্ধান সম্ভব না। আর এ কারণেই অতীতে বিদেশী কোম্পানীকে দেশের ভেতরেও কাজ দেয়া হয়েছে। অথচ এই বিদেশী কোম্পানীদের দক্ষতার কল্যানেই আমাদের দেশে দুবার ভয়াবহ গ্যাসকূপ বিস্ফোরণ হয়েছে যার ক্ষতিপূরণ আজও আমরা পাইনি। আর আমাদের দেশী অদক্ষ (দালালের ভাষায়) কোম্পানীদের গ্যাসকূপে আজও এমন কোন দুর্ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া আমাদের দেশী কোম্পানীর কাছ থেকে সরকার প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাস কেনে ৭ টাকা দরে আর সেই একই সময়ে একই পরিমান গ্যাস বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে সরকার কেনে ২৫৬ টাকায়। তাহলে কিভাবে আমাদের দেশী কোম্পানী অদক্ষ হয় যেখানে তারা মাত্র ৭ টাকায় গ্যাস বিক্রি করেও লাভ করতে পারে আর কিভাবে বিদেশী কোম্পানী দক্ষ হয় যেখানে তাদের সেই একই পরিমান গ্যাস ২৫৬ টাকায় বিক্রি করে লাভ করতে হয়? এর এখানে সরকার গ্যাস কেনার ক্ষেত্রে দেশী কোম্পানীকে যে দাম দিচ্ছে বিদেশীদের দিচ্ছে তার ৩৬ গুনেরও বেশি!!!! তাহলে পুজির অভাব হবে না কেন?

চপেটাঘাত ৩:
দালালটা বলল পেট্রোবাংলাকে এখন কোন ভর্তুকি দিতে হয় না। পেট্রোবাংলা বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে প্রতিহাজার ঘনফুট গ্যাস কেনে ২৫৬ টাকায়, আর সিএনজি পাম্পে (যেখানে গ্যাসের দাম সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে) সে গ্যাস বিক্রি করে ২৫ টাকায়! তাহলে এই ২৩১ টাকার যে ঘাটতি সেটা ঘাটতি নয়তো কি ? আর এটা কার পকেট থেকে আসে। দালালদের পকেট থেকে নিশ্চয়ই নয়!

উপরে দালালটার একট ছবি দিলাম, দেখে থুতু দিতে ইচ্ছা করছে। তবে এ তো পুতুল মাত্র, পেছনে আমাদের নেতানেত্রীরা আর তাদের মোসাহেব আর আমলারা (যেমন তৌফিক ইলাহি চৌ.) আছেন। আর সমান ভাবে আছেন আমাদের বিরোধী দল; কারণ ম্যাডামের বাড়ি নিয়ে গেল বলে যে দল হরতাল দিতে পারে তারা এখন কোন রা টি কেন করছে না?!! অথচ দেশের স্বার্থ অতলে তলিয়ে দেবার উপক্রম।

এই অনুষ্ঠানেই জানলাম উইকিলিকসের তথ্যমতে সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি আমাদের জ্বালানি মন্ত্রনালয়ে গিয়েছিলেন এবং সেখানে তৌফিক ইলাহি চৌ. এর সাথে সাক্ষাৎ করে বলে দিয়ে এসেছিলেন যে মার্কিন কোম্পানী কনোকোফিলিপসকে ব্লক বরাদ্দ দিতে হবে - তাহলে এই হল আসল কথা!!

আল্লাহই জানেন আমাদের দেশটাকে এই দালালদের চক্র থেকে কবে রক্ষা করবেন! তবে আমি যেভাবে পারি এই লুটেরা চুক্তিবাস্তবায়নের বিপক্ষে থাকবো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29397884 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29397884 2011-06-17 02:05:40
শ্রীলংকার অপ্সরারা আইলো <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_53.gif" width="23" height="22" alt=":-B" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

এখনতো শ্রীলংকান বিয়া কর্তে মঞ্চায়তাছে <img src=" style="border:0;" />

মমতাজরে দিয়া নান্টু ঘটকের সাথে যোগাযোগ করুম ভাবতাছি, এইবার ডিসিশন নিয়া ফালাইছি, শ্রীলংকায় প্রস্তাব পাঠামু, কি কন আপনারা!

এই মাত্র আমার মা রে কইলাম, ও আল্লাগো, উনার ও মত আছে দেহি <img src=)" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29328688 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29328688 2011-02-17 19:41:40
ব্লগারদের জন্য উইকিপিডিয়া ওয়ার্কশপ - আপনিও অংশ নিন
বাংলা ব্লগে যারা নিয়মিত লেখালেখি করেন তাদের জন্য উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ আয়োজন করছে উইকিপিডিয়া ওয়ার্কশপ, যা ৭ ই জানুয়ারি (আজ) শুক্রবার বিকাল ৩ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত এলিফ্যান্ট রোডের জামিল সারওয়ার ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলা উইকিপিডিয়াতে অবদান রাখতে আগ্রহী যে কেউ এ ওয়ার্কশপে অংশ নিতে পারেন।

এ ওয়ার্কশপে উইকিপিডিয়া সম্পর্কে ধারণা দেবার পাশাপাশি একজন ব্লগার কিভাবে বাংলা উইকিপিডিয়াতে নিবন্ধ তৈরি, সম্পাদনা এবং সংশোধন করতে পারেন সেসব দেখানো হবে। বাংলা উইকিপিডিয়াতে অবদানকারীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি মান সম্পন্ন নিবন্ধ সংখ্যা বৃদ্ধি করাই এ ওয়ার্কশপের লক্ষ্য।

তাই একটু সময় হাতে নিয়ে সবান্ধব চলে আসুন ওয়ার্কশপে এবং হাত বাড়িয়ে দিন বাংলা উইকিপিডিয়াকে সমৃদ্ধ করার প্রয়াসে।

ওয়ার্কশপের স্থান:
জামিল সারওয়ার ট্রাস্ট
২৭৮/৩, এলিফ্যান্ট রোড, কাটাবন, ঢাকা

তারিখ ও সময়:
৭ ই জানুয়ারি ২০১১, শুক্রবার, বিকাল ৩ টা - ৬টা

ফেসবুক ইভেন্ট পেজ:
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29303095 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29303095 2011-01-07 01:01:47
ব্লগে বসেই বাংলা উইকিপিডিয়ার জন্য অনুবাদ করুন
বাংলা উইকিপিডিয়াতে এখন পর্যন্ত ২১,৯৩৭ টি ভুক্তি আছে, সেখানে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে রয়েছে ৩৫,০১,৫৪ টি ভুক্তি! ১ লাখের বেশি ভুক্তি রয়েছে এমন উইকিপিডিয়ার সংখ্যা ৩২ টি!! অথচ জনসংখ্যার বিচারে বাংলা ভাষা পৃথিবীর ৪র্থ বা ৫ম বৃহত্তম ভাষা।

এটা সত্য যে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ঘনত্ব অন্য উন্নত দেশের তুলনায় কম, কিন্তু এ সংখ্যা দিনদিন দ্রুত গতিতে বাড়ছে। বাংলা উইকিপিডিয়া সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব আমাদের সকলের - এটি মাতৃভাষায় জ্ঞান চর্চার এক নতুন দিগন্ত যা আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য উন্মোচন করতে পারি।

বাংলা উইকিপিডিয়ার জন্য লিখতে হবে - আমাকে - আপনাকে, যার ইন্টানেট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে এবং যিনি বাংলা টাইপিং যানেন।

সবাই মনে করতে পারেন উইকিপিডিয়ার জন্য লিখতে অনেক খাটুনি - আসলে তা মোটেই নয়। শুধু ইচ্ছা থাকলেই যে কেউ এতে অবদান রাখতে পারেন। প্রশ্ন আসতে পারে - বাংলা উইকিপিডিয়াতে লিখতে হলে আগে তথ্য জানতে হবে, পড়াশোনার ব্যাপার আছে। কিন্তু আমরা যদি ইংরেজি উইকিপিডিয়ার নিবন্ধগুলো বাংলায় অনুবাদ করা শুরু করি তবে ব্যাপারটা অনেক সোজা হয়ে যায়!

আসছে ১৫ই জানুয়ারি উইকিপিডিয়ার জন্মদিন - এ উপলক্ষে পক্ষকালব্যাপী নানা অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে, সব অনুষ্ঠানই হবে ছুটির দিনে, তাই যে কেউ এখানে অংশ নিতে পারেন।

ব্লগারদের জন্য উইকি একাডেমী
বাংলা ব্লগের লেখকদের জন্য জানুয়ারির ৭ বা ৮ তারিখে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে, দিন তারিখ এবং ভেন্যু নির্দিষ্ট করে সবাইকে জানিয়ে দেয়া হবে। সামুর সকল ব্লগারদের এতে অগ্রিম আমন্ত্রন জানানো হল।

ব্লগে বসেই বাংলা উইকিপিডিয়াতে অবদান রাখুন
নিচে ইংরেজি উইকিপিডিয়ার থেকে নেয়া একটি নিবন্ধ আংশিক তুলে দেয়া হল। সুবিধার জন্য নিবন্ধটি তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ রইল যারা এখনো উইকিপিডিয়ার জন্য কিছু লেখেননি তারা নিচের নিবন্ধটি এখানের অনুবাদ করে দিন, অনুবাদকৃত অংশটুকু কমেন্ট আকারে পোষ্ট করুন। অনুবাদ হয়ে গেলে আমি সেটা বাংলা উইকিপিডিয়াতে তুলে দিব।

ইংরেজি উইকিপিডিয়ার লিংক এখানে: http://en.wikipedia.org/wiki/Ancient_Greece

আর আজ থেকেই বাংলা উইকিপিডিয়ার জন্য লেখা শুরু করে দিন <img src=" style="border:0;" />

Ancient Greece
From Wikipedia, the free encyclopedia

১.
-----------------------------------
Ancient Greece is the civilization belonging to the period of Greek history lasting from the Archaic period of the 8th to 6th centuries BC to 146 BC and the Roman conquest of Greece after the Battle of Corinth. At the center of this time period is Classical Greece, which flourished during the 5th to 4th centuries BC, at first under Athenian leadership successfully repelling the military threat of Persian invasion. The Athenian Golden Age ends with the defeat of Athens at the hands of Sparta in the Peloponnesian War in 404 BC.

Classical Greek culture had a powerful influence on the Roman Empire, which carried a version of it to many parts of the Mediterranean region and Europe, for which reason Classical Greece is generally considered to be the seminal culture which provided the foundation of Western civilization.[1][2][3]

Contents
[hide]

* 1 Chronology
* 2 Historiography
* 3 History
o 3.1 Archaic period
o 3.2 Classical Greece
+ 3.2.1 5th century
+ 3.2.2 4th century
o 3.3 Hellenistic Greece
o 3.4 Roman Greece
* 4 Geography
o 4.1 Regions
o 4.2 Colonies
* 5 Politics and society
o 5.1 Political structure
o 5.2 Government and law
o 5.3 Social structure
o 5.4 Education
o 5.5 Economy
o 5.6 Warfare
* 6 Culture
o 6.1 Philosophy
o 6.2 Literature
o 6.3 Science and technology
o 6.4 Art and architecture
o 6.5 Religion and mythology
* 7 Legacy
* 8 See also
* 9 References
* 10 External links
-----------------

-----------------
Chronology
Further information: Timeline of ancient Greece

There are no fixed or universally agreed upon dates for the beginning or the end of Classical Antiquity. It is typically taken to last from the 8th century BC until the 6th century AD, or for about 1,300 years.

