somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... একটা ব্লগ লিখি?(ছ' মাসে এক বছর শেষ করবার আগে) অনেকদিন পর। সর্বশেষ কবে লিখেছিলাম, তা ঠিক মনে পড়ছে না। আজ অনেক আগে ড্রাফট করা বেশ কিছু লেখা প্রাইভেট ব্লগে পোস্ট করে দিলাম।
ওগুলো সব অনেক আগের লেখা। কোনটাতে হয়তো তারিখ উল্লেখ করেছি, কোনটাতে করিনি।

চরম ব্যস্ততায় কিছুই করতে পারি না। কয়েকদিন পরপর ফেসবুক আর ইয়াহু-জিমেইল-হটমেইল এর মেইলগুলো ডিলিট করে দিই।

তারপর পিসি থেকে উঠে পড়ি। ব্লগ লেখার মত অকাজের জন্য নষ্ট করবার সময় কই?
কিন্তু আজ হঠাৎ কী মনে করে যেন আমার পুরোন ব্লগগুলো পড়লাম। পড়ে ব্লগ লেখার স্বাদ নিতে মন চাইল। তাই ভাবলাম একটু লিখি।

তাই লিখলাম।
আল্লাহ, আমার মনের আশাগুলো পূর্ণ করে দাও।
সুখ দাও। শান্তি দাও।
(অবশ্য আমি এখন অনেক সুখী আর অনেক শান্ত, দুঃখ আমাকে স্পর্শ করতে পারে না, যদিও নস্ট্যালজিয়া আমার সাথেই থাকল- দুঃখের এত বড় ব্যর্থতায় আমার ভালোই লাগে। দুঃখ কষ্টকে কখনো গায়ে মাখতে দিতে হয় না। এতে শুধু নিজেকে কষ্ট দেওয়া, যা একেবারেই অনুচিত কাজ।)

১০-৫৪,
২৩ জানুয়ারী ২০০৯।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901552 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901552 2009-01-23 22:59:48
শিরোনাম? এখানে আবার কী লিখব? (বৃত্ত) শুধু মনে হয়- একটা শ্বেত-শুভ্র কবুতরের পালকের মত বাতাসে ভেসে বেড়াই। উড়ে বেড়াই একটা কবুতরের মত। কিন্তু কেন পারি না? কেন?

শহুরে জীবন আমাকে চেপে ধরে। এই শহুরে জীবনেরও কিন্তু এক ধরনের আনন্দ আছে। সেটা অবশ্য সবাই উপভোগ করে না। কারণ একটাই- বিষণ্ণতা সবার ভাল্লাগে না। সবাই আনন্দ- সুখে মেতে থাকতে চায়। কিন্তু দুঃখটাকে নিয়ে এতটুকু মাতলেই সেটা সুখ পাবার যে আকাঙ্খা জাগায়, তাতে একবিন্দু ভালোবাসা সিন্ধু সমান সুখ নিয়ে হাজির হয়.....

তাই আমি শহুরে বন্দী জীবনকে ঘৃণা করলেও ভালোবাসি। কথাটা শুনতে আসলে খুবই অদ্ভুত। ঘৃণা করলেও ভালোবাসি। হ্যাঁ, ঠিক তাই। যখন সন্ধ্যে নামে- ঠিক সন্ধ্যে নয়- চোখ বুঁজিয়ে দেওয়া একটা সন্ধ্যের আগমনী আলোয় চারপাশ আলোকিত হয়- তখন কিন্তু এই শহুরে জীবনটাও কেমন যেন মায়াবী হয়ে ওঠে।
বন্ধু তোমায় গান শোনাব বিকেল বেলায়.....
আর একবার, যদি তোমাদের দলে নাও খেলায়.....

এসব গান কম্পিউটারে বাজতে থাকে। কিংবা-

মন ভালো নেই, বারেবার মনে হয়.....
তুমি পাশে নেই, ভাবি দুর ছাই, কেন কাটে না সময়.....

কিংবা-

কিছুতে তোমার মনটা আমি বুঝতে পারি না.....

এসব গান আমাকে ভেতর থেকে কাঁদিয়ে তোলে। আমি মনে মনে কাঁদতে কাঁদতে বারান্দায় এসে দাঁড়াই। বড় বড় অ্যাপার্টমেন্টগুলো কেমন যেন মায়াবী হয়ে ওঠে। বড় রাস্তার হাজার হাজার গাড়ি তখন কেমন যেন আমার মাথার উপর দিয়ে চলে যায়।
ওদের শত ব্যস্ততা, তবু আমি ওদের অনুভব করতে পারি না।
গাড়িগুলো এত তাড়াতাড়ি চলে যায় কেন?

আমি রুমে এসে গানের ভলিউমটা বাড়িয়ে দেই। ঘরের ভেতর সেই হালকা সন্ধ্যের আলো। কেমন যেন চোখটা বুঁজে আসে.....

হয়ত চোখের কোন দিয়ে এক ফোঁটা জল বেরিয়ে আসে.....
এক ফোঁটা অশ্রুকে মুক্তি দিয়েই ভাবি- অনেক যেন দুঃখ ঝেড়ে ফেললাম। এটাও আসলে নিজেকে নিজেই ঠকাবার একটা উপায়। নিজেকে বোঝাই- দেখতো, এই অশ্রু দিয়ে তোমার কত কষ্টই না ঝরে গেল! তুমি এখন কতই না সুখী!

