ক্রোমিয়াম অরণ্যে প্লাগইন ফুলের অপেক্ষায়
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
যাদের কম্পিউটার আছে তারা মোটামুটি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যাবহার করেন, যারা কিঞ্চিত আঁতেল তারা ফায়ারফক্স নিয়ে ঘাঁটেন, আর যারা রীতিমত তারছিড়া তারা সাফারি আর অপেরা নিয়ে দিনযাপন করেন। এই তারছিড়াদের জন্য কদিন আগেই গুগল বের করল গুগল ক্রোম নামের নতুন ব্রাউজারটি। ক্রোম বের হবার সাথে সাথেই ব্লগে পোস্টের ঝড় বয়ে গেছিল। এই দুদিন আগে বেটা থেকে বেটার হয়ে অফিশিয়াল রিলিজ বের হল ক্রোমের। মাঝখানের সময় ? ঠিক ১০০ দিন। তার মাঝে আপডেট? ১৫ বার। ফায়ারফক্সও লজ্জা পাবে ডেভেলাপমেন্ট স্পীডের কাছে, আর পুরোটাই পর্দার আড়ালে কোন বিরক্তিকর ইয়েস নো নাই।
মজার তথ্যঃ ক্রোম বেটা রিজিজের প্রথম ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ইউজারবেসের প্রায় ১% দখল করে ফেলে ক্রোম। আইই বা ফক্সের জন্য রীতিমত ভীতিকর একটি সংখ্যা আর অপেরা আর সাফারির জন্য স্বপ্ন। অনেকেই মনে করেছিলেন এই এলোরে এই দখল করে ফেললরে। কিন্তু সপ্তাহ আর মাস ঘুরতেই সেই সংখ্যাটি বেশ নিচে নেমে আসে। কারণ যেই প্রত্যাশা নিয়ে সবাই ক্রোমে হাত দিয়েছিল তা পূরণ করতে ব্যার্থ হয় এই নতুন গুগলশিশু।
বেটা থাকা অবস্থাতেই সপ্তাহদুয়েক আগে আবার নামিয়েছিলাম ক্রোম। মূল যেখানে কমতি মনে হল, তা হল প্লাগইন প্ল্যাটফর্মের অভাব। প্লাগইনের কাসুন্দি ঘাঁটলে চলে যেতে হবে গুগল টুলবারের দিকে। ঠিক এখন না, এখনকার ব্যাবহারকারীদের অনেকেই তখনো অফলাইনে, সেই দুহাজার সালের শেষের দিকে টুলবার বের করে গুগল । কি ছিল তাতে? প্রথমত, আমার মনে আছে পপআপ ব্লকার (তখনো গুগল পাব্লিক হয়নি, আর এডসেন্স আবিষ্কার করেনি)। বিরক্তিকর পপআপ এলেই টিক করে শব্দ করে টুলবার আটকে দিত আর কাউন্টার বাড়ত। কার মেশিন কদ্দিনের পুরনো সেটাপ আমরা বুঝতাম তার পপআপ কাউন্ট দেখে। আর ছিল সার্চ ইঞ্জিনে না গিয়েই টুলবার থেকে সরাসরি সার্চ মোটামুটি এইই। আর এতেই কোটি ব্যাবহারকারীর ব্রাউজারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে পড়ে গুগল। (কারো মনে পড়ে? পুরো এক বছর ইয়াহুর সার্চ ইঞ্জিন ছিল গুগল ? সেই পয়সা দিয়েই নিজেরা মিনি সার্চ টেকনোলজী থেকে একলাফে মাঝারী গোছের মহীরূহে পরিণত হয়)। সেখান থেকে ইয়াহু আর মাইক্রোসফট থেকে শুরু করে প্রায় সব টেক কোম্পানীই তাদের ব্রাউজার এক্সটেনশন শুরু করে। আর মোজিলার ওপেন কোডকে ব্যাবহার করে রীতিমত টুলবার সহ ফায়ারফক্স নামানোর জন্য পয়সা দেয়া শুরু করে গুগল। আর ফায়ারফক্সের জনপ্রিয়তারও একটি মূল চালিকা হল হ্যান কাজ নেই যার জন্য ফায়ারফক্সের দুচারটা প্লাগিন নেই। কিন্তু এদ্দিন বেটা থাকার অবস্থায় ক্রোমের কোন প্লাগইন এর সুযোগ ছিলনা।
