somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... স্বপ্নের নাম ব্রিজ ১.
স্বপ্নে তুমিও কি শুধু দেখো লজ্জানত নিজ
দাঁড়িয়ে আছো এই উন্নত অপরের উঠানে
তা-পরে যেনতেন উপায়েঁকে গড়তে চেয়ে ব্রিজ
মনের ভরা কথা বলে যাও বিরতিহীন গানে?

২.
কোটি টাকার টেন্ডারে ব্রিজ খেতে পায় দু'লাখ
যথেষ্ট কি সুষম খাদ্য হয় তাতে ব্রিজের
জন্ম-পরে তাই তার দেহে শ-সহস্র ফাঁক
ভেঙে পড়লে বুঝবে, আসলে, এ-ভাঙাটা নিজের।

৩.
অপর খুব খুশী, এই ব্রিজ হোক, মোটে না-হোক
উভয়ই তার ফরে, উভয়েই প্রফিট আছে তার---
এমনকী যদি তা ভেঙে তোতে ছুটেও আসে শোক
তুমি হয়তো, এই শোক মেপে, বলবে অতি ভার।

৪.
বরং তুমি ঘুম থেকে উঠে দেখো উঠেছে কি না
তোমার বাড়ি, পাশ-বাড়ি আর পাশের পাশ-বাড়ি
যদি না, তবে, জাগাতে জাগাতে ফুলিয়ে নিজ সিনা
এধার যত সব স্বপ্নকে জানিয়ে দাও আড়ি।

__________________________]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29417404 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29417404 2011-07-21 21:26:37
আমাদের রাজনীতি আমাদের রাজনীতি, গায়ে তার বিষধর ঘাম
এ-গরম সিন্থেটিক; বিষনাশকের খুব দাম।

খ।
ঘামে আছে গন্ধ, তারা নিমিষেই বায়ুপ্লেনে ভেসে
ল্যান্ড করে আমাদের চৌহদ্দিতে, মস্তিষ্ক-প্রদেশে।

গ।
ঘাম হলো ভাইরাস, এইকথা বিজ্ঞান জানে না
শুরু মিষ্টি গন্ধ দিয়ে, সম্মোহিত সমাপ্তি জানে না।

ঘ।
ইদানীং সঙ্ক্রমণে, বৃত্তাকারে, সিন্থেটিক ঘাম
আমার ও তোমার গায়ে; বিষনাশকের খুব দাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29399991 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29399991 2011-06-21 00:20:35
ভাঙ্গা মটর ..........খুব মিস করতেছি]


ক.
হেলপারটা যখন বাঙলা মটরকে ভাঙ্গা মটর বললো, নিশ্চয়ই নির্দিষ্ট কোনো চিন্তা তার মাথায় ছিলো না। ফলে আমি এই সিদ্ধান্তে ভেসে গেলাম যে কোনো কোনো চিন্তাবিহীন উক্তিও অগণিত চিন্তার ভয়াবহ জনক হতে পারে।

খ.
হেলপারটিকে যখন বলা হলো যে সে বাঙলাকে ভাঙ্গা বলেছে, তখন সে ব্যস্ত যাত্রীদের ভাড়া তোলায়। ফলে আমি এই বাঙলার ভেঙ্গে পড়ার পেছনে অর্থ-পূর্ণ এক সুবিশাল অতীত দেখতারলাম।

গ.
ভাড়া তোলা শেষে সে যখন আমাদের বললো, ঠিকই কইছি ভাই; আমাদের সবাই তখন চুপ হয়ে গেছে।

আমি নিজেই তখন ভাঙ্গা একটা মটর। আমার অন্তর্গত পার্টস কে যেন দিনের আলোতেই চুরি করে নিয়ে গেছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29398935 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29398935 2011-06-19 01:17:09
গামছা, দ্যা ইরেজার গড়িয়ে

তুমি তখন কোথায়? ব্যক্তিগত কান্না-রূমে?
একটা পানিবিন্দু চোখ হয়ে
মসৃণ ঢাল গড়িয়ে?

আমি তখন ব্যক্তিগত গোসল-রূমে;
একটা হাতে গামছা

বিন্দু বিন্দু পানিগুলো থমকে আছে গায়ে
একটা তাদের সঙ্গি শুধু
ঢাল বেয়ে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29259973 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29259973 2010-10-23 15:34:29
সকলের জন্য ঈদ হোক ফিরে যায় না কোনো লোক
তোমার ঈদ আজ সকলের জন্য ঈদ হোক!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29238171 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29238171 2010-09-10 21:05:35
সম্পাদকীয়
বুঝতে পেরে প্রতিবাদী হবো কিনা ভাবতে ভাবতে অন্য-মধ্যে পুরোপুরি হজমিত হয় পুরোটা কলা-বস্তু ।

এ-ও একটা খবর বটে। আমরা তারপর নিকটস্থ আবর্জনা-বাক্সে নিক্ষিপ্ত হলে একটা কোনায় সেই খবর ছাপা হয়। স্বজনেরা বলে দ্যাখ দ্যাখ...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29151397 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29151397 2010-05-08 23:20:48
বিচারকর্তা
বড় হতে হতে এই বাচ্চাদের অনেকের মাছ পানি থেকে উঠে আসে খাবার টেবিলে, তুমি তখন খুব ভালো লাগো তাকে
আর, যারা চেঞ্জ হয়-না তোমাদের পছন্দ মোতাবেক, কিছু লাল রং রেখে দিচ্ছো তাদের জন্য।

তারা সেই লাল রং বিশ্লেষণ করে দেখিয়ে দেয় যে, ওখানেও কিছু বাসি-হওয়া নদী-পানি রয়ে গেছে আজো।

এই অংশটুকু যাদের কাছে দুর্বোধ্য ঠেকবে আর নদী-পানির তাৎপর্য অবোধ্য
তারা একবার নিজেদের শৈশবে ফিরে যেয়ো
এ আমার মনে হওয়া যে, ওখানে একটা হাল্কা গন্ডগোল রয়ে গেছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29148912 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29148912 2010-05-05 09:51:22
ছন্দ শেখা শুরু করে পদ্মা নদীকে উৎসর্গ করা আমার প্রথম কবিতা কোন গভীরে পড়ে আছে তোর উদরের তল
এত খেলি এত নিলি সাধ মেটে-না তোর
ক্ষিধের জ্বালা ক্যান মেটে-না তবু
মায়ের ছেলে নিলি, নিলি ছোট্ট ছেলের বুবু
হাজার হাজার মানুষ খেয়ে হলি মানুষ-খোর

সর্বহারার সব নিয়েছিস থামবি কবে তুই
তোর দু'হাতের হিংস্র আঁচড় ভেঙ্গে নিলো ভুঁই
আশাহারা দুঃখভরা হাজার হৃদয় তোকে
ছোঁড়ে গালি অভিশাপের সাজে
বুকে ওদের করুণ বীণা বাজে
ওদের শোষণ করিস তুই, আর ভুমির হাজার জোঁকে

বলতো দেখি যাবে ওরা কোথা
অবহেলায় ঘুরবে শুধু হেথা হতে হোথা
বলতো এনে দিই সকলে স্বর্গ থেকে সুধা
লক্ষীভায়া তবু থামা রাক্ষসী এই ক্ষুধা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29133198 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29133198 2010-04-12 02:06:36
আকাশের ওপার থেকে একদিন শেখ মুজিব ফিরে এসেছিলো (রি-প্রকাশ) হাল্কা একটু পরিবর্তন করে তাকে আবার ফিরিয়ে দিয়েছে
অনেকগুলো কপি করে
অনেকগুলো
শোষিত অঞ্চলে।

এইকথা শুনে লোকেরা যারা পিতা পিতা করতে অজ্ঞান হচ্ছিলো হন্য হয়ে যায়

আমি অবাক হয়ে দেখি
কোথায় সেই ফিরিয়ে দেওয়া শেখ মুজিব
তাকে না খুঁজে তারা গবেষণা করতে থাকে পরিবর্তনগুলো কী...

গোপন তথ্যসূত্রে জানা গেল
শেখ মুজিব এখানো শিশু
কিন্তু সে এখন থেকেই আশেপাশের লোকজনকে নিখুঁত ভাবে চিনতে শিখেছে।

বেচারা যা জানে না, তাহলো
আজকে সে যাদের ফেনা তোলা পিতা
তাদেরই মধ্যে গোপন রয়েছে তার

বড় বেলার শত্রুসমূহ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29060124 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29060124 2009-12-16 19:46:11
পুরোনো কবিতা-১ বহুদিন জানা হয় নি আমার
মানুষ হয় কাকে বলা
মানুষ কি বানাতে পারে আমাদের
সনাতন কাব্যকলা?

খ.
এসো একবার মানুষ হই কিছু
মানুষের দরকার
মানুষ যদি না বানাতে পারে এ
শিক্ষাব্যাবস্থার
ঘাড় ভেঙে দাও মাথা মুড়ে দাও
চিপে দাও এ-গলা
নতুন পরিকল্পনা হোক
নতুন পথচলা।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29051094 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29051094 2009-11-29 13:07:51
তোমার ঈদ আজ সকলের জন্য ঈদ হোক এই কথা জেনে যেন
ফিরে যায় না কোনো লোক


তোমার ঈদ আজ সকলের জন্য ঈদ হোক।।



-------------------------------সবাইকে ঈদ মোবারক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29050364 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29050364 2009-11-27 10:51:42
চিন্তা করো মফিজ-১
তবে যে ধারায় উজাড় হচ্ছে ঘাস ও তৎপ্রজাতি,
একদিন এই ঘাস খাওয়াটা অবিশ্বাস্য অতীত হয়ে যাবে।
তখন তারা 'কী খায়' গবেষণা হলে জানা হয়তো যাবে, তার জাবর কাটার সময় সময় মুখ থেকে স্লিপ খেয়ে পড়ে যাওয়া হাড় বিশ্লেষণে---

মানুষ



এই আশঙ্কাটা একজন সাইন্স ফিকশনিস্টের।

কিন্তু মফিজ, জেনে রেখো
গরুরা এখনই খাচ্ছে মানুষ
জাস্ট, জাবর কাটার সময় সিনসিয়ার থাকে বলে
স্লিপ খায় না কোনো হাড়।

আসলে মফিজ
তুমি গরু চেনো না, চেনো মানুষ...

