আমার প্রিয় পোস্ট
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- আপনার ল্যানের যেকোনো পিসিকে আপনার পিসি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন! - নিউটন
- আমি কেন আওয়ামী লীগ ছেড়েছি? - আশরাফ রহমান
- সম্ভবত ঠিক হচ্ছে না, আপনারা জিতছেন কি? - মাহমুদ রহমান
- ওরিয়ানা ফালাচির নেয়া শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- এক বছরে দুইশ পোস্ট (আস্তমেয়ে) - আস্তমেয়ে
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা - মুনিয়া
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- প্যারিসের পথে পথে : একটু নিরিবিলির খোঁজে - শাওন
- একটু বসিয়া থাক (গান) - শফিউল আলম চৌধূরী
- কালপুরুষের দোষ - কালপুরুষ
- সাফাই নয় জবাব - কালপুরুষ
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- বেস্ট ফ্রেন্ড - মুনিয়া
- আমি যেভাবে ভালোবাসি - সন্ধ্যাবাতি
- জবাবঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-হাওয়া ইরফান (কাউন্সেলর) - মাহমুদ রহমান
- প্রশ্নঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-- মুস্তফা (ইজিপ্ট) - মাহমুদ রহমান
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
হঠাৎই ঝুপ করে অন্ধকার নেমে পড়বে। লেখা বন্ধ করা দরকার..... (বৃত্ত)
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
# দশতলা বাড়ির অষ্টম ফ্লোরের একটা ফ্ল্যাটের বারান্দা। চেয়ার নিয়ে বসে আছি। শেষ বিকেলের আলো। দড়িতে কাপড় টাঙানো।৭-৮টা টবে গাছ লাগানো। এর মাঝে একটাতে আমার খুব প্রিয় ফুল বেলি ফুটে আছে। পাগল করা ঘ্রাণ.....
# জানালা গলে দৃষ্টিটা বাইরে নিয়ে যাই। প্রচণ্ড বাতাস হচ্ছে। সবকিছু উড়ছে। টবে লাগানো গাছগুলোতে সুন্দর ঢেউ খেলে যাচ্ছে। বারান্দার ঠিক অপোজিটে আরেকটা দশতলা বাড়ি। এই বাড়িটার পিছনে আরও তিনটা দশতলা বাড়ি। এরা সবাই আকাশ ছোঁয়ার প্রতিযোগীতা করতে চায়.....। হাস্যকর।
# সামনের বাড়িটার সিক্সথ ফ্লোরের বারান্দায় একটা ছোট পিচ্চি। গ্রিল ধরে ঝুলে আছে। নিচে ঘাসের লন। প্রচণ্ড বাতাস। আমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। লনের উপরে, বিভিন্ন জায়গায় মানুষ গোল হয়ে বসে আছে। কেউ তাস খেলছে। কেউবা মোবাইল টিপছে। আবার কেউ হাঁটছে। অফিস ছুটি হয়েছে। বাউন্ডারির বাইরে প্রশস্ত রাস্তাদুটোয় গাড়ির আনাগোনা অনেক বেড়ে গেছে। আমি না চাইতেও যেন আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে - এই দেখ, তুমি নাগরিক। নগরে বাস কর।
# আজান হচ্ছে। মাগরিবের আজান। গাড়ির আওয়াজ না থাকলে এখন অসীম পবিত্রতা অনুভব করতে পারতাম। কিন্তু পারছি না। ভোরবেলা অনেকটা করতে পারি।
# রাস্তার ঐ পাশে বিশাল মাঠ। সংসদ ভবন মাঠ। খুব পরিচিত। শিশুকালে যেখানে অনেকবার এসেছি.....। সবুজ ঘাসের মাঠ। সেই পরিচিত গোলকের মত বাল্বগুলো জ্বলে উঠেছে। নিজে একটা অ্যাশ রঙের সেডান দাঁড়ানো। একটা কালো ল্যান্ড ক্রুজার রাস্তায় গিয়ে পড়ল এইমাত্র। প্রচণ্ড বাতাস.....। খুব ভালো লাগছে।
# ডাইরির কাগজগুলো উড়ে যাচ্ছে। তবুও ডাইরি লিখছি। এখানে ল্যাপটপ পিসি নিয়ে বসে নিজেকে আরও যান্ত্রিক বানাতে চাই না।
# আকাশের দিকে এতক্ষণ তাকাইনি। আকাশের একপাশে লালচে আভা। শত শত গাড়ি যাচ্ছে নিচ দিয়ে। একটু পরই প্রচণ্ড অন্ধকার হয়ে যাবে। তার আগ পর্যন্ত লিখে যাই.....
# আর কী লিখব? কিছু না। শুধু কৃষ্ঞচুড়ার কথা লিখব। মাঠের পাশে গাছের সারি। কৃষ্ঞচুড়া ফুটেছে। না না, আগুন ধরেনি, ভালোবাসার ছোঁয়ায় ওরা অমন হয়েছে।
# বাউন্ডারির লাগোয়া পুলিশের(সিকিউরিটি) রুম। তার ছাদের এক কোনায় পানির ট্যাঙ্ক। তা থেকে ছাদকে কোনাকুনি ক্রস করে গেছে একটা পাইপ। পাইপের শেষের দিকে ছাদের উপর পানি পড়ে আছে। সেখানে একটা শালিক বা এই জাতীয় পাখি বসে ছিল। পাইপের উপর। পানিতে ওর চমৎকার ছায়াটা দেখে আমি ওকে দেখেছিলাম। আমি দেখছি- এই বুঝেই হয়ত ও উড়ে চলে গেল। অন্ধকার বাড়ছে.....
# হঠাৎই ঝুপ করে অন্ধকার নেমে পড়বে। লেখা বন্ধ করা দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না