এখনকার ক্রোমের ফীচারলিস্টের দিকে তাকালে আমি বলব গুডসাইডে হল ফাঁকা ইন্টারফেস, বেশ ফাস্ট রেন্ডারিং, প্রতিটি ট্যাবকে আলাদা প্রসেস হিসেবে ধরা তাতে একটা ট্যাব ধরা খেলে বাকিগুলো টিকে থাকে, আর ফ্লিপসাইডে আছে, ফাঁকা ইন্টারফেস ফলে অনেক কিছুই নাই, প্লাগইনের অভাব, প্রতি প্রসেস নিজস্ব থ্রেডে রান করে ফলে ম্যালা মেমোরি খায় আর সব সাইট এখনো চেনেনা ক্রোমরে ফলে অপেরার মত আনসাপোর্টেড ব্রাউজারের ক্যাচাল, ইউনিকোড বাংলায় এখনো পার্ফেক্ট না।
গুগলের ক্রোম পুরোটাই ওপেন সোর্স প্রোজেক্ট হিসেবে ডেভেলাপমেন্ট চলছে। ফলে বাগগুলোও চটজলদি ধরা পড়ছে। ফায়ারফক্সের এখনকার জনপ্রিয়তা আর টেক ডেভেলাপমেন্টে গুগলের ইঞ্জিনিয়ারদের ম্যালা কন্ট্রিবিউশন আছে। তাই এবার পুরো লড়াইটাই গুগল এখন নিজের মাঠে নিয়ে আসতে চায়। কারণ অন্য সবার আগেই গুগল জানে, যে নেক্সট প্ল্যাটফর্ম কোন অপারেটিং সিস্টেম না বলে কোন ব্রাউজার বলাই ভাল, কারণ, নেটকানেক্টেড জেনারেশনের প্রায় সব অপারেশনই চলে ওভার দি ব্রাউজার। ডেস্কটপ এপ্লিকেশন আর নেট ইউটিলিটির মাঝখানের পার্থক্যটুকু খুব জলদি হারিয়ে যাচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং এর যুগে। তাই ব্রাউজার যার ইউজার তার আর ব্রাউজার মানেই সার্চ আর সার্চ মানেই পয়সা। সহজ ফর্মুলা, গ্যারান্টীড সাকসেস।
সম্পূর্ণ ব্রাউজার দিয়েই অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে চলে তার একটি ছোট উদাহরণ এখানে। প্রসঙ্গত এখানের ব্যাবহৃত ব্রাউজার ক্রোম।
http://www.thinkgos.com/
গুগলের ওপেন স্টেটমেন্ট যা ছিল যে, আমরা ওপেন সোর্স প্রজেক্ট, তাই আমরা আশা করব সকলে এতে অংশগ্রহণ করবে আর এই প্রোজেক্টের ফলে যে নতুন প্রযুক্তিগুলো তৈরি হবে তা ধীরে ধীরে অন্য ব্রাউজারগুলোও ব্যাবহার করবে। এক কথায় তালগাছ যারই হোক, আইন আমার। তবে আশা করছি একজন ব্যাবহারকারী হিসেবে আমাদের অভিজ্ঞতা খারাপ হবেনা।
ক্রোম, যার কম্প্যাটিবিলিটি আর ডিফল্ট ওএস বেজ এখনো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ধারে কাছেও না, যার প্লাগইনের চয়েস বলতে কিছুই নেই ফায়ারফক্সের তুলনায় আর এসিড টেস্ট আর পাসওয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট এখনো অপেরার চেয়ে অনেক পিছিয়ে, আর সাফারির মত যার নিজস্ব ডিফল্ট ওএস নেই, তারপরেও আমি নতুন এই ব্রাউজারের আগমনকে স্বাগতমই জানাচ্ছি। আশা করছি খুব দ্রুতই ফাংশনাল ফীচার রিচ ব্রাউজারে পরিণত হবে গুগলের ক্রোম। তাই ক্রোমিয়াম অরণ্যে প্লাগইনের ফুল ফোটার অপেক্ষায় আছি পথ চেয়ে।