আর শুধু মাঝেমধ্যে হাওয়া হয়ে গেলে আমাদের চিরচেনা মানুষেরা,
তুমি খুব অবাক হয়ে যাও


আর তুমি
মফিজ


চিন্তা করো না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29050259 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29050259 2009-11-27 00:23:45
ফারুক (অথবা যারা হাদিস অস্বীকার করেন তারা), আপনি (আপনারা) যেভাবে কোরানের অনুবাদ করছেন, আমিও যদি সেভাবে করি http://faruk55kw.amarblog.com/posts/88345/

ফারুক নিজের বক্তব্যাকারে, এবং তামীম মুনিমের মন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

১. সূরা আল জাসিয়া (৪৫) আয়াত ৬

تِلْكَ آيَاتُ اللَّهِ نَتْلُوهَا عَلَيْكَ بِالْحَقِّ فَبِأَيِّ
حَدِيثٍ
بَعْدَ اللَّهِ وَآيَاتِهِ يُؤْمِنُونَ
রাশাদ খলিফা:
These are GOD's revelations that we recite to you truthfully. In which Hadith other than GOD and His revelations do they believe?
ফারুক:
এগুলো আল্লাহর আয়াত, যা আমি আপনার কাছে আবৃত্তি করি যথাযথরূপে। অতএব, আল্লাহ ও তাঁর আয়াতের পর তারা কোন হাদীসে বিশ্বাস স্থাপন করবে।

এখানে আপনারা দুজনই 'হাদিসের' অনুবাদ 'হাদিস'ই করেছেন


তো ,ঠিক এইভাবে আমরা একটা আয়াতের অনুবাদ যদি করি:


সূরা আল কাহাফ (১৮) আয়াত: ৬

فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَفْسَكَ عَلَى آثَارِهِمْ إِنْ لَمْ يُؤْمِنُوا بِهَذَا الْحَدِيثِ أَسَفًا
রাশাদ খলিফা:
You may blame yourself on account of their response to this narration, and their disbelieving in it; you may be saddened.

এইখানে রাশাদ খলিফা 'হাদিসের' অনুবাদ 'হাদিস' করেন নি।
আমার ইচ্ছা হলো, আমি একটু আপনাদের মত অনুবাদ করি।

আমি: (সহজ সরল অনুবাদ)
যদি তারা এই হাদিসের উপর বিশ্বাস স্থাপন না করে, তবে তাদের পশ্চাতে সম্ভবতঃ আপনি পরিতাপ করতে করতে নিজের প্রাণ নিপাত করবেন।
(মুনিমের দেওয়া অনুবাদ আমি একটা শব্দ বাদে অক্ষত রাখলাম)

চিন্তা করেন অবস্থা!!!

২. সূরা আল আ’রাফ (৭) আয়াত ১৮৫

فَبِأَيِّ حَدِيثٍ بَعْدَهُ يُؤْمِنُونَ

রাশাদ খলিফা:
(আগের অংশ: Have they not looked at the dominion of the heavens and the earth, and all the things GOD has created? Does it ever occur to them that the end of their life may be near?)
Which Hadith, beside this, do they believe in?

আপনি:
(আগের অংশ: তারা কি প্রত্যক্ষ করেনি আকাশ ও পৃথিবীর রাজ্য সম্পর্কে এবং যা কিছু সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ তা’আলা বস্তু সামগ্রী থেকে এবং এ ব্যাপারে যে, তাদের সাথে কৃত ওয়াদার সময় নিকটবর্তী হয়ে এসেছে?)
বস্তুতঃ এরপর আর কোন হাদীসের উপর ঈমান আনবে?


এখানে আপনারা দুজনই 'হাদিসের' অনুবাদ 'হাদিস'ই করেছেন

৩. সূরা লোকমান (৩১) আয়াত ৬

وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْتَرِي لَهْوَ
الْحَدِيثِ
لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِينٌ

রাশাদ খলিফা:
Among the people, there are those who uphold baseless Hadith, and thus divert others from the path of GOD without knowledge, and take it in vain. These have incurred a shameful retribution.
আপনি:
একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার উদ্দেশে অবান্তর হাদীস সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।


এখানে আপনারা দুজনই 'হাদিসের' অনুবাদ 'হাদিস'ই করেছেন


৪. সূরা আত্ব তূর (৫২) আয়াত ৩৪

فَلْيَأْتُوا بِحَدِيثٍ مِثْلِهِ إِنْ كَانُوا صَادِقِينَ
রাশাদ খলিফা:
Let them produce a Hadith like this, if they are truthful.
আপনি:
যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবে এর (কোরানের) অনুরূপ কোন হাদীস উপস্থিত করুক।

এখানে আপনারা দুজনই 'হাদিসের' অনুবাদ 'হাদিস'ই করেছেন
___________________________________________
এইভাবে আপনার মত করে আর রাশাদ খলিফার মতো করে আমরা আর-একটা আয়াতের অনুবাদ যদি করি:


সূরা আল ওয়াকিয়া (৫৬) আয়াত ৮১

أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنتُم مُّدْهِنُونَ

রাশাদ খলিফা:
Are you disregarding this narration?


আমি:
তবুও কি তোমরা এই হাদিসের প্রতি শৈথিল্য প্রদর্শন করবে?
(মানে কি আল্লাহ তখনই জানতেন যে একটা দল তৈরী হবে, যারা হাদিস-এর প্রতি এই শৈথিল্য প্রদর্শন করবে?)





আমার অনুবাদটা কি ভুল? যদি ভুল হয়, কেন? যদি আমারটা ভুল হয়, তাহলে আপনারটা অথবা রাশাদ খলিফারটা ভুল না কেন?


আপনারা কি দরকার মত কোরানের অনুবাদ করেন?
__________________________________________
জবাব দেবার সময় একটু চিন্তা করে দেবেন।


_________________________________________
তো, এরপর আপনি খোদার ভয় দেখিয়েছেন:

যারা আল্লাহর উপরোক্ত আয়াতগুলো বিশ্বাস করবে না , তাদের স্মরনের জন্য নিম্নের আয়াত।

সূরা সেজদাহ (৩২) আয়াত ২২
যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার চেয়ে যালেম আর কে? আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দেব।

৩১) সূরা লোকমান ( মক্কায় অবতীর্ণ ), আয়াত ৭
যখন ওদের সামনে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন ওরা দম্ভের সাথে এমনভাবে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেন ওরা তা শুনতেই পায়নি অথবা যেন ওদের দু’কান বধির। সুতরাং ওদেরকে কষ্টদায়ক আযাবের সংবাদ দাও।

আমিও এই আয়াত দুটো রেখে দিলাম। আপনার জন্য, আমার জন্যও।
_____________________________________________
এই পর্বে উল্লিখিত আয়াত, অনুবাদ আর এই সংক্রান্ত কিছু জরূরি আলোচনা অন্য আর একটা পর্বে করার /সংকলন করার ইচ্ছা থাকলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29048540 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29048540 2009-11-23 18:35:02
রাসুল সঃ পরবর্তীতে হাদিস লেখার উপর নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছিলেন (আপডেটেড) গতকালকে আমি একটা লেখা দিয়েছিলাম

আমার মূল পয়েন্ট ছিলো: ১. রাসুল সঃ প্রথম দিকে হাদিস লেখার ব্যাপারে শর্তহীন নিষেধ আরোপ করেছিলেন ২. রাসুল সঃ হাদিসের মৌখিক প্রচার কখনোই নিষেধ করেন নি। তবে সাবধান করেছেন, যেন কেউ তার নাম দিয়ে কোনো মিথ্যা প্রচার না করে। ৩. সবার শেষে উপসংহারে বলেছি: এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, রাসুল সঃ হাদিস প্রচার বন্ধ করার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা দেন নি, কারণ তাহলে তিনি বলতেন না যে, তবে আমার কথা প্রচার কর। এতে কোনো দোষ নাই তার মূল উদ্দেশ্য ছিলো এটা নিশ্চিত করা যে লিখিত কোরানের সাথে তার কথা যেন মিশে না যায় (অনেক সাহাবীকে এইভাবে লিখতে দেখেই এই নিষেধাজ্ঞা দেন তিনি)।
______________________________________________

এই পর্বে আমরা কয়েকটি হাদিস নিয়ে পর্যালোচনা করবো--- এই প্রশ্ন সামনে রেখে যে,

রাসুল সঃ কি পরবর্তীতে হাদিস লেখার উপর নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছিলেন?

