ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাব, পর্ব-১ (প্রয়োজনীয়তা)

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০

শেয়ার করুন:                   Facebook

অনেকেই দেখছি ধারাবাহিক লিখছেন। আমিও শুরু করি। ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আমাকে কয়েকজন বেশ জেঁকে ধরেছিলেন। এবং এখনও নিয়মিত গালাগালি সহকারে স্মরণ করিয়ে দেন। তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুরু করছি।

এ পর্যন্ত ৩৫ জনকে আমার ব্লগে ব্লক করেছি। নিচে তার তালিকা দেওয়া হলোঃ
১. নেতা ২. কৌশিক ৩. বৃত্তবন্দী ৪. নাদান ৫. রাইফেল ৬. নেমেসিস ৭. বৈকুনঠ ৮. আবদুর রাজ্জাক শিপন ৯. জেনারেল ১০. আরণ্যক যাযাবর ১১. নির্বাক সুশীল ১২. এমিল ১৩. হটডগ ১৪. তামিম ইরফান ১৫. দিশাহারা ওমর সোলাইমান ১৬. বুমবুম ১৭. আসিফ রহমান ১৮. আরিফুর রহমান ১৯. আলিফ দেওয়ান ২০. কেরামত চৌধুরী ২১. সাঁঝবাতি'র রুপকথা ২২.দ্বিতীয়নাম ২৩. ইন্টেল ২৪. মেঘ ২৫. বুলবুল আহমেদ পান্না ২৬. রোবোকপ ২৭. ফরহাদ উিদ্দন স্বপন২৮. মুনীর উদ্দীন শামীম২৯.বিগব্যাং ৩০. নুরুল কবির ৩১. আমি সাগর ৩২.প্রশ্নোত্তর ৩৩.মানুষের পৃথিবী ৩৪. মেন্টাল ৩৫. ড্রিমক্যাচার

সামনে হয়তো এ তালিকা আরো লম্বা হবে। আপনি খেয়াল করলে দেখবেন, এ তালিকায় যাদের নাম আছে তাদের একটি বড় অংশ হাই প্রোফাইলধারী ব্লগার। এদের অধিকাংশের ছাত্রজীবন সোনালী সাফল্যে পূর্ণ। কেউ বুয়েট, কেউ মেডিকেল, কেউ ঢাবির লোভনীয় সাবজেক্টের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র। কারো কারো রেজাল্ট এতটাই উচ্চমানের যে লোকজন শুনলে তার পা থেকে মাথা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করে। বর্তমানে তারা দেশ ও বিদেশের অত্যন্ত উচ্চ পদে আসিন। কেউ কেউ আছেন সাংবাদিক, যারা দেশ ও দশের অভিভাবক, দিক নির্দেশক।

কিন্তু এইসব উচুঁমানের লোকদেরকে আমি কেন ব্লক করতে যাব? কি তাদের সমস্যা? মূলত একটা কারণেই তাদেরকে ব্লক করতে বাধ্য হয়েছি। আর তা হচ্ছে এরা প্রত্যেকে অত্যন্ত নোংরা ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। তাদের কারো কারো গালাগালি এতটাই নিচু শ্রেণীর যে তাদের চেয়ে অতি নিম্নশিক্ষিত রিক্সাওয়ালা, জেলে, চাষি, মজুর- তারাও এসমস্ত গালাগলি শুনলে লজ্জায় কানে আঙ্গুল দেবেন। এই সমস্ত ব্লগারদের এহেন কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে, তারা শিক্ষা অর্জন করেছেন, কিন্তু সুশিক্ষা তাদের কপালে জোটেনি। তারা শিখেছেন কিভাবে সার্জারী করতে হবে, কিন্তু শিখেননি মানুষের সাথে ভদ্রভাবে কিভাবে কথাবলতে হবে। এদের মধ্যের বুয়েট পড়ুয়া প্রকৌশলীরা ইঞ্জিন চালনা শিখেছেন কিন্তু অন্যের মতকে শ্রদ্ধা করতে শেখেননি। এরা ফলে এরা পার্শিয়ালি দেশের সম্পদ হয়েছেন, কিন্তু নৈতিকভাবে দেশ ও সমাজের জন্য ক্ষতিকারক হয়েছেন।

