somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সৌদি আরবে বাংলাদেশীদের সব ধরনের ভিসা বন্ধ, দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন সৌদি প্রবাসীরা।
আমার এই লেখার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, সৌদি সরকার বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সকল ভিসা (হজ্ব ও ওমরা ভিসা ব্যতিত) বন্ধ রেখেছে। গত এক বছর থেকে প্রবাসীদের শেষ ভরসা ভিসিট ভিসাও শুধুমাত্র বাংলাদেশীদের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি সরকার ।

কারনটা যাই হোক না কেন, আমাদের সরকার এই ব্যাপারে এখনও কোন কার্যকর ভূমিকা পালন করেন নি। এখনও করছেন না।

আমার নিজের উদাহরণই যদি দেই,
আমি বিগত প্রায় আট (৮) বছর ধরে সৌদি প্রবাসী।

নিজের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে সুনাম ও সন্মানের সাথে আইটি ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।

দেশ ও দেশের মানুষকে এদেশের বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষদের কাছে পজিটিভলি তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

একটি মধ্যমানের কোম্পানীতে ৮০,০০০ (আশি হাজার বাংলাদেশি টাকা) টাকা বেতনের চাকুরীর সিংহভাগ (৫৫,০০০) পঞ্চান্ন হাজার টাকা প্রতিমাসে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে দেশে রেমিটেন্স হিসের বৈধ্য পথে গত ৮ বছর যাবত প্রেরণ করে আসছি।

২০০৮ এর শেষে বিয়ে করার পর ২০০৯ এর শেষ দিকে এক কন্যা সন্তানের পিতা হই। এরপর আমার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান আমাকে ফ্যামিলি ষ্ট্যাটাস (বাসা ভাড়া, স্ত্রী সন্তানের জন্য হেলথ ইন্স্যুরেন্স, স্বাস্থ্যসেবা, আসা যাওয়ার প্লেন টিকেট। এছাড়া কোম্পানীর তরফ থেকে ব্যক্তিগত গাড়ীতো আছেই) প্রদান করেছে।

এত কিছুর পরও আমি আমার স্ত্রী ও সন্তানকে আমার কাছে সৌদি আরবে আনতে পারছিনা, কারন সৌদি সরকার শুধুমাত্র বাংলাদেশীদের জন্য ফ্যামিলি ভিসা, ভিসিট ভিসা সব বন্ধ করে দিয়েছেন। উল্লেখ্য আমার পার্সপোর্ট ও ইকমা বা আইডিতে আমার পেশা ইঞ্জিনিয়ার সমমানের।

আমাদের মহামান্য সরকার যারা আমাদের দেশেতো চাকরীর কোন নিশ্চয়তা দিতে পারেন নি বরং বিদেশে বসবাসরত সন্মানজনক ও উচ্চরেমিটেন্স প্রদানকারী প্রবাসীদেরও তাদের মূল্যবান চাকুরী ও ক্যারিয়ার ধ্বংস করছেন।

আমার স্ত্রী সন্তান যারা স্বামী ও পিতার অনুপস্থিতে নিরাপত্তাহীনতা সহ নানা বিধ প্রতিকূলতার মধ্যে দিন যাপন করছে তাদের কথা চিন্তা করে এবং আমাদের সরকারের এহেন কুম্ভকর্ণের ন্যায় দায়িত্বজ্ঞানহীন ভুমিকার কারনে আমি বাধ্য হয়ে এ বছরের শেষে আমার চাকুরীতে ইস্তফা দিয়ে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছি।

এখানে আমার অনেক পরিচিত বন্ধু বান্ধব যারা আমার মত সন্মানজনক ও উচ্চ রেমিটেন্স প্রেরণ করেন তারাও তাদের স্ত্রী সন্তানকে নিজের কাছে আনতে না পেরে বাধ্য হয়ে দেশে চলে যাওয়ার চিন্তা ভাবনা করছেন।

এভাবে চলতে থাকলে দেশে বেকারত্বের হার যেমন বাড়বে তেমনি দেশ হারাবে মূল্যবাণ রেমিটেন্স যা আজ হোক কাল হোক দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি বয়ে আনবে।

আমাদের সরকার যদি তাই চান, তবে থাকুন আপনারা কুম্ভকর্ণের ঘুমে, দরকার নেই আপনাদের কোন কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের। আমাদের মতো হতভাগ্য প্রবাসীদের অভিশাপ রইলো আপনাদের প্রতি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/29213401 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/29213401 2010-08-02 13:15:16
আজ মা'য়ের কোলে ঝাপিয়ে পড়ার দিন।
তখন আবার আমিই আমাকে শুনাই "নীড় ছোট ক্ষতি নেই আকাশতো বড়, এ মন বলাকা হয়ে অজানার আহবানে চঞ্চল পাখা মেলে ধর....; চাঁদে'রো আখরে ঐ আকাশেরো গা'য়...যেন পালক লেখনি তব প্রেমেরও কবিতা লিখে যায়...সুদুর পিয়াসী পাখা কাঁপে থর থর... এ মন বলাকা মোর অজানার আহবানে চঞ্চল পাখা মেলে ধর...; নীড় ছোট ক্ষতি নেই ... আকাশতো বড়" । উত্তরে আবার মন বলে " আরে ধুর বেটা, তোরে আমি কি কই আর তুই আমারে কি শোনাস?! তোর সব কাজেই শুধু হেয়ালি করা।"

আমি হেসে বলি "বুঝবি নারে... তুই বুঝবি না, দেশের মজা যে কি জিসিষ তোরে আমি বোঝাতে পারব না।" এভাবে মনে মনে মনবিতন্ডা চলতে থাকে। অস্হির মন সুস্থির হয় না। মনে আছে গতবার দেশে গিয়ে এক মাস কোত্থাও বেড়ুইনি ঘর থেকে। পড়ে পড়ে শুধু ঘুমিয়েছি। সেই শান্তির ঘুম অনেকদিন ঘুমাই না। চরম আলসে এই আমার জন্য সে যেন স্বর্গ পাওয়া।