তারপর সন্ধ্যে নেমে পড়ে। আবার ফিরে আসি। সেই শহুরে বদ্ধ ঘরে। জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবতে বসি। জীবন গড়িয়ে চলে....
সে তো থেমে থাকবার নয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901548 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901548 2009-01-23 22:51:44
শিরোনাম দিতে ইচ্ছে হয় না- গান নিয়ে যত পাগলামি..... (বৃত্ত) বেশিরভাগ সময়ে গানগুলো শুনি অতীতকে নিয়ে পাগল হবার জন্য। অতীতকে নিয়ে মেতে উঠি।
আজ হঠাৎই কম্পিউটারে শাফিন আহমেদের গান দেখতে পেলাম। কোন এক এলোমেলো ফোল্ডারে লুকিয়ে ছিল। তারপর এন্টার চাপলাম...
এই গানটা বারবার শুনতেও খারাপ লাগছে না। গানের কথাগুলো এ রকম-
তোমাকে অকারণ ভেবে আর কী হবে।
তুমিতো অজানায় হারালে নীরবে।
আজও খুজেঁ পাইনি, কোথায় সুখের ঠিকানা।
আজও খুজেঁ পাইনি, আলোর পথের সীমানা।

তুমি ফিরে কখনো এসো না।
দূরে থাকো, ভালো আর বেসো না।
বিবাগী স্মৃতিগুলো চোখে, জলে হল পরিণত।
তোমাকে ভালোবেসে কেন, আবেগী মন আহত।
হতাশার ছবি একেছি, জীবনের অ্যালবামে।
শোকের চিহ্ণ রেখেছি হৃদয়ে ....
তুমি ফিরে কখনো এসো না।
দূরে থাকো, ভালো আর বেসো না।

আমার আকাশে কালো মেঘ হারিয়ে সে যেন চাদ।
হতাশার ছবি একেছি, জীবনের অ্যালবামে।
শোকের চিহ্ণ রেখেছি হৃদয়ে.....
তুমি ফিরে কখনো এসো না।
দূরে থাকো, ভালো আর বেসো না।

তোমাকে অকারণ।
ভেবে আর কী হবে।
তুমি তো অজানায়।
হারালে নীরবে।
আজও খুঁজে পাইনি।
কোথায় সুখের ঠিকানা।
আজও খুজেঁ পাইনি।
আলোর পথের সীমানা।
তুমি ফিরে কখনো এসো না।
দূরে থাকো, ভালো আর বেসো না।

গানটা খুব নস্ট্যালজিক....
আর কোন লেখা আসছে না।

অতীত স্মৃতিতে ডুব দিলাম। অতল তলে।


আবার এলাম। আইয়ুব বাচ্চুর গান শুনছি। এটাও ছিল কোন এক এলোমেলো ফোল্ডারে। কোন এক সময়ের খুব যত্নে রেখে দেওয়া গান। এখনকার যুগের আধুনিক হাজারটা ইনস্ট্রুমেন্টের ভীড়ে এই গানের স্বল্প কয়েকটা ইনস্ট্রুমেন্ট মুখ লুকোয়। তবুও, এই গানগুলো শুনতে খুব ভালো লাগে। আইয়ুব বাচ্চুর সেই গানগুলো। বাংলাদেশ মাতানো।
চলো বদলে যাই.....
কেমন করে এতো অচেনা হলে তুমি....
কীভাবে এত বদলে গেছি এই আমি....
বুকেরই সব কষ্ট দুহাতে সরিয়ে...
চলো বদলে যাই...

তুমি কেন বোঝ না...
তোমাকে ছাড়া আমি অসহায়...
আমার সবটুকু ভালোবাসা তোমায় ঘিরে...
আমার অপরাধ ছিল যতটুকু তোমার কাছে....
তুমি ক্ষমা করে দিও আমায়...
সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে...
সেই আমি কেন তোমাকে দু:খ দিলেম...
কীভাবে এত বদলে গেছি এই আমি..

বুকেরই সব কষ্ট দুহাতে সরিয়ে...
চলো বদলে যাই....

আমার অপরাধ ছিল যতটুকু তোমার কাছে...
তুমি ক্ষমা করে দিও আমায়...

তারপর জেমসের একটা মাস্টারপিস - তাজমহল।

চমৎকার একটা গান। আমাদের দেশের ইতিহাস এই গানে কতই না চমৎকারভাবে উঠে এসেছে।


প্লেলিস্টের আকার বাড়তে থাকে।
একের পর এক গান বেজে যায় কম্পিউটারে। আমি শুনতে থাকি.....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901547 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901547 2009-01-23 22:49:59
আবারো ঝুপ করে অন্ধকার নেমে পড়বে। লেখা বন্ধ করা দরকার..... ছাদের এক কোনায়, উত্তর কি দক্ষিণ - তা বলতে পারব না; পানির ট্যাঙ্ক। তার আড়ালে তিনটা শিশু খেলছে। এই মানুষটাকে চমৎকারভাবে উপেক্ষা করেই। এইমাত্র তারা খোলা বাতাসে একগাদা চমৎকার ছাই উড়িয়ে দিয়ে আমার জামা আর চোখ ভরিয়ে দিল। আশপাশ সম্পর্কে আর লেখার তেমন কিছু নেই। চারিদিকে যতদূর চোখ যায় – নারিকেল, তাল; এইসব গাছ। developing area. মনটা খারাপ হয়ে গেল। এখানেও দৌড়ে এসে শহরটা আমাকে ধরতে চায়। অত্যন্ত ভীতিকর।
আমার বামপাশে, বাউন্ডারির উপরে ক্লাস এইটে পড়া এক ছেলে। ডানে বাউন্ডারির উপরে নাইনে পড়া এক ছেলে। সে বিশাল বাটিতে কিছু একটা খাচ্ছে। তারা দু’জনেও এই আমাকে উপেক্ষা করে গল্প করছে। চমৎকার! এটাতো ওদের গল্প করারই বয়স, তাই না? করবেই তো।
এখানে আর বর্ণনা দেবার মত কিছু নেই। এখানেও চমৎকার বাতাসে আমার ডায়েরীর পাতা উড়ে যাচ্ছে। হাত দিয়ে চেপে ধরে রেখেছি। তবে এখানে চমৎকার মিষ্টি মধুর শব্দ। নারিকেল পাতায় বাতাসের পরশে এক অন্যরকম শব্দ হচ্ছে। divine.
একটু পরে বৃষ্টি হবে। মেঘ ডাকছে। এখানে লেখার তেমন কিছু নেই। শেষ বিকেল- তাতো বলাই হয়নি। শুধু অনুভব করছি। divine love, divine feelings. এগুলো শুধু অনুভব করবার, বলবার নয়।
একটু পরে এখানেও ঝুপ করে অন্ধকার নেমে পড়বে। প্রকৃতির চমৎকার নিয়মে। কিন্তু শহরের সেই অন্ধকার নামা, আর এখানে অন্ধকার নামার মাঝে অনেক পার্থক্য।
This অন্ধকার নামা is divine….
আবারে ঝুপ করে অন্ধকার নেমে পড়বে। সেই সাথে বৃষ্টি। লেখা বন্ধ করা দরকার। ০৯-০৬-২০০৮.