১. যায়িদ ইবনে থাবিত (রসুলের মৃত্যুর ৩০ বছরেরও বেশি সময় পরে) মুয়াবিয়ার দরবারে রসূলের সম্পর্কে একটি গল্প বলেছিলেন। মুয়াবিয়ার গল্পটি ভালো লাগে এবং এটি লিখে রাখার আদেশ দেন। কিন্তু যায়িদ বল্লেন : রসূল আমাদেরকে আদেশ করেছেন তার কোন হাদীস কখনো না লিখতে।

প্রথমেই বলে নেই, 'আল মুসনাদ' ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের সঙ্কলিত হাদিস গ্রন্থ। উইকিপিডিয়ায় এই মুসনাদ সম্পর্কে।

হাদিস পছন্দ করেন না এরকম এক ব্লগার অলরেডি এটা নিয়ে মন্তব্য করেছেন: রসূল সঃ এর মৃত্যুর ৩০ বছর পরের এই গল্প থেকে বুঝা যায় হাদীস লেখার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা রসূল সঃ মৃত্যুর আগে তুলে নেন নি।

এটা অবশ্য কারো বলা লাগে না। কমনসেন্স থেকেও আপনার আমারও মনে হবে যে, তাইতো, সম্ভবত,

হাদীস লেখার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা রসূল সঃ মৃত্যুর আগে তুলে নেন নি

উইকিপিডিয়ায় মুসনাদ নিয়ে কিছু নেগেটিভ কথা আছে। আমি সেগুলো কানে দিতে চাই না। আমি ধরে নিচ্ছি, হাদিসটা সহি আছে। সুতরাং, লজিকালি এই কথা বলাই যায় যে,

সম্ভবত, হাদীস লেখার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা রসূল মৃত্যুর আগে তুলে নেন নি'সম্ভবত' বলছি তার কারণ হলো আর একটা সম্ভাবনা আছে। সেটা হলো,

হতে পারে যে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার ব্যাপারটা তার কাছেই পৌছে নি। হতেই পারে।

হাদিস লেখার বিপক্ষে মোট এই দুটো বক্তব্য পাওয়া যায়: ক) হাদিস লিখো না খ) সম্ভবত নিষেধাজ্ঞা রসূল মৃত্যুর আগে তুলে নেন নি


এছাড়া হাদিসের বিপক্ষে হাদিস থেকে আমি আর কোনো বক্তব্য পাই নি।

আমি এই জন্য হাদিস অস্বীকারকারী বা সাবমিটারস বা কোরান-অনলিদের ওয়বেসাইট -এ গিয়েছি। কিন্তু মোটের উপর এই দুই রকমের বক্তব্য ছাড়া আর কিছু পাই নি। কেউ দেখিয়ে দিলে আমি পরে ইনক্লুড করে নেব।


২. এই হাদিসটার কথা আমি গতকালকের লেখায় কিছুটা বলেছি:

আবদুল্লাহ ইবনে আমর রঃ থেকে বর্ণিত। তিনি রাসুল সঃএর কাছে এসে বললেন: হে রাসুল সঃ, আমি হাদিস বর্ণনা করতে চাই। এইজন্য আমি স্মরণশক্তি ব্যবহারের সাথে সাথে লেখনীর সাহায্যও নিতে আগ্রহী, অবশ্য আপনি যদি আচ্ছা বলেন। তখন রসুল সঃ অনুমতি দিলেন। (সুনানে দারেমি, পৃষ্ঠা ৬৭)

৩. এটাও আবদুল্লাহ ইবনে আমর রঃ থেকে বর্ণিত।
রাসুল তাকে বলেন: জ্ঞান সংরক্ষণ কর।। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: কীভাবে? রাসুল সঃ বললেন: লিখে রাখো।

৪. একজন আনসার সাহাবী অনুযোগ করলেন যে, তিনি রাসুল সঃ থেকে কিছু হাদিস শোনেন কিন্তু মাঝে মাঝে ভুলে যান। রাসুল সঃ বললেন: তোমার ডান হাতের সাহায্য নাও। এবং লেখার ইংগিত করলেন। (তিরমিজি)


৫. বিখ্যাত সাহাবি রাফি ইবনে খাদিজ বলেন: আমি রাসুল সঃ কে বললাম: আমরা আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু শুনি, সেগুলো লিখে রাখি? রাসুল সঃ বললেন: লেখো। কোনো সমস্যা নাই। (তাদরিব-উর-রাবি)

৬. সায়্যিদুনা আনাস বলেন: রাসুল সঃ বলেন: লেখার মাধ্যমে জ্ঞান সংরক্ষণ কর। (জামিউল বায়ান)


৭. আবু রাফি হাদিস লেখার অনুমতি চাইলেন রাসুল সঃএর কাছ থেকে। রাসুল সঃ অনুমতি দিলেন। (তিরমিজি)


এটা বর্ণিত আছে যে, আবু রাফি কর্তৃক লিখিত হাদিস অন্য সাহাবিরা কপি করে নিয়ে যেতেন (আমরা যেমন ক্লাসের লেকচারের পর অথবা ক্লাস মিস হলে ভালো ছাত্রটার লেকচার খাতা কপি করি)।

সালমা রঃ বলেন: আমি কিছু ছোট কাঠের বোর্ড দেখতে পেলাম আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের কাছে। তিনি সেটার উপর রাসুল সঃ এর কাজের কিছু বর্ণনা লিখছিলেন। এই বর্ণনা তিনি পেয়েছিলেন আবু রাফির কাছ থেকে। (তাবাকাতে ইবনে সাদ)



এইবার চলেন সবাই মিল্লাঝিল্লা বিবেচনা করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29043367 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29043367 2009-11-14 13:49:39
রাসুল সঃ কি হাদীস লিখতে মানা করেছিলেন? ১.

হ্যা, রাসুল সঃ হাদীস লিখতে মানা করেছিলেন। এবং এই নিষেধ ছিলো সরাসরি।

(একটা হাদিস পাওয়া যায় সুনানে দারেমীতে, যাতে বোঝা যায়, রাসুল সঃ পরে সেটা ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, কিন্তু সেটা নিয়ে আমরা পরে কথা বলবো।)

রাসুল সঃ এর উপর কোনো সুরা বা আয়াত নাজিল হলে তিনি তা সমবেত সবাইকে মুখস্ত করাতেন, এবং পাশাপশি নির্দিষ্ট ওহী লেখকদের দ্বারা লিখিয়েও রাখতেন।

কিন্তু শুধু যে তারাই লিখতো, তা কিন্তু না। সমবেত লোকদের অনেকেই (যারা লিখতে জানতো) লিখতো। তাদের কেউ কেউ রাসুলের কাছ থেকে শোনার সময় একই কাগজে আল্লাহর বাণী এবং রাসুলের নিজস্ব বক্তব্য (কোরান আর হাদিস) মিশ্রিত করে ফেলা শুরু করেন।

রাসুল সঃ এতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

মজার ব্যাপার হলো, সেই কথাও আমরা হাদিস থেকেই জানতে পারি।

রাসুল সঃ তাদেরকে বলেন: তোমরা এসব কী লিখছ? ...আল্লাহর কিতাবের সাথে মিশিয়ে আর একটা কিতাব লিখছ?

আদেশ দেন:
আমিহদু কিতাবাল্লহি ওয়া খাল্লাসু...
==কেবলমাত্র আল্লাহর কিতাব খালিসভাবে লিপিবদ্ধ কর।


It was narrated from Abu Sa'eed al-Khudri that the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said: "Do not write anything from me; whoever has written anything from me other than the Qur'aan, let him erase it and narrate from me, for there is nothing wrong with that." (Narrated by Muslim, al-Zuhd wa'l-Raqaa'iq, 5326)

শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অংশ অনুবাদ করছি: বর্ণিত আছে, রাসুল সঃ বলেন: কোরান ছাড়া আমার কাছ থেকে তোমরা আর কিছুই লিখবে না। যে এরকম যা কিছু লিখেছ, মুছে ফেল।...


তখন এইসব সাহাবি কর্তৃক কোরান-হাদিস মিলিয়ে যা কিছু লেখা হয়েছিলো, সব পুড়িয়ে ফেলা হয় (রেফ: মুসনাদে ইমাম আহমদ, ১ম খন্ড, পৃ. ১৭১, মজমায়ুজ জাওয়ায়িদ, ১ম খন্ড, পৃ.
১৫২)



রাসুল সঃএর এই কথার প্রয়োজনীয়তা আমরা কমনসেন্স দিয়ে চিন্তা করলেই টের পাই।
কিন্তু মৌখিক প্রচার নিষিদ্ধ ছিলো না।

রাসুল সঃ এর আর একটি মন্তব্য পাওয়া যায় সহীহ মুসলিম-এর একটি হাদিস থেকে:

"আমার কোনো-কথাই লিখো না। কেউ কুরান ছাড়া অন্য কিছু লিখে থাকলে তা মুছে ফেল। তবে আমার কথা প্রচার কর(narrate from me)। এতে কোনো দোষ নাই। কিন্তু মৌখিক বর্ণনায় যেন কোনো মিথ্যা বলো না। যে আমার সম্পর্কে কোনো মিথ্যা বলবে, সে যেন জাহান্নামে তার আশ্রয় গ্রহণ করে।" (সহি মুসলিম, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা ৪১৪)

একই বর্ণনাকারী থেকে আর একটি হাদিস: আমরা রাসুল সঃ থেকে (কুরান ছাড়া অন্য কিছু) লিপিবদ্ধ করে রাখতে অনুমতি চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি অনুমতি দেন নি।

যায়দ বিন সাবিতও একই রকমের হাদিস বর্ণনা করেছেন।

অর্থাৎ, রাসুল সঃ যে চাননি হাদিস লিখিত রুপে থাকুক, এবং 'কোরানের সাথে মিশ খেয়ে নতুন কোনো এক কিতাব তৈরি হোক' (আকিতাবু মাআ' কিতাবাল্লহি) ----তা স্পষ্ট। এটা নিয়ে মুসলমান পন্ডিত কারো ভেতরে কোনো মতভেদ নাই।

মতভেদ আছে, এই নিষেধ পরে রাসুল সঃ ফিরিয়ে নিয়েছেন কি না --তা নিয়ে। সেটা নিয়ে আমরা পরে কথা বলবো। একটা হাদিস পাওয়া যায় সুনানে দারেমীতে, যাতে বোঝা যায়, রাসুল সঃ পরে সেটা ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, কিন্তু সেটা নিয়েও এখন না, আমরা পরে কথা বলবো।


২.

সমস্যাটা অন্য জায়গায়। একটা প্রশ্ন জাগে, সেটা হলো, তাহলে কি রাসুল সঃ চেয়েছেন যে

শুধুমাত্র-কোরান (অন্য কিছু না) মানুষের কাছে পৌছাক? অন্য কিছু না?

রাসুল সঃ বিভিন্ন সময় যা কিছু বলতেন, সেসব মানুষের কাছে পৌছাক -তা কি তিনি চাইতেন না?

যদি তাঁর নিজের কথার এবং আমলের (হাদিস-এর) মৌখিক প্রচার বন্ধ করাই তার উদ্দেশ্য হতো , তাহলে কি তিনি বলতেন: narrate from me, for there is nothing wrong with that?