ঈদের সিজন হওয়াতে সহজে ফ্লাইট পাওয়া যায় না। লম্বা বিরতির ফ্লাইটে দেশে পৌছতে ২ রাত ১দিন পার করতে হবে এবং সেটা যে মোটেও স্বস্তিকর হবে না তা বলা বাহুল্য। তারপরও জানি ঘরের দড়জায় পা দেয়ার সাথে সাথে আমার সেই কষ্ট কর্পূরের চেয়েও দ্রুত উড়ে যাবে। দীর্ঘ সাড়ে পাচঁ বছর বিদেশ করলেও আমি মনেহয় যে বাংগাল সে বাংগালই রয়ে গেলাম। এত বছরেও মন আমার পোষ মানে না, বার বার ইচ্ছে হয় সব ছেড়ে ছুড়ে দেশে চলে যাই। কিন্তু পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধ যেন কান টেনে ধরে, পথ আটকায়, চোখ রাঙায়। সেই ভয়ে আমি পিছু হটি, সিটিয়ে যাই, ঘাড়গুজে পড়ে থাকি এই বিদেশ বিভুঁইএ।

আজ সময় আমার প্রতি সদয় হয়েছে। হে সময় তোমার প্রতি আজ আমি কৃতজ্ঞ। আজ আমার দেশে যাবার দিন, দেশে গিয়ে মায়ের কোলে ঝাপিয়ে পড়ার দিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28876854 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28876854 2008-12-01 18:54:04
কে কোথা থেকে ব্লগাচ্ছেন?
তাই ঝটপট বলে ফেলুন .....বন্ধু, আপনি কোথা থেকে ব্লগাচ্ছেন





[জানি এইডা আজাইরা পোষ্ট, কিন্তু পোষ্টতো <img src=" style="border:0;" /> । অনেকদিন কোন পোষ্ট দেয়া হয় না।। ভাবলাম নতুন কোন পোষ্ট দেয়ার আগে একটু ওয়ার্মআপ করি <img src=" style="border:0;" /> ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28874856 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28874856 2008-11-27 12:17:06
কেমন জীবন সঙ্গী চান? http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28854991 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28854991 2008-10-15 14:08:50 আবেগগুলো যে কোথায় গেল?!!!!
অফিস আওয়ার ৮ ঘন্টা। ছুটির পর আরও ৭ ঘন্টা বসা হয় অফিসে। অযথাই বসি। হৃদপিন্ডের ঢিপ ঢিপ শব্দ আর মাউসের ক্লিক ক্লিক শব্দ ছাড়া আমার অফিস রুমটা এক প্রকার সুনসানই কাটে রাত ১২টা পর্যন্ত। রাত ১২ টায় পরের দিনের অফিস লেট এর ভয়েই চেয়ার থেকে উঠি। মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে অদৃশ্য অশ্রু মুছে কোম্পানীর দেয়া রুমের উদ্দেশ্য পা বাড়াই। পথে একটা শাওয়ার্মা প্রতিদিনের সঙ্গী হয়, ওতে কামড় বসাতে বসাতে পথ মাড়িয়ে চলে আমার পা দুটো, অনৈচ্ছিক পেশীর মতো, মস্তিস্কের নির্দেশে।

ক্লান্ত দেহে মনে হয় যেন মরুময় সাহারা পাড়ি দিচ্ছি, বোধহীন, একঘেয়ে ভাবে। এক সময় কিভাবে যেন পথটা শেষ হয়, আমি রুমে ফিরি। জুতো জোড়া খুলে, ঘামে আধভেজা কাপড় ছেড়ে রুমের খোলস পড়ি।

ঘড়িতে তখন রাত পোনে একটা। কিন্তু তাতে কি! টিভিতে নিজ দেশের হালচালটা একটু দেখে নেয়া যাক। ট্রান্সমিটারের সুইচটা চেপে ওয়্যারলেস হেডফোনটা কানে এটে টিভি রিমোর্টের পাওয়ার বাটনটা চেপে ধরি।

একসময় মনেহয় শরীরের কাছে মনটা পরাজিত। দেহ ঢলে পড়তে চায় ঘুমে। হেডফোনটা খুলে, রিমোর্টে পাওয়ার চেপে, বালিশটা উল্টে দিয়ে আর একটা বুকে চেপে লম্বা দম ছেড়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

টিট টিট.. টিট টিট... টিট টিট... মোবাইলের এ্যালামটা বাজতে থাকে ৭ টায়। তারপর ১৫ মিনিটের একটা মালাই ঘুমের পর, হুড়মুড় করে উঠে বসি বিছানায়। দেয়াল ঘড়িতে সময় দেখে শুরু হয় ছুটোছুটি তৈরী হতে অফিসের উদ্দেশ্যে। সকালের নাস্তা হয় শুধু অফিসের সার্ভ করা কফিতে। তারপর এই কাজ, ঐ কাজ করতে করতে দুপুর গড়ায়।

লাঞ্চের পর গরম কফির সাথে চলে পেন্ডিং কাজ শেষ করার পালা। এক সময় ৫ টা বাজে। অফিসের সব লোকগুলো হুড়মুড় করে হাঁসের ঝাকের মতো প‌্যাক প‌্যাক করতে করতে বেড়িয়ে যায়। শুধু থেকে যাই আমি, আমার হৃদপিন্ডের ঢিপ ঢিপ আর মাউসের ক্লিক ক্লিক শব্দগুলো।

