আমার প্রিয় পোস্ট
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- আপনার ল্যানের যেকোনো পিসিকে আপনার পিসি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন! - নিউটন
- আমি কেন আওয়ামী লীগ ছেড়েছি? - আশরাফ রহমান
- সম্ভবত ঠিক হচ্ছে না, আপনারা জিতছেন কি? - মাহমুদ রহমান
- ওরিয়ানা ফালাচির নেয়া শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- এক বছরে দুইশ পোস্ট (আস্তমেয়ে) - আস্তমেয়ে
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা - মুনিয়া
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- প্যারিসের পথে পথে : একটু নিরিবিলির খোঁজে - শাওন
- একটু বসিয়া থাক (গান) - শফিউল আলম চৌধূরী
- কালপুরুষের দোষ - কালপুরুষ
- সাফাই নয় জবাব - কালপুরুষ
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- বেস্ট ফ্রেন্ড - মুনিয়া
- আমি যেভাবে ভালোবাসি - সন্ধ্যাবাতি
- জবাবঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-হাওয়া ইরফান (কাউন্সেলর) - মাহমুদ রহমান
- প্রশ্নঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-- মুস্তফা (ইজিপ্ট) - মাহমুদ রহমান
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
এখন আবারো বৃষ্টি..... (বৃত্ত)
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
# একটু্ আগে, বেলা একটার দিকে প্রচণ্ড বৃষ্টি নেমেছিল। এখনও কন্টিনিউ করছে। আজকের দিনটাকে বিশেষভাবে মনের মাঝে বুকমার্ক করে রাখলাম- ২রা জুন, ২০০৮। আর দু’দিন পর আমার জন্মবার্ষিকী। এই বৃষ্টিটা মনে হয় আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার জন্য একটা প্রি-বার্থডে গিফট!
# রাস্তাগুলো যখন ভিজতে থাকে, চমৎকর লাগে। ভেজা রাস্তায় গাড়ির চাকার নিচে পানি পিষ্ট হতে থাকে! কেমন যেন একটা ঘোরলাগা শব্দ হতে থাকে.....। মানিক মিয়া এভিনিউ। সামনে সেই চিরচেনা সংসদ ভবন। সেই সংসদ ভবন মাঠ। আর সেই নস্ট্যালজিক করে দেয়া ক্রিসেন্ট লেক, বৃষ্টি হলে যার পাশে আমার বসে থাকা ছিল মাস্ট। কত রাতই না সেখানে বসে পার করে দিতাম! উফ!
# কম্পিউটারটা শাট ডাউন করে আমি আধাঘন্টা আগে লিফটে করে উঠি গিয়েছিলাম। দশতলার ছাদে। সাথে আমার এক রিলেটিভ। উনি বৃষ্টিতে ভিজলেন। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম। আমার কিছু করার ছিল না। শত ইচ্ছাতেও আমি পারলাম না বৃষ্টিতে ভিজতে। ডাক্তারের কড়া নিষেধ- আইসক্রিম খাওয়া যাবে না, বৃষ্টিতে ভেজা যাবে না, ফ্রিজের কোন ঠান্ডা খাবার খাওয়া যাবে না- উফ! মাঝে মাঝে কাঁদতে ইচ্ছা হয়।
# আমি ছাদের ব্লু শেডের নিচে দাঁড়িয়ে থাকলাম। আমার রিলেটিভ ভিজতে থাকলেন। আরেক স্যুটের একটা ছেলেও নামলেন ভিজতে। আমি বললাম- ভিজে গেলে যে ঠান্ডা লাগবে। উনি বললেন- “জ্বর-ঠান্ডা তো লাগবেই, কিন্তু আনন্দটা তো আর বারবার করতে পারবেন না!” কত সহজ কথা কত সহজে বলে দিলেন। কিন্তু, শহরে বাস করতে করতে শরীরটাকে এত সেনসিটিভ করে ফেলেছি যে একটু থেকে একটু হলেই প্রায় মারা যাই! ড্রাইভারের সাথে এ নিয়ে যখন কথা হচ্ছিল, বললেন- “আমাদের তো কোন সমস্যা হয় না, গ্রামের মানুষ বলে কথা, ব্যাঙের কি আর সর্দি হয়?” এ কথা শুনে প্রচন্ড ইচ্ছে হয় আবার সেই ব্যাঙ হয়ে উঠতে.....।প্রচন্ড বাতাসের সাথে বৃষ্টির ঝাপটা- আমি মনে মনে আবারও ভিজতে থাকি। ছাদে পানি জমে গেছে। সেখানেও স্রোত খেলা করে যাচ্ছে। নাগরিক জীবনে একটুকু আনন্দ, একটু বৃষ্টির ছোঁয়া! আমাকে আবার গ্রামের দিনগুলিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়.....
# এখনও বৃষ্টি হচ্ছে। তো, আমার রিলেটিভের ভেজা শেষ হল। তারপর উনি নামলেন সিঁড়ি দিয়ে, আমি নামলাম লিফট দিয়ে। লিফটে ঢোকা মাত্রই একগাদা পারফিউমের ঘ্রাণ। হালকা উষ্ণতা। লিফটের ভেতরে যেমন থাকে। প্রতিদিনকার বিরক্তি এই লিফট। লিফটে পা দেওয়ামাত্র আমাকে আবার নাগরিক জীবন চেপে ধরে।
# ছাদে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। কিছুটা দূরে সংসদ ভবন। প্রচন্ড বৃষ্টি, বাতাসের বেগ, বৃষ্টির ঝাপটা- সংসদ ভবন ব্লার হয়ে এল আমার চোখে। অনেক পুরোন সেইসব শৈশবের দিনগুলিতে চলে গেলাম। সংসদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া.....। সেই ক্রিসেন্ট লেকে সারারাত বসে থাকা..... নস্ট্যালজিক অতীত.....
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না