সুতরাং আমরা এটুকু বলতে পারি, তাঁর কথার এবং আমলের (হাদিস-এর) মৌখিক প্রচার বন্ধ করা তার উদ্দেশ্য ছিলো না। বরং আল্লাহর বাণীর সাথে তাঁর কথা, ব্যাখ্যা ইত্যাদি লিখিতভাবে মিলে মিশে যাক, সেটা তিনি চান নি।

পরের পর্ব:

রাসুল সঃ কি হাদিস লেখার উপর এই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছিলেন? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29042973 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29042973 2009-11-13 19:42:32
স্মার্ট, এবং কয়েকটি ছোট কবিতা বিজ্ঞাপন

হতে না পারলেও তুমি দেখাও
নয়তো
প্রাণবন্ত হবার বিজ্ঞাপন মিথ্যা হয়ে যাবে।

২. অস্থির

--কেন অস্থির ভেতরে? ঐতো এসেছে,
কথা প্রসঙ্গে বাহুতে হাত জড়িয়েছে।
--কেন অস্থির, বোঝ না? মেয়েটা এসেছে,
কথা প্রসঙ্গে বাহুতে হাত জড়িয়েছে।

৩. বেহলা

তোমাকে জানাবার প্রয়োজন
নিজের হাতে আমি বেহালা ভেঙ্গেছি
কেননা আসক্তি জন্মেছিলো তাতে।

৪. স্মার্ট

জানতাম না আমি, স্মার্ট হলো সে-ই
বিবিধ পরিবেশে যে কিনা অনায়াসে
পোষাক ও ব্যক্তিত্বে হবে মানানসই।

প্রয়োজন-অনুসারে যে কোনো অনুপাতে
বদলে যাবে। দ্বিধা করবে না।



একটা ব্যাপক ময়লাগারের সামনে
বেওয়ারিশ কয়েকটা হ্যাংলো কুকুর
এইকথা আমাকে বলেছে সেদিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29042820 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29042820 2009-11-13 13:20:14
বুখারি: দ্বিতীয় কিস্তি (বুখারি নিজেই সহি বুখারি শরিফ লিখেছিলেন) এই লিংকে:

বুখারি শরিফ তিনি ঠিক কবে শুরু করেছিলেন তা জানা যায় না, কিন্তু আমরা এটুকু জানতে পারি, শেষ করবার পর তিনি পান্ডুলিপিটি তার শিক্ষক ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল(রঃ) (মৃত্যু: ২৪১ হি. মৃত্যু: ৮৫৫খৃ.) কে দেখান তার অনুমোদনের জন্য।

A specific date has not been known as to when he had started the writing of Bukhari Shareef, however, we do know that after he had finished he had shown the manuscript to his teachers Imam Ahmad Ibn Hanbal (R.A) for approval ...


তিনি এই গ্রন্থটি লিখতে সময় নেন ১৬টি বছর। তার যখন বয়স মাত্র ২৩ বছর, (২১৭ হি.) তখন তিনি এই গ্রন্থ প্রণয়নের কাজে হাত দেন।
It has also been recorded that it took the noble writer a period of 16 years to gather the ahaadeeth and to write Bukhari Shareef which sets the date back to 217 A.H, as the year in which he started the compilation; Imam Bukhari (R.A) being merely 23 years of age.



বুখারি যখন কাজ শুরু করেন, তখন প্রকাশিত হাদিস গ্রন্থ ছিল খুব কম যেগুলোর ভেতরে দূর্বল এবং সবল হাদিস মিশ্রিত ছিল। এগুলো দেখেই বুখারির ইচ্ছা হয় শুধুমাত্র শক্তিশালি (strong testimonials) হাদিসের একটি সংকলন করতে।

Ishaaq Ibn Rahway (R.A) agreed to this idea which strengthened Imam Bukhari’s (R.A) decision.

ইমাম বুখারি বলেন: তার শিক্ষক ইসহাক ইবন রাহওয়া (Rahway ) একদিন এক সেশনে মন্তব্য করেছিলেন, এটা খুব এ্যাপ্রিশিয়েট করার মত ব্যাপার হতো যদি কেউ শক্তিশালি এবং নির্ভরযোগ্য হাদিসগুলো একসাথে করতো আর বই-এর গড়ন দিয়ে লিখে ফেলতো (it would be appreciated if someone could collect ahaadeeth which held strong and reliable testimonials and write them in the form of a kitaab.)

ইমাম বুখারি এতে খুব উৎসাহিত হন। পরে নবীকে স্বপ্নেও দেখেন ...This inspired Imam Bukhari (R.A) which was later strengthened by a dream in which Imam Bukhari (R.A) was positioned in front of the Prophet Sallallahu Alaihi Wasallam with a fan in one hand to aid him in ridding the Prophet Sallallahu Alaihi Wasallam of all flies which would rest upon him.

Imam Bukhari (R.A) had taken great care in writing the ahaadeeth and choosing those which met the standards and conditions which he set to find ahaadeeth with only strong testimonials which included only reliable and trustworthy testifiers.

তিনি ১৬ বছর ব্যায় করেন এই গ্রন্থ লিখতে গিয়ে এবং এর ভেতরে তিনবার সংশোধনী আনেন। He spent 16 years in writing the kitaab, altering it a total of three times.



এছাড়া এই লিংকে:

(জ্বরের জন্য খুব যত্ন নিয়ে লিখতে পারলাম না, স্যরি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29042387 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29042387 2009-11-12 17:09:31
ফারুক, সহি বুখারি সম্বন্ধে আপনার দেয়া তথ্য ঠিক না ফারুক লিখেছেন:
বেশিরভাগ আলেম কতৃক গৃহীত ইমাম ইবনে হাজার আল-আসকালানির(মৃত্যু ৮৫২ হিজরী) বুখারির হাদীসের উপর লিখিত টীকা বা মন্তব্য মূলক বই 'ফাথ আল বারি' র উপর ভিত্তি করেই বর্তমান বুখারি হাদীসগুলিকে একটি বইয়ের আকার দেয়া হয়েছে।

বিনীতভাবে জানাচ্ছি, সহি বুখারি সম্বন্ধে আপনার দেয়া তথ্য ঠিক না।
(আপনার সমস্যা হলো, অন্য কেউ আপনার কথার প্রতিবাদ করলে আপনি সোর্স চান অথচ নিজে প্রচুর কথা বলে যাচ্ছেন কোনো সোর্স ছাড়া। এদিকে প্রমাণ চাইলে বলেন আমরা যেন আপনাকে মিথ্যা প্রমাণ করি---ভালোই)
সহি বুখারির বর্তমান কপিগুলোর ভিত্তি হলো অনেকগুলো পান্ডুলিপি। এগুলো পৃথিবীর বড় বড় লাইব্রেরিগুলোতে পাওয়া যায়। কিছু ভাষ্য (commentary)উল্লেখ করেছে যে বিভিন্ন পান্ডুলিপির মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। তবে বুখারির ভারতীয় কপিটি সাইড নোটে পার্থক্যগুলো নির্দিষ্ট করেছে। ইমাম জুনুনীর কপিটি মাত্র কিছুদিন আগে পাওয়া যায় এবং প্রথমবারের মত ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়।
সুতরাং এখনকার সহি বুখারির কপিগুলো যে কেবল একটিমাত্র পান্ডুলিপির উপরে বেজ করে দাঁড়িয়েছে-এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

Dozens of the commentaries of Sahih Bukhari are present today and are being used eg. Umdatul Qari of Aini, Irshadus Sari, Al-Tawsheeh of Suyuti, Sharh of Ibn Battaal, Commentary of Sindi, Jamiud Darari, Imdaadul Bari, Commentary of Shanqiti, Faidul Bari, Fadlul Bari, Anwarul Bari, Laamiud Darari, Commentary of Ibn Rajab Hambali etc.

http://www.albalagh.net/qa/0065.shtml]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29041679 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29041679 2009-11-11 14:25:40
ইসলাম কায়েম হলে আসলেই কি শান্তি এসে যাবে???
এই প্রশ্ন আমার মনে দীর্ঘদিনের। কিন্তু প্রশ্নের প্রেক্ষাপটটা বোঝা উচিৎ। আমি হয়তো ভালো আস্তিক না (যোগ্যতা নেই), কিন্তু নাস্তিকও আমি না (সাহস নেই)। কিন্তু প্রশ্ন যখন মনে জাগে তখন সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসা করার আগে চেষ্টা করি নিজে ভেবে কোনো সমাধান পাওয়া যায় কি না। এই প্রশ্নটা হলো সেই প্রশ্নদের অন্যতম, যার সমাধান আমি পাই নি। সুতরাং কড়া-আস্তিক ভাই ও বোনেরা, আপনারা যারা ইসলাম কায়েম করতে চান আমাকে এই প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিয়ে বাধিত করবেন।

এখনো পর্যন্ত আমি এই প্রশ্নের জবাবে 'না' এর পক্ষে; তার কারণ:
যখন 'ইসলাম' কায়েম হবে, তখন আসলে কাদের সংজ্ঞার ইসলাম কায়েম হবে বলে আমরা ধরে নেব? ধরুন, জামায়াত ক্ষমতায় আসলো, হিজবুত তাহরির কিংবা ইসলামি শাসনতন্ত্র কি বলবে যে যাক ইসলাম ক্ষমতায় এসে গেছে? অথবা, ভাইস ভারসা?