আবেগগুলো যে কোথায় গেল?!! টেবিলে কাগজের নিচে, ড্রয়ারে, বুক পকেটে সব খানে খুজলাম। ধুর্ আবেগগুলো যে কই রাখলাম?!! বাতিল কাগজের সাথে ওয়েষ্ট বক্সে ফেললাম নাতো?!! অফিস বয়তো রোজ চারটেয় বক্স পরিষ্কার করে!! হায়! হায়!! আবেগগুলো এখন কোথায় পাই?!! এখনওতো বিয়েও করলাম না!!! বউকে যে কি করে পোষ মানাবো?!!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28827483 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28827483 2008-08-05 00:52:51
কি লিখি আজ ভেবে না পাই, পথ হারিয়ে কোন বনে যাই...
দেখতে দেখতে সময় কিভাবে যেন পার হয়ে যায়, কালো চুলে কাশ ফুলের সাদা ধূসর রং জায়গা করে নেয় একটু একটু করে। আমাদের গড় আয়ু নাকি ৬৩ বছর, উইকিপিডিয়া তাই বলে। সে হিসেবে জীবন রেখার মাঝখানটায় দাড়িয়ে এখন আমি দু প্রান্তের দুই বিন্দুর কথা ভাবি। স্কুল কলেজ ভার্সিটির পাট চুকেছে অনেকদিন হতে চললো। জীবন সংগ্রামের মাঝ দরিয়ায় নৌকোটা আমার এখন বড়ই শান্ত, নির্লিপ্ত হয়ে পড়েছে। পালে তার হাওয়া নেই, কম্পাসটা আজকার তেমন কাজ করছে না, চারিদিকে শুধু পানি আর পানি। একটা গাংচিলের ও দেখা নেই আজ অনেক দিন! এমনি অবস্থায় কি কথা শোনাতে পারি আপনাদের?! রাজনীতির হাউকাউ, ধর্মের অন্তহীন তর্ক, মুক্তিযুদ্ধ-রাজাকার, দূর্নীতিবাজ-সুশীল সমাজ কোনটাই আজকাল মনের জলে কোনো ঢেউ তুলে না। দ্রব্যমূল্যের আগুনে মধ্যবিত্তের যখন চামড়া-মাংস পুড়ে হাড় বেড়িয়ে পড়েছে তখন এসব তর্ক বড়ই তুচ্ছ, বড়ই পানসে, বড়ই অর্থহীন। জীবন এখন কাটে ঘোরের মধ্যে। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা অফিস করে মাসের মাইনেটা হাতে এলে দেশে পাঠিয়ে দায়িত্ব পালনের মধ্যেই জীবনটা এখন সীমাবদ্ধ। দায়িত্ববোধের দাসত্বে আটকে পড়া এ জীবন যেন এখন জেনেভা ক্যাম্পের আটকে পড়া মানুষগুলোর মতো। আপন দেশ যাদের চায় না, তাও নিজ দেশে ফেরার আমৃত্যূ আকুলতা। আমার মতো মধ্যবিত্ত প্রবাসীরা শুধু ঘুমের ঘোরে স্বপ্নেই দেশের মাঠে প্রান্তরে ঘুরে বেড়াই, কিন্তু বাস্তবে আমাদের দেশ, আমাদের পরিবার, আমাদের আপনজন কেউ চায় না আমরা দেশে গিয়ে স্থায়ী হই। দেশে গিয়ে যদি মাঠ প্রান্তর চষে বেড়াই, খোলা মাঠে শুয়ে মেঘেদের ভেলায় ভাসি আর উদোমপিঠে দীঘির জলে সাতরে বেড়াই তবে সংসারের ঘানি টানার বলদ তারা কোথায় পাবে?! দেশ কিভাবে বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ নিয়ে গর্ব করবে?! তাই আমরা খুশি মনে চোখে পট্টি বেধে ঘানির জোয়াল কাধে তুলে নেই। এই পট্টি বাধা চোখে আমাদের দিবা রাত্র, মাস, বছর কেটে যায়। পাঠক, কি লিখতে পারি বলুনতো আপনাদের জন্য?! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28795188 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28795188 2008-05-07 15:37:47
জীবনের তাগিদে আমি বেহায়া হতে পারিনা এ আমার অক্ষমতা,
এটাই আমার অপূর্ণতা!

হ্যাঁ, আমি স্বাভাবিক নই
স্বাভাবিক নই তোমাদের মতো
তোমরা যারা জীবন যেখানে যেমন
খোলস বদলাতে পার গিরগিটির মতো
তবুও তোমরা মানুষ, আশরাফুল মখলুকাত

আর আমি?! আমিতো মানসিক রোগী, পাগল।
তোমাদের পৃথিবীতে ভুল করে আসা এক এলিয়েন!

আমার কথায় তোমরা তাচ্ছিল্যের হাসি হাস
করুণা ঝড়ে পড়ে তোমাদের দৃষ্টি দিয়ে
আমি সঙ্কুচিত হই, মানুষ – তোমাদের কাছে
নিজেকে অপরিচিত ভেবে তোমাদের মাঝে।

জীবনের তাগিদে আমি বেহায়া হতে পারিনা
জড়সড় জবুথবু হয়ে বসে থাকি
ঝড়ে বিধ্বস্ত কাক হয়ে
তোমাদের তির্যক দৃষ্টি উচ্ছিষ্টের মতো
তোমরা যখন আমার দিকে ছুড়ে মারো।

আমি শুধু ঘোরে ঘোলা চোখে
তোমাদের দিকে চেয়ে থাকি
অদ্ভুত বিস্ময় নিয়ে
কখনও হতবাক হয়ে ঝিম মেরে থাকি
নিরুত্তর হয়ে, তোমাদের হাজারো প্রশ্নের মাঝে।

পারিনা উত্তর দিতে তোমাদের আজব প্রশ্নগুলোর
তোমরা যেমনি পারণা আমার প্রশ্নগুলোর
আমি শুধু মাথা নিচু করে দূর্বাঘাসের ডাটা চিবোতে থাকি
একমনে, কখনোবা শূন্যদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি
নীল আকাশটার পানে
সেখানে কি কেউ আছেন, যিনি আমাকে বোঝেন?!
তিনি নাকি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন
আশরাফুল মখলুকাত... মানুষ করে!