তাদের শিক্ষা প্রমাণ করে, প্রকৃত মানুষ হবার জন্য শুধু শিক্ষাই দরকার নয়, বরং দরকার সুশিক্ষা। ইসলামী শিক্ষাই পারে একজন ছাত্রকে প্রকৃত সম্পদ রূপে গড়ে তুলতে। একদিকে সে সার্জারী করবে, কিন্তু ওই ছুড়ি দিয়ে ডাকাতি করবেনা। চিকিৎসাকে ব্যবসা হিসেবে না নিয়ে মানবতার খেদমত হিসেবে গ্রহণ করবে। ব্যবসায়ের কৌশল শিখবে কিন্তু সেই কৌশল দিয়ে মানুষের পকেট কাটবেনা বরং মানুষের জন্য কল্যাণ কিসে হয় তাই থাকবে তার জীবনের ব্রত। প্রোকৌশল শিখবে কিন্তু সর্বক্ষণ চিন্তা থাকবে কিভাবে এ কৌশল দ্বারা মানুষের কল্যাণ করা যায়। সমাজের নিম্নশ্রেণীর মানুষকে সম্মান করতে শিখবে, ভালবাসতে শিখবে, ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা করতে শিখবে, যুক্তিপূর্ণ কথাকে মেনে নিতে শিখবে, নিজের মতকে সেক্রিফাইস করতে শিখবে।

এমন ধরণের ছাত্র-ছাত্রী তৈরীর জন্য প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ নয়। প্রয়োজন সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা। আর ইসলামই তেমন শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার সর্বোত্তম জীবন ব্যব্স্থা।

(চলবে)

 

 

  • ২০ টি মন্তব্য
  • ২৩৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ১৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: আহমেদ মাহদী আকেফ বলেছেন: ভালো লেখা
২. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: এ পর্যন্ত ৩৫ জনকে আমার ব্লগে ব্লক করেছি। নিচে তার তালিকা দেওয়া হলোঃ
১. নেতা ২. কৌশিক ৩. বৃত্তবন্দী ৪. নাদান ৫. রাইফেল ৬. নেমেসিস ৭. বৈকুনঠ ৮. আবদুর রাজ্জাক শিপন ৯. জেনারেল ১০. আরণ্যক যাযাবর
১১. নির্বাক সুশীল ১২. এমিল ১৩. হটডগ ১৪. তামিম ইরফান
১৫. দিশাহারা ওমর সোলাইমান ১৬. বুমবুম ১৭. আসিফ রহমান ১৮. আরিফুর রহমান১৯. আলিফ দেওয়ান ২০. কেরামত চৌধুরী
২১. সাঁঝবাতি'র রুপকথা ২২. দ্বিতীয়নাম ২৩. ইন্টেল ২৪. মেঘ ২৫. বুলবুল আহমেদ পান্না ২৬. রোবোকপ ২৭. ফরহাদ উিদ্দন স্বপন২৮. মুনীর উদ্দীন শামীম২৯. বিগব্যাং ৩০. নুরুল কবির
৩১. আমি সাগর ৩২. প্রশ্নোত্তর৩৩. মানুষের পৃথিবী ৩৪. মেন্টাল
৩৫. ড্রিমক্যাচার

--------------


এদের অপরাধ এরা শিবির করেন না।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: এদের অপরাধ এরা নোংরা ও অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে। পোস্ট পইড়া মন্তব্য করেন।

৩. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: আহমেদ মাহদী আকেফ বলেছেন: Discussion of Results