প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ, আপনারা একদল অন্যদলকে যেভাবে অতি তুচ্ছ কারণেও কাফের ঘোষণা করে বসেন, তাতে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ আছে যে, আপনাদের সংজ্ঞা অনুসারে যে কাফের, সে ক্ষমতায় আসলে আপনাদের ইসলাম উদ্ধারের নতুন জিহাদ শুরু হয়ে যাবে।

(ভাই সাহেবরা, বাংলাদেশ দেশটা এমনিতেই বহুৎ গ্যাঞ্জামের উপরে আছে। আল্লাহর দোহাই লাগে, শান্তি আনার দরকার নাই, কিন্তু শান্তির নাম কইরা নতুন কোনো অশান্তি ডুকাইয়েন না।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29041095 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29041095 2009-11-10 14:59:33
তুমি যখন ময়ুরের প্রজা তোমার ব্রেন হয়ে মূল ব্রেন ট্রান্সফার করেছে
ময়ুরদের কাছে।

ময়ুরেরা সেই থেকেই রাজা
আর তুমি বিনীত, মাথা নুয়ে কী ভীষণ বিনীত!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29040074 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29040074 2009-11-08 21:35:31
রাস্তার পরিচয় অল্প কিছূ ভারি পদাঘাত
করতে পারে নিশ্চিত।

এইভাবে জানা যেতে পারে
কোনটা রাস্তা আর
কোনটা মূখ্যতঃ ড্রেইনাবরণ।

কারো কাছে কুঠার থাকলে
রাস্তায় নামিয়ো।

পদাঘাতে আপাত-প্রমাণিত
নিরেট রাস্তা খুচে দেখো।

বদলে যেতে পারে তারো পরিচয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29039518 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29039518 2009-11-07 23:08:45
শেয়ার করছি সুকুমার রায়ের "আশ্চর্য কবিতা"
সুকুমার রায়

চণ্ডীপুরের ইংরাজি স্কুলে আমাদের ক্লাশে একটি নূতন ছাত্র আসিয়াছে। তার বয়স বারো-চোদ্দোর বেশি নয়। সে স্কুলে আসিয়া প্রথম দিনই সকলকে জানাইল, “আমি পোইট্রি লিখতে পারি!” এ কথা শুনিয়া ক্লাশসুদ্ধ সকলে অবাক হইয়া গেল; কেবল দু-একজন হিংসা করিয়া বলিল, “আমরাও ছেলেবেলায় ঢের ঢের কবিতা লিখেছি।” নূতন ছাত্রটি বোধ হয় ভাবিয়াছিল, সে কবিতা লিখিতে পারে, শুনিয়া ক্লাশে খুব হুলুস্থল পড়িয়া যাইবে, এবং কবিতার নমুনা শুনিবার জন্য সকলে হাঁ হাঁ করিয়া উঠিবে। যখন সেরূপ কিছুরই লক্ষণ দেখা গেল না, তখন বেচারা, যেন আপন মনে কি কথা বলিতেছে, এরূপভাবে, যাত্রার মত সুর করিয়া একটা কবিতা আওড়াইতে লাগিল-

“ওহে বিহঙ্গম তুমি কিসের আশায়
বসিয়াছ উচ্চ ডালে সুন্দর বাসায়?
নীল নভোমণ্ডলেতে উড়িয়া উড়িয়া
কত সুখ পাও, আহা ঘুরিয়া ঘুরিয়া!
যদ্যপি থাকিত মম পুচ্ছ এবং ডানা
উড়ে যেতাম তব সনে নাহি শুনে মানা-”

কবিতা শেষ হইতে না হইতেই ভবেশ অদ্ভুত সুর করিয়া এবং মুখভঙ্গি করিয়া বলিল-

“আহা যদি থাকত তোমার ল্যাজ এবং ডানা
উড়ে গেলেই আপদ যেত- করত না কেউ মানা!”

শুনিয়া সকলে হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিল।

নূতন ছাত্র তাহাতে রাগিয়া বলিল, “দেখ বাপু, নিজেরা যা পার না, তা ঠাট্টা করে উড়িয়ে দেওয়া ভারি সহজ। শৃগাল ও দ্রাক্ষাফলের গল্প শোন নি বুঝি?” একজন ছেলে অত্যন্ত ভালোমানুষের মতো মুখ করিয়া বলিল, “শৃগাল অবং দ্রাক্ষাফল! সে আবার কি গল্প?” অমনি নূতন ছাত্রটি আবার সুর ধরিল-

“বৃক্ষ হ’তে দ্রাক্ষাফল ভক্ষণ করিতে
লোভী শৃগাল প্রবেশ করে দ্রাক্ষাক্ষেতে
কিন্তু হায় দ্রাক্ষা যে অত্যন্ত উচ্চে থাকে
শৃগাল নাগাল পাবে কিরূপে তাহাকে?
বারম্বার চেষ্টায় হয়ে অকৃতকার্য
‘দ্রাক্ষা টক’ বলিয়া পালাল ছেড়ে (সেই) রাজ্য-”

সেই হইতে আমাদের হরেরাম একেবারে তাহার চেলা হইয়া গেল। হরেরামের কাছে আমরা শুনিলাম যে ছোকরার নাম শ্যামলাল। সে নাকি এত কবিতা লিখিয়াছে যে একখানা দু’পয়সার খাতা প্রায় ভর্তি হইয়াছে- আর আট-দশটি কবিতা হইলেই তাহার একশোটা পুরা হয়, তখন সে নাকি বই ছাপাইবে। শুনিয়া কেহ কেহ আরো অবাক হইয়া গেল- কাহারো কাহারো হিংসা আরো দ্বিগুণ জ্বলিয়া উঠিল।

ইহার মধ্যে একদিন এক কাণ্ড হইল। গোপাল বলে একটি ছেলে স্কুল ছাড়িয়া যাইবে, এই উপলক্ষে শ্যামলাল এক প্রকাণ্ড কবিতা লিখিয়া ফেলিল! তাহার মধ্যে ‘বিদায় বিদায়’ বলিয়া অনেক ‘অশ্রুজল’ ‘দুঃখশোক’ ইত্যাদি কথা ছিল। গোপাল কবিতার আধখানা শুনিয়াই একেবারে তেলেবেগুনে জ্বলিয়া উঠিল। সে বলিল, “হতভাগা, ফের আমার নামে পোইট্রি লিখবি তো এক থাপ্পড় মারব। কেন রে বাপু দুনিয়ায় কি কবিতা লিখবার আর কোনো জিনিস পাও নি?” হরেরাম বলিল, “আহা, বুঝলে না? তুমি ইস্কুল ছেড়ে যাচ্ছ কিনা, তাই ও লিখেছে।” গোপাল বলিল, “ছেড়ে যাচ্ছি তো যাচ্ছি, তোর তাতে কি রে? ফের জ্যাঠামি করবি তো তোর কবিতার খাতা ছিঁড়ে দেব।” দেখিতে দেখিতে স্কুলময় রাষ্ট্র হয়ে পড়িল। ছেলেরা, বিশেষত নিচের ক্লাশের ছেলেরা, দলে দলে শ্যামলালের কবিতা শুনিতে আসিতে লাগিল! ক্রমে কবিত লেখার বাতিকটা ভয়ানক রকমের ছোঁয়াচে হইয়া স্কুলের প্রায় অর্ধেক ছেলেকে পাইয়া বসিল। ছোটো-ছোটো ছেলেদের পকেটে ছোটো-ছোটো কবিতার খাতা দেখা দিল- বড়োদের মধ্যে কেহ কেহ ‘শ্যামলালের চেয়ে ভালো কবিতা’ লিখিবার জন্য কোমর বাঁধিয়া লাগিয়া গেল! স্কুলের দেয়ালে, পড়ার কেতাবে, পরীক্ষার খাতায়, চারিদিকে কবিতা গজাইয়া উঠিল।

পাঁড়েজির বৃদ্ধ ছাগল যেদিন শিং নাড়িয়া দড়ি ছিঁড়িয়া স্কুলের উঠানে দাপাদাপি করিয়াছিল, আর শ্যামলালকে তাড়া করিয়া খানায় ফেলিয়াছিল, তাহার পরদিন ভারতবর্ষের বড়ো ম্যাপের উপর বড়ো-বড়ো অক্ষরে লেখা বাহির হইল-

পাঁড়েজির ছাগলের একহাত দাড়ি,
অপরূপ রূপ তার যাই বলিহারি!
উঠানে দাপট করি নেচেছিল কাল-
তার পর কি হইল জানে শ্যামলাল।

শ্যামলালের রঙটি কালো, কিন্তু কবিতা পড়িয়া সে যথার্থই চটিয়া লাল হইল, এবং তখনই তাহার নীচে একটা কড়া জবাব লিখিতে লাগিল। সে সবেমাত্র লিখিয়াছে, ‘রে অধম দুরাচার, পাষণ্ড বর্বর!’ এমন সময় গুরুগম্ভীর গলায় কে যেন ডাকিল, “শ্যামলাল!” ফিরিয়া দেখি হেডমাস্টার মহাশয়! “ম্যাপের ওপর কি লেখা হচ্ছে?” শ্যামলাল একেবারে থতমত খাইয়া বলিল, “আজ্ঞে, আমি আগে লিখি নি, আগে ওরা লিখেছিল।” “ওরা কারা?” শ্যামলাল বোকার মত একবার আমাদের দিকে একবার কড়িকাঠের দিকে তাকাইতে লাগিল, কাহার নাম করিবে বুঝিতে পারিল না। মাস্টার- মহাশয় আবার বলিলেন, “ওরা যদি পরের বাড়ী সিঁদ কাটতে যায়, তুমিও কাটবে? ওরা যদি নিজের গলায় ছুরি বসায়, দেখাদেখি তুমিও বসাবে?” যাহা হউক, সেদিন অল্পের উপর দিয়াই গেল, শ্যামলাল একটু ধমক-ধামক খাইয়াই খালাস পাইল।

ইহার মধ্যে আমাদের নূতন শিক্ষকমহাশয় গল্প করিলেন যে তাহার সঙ্গে যাহারা এক ক্লাশে পড়িত, তাহাদের মধ্যে একজন নাকি অতি সুন্দর কবিতা লিখিত। একবার ইনস্পেকটার স্কুল দেখিতে আসিয়া তাহার কবিতা শুনিয়া তাহাকে সুন্দর ছবিওয়ালা বই উপহার দিয়েছিলেন। এই গল্পটি মনে হয় অনেকেরই মনে লাগিয়াছিল! বোধ হয় অনেকেই মনে মনে স্থির করিয়াছিল, ‘ইনস্পেকটার আসিলে তাহাকে কবিতা শুনাইতে হইবে।’