Classical Antiquity in Greece is preceded by the Greek Dark Ages (c.1100-c.750 BC), archaeologically characterised by the protogeometric and geometric style of designs on pottery, succeeded by the Orientalizing Period, a strong influence of Syro-Hittite, Assyrian, Phoenician and Egyptian cultures.

Traditionally, the Archaic period of Ancient Greece is taken in the wake of this strong Orientalizing influence during the 8th century BC, which among other things brought the alphabetic script to Greece, marking the beginning of Greek literature (Homer, Hesiod). The Archaic period gives way to the Classical period around 500 BC, in turn succeeded by the Hellenistic period at the death of Alexander the Great in 323 BC.

The history of Greece during Classical Antiquity may thus be subdivided into the following periods:[4]

* The Archaic period (c.750-c.500 BC) follows, in which artists made larger free-standing sculptures in stiff, hieratic poses with the dreamlike 'archaic smile'. The Archaic period is often taken to end with the overthrow of the last tyrant of Athens in 510 BC.
* The Classical period (c.500-323 BC) is characterised by a style which was considered by later observers to be exemplary (i.e. 'classical')—for instance the Parthenon. Politically, the Classical Period was dominated by Athens and the Delian League during the 5th century, displaced by Spartan hegemony during the early 4th century BC, before power shifted to Thebes and the Boeotian League and finally to the League of Corinth led by Macedon.
* The Hellenistic period (323-146 BC) is when Greek culture and power expanded into the near and middle east. This period begins with the death of Alexander and ends with the Roman conquest.
* Roman Greece, the period between Roman victory over the Corinthians at the Battle of Corinth in 146 BC and the establishment of Byzantium by Constantine as the capital of the Roman Empire in 330 AD.
* the final phase of Antiquity is the period of Christianization during the later 4th to early 6th centuries, taken to be complete with the closure of the Neoplatonic Academy by Justinian I in 529 AD.
---------------------

-------------------------
Historiography
Main article: Greek historiographers

The historical period of Ancient Greece is unique in world history as the first period attested directly in proper historiography, while earlier ancient history or proto-history is known by much more circumstantial evidence, such as annals or king lists, and pragmatic epigraphy.

Herodotus is widely known as the "father of history", his Histories being eponymous of the entire field. Written between the 450s and 420s BC, the scope of Herodotus' work reaches about a century into the past, discussing 6th-century historical figures such as Darius I of Persia, Cambyses II and Psamtik III, and alludes to some 8th-century ones such as Candaules.

Herodotus was succeeded by authors such as Thucydides, Xenophon, Demosthenes, Plato and Aristotle. Most of these authors were either Athenians or pro-Athenians, which is why far more is known about the history and politics of Athens than of many other cities. Their scope is further limited by a focus on political, military and diplomatic history, ignoring economic and social history.[5]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29289793 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29289793 2010-12-14 22:54:05
আনিস সাহেব এইটা কী বললেন!!?? - সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মত ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির মামলা করতে এফবিসিসিএই এর অনুমতি নিতে হবে!!!!!!!
আজ টেলিভিশনে খবর দেখতে বসে মাথায় ঠাডা পড়ার মত অবস্থা। এন বি আর এর সাথে প্রাক বাজেট আলোচনায় এফবিসিসিআই এর মহাজ্ঞানী সভাপতি আনিসুল হক এক আজব দাবি করে বসলেন! যেটা শুনে ও শুনলাম বলে বিশ্বাস হচ্ছিলনা......

'সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী দের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামল করতে হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগের অনুমতি নিতে হবে' - দুদকের আইনে এ রকম একটা সংশোধনী আনার চেষ্টা সরকারী প্রশাসন থেকে শুরু থেকেই চেষ্টা হয়ে আসছিল (কেন তা কি আর বলে দিতে হবে?), এবং তা অনেকদূর গড়িয়ে গেছে (হায় কাপাল!! আমরা কই আছি??)। এ নিয়ে বিস্তার বির্তকও চলছে।

এরই মাঝে আজ আনিসুল হক সাহেব তার আজব আব্দারটি করে বসলেন। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির মামল করতে হলে এফবিসিসিআই এর অনুমতি নিতে হবে এমন একটি ব্যবস্থা তিনি চান!! ও আল্লাগো................ (আর কিছু বলার নাই)। তুমুল করতালির মাধ্যমে তার ব্যবসায়ী বন্ধুরাও এ দাবীকে স্বাগত জানালেন (যেটা খুবই স্বাভাবিক)।

লাও ঠেলা - সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীরা বাদ, মহান ব্যবসায়ীরাও বাদ - এখন কোটি টাকার প্রশ্ন হইল, ------বাংলাদেশে তাইলে দুর্নীতিটা করে কে????

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29153270 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29153270 2010-05-11 21:55:16
নোংরা এই ছাত্র রাজনীতি এখনই নিষিদ্ধ করা উচিৎ; আপনার কী মত?
উপরের ছবিটা দেখুন............ কী মনে হয়, এরা কি ছাত্র হতে পারে? তবে আদপেই এরা নাকি ছাত্র এবং ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত!! এরা নাকি বাংলাদেশের ভবিষ্যত রাজনীতি পরিচালনা করবে!! মাত্র সেই দিন অফিসে যাবার আগে পত্রিকায় ছবিটা দেখলাম। দেখে গা গুলিয়ে উঠল, আমরা এ কোথায় যাচ্ছি.....।

বাংলাদেশে যে আদর্শ নিয়ে ছাত্র রাজনীতির সূচনা হয়েছিল তার ছিটেফোটাও আজ অবশিষ্ট নেই। এখন ছাত্র রাজনীতি মানেই কিভাবে টেন্ডারবাজি করা যায়, কিভাবে হল দখল করা যায়, কিভাবে মুরুব্বি দলের নেতাদের পদলেহন করে তাদের মাসল ম্যানে পরিনত হওয়া যায়, কিভাবে না পড়ে নম্বর বাড়িয়ে নেয়া যায়, অথবা নিদেন পক্ষে - হলে একটা থাকার জায়গা পাওয়া যায়।

আমি এই সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়লাম, ছাত্ররাজনীতি করার ইচ্ছা থাকলেও তাদের কর্মকান্ডে ওই পথে পা বাড়াইনি। এখনও ভাবি যে ছাত্রনেতা দু'পয়সার জন্য ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান বসায়, তার কাছ থেকে আমরা কি আশা করতে পারি! এই ২০১০ এর কয় মাসে কত ছাত্র এই নোংরামির কারণে মারা গেল, কত বার ক্যাম্পাসগুলোতে গন্ডগোল হয়ে ক্লাস বন্ধ হলো তার হিসাব নিতে গেলেই ছাত্ররাজনীতি আমাদের কী দিচ্ছে তা বোঝা যাবে।

আমরা এক ফেড়ের মধ্যে পড়ে গেছি, খালেদার আমলে ছাত্রদলের নেতারা ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধ করে; অন্যদিকে হাসিনার আমলে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা দা দিয়ে কোপাকুপি করে। আমি তো কোন পার্থক্য দেখতে পাইনা!!??

ভাগ্য ভাল এবং ঢাকার বলে আমাকে কখনো হলে থাকতে হয়নি। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল গুলোতে সিট পেতে হলে ছাত্রনেতাদের আশীর্বাদ লাগবেই; পরিক্ষা সামনে থাকলেও তাদের সাথে মিছিলে যেতে হবে - যার ভাষা শুধুই " জ্বালিয়ে দাও--পুড়িয়ে দাও.." বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সাড়ে চার বছরে বুঝতে পারিনি ওরা কী জ্বালাতে চায় .......মনে হয় পুরো দেশটাকেই কিনা কে জানে??

তাই অনেক তো হল, এবার অন্ততঃ আমাদের বোধদয় হোক। যে ছাত্ররাজনীতি আমাদের নীতি-আদর্শ-মূল্যবোধ নষ্ট করে দেয়, আমাদের হিংস্র শ্বাপদে পরিনত করে, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকে বিপদজনক করে তোলে - সেই ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতে আমরা সোচ্চার হই।

অন্তত দশ বছরের জন্য হলেও এই অপচর্চা বন্ধ করা দরকার। দেখিই না কি হয়, তবে বর্তমান অবস্থার থেকে খারাপ কিছু হবে বলে মনে হয় না.......।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29150810 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29150810 2010-05-08 01:10:52
ঘুরে এলাম বাংলার নায়াগ্রা এবং রাইখাং/রাখিয়াং লেক থেকে (ফটোব্লগ)
(ছবি: দূরের পাহাড় থেকে বগালেক)

ঘুরে বেড়াতে আমার খুব ভাল লাগে, তাই সময় পেলেই কয়েকজন বন্ধুকে জড়ো করে চলে যাই - কখনো সমুদ্রে, কখনো জঙ্গলে, কখনোবা পাহাড়ে। এর মধ্যে পাহাড় আমাকে খুব বেশি টানে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে পড়ার সময় ২০০৪ সালে প্রথম কেওক্রাডং যাই। তারপর থেকে বেশ কয়েকবার বান্দরবানে গিয়েছি। এভাবে একবার রাখিয়াং বা রাইখাং লেক সম্পর্কে জানতে পারি - এটা বান্দরবানের সবচাইতে বড় প্রাকৃতিক লেক, বগা লেকের চাইতে কয়েকগুন বড়। আর্ও জানতে পারি এই লেকের কাছেই আছে একটা জলপ্রপাত যার দ্বিতীয়টি বাংলাদেশে নেই।

তবে অনেকদিন ধরে এ যায়গাটিতে যাবার ইচ্ছা মনে পুষে রাখতে হয়েছিল, কেননা যাবার রাস্তা খুবই দুর্গম এবং বান্দরবানের যে কোন জায়গা থেকে এখানে যেতে বেশি সময় লাগে।

গত ডিসেম্বরে ঈদের পরপর অফিস থেকে ছুটি ম্যানেজ করে আমি আর আমার বন্ধু মিথুন বেড়িয়ে পড়লাম রাইখাং লেক আর জলপ্রপাতের উদ্দেশ্যে। রাইখাং লেক ভারতের মিজোরাম বর্ডারের একদম কাছে। বগালেক থেকে চারদিনের মত সময় নিয়ে যেতে পারলে রাইখাং লেক মোটামুটি ভালভাবে যাওয়া যায়, কিন্তু আমাদের হাতে সময় না থাকায় মাত্র দু'দিনে সে পথ অতিক্রম করতে হয়েছিল। ফলে আমাদের রাতের বেলাও হাটতে হয়েছিল, পায়ের অবস্থা কি ছিল তা নাই বা বললাম!! রাইখাং লেক থেকে বগালেকে ফিরে হাটুর নিচ থেকে কোন অনুভূতি ছিলনা, মনে হচ্ছিল পা দুটো কাটা পড়েছে। তবে এই যাত্রায় যে সব জায়গা দিয়ে গিয়েছি সেসব দৃশ্য পথের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। তার কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম, আশা করি সবার ভাল লাগবে <img src=" style="border:0;" />

