সেই থেকে গত প্রায় চার বছর বইমেলা নামে ওয়েবসাইটটি ছোট থেকে মাঝারী সেই থেকে এখন বেশ বড়সড় আকারই নিয়েছে। সবার আগ্রহ আর উৎসাহের সাথে এই ওয়েবসাইটকে আরো অনেক সামনে নিয়ে যাবার আশা রাখি। কিছুদিন আগে দেখি এক তামাশা, কে একজন আমাকে আমার সাইটের নতুন ডিজাইনের ওপরে বেশকিছু কথা শোনালো। আমি বেশ কনফিউজড হয়ে গেলাম। কারণ সাইটের মূল ডিজাইনের তেমন কোন পরিবর্তন আমি করিনি বেশ কিছুদিন। পরে বেশকিছু খোঁচাখুচি করতেই আসল কারণ আবিষ্কার করলাম।
যেই ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান boimela.com ডোমেইনটির মালিক ছিলেন বা আছেন, তারাও বাংলা বইয়ের ওপরে একপিস ওয়েবসাইট করে ফেলেছেন। তবে সেটি এক মজার জগাখিচুড়ি। যারা amazon.com নামের বিশ্বের বৃহত্তম ওয়েবসাইটে কেনাবেচার কাজ করেছেন, বিশেষত যারা বিক্রেতা হিসেবে কখনো ছিলেন, তারা জানেন, যারা বিক্রেতা তারা চাইলে আমাজনের এফিলিয়েশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমাজনের বই নিজের ওয়েবসাইটে বিক্রি করতে পারেন। আমাজন এমনকি সেটির জন্য সমস্ত টুলস এবং ইন্টারফেস পর্যন্ত তৈরি করে দেয় আর বই বিক্রির অর্থের মূল অংশ পায় আমাজন আর আপনি সেখান থেকে একটি অংশ কমিশন পাবেন। এই boimela.com নামের যেই সাইট তৈরি হয়েছে সেটি আমাজনের বাংলাদেশ ও উপমহাদেশ সম্পর্কিত বইগুলোর একটি উপসাইট। আমাজনের বই এখানে বিক্রি হয় আর তাতে বেচারা কিঞ্চিত কমিশন পান।
সাইটে মূলত বাংলা ভাষার তেমন কোন বই নেই। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশী প্রকাশনীগুলোর যা প্রকাশনা আর বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত কিছু ইংরেজী ভাষার বই, আর বেশকিছু ভারতীয় বই ছাড়া তেমন কিছুই নেই। তাই বাংলাদেশ-বাংলা বুক স্টোর হেডিং এর ওয়েবসাইটে বাংলা বই না থাকলে সেটির আর কি রইল।
অতএব, বাংলাদেশের খাঁটি বাংলা বইয়ের জন্য যোগাযোক করুন আদি ও অকৃত্রিম বইমেলার ওয়েবসাইট http://www.Boi-Mela.com ।
নির্ঘন্টঃ ছবিদুটি আসল ও নকলি বইমেলার স্ক্রীনশট। আগ্রহী দর্শক ঘুরাঘুরি করে দেখতে পারেন।
বইমেলার সাইটে একটি নতুন ফীচার যুক্ত করা হয়েছে। ডানে নিচের দিকে দেখবেন ক্লিক টু চ্যাট নামে একটি অপশন আছে। এখানে থেকে দর্শকরা সরাসরি সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন লাইভ। বেশ ভাল ফীচার, কারো প্রাইভেসী নষ্ট না করেই কাজ সারা।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



