সেনজেন বর্ডার বিচিত্রতা
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪
ইউরোপিও ইউনিয়নভূক্ত ২৫ টি দেশের সম্মিলিত ল্যান্ড এরিয়াকে সেনজেন এরিয়া বলা হয়ে থাকে। সেনজেনভূক্ত দেশগুলোর অনেক কিছু কমন করে দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো এসব দেশের লোকজন ভিসা ছাড়া (অনেক ক্ষেত্রে কোনরকম চেকিং ছাড়াই) এই ২৫ দেশে ভ্রমণ করতে পারবে। অনেক দেশের বর্ডারের এসব কন্ট্রোল পোস্ট একেবারে উঠিয়েই দেয়া হয়েছে।

এটা জার্মানি এবং অস্ট্রিয়া এর বর্ডারের একটা ছবি। রাস্তার মাঝখানে সবুজ ঘাসে ছাওয়া যে ট্র্যাফিক আইল্যান্ড দেখা যাচ্চে ওখানে এককালে কন্ট্রোল পোস্ট ছিল। ২০০০ সালে তা সরিয়ে ফেলা হয়।
![]()
এটা জার্মানি আর নেদারল্যান্ডস বর্ডারের একটা ছবি। এখানে বামে টার্ন নেয়ার যে লেইনটা ( রাস্তায় লেফট আ্যরো আঁকা ) দেখা যাচ্ছে ওটা নেদারল্যান্ডস এর মধ্যে পড়েছে। আর মেইন রাস্তাটা ( সোজা আ্যরো আঁকা ) জার্মানির ভিতরে।
![]()
এটা নেদারল্যান্ডস এবং বেলজিয়ামের মধ্যের বর্ডার, একটা ক্যাফের মধ্যে দিয়ে চলে গিয়েছে। বাম পাশে নেদারল্যান্ডস আর ডানে বেলজিয়াম।
![]()
এই খয়েরি রংয়ের বিল্ডিংটার (Eurode Business Centre) মধ্যে দিয়ে চলে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস এবং জার্মানির বর্ডার। এবং এই ফ্যাসিলিটির নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছে ডাচ-জার্মান পুলিশ বাহিনী সমন্বিত একটা টিম।
রেফারেন্স : উইকিপিডিয়া
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দূরন্ত বলেছেন:
মজার তো। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
পেন্সিল বলেছেন:
সুপার...
লেখক বলেছেন: ডুপার হিট ![]()
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন:
মন বড় থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব ।
লেখক বলেছেন: সাথে বিচক্ষনতাও থাকতে হবে।
কানা-বাবা বলেছেন:
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন: মন বড় থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব ।ঠেইকা শিখছে। ২য় বিশ্বযুদ্ধের কথা ভালই মনে আছে তাদের।
লেখক বলেছেন: আস্তে আস্তে ইউরোপের অন্য সব দেশও ইউনিয়নের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। শেষ ঢুকেছে সুইটজারল্যান্ড, ২০০৮ এর ডিসেম্বরে। তবে ইংল্যান্ড এখনও নাক উচু ভাব বজায় রেখে চলছে।
মুহিব বলেছেন:
আশ্চর্য তো!!!
লেখক বলেছেন: হুমম... এটা আমাকে প্রথম দেখায় আমার এক বন্ধু, সে ফিনল্যান্ডে থাকে। দেখে আমিও অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
সেনজেন দেখলে টের পাওয়া যায় ঐক্যের শক্তি কত দারূণ। জার্মানী থেকে চেক রিপাবলিক ঢুকে যাচ্ছি ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ যাবার মত,
পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্স , টের পেতে হয় সাইন দেখে; আমরা বাইরের বোঝাই যায়, তাও কোনো চেক নাই !
লেখক বলেছেন: হুমম....একতাই শক্তি।
ওখানের বেশীরভাগ দেশই অর্থনৈতিক, সামাজিক ভাবে কাছাকাছি হওয়াতে এতটা সম্ভব হয়েছে। আবার অনেক দূর্বল দেশ ইউনিয়নের মধ্যে এসে অনেক লাভবান হয়েছে যেমন লিথ্যুনিয়া, লাটভিয়া কিংবা এস্তোনিয়া ।
বুমবুম বলেছেন:
আমরা কই পইড়া আছি!
লেখক বলেছেন: আমরা পড়ে আছি এখানে --

লেখক বলেছেন: এটা আগরতলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ছবি।
লেখক বলেছেন: এতগুলা প্লাস আমি কই রাখি বলেন তো। ধন্যবাদ।
সুবিদ্ বলেছেন:
ইশ! আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে এমন সম্পর্ক হয়তো কোনদিনই হবেনা.........
লেখক বলেছেন: খুব বেশী অসম্ভব কথা কিন্তু বলেন নাই আপনি। পাশের দেশ নেপাল আর ভারতের মধ্যে এরকম কিছু চালু আছে বলেই জানি।
যীশূ বলেছেন:
মজার।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
হুমম,ছবি দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছি। শত-শত শতাব্দী ধরে চলা অনেক রকম যুদ্ধ ছেড়ে নিজেদের মধ্য এভাবে সম্পর্ক গড়া আসলে ইউরোপের অনেক বড় অর্জন।আর ইংল্যান্ড হয়ত অন্য কারণ। ইউরোপীয় ইউনিয়ন শক্তিশালি হলে আমেরিকার আধিপত্য খর্ব হবে এবং আমেরিকার খাচ চামচা ব্রিটিশরা কিভাবে সেই বিপক্ষ শক্তিকে বর্ধিত হতে সাহায্য করে।
লেখক বলেছেন: ওরা শুধু পুলিশ আর বিচারকাজের সাহায্য করবে ইউরোপিও ইউনিয়নের সাথে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শয়তান বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
খুব সুন্দর পোষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মম। আমার আন্ডারগ্র্যাডে রোল নাম্বার ছিল ১২ ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