১. আমাদের মূল যাত্রার শুরু বগা লেক থেকে, মিথুন আর আমার সাথে আমাদের পুরোনো বন্ধু লারাম। এবারে ট্যুরিস্ট বেশি থাকায় লারাম আমাদের সাথে যেতে পারেনি, তবে গাইড ঠিক করে দিয়েছিল।


২. বগালেক থেকে কেওক্রাডং এর রাস্তা ধরে কিছুদূর যাবার সাইকত পাড়ার রাস্তা ধরতে হয়, সেখানটাতে আমরা


৩. যাবার রাস্তা প্রায় পুরোটাই এমন খাড়া চড়াই। জান বের হয়ে গেছিল আমাদের


৪. সাইকত পাড়ার আগেই পথে পড়ে ছিমছাম হরমন পাড়া


৫. সাইকত পাড়ার পথে আমি


৬. মিথুন


৭. সাইকত পাড়ায় যাত্রা বিরতি


৮. সাইকত পাড়া ছাড়িয়ে নিচের দিকে নামছি আমরা


৯. রুমা খালে পুর্নজীবন লাভ


১০. পথে দেখা গয়াল মশাই


১১. ঝিরি পথে অবিরাম হাটা


১২. পাহড়ের চূড়া থেকে রাইখাং লেক


১৩. কোজআপ অফ রাইখাং লেক


১৪. ভোরের রাইখাং লেক


১৫. ঘুমঘুম চোখে


১৬. নীল জলের অপরূপ রাইখাং


১৭. লেকের জলে সাদাফুল

১৮. রাইখাং লেকের স্যাটেলাইট ছবি, পাশের নদীটিই জলপ্রপাত (গুগল আর্থ)


১৯. রাইখাং জলপ্রপাত


২০. বাংলার নায়াগ্রা


২১. আমরা করেছি জয়


২২. রাইখাং জলপ্রপাতটি ধাপে ধাপে প্রায় ৫০ মিটার নিচে নেমে গেছে


২৩. মাতাল জলধারা


২৪. কঠিন স্রোত


২৫. ভাবের উপ্রে আছি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29097006 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29097006 2010-02-13 23:22:59
ঝানতে চাই: ব্লগবাসীদের এই শীতের পিকনিক কি হইয়া গেছে? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_69.gif" width="23" height="22" alt=":-0" style="border:0;" />
ব্লগবাসীদের কাছে জানতে চাই এই শীতে কোন পিকনিক টিকনিক হইছে কিনা??

যদি সামনে পিকনিকের কোন প্ল্যান থাকে তো তা জানাইলে কৃতার্থ হবো।

আর যদি এখনো কোন প্ল্যান না হইয়া থাকে তো সেইটা শুরু করলে কেমন হয়!!! এখনই তো মোক্ষম সময় <img src=" style="border:0;" />

সবার মত কি?........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29089725 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29089725 2010-02-01 22:22:09
বান্দরবানের রাখিয়াং লেক যাচ্ছি, কেউ আগে গিয়ে থাকলে টিপস + তথ্য সাহায্য চাই " style="border:0;" />

কেউ আগে গিয়ে থাকলে একটু আওয়াজ দেন। বগালেক থেকে কিভাবে যাওয়া যায় বা অন্য কোন সুবিধাজনক পথ আছে কিনা? বগা লেক থেকে যেতে কত সময় লাগে? পথে পানির উৎস কিরকম আছে? রাখিয়াং লেক গিয়ে থাকার ব্যবস্থা আছে কিনা?

এছাড়া আরো কোন দরকারি তথ্য থাকলে তা দিলে বাধিত থাকবো।

ভালয় ভালয় ফিরে আসতে পারলে জটিল সব ছবি পোষ্ট করবো কথা দিচ্ছ <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29051316 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29051316 2009-11-30 00:29:19
একদিন নিজামীর পানি পিপাসা পেয়েছিল; তারপর....... " style="border:0;" />



(ছবিটা অনেকেই হয়তো দেখে থাকবেন, তবুও সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29038903 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29038903 2009-11-06 23:02:27
ফটোব্লগ: কেওক্রাডং
১. দূরের পাহাড় থেকে বগালেক


২. বগালেক


৩. পাহাড়ের ঢাল বেয়ে কেওক্রাডং এর পথে


৪. ছবির মত সুন্দর দার্জিলিং পাড়া


৫. দার্জিলিং পাড়ার পেছনে দাড়িয়ে কেওক্রাডং


৬. বমদের ঘর (দার্জিলিং পাড়া)


৭. কৌতুহলী বম শিশুর দল


৮. বমদের ঘর


৯. কেওক্রাডং পাহাড়


১০. অবশেষে চূড়ায়..


১১. লারাম বম - আমাদের গাইড


১২. কেওক্রাডং এর চূড়া থেকে পেছনের মালভূমি দেখা যায়


১৩. আমাদের ফিরে আসা..
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29032942 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29032942 2009-10-27 21:40:06
হাতি দিয়া হাল চাষ আর মিলিটারি দিয়া ট্রাফিক কন্ট্রোল!!
বিকালে অফিস থিকা বাইর হইয়া মোটামুটি দেড় দুই ঘন্টার প্রিপারেশন থাকে -------- জ্যামে পড়তেই হইবো। আমার মোহাম্মদপুরের বাসা থেকা গুলশান-২ যাইতে ২৫ থেকা ৩০ মিনিট লাগার কথা (রাস্তা ফ্রি থাকা সাপেক্ষে)। তয় আমি আরও দেড় ঘন্টার পজিটিভ ভ্যারিয়েন্স ধইরা রাখি! গাড়িতে উইঠা একটা ঘুম দিবার চেষ্টা করি, সফল হইতে পারলে চক্ষু খুললেই আসাদগেট!! তয় কোনদিন ঘুমাইতে না পারলে ঢাকা শহর, অতিরিক্ত গাড়ি আর ট্রাফিক পুলিশরে গালমন্দ কইরা সময় ভালই পার হইয়া যায়। তয় তার পরও অনিয়মের মধ্যেই যেন একটা নিয়ম গইড়া উঠছে। পিতির পিতির কইরা গাড়ি চলে, ১০ -১৫ মিনিট খাড়াইলেই গাড়ি পাওয়া যায়।

মাগার আইজকা অনিয়মের মইদ্ধে নিয়ম আইসা সব একদম বেড়াছেড়া লাগাইয়া দিলো। অফিস থেকা বাইর হইয়া দেখি গুলশান-২ নম্বর থেকা জ্যাম, গাড়ি সামনেও যায় না - পিছনেও যায় না, আইজ পযর্ন্ত এমন দৃশ্য খুব কম দেখছি। নর্মালি গুলশান-১ হইয়া মোহাম্মদপুর যাই, দুই নাম্বারে খালি বাস পাওয়া যায় একটু খাড়াইলেই। কিন্ত আইজকা মনে হইলো ঘটনা প্যাচ খাইছে। সেই সাথে সেই দিনের কথা মনে পইড়াগেল, যেইদিন ঢাকা এক রাইতে বৃষ্টিতে নাকানি চুবানি খাইছিল।

এতসব চিন্তা কইরা মাথাত মাল উইঠা গেল, ডিসিশন নিলাম আগে রিক্সায় বননী যাই (এই পথে কখনো যাইনা, ফার্ট টাইম), তারপর কাকলী থিকা একটা কিছু ধইরা ফ্লাইওভারের উপর দিয়া বাসত যামুগা। কিন্তু কাকলী গিয়া দেখি সেই একই কাহিনী। পুরা রাস্তা গাড়িতে গাড়িতে সয়লাপ, কিন্তু দশ মিনিটে দশহাতও আগায় না। এক বাস কন্ট্রাকটরের জিগাইলাম সামনে হইছেডা কী? হে কয় কিছুই জানেনা। কিছুক্ষণ খাড়াইয়া মনে হইলো রাস্তায় তো অনেক গাড়িই খাড়াইয়া আছে, কিন্তু এগুলাতে উঠলে খাড়াইয়াই থাকতে হইবো। তাই আল্লার নাম নিয়া হাটা দিলাম মহাখালীর দিকে। ফ্লাইওভারের কাছে গিয়া দেখি যে সবগাড়ি পাশদিয়া সোজা যাইবো সেগুলি ফ্লাইওভারের মুখ বন্ধ কইরা গিটঠু লাইগাইয়া আছে (এই গিটঠু কিন্তু সবসময়ই লাগে, তয় গিটঠু খুইলাও যায়!!)। তাই মনে একটা বড় প্রশ্নোবোধকের উদয় হইলো - সামনে হইছে ডা কী??!!

মহাখালী তিন রাস্তার মাথায় গিয়াই সব পরিস্কার হইয়া গেলো - সামনে মিলিটারি পুলিশ ট্রাফিক কন্ট্রোল করতাছে!! মোড়ের দিকে সবগাড়ি একলাইনে খাড়াইন্যা, একটা একটা কইরা গাড়ি ছাড়তাছে!! যেই গাড়িগুলা গুলশান-১ থিকা আইসা বামে তেজগা/ফার্মগেট যাইবো ওইগুলিরেও লাইন করাইয়া খাড়া করাইয়া রাখছে। এইখানে সব সুশৃংখ্যল, কিন্তু এই শৃংখ্যলার বদৌলতে গাড়ির জ্যাম একদিকে মহাখালী - গুলশান-১ থিকা গুলশান-২ নম্বর গোল চত্তর পর্যন্ত রাস্তা বল্ক কইরা রাখছে, অন্যদিকে কাকলী ছাড়াইয়া বননী ওর সেনানিবাস পযর্ন্ত সব খাড়াইয়া!! কিন্তু সামনে জাহাঙ্গীর গেটের কাছে গিয়া দেখি এরপর থিকা পুরা রাস্তা ফাকা!!

তাইতো কই জ্যামটা লাগছে ক্যান! বুঝলাম যে হাতি দিয়া হাল চাল হয় না! আর বুঝলাম ঢাকার রাস্তার আমাগো অশিক্ষিত ট্রাফিক পুলিশই ভাল।

মইদ্ধে দিয়া হুদাই আমার রোজাগায়ে এতখানি রাস্তা হাইট্টা আসা!!

