ওপেনসোর্সের ভাঙ্গা রেকর্ড
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩
ছবিঃ বিভিন্ন কাজে ব্যাবহৃত ওপেন সোর্স টুলস
আজকের কথা না, এই বছরদশেক আগের কথা, বাংলাদেশে প্রথমবারের মত কম্পিউটার কেনা আর ব্যাবহার মেইনস্ট্রীম হওয়া শুরু করেছে। আজকাল জিপিএর সিস্টেমে মহাপড়ুয়াদের আলাদা করা যায়না, তখন স্ট্যান্ড করা নামে একটা ব্যাপার ছিল আর যারা স্ট্যান্ড করত তাদের মোটামুটি সবারই নামছবি রেজাল্টের মাসখানেকের মধ্যেই সব পত্রিকার স্পেসফিলার হিসেবে কাজে লাগত। এখনকার অবস্থা খুব একটা ভাল জানিনা।
সেই সময়ের কথা মনে আছে, যখন আমরা সবে স্কুল শেষ করে কলেজে ভর্তির চিন্তাভাবনা করছি, যেকোন বোর্ডেরই যেকোন স্ট্যান্ড করা ছাত্রকেই যখন প্রশ্ন করা হত, আগামী জীবনে কি হবার ইচ্ছা, বিজ্ঞানবিভাগের মোটামুটি সবারই একবাক্যে উত্তর হত, কম্পিউটার 'সাইন্টিস্ট' হব। পিছন ফিরে যখন এর কারণগুলো দেখতে চাই, তখন যেটুকু মনে হয়, দক্ষ কম্পিউটার পেশাজীবি হলেই বিশাল টাকার চাকুরী, বিদেশ যাবার সুনিশ্চিত সূযোগ, সামাজিক স্ট্যাটাসের একদম ওপরের দিকে একলাফে উঠে যাবার সুযোগ সর্বোপরি পাস করে বেকারত্বের ভূতের সাথে দেখা না হবার নিশ্চয়তা ইত্যাদি ছিল সারা দেশের সেরা মেধাবীদের একবাক্যে তথ্যপ্রযুক্তির প্রতি নিজেদের কমিটমেন্ট দেখানোর মূলমন্ত্র।
![]()
ছবিঃ ওপেনসোর্সে উইন্ডোজ এর ছায়া
তাই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আর সরকারী বিদ্যাপীঠগুলোতে কম্পিউটারে চান্স পাওয়া মানেই কেল্লা ফতে আর সেই সুযোগেই আমার মনে হয় বাংলাদেশের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেজরিটি টিকে গেল। বিবিএ আর কম্পিউটিং এর কোর্স না থাকলে এদ্দিনে কয়টা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান টিকে থাকত কে জানে।
তৃতীয় সহস্রাব্দের প্রথম দশকের ক্রান্তিকালে তথ্যপ্রযুক্তির মোহ মনে হয় কেমন যেন একটু মিইয়ে গেছে বাংলাদেশে। আর এই একই প্রবণতা শুধু বাংলাদেশেই না, মনে হয় সারা বিশ্বেই কম্পিউটিং পড়ার জন্য দেশের সেরা মেধাবীদের লাইন ছোট থেকে ছোটই হচ্ছে আর শুধু তাই না অনেক যায়গাতেই যথেষ্ট পরিমানে ছাত্রের অভাবে কোর্স কমিয়ে আনতে বা বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। তার একদিকের কারণ হল, এই খাতে একপর্যায়ের সেচুরেশন চলে এসেছে। অর্থাৎ যারা নব্বই বা দুহাজারের প্রথমদিকে আইটির ওপরে পড়াশোনা করেছিলেন আজকে তাদের দিয়েই চাহিদার অধিকাংশ পূরণ হচ্ছে আর দ্বিতীয়ত মনে হয় একটা কম্পিউটিং ডিগ্রি থাকলেই ধুমধাড়াক্কা চাকরী হয়ে যাবে তার নিশ্চয়তা আর নেই মনে হয়।
