আমার প্রিয় পোস্ট
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- আসুন আমরা Rapidshare থেকে Resume Support সহ Super Speed এ File Download করি... - অতিথি_পথিক_মানুষ
- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেম-১৮ - কৃষক
- চায়নার ডায়েরী-৫ - বাবুয়া
- ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানো (মূল: মেহেদি আকরাম) - লাল সবুজের চিঠি
- আমার জলপাই ছ্যাঁচা - নুশেরা
- ঈশ্বরের উপর মাঝে মাঝেই আমি বিরক্ত হই , খুব বিরক্ত - আরিফ জেবতিক
- শিরোনামহীন - ১ (ক) - রাতমজুর
- প্রিয় বল্গারদের জন্য গল্প ও একটি মোরাল,(প্লিজ গল্পটি পড়ুন,আমি আপনাদের ৫টি মিনিট চেয়ে নিলাম) - বিহংগ
- আরিল,এই সিদ্ধান্তটা আপনাকে নিতেই হবে,এখুনি.. - আরিফ জেবতিক
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বিষের আগষ্ট....বিষাদ কাটা-১ - শিমুল
- অদ্য বৈকালে এই অধমের প্রথম ‘ডেট’ (?) বৃত্তান্ত। - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- রাঙাভাবী...তোমার জন্য - লিপিকার
- ...পরীক্ষাশেষের জট-ভাবনা - প্রজাপতি
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- তুমি এলে আমার জীবনে ঝড় হয়ে............. - শুকলা দাস
- তুমি কি একবারের জন্য একটু আসতে পার... - নওরীণ সুলতানা
- স্বপ্ন সমর (পর্ব ১) - রোবট রাজকন্যা
- মেয়ে! - নওরীণ সুলতানা
- আপন টেলিফোন - নওরীণ সুলতানা
- বাজে টুথপেস্ট দিয়ে মেজে দাতের একি অবস্থা!! - আউলা
- কম্পিউটার কিবোর্ড মন ব্লগায় তিন জন - শিলা
- এক সানকির ইয়ার - শিলা
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
- আমি , যে কোনদিন মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি .......... - হনলুলু
- একজন মুসলমান হিসেবে ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের ঘৃণা করা উচিত - অমি রহমান পিয়াল
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- বাবা বউ আনো, মা বউ আনো.......
- সামী মিয়াদাদ
- চলুন, নিজের স্বপ্নগুলো ছুঁয়ে বাঁচি... - মানবী
- ধোঁয়াটে রূপকথা (শেষ অংশ) - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- সারছে!
প্রেমিকার মা আমাদের সম্পর্কের কথা জেনে গেছে
- কাঙাল মামা
- চলতে চলতে পথে....... - লিপিকার
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- শিরোনামহীন ০ (শূন্য) - রাতমজুর
- লাভ-ক্ষতি - এই আমি মীরা
- আমরা দিন দিন খুনী হয়ে যাচ্ছি... - সন্ধ্যাবাতি
- মিছে খেলার ভেলায় ভাসি আরো একবার... - মুনিয়া
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা - মুনিয়া
- বৃষ্টি, তোমাকে ভিজিয়ে দিলাম : পর্ব -৩ - মিলটন
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- ভালোবাসার ব্লগ/ব্লগবন্ধুরা - জয়িতা