মিলিটারি দিয়া সব কাম খুব সোন্দর ভাবে করান যায় - আমগো দ্যাশে কার মাথাত থিকা যে এই মহান তত্ত্ব খানা বাইর হইছে আল্লায় জানে!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29011786 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29011786 2009-09-17 00:19:08
নস্টালজিক ঈদ মজা - কে কোথায় কিভাবে ঈদ করবেন
আজ ইফতারের পর জানতে পারলাম ১৮ টা রোজা পার হয়ে গেছে!! তারমানে আর ১১ বা ১২ দিন পরই ঈদ!!!!!!! অবাক কান্ড - আগে ছোট বেলায় ঈদ নিয়ে কত পরিকল্পনাই না করতাম, প্রতিটা দিন জানান দিয়ে পার হতো। অথচ এখন এইসব আনন্দগুলো কেমন যেন মলিন হয়ে গেছে।

ছোট বেলায় শবে বরাত থেকেই ঈদের প্রস্তুতি শুরু করে দিতাম, সবাই মিলে ঘটা করে চাঁদ দেখা........রোজা কবে শুরু হবে সেই দিনগোনা শুরু হয়ে যেতো। তারপর একদিন সন্ধ্যা আকাশে পাতলা ফিনফিনে চাঁদ দেখা গেলে সবাই কী মজাটাই না করতাম। রোজার পরই ঈদ.......! আর ঈদের সে কী প্রস্তুতি........নতুন জামা জুতা থেকে শুরু করে সবই চাই নতুন ঝকঝকে। তবে সেসব যেন অন্য কেউ ঈদের দিনের আগে দেখতে না পারে তা নিশ্চিত করতে ঘরের সবচাইতে সুরক্ষিত জায়গায় জামা জুতো লুকিয়ে রাখা; জামা জুতো অন্য কেউ দেখে ফেললেই সেসব পুরোন হয়ে যাবে এই ভয়ে। সেই সাথে অন্য বন্ধু বা সমবয়সীরা কে কী কিনল তা আগে ভাগে দেখে ফেলার নিরলস চেষ্ট...... কত মজার দিনই না ছিল!

আজ ইচ্ছে হচ্ছে আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে যেতে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29007737 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/29007737 2009-09-09 23:28:15
ফটো ব্লগ: চীনা মাটির দেশে
বৃহঃষ্পতিবার রাত দশটা। অফিস শেষে তিড়িং বিড়িং করতে করতে বাসায় এসে জম্পেশ একটা গোসল দিয়েছি। এর পর মা জননী আদর করে ভরপেট খাওয়াইলেন। এরপর দোস্তদের ফোন.........বিহারি ক্যাম্প গিয়া চাপ লুচি মারতে হবে। পরেরদিন ঈদ (প্রতি শুক্রবার আমার জন্য রোজার ঈদ আর শনিবার বকরা ঈদ, বিষয়টা আমি সেইভাবে সেলিব্রেট করি)!!

আড্ডা মারতে রওনা দিলাম। অন্যদিন আমরা চারজন থাকি, এইবার দুইজন বেশি। মোস্তাকিমে গিয়া সব লুটি চাপ অর্ডার দিলো। আমি ' খামুনা, ভাত খাইয়া আসছি' বইলা সাইড নিলাম। এবং যথারীতি লুচি চাপ আসার পর 'দোস্ত একটু টেস্ট করি' বইলা এর ওর প্লেটে হামলা করলাম। খাওয়া শেষে সব বাইরে আসছি, মজনু (আসল নাম না, কারও আসল নাম নিমু না) কইলো চল বিরিশিরি যাই। সাধারনত আমরা চারজন গেলে এক গাড়িতে জায়গা ঠিকমত হয়, কেননা চারজনই মাশাল্লা। কিন্তু আজ অতিরিক্ত দুইজন আছেন, এবং দুই জনই মোটামুটি বোল্ডার সাইজের। বিরিশিরি যাবার ইচ্ছা আগে থেকে থাকলেও যাত্রা পথের ভোগান্তির কথা ভেবে (এই ছয়জন এক গাড়িতে কোনভাবেই আটবে না) আমি 'থাক আজকে না, এই সপ্তাহ একটু রেস্ট নেই' বলে পাশ কাটাতে চাইলাম। কিন্তু মজনু নাছোড় বান্দা, আমারে সাইডে নিয়া বলে 'সাপোর্ট দে, নাইলে এই শালারা যাইতে চাইবো না'।


সোমেশ্বরী নদী

এর মিনিট বিশেক পর আমরা নেত্রকোনার রাস্তায়! কিছুক্ষণ ঘুম দিবার চেষ্টা করলাম, কিন্তু সহযাত্রীদের কল্যাণে তা হয়ে উঠল না। ময়মনসিংহ গিয়ে এক হোটেলে পরটা আর ডিম ভাজা অর্ডার করলাম, কিন্তু ডিম ভাজা থেকে ভয়ানক গন্ধ আসছিল। ইনভেস্টিগেশন করে বের করলাম ডিম ভাজার পিয়াজ- মরিচের কুচি সম্ভবত দুইদিন আগের। তাই শুকনা পরটা পানি দিয়ে নামিয়ে দিলাম।


স্বচ্ছ ধারা সোমেশ্বরী
যাত্রা পথে রাস্তা ভাঙ্গাচোরা। বিরিশিরি পৌছালাম ভোর চারটার দিকে। কিন্তু চীনা মাটির পাহাড় কই। এক লোককে জিজ্ঞেস করতে রাস্তা বাতলে দিল, রাস্তা কেমন জানতে চাইলে বলল ভালোই। কিন্তু এবার মাটির রাস্তা!! যেতে হবে দুর্গাপুর। কিছুটা পথ সামনে যাবার পর সোমেশ্বরী নদী সঙ্গ নিল। বেশ লাগছিলো; কিন্তু চীনামাটির পাহাড় কোথায়? একবার এই দিক, একবার সেই দিক! অবশেষে জানলাম সোমেশ্বরী নদী পার হতে হবে, এবং সামনে আর গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে না। একটা স্কুলের মাঠে গাড়ি রেখে আল্লার নাম নিয়ে নদীতে নেমে পড়লাম, স্বচ্ছ টলটলে পানি, দূরে পাহাড়ের হাতছানি। ছয়জন নদীর মাঝ বরাবর গিয়ে আটকে গেলাম, সামনে আর হেটে যাবার উপায় নেই। একটা ট্রলার এসে উদ্ধার করলো। ওপারে গিয়ে দেখি বস্তা ভরে চীনা মাটি রাখা, উৎসাহ বাড়লো। কিন্তু যাবার উপায় কি?


সোমেশ্বরীর বালুচর
এ এলাকায় চলাচলের মাধ্যম হল সাইকেল, অতিদুর্লভ রিক্সা, মোটর সাইকেল এবং নিজের পা। রিক্সা পেলাম না, আর মোটর সাইকেল ২০ টাকার ভাড়া দেড়শ টাকা চাইল! শুনলাম বিজয়পুর যেতে হবে, দুরত্ব এক কিলো- তাই হাটার সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু কিছুদূর পর কাকড় ছড়ানো রাস্তা, আর আমাদের খালি পা। হাটতে গিয়ে জান বেরিয়ে গেল। এবং একটু পরই টের পেলাম এই এক কিলো মানে কয়েক কিলো। মাঝপথে একটা কাচামাটির রাস্তা বাম পাশে চলে গেছে। এক বালক বলল বাম পাশের রাস্তা দিয়েই সাদামাটি যাওয়া যায়। কিন্তু আমরা বিজয়পুর শুনে এসেছি - সোজা হাটতে লাগলাম। একসময় পা ফুলিয়ে রানিখং পার হয়ে বিজয়পুর বিডিআর ক্যাম্প পৌছালাম, বাংলাদেশের শেষ সীমান্ত। কিন্তু কোথায় চীনা মাটি?? তখন মনে হল সেই বালক ঠিক বলেছিল। এর মাঝে বৃষ্টি নামল, সব ভিজে চুপচুপে - পা এর অবস্থা কাহিল। চীনা মাটি মনে হয় দেখা হবে না। ভাগ্যক্রমে দুটা রিক্সা পেলাম, কিন্তু তাদের খেপ আছে - যাবে না। হাতে পায়ে ধরে কাকড় বিছানো রাস্তা পার করতে রাজি করালাম।

বিজয়পুর বিডিআর ক্যাম্প থেকে দূরে টিলার ওপর রানিখং মিশন

নদীর ওপারে ভারত

পথে কাচা রাস্তাটা পড়ল। মনটা শক্ত করে ঘোষনা দিলাম যাই হোক, আমি চীনামাটির পাহাড় না দেখে ঢাকা যাব না, খেচু সবসময় নেতিয়ে থাকে। কিন্তু এবার সে আমার কথায় সায় দিল। অতএব এবার কাচা রাস্তা ধারে হাটতে লাগলাম - পথে সবাইকে জিজ্ঞেস করলাম 'ভাই, সাদামাটি কতদূর'; সবাই বলে এইতো একটু এগোলেই। এবং অবশেষে সাদামাটি - চীনা মাটির দেখা মিলল!! শুধু সাদা মাটির পাহাড় না, গোলাপী পাহাড় ও দেখা দিল, সাথে টলটলে নীল জলের লেক!!

চীনা মাটির গোলাপী রংয়ের পাহাড়

পাহাড় বেয়ে ওঠার লোভ সামলাতে পারলামনা

স্বচ্ছ নীল জলের লেক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28983158 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28983158 2009-07-24 22:27:41
বাসের ভেতর বৃষ্টি বিড়ম্বনা
একেই বলে কপাল! কখন কোথায় কী কাজে লেগে যায় তা বলা যায়না। বাসের ভেতর সবাই ছাতা মাথায় বসে আছে, সে আসলেই এক অভাবনীয় দৃশ্য ছিল। আর কখনো এ দৃশ্য দেখতে পাব কিনা..........তাই বাস থেকে নামার আগমুহূর্তে একটা ছবি তুলে ঘটনাটা অমর করে রাখলাম। আমি বেশ মজা পেয়েছি ঘটনাটাতে, কিছুটা মজাটা যাতে আপনারাও পান তাই ছবিটা দিয়ে দিলাম <img src=" style="border:0;" />

পুনশ্চ: অনেক দিন পর ব্লগে এলাম। আপনারা সবাই কেমন আছেন? আমি ডলার (not $) ওপর আছি <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28972746 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28972746 2009-07-02 21:09:14
ফানপোষ্ট: পরথম আলু- পল্টি খাও......পল্টি দাও <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />

আমি পরথম আলুর সম্পাদক মতিচুর গহমান এই মর্মে শপথ করিতেছি যে,

- এখন হইতে "যেই দিকে ভাও - সেই দিকে বাও" এই নীতি পরিহার করিয়া চলিব,

- সেই সাথে নিজ পত্রিকাকে দেশের প্রধান দৈনিক বলিয়া বিভ্রান্তিমূলক প্রচার করিব না,

- এবং কথায় কথায় সুবিধাবাদী সুশীলদের নিয়া গোলটেবিল প্যাচাল আয়োজন বন্ধ করিব।

- ইহা ব্যতীত অতিরিক্ত ব্যবস্থা হিসাবে কর্পোরেট পদলেহন ছাড়িয়া দেশের স্বার্থে সঠিক দৃষ্টিকোণ হইতে খবর প্রচার করিব..........