জীবনের তাগিদে কেন যে আমি বেহায়া হলাম না!
সেটাই আমার অক্ষমতা, আমার একমাত্র অযোগ্যতা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28779635 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28779635 2008-03-16 15:29:55
শাওয়ার্মা সমাচার (উৎসর্গ কৌশিক)

শাওয়ার্মা খাদ্য বস্তুটি আপাত দৃষ্টিতে আমাগো মতো সেমিগরীব দেশের উচ্চমধ্যবিত্ত ও ধনী শ্রেনীর খাদ্য বিলাস হইলেও মধ্যপ্রাচ্যে ইহা সর্বনিম্ন দামের খাবারের তালিকায় স্থান পায়।

এই খানে (মধ্যপ্রাচ্যে) শাওয়ার্মা খাইলাম বলিয়া তৃপ্তির ঢেকুর তুলিবার অবকাশ নাই, বরং বন্ধু মহলে হাস্যরস উঠিবার সম্ভাবনাই প্রবল। কিন্তু এইখানের বকলম ও কৌশিক দা দু বাঙালিই শাওয়ার্মা বা শর্মার স্বাদ গ্রহন করি দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে। বলা যায় একজন সাশ্রয়ী মূল্যে ক্ষুধা নিবারণের উদ্দেশ্য আর অপরজন সম্ভবত রসনা মিটাইতে।

দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের, দুটি ভিন্ন অবস্থান থেকে দুই আবাল বাঙালির একই খাদ্য বস্তুর প্রতি যে প্রেম, আকর্ষণ, ইহাই এই পোষ্টের উপজীব্য বিষয়।

(নিতান্ত আবালিয়, বকলমিয় পোষ্ট। ইহার উদ্দেশ্য বা বিধেয় খুজিবার ব্যর্থ চেষ্টা না করাই ভাল)

কৃতজ্ঞতা: কৌশিকদার শর্মা বিষয়ক পোষ্ট এবং কৌশিক'দার প্রতি
কৌশিকের পোষ্ট: Click This Link

ছবি: এই অধমের হাতে গতরাতে তোলা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28777456 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28777456 2008-03-08 16:01:36
প্রিয় বাংলা তোমাকে দেখব বলে বুক পকেটে সুখগুলিকে নিয়ে ঘুড়ে বেড়াতাম

বাটালী পাহাড়, কর্ণফুলির তীরে
বাংলা মাটির সোদা সুবাস আর ঘাস ফুলের গন্ধ নিতাম।

দুপুর বেলার ঠাঠা রোদে
সাগর পাড়ে একলা বসে
অংক করায় ফাঁকি দিতাম।

সন্ধ্যে হলে পুকুর ঘাটে
এক হাটু ধূল ধুয়ে মুছে
নাস্তা খেয়ে পড়তে বসা,

বিদ্যুতহীন জোছনা রাতে
উঠোন জুড়ে চাঁদের হাটেঁ
ছক্কা খেলার ছকটি কষা।

বুড়ী দাদীর তুলতুলে গাল
মনে কি পড়ে?!
ফোকলা দাতেঁর সেই হাসিটা

দাদুর লাঠি? সেই কাশিটা??
মনে কি পড়ে?!!

সেসব দিনের ভাবনা যত
কবে অনেক বড় হব!
অনেক বড়, অনেক..

যেদিন বাবা বকবে না আর
মা বলবে না আর 'অংক কষ'
যেদিন হবে চাকরি আমার
দিদি বলবে না আর পড়তে বস

ইশ! কবে অনেক বড় হব?

আজ, সেসব ভেবে হাসি ভীষন
পরক্ষনেই কাঁদি আবার
কবে আসবে সেই দিনটি?!
সুযোগ পাবো দেশে যাবার!

প্রবাসের এই পিঞ্জরেতে
স্বইচ্ছার এই কারা ভোগে
দু মুঠো সুখ দেশের তরে
শান্তি খুঁজি এটাই ত্যাগে।

বাংলা তুমিই স্বর্গ আমার
তোমায় সদা স্বপ্নে খুঁজি
তোমার মাটি শীতল পাটি
তোমাতেই যেন এ চোখ বুজি।

ছবি কৃতজ্ঞতা: বাবাস্টিভ
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28773726 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28773726 2008-02-24 20:29:28
যারা BASIS SOFT EXPO LIVE দেখছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে, তাদের মন্তব্য ...
কে কোথা থেকে এখন দেখছেন মন্তব্যের ঘরে উল্লেখ করুন।

সা. ইন কর্তৃপক্ষকে এই পোষ্টটি স্টিকি করার অনুরোধ করছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28771682 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28771682 2008-02-18 14:41:01
সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলো....আপনি কোন স্কুল? কত সনের ব্যাচ?
আসুন না শেয়ার করি.... তবে আপনি কোন স্কুল এবং কত সনের ব্যাচ উল্লেখ করতে ভুলবেন না যেন!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28767590 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28767590 2008-02-06 14:56:19
ফান কম্পিউটিং - (কম্পিউটার Geeks দের জন্য নয়)
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28765021 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28765021 2008-01-28 19:02:19
"LabAid has become a human killing machine" -Daily Janakantha on 19 Dec, 2007
http://labaid.wordpress.com/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28764383 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28764383 2008-01-26 11:55:47
জুকস্ থুক্কু জোকস্ (রসিক গ্রুপ)
বিচারক আসামীকে : তোমার যদি উকিল না থাকে তুমি চাইলে সরকার তোমার জন্য উকিলের ব্যবস্থা করতে পারেন।

চোর: হুজুর, উকিলরে কি এই জন্য মুরগীর ভাগ দিতে হইব?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28763828 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28763828 2008-01-24 16:12:38
একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আপনার মতামত দিন - ইস্যু- ছাত্র শিক্ষকদের বিরুদ্ধে জরুরী অবস্থা ভঙ্গের মামলা এবং বর্তমান প্রেক্ষিত...
২। আপনি কি চান ছাত্র শিক্ষক নি:শর্ত মুক্তি লাভ করুক? তারা কোন যুক্তিতে নি:শর্ত মুক্তি পাওয়ার যোগ্য বলে আপনি মনে করেন?

৩। আপনি কি চান ছাত্র শিক্ষকদের নি:শর্ত মুক্তির দাবীতে কিছু সংখ্যক ছাত্র শিক্ষক পরীক্ষা, ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত করুক?

৪। উক্ত ঘটনায় জনগনের যে জানমালের ক্ষতি হয়েছে তার জন্য দায়ী কে?

৫।এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার, ছাত্র শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের করনীয় কি বলে আপনি মনে করেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28763220 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28763220 2008-01-22 14:48:26
আমাদের পূর্ব পুরুষ নাকি বানর ছিল?!!! (রসিক গ্রুপ)
মা: কে বলেছে তোকে?