ইহার মাসখানেক পরেই ইনস্পেকটার স্কুল দেখিতে আসিলেন। প্রায় পঁচিশ-ত্রিশটি ছেলে সাবধানে পকেটের মধ্যে লুকাইয়া কবিতার কাগজ আনিয়াছে- বড়ো হলের মধ্যে সমস্ত স্কুলর ছেলেদের দাঁড় করানো হইয়াছে- হেডমাস্টার মহাশয় ইনস্পেকটারকে লইয়া ঘরে ধুকিতেছেন, এমন সময় শ্যামলাল আস্তে-আস্তে পকেট হইতে একটি কাগজ বাহির করিল। আর কোথা যায়! পাছে, শ্যামলাল আগেই তাহার কবিতা পড়িয়া ফেলে, এই ভয়ে ছোটো-বড়ো পঁচিশ-ত্রিশটি কবিতাওয়ালা একসঙ্গে সাংঘাতিক রকম বিকট চিত্কার করিয়া যে যার কবিতা হাঁকিয়া উঠিল। মনে হইল, সমস্ত বাড়িটা করতালের মতো ঝন্ ঝন্ করিয়া বাজিয়া উঠিল- ইনস্পেকটার মহাশয় মাথা ঘুরিয়া মাঝপথেই মেঝের উপর বসিয়া পড়িলেন- ছাদের উপর একটা বেড়াল ঘুমাইতেছিল সেটা হঠাত্‍‌ হাত-পা ছুঁড়িয়া তিনতলা হইতে পড়িয়া গেল- স্কুলের দরোয়ান হইতে অফিসের কেশিয়ার বাবু পর্যন্ত হাঁ হাঁ করিয়া ছুটিয়া আসিল!

সকলে সুস্থ হইলে পর মাস্টারমহাশয় বলিলেন, “এত চেঁচাইলে কেন?” সকলে চুপ করিয়া রহিল। আবার জিজ্ঞাসা হইল। “কে কে চেঁচাইয়াছিলে?” পাঁচ-সাতটি ছেলে একসঙ্গে বলিয়া উঠিল, “শ্যামলাল।” শ্যামলাল যে একা অত মারাত্মক রকম চেঁচাইতে পারে এ কথা কেহই বিশ্বাস করিল না- সুতরাং স্কুলসুদ্ধ ছেলেকে সেদিন স্কুলের পর আটকাইয়া রাখা হইল!

অনেক তম্বিতাম্বার পর একে একে সমস্ত কথা বাহির হইয়া পড়িল। হেডমাস্টার মহাশয় বলিলেন, “কবিতা লেখার রোগ হয়েছে? ও রোগের ওষুধ কি?” বৃদ্ধ পণ্ডিতমহাশয় বলিলেন, “বিষস্য বিষমৌষধম্- বিষের ওষুধ বিষ। বসন্তের ওষুধ যেমন বসন্তের টিকা, কবিতার ওষুধ তস্য টিকা। তোমরা যে যা কবিতা লিখেছ তার টিকা করে দিচ্ছি। তোমরা একমাস প্রতিদিন পঞ্চাশবার করে এটা লিখে এনে রোজ আমায় দেখাবে।” এই বলে তিনি টিকা দিলেন-

পদে পদে মিল খুঁজি, গুনে দেখি চোদ্দো
মনে করি লিখিতেছি ভয়ানক পদ্য!
হয় হব ভবভূতি নয় কালিদাস
কবিতার ঘাস খেয়ে চরি বারোমাস।

একমাস তিনি আমাদের কাছে এই লেখা প্রতিদিন পঞ্চাশবার আদায় না করিয়া ছাড়িলেন না। এ কবিতার কি আশ্চর্য গুণ তার পর হইতে কবিতা লেখার ফ্যাশান স্কুল হইতে একেবারেই উঠিয়া গেল।


http://banglalibrary.evergreenbangla.com/





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29030772 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29030772 2009-10-23 21:51:07
আসুন কিছুক্ষণ নিজের এবং নিজেদের বিরুদ্ধে কথা বলি
জোর করে হলেও


ইচ্ছে না হলেও,,,




হয়তো আমাদের ভেতর অভ্যাস তৈরি হবে।


হয়তো একসময়

যখন আমি কিংবা আমার গ্রুপ

ভুল করবে


তখন

আমাদের শত্রুর চেয়েও নির্দয় ভাবে


আমরা আমাদেরই সমালোচনা করবো।।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29029660 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29029660 2009-10-21 18:18:56
উইপোকা সাহিত্য বোঝে না
সেটা হলো,(আমি তাদের কাউকে,অথবা তাদের প্রতিনিধি অন্য সমাজের সদস্য -কাউকে ছোট না করে বলছি)তারা সম্ভবত সাহিত্য বোঝেন । কবিতা বোঝেন । এই সন্দেহ করার কারণ প্রায়ই বিভিন্ন কবিতা এবং সাহিত্য পত্রিকার আশেপাশে তাদের অদ্ভুত অক্লান্ত বিচরণ। আমার বন্ধুরা বলে কী,তরু কিছু মনে করো না,কেউ কেউ এই সাহিত্য খেয়ে বাঁচে। এইজন্য তারা আশেপাশে ঘোরাঘুরি করে। আমার বন্ধুরা খুব ধৈর্যশীল/শীলা। তবু,তারা আমাকে সেই কথা বোঝাতে না পারলে একরকম অশাহত হয়। তখন তারা বলে আইচ্ছা তাইলে তুমি কবিতাই লেখ।

তারপর একদিন আমি বাসায় ফিরি। বাসায় তো প্রতিদিনই ফিরি। আমার সেই ফেরা একটু অদ্ভুত হয়। আমি বইয়ের পুরোনো কেবিনেট খুলে গীতাঞ্জলি বের করতে গিয়ে উইপোকাদের ভয়ঙ্কর গীত-প্রেম দেখে বিমূঢ় হয়ে পড়ি।

তারপর থেকে আমি আর কোনো উইপোকার পক্ষ নেই না।

(নোট:আমার বেশকিছু লেখার পর কোনো কোনো বিদগ্ধ লেখক/লেখিকা প্রশ্ন রাখেন---এটা কি কবিতা না গল্প; তাদের জন্য বলছি এটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা; সেটা আমি কবিতাকারে বলি নাই। এটাকে উই-অভিজ্ঞতা বলতে পারেন<img src=" style="border:0;" />; এটা একটা উপলব্ধির বর্ণনা যে, উইপোকা কবিতারে 'ক'ও খায়, কুকুরের 'ক'ও খায়;
এটাকে ঘোষণাকারেও নেয়া যাইতে পারে; সাবধানবাণীও--যে যেইরকম ভাবেন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29023827 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29023827 2009-10-11 09:23:54
আপনাকে আমি সাপোর্ট করি না, এর মানেই কি আমি আপনার বিরোধী? আপনার বিরোধিতা আমি করছি মানেই কি আমি আপনার শত্রু??


এই দ্বিধা এই দ্বন্দ্ব...

আমাদের কাজের, কথাবার্তার দিক ঠিক করে দিচ্ছে।

আমরা আগে ঠিক করে নিচ্ছি কে আমার শত্রু, কে আমার বন্ধু...

তারপর চিন্তা করছি, কাকে হারাবো, বা কাকে জেতাবো..
তারপর ঠিক করছি কী করবো...


প্রথম কথাটা আর একবার বলি...
আপনাকে আমি সাপোর্ট করি না, এর মানেই কি আমি আপনার বিরোধী?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29021757 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29021757 2009-10-07 09:00:57
কয়েকটা মজার এসএমএস
শুনে কষ্ট পাবে জানি। জানি তোমার হৃদয় ভেঙ্গে যাবে

তবু বলছি শোনো...


আলুর দাম বেড়েছে।
________________________

একটা চোখে কাজল আর অন্য চোখ সাদা
তুমি গভীর ঘুমে আমার শুধুই গলা সাধা
রাত ফুরালো কাল, আজ সূর্য এলো খাটে
পথে নামার পথ কত গৃহী এসে কাটে

বাইরে ডাকে পাখি তার গলাটা বাজখাই
মুখ বাড়িয়ে বলি তুমি বন্ধু আমার ভাই
__________________________________


নিশি যখন ভোর হবে, শুকতারাটা নিভে যাবে
আসবে একটি নতুন দিন
দিনটি হোক অমলিন...

শুভ নববর্ষ
________________________________
এই নিঝুম রাতে শয়তান গান গায়
ইবলিশ তবলা বাজায়
পরি নাচে, জিন হাসে
বানর মূলা চিবায়
দানব রেসলিং খেলে
আজরাইল জগিং করে

তুমি কী করো?
_________________________

রাতে চাঁদ দিনে আলো, ক্যানো তোমায় লাগে ভালো
গোলাপ লাল কলি কালো, সবার চেয়ে তুমি ভালো
আকাশ নীল, মেঘ সাদা, গোয়াল ঘরে তুমি বাধা.......
_________________________

Shob shomoyer jonno jara:


Bekub!


Modon!


Haba!

Tara naki bura angul diye sms pore.

Ekhon r angul shoreye lav nai-

Ja hower ta to hoyei gase.
hi.hi.hi..

__________________________


I am sorry ato din ami tomaka avoid korechi ,tomar shathe kotha bolini, tomar hat dhorini, sms korini, Karon amar jana chilo na j "AIDS" choache rog noy.