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901546 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901546 2009-01-23 22:48:26
হঠাৎই ঝুপ করে অন্ধকার নেমে পড়বে। লেখা বন্ধ করা দরকার..... (বৃত্ত) # জানালা গলে দৃষ্টিটা বাইরে নিয়ে যাই। প্রচণ্ড বাতাস হচ্ছে। সবকিছু উড়ছে। টবে লাগানো গাছগুলোতে সুন্দর ঢেউ খেলে যাচ্ছে। বারান্দার ঠিক অপোজিটে আরেকটা দশতলা বাড়ি। এই বাড়িটার পিছনে আরও তিনটা দশতলা বাড়ি। এরা সবাই আকাশ ছোঁয়ার প্রতিযোগীতা করতে চায়.....। হাস্যকর।
# সামনের বাড়িটার সিক্সথ ফ্লোরের বারান্দায় একটা ছোট পিচ্চি। গ্রিল ধরে ঝুলে আছে। নিচে ঘাসের লন। প্রচণ্ড বাতাস। আমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। লনের উপরে, বিভিন্ন জায়গায় মানুষ গোল হয়ে বসে আছে। কেউ তাস খেলছে। কেউবা মোবাইল টিপছে। আবার কেউ হাঁটছে। অফিস ছুটি হয়েছে। বাউন্ডারির বাইরে প্রশস্ত রাস্তাদুটোয় গাড়ির আনাগোনা অনেক বেড়ে গেছে। আমি না চাইতেও যেন আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে - এই দেখ, তুমি নাগরিক। নগরে বাস কর।
# আজান হচ্ছে। মাগরিবের আজান। গাড়ির আওয়াজ না থাকলে এখন অসীম পবিত্রতা অনুভব করতে পারতাম। কিন্তু পারছি না। ভোরবেলা অনেকটা করতে পারি।
# রাস্তার ঐ পাশে বিশাল মাঠ। সংসদ ভবন মাঠ। খুব পরিচিত। শিশুকালে যেখানে অনেকবার এসেছি.....। সবুজ ঘাসের মাঠ। সেই পরিচিত গোলকের মত বাল্বগুলো জ্বলে উঠেছে। নিজে একটা অ্যাশ রঙের সেডান দাঁড়ানো। একটা কালো ল্যান্ড ক্রুজার রাস্তায় গিয়ে পড়ল এইমাত্র। প্রচণ্ড বাতাস.....। খুব ভালো লাগছে।
# ডাইরির কাগজগুলো উড়ে যাচ্ছে। তবুও ডাইরি লিখছি। এখানে ল্যাপটপ পিসি নিয়ে বসে নিজেকে আরও যান্ত্রিক বানাতে চাই না।
# আকাশের দিকে এতক্ষণ তাকাইনি। আকাশের একপাশে লালচে আভা। শত শত গাড়ি যাচ্ছে নিচ দিয়ে। একটু পরই প্রচণ্ড অন্ধকার হয়ে যাবে। তার আগ পর্যন্ত লিখে যাই.....
# আর কী লিখব? কিছু না। শুধু কৃষ্ঞচুড়ার কথা লিখব। মাঠের পাশে গাছের সারি। কৃষ্ঞচুড়া ফুটেছে। না না, আগুন ধরেনি, ভালোবাসার ছোঁয়ায় ওরা অমন হয়েছে।
# বাউন্ডারির লাগোয়া পুলিশের(সিকিউরিটি) রুম। তার ছাদের এক কোনায় পানির ট্যাঙ্ক। তা থেকে ছাদকে কোনাকুনি ক্রস করে গেছে একটা পাইপ। পাইপের শেষের দিকে ছাদের উপর পানি পড়ে আছে। সেখানে একটা শালিক বা এই জাতীয় পাখি বসে ছিল। পাইপের উপর। পানিতে ওর চমৎকার ছায়াটা দেখে আমি ওকে দেখেছিলাম। আমি দেখছি- এই বুঝেই হয়ত ও উড়ে চলে গেল। অন্ধকার বাড়ছে.....
# হঠাৎই ঝুপ করে অন্ধকার নেমে পড়বে। লেখা বন্ধ করা দরকার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901545 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901545 2009-01-23 22:47:55
কিছুদিনের জন্য শহুরে যান্ত্রিকতা ছেড়ে এই আমি একা.....
স্মৃতিগুলো মনের মাঝে শুধু ধরে না রেখে আপনাদের সাথে শেয়ার করে আপনাদেরও সেখান থেকে ঘুরিয়ে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এই যান্ত্রিকতা বড় অসহ্য ঠেকছে। খুবই অসহনীয়। পরে আবার যখন এই যান্ত্রিকতার মাঝে চরমভাবে ডুবে যাব, তখন হয়ত স্মৃতিকাতরতার মধ্য দিয়ে স্মৃতিগুলো তুলে আনব ব্লগের পাতায়....