ছেলে: বাবাই তো বললো।

মা: তোর বাবার পূর্ব পুরুষ থাকতে পারে, কই আমারতো ছিল না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757285 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757285 2008-01-06 15:51:08
তিন আলসের কাহিনী (রসিক গ্রুপ)
১ম আলসে দ্বিতীয় আলসেকে : দোস্ত তোর পাশে যে কুলটা পড়ে আছে সেটা আমার মুখে তুলে দে তো খাই।

৩য় আলসে ১ম আলসেকে: ব্যাটা তুই আর মানুষ পাইলি না বলার জন্য?! আমার মাথার পাশে যখন ঐ কুকুরটা পেশাব করছিল তাকে বললাম যে সরাতে .. সরালো না আর তুই বলছিস কিনা তোকে কুল তুলে খাওয়াতে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757273 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757273 2008-01-06 15:08:00
নারিকেল চোরের জবানবন্দী (রসিক গ্রুপ)
চোর: জে আমি!

মালী: ঐ তুই নারিকেল গাছে কি করস???

চোর: জ্বী মানে ঘাস কাটতে উঠছিলাম!

মালী: নারিকেল গাছে কি ঘাস আছে নাকি?!!!

চোর: সেই জন্যই তো নাইমা যাইতেছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757006 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757006 2008-01-05 19:53:28
বকলম ????...... হাজির স্যার (প্রিয় চট্টগ্রাম গ্রুপ) " style="border:0;" />

ও বাই আঁরা চিটাগাইংগে নওজোয়ান, দইজ্জের কূলত থাকি আঁরা সিনাদি ঠেখাই ঝড় তুয়ান।

বাঁশখালি....... মহেশখালি......
ওরে পাল তুলিয়া দিলে সাম্পান গুরগুড়াই চলে...
ও তোরা কন্ কন্ যাবি আঁর সাম্পানে?

সকল প্রিয় চট্টগ্রামবাসীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

একটি উন্নত চট্টগ্রাম তৈরির প্রত্যাশায়।

যে চট্টগ্রাম সূর্যসেন, প্রীতিলতা, মাহথির মোহাম্মদ, কবি মাহবুবুল হক, ড. ইউনূস এর মতো সূর্য সন্তানদের জন্ম দেয়।

যে চট্টগ্রাম স্বাধীনতার পক্ষে সর্বপ্রথম গর্জে উঠে

যে চট্টগ্রাম বার আউলিয়ার পূন্যভূমি

সে চট্টগ্রামকে আমার সালাম

তাঁর সাহসী সন্তানদের আমার সালাম

এই বীর চট্টলার নাম পৃথিবীর কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়ুক।

আমার চট্টগ্রাম হোক আলোকিত চট্টগ্রাম।

আসুন, আমরা এই চট্টগ্রামের আবার 'প্রাচ্যের রানী' হওয়ার গৌরব ফিরিরে আনি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757005 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28757005 2008-01-05 19:22:23
নববর্ষের ভোর বেলা চোখ মেলে দেখি .... আমি এখনও বেঁচে আছি।
এই যে বেঁচে আছি, এই যে বুক ভরে শ্বাস নিচ্ছি ফেলছি। দু'চোখ ভরে দেখছি এই অসম্ভব সুন্দর পৃথিবীটাকে এটাই বা কম কিসে? যতদিন বেঁচে আছি, বুক ভরে প্রশ্বাস নিতে পারছি ততদিন আমার চেঁয়ে সুখী আর কে আছে?

হে বন্ধু, একবার বুক ভরে প্রশ্বাস নাও। উপলব্ধি করো যে, "বেঁচে আছি " এটাই কি সবথেকে সুন্দর আর সুখের ব্যাপার নয়?! বেঁচে আছি, এটাই কি সবচেয়ে বড় পাওয়া নয়?! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28755714 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28755714 2008-01-01 15:24:37
বছরের শেষ দিবসে ভাবনা
আমরা সবাই আশা করছি নতুন বছরটি আমাদের সবার জন্য সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক। সব হতাশা আর গ্লানিকে পাশ কাটিয়ে আমরা নতুন বছরে নতুন উদ্যোমে জীবনকে শুরু করব একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ একটি সুন্দর পৃথিবী নির্মাণে।

আমাদের সকলের পথ চলা মসৃণ হোক। আজ আমরা মন থেকে সমস্ত দু:খবোধ ঝেড়ে ফেলব, অপররের প্রতি চাঁপা ক্ষোভ, অভিমান আজ আমরা ক্ষমা দিয়ে জয় করব। ভুলে যাব যা কিছু অসুন্দর, হিংসা, বিদ্বেষ, রাগ, ক্রোধ, লোভ, ঘৃণা, অহংকার। কাল নতুন বছরে নতুন দেহ আর মন নিয়ে আমরা নতুন দিনের সহযাত্রী হব। কাল থেকে সকলের সাথে হাসি মুখে কথা বলব, সকলের ভাল কামনা করব, যে আমাকে গালি দিল তাকে আমি গালি কেন দিব? তাঁর জন্য আমি কেন নিজেকে কলুষিত করব, নোংরা করব? অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না যত গ্লানি আর অভাবের মধ্যেই থাকি না কেন। যাতে জীবনের শেষ সময়টিতে আফসোস নিয়ে মৃত্যূকে বরণ করতে না হয়। আমরা কেউই অমর নই, মৃত্যূ আমাদের থেকে এক সেকেন্ডরও কম দূরত্বে অবস্থান করছে। আমরা সবাই যেন এই উপলব্ধিটুকু সবর্দা করি।

এই ২০০৭ এর শেষ দিবসে সবার দীর্ঘায়ু, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28755379 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28755379 2007-12-31 14:44:52
মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি
জীবনটাকে একটা সরল রেখার মতো মনে হয়, বৈচিত্রহীন, ঘটনাহীন, উথ্থান পতনহীন, বাঁকহীন একটা সরল রেখা। সময় আমাকে সেই সরলরেখা ধরে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। মনেহয় এ যাত্রা যেন অনন্ত, আমৃত্যূ। আমার সবকিছু আগোছালো থেকে আরো আরো আগোছালো হতে থাকে, আমার রুম, আমার অফিস রুম, আমার ল্যাপটপের ডেক্সটপস্ক্রীন ভর্তি আইকনগুলো, আর আমার মন। সব এলোমেলো, আগোছালো, ভাবলেশহীন, অবশ, অসার, অর্থহীন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28753360 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28753360 2007-12-23 13:25:58
আমাদের দেশে হবে সেই জাতি কবে? কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ...
এখন চলছে বিজয়ের মাস, স্যাটেলাইট কেবল টিভিগুলোতে রাজনৈতিক নেতা আর সুশীল সমাজের কচকচানী, পপকর্ণ আলোচনা । আহা আমরা কত্ত জানি! আমরা কত্ত সচেতন ! গনতন্ত্রের ঢোলের লাঠি এখন আমাদের সবার হাতে হাতে।