When I began this research I knew that my schooling at Stella Maris was more
superior to what my peers had received at other schools. Among my reasons for
thinking like this was not because it was a single-sex school, but due to the prestigious
nature of the school. I had my own grievances towards the school because of its
overarching emphasis on home economics and humanities subjects. I hypothesized that
Stella Maris led to domestication or the choice of a traditional career path. What I did
not realize was how effectively single-sex education was impacting the lives of young
girls and boys. This research made me reach the conclusion that girls in single-sex
schools were learning in a world without the destructions of the adolescent social
agenda. To underscore this point, the descriptive data from student questionnaires
revealed that girls (85%) and boys (93%) in single-sex schools had higher levels of
aspirations for college education than girls (73%) and boys (84%) in coeducational
schools. Girls (78%) and boys (83%) in single-sex schools also placed more value on the
importance of achieving higher education compared to girls (57%) and boys (61%) in
coeducational schools. When asked to rank the importance placed on achieving a
successful career, the results showed that more girls (78%) and boys (81%) from singlesex
schools ranked this item higher than girls (33%) and boys (60%) from coeducational
schools. More girls (37%) and boys (64%) in single-sex schools aspired for engineering
compared to girls (16%) and boys (45%) in coeducational schools. In relation to
preference for traditional careers for women, the difference between girls and boys was
distinct regardless of the school they attended. More girls aspired for nursing (60%) and
teaching (48%) than boys (3% and 13% respectively). This finding alludes to the fact that
single-sex schools have a similar impact on both girl’s and boys’ aspirations for higher
education and non-traditional careers. However, aspirations for traditional careers among
girls are the same regardless of the school environment.
While these results point to the effectiveness of single-sex schooling for both boys
and girls, it is important to note that single-sex school environments had adverse effects
on boy’s attitudes and perceptions towards women. Less boys in single-sex schools
(37%) believed that women should have the same opportunities for advancement in
scientific careers compared to boys (43%) in coeducational schools, neither were they
optimistic about women entering technical fields. More boys in single-sex schools (51%)
agreed with the stereotype that getting married is more important in a woman’s life than a
career compared to boys in coeducational schools (23%). More boys in single-sex
schools (40%) held the belief a woman should spend more time helping a husband’s
career than her own compared to boys in coeducational schools (35%).

Journal of International Women’s Studies Vol. 9 #3 May 2008 page no. 235
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ দেব, বুঝতে পারছিনা। আমি ঠিক এমনই একটি গবেষণামূলক ডাটা অনুসন্ধান করছিলাম যেখানে কো-এডুকেশন যে খোদ পাশ্চাত্যেই ক্ষতিকারক হিসেবে চিন্হিত হতে শুরু করেছে। দয়া করে সাম্প্রতিক আরো কোন ডাটা থাকলে সরবরাহ করবেন। আপনাদের সহয়োগীতায় হয়তো একটি সমৃদ্ধ লেখা দাঁড় করানো যাবে।

৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৪
comment by: আহমেদ মাহদী আকেফ বলেছেন: ঢাকা কলেজ, নটরডেম কলেজ, ভিকারুন্নেছা স্কুল এন্ড কলেজ, হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, গভর্মেন্ট বয়েজ স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডে…………………এগুলোর রেজাল্ট ভালো কেন ?আমার যুক্তি ও তথ্যনির্ভর লেখাটি প্লিজ পড়ুন ।…………………………..এবারের এসএসসির রেজাল্টে জিপিএ ৫ পাওয়া দেশের শীর্ষ ২০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৩৯ টি সহশিক্ষা । মাথায় ঢুকছে ?
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কিন্তু আপনার কথার ধরণটি দ্বিধাজনক। আপনার মন্তব্যের সাথে আমার পোস্টের কি কোন বিরোধ আছে?

৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২০
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: পোষ্টের শুরুতেই দারুন চমক... একেবারের মানানসই উদাহরণ দিয়ে শুরু করেছেন.. চমৎকার... +++++
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: চলমান বিষয়গুলো উদাহরণ হিসেবে পেশ করেই লিখতে চাই। ধন্যবাদ উৎসাহের জন্য। আপনার হাতে কোন ডাটা থাকলে দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

৬. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩১
comment by: তেলাপোকা বলেছেন:
ব্যান করে কি লাভ হইছে? ওরা আগে চিপায় **কি মারতে এখনতো সোজা হেড লাইট জ্বালিয়ে মারবো। সবাইরে আন ব্যান করে আপাতত লেখালেখি বন্ধ করেন। অন্ধ ভক্ত হবার চেয়ে ছাগল হওয়া ভালো। ছাগল অন্তত নিজের ইচ্ছেয় ঘাস খায় আর লাদে।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে দ্বিতীয়বার সতর্ক করতে হবেনা আশা করি। কোনভাবেই অশ্লীলতাকে আমার ব্লগে প্রশ্রয় দেওয়া হয়না।

