আরো একজোড়া চাকা চাই

৩১ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:৪৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

খবর খারাপ, মোটামুটি আমদানী নির্ভরশীল দরিদ্র দেশ হিসাবে নিজেদের সিদ্ধান্তগুলো প্রায়ই অন্যের ইচ্ছার ওপরে নির্ভর করে নিতে হয়। আর বাস্তবতা হল অনেক সময়েই বিদেশী প্রভূদের দরিদ্রকল্যাণের উদ্দেশ্য থেকে নিজের পকেট ভরানোই মূখ্য উদ্দেশ্য থাকে। কয়েকদিন আগেই মনে হয় দেখেছিলাম যে (সম্ভবত ফেব্রুয়ারী মাসের জন্য) এক মাসে প্রবাসী মূদ্রা এসেছে ১০০ কোটি ডলারের বেশী আর বিদেশী ঋণ আর সাহায্য একুনে ২২ কোটি ডলার। তবুও দেশ চলবে সেই বাইশের ইচ্ছাতেই।

তবে যেটা মূল পয়েন্ট ছিল তা হল, যেহেতু ছোট দেশ আর বিশাল জনসংখ্যা তাই বাস্তবতা স্বীকার করে নেয়াই ভাল যে দেশের সব প্রোডাক্টে স্বয়ংসম্পুর্ণ আমরা হতে পারব না। আর অধিকাংশ দেশই আজকাল এই ব্যাপারে মাথাও ঘামায় না। তবে আমাদের বেশিরভাগ জিনিষই আমদানী করতে হয় বলে, বাইরের ফরতানীকারকেরা দাম বাড়ালে আমাদের সেই দামেই নিতে হবে। তাই বর্তমান আর ভবিষ্যত মনে হয় এটাই যে, আমাদের নিজেদেরকেই পুরো জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগানোর মত খাত খুঁজে বের করতে হবে। এখন দেশ চলছে মূলত প্রবাসীদের অর্থ আর গার্মেন্টস আর তৎসংলগ্ন শিল্পের কাঁধে চেপে। দুটোই অত্যান্ত উপযোগী আর আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে বাস্তব খাত, আর সৌভাগ্যবশত দুটো খাতেই আমরা অতীতের চেয়ে ভবিষ্যতে আরো ভাল করার আশা করতে পারি, তবে দ্যাটস নট এনাফ! দুচাকার ওপরের অর্থনীতি বড়ই নড়বড়ে। একটু আনব্যালেন্স হলেই টালমাটাল। দুচাকা থেকে তিন থেকে চার চাকায় উন্নীত না হলে এই দাসত্ব থেকে মুক্তি নাই।

এখনকার প্ল্যাটফরমটা যদি আমরা স্প্রিংবোর্ড হিসাবে পাই সামনের এক দুবছরের ভিতরেই ম্যাস পপুলেশনরে এনগেজ করার মত কিছু একটা লাগবেই। আমি জানি না কি হতে পারে সেটা।কিছু একটা লাগবেই। আমি জানি না কি হতে পারে সেটা। আমাদের কুটিরশিল্প? কল সেন্টারের মেগা মার্কেটের এক চিলতে? ইসলামিক ফাইন্যান্সিং এর ইন্টারন্যাশনালিজেশন? হালাল ফুড এক্সপোর্ট? আমাদের মাথা খারাপ করা সৌন্দর্যের হটাৎ জনপ্রিয়তা? খুব জলদি বড় কিছু একটা খুঁজে বের করতে হবে। এমন কিছু না হলেও চলবে যেটা পৃথিবীর আর কেউ পারে না বা করে নাই, সাধারণ জিনিষই আমরা যদি খুব ভাল করে ফেলতে পারি তাহলে দ্যাটস গ্রেট। মহাসমূদ্রও ফোঁটারই সমষ্টি। পনের কোটি ফোঁটা কম বিষয় নয়।

আমি জানি না, তবুও আশায় আশায় ভবিষ্যতের পানে চেয়ে থাকি। সুদিনের প্রত্যাশায়, যদি আসে কখনো।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে ।

 

  • ৫ টি মন্তব্য
  • ১৪৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৪
comment by: হনুমানজী বলেছেন: বিদেসী সাহায্য মনে হয় না মাত্র বাইস কোটি ডলার আর রেমিটেনস্স একমাসে মনে হয়না ১০০ কোটি ডলার। যেকানে রিজাব মনে হয় মাত্র ৪০ কোটি ডলার। ফিগার গুলান চেক করেন। ভালা লেকা ফিগারের গোলমালের লাইগা প্যাচ লাগতাসে
২. ৩১ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:০১
comment by: ফরিদ বলেছেন: ভূল হতিই পারে। দেশের রিজার্ব ৩ বিলিওনের বেশী বলেই পড়েছিলাম। তেমন কোন লেখা না। এমনি বাতাসের ওপর পোস্ট। কবে কুন পেপারে পড়সি তাও মনি নাই। তবি কথা যেটি তা হল, দান/ঋণ কমছে আর প্রবাসী মানি বাড়ছে। কিন্তুক ইনফ্লুয়েন্স ইকুয়েশন পাল্টাচ্ছে না :(
৩. ৩১ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:০৯
comment by: জলদস্যু বলেছেন: আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সবচেয়ে ভাল উপায় হবে সম্ভবত চট্টগ্রাম বন্দরকে কাজে লাগানো। অনেক দেশ এতে উপকৃত হবে।

আর প্রাকৃতিক সম্পদকে যে কাজে লাগাতে পারি নি তা তো বলার আর অপেক্ষা রাখে না। স্কুলে আমাদের স্যার বলতেন "ভাত রাইন্ধা যে গ্যাস শেষ করতেছস, একদিন এর মূল্য দিবি তোরা"। স্যারের কথার মর্ম এখন বুঝতে পারি।
৪. ৩১ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:১৩
comment by: হনুমানজী বলেছেন: ইনফ্লুয়েন্স ইকুয়েশন পাল্টাচ্ছে না কারন প্রবাসীরা কোন দেসে যাইটেসে, বিদেসে? তাই আর নতুন বিনিয়োগ যা হইতাসে বিডেসী টাকায় আর টেকনোলোজিটে
৫. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: ফরিদ বলেছেন: প্রবাসীরা দেশ ছাড়সে এইটা জাইনাই যে, দেশে সুবিধা নাইকা। কিন্তু ভিটামাটি বেইচা বিদেশ গিয়া ধরা খওন ঠেকাইতে হইব।

 



 



বাংলাদেশের অনলাইন এক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য বহুদিন ধরে ঠেলাঠেলি করছি।
কিন্তু এই পাথর নড়ে নাঃ(
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৪২১৩৬