ধারনা করা হয় সব মানুষই অল্প বিস্তর জেন্ডার আইডেনটি ডিস অর্ডারে ভোগে। তবে কারো কারো জন্য এ ডিস অর্ডার বেশ জটিল। এ জটিল সমস্যার শুরু হয় যকন, একজন ব্যাক্তি তার জন্মগত লিন্গের সাথে তার সামাজিক লিন্গকে গুলিয়ে ফেলে। আর এ গুলিয়ে ফেলা হতে পারে বিভিন্ন কারনে, কেউ কেউ এটা করে সামাজিক অবস্হান পরিবর্তনের কারনে, কেউ এটা করে সেক্সুয়াল ফ্রাসটেসনের কারনে, কেউবা এটা করে নিছক আনন্দ লাভের কারনে। যখন অসুস্হ ব্যাক্তি নিজের
জেন্ডার লুকিয়ে অন্য জেন্ডারের মাধ্যমে সামাজিক পরিস্হিতি মোকাবেলা করে এবং আত্মপ্রসাদ লাভ করে তার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সেটাকে "জেন্ডার ডিসঅর্ডার" বলা হয়।
এ ডিসঅর্ডারের এক্সপ্রেসন হতে পারে বিভিন্ন ভাবে, সবচেয়ে কমন মেথড হচ্ছে নিজের নাম বদলে দেয়া, যেমন দবির একজন মধ্য বয়স্ক ব্যাক্তি কিন্তু ভারচুয়াল ওয়ার্লডে সামাজিক ভাবে গ্রহনযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য নিজের পরিচয় দেয় কিশোরী সালেহা হিসাবে। এখন কেন কিশোরী সালেহা হিসাবে পরিচয় দেয়, সেটা একটি প্রশ্ন?
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন এর কারন হতে পারে, যে মধ্য
বয়স্ক দবির কোন এক সময় সালেহা নামক কোন কিশোরীর সাথে কোন অন্যায় করেছে, ববং সে অন্যায় মনোভাব থেকে নিজেকে সালেহা ভাবতে থাকে। আর ও হতে পারে সে
মনে করে যে সে যখন কিশোর ছিল, কিশোরীরা তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেনি, তাই নিজের পরিচয় কিশোরী দিয়ে সে কিশোরদের সাথে প্রেমময় আচরন করে নিজের
কিশোর বয়সের সমস্যা ভুলতে চায়। ভার্চুয়াল ইন্টারনেটের প্রসারের সাথে সাথে এ ধরনের জেন্ডার ডিস অর্ডার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, এবং রুগীদের একটা বড় অংশ ভারচুয়াল ওয়ার্লডে থাকে।
তাই সাধু সাবধান !
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