আর এই একই সময়ে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও বিপণনের দুইধারা নিয়ে কিছুটা মনে হয় আলোচনা হওয়া উচিৎ। প্রযুক্তির উন্নয়নের (মতলব সফটওয়ার বা টেকনলজী ডেভেলাপমেন্টের ) জন্য নির্মাতারা ওপেনসোর্স বা ক্লোজড সোর্স যেকোন এপ্রোচই নিতে পারেন। যেখানে একদিকে প্রোজেক্টের সোর্স ওপেন করে দিলে সেটি সবার জন্য দৃশ্যমান, যে কেউ অরিজিনাল সোর্সকোড ডাউনলোড করে নিজের মত কম্পাইল করে নিতে পারেন আর কোডিং এ কোন খুঁত থাকলে সেটি যে কেউ ধরিয়ে দিতে পারেন। ফলে এক দিক থেকে সবখানের ডেভেলাপারদের মূল্যবান টাইমের ফ্রী এডভান্টেজ নেয়ার জন্য ওপেন সোর্স চমৎকার আইডিয়া। আর অন্যদিকে সোর্স নিজেদের মধ্যে রাখলে সাধারণত কোডের দুর্বলতা বাইরে সবার কাছে প্রকাশ পায়না, একই সাথে ডকুমেন্টেশন আর সোর্স ম্যানেজমেন্ট সাধারণত মজবুত হয়।
![]()
ছবিঃ ওয়েবসার্ভার ম্যানেজমেন্ট টুলস
আজকের বাজারে আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যাবহারকারী হন তাহলে আপনার জন্য ওপেন সোর্স প্রোজেক্টগুলো ফাটাফাটি জিনিষ, হাজার হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হয় এরকম অসংখ্য সফটওয়ারের সমমানের চমৎকার সব সফটওয়ার পাওয়া যায় যেকোন প্ল্যাটফর্মের জন্য বিনামূল্যে এবং প্রায় একই ক্ষমতার এমনকি কখনো আরো বেশী সুবিধাসমৃদ্ধ। আর ব্যাবহারবান্ধব অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে লিনাক্স তো গত এক দশকে অনেক এগিয়ে এসেছে। এখন অনেক পুরনো ব্যাবহারকারীও উইন্ডোজের মত হেভীওয়েট ছেড়ে উবুন্টু বা ফেডোরা ব্যাবহার করেন।
কিন্তু সমস্যা হল আপনি যদি ওপেনসোর্স ডেভেলাপমেন্টের সাথে যুক্ত থাকেন, আর দিব্যি কপালজোরে আপনার কোনার রুমে বসে বসে যেই কোড লেখা শুরু করেছিলেন সেটি জনপ্রিয় হয়ে মোটামুটি হিট করে যায়। ফলে আপনাকে জনাপাঁচেক ফুলটাইম ডেভেলাপারের দরকার হয় আর ডেভেলাপিং কমিউনিটি দিব্যি হাত বাড়িয়ে দেয় আপনার সাথে। তখন ওপেনসোর্স কোড চিপে পয়সা বের করা তেমন সুখকর বিষয় না।
কারণ যদি আপনি সফটওয়ারের জন্য টাকা চান, তাহলে সেটি হবে হাস্যকর। কারণ সেটির জন্য কোড আপনি আগেই উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, যে কেউ কম্পাইল করে নিলেই হল। দি আইডিয়া ঠিক করলেন সফটওয়ার যারা কিনবে তারা টেক সাপোর্ট নিবে আপনার থেকে, এইখানেও কিঞ্চিৎ ভ্যাজাল আছে, দেখা গেল রাস্তাঘাটের ডেভেলাপাররা, (মতলব আপনার কোম্পানীর বাইরের) দিব্যি সাপোর্ট দিচ্ছে ক্লায়েন্টদের আপনার বদলেই। আর দ্বিতীয় বিষয় হল, ওপেন সোর্স কোড বেশ শক্তপোক্ত হয়, তাই তেমন ঝুটঝামেলা করেনা যে রোজ টেকসাপোর্ট ডাকবে। কিছু পয়সা আসতে পারে ট্রেনিং সার্টিফিকেশন ইত্যাদি থেকে। আর আপগ্রেড ইত্যাদি তাও ফ্রীই থাকছে। কারণ সেই আগের মতই সোর্স ওপেন। আরেক বুদ্ধি হল, আপনার সফটওয়ারের সাথে কিঞ্চিৎ বিজ্ঞাপন ইত্যাদি ঢুকিয়ে দিলেন কিন্তু তাতে দেখবেন ক্লায়েন্ট নাখোশ আর আপনার প্রিয় ডেভেলাপাররা দিব্যি বিজ্ঞাপনফ্রী একটা কম্পাইলেশন করে জনগণের মধ্যে সুন্দর ছড়িয়ে দেবে।