- আমার সপ্তাহান্তিক চেতনা - বোকামাষ্টার
- আরেকটা স্বপ্নের অধীর অপেক্ষা! - হমপগ্র
কেউ কী একটু ব্যাখ্যা করতে পারেন? (সতর্কীকরণ - বিশাল পোষ্ট)
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
প্রথমেই একটা ব্যাপার ব্যাখ্যা করে নিই। আমি একজন গড়পরতা মুসলমান, খুব ধার্মিক নই, নাস্তিকতাও পছন্দ করি না। আমি প্রায় ১৬ বছর আগে তদানীন্তন বিআইটি রাজশাহী থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ গ্র্যাজুয়েশন করে বর্তমানে একটি সরকারী প্রতিষ্ঠাণে চাকুরী করছি। অল্প কিছু বিশ্বাস (যেমন - সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব বা এজাতীয়) বাদে বাকী সবধরণের ঘটনারই কাযর্কারণ বোঝার বা ব্যাখ্যা পাবার চেষ্টা করি। এগুলো বলার উদ্দেশ্য নিজকে জাহির করা নয়, নিচের ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে আমার অবস্থানটা পরিষ্কার রাখা।
আজ দুপুরে গিয়েছিলাম দিনাজপুর। অনেকদিন পর বন্ধুদের সাথে গল্প করতে গিয়ে শুনলাম যে ওরা জানে যে আমার বউ এর চাকরী হয়েছে। (একটু অবাক হলাম, কারণ ওদের সাথে আমার বেশ কিছুদিন যোগাযোগ নেই)। কীভাবে জানে জিগ্যেস করাতে জানালো সাইবুর ভাই বলেছে
। এবার টাশকি খেলাম (সাইবুর ভাই এর কাহিনী নিয়েই এই লেখা। পড়তে থাকুন, কারণটা বুঝতে পারবেন অচিরেই)। সাথে সাথে প্ল্যান করলাম ভদ্রলোকের সাথে দেখা করতে যাবো। মোবাইলে বলতেই উনি রাজি হয়ে গেলেন। এর মধ্যে এক বন্ধু নিশার বললো তার কোন আত্মীয়কে কে যাদু করেছে, এ ব্যাপারে কথা বলতে সেও যাবে। সো, তিনজনেই রওনা হলাম একটা বাইকে।
বেশ অনেকটা পথ পেরিয়ে ওনার বাড়ি পৌছলাম বিকেল নাগাদ। আমি সালাম বিনিময়ের পর জানতে চাইলাম উনি কীভাবে খবর পেলেন যে আমার বউ চাকরী পেয়েছে? জবাবে জানলাম ওনারা জানিয়েছেন। একটু বিস্মিত হলেও কিছু বললাম না। এবার নিশার বললো তার আত্মীয়ের ব্যাপারটা। উনি আমাদের বসিয়ে এক জগ পানি, দুটা গ্লাস আর জায়নামাজ আনালেন। গ্লাসে পানি ঢেলে মিনিটখানেক দোয়া পড়লেন। এবার তিনটি বাশপাতা আর একটি সসপ্যান আনালেন। বাশপাতাগুলো আমাদেরকে ধরতে বলে সসপ্যান টা পানি দিয়ে ধুয়ে জায়নামাজ দিয়ে ঢেকে দিলেন। আমাকে বললেন সুরা ফাতিহা আর আয়াতুল কুরসি পড়তে। নিশারকে বললেন স্যান্ডেল খুলে দাড়িয়ে জায়নামাজের নিচে হাত ঢুকিয়ে সসপ্যানটা বের করতে। নিশার বের করে আনতেই দেখলাম সসপ্যানের পানিটুকু কাদাগোলা, তার মধ্যে শপিং নেটে জড়ানো একটা কাদামাখা পুটলি, দুর্গন্ধ ছাড়ছে। ওটা সসপ্যান থেকে বের করে দেখা গেলো ভেতরে বেশ কয়েকটা শামুক (অনেক আগেই অক্কা পেয়েছে), প্রায় সাদা হয়ে যাওয়া কিছু ঝিনুক, কয়েকটি কড়ি, দুটা হাড় আর চারটি তাবিজ।