আমাদের বিশ্বাস এইভাবে একদিন বদলে যাবে সবাই, তাইতো নিজে ব্যতীত সবাইকে বদলে যাবার কথা বলি সবসময়।

আর আমরা বলি : পরথম আলু.....পল্টি খাও............... পল্টি দাও।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28903613 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28903613 2009-01-28 21:23:20
আপনি কি জেনেশুনে ত্রানের টিন চোরদের ভোট দেবেন??!!

এক বন্ধু ফোন করে আজ সকালে ঘটে যাওয়া মজার ঘটনাটা বলল। সাত সকালে ধানের শীষের লোকজন কয়েকটা মেয়েকে সাথে নিয়ে ওদের বাসায় এসেছে ভোট চাইতে। আমার বন্ধুর বাবা, মানে আংকেল গেট খুলে ওদের সাথে কথা বলছিলেন। কথার এক পর্যায়ে আংকেল বললেন,
" ভোট চাইতে আইছেন ভাল কথা, তবে আবার যদি ত্রানের টিন চুরি করেন তাইলে কিন্তু এইবার ন্যাংটা কইরা ছাইড়া দিমু"

পাশের ফ্ল্যাটের আন্টিও সাথে ছিলেন, তিনি বললেন-" হ্যা ভাই, একদম ঠিক কথা বলেছেন।"

এই কথা শোনার পর ধানের শীষের লোকেরা ওই বিল্ডিং আর এক মুহূর্ত থাকেনি, তাড়াতাড়ি পাশের বিল্ডিং এ চলে গেছে।

কি আশ্চর্য কথা ভেবে দেখুন, যে দল বিগত পাঁচ বছর দেশ চালিয়েছে সেই দলের সাংসদরা সামান্য ত্রানের টিনের লোভ সামলাতে পারেনি - তাদের বড় বড় দুর্নীতির কথা বাদ ই দিলাম। কিন্তু এ সবই অমোঘ সত্য। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসার পর অন্যান্য বড় বড় দুর্নীতির সাথে চোর দলীয় জোটের এসব ছ্যাচড়া ধরণের দুর্নীতির খবরও প্রকাশিত হয়ে পড়ে। অথচ সেই সব লোকই চোর দলীয় জোটের নমিনেশন নিয়ে আবার নির্বাচন করছে।

এখন বলুন, আপনি কি এ ছ্যাচড়া চোরদের দলকে ভোট দিবেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28888872 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28888872 2008-12-27 21:58:58
চোর দলীয় নির্বাচনী তামাশা

দুই চোর পুত্রের জননী যুদ্ধাপরাধী জামাতকে সাথে নিয়ে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে দুনীর্তি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন। এমনই একটি বিজ্ঞাপন কিছুক্ষণ পরপরই বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হচ্ছে। কি তামশার কথা!!

বোঝাই যায় পাঁচ বছরে তার পুত্ররা ও তাদের সহযোগীরা কী পরিমান টাকা কামিয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28888438 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28888438 2008-12-26 23:17:14
জামাতে ইসলামী ধর্মের প্রবক্তা মওদুদীর ইসলাম বিকৃতির কিছু নমুনা
আবুল আলা মওদুদী (১৯০৩-১৯৭৯) পাকিস্তান ভিত্তিক দল জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা যা বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশেই তাদের ধর্ম ব্যবসা খুলে বসেছে। প্রথম দিকে মওদুদী পাকিস্তান রাস্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করলেও ১৯৪০ এর দশকে এসে নিজের ভোল পাল্টায় এবং তখন থেকেই সে পাকিস্তানে তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়। সে ইসলামকে একটি জীবন ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে প্রচার করতে শুরু করে। ইসলামের মৌলিক নীতি ও ভিত্তি সমূহ, যেমন: তাওহীদ, এক আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, সালাত, সাওম, যাকাত, হ্জ্জ ইত্যাদিকে উপেক্ষা করে মওদুদী শাসন ব্যবস্থার ওপর বেশি জোর দেয়। রাস্ট্রের কর্তৃত্ব আকাংক্ষার ব্যাপারে তার মতামত:

“তাই কর্তৃত্বের আকাংক্ষা ছাড়া কোন দর্শণে আস্থাজ্ঞাপন করার কোন অর্থ নেই, এবং কোনটি আইন সম্মত বা কোনটি নিষিদ্ধ অথবা নির্দেশিত আইন, কোনটিরই কোন মানে নেই।"

- তাজদীদ উদ দ্বীন, পৃষ্ঠা ৩২ - ৩৩

অথচ হযরত মুহাম্মদ (স) পরিস্কার ভাবে কর্তৃত্বের লালসাকে পুরোপুরি নিষেধ করে দিয়েছেন; ওনার মতে কর্তৃত্ব ও শাসন করার লোভ মানুষকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। তিনি বলেন:

“নেতৃত্বের আকাংক্ষা করোনা। কেননা তোমরা যদি নেতৃত্বের আকাংক্ষা করে তা পাও তবে সে দায়িত্ব তোমাদের একাই পালন করতে হবে। কিন্তু আকাংক্ষা না করেই যদি তোমরা নেতৃত্ব পাও তবে তোমরা সাহায্য পাবে (আল্লাহর কাছ থেকে)।”

- মুসলিম, ৪৬৯২


জামাতে ইসলামীর ফ্ল্যাগ (অনেকটাই পাকিস্তানের পতাকার মত)

এখানে মওদুদীর কিছু ইসলাম বিকৃতির নমুনা তুলে ধরছি। এখানে পবিত্র কুরআন, হাদীস এবং মওদুদীর বিভিন্ন লেখা ও ভাষন থেকে উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়েছে; এখানে পরিষ্কার যে মওদুদী জেনেশুনে ইসলামের বিকৃতি ঘটানোর অপচেষ্টা করেছে। তাতেও যদি গন্ডমূর্খ জামাত-শিবিরের সমর্থকদের কিছুটা বোধ হয়।

আল্লাহ আমাদের এধরনের দুরাত্মার খপ্পড় থেকে রেহাই দিন।

“শাসন ও কর্তৃত্ব করার নামই হচ্ছে ধর্ম, শাসন ব্যবস্থার আইন হল শরিয়া এবং উপাসনা হচ্ছে শাসন ব্যবস্থার ঐতিহ্যকে অনুসরন করা’’ - খুতবা, পৃষ্ঠা ২১৭।

“লোকে সাধারণত বলে ইসলামের পাচটি স্তম্ভ: এক আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, নামাজ, যাকাত, রোযা এবং হজ্জ। এবং এ গুলোই ইসলাম এই ভুল ধারণার মধ্যে তারা অনেকদিন ধরে আছে। এসলে এটা একটা বড় বিভ্রান্তি যা মুসলমানদের পথ এবং কর্মকে ধ্বংস করেছে।“

(কাউসার, ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১- মওদুদীর ভাষণ থেকে উদ্ধৃত)

অথচ সহীহ বুখারী এবং মুসলিম শরীফে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে ইসলামের মূল স্তম্ভ পাচটি: ১. শাহাদাহ ২. সালাত ৩. বাধ্যতামূলক যাকাত প্রদান ৪. সাওম এবং ৫. হজ্জ।

শুধু তাই নয়, মওদুদী হাদীস শরিফের ও সমালোচনা করতে ছাড়েনি। মওদুদী এ সম্পর্কে বলেছে:

“কোন সত্যবাদী মানুষই এই দাবী করতে পারবেনা যে ৬ - ৭ হাজার হাদীসের (সহীহ বুখারী শরিফ) সবগুলোই পুরোপুরি ঠিক।“

(১৯৫৫ সালের ১৫ মে বরকত হলে মওদুদীর দেয়া ভাষণ থেকে; যা পরে আল-ইতেশাম পত্রিকায় ২৭ মে ১৯৫৫ এবং ৩ জুন ১৯৫৫ তারিখে প্রকাশিত হয়।)

শুধু এই নয়, হযরত মুহাম্মদ (স) চুক্তি ভিত্তিক অস্থায়ী বিয়ে (মুতাহ) হারাম ঘোষনা করেছেন। কিন্তু মওদুদী হাস্যকর উদাহরণ টেনে তা হালাল করতে চেয়েছে:

“ধরেন সমুদ্রের মাঝে একটি নৌকা ডুবে গেল। একজন পুরুষ ও একজন মহিলা বেচে গিয়ে এক নির্জন দ্বীপে গিয়ে ওঠে। এ অবস্থায় তাদের একসাথে থাকতেই হবে। কিন্তু ইসলামী আইন মতে তারা নিকাহ করতে পারবে না। তাই তাদের কাছে যে একমাত্র রাস্তাটা খোলা আছে তা হল নিজেদের মধ্যে চুক্তি করে অস্থায়ী বিয়ে করা ততদিনের জন্য যতদিন না তারা লোকালয়ে পৌছাতে পারে বা লোকেরা তাদের খুজে পায়। অস্থায়ী বিয়ে (মুতাহ) এ ক্ষেত্রে বা এর মত পরিস্থিতিতে জায়েজ।“

-তারজুমামুল কুরআন, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা: ৩৭৯

যুদ্ধবন্দী মহিলাদের ব্যাপারে মওদুদীর মতামত দেখুন:

“এমনকি বর্তমান যুগেও যুদ্ধবন্দী মহিলাদের সৈনিকদের মধে বন্টন করে দেয়া উচিৎ এবং সৈন্যদেরকে তাদের (মহিলাদের) ভোগ করার অনুমতি দেয়া উচিৎ।“

অথচ পবিত্র কুরআনে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়া আছে। আল্লাহ বলেন:

“অবশেষে যখন তাদেরকে (কাফিরদের) পূর্ণরূপে পরাভূত কর তখন তাদেরকে শক্ত করে বেধে ফেল। অতঃপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ লও (এবং মুক্তি দাও) ।”

- সূরা মুহাম্মদ, আয়াত ৪

বাল্য বিবাহ নিয়ে মওদুদী বলেছে:

“নাবালিকা মেয়েদের (বয়:প্রাপ্তির আগে) বিয়ে করা যায়। স্বামীরাও তাদের সাথে সহবাস করতে পারে।“

-তাহফীমুল কুরআন, পঞ্চম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৫৭১

বিভিন্ন নবী-রাসূলদের নিয়ে মওদুদীর সমালোচনার বিস্তর উদাহারণ আছে। যেমন নিচের মন্তব্যে সে হযরত ইউসুফ (আ) কে মানুষ হত্যাকারী জঘন্য মুসোলিনীর সাথে তুলনা করেছে -

“কিছু মানুষ যে ধারনা পোষণ করে যে তিনি [হযরত ইউসুফ (আ)] মিশরের তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব চেয়েছিলেন শুধু সেখানকার অর্থ মন্ত্রী হবার জন্য তা আদপে ঠিক নয়; প্রকৃত পক্ষে তিনি একজন সৈরশাসক হতে চেয়েছিলেন। এমতাবস্থায় হযরত ইউসুফ (আ) যে পদ পান তা বর্তমানকালের ইতালির মুসোলিনীর অবস্থার সমতুল্য।“

- তাহফিমাত, খন্ড ২, পৃষ্ঠা ১২২, ৫ম সংস্করণ

মওদুদী হযরত সুলাইমান (আ) এর ১০০ স্ত্রী থাকার ব্যাপারে মন্তব্য করেছে:

“হয় আবু হুরাইরা (রা) নবীর কথা শুনতে ভুল করেছেন অথবা তিনি পুরো ব্যাখ্যা শোনেননি।“

-রাসাইল -ও-মাসাইল, খন্ড ২, পৃষ্ঠা: ২৭

এখন বলেন কিভাবে কোন সভ্য ও বিবেকবান মানুষ এই লোকের মতবাদে বিশ্বাস করতে পারে এবং একে ইসলাম বলে দাবী করতে পারে?