জানি না কবে সেটা করব, ততদিন পর্যন্ত- লিখলাম না।
<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901544 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901544 2009-01-23 22:47:25
এখন আবারো বৃষ্টি..... (বৃত্ত) # রাস্তাগুলো যখন ভিজতে থাকে, চমৎকর লাগে। ভেজা রাস্তায় গাড়ির চাকার নিচে পানি পিষ্ট হতে থাকে! কেমন যেন একটা ঘোরলাগা শব্দ হতে থাকে.....। মানিক মিয়া এভিনিউ। সামনে সেই চিরচেনা সংসদ ভবন। সেই সংসদ ভবন মাঠ। আর সেই নস্ট্যালজিক করে দেয়া ক্রিসেন্ট লেক, বৃষ্টি হলে যার পাশে আমার বসে থাকা ছিল মাস্ট। কত রাতই না সেখানে বসে পার করে দিতাম! উফ!
# কম্পিউটারটা শাট ডাউন করে আমি আধাঘন্টা আগে লিফটে করে উঠি গিয়েছিলাম। দশতলার ছাদে। সাথে আমার এক রিলেটিভ। উনি বৃষ্টিতে ভিজলেন। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম। আমার কিছু করার ছিল না। শত ইচ্ছাতেও আমি পারলাম না বৃষ্টিতে ভিজতে। ডাক্তারের কড়া নিষেধ- আইসক্রিম খাওয়া যাবে না, বৃষ্টিতে ভেজা যাবে না, ফ্রিজের কোন ঠান্ডা খাবার খাওয়া যাবে না- উফ! মাঝে মাঝে কাঁদতে ইচ্ছা হয়।
# আমি ছাদের ব্লু শেডের নিচে দাঁড়িয়ে থাকলাম। আমার রিলেটিভ ভিজতে থাকলেন। আরেক স্যুটের একটা ছেলেও নামলেন ভিজতে। আমি বললাম- ভিজে গেলে যে ঠান্ডা লাগবে। উনি বললেন- “জ্বর-ঠান্ডা তো লাগবেই, কিন্তু আনন্দটা তো আর বারবার করতে পারবেন না!” কত সহজ কথা কত সহজে বলে দিলেন। কিন্তু, শহরে বাস করতে করতে শরীরটাকে এত সেনসিটিভ করে ফেলেছি যে একটু থেকে একটু হলেই প্রায় মারা যাই! ড্রাইভারের সাথে এ নিয়ে যখন কথা হচ্ছিল, বললেন- “আমাদের তো কোন সমস্যা হয় না, গ্রামের মানুষ বলে কথা, ব্যাঙের কি আর সর্দি হয়?” এ কথা শুনে প্রচন্ড ইচ্ছে হয় আবার সেই ব্যাঙ হয়ে উঠতে.....।প্রচন্ড বাতাসের সাথে বৃষ্টির ঝাপটা- আমি মনে মনে আবারও ভিজতে থাকি। ছাদে পানি জমে গেছে। সেখানেও স্রোত খেলা করে যাচ্ছে। নাগরিক জীবনে একটুকু আনন্দ, একটু বৃষ্টির ছোঁয়া! আমাকে আবার গ্রামের দিনগুলিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়.....
# এখনও বৃষ্টি হচ্ছে। তো, আমার রিলেটিভের ভেজা শেষ হল। তারপর উনি নামলেন সিঁড়ি দিয়ে, আমি নামলাম লিফট দিয়ে। লিফটে ঢোকা মাত্রই একগাদা পারফিউমের ঘ্রাণ। হালকা উষ্ণতা। লিফটের ভেতরে যেমন থাকে। প্রতিদিনকার বিরক্তি এই লিফট। লিফটে পা দেওয়ামাত্র আমাকে আবার নাগরিক জীবন চেপে ধরে।
# ছাদে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। কিছুটা দূরে সংসদ ভবন। প্রচন্ড বৃষ্টি, বাতাসের বেগ, বৃষ্টির ঝাপটা- সংসদ ভবন ব্লার হয়ে এল আমার চোখে। অনেক পুরোন সেইসব শৈশবের দিনগুলিতে চলে গেলাম। সংসদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া.....। সেই ক্রিসেন্ট লেকে সারারাত বসে থাকা..... নস্ট্যালজিক অতীত.....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901541 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901541 2009-01-23 22:46:20
এখন বৃষ্টি.... (বৃত্ত) # বিয়াল্লিশ ইঞ্চি বিশাল মনিটরের সামনে বসে আছি। টাইপ করামাত্র বড় বড় প্রতিটা অক্ষর চোখের সামনে লাফিয়ে উঠছে। দানবের মত এই মনিটরের সামনে ছোটখাট এই আমিকে খুব ক্ষীণ দেখাচ্ছে। দেখাচ্ছে বললে ভুল হবে- আমি আসলে অনুভব করতে পারছি। ভয় হয়- কবে জানি এই যন্ত্রগুলো আমাদের বন্দি করে ফেলবে.....
# অক্ষরগুলোর লাফিয়ে ওঠায় সতি কেমন যেন লাগছে। ভয় করছে। কম্পিউটার ছেড়ে কাগজ-কলম ধরলাম। এই বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায়, এই কয়েকটা ঘন্টার জন্য কি পারব না যান্ত্রিকতা ছেড়ে প্রকৃতির মাঝে ডুবে যেতে?
# তিন মিনিটের মাথায় দানবাকৃতি মনিটরে স্ক্রীন সেভার চালু হয়ে গেল। মেডিটেটিভ স্ক্রীন সেভারটা কী যেন বলতে চাইছে। আমি বুঝতে পারছি না। যন্ত্রের সাথে মানুষ আর কতদিন ভাব বিনিময় করবে?
# জানালার গ্লাসটা আমি আর ভালো করে সরিয়ে দিই। বৃষ্টির ছাঁট এসে আমার চেহারাটা ভিজিয়ে দিচ্ছে। প্রচণ্ড ইচ্ছে হচ্ছে- এই ঝুম বৃষ্টি সন্ধ্যায় একলাফে বেরিয়ে পড়ি ঘরের বাইরে- ভিজে একাকার হয়ে যাই প্রকৃতির সাথে.....
# কিন্তু আমি জানি, আমি কখনো বৃষ্টিতে ভিজতে পারব না। কারণ, বৃষ্টিতে ভেজামাত্রই আমি অসুস্থ হয়ে পড়ব। তবুও, ডাক্তারের কড়া নিষেধ সত্বেও, আমি বেরিয়ে পড়ি। আমার মনটা ধীর পায়ে হেঁটে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর ভিজতে থাকে.....
# আমার দেহটা শেড ল্যাম্পের সামনে বসে একটানা লিখে চলেছে। মনটা বেরিয়ে পড়েছে। দো’তলা বাড়িটার সামনে ছোট্ট উঠানে। সে ভিজছে। আমি তাকে দেখছি। শুধু আমি একা.....। আর কেউ নেই। কোথাও কেউ নেই। বৃষ্টির প্রবল বেগে আমার আবেগগুলো বেরিয়ে আসতে চায়। প্রতিদিনকার মত আমি ওদের বাধা দেই না। আমার আবেগগুলো তরলের মত বেরিয়ে আসতে থাকে.....
# আমি দেখি। নিজেকে দেখি। নিজের মনটাকে দেখি। আর দেহটাকে দেখি। এ যেন অন্য এক সত্তা হয়ে নিজেকে অবলোকন করা। আমার আবেগ-অনুভুতিগুলোকে বেরিয়ে আসতে দেখি। ওরা মুক্ত বিহঙ্গের মত উড়ে চলে যায়.....। ওদের উড়বার ছন্দটা এত মধুর কেন?
# আকাশের দিকে চোখ তুলে তাকাবার চেষ্টা করি। সেখানে কাকে যেন দেখতে পাই। কাঁদছে। খুব। আমি তার অশ্রুজলে সিক্ত হই। তার অশ্র“ আমার ভালো লাগে। আমি তার দিকে তাকিয়ে থাকি। প্রিয় মানুষটাকে কাঁদতে দেখি। হঠাৎই বুকটা কেমন.যেন খাঁ খাঁ করে ওঠে.....
# আমার নিজকে এখন কেমন যেন বড় নিঃস্ব মনে হচ্ছে। হয়ত একারণেই যে আমার অনুভুতিগুলোকে আমি বিলিয়ে দিয়েছি। বিলিয়ে দিয়েছি তার জন্য। ঐ আবেগগুলিই যে আমার একমাত্র সম্বল ছিল! নিঃস্ব অসহায় আমি দাঁড়িয়ে থাকি। উপরে তাকালে আবার তাকে দেখতে পাই। আমার সাথে একাত্ম হয়ে কাঁদছে। আমাদের তপ্ত অশ্রু ভুমি স্পর্শ করে.....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901540 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28901540 2009-01-23 22:45:45
রমজান মাস এবং আমাদের উপবাস থাকা..... (বৃত্ত) তবুও লিখছি।
কারণ লেখাটা দরকার।
গত রমজানে ব্লগিং করেছি। তুমুল ব্লগিং-ই বলা যায়। খারাপ ছিল না।
"পরিবেশও ছিল ভালো।"
এখন ব্যক্তিগত কাজের চাপে আর ব্লগে বসা হয় না। তাছাড়া, ব্লগিং থেকেও মন উঠে গেছে।