জায়নামাজ দিয়ে ঢাকার আগে সসপ্যানটা খালি ছিলো, তাতে উনি গ্লাসখানেক পানি দিয়েছিলেন আমাদের সামনেই। নিজের চোখকে অবিশ্বাস করবো কীভাবে? অথচ কোন যুক্তিতেই একে ব্যাখ্যা করতে পারছিনা। ঘটনাটার ব্যাখ্যা কী কেউ দিতে পারেন? এর সাথে আগের ঘটনাগুলোরও কোন ব্যাখ্যা পাচ্ছিনা। তাই ঠিক করেছি এরপরের বার ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে যাবো, পুরো কাজকর্ম ভিডিও করে রাখবো। অবশ্য করতে দিবে কিনা জানিনা।
কিছুদিন আগের কথা। আমার বউ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ মোটামুটি ভালো সিজিপিএ (৩.৫২) নিয়ে পাশ করেও পরপর দুটো মেয়ের জন্ম, আমার সাময়িক প্রবাস এসবের চক্করে পড়ে প্রায় ৪/৫ বছর ধরে বেকার বসে আছে। আমি নিজেও পাশ করার পর বৎসরাধিককাল বেকার ছিলাম। তাই বেকারত্বের যন্ত্রণা ভালোই বুঝি। দিনে দিনে আমার মেয়েরা কথা বলা শিখে, ওর রাগ বাড়ে
। প্রায় দুই বছর থেকে সম্ভাব্য সব জায়গায় এপ্লাই করে যাচ্ছি। কোথাও ডাক পড়ে, কোথাও পড়েনা। যেখানে ডাক আসে সেখানে পরীক্ষা বা ইন্টারভিউ যেমনই হোক সিলেক্টেড হয়না। এদিকে শ্বশুর - শাশুড়ি, আত্মীয় - স্বজন, বন্ধুবান্ধব সবাই বলতে থাকে এখন ধরাধরির দিন, তোমার পদমযর্দা ব্যবহার করে কোথাও ধরো, চাকরী হয়ে যাবে। এদিকে আমি ভাবছি, আমার ২.৯৯ সিজিপিএ নিয়ে যদি আমি বিনা তদ্বিরে চাকরী পেতে পারি, তাহলে এতো ভালো রেজাল্ট নিয়ে ও কেন পাবেনা? আর আমি কাউকে তেমন করে রিকোয়েষ্টও করতে পারিনা। যদিও আশেপাশে অনেককেই দেখি বেশ কায়দা করে কেমন কেমন করে যেনো নিজেদের কাজ গুছিয়ে নেয়। দিন যায়, মাস যায় - অবস্থা পাল্টায় না। আমার বিশ্বাসে চিড় ধরে। সব সংকোচ ঝেড়ে ফেলে বন্ধু বান্ধবদের কাউকে কাউকে বলি ভাই আমার বউটার জন্য একটা চাকরীর ব্যবস্থা করে দে না। সবাই আশ্বাস দেয়, কিন্তু দিন আর বদলায় না। এদিকে সারাদিন ঘরে বসে বসে মাথার মধ্যে তৈরী হওয়া বেকারত্বের চাপে বউটা আমার একবারে নাজেহাল হয়ে পড়ে। দীর্ঘ বারো বছর প্রেম করে সংসার শুরু করা বউটা শেষ পযর্ন্ত আমাকে সন্দেহ করা শুরু করে দেয়। বুঝি মানসিক বিপযর্স্ত অবস্থার কারণেই এমন করে, তবু সবসময় নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনা। তাই মাঝে মাঝেই ঝগড়া ঝাটি শুরু হয়ে যায়। যাকে বলে অবস্থা কেরোসিন।
আমারও মানসিক অবস্থা সুস্থির না। যে যা করতে বলে চেষ্টা করি। কেউ বলে খতম পড়াও, কেউ বলে ছদকা দাও আরো অনেক কিছু; সবই চেষ্টা করি, ফলাফল শূণ্য। এমন সময় এক বন্ধু বল্লো যে দিনাজপুর এলাকায় এক লোক আছে, জ্বীন সাধনা করে, তার কাছে যাওয়া যেতে পারে। আরো শুনলাম ভদ্রলোক কারো কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেন না। সাত পাচ ভেবে রাজী হয়ে গেলাম।