__________________________________
CONFIDENCE

Once all villagers decided 2 pray 4 rain

On the day of prayer all people gathered & only 1 boy came with umbrella.

thats CONFIDENCE.
__________________________________
Trust

Trust should be like feeling of a 1 year old baby when u throw him in the air,he laughs
bcoz he knows u will catch him.
____________________________________
HOPE

Every night u go 2 bed, have no assurance 2 get up alive in the next morning but still u've plans 4 coming day.
_____________________________________
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29020817 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29020817 2009-10-05 14:18:37
কোণ-ত্রিখণ্ডন সমস্যা

পৃথিবীর কত কোণে আমি কতবার গিয়েছি
কত ভিন্নরকম। কত অন্ধকার। কত প্রতিকূল।
আর, সব কোণ আমি কত স্মার্টলি ফেস করেছি।
আজ এই একটা সামান্য কাগজের উপর
একটা অতি সাধারণ কোণ-এর কাছে আমি পরাস্ত হয়ে গেলাম।

গণিতবিদদের সমস্ত প্রমাণে চরম অবিশ্বাস রেখে
একটা কোণ-কে সমান তিনখণ্ড করতে গিয়ে
আমি বারবার ব্যথিত হয়ে পড়লাম।

আর সেই থেকে সানিয়া

একটু অপ্রাসঙ্গিকভাবেই
(যেমন হয় সব ব্যর্থতার পর)
তোমার কথা খুব মনে পড়তে লাগলো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29018636 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29018636 2009-10-01 15:48:46
নিম্নচাপ উঠে
নেমে আসছে সারা বিশ্বের উপর-
জানিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া অধিদপ্তর।


কিন্তু হিসি পেলে
আমাকে করতেই হয়
যখন যেখানেই যে অবস্থাতেই থাকি।

দূর্গত এলাকায় রিলিফ পেতে হলে
সভ্যতা না শুনিয়ে বরং
পরিমানমত টয়লেট পেপার আনতে শুরু কর
(তোমাদের ওখানে ওটা ভালো হয়)।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29017891 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29017891 2009-09-30 07:15:58
উপাধি কি প্রচলিত অর্থ বহন করে??? Click This Link


প্রশ্ন করা হয়েছে, শ্রদ্ধেয় শাহ আব্দুল করিমকে বাউলসম্রাট বলাটা কতটা যুক্তিপূর্ণ? এবং যুক্তিযুক্ত যে না, সেই কথা বুঝানোর জন্য নানান যুক্তি দেওয়া হয়েছে।

অনেক ব্লগার সাপোর্টও করেছেন।

আমার একটু অবাক লেগেছে।

উপাধি দেওয়ার সময় কি আসলে প্রচলিত অর্থ মেইনটেইন করা হয়???

ধরা যাক, একজনকে বলা হলো কবি সম্রাট। এর মানে কি তিনি কবিদের সম্রাট? কবিশ্রেষ্ঠ কি কবিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ? বিশ্বকবি মানে তাহলে কী?

আরো ধরা যাক, জাতির পিতা, কিংবা বীরশ্রেষ্ঠ, কিংবা শহিদ...

জাতির পিতা মানে কি যিনি জাতি জন্ম দিয়েছেন? এই ব্যাপারে আরো: Click This Link বীরশ্রেষ্ঠ মানে কি বীরদের মধ্যে যিনি শ্রেষ্ঠ? সেই শ্রেষ্ঠ কি প্রচলিত অর্থ হিসেবে একজনের বেশি হতে পারে? শহিদ কি ইসলামি পরিভাষার শহিদ??? তাহলে একজন অমুসলিম কি শহিদ হতে পারে???

জাতির পিতা মানে কী, এই কথা জানার জন্য উইকির লিংক: Click This Link

এইটা একটা সম্মানসূচক উপাধি। উপাধি দেওয়ার সময় এইসব টিপিকাল যুক্তি চলে না।

একইভাবে, বীরশ্রেষ্ঠ, শহিদ...ইত্যাদি।

আমার যেটা অবাক লেগেছে, সেটা হলো যারা শাহ আব্দুল করিম-এর বাউলসম্রাট উপাধি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তারা কি একইভাবে জাতির পিতা, বীরশ্রেষ্ঠ কিংবা শহিদ নিয়ে প্রশ্ন করার সাহস রাখেন?

যদি না রাখেন, তাহলে বেচারা আব্দুল করিমের কী দোষ???

(ব্যক্তিগতভাবে একটা কথা বলে রাখি, আব্দুল করিমের কাজ আসলেই শুধু বাউলসম্রাট উপাধি দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না। আজকে যারা এসব উপাধি দিয়ে ফ্যানা তুলে ফেলছেন, আবদুল করিম জীবিত থাকার সমায়, অসুস্থ থাকার সময় তাদের অনেকের টিকিও, পাঞ্জাবির কোণাও দেখা যায় নি। আমি নিজে এইসব উপাধির পক্ষেও না, বিপক্ষেও না। বাউলসম্রাট না বলে শুধু আব্দুল করিম আমার অনেক আপন লোক। মনের অনেক কাছের। কিন্তু আশ্চর্য লাগে তাদের কথা শুনলে যারা যুক্তি দিয়ে অন্য কোনো উপাধি বিচার করে না, কিন্তু কেন বাউলসম্রাট উপাধি দেয়া হলো এই নিয়ে আলাদা পোস্ট দিয়ে ফেলেন।

প্রশ্নোত্তর, ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না, আমি আপনার অনেক লেখা খুব পছন্দ করি, এই লেখাটা করি নি; প্রতিবাদ হিসেবে নেবেন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29016376 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29016376 2009-09-27 11:37:58
আসুন, নাতিনাস্তিকাস্তিক হই <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_53.gif" width="23" height="22" alt=":-B" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_59.gif" width="23" height="22" alt="B:-)" style="border:0;" />
ব্লগে ধর্ম নিয়ে যারা অতি উচ্চকিত (গ্রুপ-১ অথবা গ্রুপ-২), তাদের জন্য এই লেখা।

গ্রুপ-১ : আপনি কি ধর্ম নিয়ে অতি আহ্লাদিত? প্রতিটি মুহূর্তে ধর্ম ছাড়া আর কিছু আর কিছু ভালো লাগে না? এমনকী আপনার আহ্লাদের কারণে যদি ধর্মের বরং আরো অধর্ম হয়, তবু?আপনি কি মনে করেন, যারা ধর্মের বিপক্ষে, তাদের মরে যাওয়াটাই পৃথিবীর উন্নতির জন্য সবথেকে ভালো? আপনি কি মনে করেন ধর্ম (যেমন, ইসলাম) শাসনক্ষমতা পেলে আসলেই শান্তি এসে যাবে?…

অথবা,

গ্রুপ-২ : আপনি ধর্ম নিয়ে অতি বিরক্ত??? মনে করেন যে, ধর্মের পক্ষ নিয়ে য়ে বা যারাই কথা বলেন তারাই, অন্ততঃ মানসিকভাবে, চতুঃপদ একটি একটি বিশেষ জন্তু-সম? আপনি কি মনে করেন ধর্মই পৃথিবীতে যত অধর্মের মূল? আপনি কি এই মতের লোক যে ধর্ম বা ধর্মপক্ষীয়রা যদি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত কেবলমাত্র তখনই শান্তি কায়েম হতে পারে?আপনি কি মনে করেন আপনিই মোটামুটি সবথেকে গিয়ানী কারণ আপনি ধর্ম ঘৃণা করেন?

এই লেখা নিশ্চিত ভাবেই আপনার জন্য।

আপনাদের সবার জন্য আমার এই আহ্বান:

আসুন নাতিনাস্তিকাস্তিক হই

নাতিনাস্তিকাস্তিক= না অতি নাস্তিক না অতি আস্তিক

চরম পন্থা কারো জন্য ভালো না। ধর্ম কাউকে ছোট করতে বলে না, ধর্ম ডিফেন্ড করতে গিয়ে প্রায়ই ধর্মের প্রবক্তারা করে যাচ্ছেন। সহনশীলতা ইসলামের বড় াড় শিক্ষাগুলোর একটা; তার অনুসারীদেরকে দেখে মনে হয় ছোটবেলা থেকে ভুল শিখেছিলাম।

আর এদিকে আমাদের অতি জ্ঞানী অতি নাস্তিক ভাইদের কথা শুনলে ভিরমি খেয়ে যেতে হয়। সাধারণত ধর্ম অস্বীকার করার প্রধান যুক্তি দেখানো হয় মানব-ধর্মের কথা বলে। সহ-ব্লগাররা ধর্মের পক্ষে কথা বলার সাথে সাথে যে ভাষায় আক্রমন শুরু হয় তাতে মানব-ধর্ম অতি অপরিচিত বস্তু মনে হয়। তাছাড়া, যুক্তির অস্তিত্ব যতটা তার চেয়ে গলা ফাটিয়ে নাস্তিকতা জাহির করার প্রবণতা তাদের বক্তব্যে চোখে পড়েছে বেশি।

আস্তিক নাস্তিক আপনাদের সবাইকে একটা কথা বলি।
আস্তিকতা-নাস্তিকতা কি জাহির করার বিষয়? অন্যকে গালি দিয়ে বা ছোট করে কি আপনি আপনার পক্ষকে বড় করতে পারবেন? এটা কি বস্তিতে বস্তিতে ঝগড়ার মতো কথায় জিতে যাওয়া, হেরে যাওয়া???
আজকে আপনি বড় গলায় একজন নাস্তিককে গালি দিলেন, এর মানে কি এই যে আপনি আল্লাহর কাছে বড় ধার্মিক হয়ে গেলেন? আমার কাছে কিন্তু উল্টো মনে হয়। আল্লাহ তো আমার আপনার মতো বোকা নন, তিনি হয়তো এভাবে নিতে পারেন, এই ব্যাটার জন্যে আমার অমুক বান্দা আরো দূরে সরে গেল।
আজকে আপনি বড় গলায় একজন আস্তিককে গালি দিলেন, এর মানে কি এই যে আপনি বড় মহান নাস্তিক হয়ে গেলেন? এই গালি দেয়ার মাধমে আপনি পৃথিবীর এবং মানবতার কোন মহান উপকার করলেন?বরং যেটা করলেন, সেটা হলো, অর্থহীন একটা ব্যক্তিগত শত্রু তৈরী। এরপর ঐ আস্তিক আপনার লেখা দেখার সাথে সাথে কিছু না পড়েই মাইনাস দিচ্ছে, আর জবাবে প্রতিহিংসায় আপনিও। এর সাথে প্রকৃত অর্থে আপনারা যে আদর্শের তর্ক শুরু করেছিলেন তার কোনো সম্পর্ক নেই, কিন্তু আপনারা দুজনেই অদ্ভুত নির্লজ্জভাবে আপনাদের এই বিরোধকে নাম দিয়ে দেবেন আদর্শের বিরোধ।