একাত্তরে বোকা আবেগী মানুষগুলো দেশের জন্য প্রাণদিল, তখন আমাদের মরতে হয়নি, ৭৪ এর দূভিক্ষেও আমরা মরিনি, মরিনি সিডরেও, আর এই উচ্চমূল্যের বাজারেও। এসব চাষাপুষা আর কেরানীদের আপদ, আমাদের নয়। আমরা তো বেশ আছি, দেশের টিভি চ্যানেলগুলোয় আমাদের অনেক খাতির, কোন চ্যানেল ছেড়ে কোন চ্যানেল এ যাই এই নিয়ে সুখ যন্ত্রনা, গণতন্ত্রের বানী আমাদের থেকে ভাল আর কে শোনাতে পারে!

আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা, বিদেশীরা যে পয়সা দেয় আর দেশের সম্পদে ভাগ বসিয়ে যা পাই তাতে আমাদের সন্তানদের বিদেশে পড়ালেখা করাতে, প্লট আর আ্যপার্টমেন্ট কিনতে, বউ আর শালীর গয়না কিনতেই হিমশিম খেতে হয়। তাই আমাদের ইচ্ছে থাকা সত্বেও আমরা দেশের শিক্ষিতের হার বাড়াতে পারিনি, পারিনি দেশে সুষ্ঠু বানিজ্যিক অবকাঠামো তৈরি করতে, পারিনি মানুষের ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা মোটা ভাত আর মোটা কাপড়ের নিশ্চয়তা দিতে। তবে তাই বলে দেশ কি থেমে আছে? থেমে নেই, গাজী ট্যাংকের সেই বিজ্ঞাপনের মতো আমরা বলে যাই, জপে যাই "ভাবতে ভালই লাগে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে"। হুমম ঠিকইতো এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, কিন্তু আমাদের স্থানটা অন্যদের তুলনায় কেমন? কতটা আগে বা পিছে আছি আমরা? যেই সিঙ্গাপুরে আমাদের দেশের হক বিষ্কুট একদা পরিচ্ছন্ন খাবার হিসেবে গন্য হত, যেই মালেশিয়া, ইন্দোনেশিয়া আমাদের চোখের সামনে দিয়ে তর তর করে উন্নত হয়ে গেল তখন আমরা কি করছি? আর সেদিনের ভিয়েতনাম যখন আমাদের আমাদের ওভারটেক করে সাঁই সাঁই এগিয়ে যাচ্ছে, ভারত, চীন যখন সুপার পাওয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, আমরা তখন কোথায়? এতদিন হয়ে গেল আমদের দেশীয় কোন গাড়ী আমরা তৈরী করতে পারলাম না। প্রগতির মতো কম্পানী যখন আমাদের দেশে লোকসানীর খাতায় নাম ওঠায়, ভারতের টাটা, আশোক তখন দুনিয়ার রোড কাপিয়ে বেড়ায়। আমরা চেয়ে দেখি, পারলে একটা নিজেরাও কিনি।

আমার মামু সেইদিন কইলো দেশের উন্নতি হইতে হইলে আমগো দেশের মানুষগো ডাইনেমিক হইতে হইব। আমি মুরুব্বী বইলা মনে মনে কই দূনীতিতে আমাগো ডাইনেমিজম দেখলেন না মামু।

আজ এই বিজয় দিবসে একটাই আশা "আমাদের দেশে হবে সেই জাতি কবে? কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে"।

(আরে আমিও দেখি কথায় কম যাই না! হঠাৎ মনে পড়ে ... আমি তো বাংগালি!)

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28752002 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28752002 2007-12-16 18:33:47
খবর: যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করবে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম

যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করবে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম

ঢাকা, অক্টোবর ৩০ (বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)� যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধ তদন্ত করে মামলা করবে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের সংগঠন 'সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম'। এজন্য মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি 'লিগ্যাল কমিটি' গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ ঘোষণা দেন।

সেখানে জানানো হয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়ে এরই মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দলকে নিবন্ধন না করার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্যে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার বলেন, "জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ মুক্তিযুদ্ধ ও '৭১-এর গণহত্যা সম্পর্কে মিথ্যাচার করে বাংলাদেশের সংবিধান ও অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন।"

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধী এবং তাদের দোসররা এদেশে প্রায় ৫৩ ধরনের অপরাধ করে। তারা মোটা দাগে ১৭ ধরনের যুদ্ধাপরাধ, ১৩ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ ও চার ধরনের গণহত্যা সম্পর্কিত অপরাধ করেছে।

সরকার দেশের আইন ও আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন এ কে খন্দকার। যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধ তদন্তের জন্য তিনি 'লিগ্যাল কমিটি' করার ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মলনে সেক্টর কমান্ডার মীর শওকত আলী জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর একটি বই উদ্ধৃত করে বলেন, "পাকিস্তানি সৈন্যদের সহায়তা করার জন্য রাজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী গঠন করা হয়েছিল। এমনকি এদের অনেককে পাকিস্তানে ট্রেনিং দেওয়া হয়।"

জামায়াতের সঙ্গে আঁতাতকারীদের সঙ্গে থাকার প্রশ্নই আসে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, "এজন্য আমি সাত বছর ধরে বিএনপি করি না।"

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধের পাঁচ সেক্টর কমান্ডার মীর শওকত আলী, মুস্তাফিজুর রহমান, কে এম শফিউল্লাহ, আবু ওসমান চৌধুরী, সি আর দত্ত উপস্থিত ছিলেন।

সেক্টর কামান্ডারস ফোরাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে ১৬ ডিসেম্বরের আগেই ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দেয়।

--------------------------

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে পুরো দেশবাসী সোচ্চার হোক। এই দাবী কার্যকর করার জন্য ব্যাপক জনমত গড়ে উঠুক। সরকার যেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ব্যাপারে এগিয়ে আসেন, আমরা জনগন যাতে এই ব্যাপারে যে যার অবস্থান থেকে দৃঢ় ভাবে লড়ে যাই এই আহবান থাকলো।

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, দেশ মাতৃকার এই দায় থেকে জাতিকে মুক্ত করুন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক।

নতুন প্রজন্মের আজ প্রমান করার সময় এসেছে আপনি দেশকে কতটুকু ভালবাসেন, দেশের প্রতি আপনি কতটুকু কর্তব্য পরায়ণ, দেশকে আমরা কি দিতে পেরেছি ভেবে দেখুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28741527 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28741527 2007-10-31 14:34:59
সময়ের নদীতে জীবনের ডিঙ্গি নৌকায় আমি...