বহুদূর পথ পাড়ি দিয়ে গেলাম কাহারোল উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে। ভদ্রলোককে দেখে বলা চলে একটু আশাহতই হলাম। আমাদের মতোই বয়স, পাতলা গোফ, কামানো গাল, এভারেজ লুকিং ভিলেজ ফার্মার টাইপ। (আমার ধারণা ছিলো যে বিশাল আলখাল্লা, লম্বা দাড়ি, বড় পাগড়ি পরা কোন বৃদ্ধকে দেখবো )। যাহোক ওনাকে বললাম আমার উদ্দেশ্য। উনি আমাকে খুব আশ্বাস দিয়ে পরবর্তী শুক্রবারে সকালে যেতে বললেন। আমি আরো একটু বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম।
পরের শুক্রবার । সকাল সকালই মোটর সাইকেল নিয়ে রওনা দিলাম। বেলা দশটা নাগাদ পৌছলাম। অনেক লোকের ভিড়। বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন সমস্যা। উনি কাউকে পানিপড়া, কাউকে জড়িবুটি আবার কাউকে বা বিভিন্ন সদুপদেশ দিয়ে বিদায় করছেন। এক পযার্য়ে আমাকে ডাকলেন। আমার সামনেই একটি গ্লাসে পানি ভরে হাতে নিলেন, আমাকে বললেন একটি জায়নামাজ দিয়ে গ্লাসসহ তার হাতটি ঢেকে দিতে। আমি জায়নামাজটি ঝেড়ে তার হাত ঢেকে দিলে তিনি আমাকে সূরা ফাতিহা ও আয়াতুল কুরসী পড়তে বললেন তিনবার করে। পড়া শেষ হলে আমাকে বললেন জায়নামাজটা সামান্য উঠিয়ে তার হাতের গ্লাসটাতে তাকাতে।
তাকালাম। এবং চমকে উঠলাম। একজন সুন্দর স্বর্ণকেশী মহিলা দেখতে পাচ্ছি গ্লাসের ভেতর
। আকার আকৃতিটাও এমন যেন গ্লাসের ভেতরে বসে থাকার জন্যই, অস্বাভাবিক লাগছেনা। ভদ্রলোক আমাকে গ্লাসের ভেতরে কাউকে দেখতে পাচ্ছি কিনা জিগ্যেস করলেন। আমার তখন মুখে কথা ফুটছেনা, মাথা দুলিয়ে সম্মতি জানালাম। উনি তখন আমাকে বললেন যাকে দেখতে পাচ্ছেন তাকে রিকোয়েস্ট করুন ভাবীর চাকরীর ব্যাপারে। আমি বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচলে দুলছি। এও কী সম্ভব? একবার মনে হচ্ছে এভাবে রিকোয়েষ্ট করাটা শিরক এর নামান্তর হয়ে যায়, আবার মনে হচ্ছে জ্বীন তো আল্লাহরই সৃষ্টি, আর তিনি তো কোন কিছুর উছিলা ধরেই আমার প্রার্থনা মঞ্জুর করবেন। এতসব ভাবনা শেষ করে গ্লাসটার দিকে তাকিয়ে বললাম, “Oh sweet lady, please do something so that my wife will get the job at BAPEX. I will be grateful to you.” (ঐ মুহূর্তে বোধহয় আমার সন্দেহ হচ্ছিল যে এই স্বর্ণকেশী বাংলা না ও বুঝতে পারে। বলা বাহুল্য আমার বউ তার ৩/৪ দিন আগে বাপেক্সের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগলাভের জন্য পরীক্ষা দিয়েছে।)।
যাহোক, এবার আবার জায়নামাজ দিয়ে হাত ঢেকে দেয়া, আবার ফাতিহা পাঠ শেষে উনি আমাকে জায়নামাজের নিচে হাত দিয়ে তার হাত থেকে গ্লাসটি নিতে বললেন। নিলাম। এবার উনি কিছু একটা দোয়া পড়ে ফু দিয়ে জায়নামাজটি উঠিয়ে নিলেন। আমি আবারও হতভম্ব। এবার আগের চেয়ে কিছুটা বেশি। আমার হাতের গ্লাসটির মুখে একটি প্রমাণ সাইজের আপেল। আপেলটি গরম লাগতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়ে উনি আমাকে আপেলটি উঠাতে বললেন। তুললাম। গরম ঠান্ডা বুঝিনি। আপেলটি হাতে ধরে আছি আর ভাবছি এটা ইল্যুশন, একটু পরেই সব ভ্যানিশ হয়ে যাবে নিশ্চয়ই।(কেননা আমি পুরো প্রক্রিয়াটি গভীর মনোযোগ ও পযার্প্ত অবিশ্বাস নিয়ে লক্ষ করেছি)।