![]()
ছবিঃ ওপেনসোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
এখন সবদিক থেকে হিসেব করলে ব্যাবহারকারীর জন্য ওপেন সোর্স চমৎকার জিনিষ, কিন্তু আপনি কম্পিউটার পেশাজীবি হিসেবে, ওপেনসোর্স ডেভেলাপমেন্টকে যদি বেছে নিতে চান, তাহলে হাইফাই বাড়িগাড়ী করার তেমন কোন রাস্তা দেখছি না। বিদেশের বেশীরভাগ ওপেনসোর্স প্রোজেক্টই মনে হয়, ডোনেশন আর ফান্ডিং এর ওপর নির্ভর করে মূল খরচটুকু চালিয়ে নেয়, আর বাংলাদেশ থেকে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া কোন ওপেন সোর্স প্রোজেক্টের নাম এখন পর্যন্ত মনে করতে পারছি না।
এই লম্বা লেখা পড়ার মত যদি কারো ধৈর্য্য থাকে তাহলে এতোক্ষণে আমার বিরুদ্ধে একগাদা যুক্তি তৈরি করে ফেলার কথা। কিন্তু বিশেষ করে আমার প্রিয় প্রায় সব প্রযুক্তিবিদই ওপেনসোর্সের এডভোকেট। ওপেনসোর্স নিয়ে এই বিশাল বিতর্কের গোড়াতে আমি না, এই নিয়ে এক ভেজাইল্যা আর্টিকেল কদিন আগে পড়লাম স্টুয়ার্ট কোহেনের। স্টুয়ার্ট এখন আছেন কোলাবরেটিভ সফটয়ার ইনিশিয়েটিভের সিইও হিসেবে আর তার আগে বহুদিন কাজ করেছেন ওপেন সোর্স ডেভেলাপমেন্ট ল্যাবস এর সিইও হিসেবে। ওপেন সোর্সের ব্যাবসায়ীক দিক সম্পর্কে অত্যান্ত অভিজ্ঞ এই প্রবীণ বোদ্ধার এই মহা 'বিতর্কিত' প্রবন্ধ নিয়ে প্রযুক্তিমহলে বেশ হইচই চলছে। কিন্তু আমার এক দিক থেকে ওনার যুক্তিগুলো খারাপ লাগেনি।
Open Source: The Model Is Broken
মাইক্রো সাইজের ড্যামস্মল লিনাক্সের জনক লিখেছেন ওপেন সোর্স থেকে কিভাবে সারভাইভ করতে হয়।
http://damnsmalllinux.org/income-guide/
বিভিন্ন কাজে ব্যাবহৃত ওপেন সোর্স সফটওয়ারের তালিকা
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল, নেট কালেকশন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপ্নেরে অনলাইনে দেখেই পোস্ট সোজা পাব্লিশ করে দিলাম
সমস্যা সেইটাই মনে হয় একটু নতুন করে পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বড় কোম্পানীরা ওপেন সোর্স প্রোজেক্ট রান করে সেটাকে ডলারে ট্রান্সলেট করে উঠতে পারছে না।
আর কমিউনিটি ভিত্তিক প্রোজেক্টগুলো অনেকের প্যাশন আর পার্টটাইমের ফসল হিসেবে আসছে। কিন্তু সেটাকে ফুলটাইম হিসেবে নেয়াটা মুশকিল।
পূরাতত্ববিদ না হয়ে নয়াতত্ববিদ হয়ে যান, ফিউচার টেকনলজী প্রেডিকশন করতে থাকেন
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
কম্পিউটার ইন্জ্ঞিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন কিছুটা মনে হয় পারিবারিক সূত্রে পাওয়া!!আর ওপেন সোর্স নিয়ে তো বাণিজ্য করার দরকার নেই। ডেভেলপমেন্ট কাজ করেই মনে হয় ঘর-গেরস্থালি চালানোর মত রোজগার হয়ে যায়!!