আসুন, ধর্ম নিয়ে আমরা কথা বলি, কিন্তু একটা লিমিট পর্যন্ত বলে তারপর অফ হই। কথা বলি যুক্তি দিয়ে যতক্ষন পারা যায়। তারপর দরকার হয় সময় নিই। তারপর আবার কথা বলি।

অতি নাস্তিকতা আর অতি আস্তিকতা সবসময়ই নিজেদের ক্ষতি করে সবথেকে বেশি।

আসুন আমরা নাতিনাস্তিকাস্তিক হই।


(লেখাটা শুরু করেছিলাম ফান করার চিন্তা মাথায় নিয়ে; শব্দটা মাথায় ঘুরছিলো অনেকদিন ধরে।লেখা শুরু করার পর ফান দূর হয়ে হঠাৎ সিরিয়াস কিছু লিখতে মন চাইলো। তারপর লেখা শেষ করে মনে হলো আরো প্রিপারেশন নিয়ে লিখলে ভালো হতো।)



অ্যাপেন্ডিক্স (আসুন, নাতিনাস্তিকাস্তিক হই B:- )



আস্তিক বা নাস্তিক যা-ই হই, যেন কোনো অবস্থায়ই আমাদের মতগত অবস্থান এত চরমে না পৌঁছায় যে শুধুমাত্র মতের মিল না হওয়ায় আমরা তাকে গালিগালাজের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করি–এই কথাগুলো বলার জন্য উপরের লেখাটা দিয়েছিলাম ।জবাবে যে- মন্তব্যগুলো এসেছিলো, তার জবাব মন্তব্যতেই দিতে চেয়েছি। কিন্তু পরে মনে হলো এই মন্তব্যগুলোও আমার লেখার উদাহরণ হতে পারে। সুতরাং অ্যাপেন্ডিক্স হোক।

ঝর্ণা চৌধূরী বলেছেন: “আমি আস্তিক এবং জেনেশুনেই আমি আস্তিক, তবে চরমপন্থী নই আনলেস এন্ড আনটিল সামওয়ান এটাকস মি।”

আমি বলেছি: “এটাক হলেই আপনি চরমপন্থী হয়ে যাবেন? কেমন কথা হয়ে গেল না? এর মানে হলো আপনাকে যে কেউ চরমপন্থী বানিয়ে দিতে পারে। বোঝার ভুল হলে ঠিক করে দেন।”

ঝর্ণা চৌধুরী সম্ভবতঃ আর খোঁজ নেন নি এই ব্লগে। অথবা এও হতে পারে যে আসলে ‘বোঝার ভুল’ হয় নি। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো এই অর্থে যে এই চিন্তা আরো অনেকের চিন্তারই রিপ্রেজেন্টেটিভ হতে পারে। একটা ছদ্ম এ্যাটাকও আরো অনেককেই চরমপন্থী বানিয়ে দিতে পারে। আসুন, নাতিনাস্তিকাস্তিক হই-২ B:- নিয়ে ভয়ে আছি। ওটা আপনাদেরকে নিয়েই। এবং ওটা ছদ্ম নয়; প্রকৃত।

মজনু মিয়া বলেছেন: আমরা চাই সবাই মানব ধরম পালন করুক

আমি প্রতিধ্বনি করেছি। কারণ আমিও তাই চাই। তারপর মনে হলো আরে এই মানবধর্ম তো সবারই কথা। এটার সংজ্ঞা কী? কে দেবে সংজ্ঞা? যে দেবে সেও কি নতুন কোনো ধর্ম শুরু করবে??

সুফিয়ান ডট কম বলেছেন: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন লিখেছেন । তবে বেইল নাই ..

সত্য কথা। এখন ডিজিটাল যুগ। ০ এবং ১। মাঝামাঝি কোন ভ্যালু নাই। নাতিনাস্তিকাস্তিক ধর্ম পাবলিক খাবে না। বাংগালীর ঝগড়া না কর্লে ভাত হজম হয় না…..

মাঝামাঝি কোনো ভ্যালুর কথা কিন্তু আমি বলি নি। আমি বলছি, আপনি ০-তে যান, অথবা ১-এ যান। কিন্তু চরমপন্থী হবেন না-এই অনুরোধ।

বৃত্তবন্দী বলেছেন: (বৃত্তবন্দীর জরুরী কথাগুলো পয়েন্ট করে দিচ্ছি)

**ব্যাপার হলো কি, যখন ব্লগে আস্তিকতার স্বপক্ষে অনেক লেখা দেখা যায় তখন নাস্তিকতার স্বপক্ষে কোনো লেখা দেবার ইচ্ছা থেকে একজন নাস্তিকের লেখা আসে।

**হয়তো দেখা যায় আস্তিক পোস্টে গিয়ে আমরা অনেকেই প্রথমে যৌক্তিক আলোচনা করতে চাই। হয়তো কারো প্রকাশ ভঙ্গী লেখকের ভালো লাগে না সেক্ষেত্রে তিনিও প্রায় একই ভঙ্গীতে সেটার কাউন্টার দেন। এতে করে হয়তো অনেকের ইগোতে আঘাত লাগে।তখন দুই দলেই বেধে যায়।একটা শত্রুতার সুত্রপাত হলো।এখন নাস্তিক কেউ যখন নাস্তিকতা বিষয়ক কোনো পোস্ট দিলো তখন এই পুর্ব শত্রুতার জের ধরে কোনো আস্তিক কিছুটা হেয় করে কমেন্ট করলো।
এবং আবার শুরু হয়ে গেলো।

**আবার যখন কোনো আস্তিক আল্লার অস্তিত্ত্ব বা কোরানের বিজ্ঞানময়তা বুঝাতে অন্য ধর্মগ্রন্থের সাহায্য নেয় বা কিছুটা তথ্য ম্যানিপুলেশন করেন তখন নাস্তিকরা (এবং কিছু আস্তিকও বটে) সেই ম্যানিপুলেটেড তথ্য ধরিয়ে দিতে যান এবং সেখানেও এই পুর্ব শত্রুতা…
এবং ঘটনার পুনরাবৃত্তি…

**অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, যারা প্রথম দিকে বেশী বেশী আস্তিক ধরনের পোস্ট দেন তারাই কিছুদিন পর জামাত শিবিরের তোষণ মুলক পোস্ট দিচ্ছে।এখান থেকেও কিছুটা আগ্রাসী ভাব আসতে পারে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে কিন্তু আস্তিরা নয় বরং জামাত শিবির…

বৃত্তবন্দীর প্রত্যেকটা কথাই আমার কাছে যুক্তিপূর্ণ মনে হয়েছে।

আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: অতি উচ্চমার্গীয় বিনোদোনমূলক পোস্ট <img src=" style="border:0;" /> হিট বাড়ানি টাইপ পোস্টে মাইনাস দিতে মন্চায়। সুবিধাবাদী থাকাই ভালো। এই কনসেপ্ট ভালা লাগছে। লন প্লাস লন।

ভালো-মানুষ বলেছেন: সুবিধাবাদ হচ্ছে সবচেয়ে ঘৃনিত বাদ! অসুবিধা এড়ানোর জন্য পক্ষ ত্যাগ করা যায় না, শেষ পর্যন্ত ভেতরে ভেতরে একটা না একটা পক্ষে মানুষ থেকেই যায়। যেমন আপনি এখনো রয়ে গেসেন আস্তিকপক্ষে!

কেল্টূ দা বলেছেন: ভালো-মানুষ বলেছেন: সুবিধাবাদ হচ্ছে সবচেয়ে ঘৃনিত বাদ! অসুবিধা এড়ানোর জন্য পক্ষ ত্যাগ করা যায় না, শেষ পর্যন্ত ভেতরে ভেতরে একটা না একটা পক্ষে মানুষ থেকেই যায়। যেমন আপনি এখনো রয়ে গেসেন আস্তিকপক্ষে!

আমি এখন পর্যন্ত এই কথাগুলোর মাজেজা বুঝি নি। আস্তিকতা বা নাস্তিকতা কি আদৌ আমার পয়েন্ট ছিলো? অথবা চরমপন্থার উল্টো শব্দ কি সুবিধাবাদ???

আমি কেল্টুদা কে বললাম: আমি কি কোথাও বলেছি আমি নাস্তিক বা আস্তিক কোনোটা না? আস্তিক বা নাস্তিক মনে হয় সমস্যা না। আমরা সবাই তো শেষ পর্যন্ত কোনো না কোনো পক্ষে। আমার প্রসঙ্গ কিন্তু অতি নাস্তিক এবং অতি আস্তিকদের নিয়ে। আমি কী, এটা আমার কাছেই থাকুক। আস্তিকতা-নাস্তিকতা কি জাহির করার বিষয়?

কেল্টুদা জবাবে বললেন: আপনার পুরা বক্তব্যটাই কিন্তু ডিফেন্সিভ । মানে, আপনে বুঝতেছে পারতেছেন কোনটা যুক্তি নির্ভর জ্ঞান আর কোনটা বিশ্বাসজাত সংস্কার । এবং এও বুঝতেছেন যে, যুক্তির আক্রমনে বিশ্বাস বেচারার ত্রাহি অবস্তা হবে । আর সত্যি বলতে আপনি যেহেতু সেই বিশ্বাসীর পক্ষের মানুষ তাই তাদের’কে রক্ষা করতে চাচ্ছেন। দুঃখিত, আর কোন মহৎ উদ্দ্যেশ্য থাকতে পারে বলে মনে হচ্ছেনা ।

এই কথার কী জবাব হতে পারে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29008356 http://www.somewhereinblog.net/blog/brikkhoblog/29008356 2009-09-11 00:26:29