৭. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৩
comment by: আহমেদ মাহদী আকেফ বলেছেন: ম্প্রতিক সময়ে ইউরোপ ও আমেরিকাতে শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। অনেকটা অবাধ স্বাধীনতা ও নানাবিধ কারণে পশ্চিমা বিশ্বের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে শিক্ষার্থীদের ফলাফল দিনদিন খারাপের দিকে যাচ্ছিল। বিশেষ করে ছেলে মেয়েদের সহাবস্থান ও অবাধ মিশ্রনের সুবাদে একদিকে যেমন নারী নির্যাতন, অপ্রাপ্ত বয়সে গর্ভধারণ, লিভটুগেদার, যৌনব্যাধির সংখ্যা প্রভৃতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল, অন্যদিকে তাদের একাডেমিক ফলাফলও অনেক নিম্নগামী হচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা নীতিনির্ধারক ও অভিভাবকেরা ছেলেমেয়ের পড়াশুনার জন্য পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকতে থাকে। বর্তমানে অধিকাংশ অভিভাবক সন্তানদেরকে পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে অনেকটাই প্রতিযোগিতা করে থাকেন। কারণ এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক থেকে ছেলেমেয়েদের সম্মিলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেক এগিয়ে। স¤প্রতি ২০০৮ ইং সালে মে মাসে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত জার্নাল অফ ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স স্টাডিস দু’ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সফলতার ক্ষেত্রে এক চমকপ্রদ পরিসংখ্যান পেয়েছেন।