ওপেন সোর্স জিন্দাবাদ।
রাগিব বলেছেন:
"আর কমিউনিটি ভিত্তিক প্রোজেক্টগুলো অনেকের প্যাশন আর পার্টটাইমের ফসল হিসেবে আসছে। কিন্তু সেটাকে ফুলটাইম হিসেবে নেয়াটা মুশকিল। "ফুলটাইমে টাকা দিলেও লোকে ঐরকম কাজ করবে না। গুগলের knol প্রজেক্ট দেখেন, টাকা দিয়ে (এডসেন্স) ওরা উইকিকে টেক্কা দেয়ার মতলব করেছিলো। কিন্তু পয়সা দিলেও উইকির মতো নিবেদিতপ্রাণ লোকজন পায় নাই। লিনাক্সেও তাই, যারা ডেভেলপ করে, অনেকেই নিজের অবসর সময়েই করে, মাগনাই। মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের এমবিএ ওয়ালারা এইটা বুঝতে পারবে না কখনোই।
--
আমার দরকার ছিলো ইতিহাসবিদ হওয়া। কিন্তু বিধি বাম, ঐ লাইনে ভাত নাই।
বিডি আইডল বলেছেন:
ওপেন সোর্স যত ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে ততই এ থেকে ডেভেলপারদের আয় করার পথ কমে যাবে...তবে যারা প্রফেশনাল কাজে পিসি ব্যবহার করে তাদের জন্য ওপেন সোর্স এখনও বিলাসিতাই....ভবিৎষতেও তাই থাকবে মনে হয়
আমি টেকি পন্ডিত না। আমি অল্প-স্বল্পই জানি।
তবে এতটুকু জানি, এই টেকি লাইনে আমার মত অনেকগুলো মূর্খ টেকিবিদ না হয়েও ইন্টারনেটের সুবাদে সপ্তাহে ১২-৩৬ ঘন্টা সময় দিয়ে ১৫,০০০-৩০,০০০ টাকা পটেকে পুরতেছি, খেয়াল করবেন সপ্তাহে। আমি সত্যিই আপাততো কোন চাকুরীর স্বপ্ন দেখছিনা বা আমার বর্তমান যে যোগ্যতা তাতেও সমপরিমাণ বেতনের চাকুরী পাওয়া সম্ভব নয়।
তবুও আমি চেষ্টা করছি কিছু সময় ওপেন সোর্সে দিতে। ওপেন সোর্সে কাজ আর সেবা একই কথা। সেবা থেকে টাকা ইনকাম সত্যিই হাস্যজনক।
আর আপনি যদি সত্যি কম্পিউটার সম্পর্কে ভালো জানেন, তবে চাকুরীই আপনাকে খুজবে, এটা সবসময়ের জন্যই সত্য।
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
ডেভেলপারদের দৃষ্টিকোণ থেকে ওপেন সোর্সের অসুবিধাটাই বেশি। কোন প্রতিষ্ঠানই ওপেন সোর্স নিয়ে ব্যবসা করে বেশিদূর যেতে পারেনি। রেডহ্যাট সম্ভবত সফলদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্যবহারকারীদের জন্য ওপেন সোর্স ব্যবহারে গুরুত্ব দেয়া উচিত। প্রথমত, সফটওয়্যার কিনে ব্যবহার করা প্রায় অযৌক্তিক যেখানে প্রায় সমমানের একটি সফটওয়্যার বিনামূল্যে পেতে পারি। বিশেষ করে উইন্ডোজ ও অফিস। পাইরেসি কোন সমাধান না।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে ওপেন সোর্স সফটওয়্যারগুলোর সাপোর্ট ও কাস্টোমাইজেশনের উপর ভিত্তি করে সহজেই কোন কোম্পানী দাঁড়াতে পারে। এমনকি দেশের বাইরের কাজও পাওয়া সম্ভব। একটি ছোট কোম্পানীর জন্য গোড়া থেকে একটি বিশ্বমানের সফটওয়্যার তৈরী যেমন কঠিন, তেমনি প্রতিযোগীতায় টিকে থাকা আরও কঠিন। কিন্তু যদি আমার মূল পন্যই হয় সাপোর্ট, ট্রেনিং আর কাস্টোমাইজেশন - তাহলে এই রিস্ক এড়ানো যায়।
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
আরেকটি কারণে ওপেন সোর্সকে পছন্দ করি - কম্পিউটার বিজ্ঞানে আরেকটি খুব প্রচলিত কথা হচ্ছে "হোয়াই রিইনভেন্টিং দ্য হুইল"। ওপেন সোর্স না থাকলে প্রায় কাজই রিপিট হতো। একই সমাধান ভিন্ন কোম্পানিতে আবার কষ্ট করে, খরচ করে বের করতে হতো। এতে হয়ত ডেভেলপারদের চাকরি বেশি থাকছে, কিন্তু উন্নয়নের চাকা শ্লথ হয়ে যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: হুম ওপেন সোর্স অনেক সময়েই প্রোপারেটরী (পয়সা দিয়া কিনার সার্ভিস) টেকনলজী ফ্রীতে সবার সামনে নিয়ে আসে, আবার একই রকম ভাবে সফটওয়ার বিক্রীর কোম্পানীও ওপেন সোর্স থেকে অনেক রেডীমেড ইম্প্রুভমেন্ট নিজেদের ভেতরে নিয়ে আসে। যে য্যামনে কোপাতি পারে, কোপা শামসু!