(বি:দ্র: এখানে অনেক উদ্ধৃতি ইংরেজী থেকে অনুদিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28886864 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28886864 2008-12-23 20:20:19
জাতীয়তাবাদী-ইসলামী মূল্যবোধ!!?? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_64.gif" width="23" height="22" alt=":-&" style="border:0;" />

আজ বিভিন্ন জনসভায় ম্যাডাম খালেদা জিয়া সবাইকে জাতীয়তাবাদী-ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় এগিয়ে আসতে বলেছেন! <img src=|" style="border:0;" />

কথাটা শুনে কেমন ধন্দে পড়ে গেলাম; এতদিন ইসলামী মূল্যবোধ শুনেছি। খালেদা জিয়া জাতীয়তাবাদী-ইসলামী মূল্যবোধ কোথা থেকে আমদানী করলেন!!!! <img src=" style="border:0;" />

জাতীয়তাবাদী-ইসলামী মূল্যবোধ কী? এটা কি খায় না মাথায় দেয়? এই মূল্যবোধের আলোকেই কি ম্যাডামরা ভ্রু চেছে ফেলে - পেন্সিল দিয়ে নকল ভ্রু একেঁ, মাথার চুল ফুলিয়ে জনসভায় মিথ্যা আর ধোঁকাবাজির বেসাতি করতে পারেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28886412 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28886412 2008-12-22 22:42:35
চোরদের মা - র বড় গলা

খালেদা জিয়া দুই সুপুত্রের জন্ম দিয়েছেন - তারেক আর কোকো, মায়ের কাছে যারা আব্দার ধরেছিল পুরো দেশটা লুটপাট করে খাবে। মায়ের মন বলে কথা! দ্বিতীয় মেয়াদে এসে ছেলেদের সেই শখ পুরো করতে মা কোন কার্পণ্যই করেন নি। ছেলেরা যা করতে চেয়েছে মা তাই করতে দিয়েছেন, কোন বাধা দেয়া তো দূরের কথা! মায়ের আস্কারা পেয়ে দু'ভাই মিলে ৫ টা বছর ধরে মনের সুখে লুটপাট করেছে, শুধু একা না - একা কী একটা দেশ লুটেপুটে শেষ করা যায়? তাই তারা বন্ধুদের ও সাথে নিয়েছিলেন, সব বন্ধুবান্ধব এবং দলের চাল্লিপাল্লি মিলে ৫ বছর মজা করে দেশটা লুট করা গেছে - তার আবার কত নানান ধরণের উপায়! কখনো খাম্বা গেড়ে, কখনো পছন্দের বন্ধুকে দুধভাত কাজ পাইয়ে দিয়ে ... সে বলে এক লেখায় কুলানো যাবে না।

সেই মজার খেলায় যে টাকা গুলো জমেছে, তাহলে সেগুলো কোথায়? ...................আছে আছে, এই দেশে সেই দেশে কত ব্যাংক আছে না ! সেগুলোতে দু' ভাই আর দোস্তরা মিলে টাকা ভরে ভরে রেখেছে; শুধু বাংলাদেশি ময়লা টাকা না, ডলার আছে, পাউন্ড আছে, রিংগিত আছে, সিংগাপুরী ডলার আছে....সে কি বলবো !

কিন্তু সমস্যা হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নামের আপদ আর দুদক নামের ঝঞ্ঝাট। কোত্থেকে সাজানো সব তছনছ করে পুরো খেলাটাই মাটি করতে বসেছে। কয়দিন আগে মালয়েশিয়ায় তারেকের কত্তগুলো রিংগিত হাপিস করলো, এখন আবার সিংগাপুরে কোকোর ডলার গুলোতে হাত বসিয়েছে। তাও একটা দুটা টাকা না - এগার কোটি টাকা!!

"কত্তবড় সাহস!! আমার ছেলেদের লুটপাটের টাকায় হাত বসিয়েছে!" এই চিন্তায় মা র রাতে ঘুম হয় না। তাই মা দিনরাত দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। পাবলিককে কলা দেখাচ্ছেন এই বলে যে - দুর্নীতিবাজদের শায়েস্তা করবেন, দেশে উন্নয়ন করবেন, বিদ্যুৎ দিবেন, আরও কত কি ঠাকুরমার ঝুলি! তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে হুশিয়ারি দিচ্ছেন, নির্বাচন কমিশনকে ঝাড়ি মারছেন।

হাজার হলেও ছেলেদের ছেলেখেলা বলে কথা, তারা তো এখনো লুটেপুটে সব খেতে পারেনি। এবার কোনমতে গদিতে বসতে পারলে ছেলেদের শখ আগে ভালমত পূরণ করবেন, আর সব বদমাইশ যারা ছেলেদের লুটালুটির খেলায় বাগড়া দিতে চেয়েছিল তাদের শায়েস্তা করবেন - তাই এখনই এতটা গলা চড়িয়ে বেড়াচ্ছেন - দেখছেন না?

আসলে কথায় আছে না - চোরের মা র বড় গলা!

কেউ যদি খবর পড়তে চান তবে এই দেখুন

পুনশ্চ: লেখার শিরোনামে ব্যাকরণগত কিছু ভুল ছিল, লিখেছিলাম : "চোরের মা র বড় গলা"; এখানে বহুবচন ব্যবহার করা উচিৎ ছিল। তাই ঠিক করে দিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28884543 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28884543 2008-12-18 22:13:18
আসুন, বিজয়ের মাসে আবারো জামাতি রাজাকারগুলোকে জুতা মারি
গত ১৩ ই ডিসেম্বর চ্যানেল পাল্টাতে পাল্টাতে ইসলামিক টিভি চলে আসল। কিছুটা আগ্রহ হল, এই চ্যানেলে কি দেখায়! তখন খবর দেখাচ্ছে, নির্বাচন নিয়ে প্রতিবেদন হচ্ছিল। কিছুক্ষন বাদে দেখা গেল ফরিদপুরে নিজের আসনে পূর্ব পাকিস্তান বদর বাহিনীর প্রধান মুজাহিদ নির্বাচনী জনসংযোগ করছে।

এই কুত্তাগুলোকে দেখলে থুতু চলে আসে, ঘৃণা আর রাগে গা রিরি করতে থাকে। তবু্ও বসে খবর দেখছিলাম। একটু পর তার সাক্ষাতকার, সে বলছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে নাকি জামাত-শিবির আর তাদের আশ্রয় দাতা চারদলীয় জোটকে ভোট দিতে হবে!!??

এমন আজব কথা নিজের কানে শুনবো ভাবতে পারিনি। পরের দিন ১৪ ই ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ভাবছিলাম, ঠিক ৩৭ বছর আগে এই মুজাহিদ শুয়োরের বাচ্চা এই ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহগুলোতে স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশের মেরুদন্ড ভেঙে দেবার জন্য তালিকা করে করে দেশের সবচাইতে গুণী মানুষগুলোকে হত্যা করেছে। আজ সেই রাজাকার দেশের স্বাধীনতা রক্ষার নাম করে মানুষের কাছে ভোট চাইছে!!?? কত বড় আস্পর্ধা!!

ভেবেছিলাম এবারের নির্বাচনে ভোট দিবনা, কিন্তু সাথে সাথে মত পাল্টালাম। ৭১ এ জন্ম হয়নি বলে যুদ্ধ করতে পারিনি, কিন্তু এখন সময় এসেছে কিছু করার। তাই রাজাকার জামাত-শিবির যেন একটি আসনে ও নির্বাচিত হতে না পারে সে জন্য যতটুকু সামর্থ্য তার সবটুকু ঢেলে চেষ্টা করে যাব।

এই বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি এতটুকু সম্মান তো দেখাতেই পারি আমরা................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28883486 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28883486 2008-12-16 23:21:42
প্রতিক্ষা আমার
একদিন রাত হবে,
তারপর চোখ গলে চুইয়ে পড়বে অন্ধকার।
শেকড়েরা ডানা মেলবে গভীরে;
একদিন সেখানে ছিল স্পন্দিত হৃদয়!

জীবন্ত মানুষেরা চেয়ে দেখেনা
বদ্ধভূমিতে বিগত মানুষগুলোর পচে যাওয়া;
তুমি ও চোখ ফিরিয়ে নাও এখন
নাকে রুমাল চেপে দ্রুত চলে যাও
কোন সুখ স্মৃতিতে দুর্গন্ধ ঢাকতে ঢাকতে।

আমি এইখানেই পড়ে আছি,
অন্যসব বিগত মানুষদের সাথে-
সময়ে স্রোতে উর্বর মাঠ হবো
সেখানে ফুটবে ছোট বুনো ফুল।
তোমার সন্তান সেখানে খেলা ছলে -
একটি দুটো ফুল তুলে নেবে হয়তো...
সেই প্রতিক্ষায়..

০৫/১২/২০০৮, রাত: ১.৩৬]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28878437 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28878437 2008-12-05 01:42:07
একজন ছোট্ট বাচ্চার সাথে কথোপকথন
আজ অফিস থেকে এসে দেখি আমার চার বছরের ভাগ্নির গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে, সাথে ঠান্ডা আর কাশি। ঘরে এসে মনটা তাই খারাপ হয়ে গেল। আজকাল ছোট বাচ্চাদের কথায় কথায় অসুখ করছে - আমার ভাগ্নির ও সেই এক অবস্থা, জন্মের পর থেকেই কিছুদিন পরপর অসুখে পড়ে।

এসেই কিছুক্ষণ ওর পাশে বসেছিলাম- নানান কথা হল, আমার ভাগ্নিটা আবার কথায় খুব পটু; বড় মানুষের মত কথা বলে। ওর সাথে বিভ্ন্নি জটিল বিষয় নিয়ে আলাপ করা যায় - যে কোন বড় মানুষের মত!

যখন কথা বলছি তখন ও হাতে একটা কৌটা নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলো, আমাকে সেটা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলো - "মামা, বলতো এটা কে কিনে দিয়েছে?" খেয়াল করে দেখি ওটা ছিল একটা চকলেট নসিলার কৌটা, আমি মাসখানেক আগে ওর জন্য কিনে এনেছিলাম।

"আমি....., তোমার জন্য আরেকটা কিনে আনবো? খাবে?" - ওর প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আরেকটা কিনে আনবো কিনা জানতে চাইলাম, ছোট মানুষ - ইচ্ছা করতেই পারে।

কিন্তু ও বলল - '' না মামা, লোকেলা এখন এসব চকলেত-তকলেতে বিস মিসিয়ে লাখে......." !