তারপরও লিখছি এই কারনে যে, গত রমজানে ব্লগ লিখেছি অনেক, এই রমজানেও তেমনি লেখা দরকার।

আসল কথায় আসি। লিখতে চাচ্ছিলাম রমজান মাসে উপবাস থাকার মাধ্যমে "সিয়াম" পালন করার ব্যাপারে।
অনেককেই দেখছি, পরিচিতজনদের- ধীরে ধীরে তাঁরা রমজান মাসের ধারণাটাকে শুধু 'উপবাস' থাকার মধ্যে নিয়ে যাচ্ছেন।
রমজান মাসে না-খেয়ে থাকাটা যে 'ইন্দ্রিয় তৃপ্তি' হতে বিরত থাকার অংশ হিসেবে আসে, তা মনে হয় এ দেশীদের অনেকেরই জানা নেই।
জানা থাকা সত্বেও অনেকে উপেক্ষা করছে।
রমজান মাসে উপবাস থাকছে। কিছু নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। উপবাস শেষে 'ভোজন' করছে।
আর, যেহেতু খাওয়া-দাওয়া করতে হয় না, সেই সাথে কর্মক্ষেত্রে কিংবা স্কুল-কলেজ-ইউনিতে একটু কম সময় থাকতে হয়; তাই গান-বাজনা, আনন্দ-ফূর্তিতে আরও একটু বেশি সময় দেওয়া যায়।
অনেকে তা-ই দিচ্ছে। 'রমজান' মাসের 'সংযম' পালন না করে আরও অসংযমী হয়ে উঠছে।
এটা খুবই খারাপ। খুবই খারাপ।
এইসব লক্ষণ ভালো নয়। সমাজের সামগ্রিক নৈতিক অধঃপতন হচ্ছে।
স্লো পয়জনিং।
আবার, এই কয়টা দিন পরেই ইদ আসলে দেখা যাবে- ফাঁকা সব দালানে বসে উফার সাউন্ড বক্সে জোরে জোরে ধুম-ধুম করে গান বাজাচ্ছে-
"হরে কৃষ্ণ হরে রাম।"