বাফড়া বলেছেন:
'''স্টুয়ার্ট এখন আছেন কোলাবরেটিভ সফটয়ার ইনিশিয়েটিভের সিইও হিসেবে আর তার আগে বহুদিন কাজ করেছেন ওপেন সোর্স ডেভেলাপমেন্ট ল্যাবস এর সিইও হিসেবে''''ওপেন সোর্সে বিশ্বাসী হয়া ও বাড়ী গাড়ী বানানো একটা পথ খুইজা পাইছি... স্টুয়ার্টের মত কইরা কোন একজন সি ই ও হয়া যাওয়া
পোস্টের লিংক গুলা পরে পরিভ্রমন করুম নে...
লেখক বলেছেন: গরীব ইউজার হৈলে ঠিকাসে, গরীব ওপেন সোর্স টেকনলজী ডেভেলাপার হৈলে? ![]()
ইসানুর বলেছেন:
হুমমমমমম
ওয়ার হিরো বলেছেন:
আমিও কইতআম যে কম্পিউটার সাইন্তিস্ট হমু মাগার অখন আমি ইনফরমেশন সাইন্তিস্ট হইবার দৌড়ে আছি।ওপেন সোর্স ভালা কারণ এডা ওপেনসোর্স। এডা দিয়া ব্যবসা লরবার চাইলে ত বিল গেটসের লগে আর কোন তফাত থাকল না।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
ওপেন সোর্স আর ক্লোজড সোর্স নিয়া বিশাল গেঞ্জামে আছি। পেট না চললে ওপেন সোর্স ডেভেলপ করবে কে? সেই পেট চালাইতে আবার ক্লোজড সোর্স লাগবে!
লেখক বলেছেন: এইডা হইল ডিম মুরগী সমীকরণ ![]()
হাসিব বলেছেন:
পশ্চিম কম্পিউটার সায়েন্সে পুলাপান কৈমা যাইতেছে কথাটা মনে হয় ঠিক্না ।দেশে কমাতেছে এইটা ঠিক । কারন পুলাপান কোন জিনিসটা সিরিয়াসলি শিখতে হবে সেইটাই জানে না ।
এই ব্লগ নিয়মিত পড়লে দেখবেন কম্পিউটারে শিখার জিনিস আছে একটাই - সেইটা হলো পিএইচপি
দেশের পুলাপান সি++, জাভা এগিলি শিখে না মন দিয়া । বাইরে এগিলিই লাগে । আপনে কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং জানেন ভালো মতো (ভালো মতো মানে ভালো মতো । এগ্দম বিদেশীগো মতো)। আর কোন একটা টেকনিকাল সাইডে পড়েন । এইদুইটার কম্বিনেশন খুব ভালো । কিন্তু আমাগো সমস্যা হৈলো পুলাপানের মাথা আছে কিন্তু সেই মাথারে গাইড কৈরা যে কেউ আগায়া নিয়া যাইবো এমন কেউ নাই ।
লেখক বলেছেন: দুষ্কের কথা আর কি কই, পিচপি ঠিকমতন শিখলে তাও কাম চলত, জুমলা শিখাই বিরাট আইটিবিদ হয়া যায়, আর যামু কই।
জাভার ওপরে ব্লগের বাপ কুম্পানীতে মনে হয় ভাল কাম হয়। সিপিপি, .নেট ঠিকমতন শিখলেও ভাতে মরেনা কেউ। মাগার আগের লাহান প্যাশন আর ড্রাইভ কুথাওই নাই অহন পুরা ইন্ডাস্ট্রী জেনারিক ইন্টারেস্ট হয়ে গেছে।
সাদী বলেছেন:
ভাল হইছে।++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















(সবাই কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার বলতো ঠিক না। এই অধম ক্লাস টেনে পড়ার সময়ে স্বপ্ন দেখেছিলো এস্ট্রোফিজিসিস্ট বা মহাকাশবিদ হবার। এখনো (দিবা) স্বপ্ন দেখি পুরাতত্ত্ববিদ হবার