মাথার উপর সূর্যটা নির্লিপ্ত ভাবে আবার তেতে উঠে, ভাবটা যেন, আমার কি দোষ! আমার তাপটাই এমন, চাঁদের মতো ম্যারম্যারে আলো দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব না, কার গতর পুড়লো বা কার ঘাম ঝরলো আমার তা ভেবে কাজ নেই। আমি মনে মনে হাসি। সূর্যটার বুদ্ধি শুদ্ধি আসলেই নাই। ঠিক যেন এক ক্লাসে সাতবার থাকা আমাদের সেই আদুভাই। চাদেঁর আলোকে যে ম্যারম্যারে বলে অবজ্ঞা করল, গাধাটা জানে না যে ওটা ওর নিজেরই আলো।


আমার রোদে পোড়া তামাটে শরীরটা সূর্যের দিকে পিঠ দিয়ে নৌকোর পাটাততে এলিয়ে পড়ে চোখ বুজে। মনে মনে ঠিক করি এবার হেমন্তের আগে আর চোখ খুলছি না। চোখ খুলেই যেন সোনা রঙের ধান কাটা দেখতে পাই।

(হেমন্তে চোখ খুললে এর পর্ব চললেও চলতে পারে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28738665 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28738665 2007-10-20 19:45:25
এবারের ঈদে রিলিজড আপনার প্রিয় অডিও এ্যালবাম ও গান কোনটি?
অনুগ্রহ করে মন্তব্য করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28736930 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28736930 2007-10-11 15:06:14
প্রবাসের ঈদ - এক কষ্টের ঢেকুর উঠা দিন।
কপালের লিখনে বলি আর যাই বলি সময়ের প্রবাহে আমিও আজ নিজেকে আবিষ্কার করি প্রবাসী হিসেবে। বাবা-মা, ভাইবোন, বন্ধু-বান্ধব সর্বপরি নিজের প্রানপ্রিয় জন্মভূমি থেকে হাজার মাইল দূরে অনেকেই আজ আমার মতো প্রবাসী। কেমন কাটে আপনার প্রবাসের ঈদের দিনটি? হয়তো আনন্দে, হয়তোবা কষ্টে। যেভাবেই হোক শেয়ার করুন আপনার মতোই আর একজন প্রবাসীর সাথে, দেশে যারা আছেন তাদের সাথেও বা নয় কেন! ঈদের দিনটি প্রবাসে আপনার কেমন কাটে?

আমার দেখা প্রবাসের ঈদের কিছু অনুভূতি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি ঃ

প্রবাসের ঈদ এমন একটা কষ্টের দিন যেদিন চোখে পানি ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে যায়। বিশ্বের প্রধান মুসলিম দেশ হলেও সৌদি আরবের নাগরিকদের সাথে নন-আরব প্রবাসীদের ভ্রাতিত্ববোধ, সৌহার্দ্য প্রকাশ শূণ্যের কোঠায়। তাঁরা প্রবাসীদের থেকে নিজেদের আলাদা ও শ্রেষ্ঠ ভাবতে পছন্দ করে। তাদের সাথে প্রবাসীদের সামাজিক সম্পর্ক ঈদের দিনগুলোতেও দেখা যায় না। সামাজিক আচাঁর অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা অনেকটা একঘরে। প্রবাসের ঈদ প্রায় বাঙালী প্রবাসীর কাটে আনন্দহীন শুকনো ভাবে।

খুব ভোরে (ফজরের নামাজের আধঘন্টা পর) এখানে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের পর বাঙালীরা নিজেদের মধ্যে সামান্য মিষ্টি বা ঝাল কিছু তৈরী করে কেউ বা ঈদের সেমাইটা বাঙালি রেষ্টুরেন্টে গিয়ে কিনে খায়, তারপর হয়তো কেউ দেশে ফোন করে কথা বলেন প্রিয়জনের সাথে, কেউ বা নিভৃতে বসে নিঃশব্দে চোখের জল ফেলেন, কেউ হয়তো ঢুকরে কেঁদে উঠেন, অনেকের কান্না সংক্রামিত হতে দেখা যায় পাশের রুমের প্রবাসীকেও। কি ভীষন কষ্টের একটি দিন। কে বলবে আজ ঈদ! এমন দিন যেন চরম শত্রুকেও কেউ না দেয় এই আশাটাই সবাই করে এই দিনে। দেশে কাটানো ঈদগুলো তখন এক একটা স্বর্ণালী মূহুর্ত হয়ে চোখের সামনে ভাসে।

তবুও আশা করব যে যেদেশেই আছেন সবার ঈদ আনন্দময় হোক, ঈদের দিন প্রিয়জন পাশে থাকুক।

সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28736619 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28736619 2007-10-10 13:29:41
স্বপ্নে দেখা রাজকন্যার অপেক্ষায়... ছটফটিয়ে মরে
দেহের চোখে তাকিয়ে উদাস
ভাবনাগুলো উড়ে