এগুলো দেখে ভালো লাগে না। মন খারাপ হয়ে যায়। কিছুই করতে পারছি না। পেট চালাতেই ব্যাস্ত।
সমাজ সংস্কার? - হাহ!
কিন্তু, তারপরও, কোন এক দায়বদ্ধতা থেকে এই ব্লগ লেখা।
সে দায়বদ্ধতার জ্বালা যে কেমন, তা হয়ত অনেকেই জানেন।

২১ রমজান, ১৪২৯।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০০৮।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28846319 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28846319 2008-09-22 04:40:05
আবারো লিখতে বসলাম? হ্যাঁ। সা.ইন আর প্যাঁচালির বেশ কতগুলো লেখা পড়লাম। দ্বিতীয়বার পড়া বলা যেতে পারে।
আসলে কি, এখন আর তেমন কিছু এখানে লিখতে মন সায় দেয় না। আমি জানি, অনেকে, হয়ত বেশি নয়- আট-দশজন ভিজিটর আমার ব্লগ নিয়মিত দেখেন। তাঁরা হয়ত আমার কাছ থেকে লেখা আশা করেন, কিন্তু এই পরিবেশ কি লিখতে মন চায়?
"বস্তি" বলে একটা গালি আছে। আমি কাউকে গালি দিচ্ছি না। কাউকে বস্তি বলে গালি দিলে কিংবা কোন জায়গার পরিবেশকে বস্তি বললে আপনার বলবেন- ওরা গরিব দেখে হেয় করছেন?
কিন্তু, আপনারা কেউ কি কখনও বস্তিতে ঢুঁ মেরে দেখেছেন? জানেন বস্তিতে কী হয়? জানেন বস্তির পরিবেশ কেমন? জানেন সেখানকার মানুষগুলো কেমন?
২৪ ঘন্টা সেখানে মারামারি-কামড়াকামড়ি, গালিগালাজ, অশ্লীল কথা, উওম্যান অ্যাবিউজিং- ইত্যাদি সেখানে চলতেই থাকে। অশিক্ষিত মানুষগুলো রাজনীতির যতটুকু বুঝতে পারে- তাই নিয়ে ঝগড়া-মারামারি, গালিগালাজ শুরু করে দেয়।

এ হল বস্তির বাস্তব চিত্র। সা.ইনের সাথে তো এর কোন পার্থক্য দেখছি না!
তবে এখানে লিখতে মন সায় দেয় কী করে?

লেখা আপাতত বন্ধ রাখলাম। যদি কখনো সা.ইনে সুদিন ফিরে আসে- তাহলে আবার লিখতেও পারি। আপনার চাইলে আমাকে বসন্তের কোকিলও বলতে পারেন। কিন্তু সা.ইনে আমি আসি সময় কাটাবার জন্য- প্রতিদিনকার জীবনযুদ্ধ শেষে ভার্চুয়াল যুদ্ধে অবতীর্ণ হবার জন্য নয়।

আরও একজন বেশ জনপ্রিয় ব্লগারের কথা শুনলাম- তিনিও লেখালেখি বন্ধ করে দিয়েছেন।

ভালো, ভালো সা.ইন। তুমি এগিয়ে চল। তোমার সহযোদ্ধাদের নিয়ে। তোমার উন্নতি দেখতে আমি উৎসুক.....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28795737 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28795737 2008-05-09 06:09:50
ভাবছিলাম এখন কিছু লিখব না, কিন্তু লিখতে ইচ্ছে করছে... চতুরভুজ.....উম্মু আবদুল্লাহ.....ফারজানা মাহবুবা.....সন্ধ্যাবাতি.....
ভাবছিলাম- ব্লগে আমার হিট করাটা কী হারে কমবে। আমি খুব একটা শক্তিশালী ভালো লেখক নই। মাঝে মাঝে কিছু লেখালেখি করি, তা-ও আবার রাজনৈতিক-ই বেশি। এ কারণে অনেকে আমাকে পছন্দ করেন না। আবার, ইসলামীমনা হবার কারণে তো "বিশেষ গোষ্ঠী"র চোখের বালি বহু পূর্ব থেকেই।
যাহোক। একবার চলে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, আর আসব না। ভালো লাগছিল না। কিন্তু একজন শক্তিশালী ব্লগার, তাঁর অনুরোধে আবার এলাম। আমাকে উনি আনলেন, কিন্তু নিজেই সা.ইন থেকে চলে গেলেন। মেসেঞ্জারেও তাঁকে পাই না, ব্লগেও কোন অ্যানসার নেই। ব্লগে যাদের জন্য আসতাম, তাদের মাঝে তিনিও একজন। কিন্তু তিনি লেখা বন্ধ করে দেওয়ায় এখন আর অতটা আসা হয় না। তারপরও এক ব্লগারের কাছ থেকে খোঁজ রাখতাম, যিনি প্রায়ই সা.ইনে আসেন। তিনি বললে পড়তে আসতাম। ফারজানা মাহবুবার লেখা পড়তাম, সন্ধ্যাবাতির লেখা পড়তাম। উম্মু আবদুল্লাহর লেখা পড়তাম। আরও বেশ কয়েকজনের লেখা পড়তাম।

