আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কে হওয়া উচিত।
২৩ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৪
দলে গনতন্ত্র নাই! দেশের গনতন্ত্রের জন্য মরিয়া আমাদের রাজনীতিবিদেরা! যারা সুযোগে প্রতিবাদ করেছে তারা ভাগ্যের কারনে আজ সংস্কারবাদী। তারা দু'কূল হারা! কারন নেত্রী বিরুদ্ধীতা! গনতন্ত্রে যদি বিরুদ্ধীতাই না থাকে তাহলে মহারাণী ভিক্টরীয় তন্ত্র কায়েম করলে কেমন হয়? হবে কি? সেই তন্ত্র-ই চলছে দুই যুগ। ভাবতেই ভালো লাগে
এই দেশ একই সময়ে দুই জন মহারাণী পেয়েছে। স্বৈরাচার এরশাদের জাতীয় পার্টির একনায়ক তন্ত্র এবং অর্ধ শতকের আ.লীগের এক নায়িকা তন্ত্রের পার্থক্য গোল্ডফিস বাঙালীরা নির্ণয় করবে হয়তো। বিএনপি অনেক দিক দিয়ে জাতীয় পার্টির থেইকা ভালো!! জিয়ার পরে খালেদা জিয়া এসেছে
কিন্তু আমাদের গরীবের বন্ধু মহাপ্রেমিক এরশাদ বিদিশা হয়ে শেষ পর্যন্ত রওশনের নাম রওশন করবে আশাকরি। বহুমতের সংসদ নেত্রীর ইশারায় চলে। তবে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্হায় অহীনা আমাদের মহারাণীদের।
যাই হোক আগামীকাল আ.লীগের কাউন্সিল হবে
। এই দিন অনেকটা আ.লীগের ঈদের দিনের মতো। অন্য সবার মতো এক জন আম পাবলিক হিসেবে আমার ও
আগ্রহ দিন বদলের শপথের অঙ্গীকার রক্ষার আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক কে হয় তা নিয়ে। সরাসরি ভোটে যেহেতু কেউ নির্বাচিত হবে না তাই বলা যায় এক আল্লাহ এবং নিচের মহারাণী নিশ্চয় জানেন সে কে? সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম? না। ওবায়দুল কাদের বা মোহাম্মদ নাসিম? মতিয়া চৌধুরী? মহারাণীর পছন্দ-ই প্রথম এবং শেষ পছন্দ। বাকী যা কিছু সবই আসরের কবুল পড়ানোর অনুষ্ঠান
। যাই হোক আমি ব্যাক্তিগত ভাবে আশা করবো আওয়ামী লীগের সাধারন ত্যাগী নেতা কর্মীদের পছন্দ
কে মহারাণী অন্তত এই দিন বদলের দিনে নির্বাচিত করার সুযোগ করে দিবেন।
গোপন পছন্দ আর সাজানো ভোট কিন্তু গনতান্ত্রিক না
।
আমি তো অনেক কথা বলে যাচ্ছি...
। এবার আপনারা কিছু বলুন...
মানে আ.লীগপন্হি ব্লগারেরা কাকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান আগামীকাল।
১. সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
২. ওবায়দুল কাদের।
৩. মোহাম্মদ নাসিম।
৪. উপরের কেউ না।
৫. আপনার পছন্দ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
সব পদ এক ব্যাক্তি কে দেয়া যায় না বা তা গনতান্ত্রিক না! ![]()
আপনার পছন্দ শেখ হাসিনা?![]()
কানা-বাবা বলেছেন:
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কে বেশ সপ্রতিভ লাগে টিভিতে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত তেমন বড় কোন দূরণীতির অভিযোগও নেই। তাই উনারই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।
লেখক বলেছেন:
যাক আপনার পছন্দ তাহলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
>> উনি কিন্তু গত কিছু দিন আগে পিনাক রন্জনের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন দীপু মনির বক্তব্যের সূত্র ধরে।
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন:
আমার পছন্দ৫. কানা-বাবা (কারন উনি ব্যাপক জ্ঞানী আর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে অনেক ভাল করবেন)
লেখক বলেছেন:
~
ওয়াচডগ৫৭ বলেছেন:
আওয়ামী লীগ শেখ পরিবারের সম্পত্তি, এর সাধারন সম্পদক বলেন আর সভাপতি বলেন সবাই ঐ পরিবারের সেবাদাস। শোনা যাচ্ছে শেখ রেহানা এর সভাপতি হতে যাচ্ছেন। ১৪টা চাদাবাজী মামলার আসামী আমাদের প্রধানমন্ত্রী। এমন একটা পারিবারিক সিন্ডিকেটের কে কোন পদে থাকবে তার কানাকড়ি মূল্য নেই। যে যত ভৃত্যগিড়ি করবে তাকেই তত পুরস্কৃত করা হবে। সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাসত্বের পুরস্কার ঘোষনা দেয়া হবে।এসব আবর্জনা নিয়ে এ ধরনের ব্লগে আলোচনা সমালোচনা না করাই ভাল।
লেখক বলেছেন:
কি আর করা ভাই!
তাহলে রাজ পরিবারের সদস্য রাণী রেহানা নতুন সভাপতি হচ্ছেন।
ভাবতেই ভালো লাগে এরাই আবার গনতন্ত্রের কথা বলে!
এই নেত্রীর সেবা দাসেরাই যে জনগনের ভোটে নির্বাচিত এমপি।
পোকামাকড় নিয়ে-ই যে আমাদের ঘর।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
আমার মনে হয়, সৈয়দ আশরাফুল বেশ গ্রহণযোগ্য। তবে, মতিয়া চৌধুরী হলেও খুব ভালো।
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন:
আমার মনে হয় শেখ হাসিনা আমাকেই ডাকবে......
জুল ভার্ন বলেছেন:
পিনাক রঞ্জন হলে সব চাইতে ভাল হয়!
বল বীর বলেছেন:
সবাই কে ধন্যবাদ।
যাক শেষ পর্যন্ত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পদটা পাইলো।
১ম যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, নাসিমেরা বাদ পড়লো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















কারন
সব ক্ষমতা তার হাতে আর আওয়ামী লীগ হল শেখ হাসিনা লীগ এখানে কোন গনতন্ত্র নেই সবাই হাসিনা বিবিরে তেল মারতে ব্যস্ত।
আওয়ামী লীগে যেহেতু কোন কিছুই শেখ হাসিনার কথার বাইরে কিছু হতে পারে না তাই এ দলের সব পদ শেখ হাসিনা কেই দেওয়া হউক।