তবে যেটা মূল পয়েন্ট ছিল তা হল, যেহেতু ছোট দেশ আর বিশাল জনসংখ্যা তাই বাস্তবতা স্বীকার করে নেয়াই ভাল যে দেশের সব প্রোডাক্টে স্বয়ংসম্পুর্ণ আমরা হতে পারব না। আর অধিকাংশ দেশই আজকাল এই ব্যাপারে মাথাও ঘামায় না। তবে আমাদের বেশিরভাগ জিনিষই আমদানী করতে হয় বলে, বাইরের ফরতানীকারকেরা দাম বাড়ালে আমাদের সেই দামেই নিতে হবে। তাই বর্তমান আর ভবিষ্যত মনে হয় এটাই যে, আমাদের নিজেদেরকেই পুরো জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগানোর মত খাত খুঁজে বের করতে হবে। এখন দেশ চলছে মূলত প্রবাসীদের অর্থ আর গার্মেন্টস আর তৎসংলগ্ন শিল্পের কাঁধে চেপে। দুটোই অত্যান্ত উপযোগী আর আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে বাস্তব খাত, আর সৌভাগ্যবশত দুটো খাতেই আমরা অতীতের চেয়ে ভবিষ্যতে আরো ভাল করার আশা করতে পারি, তবে দ্যাটস নট এনাফ! দুচাকার ওপরের অর্থনীতি বড়ই নড়বড়ে। একটু আনব্যালেন্স হলেই টালমাটাল। দুচাকা থেকে তিন থেকে চার চাকায় উন্নীত না হলে এই দাসত্ব থেকে মুক্তি নাই।
এখনকার প্ল্যাটফরমটা যদি আমরা স্প্রিংবোর্ড হিসাবে পাই সামনের এক দুবছরের ভিতরেই ম্যাস পপুলেশনরে এনগেজ করার মত কিছু একটা লাগবেই। আমি জানি না কি হতে পারে সেটা।কিছু একটা লাগবেই। আমি জানি না কি হতে পারে সেটা। আমাদের কুটিরশিল্প? কল সেন্টারের মেগা মার্কেটের এক চিলতে? ইসলামিক ফাইন্যান্সিং এর ইন্টারন্যাশনালিজেশন? হালাল ফুড এক্সপোর্ট? আমাদের মাথা খারাপ করা সৌন্দর্যের হটাৎ জনপ্রিয়তা? খুব জলদি বড় কিছু একটা খুঁজে বের করতে হবে। এমন কিছু না হলেও চলবে যেটা পৃথিবীর আর কেউ পারে না বা করে নাই, সাধারণ জিনিষই আমরা যদি খুব ভাল করে ফেলতে পারি তাহলে দ্যাটস গ্রেট। মহাসমূদ্রও ফোঁটারই সমষ্টি। পনের কোটি ফোঁটা কম বিষয় নয়।
আমি জানি না, তবুও আশায় আশায় ভবিষ্যতের পানে চেয়ে থাকি। সুদিনের প্রত্যাশায়, যদি আসে কখনো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