এখন তাঁরা চলে যাচ্ছেন। ভালো কথা। সবাই যে সন্ধ্যাবাতির মত শক্ত হাতে বিট দিতে পারবে, তা নয়। কিন্তু তারপরও- একটু কি চেষ্টা করা যেত না?
সা.ইনে প্রথম এসেছিলাম যাযাদিতে মাহবুব মোর্শেদের লেখা পড়ে। সেখান থেকে শুরু। তারপর আমার থ্রুতে আরও অনেক ব্লগার এলেন। ৮-১০ জন ব্লগারকে আমি আনলাম। তাঁরা ভালোই লেখালেখি করছেন। কিন্তু আমি যাদের লেখা পড়বার জন্য আসতাম, তারা চলে যাচ্ছেন। সে হিসেব- ব্লগটা আমার কাছে প্রায় শূণ্য টাইপ হয়ে যাচ্ছে।

হ্যাঁ, একথা ঠিক যে সা.ইন খুব বড় কিছু না, কম্পিউটারের শাটডাউন কিংবা নেট ডিসকানেক্ট- একে থামিয়ে দিতে পারে। কিন্তু, তবুও, এখানের কিছুটা মূল্য আছে এই কারনে যে এখানে কিছু ভালো মানুষও আছে। যাঁরা ভালো লেখা পড়তে আসে। সেই ভালো লেখা পড়তে গিয়ে অনেকের সাথে অনেকের পার্সোনাল যোগাযোগ থেকে ফ্রেন্ডশিপও হয়ে যায়।
তাই, আমার মনে হয় - সা.ইন থেকে যাবার আগে আর একটু ভেবে দেখা দরকার। অন্তত এইসব গুটিকয়েক পাঠককে যদি মানুষ হিসেবে মূল্য দিতে চান, তবে বলছি- আপনার আসুন। আহ্বান জানাচ্ছি।

অফিসের সেটআপ শেষ। তাই আর লিখলাম না। সবাই ভালো থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28795288 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28795288 2008-05-07 23:00:59
কিছুই নয়, শুধু মিল খুঁজে পাচ্ছি
এখন শুধু মিল খুঁজে পাচ্ছি। ফ্রান্সের মেরি অ্যানটোইনেটের সাথে আমাদের শাসক-পালক-শোষক ফখরুদ্দিন ও মইন উ আহমেদের।

বলা হয়েছিল- ''জনগণ রুটি খেতে পারছে না।"
নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত মেরি অ্যানটোইনেটের কাছ থেকে উত্তর এসেছিল- "তাহলে তারা কেক খাক।"

আমাদের ফখরুদ্দিন-মইনকে বলা হয়েছে-"জনগণ ভাত খেতে পারছে না।"

জবাবে তাঁরা(!) বলেছেন- "তাহলে তারা আলু খাক। আমরা হোটেল radison- এ আলু উৎসবের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। সকল ফাইভ স্টার ও সেভেন স্টার হোটেলগুলোতেও আমরা আলু উৎসবের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।"

চমৎকার জোক।
তারা তো বাঙালিকে শুষে খাচ্ছেই, খাবেই; অবধারিত। কিন্তু জোক করা কেন?
এ প্রশ্নের কি কোন জবাব আছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28795111 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28795111 2008-05-07 11:22:47
আমার দেখা নির্বাচন ২০০১ : পর্ব - ৩ (বৃত্ত) বাংলাদেশের যে বর্তমান অবস্থা, তাতে বাংলাদেশে আর কোনদিন নির্বাচন হবে কিনা - সন্দেহ। তাই ভাবলাম আমার দেখা সর্বশেষ নির্বাচনকে (নির্বাচন ২০০১) স্মৃতিতে ধরে রাখার জন্য কিছু লিখে রাখা দরকার। তাই এই লেখা।

নির্বাচন-প্রার্থী গিয়েছিলেন নির্বাচনী প্রচারণায়। আসতে আসতে রাত হয়ে গেল। তো, রওয়ানা দেবার আগে, ফোনে জানানো হল- বিপরীত পক্ষের লোকেরা তাদের চিরাচরিত নিয়ম মত পথ ব্লক করে আছে। পথে পেলে খুন করবে। সোজা হিসেব আর কি!

আমরা চিন্তায় পড়ে গেলাম। কী করে তাঁর সিকিউরিটির ব্যবস্থা করা যায়। ইয়ার্ডে ২০-২৫ টা মটর সাইকেল আর ৫-৭ টা মাইক্রো-সেডান ছিল। ওগুলোর কয়েকটা রেখে বাকীগুলো রওয়ানা দিল। প্রার্থীকে সিকিউরড করে নিয়ে আসার জন্য।

আধাঘন্টা কি একঘন্টা পর একসাথে অনেক মটর সাইকেলের আওয়াজ পেলাম। তার সাথে ৪-৫টা গাড়ির শব্দ। মেইন গেট খুলে দেবার পর গাড়ি-বহর প্রবেশ করল। মেইন গাড়ির সামনে-পিছনে, ডানে-বামে মাইক্রো আর সেডান, আর সেগুলোকে বেষ্টন করে অনেকগুলো মটর সাইকেল। যাক, নিশ্চিন্ত হলাম এই ভেবে যে ওরা আমাদের লোক-বহর দেখে পিছু হটেছে।

দুশ্চিন্তায় আমরা ভ্রু কুঁচকে দো'তলার বেলকনিতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ইয়ার্ডে এসে গাড়ি আর মটর সাইকেলগুলো থামল। প্রার্থী বের হয়ে এলেন। তাঁর চেহারা তখনও শান্ত-সৌম্য। প্রাণনাশের আশঙ্কার মধ্যেও তিনি কী করে এতটা শান্ত ছিলেন- তা একটা অবাক করার মত বিষয়।

