আমার প্রিয় পোস্ট
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- আপনার ল্যানের যেকোনো পিসিকে আপনার পিসি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন! - নিউটন
- আমি কেন আওয়ামী লীগ ছেড়েছি? - আশরাফ রহমান
- সম্ভবত ঠিক হচ্ছে না, আপনারা জিতছেন কি? - মাহমুদ রহমান
- ওরিয়ানা ফালাচির নেয়া শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- এক বছরে দুইশ পোস্ট (আস্তমেয়ে) - আস্তমেয়ে
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- ঘৃণা ঘৃণা ঘৃণা - মুনিয়া
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- প্যারিসের পথে পথে : একটু নিরিবিলির খোঁজে - শাওন
- একটু বসিয়া থাক (গান) - শফিউল আলম চৌধূরী
- কালপুরুষের দোষ - কালপুরুষ
- সাফাই নয় জবাব - কালপুরুষ
- কুর'আন, নারী ও শস্যক্ষেত্র, ইসলাম বিদ্বেষ ও আমার বিশেষ জ্ঞানী হওয়া। - আবূসামীহা
- বেস্ট ফ্রেন্ড - মুনিয়া
- আমি যেভাবে ভালোবাসি - সন্ধ্যাবাতি
- জবাবঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-হাওয়া ইরফান (কাউন্সেলর) - মাহমুদ রহমান
- প্রশ্নঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-- মুস্তফা (ইজিপ্ট) - মাহমুদ রহমান
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
শিরোনাম? এখানে আবার কী লিখব? (বৃত্ত)
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫১
মাঝে মাঝে না, কেমন যেন লাগে। সবকিছু এলোমেলো লাগে। কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে পারি না....
শুধু মনে হয়- একটা শ্বেত-শুভ্র কবুতরের পালকের মত বাতাসে ভেসে বেড়াই। উড়ে বেড়াই একটা কবুতরের মত। কিন্তু কেন পারি না? কেন?
শহুরে জীবন আমাকে চেপে ধরে। এই শহুরে জীবনেরও কিন্তু এক ধরনের আনন্দ আছে। সেটা অবশ্য সবাই উপভোগ করে না। কারণ একটাই- বিষণ্ণতা সবার ভাল্লাগে না। সবাই আনন্দ- সুখে মেতে থাকতে চায়। কিন্তু দুঃখটাকে নিয়ে এতটুকু মাতলেই সেটা সুখ পাবার যে আকাঙ্খা জাগায়, তাতে একবিন্দু ভালোবাসা সিন্ধু সমান সুখ নিয়ে হাজির হয়.....
তাই আমি শহুরে বন্দী জীবনকে ঘৃণা করলেও ভালোবাসি। কথাটা শুনতে আসলে খুবই অদ্ভুত। ঘৃণা করলেও ভালোবাসি। হ্যাঁ, ঠিক তাই। যখন সন্ধ্যে নামে- ঠিক সন্ধ্যে নয়- চোখ বুঁজিয়ে দেওয়া একটা সন্ধ্যের আগমনী আলোয় চারপাশ আলোকিত হয়- তখন কিন্তু এই শহুরে জীবনটাও কেমন যেন মায়াবী হয়ে ওঠে।
বন্ধু তোমায় গান শোনাব বিকেল বেলায়.....
আর একবার, যদি তোমাদের দলে নাও খেলায়.....
এসব গান কম্পিউটারে বাজতে থাকে। কিংবা-
মন ভালো নেই, বারেবার মনে হয়.....
তুমি পাশে নেই, ভাবি দুর ছাই, কেন কাটে না সময়.....
কিংবা-
কিছুতে তোমার মনটা আমি বুঝতে পারি না.....
এসব গান আমাকে ভেতর থেকে কাঁদিয়ে তোলে। আমি মনে মনে কাঁদতে কাঁদতে বারান্দায় এসে দাঁড়াই। বড় বড় অ্যাপার্টমেন্টগুলো কেমন যেন মায়াবী হয়ে ওঠে। বড় রাস্তার হাজার হাজার গাড়ি তখন কেমন যেন আমার মাথার উপর দিয়ে চলে যায়।
ওদের শত ব্যস্ততা, তবু আমি ওদের অনুভব করতে পারি না।
গাড়িগুলো এত তাড়াতাড়ি চলে যায় কেন?
আমি রুমে এসে গানের ভলিউমটা বাড়িয়ে দেই। ঘরের ভেতর সেই হালকা সন্ধ্যের আলো। কেমন যেন চোখটা বুঁজে আসে.....
হয়ত চোখের কোন দিয়ে এক ফোঁটা জল বেরিয়ে আসে.....
এক ফোঁটা অশ্রুকে মুক্তি দিয়েই ভাবি- অনেক যেন দুঃখ ঝেড়ে ফেললাম। এটাও আসলে নিজেকে নিজেই ঠকাবার একটা উপায়। নিজেকে বোঝাই- দেখতো, এই অশ্রু দিয়ে তোমার কত কষ্টই না ঝরে গেল! তুমি এখন কতই না সুখী!
তারপর সন্ধ্যে নেমে পড়ে। আবার ফিরে আসি। সেই শহুরে বদ্ধ ঘরে। জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবতে বসি। জীবন গড়িয়ে চলে....
সে তো থেমে থাকবার নয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না