কিন্তু হলোনা। আপেলটি পরের দিন ফজরের নামাজের পরে কোন অংশ না ফেলে খেতে বলে আমাকে বিদায় দিলেন। আমি অনেক সন্দেহ নিয়ে সৈয়দপুর রওনা হলাম। একটু পর পর দেখছি আপেলটা আছে নাকি উবে গেছে। নাহ, বাসায় পৌছেও আপেলটি অক্ষত আছে দেখে এবার একটু চিন্তায় পড়লাম। অনেক দ্বিধা দ্বন্দ আর অবিশ্বাস নিয়ে খুব উত্তেজনায় কাটালাম রাতটি। সুবেহ সাদিকে নামাজ পড়ে আপেলটি খেলাম। এবং পুরো ব্যাপারটির মধ্যে কোথাও একটা ফাকি ঝুকি আছে কিন্তু আমি ধরতে পারিনি এই ভেবে ব্যাপারটা ভুলে যেতে চেষ্টা করলাম।
বেশ কদিন (প্রায় ১৫/১৬ দিন) পার হয়ে গেছে। আমি পুরো ব্যাপারটি মন থেকে মুছে দিয়ে নিত্য কাজকর্মে মন দিয়েছি। হঠাৎ করেই এক বিকেলে আমার ছোটবোনের হাজবেন্ড ফারুক মোবাইলে কল দিয়ে জানালো এসিআই -র একটা নতুন সেক্টর ওপেন হচ্ছে অটোমোবাইলে, ভাবী যেন ইন্টারভিউ দিতে যায়। কাজেই আবারও সেই সাইকেল পুরো করা। তবে এবার ব্যাপারটা একটু ভিন্নরকম হলো। ইন্টারভিউ শেষে উৎফুল্ল বউ আমাকে ফোন করে জানালো চাকরীটা মনে হচ্ছে হয়ে যাবে। কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করলো ইন্টারভিউ এ ওকে জিগ্যেস করেছে আমি কোথায় থাকি আর তারপরে রংপুর বা দিনাজপুরে পোষ্ট করলে কোন সমস্যা আছে কিনা। এবার আমিও একটু যেন আশার আলো দেখলাম। পরের সপ্তাহে যোগাযোগ করতে বলেছিল ওকে। মাঝে মাত্র কয়টা দিন, তাই বললাম থেকে যাও ঢাকাতেই। যাহোক নির্ধারিত দিনে যোগাযোগ করলে ওনারা জানান যে এই মুহূর্তে ওনাদের ঢাকাতেই লোক দরকার, এতে কোন আপত্তি আছে কিনা। আপত্তি করার বিন্দুমাত্র অবকাশ ছিলোনা। তাই পরের মাসের প্রথম দিন থেকেই ওকে জয়েন করতে বললেন ওনারা। হয়ে গেলো চাকরী। (চাকরীটা হয়েছে এটাই যথেষ্ট, আর আমি রিকোয়েষ্ট করেছিলাম বাপেক্সের জন্য, চাকরী হয়েছে এসিআই তে। কাজেই এর মধ্যে আমার একবারও মনে হয়নি যে ঐ জ্বীনঅলা ভদ্রলোকের কোন কেরামতি এখানে থাকতে পারে।) এদিকে সেই ভদ্রলোক কীভাবে যেন জেনে বসে আছেন আমার বউ এর চাকরী হয়েছে(!) )।
ব্যাপারগুলো দেখে অবাক হচ্ছি। কিন্তু কোন ব্যাখ্যা খুজে পাচ্ছিনা। তাই অস্থির লাগছে। কেউ কী বলতে পারেন এগুলো কীভাবে হলো? আগাম ধন্যবাদ জানিয়ে রাখছি।
(দু:খিত লেখাটা ছোট করতে পারিনি বলে। পুরো ব্যাপারটা বোঝাতে এ বর্ণনাটুকু আমার মনে হয়েছে জরুরী। কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাইবুর, জ্বীন, চাকরী, জীবনযাপন ;
লেখক বলেছেন: দ্যাখেন। দেইখ্যা একটা আইডিয়া দ্যান না ভাই। ধন্যবাদ।
পলাশমিঞা বলেছেন:
পপমাঘু পড়তে পড়তে মাথা ঘুরতাছে। আমি পড়তে পারিনি। রোজায় ধইরালাইছে ভাইজান। আমি দুঃখিত। ঘটনা কিতা কন?