[কার্টুনের থীমটা বেশ মনে ধরেছে, যেই বেসিক রঙগুলোকে মাইক্রোসফট ব্যাবহার করে উইন্ডোজ এর লোগোর জন্য সেগুলোকেই চ্যিঁড়েচ্যাপ্টা করে ক্রোম]
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ক্রোম বেটা ইন্সটল করেছিলাম আরো মাস তিনেক আগে .. অনেক সমস্যা ছিলো তখন ।
লেখক বলেছেন: আজকাল ইউজ করলে আরেকটু ভদ্রস্থ লাগার কথা। ব্যাবহার করে বলতে পারেনঃ)
দিগন্ত রেখা বলেছেন:
কার্টুনটা বেশ ইন্টারেস্টিং
লেখক বলেছেন: কোন প্লাগইনই নেই এখন পর্যন্ত। সামনে অনেক কিছুই আসতে পারে বলে আশা করছি।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লাগলো। তবে ক্রোম ব্যাবহার করে যাচ্ছি, যা আছে কপালে।আর গুগলরে ভালা পাই।
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। Released হওয়ার পরপরই ক্রোম ব্যবহার করেছিলাম কয়েকদিন। কিন্তু Screen বড় ছাড়া বিশেষ কোন কিছু পাইনি। তাই বাদ দিয়েছি। এখন firefox ই ভাল লাগে।
মরণজয়ী বলেছেন:
গুগল এটাকে 'এতিম' অবস্থায় রিলিজ দিবে ভাবিনি...
লেখক বলেছেন: রিলিজ ১.০ হিসেবে এক্কারে মন্দ না। ডেভেলাপমেন্টের এই স্পীড থাকলে বছর বারো মাসের মধ্যেই ভাল জিনিষ হাতে চলে আসা উচিৎ।
েছাটন বলেছেন:
লেখাটা খুবই ভাল হইছে।
লেখক বলেছেন: আপনিই বলেছিলেন,
মটো ওয়ান ছিলঃ ডোন্ট বি ইভিল!
এখন এমনই অমনিপ্রেজেন্ট হয়ে যাচছে বিরক্ত হয়ে গুগল চেকাউটে রেজিস্ট্রেশনই করি নাই।
[এডসেন্সে অবিশ্যি করেছি, হি হি]
রাগিব বলেছেন:
ডোন্ট বি ইভল মটো ঠিক আছে, কিন্তু যেই যায় লংকায়, সেই হয় রাবণ। কাজেই ...
লেখক বলেছেন: হুম, দশ মাথার মধ্যে আধডজন মনে হয় অলরেডী চেহারা বের করে ফেলেছে। থলের মধ্যে আর কত বেড়াল যে আছে, আল্লা মালুম।
কিন্তু আর কোন অল্টারনেটিভও তো দেখিনা। এপেল, সুপার রেস্ট্রিকটিভ, মাইক্রোসফট ভোদাই, লিনাক্সের মা বাপ নাই [সব্বাই মা বাপ]। বেটার ইভিল মনে হয় এখনো গুগল ভাইয়াই।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
ক্রোমে অনেক প্রব্লেম...সবচাইতে হাসি পাইছে যখন গুগলের সাইটই ক্রোম পার্সিং করে ঠিক মতো রেণ্ডার করতে পারে নাই। গুগলপেজের হেল্পে গিয়া দেখি লেখা অর্ধেক আসে অর্ধেক আসে না...ব্যাকগ্রাউন্ডের তো কোনো বালাইই নাই। নিজেদের সাইটই দেখাইতে পারে না...লেখক বলেছেন: সেই প্রব্লেম আমি পাই নাই এখনো। ওএস এর কোন ঝামেলা থাকতে পারে।
লেখক বলেছেন: ব্রাউজার লেয়াউটের মধ্যে প্রধান হল মজিলার বানানো প্রেস্টো, মাইক্রোসফটের ট্রাইডেন্ট, অপেরার গেকো, এপেলের ওয়েবকিট এদের মধ্যে কোয়ালিটির দিক থেকে এক নম্বরে ছিল এপেলের ওয়েবকিট।