পরিচালিত জরীপ থেকে দেখা যায় বালিকা বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরতদের ৮৫ শতাংশ বালিকা এবং বালক বিদ্যালয়গুলো থেকে ৯৩ শতাংশ বালক কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। পক্ষান্তরে সম্মিলিত স্কুল থেকে মাত্র ৭৩ শতাংশ বালিকা এবং ৮৪ শতাংশ বালক কলেজে ভর্তি হতে পারে। তাছাড়া পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ৭৮ শতাংশ বালিকা এবং ৮৩ শতাংশ বালক উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পায়। পক্ষান্তরে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাত্র ৫৭ শতাংশ বালিকা এবং ৬১ শতাংশ বালক উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ পায়। উপরন্তু পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৮ শতাংশ বালিকা এবং ৮১ শতাংশ বালক ভাল প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য নির্বাচিত হয়। পক্ষান্তরে সহশিক্ষা প্রতিষ্টানের মাত্র ৩৩ শতাংশ বালিকা এবং ৬০ শতাংশ বালক ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পায়। এছাড়া পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭ শতাংশ বালিকা এবং ৬৪ শতাংশ বালক ইঞ্জিনিয়ারিংএ পড়ার যোগ্যতা অর্জন করে। পক্ষান্তরে সহ শিক্ষা থেকে মাত্র ১৬ শতাংশ বালিকা ও ৪৫ শতাংশ বালক এ যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। নার্সিং ও শিক্ষকতায় মেয়েদের অংগ্রহণ যথাক্রমে ৬০ শতাংশ ও ৪৮ শতাংশ এবং ছেলের অংশগ্রহণ ৩ শতাংশ ও ১৩ শতাংশ পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তুলনা সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অনেক পিছিয়ে পড়ার পেছনে ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স স্টাডিজের জার্নালের গবেষনায় অনেকগুলো কারণ বেরিয়ে এসেছে।
এতে দেখা যায় সহ শিক্ষার ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলে বন্ধু কিংবা শিক্ষকদের দ্বারা অনেকভাবে নির্যাতিত হওয়ার পাশাপাশি ছেলে মেয়েরা একে অপরের দ্বারা আকৃষ্ট হয় কিংবা হওয়ার পিছনে অনেক চিন্তা, সময় ও অর্থ ব্যয় করে ফলে তাদের একাডেমিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশুনা ও অন্যান্য ব্যাপারে অধিক মনোযোগী হতে পারে।
প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ভালো ফলাফল করার দিক থেকে সিঙ্গেল সেক্স বা পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ অনেকটাই অপ্রতিদ্বন্দী। বিগত কয়েক বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সহ সকল পর্যায়ের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় প্রায় ৯০ শতাংশের উপরে ভালো ফলাফল অর্জন করা প্রতিষ্ঠান সমূহেই ছেলেমেয়েদেরকে পৃথকভাবে শিক্ষাদান করা হয়। দেশের ভালো ফলাফলধারী তথা নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন- দেশের জেলা শহরের সবগুলো জিলা স্কুল অর্থাৎ জেলা বালক ও বালিকা বিদ্যালয়, সবগুলো ক্যাডেট কলেজ, খালেদা জিয়া মেডিকেল কলেজ, ঢাকা কলেজ, নটরডেম কলেজ, ভিকারুন্নেছা স্কুল এন্ড কলেজ, হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, গভর্মেন্ট বয়েজ স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রভৃতি। বলতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের একটা সাধারন বৈশিষ্ট্য হলো ছেলেমেয়েদের পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি। পশ্চিমা বিশ্ব একটু দেরিতে হলেও তাদের শিক্ষার্থীদের বিপর্যয়ের কারণ চি‎হ্নিত করতে পেরেছে। ফলে তারা তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছে। বাংলাদেশ এদিক থেকে তুলনামুলক স্কুল ও কলেজ শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাল অবস্থানে থাকলেও উচ্চ শিক্ষার মান নিয়ে রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। এ ব্যাপারে কারণ অনুসন্ধান করা দরকার। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরে বলে থাকেন পড়াশুনা যা শেখার স্কুল কলেজেই সুযোগ পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পারছি কই? অথচ এখান থকেই দেশের আগামী দিনের কারিগর তথা নেতৃত্ব আসার কথা। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা এবং ছাত্র রাজনীতি অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ। একদিকে পাশ্চাত্য সাংস্কৃতির আগ্রাসন অন্যদিকে তরুন তরুনীদের অবাধ মিশ্রনের সুযোগ তাদের শিক্ষা গবেষনায় মনোযোগহীনতা সৃষ্টি করছে। বর্তমানে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তরুন-তারুনীদের অবাধ মেলামেশার পেছনে অধিক সময় দেয়া, বিভিন্ন মরন নেশায় আসক্ত হওয়া (ট্যাবলেটিং, ফেনসিডাইলিং, মোবাইলিং, কম্পিউটারিং), বড় আপু-ভাইয়াদের নোট মুখ¯Í করে পরীক্ষা দেয়া এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক দলের লেজুরবিত্তি তথা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি অনেকটাই সাধারন রূপ লাভ করেছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্রদের নিরবতা দেখে জনৈক লোক সেদিন আক্ষেপ করে বলছিলেন- দেশটা বিক্রি হয়ে গেলেও সম্ভবত আমাদের ছাত্রদের ঘুম ভাঙ্গবে না এবং তিনিই বলছিলেন, ঘুম ভাঙ্গবে কি করে, তাদেরকেতো ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। আমাদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক একাডেমিক মান অর্জনের জন্য নতুন করে ভাবতে হবে। নির্মম হলেও সত্য বিশ্বের কয়েকশত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা করা হলেও সেখানে আমাদের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম খুঁজে পাওয়া যায় না।
দেশে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ব্যাপারে স্বঘোষিত কিছু সুশিল ও নারীবাদীরা খোঁড়া আপত্তি জানালেও, সম্প্রতি মেয়েদের জন্য পৃথক খালেদা জিয়া মেডিকেল কলেজ করা হলে তা অতি অল্প সময়ে ঈর্ষণীয় সফলতা অর্জন করেছে। বর্তমানে মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের তালিকা থেকে সর্বপ্রথম পূরন হয় মেয়েদের এই মেডিকেল কলেজটি। তাই পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে কিছু মুখস্ত কথা ও হীনমন্যতা বোধ না করে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে যোগ্য করে গড়ে তোলে দেশকে বিশ্ব দরবারে টিকে থাকতে হলে বাস্তবতা উপলব্ধি করে নিজেদের আর্থ সামাজিক ও নিজস্ব মূল্যবোধের আলোকে শিক্ষা পদ্ধতিকে ঢেলে সাজাতে হবে। কারণ যে পশ্চিমাদের অনুসরনে আমরা চলতে চাই তারা নিজেরাই দিক পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে, খবর রাখেন কি?
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার লেখাটি পড়েছি। চমৎকার বিশ্লেষণ।

৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
comment by: আহমেদ মাহদী আকেফ বলেছেন: ২০০৮ সালের ফলাফলে দেশের শীর্ষ ৩ স্কুলের শিক্ষাদান পদ্ধতি
১. মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ- জিপিএ ৫ পেয়েছ- ৭৬৭ জন
২. ভিকারুন্নেছা নুন স্কুল এন্ড কলেজ- জিপিএ ৫ পেয়েছ- ৬৭৮ জন
৩. মণিপুর হাইস্কুল- জিপিএ ৫ পেয়েছ- ৬৫২ জন
উপরের তিনটিই পৃথক শিক্ষাপদ্ধতি

২০০৮ সালের ফলাফলে দেশের শীর্ষ ৩টি কলেজের নাম
১. নটরডেম
২. সিটি কলেজ (ছেলে মেয়ে আলাদা ক্লাস)
৩. ভিকারুন্নেছা
উপরের তিনটিই পৃথক শিক্ষাপদ্ধতি

২০০৮ সালের ফলাফলে বিভিন্ন বোর্ডের শীর্ষ ১০ স্কুলের শিক্ষাদান পদ্ধতি
ঢাকা বোর্ডে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি-৭টি এবং সহশিক্ষা ৩টি
চট্টগ্রাম বোর্ডে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি-৬টি এবং সহশিক্ষা ৪টি
কুমিল্লা বোর্ডে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি-৮টি এবং সহশিক্ষা ২টি
রাজশাহী বোর্ডে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি-৭টি এবং সহশিক্ষা ৩টি
যশোর বোর্ডে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি-৭টি এবং সহশিক্ষা ৩টি
বরিশাল বোর্ডে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি-৮টি এবং সহশিক্ষা ২টি
সিলেট বোর্ডে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি-৬টি এবং সহশিক্ষা ৪টি
মোট-৭০
পৃথক শিক্ষা-৪৯
সহশিক্ষা-২১
৯. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৪
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: "ইসলামী শিক্ষাই পারে একজন ছাত্রকে প্রকৃত সম্পদ রূপে গড়ে তুলতে। একদিকে সে সার্জারী করবে, কিন্তু ওই ছুঁড়ি দিয়ে ডাকাতি করবেনা।"

আপনি এখানে ইসলামী শিক্ষা বলতে কি বোঝাতে চাচ্ছেন? ডাক্তারি পাঠের অন্যতম নৈতিক পাঠ হচ্ছে সবার নি:স্বার্থ সেবা করা। কিন্তু ডাক্তার এমন অনৈতিক কার্যকলাপের উৎস সামাজিক অবক্ষয়। এই সামাজিক শিক্ষাগুলো আসে পরিবার থেকে। পরিবার থেকেই একটি শিশু আদব কায়দা ন্যায় অন্যায় শেখে। ধরুন পরিবারটি মুসলিম এবং নামাজী কিন্তু বাবা ঘুষ খায়। তার মানে সে নামে মুসলিম কাজে অন্য কিছু। এই অবস্থায় ইসলামী শিক্ষা কি পরিবর্তন আনবে?

সমাজকে পরিবর্তন না করে কতগুলো পাঠ্যপুস্তকে নীতির কথা লিখে দিলেই কি পরিবর্তন আনা সম্ভব?

শরিয়া আইন ও আপনার কথা অনুযায়ী ইসলামী শিক্ষা বলবৎ আছে বিশ্বের অনেক দেশে যেমন পাকিস্তান, সৌদি আরব ইত্যাদি। ওইসব দেশে দুর্নীতি নাই আপনি বলতে চাচ্ছেন? ওইসব অণ্চলের লোকেরা আমাদের দেশের লোকের থেকে বেশী পরিমান দুর্নীতিবাজ। মুখে ইসলামের কথা বলে কিন্তু তলে তলে মদ খাওয়া, হারাম কাজ সবই চলে। তাদের মত ধনীরা যদি বিশ্বের দরিদ্র মুসলমানদের ঠিকমত জাকাত দিত তাহলে বিশ্বে হয়ত দারিদ্রের লেশমাত্র থাকত না।

কাজেই দরকার ইসলামী শিক্ষা নয়। ইসলামী (বা যে কোন প্রধান ধর্মের মৌলিক নীতিগুলির) আদর্শের চর্চা আমাদের জীবনে। কারও ক্ষতি করব না, মিথ্যা বলবনা, অপরকে সাহায্য করব। নবী মোহাম্মদের মত বিনম্র হয়েই আদর্শ প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত থাকব।

এগুলো তো বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় পাঠ্যপুস্তকে আছেই। কাজেই দরকার ওগুলোর সঠিক প্রয়োগ এবং সামাজিক সচেতনতা।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন:
আপনি বলেছেন "সমাজকে পরিবর্তন না করে কতগুলো পাঠ্যপুস্তকে নীতির কথা লিখে দিলেই কি পরিবর্তন আনা সম্ভব?"