লেখক বলেছেন: আমিও দুঃখিত। আন্তরিকভাবেই। এতো বড় পোষ্ট পড়া খুব সুখকর না।
আফনেরে দইরালছে রুজায় আর আমারে দইরালছে হেই ব্যাডায়।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
ছোট কালে সারাংশতে ০০ পাইতেন বুঝি?
লেখক বলেছেন: আমি দুঃখিত। আন্তরিকভাবেই। এতো বড় পোষ্ট পড়া খুব সুখকর না।
নারে ভাই, ছোটকালে ছাত্র বোধহয় আরেকটু ভালো ছিলাম। সারাংশ তে ৮ / ৯ অহরহই পাইতাম। খালি অহন বড়বেলায় আইয়া প্যাচ লাইগ্যা গ্যাছে।
একটু কষ্ট করে পড়লে খুব খুশী হতাম।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কী খবর? ভালো আছেন তো?
চলতি সপ্তাহে পারছিনা। আশা করছি এরপরের সপ্তাহে আসবো।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ভাই ভদ্রলোকের ঠিকানা হচ্ছে কাহারোল, দিনাজপুর।
আমি আজ শুদ্ধা তিনদিন মাত্র গ্যাছি, ব্যাপার দেখে এতোটাই টাশকি খাইছি যে পুরা ঠিকানাও লই নাই। আমি ডিটেইলস ঠিকানা দিতে পারছিনা বলে দুঃখিত। তবে আপনি যেতে চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করেন, আমি পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারবো ইনশাল্লাহ।
অতো বড় একটা পোষ্ট কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমিও তাই আশা করছি। ভালো থাকবেন।
শয়তান বলেছেন:
চাদপুর এ এমন ধরনের একজনকে পেয়েছিলাম ।
লেখক বলেছেন: কিন্তু এগুলো কী সত্যিই কোন অলৌকিক ঘটনা নাকি স্রেফ ভাওতাবাজি? ভদ্রলোক কোন টাকা পয়সা কারো কাছ থেকে নেন না এ থেকে অন্ততঃ এটুকু বোঝা যায় তার ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ এখানে নেই।
লেখক বলেছেন: আমারও এমন সন্দেহ ছিলো। কিন্তু আমি নিজে জায়নামাজটি ঝেড়ে সেটা দিয়ে তার হাত ঢেকেছি, তাই এটা অন্ততঃ ঠিক যে জায়নামাজের ভেতর কিছু ছিলো না। তাছাড়া ভদ্রলোক কোন টাকা পয়সা কারো কাছ থেকে নেন না এ থেকে অন্ততঃ এটুকু বোঝা যায় তার ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ এখানে নেই।
কিন্তু এগুলো কী সত্যিই কোন অলৌকিক ঘটনা নাকি স্রেফ ভাওতাবাজি? বুঝতে পারছিনা। আপেলের ব্যাখ্যাটাই বা কী?
কৌশিক বলেছেন:
ট্রিকস
লেখক বলেছেন: সেই ট্রিকস টাই তো ধরতে পারছিনা বলে অস্বস্তি লাগছে।
অতো বড় পোষ্ট কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মাইনে কইবার চান আমি ঐরহম বই লেখা পারুম?
বোকামাষ্টার বলেছেন:
ভদ্রলোক কোন টাকা পয়সা কারো কাছ থেকে নেন না এ থেকে অন্ততঃ এটুকু বোঝা যায় তার ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ এখানে নেই। এগুলো কী সত্যিই কোন অলৌকিক ঘটনা নাকি স্রেফ ভাওতাবাজি?
