ভালোবাসার জলাঞ্জলি
২৮ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২১
সেই শেষরাতে
সবকিছু হয়ে যাবে শেষ
হয়ে যাবে মলিন ভালবাসা যত ছিল তোমার আমার
ঈশ্বরের ইঙ্গিতে: দুজনের মনদুটো জুড়বেনা আর, তখন-
আমি আমার স্বপ্নগুলো দিয়ে দেবো তোমায়
বুকের একচিলতে কোণে পুরে নিও তা
সবার অলক্ষ্যে। ।
সেই শেষরাতে
টিনচালে ঝমঝম বরষার সাথে
বিষাদ আত্মা কাঁদবে অনেক
রুগ্ন খাটের এপাশ ওপাশে, নির্ঘুমে
অঝোরে ঝরবে অশ্রু একলা তোমাকে ভেবে,
বুকের হাহাকার দমকা হাওয়ার স্রোতে-
ভাসাবে তোমাকে, আমি জানি..
সেইরাতে
উন্মাদিনীর মত কাঁদবে তুমিও, আর
কষ্টগুলো জড়দেয়ালের আঘাতে ঘুরে ফিরে
বিঁধবে তোমারই বুকে এসে বারবার।
অশ্রুতে মুছে যাবে ভালবাসা ছার ! !
কিইবা করার ছিল আমাদের, বল?
সমাজের চোখে যা ছিল নোংরা,অচ্ছুতএক
প্রেমের সিদ্ধিসাগরে শুদ্ধ করেছিলাম তারে,
রেখেছিলাম মনের আঙিনায়
ঠিক আমাদের মন-গড়া শিশুটির মত
তুলতুলে উদোম গায়ে যে ছুটে বেড়াত আমাদের কল্পনায়
কাঁচা হলুদ রোদে, দুচোখের স্বপ্নগুলো কোঁকড়া চুলে বেঁধে
হয়তবা ভুল ছিল তা-ই।
সেই শেষরাতে
ঈশ্বরের কাছে, ভাগ্যের কাছে, সমাজের কাছে পরাজিত দু মানব-মানবীকে
ব্যাকুল হয়ে কাঁদতে দেখবে পৃথিবী
ভুল করে ভালোবাসার জন্য,
ভুলকে ভালোবাসার জন্য,
অকালমৃত সেই প্রাণটির জন্য-তারা কাঁদবে।
হে সমাজ ! হে ভাগ্য !
সেইরাতে পরাজিত হবে তোমরাও
তোমাদের প্রাপ্য সকল ভালোবাসা আমি আমার মানবীর বুকে-
লুকিয়ে দেবো
যদি তা খুঁজে পেতে চাও
তাকে সুখে রেখো শুধু।
নতুবা মহাকাল সাক্ষ্য দিয়ে বলবে
তোমাদের বিশাল সত্তা, বিস্তর বিধানের লিপিতে
এক যুবক থুতু ছিটিয়েছিল প্রবল ঘৃনায়
বিপুল বৈভবে নষ্ট নারীর মত
বেঁচে রইবে তোমরা চিরকাল
সেই শেষরাত হতে।
প্রকাশ করা হয়েছে: বেদনার জলকাব্য বিভাগে ।
২য় জীবনানন্দ বলেছেন:
ছবিটি ইন্টারনেট হতে নেয়া। আমার ব্যক্তিগত জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট কারো নয়। ছবিটি বিষয়বস্তুর সাথে খুব একটা না মিললেও, বিষয়বস্তু পেছনের অনুভূতির সাথে অনেকটাই মিলে। তাই দেয়া।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
দারুনননননননননননন।অনেক ভালো লাগলো।খুব ভালো হইছে......
ছবিটা নিয়ে দুষ্টামী করে কিছু লেখার সুযোগ পেলাম না।
শুভেচ্ছা জীবনানন্দ।
লেখক বলেছেন: সাজি আপা আমার কবিতায় প্রথম মন্তব্য আপনার হলে কি যে ভালো লাগে। আমার এত প্রিয় এক কবি।
হা হা ! দুষ্টুমী করার মত ফাঁক রাখলে তো !
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালবেলা। : )
সবকিছু হয়ে যাবে শেষ
হয়ে যাবে মলিন ভালবাসা যত ছিল তোমার আমার
ঈশ্বরের ইঙ্গিতে: দুজনের মনদুটো জুড়বেনা আর, তখন-
আমি আমার স্বপ্নগুলো দিয়ে দেবো তোমায়
বুকের একচিলতে কোণে পুরে নিও তা
সবার অলক্ষ্যে। ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে আবেগ টা বড় জ্বালায়। কবিতা খুব শান্তি দেয় তখন। তাইনা?
রাশেদ বলেছেন:
দারুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদভাই।
লেখক বলেছেন: রাতিফ ভাই , অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: তাই নাকি ! ধন্যবোধ করছি !
সাগর নীল বলেছেন:
আপনি জীবনানন্দ আর ছবির মেয়েটিকি বনলতা সেন ? চুল তার কবেকার
লেখক বলেছেন: দুটোই যদি সত্যি হত- বড় ভাল হত ! কিন্তু কোনটাই যে নয় !
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সারওয়ার ভাই।
লেখক বলেছেন: কাকলী ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।
রাগিনী বলেছেন:
নতুবা মহাকাল সাক্ষ্য দিয়ে বলবেতোমাদের বিশাল সত্তা, বিস্তর বিধানের লিপিতে
এক যুবক থুতু ছিটিয়েছিল প্রবল ঘৃনায়
বিপুল বৈভবে নষ্ট নারীর মত
বেঁচে রইবে তোমরা চিরকাল
সেই শেষরাত হতে।
খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাগিনী।
দেবদারু বলেছেন:
তুমি Boss!! এর উপর আর complement দিতে পারছি না আপাতত!! খুব ভালো লাগলো...............+++++
লেখক বলেছেন: বস আপনি দেবদারু ভাই। খুব কি ব্যস্ত?
নিবেদীতা বলেছেন:
এত কথা মনের পাতায় কিন্তু কিছুই লিখতে পারলামনা কেন জানিনা..মন খারাপ লাগছে খুব....
অসাধারণ।
প্রিয়তে....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
২য় জীবনানন্দ বলেছেন:
ধন্যবাদ নিবেদীতা। আপনার মন ভালো করে দিতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে ব্লগে এলে আমার মনটাও এত খারাপ হয়ে যায়..যে কি বলব !
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
যদি বেদনাটাকে ধরা যেতো ঠিকঠাকতবে নীল কস্তুরী নাম দিতাম তাকে...
না, ভিন্ন কোন কারণে নয়
কোন বিয়োগাত্মক অনুভূতিতেও নয়
কিম্বা, প্রিয়মত স্মরণের আক্ষেপেও নয়
আমি তাঁকে নাম দিতাম, আমার গভীরে
যে কবি থাকে, যিনি নিয়ত আমাকে
পংক্তিতাড়িত হতে বাধ্য করেন,
শুধু তাঁর জন্য, কেবল তাঁর জন্য...
না থাক, অগ্রন্থিতই থাক সমাপ্তিটুকু;


