ইসলামী শিক্ষার রূপরেখা নিয়ে এখন পর্যন্ত কথাই বলিনি। শুধু বইয়ের মধ্যে কতগুলো নীতিমালাই ইসলামী শিক্ষা নয়।

আপনি বলেছেন "কাজেই দরকার ইসলামী শিক্ষা নয়। ইসলামী (বা যে কোন প্রধান ধর্মের মৌলিক নীতিগুলির) আদর্শের চর্চা আমাদের জীবনে। "

এই ইসলামী আদর্শ চর্চার পূর্ণাঙ্গ রূপই ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা। সামনে আসবে সে বিষয়।

১০. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০১
comment by: রাগিব বলেছেন: ২০০৮ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখা যাক

চট্টগ্রাম বোর্ড - শীর্ষ কলেজগুলো - যথাক্রমে, চট্টগ্রাম কলেজ (সহশিক্ষা), মহসিন কলেজ (সহশিক্ষা), সরকারী বাণিজ্য কলেজ (সহশিক্ষা), ইস্পাহানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ (সহশিক্ষা), সিটি কলেজ (সহশিক্ষা), চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ (সহশিক্ষা), ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (অসহশিক্ষা), চট্টগ্রাম মহিলা কলেজ (অসহশিক্ষা), নৌবাহিনী কলেজ (সহশিক্ষা), কক্সবাজার সরকারী কলেজ (সহশিক্ষা) === সহশিক্ষা = ৯/১০ = ৯০%।

সিলেট বোর্ড - এমসি কলেজ (সহ), জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ (সহ), সিলেট সরকারী মহিলা কলেজ (অসহ), সিলেট ক্যাডেট কলেজ (অসহ), মৌলভীবাজার সরকারী কলেজ (সহ), The Bud's Residential Model School & College, সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ (সহ), বৃন্দাবন সরকারী কলেজ (সহ), শ্রীমঙ্গল কলেজ (সহ), জালালাবাদ ইউনিভার্সিটি কলেজ (সহ) === সহশিক্ষা = ৮/১০ = ৮০%।

রাজশাহী বোর্ড - রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ (সহ), বগুড়া এ এইচ কলেজ (সহ), রংপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ (সহ), রাজশাহী সিটি কলেজ (সহ), বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল আন্ড কলেজ (সহ), দিনাজপুর সরকারী কলেজ (সহ), রংপুর সরকারী কলেজ (সহ), সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ (সহ), পাবনা শহীদ বুলবুল কলেজ (সহ), উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজ (সহ)।
=== সহশিক্ষা = ১০/১০ = ১০০%।


যশোর বোর্ড - যশোর ক্যান্টনমেন্ট (সহ), খুলনা সরকারী মহিলা কলেজ (অসহ), খুলনা এম এম সিটি কলেজ (সহ), খুলনা পাবলিক কলেজ (সহ), কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ (সহ), ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ (অসহ), যশোর বিএএফ শাহীন কলেজ (সহ), ঝিনাইদহ সরকারী কেসি কলেজ (সহ), চুয়াডাঙা সরকারী কলেজ (সহ), সাতক্ষীরা শেখ আমানত কলেজ (সহ)।
=== সহশিক্ষা = ৮/১০ = ৮০%।

কুমিল্লা বোর্ড - কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ (সহ), আবদুল মাজেদ কলেজ (সহ), কুমিল্লা ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল আন্ড কলেজ (সহ), কুমিল্লা ক্যাডেট (অসহ), নোয়াখালী সরকারী কলেজ (সহ), কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারী কলেজ (সহ), চাঁদপুর হাজীগঞ্জ মডেল কলেজ (সহ), ফেনী সরকারী কলেজ (সহ), ব্রাহ্মণবাড়িয়া কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কলেজ (সহ)।
=== সহশিক্ষা = ৯/১০ = ৯০%।