শয়তান বলেছেন:
ভাওতাবাজি র পরিমান সিংসভাগ ।
লেখক বলেছেন: সমস্যাটা হচ্ছে ভাওতাটা ধরতে পারছিনা। পুরো ব্যাপারটাতে কোথাও ফাক দেখতে পাচ্ছিনা।
ধৈর্য নিয়ে পড়ে কষ্ট করে মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ফিরাখ রাইয়ান সুহান বলেছেন:
আফনের মহাকাব্য ফইড়া মর্মার্থ যেইডা বুজলাম, হেইডা অইল হেরা হাত সাফাইয়ের কামে উস্তাদ। দ্বীতিয়তঃ সম্মোহন বিদ্যায় বিশেষ ফারদর্শী। যাদুকর আরকি। যাই হোক, আফনে এট্টু কষ্ট কইরা,এই লেহাটা " ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির " সভ্য শ্রী প্রবীর ঘোষ বরাবর ফাটাইয়া দেন। তিনি এই বিষয়ের উপর একজন বিশেষজ্ঞ।
লেখক বলেছেন: আফনের বিজ্ঞ মতামতের রাইগ্যা ধন্যবাদ। দ্বীতিয়ত: প্রবীর ঘোষের ই মেইল ঠিকানাডা আছে নাকি, আসলেই ফাডাইতাম চাই।
আপনার মোবাইল নম্বরটা কি আমাকে দেয়া যাবে- সরাসরি কথা বলতাম- নিচের মেইল এড্রেসে নম্বরটা দিলে খুবই উপকৃত হবো। এইটুকু করবেন দয়া করে।
লেখক বলেছেন: আপনার মেইল চেক করেন।
ধন্যবাদ।
ড্রিমক্যাচার বলেছেন:
আমিও এক বিশাল কামেল জ্বীন সাধকরে চিনি, সেই কামেল লুক জ্বীনদের সাহায্যে সবার চোখের সামনে আকাশে উড়তে পারতো, সেই জ্বীণের কামেল লুক একবার একটা গোট ট্রেন আর একবার স্ট্যাচু অব লিবার্টি হাজার হাজার লুকের সামনে গায়েব কইরা দিসিলো,
ঐ জ্বীন পালা লুকের নাম ডেবিড কপারফিল্ড।
আপনারে কিচু কড়া কতা কইতে মন চাইতেসে বাট কইলামনা আপনার সরলতার জন্য। আপনি এক শিক্ষিত মানুষ হয়া চাকরি পাবার জন্য জ্বীণ পরীর দারস্হ কিভাবে হন।
অবশ্য রাজশাহী বিআইটির মত ধর্মান্ধ গোয়াড় তাবলীগের আখড়া থাইকা বাইর হওয়া মালতো এরমই হওয়ার কতা
লেখক বলেছেন: "আপনারে কিচু কড়া কতা কইতে মন চাইতেসে বাট কইলামনা আপনার সরলতার জন্য। আপনি এক শিক্ষিত মানুষ হয়া চাকরি পাবার জন্য জ্বীণ পরীর দারস্হ কিভাবে হন।"
- আপনার এই উদারতায় আমি মুগ্ধ। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
"অবশ্য রাজশাহী বিআইটির মত ধর্মান্ধ গোয়াড় তাবলীগের আখড়া থাইকা বাইর হওয়া মালতো এরমই হওয়ার কতা"
- এই মন্তব্যটা পড়ে আপনার বয়স আর শিক্ষাদীক্ষা দুটোর জন্যই করুণাবোধ করছি। প্রচন্ড রাগ হচ্ছে যদিও, তবু আমি সীমা ছাড়ানোটা পছন্দ করি না বলেই পাবলিক ফোরামে আর কিছু বলছি না।
আপনাদের মতামত চাই- আর বোকামাস্টার ভাইয়ের কাছে ডিটেইলস ঠিকানা- কিভাবে যেতে হয় এবং ঐ ভদ্রলোকের নাম- সেগুলো চাই। সম্ভব হলে ঈদের ছুটি্তেই অভিযানটা করতে চাই।
লেখক বলেছেন: আপনি আমার সাথে যোগাযোগ করেন। আপনার অভিযানে সর্বাত্মক সাহায্য করতে আমি প্রস্তত আছি।
আপনার সাহসী উদ্যোগ দেখে আমি মুগ্ধ। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
ড্রিমক্যাচার বলেছেন:
আবার মনে হচ্ছে জ্বীন তো আল্লাহরই সৃষ্টি, আর তিনি তো কোন কিছুর উছিলা ধরেই আমার প্রার্থনা মঞ্জুর করবেন। এতসব ভাবনা শেষ করে গ্লাসটার দিকে তাকিয়ে বললাম, “Oh sweet lady, please do something so that my wife will get the job at BAPEX. I will be grateful to you.”