অর্থাৎ ব্যবসায়ীরা যে এখন চকলেট-দুধ এসবে মেলামাইন সহ নানা ধরণের বিষ মিশিয়ে রাখে একথা চারবছরের ছোট বাচ্চাও জানে!!

একথা শুনে আমি কিছু বলতে পারলাম না; অবৈধ মুনাফার লোভে মানুষের মন থেকে শিশুদের প্রতি মমত্ববোধও কি উঠে গেল? মনুষ্যত্বের আর বাকি রইল কি? আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এ কোন পৃথিবীতে বাস করবে!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28870883 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28870883 2008-11-18 21:47:39
যত ভোগান্তি ব্র্যাক ব্যাংকে
ঘটনার শুরু মে মাসের শেষ দিকে। হঠাৎ করেই আমার ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেটের দরকার পড়লো। গেলাম একদিন। যথারীতি ব্যাংকের ভিতর মাছের বাজারের মত অবস্থা। যারা ব্র্যাক ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখায় যাতায়াত করেন তার জানবেন এখনে ভীড় কি প্রচন্ড। সিরিয়াল নিয়ে ঘন্টা-দেড় ঘন্টা অপেক্ষার পরও অনেক সময় কাষ্টমার সার্ভিস থেকে ডাক আসে না। তবে সেদিন ভাগ্য কিছুটা সুপ্রসন্ন ছিল, আধঘন্টা দাড়িয়ে থাকার পর (কেনন ব্যাংকের ভেতরে জায়গা গ্রাহক অনুপাতে একদমই কম, সাতসকালে গেলেও অপেক্ষা করার জন্য বসার জায়গা পাওয়া যায় না এবং ৯০ ভাগ গ্রাহককে এখানে সেখানে দাড়িয়ে থাকতে হয়, গায়ে গায়ে ধাক্কা লাগার মত অবস্থা) এক কাষ্টমার সার্ভিস অফিসারের সামনে গিয়ে বসলাম। জানালম কি প্রয়োজন; সে তাড়াতাড়ি একটি ফর্ম ধরিয়ে বলল ফিলআপ করে নিয়ে আসতে, কিন্তু কোথায় রেখে ফর্মে লিখবো!! কোন লেখার জায়গা খালি নাই, সেখানেও লম্বা লাইনের মত। ততক্ষণে আমাকে সরিয়ে সেই অফিসার অন্য গ্রাহককে নিয়ে বসিয়েছে। যাহোক, কোনমতে দাড়িয়ে থেকেই ফিলআপ করে জমা দিলাম ঠেলেঠুলে। বলল পরের দিন মানে ২৯ মে সার্টিফিকেট পাব।

পরের দিন একটু সকালেই ব্যাংকে গিয়ে হাজির হলাম, যথারীতে অপেক্ষার পর একজন জানতে চাইল কি দরকার, বিস্তারিত জানালাম। সে বলল সার্টিফিকেট ঐ কাউন্টারে আছে। গেলাম সেখানে - হাতে একটা প্রিন্ট করা কাগজ ধরিয়ে দিল। ভাবলাম ওম শান্তি...........!! কিন্তু সার্টিফিকেটে খেয়াল করতেই দেখি আমার আর আমার বাবার নামের বানান ভুল!! যে মহিলা আমাকে সার্টিফিকেট হস্তান্তর করেছিলেন তাকে গিয়ে বললাম। সে বলে আমাদের সিস্টেমে এমন বানানেই আপনার এবং আপনার বাবার নাম লেখা আছে। আমি মাথা চুলকাই, - কিভাবে সম্ভব!! আমি নিজ হাতে একাউন্ট ওপেনিং ফরম ফিলআপ করেছি, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডির ফটোকপি দিয়েছি - ভুল থাকলেতো আইডির সাথে মিলালেই ধরা পড়তো। তাছাড়া আমি নিজের নামের বানান ভুল করবো এতটা বেকুবতো এখনো হইনি।

তারপর খেয়াল করে দেখি আমার যে একাউন্ট নাম্বার সেটার পাশে ওল্ড লিখে নতুন একটা একাউন্ট নাম্বার সার্টিফিকেটে লেখা। জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপার কি, তখন বলল যে, তারা তাদের সিস্টেম আপডেট করেছে এবং এর ফলে সব পুরাতন একাউন্ট বদল করে সেগুলোতে নতুন একাউন্ট নাম্বার দিয়েছে। বুঝলাম ব্যাপার খানা কি - কিন্তু সেই মহিলা মানতেই নারাজ। বলে আমার আর বাবার নামের বানান নাকি ওই রকমই!! এদিকে জুন মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই আমার সার্টিফিকেট দরকার। জানতে চাইলাম কি করা যায়। বলল কোন ভোটার আইডি বা পাসপোর্টের কপি দিয়ে ইন্সট্রাকশন দিয়ে দিতে, তিন ওয়ার্কিং ডের মধ্যে সেটা আপডেট করা হবে এবং পরের সপ্তাহের বুধ-বৃহঃস্পতিবারের দিকে সলভেন্সি সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে এবং এও বলল তাদের ফোন ব্যাংকিংয়ে আগে ফোন করে জেনে নিতে নামের বানান ঠিক হয়েছে কিনা। আমি আবার বাসায় গিয়ে ভোটার আইডি নিয়ে এসে সেটার কপি সহ বানান ঠিক করার জন্য ইন্সট্রাকশন দিয়ে চলে আসলাম।

পরের সপ্তাহের বুধবার ফোন ব্যাংকিংয়ে ফোন করে জানলাম সিস্টেমে নামের বানান এখনো ঠিক হয়নি। আমার তো মাথায় হাত! জুন মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে আমার সার্টিফিকেট দরকার। ৪ তারিখ হয়ে গেছে, এখনো হলো না! কিন্তু কল ফোন ব্যাংকিং থেকে আমাকে জানালো সামনের সপ্তাহে অবশ্যই হবে, তবে সোম-মঙ্গল বারের দিকে আবারও ফোন করে আগে নিশ্চিত হয়ে নিতে। সোম বার মঙ্গল বার ফোন দিলাম। কতক্ষণ টুটুটুটু মিউজিক শোনায় তার পর বলে "দ্যা কল ক্যান নট বি রিসিভড নাউ, প্লিজ হোল্ড।" এদিকে মোবাইলে বিলের বারটা। কিন্তু সোম-মঙ্গল কানেকশন পেলাম না। শেষে বুধবার মানে ১১ই জুন আবার ফোন লাগালাম, তবে কিছুটা রিলাক্স ছিলাম এই ভেবে যে কাজটি হয়তো হয়ে গেছে, যাস্ট ব্যাংকে যাবার আগে নিশ্চিত করে নেয়।

কিন্তু ফোন ব্যাংকিং থেকে আমাকে জানালো আমার আর বাবার নামের বানান এখনো ঠিক হয়নি। কিন্তু ততক্ষণে বিকেল হয়ে গেছে। পরের দিন মানে আজকে ১২ তারিখ বৃহঃস্পতি বার, এর পর ব্যাংক বন্ধ দুইদিন। চোখে আন্ধার দেখে সিদ্ধান্ত নিলাম আজ সকালেই ব্যাংকে হাজির হবো। গেলাম ১২ তারিখ, মানে আজ সকাল সাড়ে নয়টায়। আবার সেই লাইন। ডাক পড়ার পর কাষ্টমার সার্ভিসে গিয়ে জানালাম কি সমস্যা। সব শুনে আর এক মহিলা কাষ্টমার কেয়ার অফিসার মুখ গম্ভীর করে বলে সিস্টেমে নামের বানান ভুল থাকলে কিছু করার নাই। যখন বললাম আমি দু'সপ্তাহ আগে বানান ঠিক করার ইন্সট্রাকশন দিয়ে গেছি তখন একটু নরম হলো। মেইন অফিসে ফোন করে কাকে যেন খুজলো, তারপর বলে যে এর দায়িত্বে সে নেই- কোথায় যেন গেছে!!

ততক্ষণে আমার মাথা গরম হয়ে কান দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে। জানতে চাইলাম আমি আদৌ কাগজটি পাব কিনা? কাস্টমার সার্ভিসের সেই মেয়ে আমাকে মধুর হেসে জানালো পরের সপ্তাহ নাগাদ হয়ে যাবে! এই কথায় আমি কোনই মধু খুজে পেলাম না, এবং কথায় কিছুটা তিতা মিশিয়ে জানালাম আমি আর অপেক্ষা করতে পারবো না, আমার কাগজটা আজই দরকার এবং সে কোন মূল্যে দরকার। বেশ কিছুক্ষণ তর্ক করার পর মেয়েটা মানলো যে ভুলটা তাদের, এবং আমকে এও জানালো সে নাকি তার সাধ্যমত চেষ্টা করেছে আমাকে হেল্প করার। আমি যখন ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের সাথে একটু সাক্ষাৎ করতে চাইলাম তখন সে নরম হয়ে আমাকে দুপুর তিনটার পর আসতে বলল। উপায় নেই দেখে তাই মেনে বের হয়ে এলাম।

দুপুর তিনটায় আবার ব্রাঞ্চে যেয়ে জানতে চাইলাম কাজটা হয়েছে কিনা। তখন সেই মেয়ে হেলেদুলে চেয়ার ছেড়ে উঠল। জানতে চাইলাম আর কতক্ষণ সময় লাগবে - উত্তর: প্রিন্ট করা হয়নি, প্রিন্ট করে দিচ্ছি!!

আরও প্রায় বিশ মিনিট পরে প্রিন্ট করে আমাকে সে কাগজটা ধরিয়ে দিল। আমিও হাফ ছাড়লাম।

না!! - নামের বানান ঠিক আছে, বাবার নামও ঠিক আছে। আর একটু নিচে নজর দিলাম। একি!! আমার বাসার ঠিকানাতে রোড নাম্বার মিসিং!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

এবার কি করবো!?? আবার ওটা ঠিক করতে বলবো, না থাক। এটা ঠিক করতে আরও দু' সপ্তাহ লাগবে।

তাই ভুল ঠিকানার সার্টিফিকেট নিয়েই ওই গুদাম থেকে বের হয়ে আসলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28869955 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28869955 2008-11-16 23:05:05
আন্দাজ করুনতো ছবির জায়গাটা কোথায়?
ছবি:১


ছবি:২


বলেনতো জায়গাটা কোথায়?