বরিশাল বোর্ড - অম্রিতলাল দে কলেজ (সহ), বরিশাল সরকারী মহিলা কলেজ (অসহ), হাতেম আলী কলেজ (সহ), বরিশাল ক্যাডেট (অসহ), পিরোজপুর শহীদ স্মৃতি কলেজ (সহ), ভোলা নাজিউর রহমান কলেজ (সহ), পিরোজপুর সরকারী মহিলা কলেজ (সহ), গৌরনদী মাহিলারা কলেজ, গলাচিপা ডিগ্রি কলেজ (সহ), বেতাগী ডিগ্রী কলেজ (সহ), বাবুগঞ্জ কলেজ (সহ), চরফ্যাশন কলেজ (সহ)।
=== সহশিক্ষা = ৯/১২ = ৭৫%।

--------------------------


এখানে সুস্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, সহশিক্ষা বিশিষ্ট কলেজগুলো এইচএসসি পরীক্ষাতে দেশের অধিকাংশ বোর্ডের শীর্ষ ১০টি স্থানের অধিকাংশ দখল করে নিয়েছে। ঢাকার ভালো কলেজগুলোতে সহশিক্ষার চল নেই, তার সাথে ফলাফলের আদৌ কোনোই সম্পর্ক নেই। পরিসংখ্যানের আংশিক উপস্থাপন, ও কায়দা করে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কখনোই ভুল তত্ত্বকে সঠিক প্রমাণ করা চলে না।
১১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩১
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: ভাই আপনি আমার প্রশ্ন গুলি পয়েন্টে উত্তর দেন,এভাবে আজাইরা প্যাচাল না পেরে, আপনাকে তারা গালি দিয়েছে আপনার রাজনৈতিক ওরিয়েন্টেশনের জন্যে। জামাত শিবির গালির যোগ্য।

আপনি পয়েন্টে উত্তর দেন প্লীজ।

আপনি এবং

আহমেদ মাহদী আকেফ
রাগিব ভাই এর প্রশ্নের উত্তর দেন প্লীজ।

আর সেই সাথে বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সবই কো এদুকেশনের, এই কথার বিপক্ষে কাউন্টার আর্গুমেন্ট পারলে দেন।
১২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৬
comment by: হলদে ডানা বলেছেন: চলুক। তুহিন আমার পোস্টেও প্রশ্ন রেখে এসেছিল। আমিও ভাবছিলাম ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার উপরে পোস্ট দেব।

@ আরিফুল তুহিন, বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে কো-এডুকেশন কি সিঙ্গেল এডুকেশন তা ইসলামের বিবেচ্য বিষয় নয়। ইসলাম মানুষের জন্য যেটি কল্যাণকর বিবেচনা করে তা প্রতিষ্ঠার জন্যই তার অনুসারীদের কাজ করার নির্দেশ দেয়। আর একজন বিশ্বাসী মুসলিমের কর্তব্য হচ্ছে স্রষ্ঠার বিধানকে সত্য মেনেই অতপর তার কল্যাণকারীতা নিয়ে অনুসন্ধানে প্রবৃত্ত হওয়া, যেমন জ্যামিতে সাধারণ নির্বচনকে সত্য ধরেই তার প্রমাণে অগ্রসর হতে হয়।

এ পর্বের বিষয় সম্ভবত কো এডুকেশন নয়।
১৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: হলদে ডানা


আপনার জ্যামিতি জ্ঞানে যার পর নাই খুশি হইলাম।

জ্যামিতিতে সাধারন নির্বচন কে সত্য ধরা হয় না,প্রমানের আগ পর্যন্ত সাধারন নির্বচন কে ধরা হয় "হাইপোথিসিস"

আশাকরি হাইপোথিসিস আর প্রমানিত সত্যের মাঝে পার্থক্য বুঝবেন।

আসিফ ইউক্লিডের এলিমেন্টস এর প্রথম চার খন্ড অনুবাদ করেছেন।বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশ হয়েছে।ভুমিকায় জ্যামিতিক প্রমানের বস্তুগত অর্থ এবং বিমুর্ততা আলোচিত হয়েছে।

মওদুদীর লেখার পাশাপাশি বইটা পড়লে এজাতীয় আবজাব কথা বলবেন না

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৩৮৫৮