পরী ইঙরেজী ছারা বুজেনা!!
মানুষ এত বোকচোদ হই কেমতে
লেখক বলেছেন: আরো একবার আপনার জন্য করুণা বোধ করছি - তবে এবার শিক্ষা আর বয়সের সাথে আরো একটা প্যারামিটার যোগ হয়েছে - সেটা আপনার রুচিবোধ।
যদিও খুবই বিরক্ত বোধ করছি আপনার অমার্জিত কথাবার্তায়, তবু যেহেতু বোঝেননি তাই বোঝানোর শেষ একটা চেষ্টা করছি।
পরিস্থিতিটা বোধহয় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এখনো আশংকা করছি আপনি ত্রিশের কোঠায় পা দেননি বা বিয়েও করেননি। যখন করবেন, আমার বিশ্বাস, পুরোপুরি বুঝতে পারবেন।
নুশেরা বলেছেন:
প্রথমেই ভাবীকে অভিনন্দন। এরকম ব্লকের পর নতুনভাবে শুরু করতে পারা খুবই টাফ, যা তিনি করে দেখিয়েছেন।মানুষ দুর্বল মনে অনেক আজগুবি কিছুতেও আস্থা এনে ফেলে। নিজেকে দিয়েই বুঝি।
এই অলৌকিক গল্পগুলো সত্যি হলে এদের সাহায্য নিয়ে খালেদা-হাসিনারা বহু আগে একজন আরেকজনকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলত।
আর "পয়সার জন্য করি না, মানুষের খেদমতের জন্য করি"- এসব কথাবার্তা শুনলে ত্যক্ত লাগে। এমন বাধ্য জ্বিনকে দিয়ে দেশে চালের দামটা কমিয়েই না হয় খেদমতের কেরামতি দেখাক ব্যাটা।
লেখক বলেছেন: অপা আপনাকে অনেক ধন্যবাদ লেখার মূলসুরটা ধরতে পারার জন্য। পাশাপাশি আমার মানসিক অবস্থাটা সঠিকভাবে অনুধাবণ করে আমার চোখে নিজের স্থানটা আরো অনেক উপরে তুলে নিলেন।
আপনি ক্যামন আছেন? ভালো তো? বদ বুড়া (নখ টা) র কারণে সৃষ্ট ব্যথার উপশম হয়েছে কী?
ভালো থাকবেন।
ড্রিমক্যাচার বলেছেন:
পরিস্থিতিটা বোধহয় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এখনো আশংকা করছি আপনি ত্রিশের কোঠায় পা দেননি বা বিয়েও করেননি। যখন করবেন, আমার বিশ্বাস, পুরোপুরি বুঝতে পারবেন।কিছু মানুষের অন্তর সীল করা, শিক্ষার আলো তাদের অন্তরে প্রবেশ করতে পারেনা, যতই শিক্ষিত সে হোক না কেন কুসংস্কার আর অশিক্ষা আর গোড়ামীর চক্র থেকে সে বের হতে পারেনা , আপনি সেই রকম হতভাগা একজন,
চাকরী পাবার জন্য পরীর দারস্হ একটি অর্ধশিক্ষিত বা অশিক্ষিত লোক হতে পারে বাট কোনো সুশিক্ষিত সচেতন লোক হতে পারেনা
যে সব কথা লিখেছেন সেগুলা যে খুবই সাধারন হাত সাফাই এর কাজ এটুকু বুঝার মত চেতনা আপনার নাই। ম্যাজিক/ট্রিকস/হাত সাফাই সমন্ধে একটু খোজ খবর করুন ,তাহলে দেখবেন একজন ডেবিড কপারফিল্ড বা নিদেন পক্ষে আমাদের জুয়েল আইচকে তো আপনার জ্বীণ পরির বাদশা মনে হবে
আপনাদের মত মানূষর জন্য করুনা হয় ।
লেখক বলেছেন: করুণা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। অর হ্যাঁ, প্রথমবারের মতো আপনার মন্তব্য পাঠযোগ্য হয়েছে বলেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।


















দেখি