২০০৫ সালের দিকে এপেল তাদের ওয়েবকিটকে ওপেন সোর্স করে দেয় আর তার পরেই গুগলের মাথায় আসে ব্রাউজারের প্ল্যান তাই নিজেরা লেয়াউট না বানিয়ে বাজারের সেরা টেকনলজী নিয়েই শুরু করে।
ক্রোমের আগে পর্যন্ত কিন্তু দ্রুততম ব্রাউজার ছিল সাফারিই।
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
প্লাগইন জিনিস টা কি? বুঝলাম না। একটু বলবেন কি? উইকি তে প্লাগিনের উপরে লিখা পোস্ট পইড়া কিছুই বুঝলাম না।লেখক বলেছেন: ব্রাউজারের নিজস্ব সার্ভিসের বাইরে এক্সট্রা ফিচার যোগ করার জন্য মিনি সফটওয়ার থাকে সেগুলোর নিজস্ব কোন অস্তিত্ব নেই কিন্তু ব্রাউজারের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণঃ ফ্ল্যাশ প্লেয়ার, গুগল সহ অন্যান্য টুলবার ইত্যাদি।
চলবে?
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
''কিন্তু ব্রাউজারের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণঃ ফ্ল্যাশ প্লেয়ার''==
ফ্ল্যশ প্লেয়ার কিভাবে ক্ষমতা বাড়চ্ছে ব্রাউঝারের, আর কোন ব্রাউঝারের (ফক্স, আই.ই) সেটা একটু হালকা ডিটেলে বললে বুঝে ফেলব ইনশাল্লাহ। আর আরেকটা জিনিস, প্লাগিন কি তাইলে ঐ ব্রাউঝার কোম্পানীই কি বানায়া বাজারে ছাড়ে, নাকি আর কেউ ছাড়ে?
লেখক বলেছেন: হুম, ব্রাউজারকে বানানো হয় স্ট্যান্ডার্ড এইচটিএমএল রেন্ডার করার জন্য। এখন ফ্ল্যাশপ্লেয়ার যে ভিডিও ফাইল প্লে করে, বা মাল্টিমিডিয়া ইন্টারেক্টিভ সাইট রান করে সেটি ব্রাউজারের নিজস্ব দৌড়ের বাইরে। তাই প্লাগইনের সাহায্যে সেটুকু হয়ে যায়। আরো প্লাগইন আছে ইয়ুটিউব থেকে ভিডিও ডাওনলোড করার জন্য। ম্যাকাফির প্লাগইন আছে বিপজ্জনক সাইটগুলোতে সতর্কবাণী দেবার জন্য।
সাধারণত থার্ডপার্টিরাই প্লাগইনগুলো তৈরি করে, আবার কখনো ব্রাউজার নির্মাতাও প্লাগইন তৈরি করতে পারে। কারণ অনেক সময় এমন সব ফীচার থাকে যেগুলো ব্রাউজারের বেশীরভাগ ব্যাবহারকারীর প্রয়োজন নেই, কিন্তু কিছু মানুষের জন্য খুবই উপকারী তাই তারা প্লাগইন লাগিয়ে সেই সুবিধা নেবে।
জনপ্রিয় ব্রাউজার ফায়ারফক্সের প্লাগইনের নিজস্ব ডাইরেক্টরিই আছে।
https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
বুইঝা গেছি.... পুরা... থ্যংকিউ ফরিদ ভাই।আরেকটা প্রশ্ন আছে.। তবে সেটা পরে করব... এখন করলে পরে বিরক্ত হয়ে ব্লকই করে দেবেন
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
ক্রোমের পক্ষে ফায়ারফক্সকে বাজার থেকে হটানো খুব কঠিন হবে। আমি গুগলের ডাইহার্ড ফ্যান হলেও ক্রোমটা ঠিক পছন্দ করতে পারলাম না। অপেরা বা ফ্লকের চেয়ে ভালো, কিন্তু ফায়ারফক্সের ওপরে নয়।লেখাটা ভালো হয়েছে। শিরোনামটা অধিক ভালো।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