স্বপ্নে দেখা রাজকন্যার
রাজ্যে কখন যাবে
সেই ভাবনা স্বপ্নে ভাবে
লাল নীল অন্তরে


স্বপ্নে আসে রাজকন্যা
নীল চোখে সে তাঁকায়
অভিমানি চোখ দুটি তাঁর
আমায় শুধু ভাবায়


ভরদুপুরে ডুপ দিয়ে তাই
স্বপ্নে তাঁরে খুঁজি
সম্বল মোর শূণ্য হৃদয়
একমাত্র পুঁজি


পাঁজি বয়স যাচ্ছে বেড়ে
পাকছে মাথার চুল
চোখে এখন ঝাপসা দেখি
পাইনা দিশা কূল


তুমিও কি বুড়িয়ে গেছ
আমার অপেক্ষাতে
সাপ সাপান্ত করছ আমার
রোজ সন্ধ্যে রাতে


ঝাপসা চোখে হাতরে বেড়াই
তোমায় পাওয়ার আশায়
তোমায় পেলে মন পবনে
ভাসবো ভালবাসায়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28728239 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28728239 2007-08-28 15:02:38
আমার পেশাগত পরিচয় আমার রাজনৈতিক হাতিয়ার আমাদের সমস্যা হলো আমাদের মধ্যে সবাই চায় না দেশ ভাল ভাবে চলুক, আমরা চাই আমাদের সমর্থিত দলই ক্ষমতায় যাক, তাঁরা চোর হোক, দূর্নীতিবাজ হোক, দেশের সম্পদ লুট করুক তাতে আমাদের অনেকেরই কিছু যায় আসে না, আমাদের ডক্টরেট ডিগ্রিধারী শিক্ষক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি, অর্থনীতিবিদের সাইনবোর্ডের আড়ালে আমরা আমাদের সমর্থিত দলকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে ছলে, বলে, কৌশলে যা যা করা দরকার সবই করতে তৎপর। কোন পুলিশের লাঠি, রিমান্ড বা জেল আমাদের দলীয় মনোভাবকে দমাতে পারে না। আমাদের কাছে সবার আগে দল বড়, তারপর দেশ। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দল ছাড়া কেউ দেশের উন্নয়ন করতে পারে না, পারবে না, আর পারলেও আমরা তা মানি না, মানতে পারি না। আমাদের কাছে দেশ কখনও দলের্ উর্ধে নয়। তাই আমরা চট্রগ্রাম, রাজশাহী বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেও শিক্ষক টাইটেল আমার কাছে জামায়াতে ইসলামী প্রচারের হাতিয়ার, আমার সুশীল পরিচয়, আমার সম্পাদক পরিচয়, আমার অর্থনীতিবিদ বা আইনজীবি পরিচয়ের আড়ালে আমার আসল কাজ আমার রাজনৈতিক দলের লেজুরবৃত্তি করা। আমার পেশা দিয়ে আমার টাইটেল ব্যবহার করে বোরখার আড়ালে আমি একজন রাজনৈতিক খেলুড়ে। আমার শিক্ষক, আইনজীবি, অর্থনীতিবিদ পরিচয় আমার রক্ষাকবচ, আমার উপর কোন আঘাত আসলে আমি জনমনে বিভ্রান্তী সৃষ্টি করি, বলি একজন শিক্ষককে কেনো গ্রেফতার করা হলো, একজন মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব পত্রিকার সম্পাদককে কেন গ্রেফতার করে স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার হরণ করা হলো? বাঙালী বড়ই আবেগী জাতি, এদের আবেগকে যদি ঠিক মত কাজে লাগানো যায় তবে ক্ষমতাতো আমাদেরই।

(মন্তব্য আকারে প্রকাশিত হয়েছিল)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28727894 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28727894 2007-08-26 12:40:17
দূর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য, স্বর্পের মস্তকে মনি থাকিলেও তাহা .....
মানুষ যদি ঘাস না খায় তবে নিশ্চই সিভিল আর ডিফেন্সের পার্থক্য বোঝার কথা। সামরিক শাসন কোনো স্বাভাবিক অবস্থা নয়, সামরিক শাসনে জনগনের মৌলিক অধিকার রহিত থাকে। তারা তাদের স্টাইলে দেশ পরিচালনা করেন। এখন দেশে সেমি সামরিক শাসন চলছে। তাই কিছু রাজনৈতিক মুখোশধারী পাবলিক শিথিল মৌলিক অধিকারের সুযোগ নিয়ে লাফালাফি করতে চাইছে।

কোন গনতান্ত্রিক দেশে সামরিক শাসন কাম্য নয়। তবে আমাদের এখনকার আধাসামরিক শাসনের পরিবেশ আমাদের অসহিষ্ণু রাজনীতিবিদদের তৈরী। তারাই এমন অবস্থার সৃষ্টি করেছিল যাতে দেশের সামরিক বাহিনী এতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছে একটি গৃহযুদ্ধের হাত থেকে দেশকে বাচাঁতে। কোন বিপদগামী সেনাপতি তার অসৎ উদ্দেশ্যে এ অবস্থার সৃষ্টি করেনি এটা সচেতন সবাই স্বীকার করবেন। এই আধাসামরিক + তত্বাবধায়ক সরকার একটি স্বল্প মেয়াদের সরকার। কারো যদি সন্দেহ থাকে এই সরকার ২০০৮ এর ডিসেম্বরের আগে নির্বাচন দিবে না । তবে তাদের উচিৎ হবে গেস গেম না খেলে ধৈর্য্য ধারন করা। দেখুন না ২০০৮ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত। তারা যদি নির্বাচন না করে তবে তারা পার পাবে না, দেশের জনগন তাদের ছেড়ে দেবে না।

দেশের সামরিক বাহিনীতো এদেশেরই সন্তান। তাদের কেনো প্রতিপক্ষ বানাচ্ছি আমরা! অসুখ হলে যেমন কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। তেমনি এই বিশেষ অবস্থায়ও কিছু বিধি নিষেধ আমদের ধৈর্য্যের সাথে মেনে চলতে হবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে।

আজ কিছু বিশৃঙ্খল মানুষের উদ্ধত আচরনের জন্য পুরো দেশের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আর আমাদের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের কিছু রাজনৈতিক লেবেলধারী শিক্ষক তাদের শিক্ষক সাইনবোর্ডের আড়ালে তাদের ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থের ঘৃন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

তাই বলতে হয়, "দূর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য, স্বর্পের মস্তকে মনি থাকিলেও তাহা ভয়ঃঙ্কর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28727342 http://www.somewhereinblog.net/blog/bokolomblog/28727342 2007-08-23 14:58:28