উত্তর পরে.........................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28868333 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28868333 2008-11-12 23:22:03
মোবিলে ভাজা পরোটা খেলাম!!!
আজ সকালে নাস্তা না করেই অফিসে গিয়েছি - এই প্রথমবার । সমস্যা হচ্ছে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার আধঘন্টার মধ্যে নাস্তা না করলে আমার দুনিয়া উলটপালট হয়ে আসে। উপায় ছিলনা বলেই অভুক্ত অবস্থায় অফিসে গমন। বাসের মধ্যেই সিটগুলো চাবিয়ে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করছিলো। তাই পৌছেই দেরি না করে পিয়নকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলাম আসেপাশে নাস্তা কি রকম পাওয়া যাবে, সে জানালো কাছে পিঠেই হোটেল আছে, পরোটা-ডালভুনা ইত্যাদি বিক্রি করে।

প্রথমটায় আমি তিনটা পরোটা, ডিমভাজা আর ডালভুনা আনতে বললাম। কিন্তু পরবর্তীতে নিজের ছ'ফুটি দীর্ঘ দেহখানার চাহিদার কথা বিবেচনা করে চারখানা আনতে বলায় পিয়ন মুচকি হাসি দিল। পেছনে তাকিয়ে দেখি ফ্রন্টডেস্কের মেয়েটাও মিটমিটিয়ে হাসছে! আমি তখন হাসির খ্যাতা পুড়ি - পেটে কিছু থাকলে তবেই দুনিয়া রঙিন লাগে।

পিয়ন যথারীতি নাস্তা এনে খেতে ডাকলো, বাড়তি টাকা ফেরত চাইনি বলে খাতির করে নাস্তা ওভেনে গরম করে দিল। খিদের প্রথম ধাক্কায় একটা পরোটা কোথায় উধাও.................কি খেলাম প্রথমটায় তাই বুঝতেই পারিনি। প্রথমটা খাবার পর পর পরোটা থেকে কেমন একটা মেকানিক্যাল গন্ধ নাকে লাগলো। একটু পরই বুঝতে পারলাম এই গন্ধ উপর্যুপরি আমার গলা এবং পরোটা, উভয় দিক থেকেই আসছে। ভাল করে ঘ্রান নিয়ে বুঝলাম মবিলে ভাজা তাজা তাজা পরোটা খাবার সৌভাগ্য আমার হয়ে গেছে <img src=" style="border:0;" /> মনে জোরছিল আমি লোহা খেয়ে হজম করতে পারবো, তাই খিদের জ্বালায় আল্লার নাম নিয়ে বাকি তিনটাও মেরে দিলাম <img src=" style="border:0;" /> এবং তারপরই কাহিনী শুরু হল........................

নিজেকে এখন কেমন জানি যানবাহনের মত লাগছে, ভাগ্যিস ধোঁয়া বের হওয়া শুরু হয়নি............ <img src=" style="border:0;" />

[যত রসিকতাই করি না কেনো, আমাদের দেশের মানুষের চরিত্র কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছে তা ভেবে অবাক হচ্ছি!!!!!]

পুনশ্চ: খাবার সময় তো খাইয়া ফেলছি, হিসাব দিতে হবে সে চিন্তা করি নাই!! টেনশনে আছি, এখনো হিসাব দিতে বসি নাই<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28865228 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28865228 2008-11-05 22:28:00
আমাদের পুলিশ, আমাদের সরকার আর এই সময়
আবার এও মনে হল, এদেশের পুলিশ বাহিনী হয়তো নাকে তেল দিয়ে ব্যারাকে ঘুমুচ্ছে - তাই কিছুই দেখেনি!!

কিন্তু আজ দেখলাম ভিন্ন চিত্র। যে পুলিশ বাহিনীর টিকিও সেই দিন দেখা যায়নি, তারাই আজ মুক্তমনা মানুষের শান্তিপূর্ন প্রতিবাদ পদযাত্রা থামিয়ে দিয়েছে চারুকলার সামনে!!!!!!!!! যেন হঠাৎ করেই পুলিশ বাহিনী তাদের কর্তব্য জ্ঞান ফিরে পেয়েছে- আকাশ থেকে যেন সহসাই সরকার বাহাদুর নেমে এসেছে, যারা দেশে সামান্যতম প্রতিবাদ সহ্য করবে না। আজ হঠাৎ করেই সরকার ও পুলিশ তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে অতিমাত্রায় সজাগ। একোন যাদু মন্ত্র!!

বুঝতে কষ্ট হয় কি কারণে গুটিকয় ধর্মান্ধ বিনা বাধায় দেশে যা খুশি তাই করতে পারে; অথচ তার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নামতেই দেয়া হয় না!!!!!!!!!!!!!!!!!

এই পুলিশকেই দেখেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের ন্যায়সংগত প্রতিবাদ কর্মসূচি নির্দয়ভাবে দমন করতে - দেশের সেরা বিদ্যাপীঠের সেরা ছাত্রদের অন্যায়ভাবে লাঠিপেটা করতে। এতে কিন্তু তাদের হাত একবারও কাঁপে না, যে সরকার নেপথ্যে থেকে দেশের সেরা মেধাবীদের মারতে নির্দেশ দেয় তারাও বিষয়টি ঠিক হচ্ছে কি হচ্ছেনা দ্বিতীয়বার ভেবে দেখেনা। তবে কোন কারণে গুটিকয় ধর্মান্ধের অপকর্মে সরকার বাহাদুর এবং আইনশৃংখলা রক্ষাকারী পুলিশ বাহিনী নিশ্চুপ থাকে????

এই ধর্মান্ধ গোষ্ঠী আমাদের সরকার ও পুলিশ বাহিনীর কি লাগে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28862795 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28862795 2008-11-01 01:29:56
চাষবাসের গল্প
তখন মাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছি, ১৯৯০ সালের কথা। জীবনে প্রথম ঢাকার বাইরে বেরাতে যাবো- আমাদের এক কর্মচারীর গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ, সেখানে। ফুর্তিতে মনের মধ্যে মুড়ি-মুড়কি-খই সবই ফুটছে। বেশি আনন্দ হবার এক কারণ, আমি এর আগে শুধু ঢাকাতেই ঘুরপাক খেয়েছি, ঢাকার বাইরেটা কেমন তা দেখা হয়নি, আর গ্রাম আমার কাছে একেবারেই নতুন কিছু। সেই সব জায়গা কেমন হবে এই ভাবনাতেই তিরিংবিরিং অবস্থা!! এছাড়া, খুশি হবার অপর কারণটি হচ্ছে, গ্রামে আমাকে কেউ নিতে চাচ্ছিলনা। আমার বড় বোন আর ভাই আমাদের এক কাজিনের সাথে ষড়যন্ত্র করে, আমাকে না জানিয়েই কিভাবে যেন গ্রামের দাওয়াতে যাবার সব চুড়ান্ত করে ফেলেছিল! আমি শেষ মুহুর্তে তা জানতে পেরে জীবন বাজি রেখে জিদ ধরেছি যে- আমাকে না নিয়ে কোনভাবেই যাওয়া চলবেনা। প্রথম প্রথম কেউ তেমন গা করছিলনা, তাই শেষমেশ নিরুপায় উঠানের মাটিতেই গড়াগড়ি দিয়ে কান্না জুড়তে হল!!<img src=" style="border:0;" /> এবং তাতেই কেল্লাফতে! আব্বা আমার কান্না থেকে রেহাই পেতে বাপ-বাপ করে সম্মতি জানাতে বাধ্য হল <img src=" style="border:0;" />

যথাসময়ে আমরা গ্রামের উদ্দেশ্যে সদরঘাট থেকে লঞ্চে উঠলাম, এবং এক সময় মুন্সিগঞ্জের পাখিদিয়া গ্রামে পৌছলাম। গ্রাম আমার কল্পনার চাইতোও সুন্দর। সারাদিন গ্রামের বাচ্চাদের সাথে ছুটাছুটি, জমিতে নানান ধরনের ফসল আমার মনের মধ্যে একেবারে গেথে গেল। তাই যখন আমি ঢাকায় আসলাম তখনও গ্রামের সেই সুখস্মৃতিও আমার সাথে সাথে এলো।

ঢাকায় এসে প্রথমেই ঠিক করলাম আমি চাষ করবো। কিসের চাষ করবো সেটা তখনো ঠিক করিনি। আমি আমার বন্ধুদের সে কথা জানাতে তারাও সানন্দে হৈ হৈ করে উঠল। সবাই মিলে ঠিক করলাম আমাদের বাসার সামনে যে ফাকা জায়গাটুকু আছে সেখানেই চাষ করবো। কিন্তু চাষ করলে তো একেবারে গ্রামের মতো করেই করতে হবে! তাই লাঙ্গল লাগবে-গরু লাগবে। লাঙ্গলের সমস্যা আমিই মিটিয়ে ফেললাম। ঘর থেকে কিছু কাঠ নিয়ে হাতুড়ি পেরেক দিয়ে মোটামুটি একটা লাঙ্গল দাড়া করানো গেল। কিন্তু এখন গরু কোথায় পাই??!! এছাড়া আমি যে লাঙ্গল বানিয়েছি তা গরু দিয়ে টানা যাবে না, কেননা সেটা আকারে একেবারেই ছোট! সারাদিন কি করি কি করি করে কাটালাম। শেষমেশ একটা সমাধানও পেয়ে গেলাম।

ঠিক করলাম লাঙ্গল যেহেতু খুবই ছোট এবং গরু যেহেতু জোগার করতে পারবোনা, তাই এমন অবস্থায় গরুর বদলে একজোড়া বিড়াল ব্যবহার করা যেতে পারে!! <img src=" style="border:0;" />

যে ভাবনা সেই কাজ। দু'টা বিড়াল জোগার করা আমাদের জন্য তেমন কঠিন কোন কাজ ছিলনা। অল্প সময়েই বিড়াল জোগার হয়ে গেল। এরপর আমরা চলে গেলাম আমাদের ঠিক করা চাষের জমিতে। দু'জনে বিড়াল দুইটাকে ধরলো-যাতে আমি এগুলোর কাধে জোয়াল পরিয়ে লাঙ্গল আটকাতে পারি। কিন্তু শুরু থেকেই বিড়ালগুলো প্রতিবাদ করছিলো। তারপরও আমাদের জোরজবস্তিতে ও দুটার লাঙ্গল না পরে উপায় ছিলনা। সব রেডি হলে পরে আসল সেই মহেন্দ্রক্ষণ। সবাই রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে জমি চাষ হওয়া দেখতে। ঢাকায় যাদের জন্ম সেসব বাচ্চাদের জন্য এ এক বিরাট কিছু <img src=" style="border:0;" />

অত্যন্তহৃষ্ট চিত্তে লাঙ্গলের মাথা মাটিতে ঢুকিয়ে বিড়ালদুটাকে ছেড়ে দিতে বললাম, এবার হালচাষ শুরু হবে। কিন্তু আমার বন্ধুদের হাত থেকে মুক্ত হওয়া মাত্রই বেরসিক বিড়ালদু'টা লাঙ্গল জোয়াল সব ফেলে দে দৌড়!!!!!!!!!!!!!

তখন বুঝলাম বিড়াল দিয়ে হালচাষ সম্ভব না<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28861257 http://www.somewhereinblog.net/blog/bohurupiblog/28861257 2008-10-28 22:26:18