পাওয়ার্ড বাই গুগল- ছোট্ট করে লেখা থাকতো ইয়াহু সার্চে। মনে আছে।
লেখক বলেছেন: পুরান পাপী দেখা যায় ![]()
আমি মনে করি ০৯ হৈল ক্রোমের জন্য মেক অর ব্রেক ইয়ার। আশা করি অনেক চমক দেখতে পাব।
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
আপনি লিখেছেন ''ম্যাকাফির প্লাগইন আছে বিপজ্জনক সাইটগুলোতে সতর্কবাণী দেবার জন্য।'' - এই প্লাগিন গুলা নিশ্চয় থার্ড পার্টি না বরং ম্যাকাফির নিজের বানানো??!!কিন্তু এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যর প্লাগিন দিয়ে কি করবে??? ঐ সব বিপ্জনক সাইট বিষয়ক ইনফো তো মূল সফটোরের সাথে জুড়ে দিলেই পারে? অথবা আপডেটের সাথে দিলকেই পারে? মানে আমি কি না অ্যন্টিভাইরাস সফটওরের জন্য প্লাগিন কেমনে কাম করে , কিংবা প্লাগিনের প্রয়োজনীয়তাই বা আসলো কেন তা বুঝতে পারছি না... (আশা করি বেশী বিরক্ত করছি না)
ফরিদ বলেছেন:
আপনি ব্যাবহারকারী ফার্স্ট পার্টি, ব্রাউজার নির্মাতা সেকেন্ড পার্টি, এখন অন্য যে কেউই এক্সটেনশন তৈরি করুক না কেন সে থার্ড পার্টি। ম্যাকাফি মাইক্রোসফট বা মোজিলার অংশ না, কিন্তু তার তৈরি টুল ব্রাউজারের নতুন ফাংশন দিচ্ছে। তাই যদিও সে নিজেই সেবা দিচ্ছে কিন্তু ব্রাউজারের প্রেক্ষিতে সে থার্ড পার্টি। আর ব্রাউজারের এই প্লাগইন মূল সফটওয়ার ছাড়াই কাজ করে। ম্যাকাফি এন্টিভাইরাস বিক্রি করে কিন্তু এই প্লাগইনটি ফ্রি বিতরণ করে। এখানে পাবেনhttp://www.siteadvisor.com/
ফলে টাকা খরচ করে মূল সফটওয়ারটি না কিনেও এর সুবিধা নিতে পারেন। আর অনেক সময় এন্টিভাইরাস ইনস্টল করলেও দেখবেন ব্রাউজারে এক্সট্রা টুলবার যোগ হয়, সেটিও ব্রাউজারের জন্য থার্ড পার্টি প্লাগইন। কারণ সেটি মূল ব্রাউজারের অংশ নয়।
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
বুঝলাম.. ম্যাকাফির প্লাগিন ট্যাকনিকালি থার্ড পাট্টি হয়া গেছে.. আমি আসলে আমার পেক্ষিতে মোজিলা যেমন থড পাট্টি তেমনি ম্যাকাফিরেও থাড্ডু ভাবতাছিলাম... থ্যংস...ভবিষ্যতে টেেকি পোস্ট ছাড়লেই প্রশ্ন আসবে.. খিকজ.. থ্যংস
অক্ষর বলেছেন:
যখন ইন্সটল কর্ছিলাম, তখন সামহোয়্যারের দাড়ি চিহ্নগুলা বাক্সের মতো দেখা যাইতো। এখনো কি ঐ সমস্যা আছে নাকি?
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
আরে কি কইতে কি কই!!! ১৯ নং কমেন্টে থাড্ডু পাট্টির জায়গায় সেকেন্ড পাট্টি পড়তে অইব... খিকজ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