অবশ্য যে ব্যক্তিটা কয়েক যুগ ধরে নির্বাচিত হয়ে আসছেন আর প্রাণনাশের আশঙ্কার মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছেন- ''আল্লাহ ভরসা'' কথাটা বিশ্বাস না করলে হয়ত তিনি এতটা শান্ত থাকতে পারতেন না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28793186 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28793186 2008-05-01 11:35:26
আমার দেখা নির্বাচন ২০০১ : পর্ব - ২ (বৃত্ত) বাংলাদেশের যে বর্তমান অবস্থা, তাতে বাংলাদেশে আর কোনদিন নির্বাচন হবে কিনা - সন্দেহ। তাই ভাবলাম আমার দেখা সর্বশেষ নির্বাচনকে (নির্বাচন ২০০১) স্মৃতিতে ধরে রাখার জন্য কিছু লিখে রাখা দরকার। তাই এই লেখা।


সকাল ৭টা কি ৮টার দিকে একটা হোয়াইট সেডানে করে আমরা কয়েকজন গিয়েছিলাম নির্বাচনী প্রচারণার কাজে। ঘন্টা তিনেক হয়েছে, হঠাৎ মোবাইলে নিউজ পেলাম- বিরোধী পক্ষ আমাদের খুন করার জন্য আমাদের বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় রামদা হাতে দাঁড়িয়ে আছে।

মারাত্মক খবর, সন্দেহ নেই। কী করা যায়, তার পরিকল্পনা করা শুরু হল। ওরা যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল(রামদা হাতে), সে রাস্তা ছাড়া কোন বিকল্প রাস্তাও নেই। সো, ও রাস্তা দিয়েই যেতে হবে। আমরা তড়িঘড়ি করে গাড়িতে উঠে পড়লাম। সেখানে আগেই দলীয় ফ্ল্যাগ লাগানো ছিল। ড্রাইভারকে বলায় সে ফ্ল্যাগ নামিয়ে দিল।
আমরা চিন্তিত মুখে যাত্রা শুরু করলাম। যে রাস্তায় ওরা দাঁড়িয়ে ছিল, সে রাস্তা ছাড়া আর কোন রাস্তা ছিল না বাড়ি ফেরার। আল্লাহর নাম জপতে জপতে রওয়ানা দিলাম।

আমাদের ফ্ল্যাগ নামানো সেডানটা সেই রাস্তা পাস করে যাবার সময় দেখলাম- পথের দু'পাশে দু'জন রামদা হাতে দাঁড়িয়ে আছে। আর আমাদের ফ্ল্যাগ লাগানো গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু আমরা তো ফ্ল্যাগ নামিয়ে চলে গেলাম।

ওরা তখনো আমাদের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। নির্ভেজাল খুনী!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28792481 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28792481 2008-04-29 13:33:47
আমার দেখা নির্বাচন ২০০১ : পর্ব - ১ (বৃত্ত) বাংলাদেশের যে বর্তমান অবস্থা, তাতে বাংলাদেশে আর কোনদিন নির্বাচন হবে কিনা - সন্দেহ। তাই ভাবলাম আমার দেখা সর্বশেষ নির্বাচনকে (নির্বাচন ২০০১) স্মৃতিতে ধরে রাখার জন্য কিছু লিখে রাখা দরকার। তাই এই লেখা।

ছোট একটা ঘটনা মনে পড়ল। নির্বাচনের ১৮-২০ দিন আগের এক রাত। রাত ৮ টার মত বাজে সম্ভবত। বাড়ির ভিতরে নির্বাচন নিয়ে কথা বলছিলাম সবার সাথে। হঠাৎই মিছিলের আওয়াজে সচকিত হয়ে উঠলাম। বিরোধী পক্ষের মিছিল। জানালার পর্দা একটু ফাঁক করে দেখতে গেলাম কী হচ্ছে। বাড়ির সামনে দিয়ে মিছিলটা পাস করে গেল। ঠিক গেল না। বাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়ল। ওদের হাতে আগে থেকেই ঢিল ছিল। বাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোঁড়া শুরু করল। নেতাকে ঘরের মাঝে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হল। বাড়ির সব লাইট অফ করে দেওয়া হল। যেন ওরা বুঝতে না পারে, ঠিক কোন রুমে মানুষ আছে। তাহলে ওরা সেদিক লক্ষ্য করেই ঢিল ছুঁড়ত। কিছুক্ষণ ওরা ঢিল ছুঁড়ল। সিকিউরিটির জন্য ফোন করা হবে কিনা, তা নিয়ে চিন্তা করছিলাম। কিন্তু ওরা বেশ কিছুক্ষণ ইট-পাটকেল ছুঁড়ে তারপর শ্লোগান দিতে দিতে চলে গেল। আমরা বড়রা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম।

বাড়ির ছোটরা তখনও কাঁদছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28792081 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28792081 2008-04-28 12:50:35
আল্লাহকে বিশ্বাস করেই খালাস?
তাহলে কেন ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম হবে না? কেন ইসলাম বিরোধী আইন প্রনয়ন হবে?

নাকি শুধু আল্লাহকে বিশ্বাস করেই খালাস?

?????]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28791717 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28791717 2008-04-27 13:12:07
মন আর দেহের দ্বন্দ্ব - কে প্রায়োরিটি চায়, আর কাকে প্রায়োরিটি দেওয়া হয় (বৃত্ত)
আবার অনেকে হয়ত এই মন আর দেহ এবং এদের প্রায়োরিটি কথাটাই বোঝেন না। তাঁরা কিন্তু অজান্তেই দেহটাকে প্রায়োরিটি দিয়ে দেন- সম্পূর্ণ অচেতনভাবে। আর যারা মন আর দেহের প্রায়োরিটির ব্যাপারটা বোঝেন, অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করেন, তাঁরা কিন্তু মনটাকেই প্রায়োরিটি দেন, আর সেটা হয় সম্পূর্ণ সচেতনভাবে।

এই প্রায়োরিটি দেবার ব্যাপারে বর্তমান বিশ্বে প্রধান সমস্যা হল- বেশিরভাগই এ ব্যাপারে অচেতন। আর এ ব্যাপারে সচেতনদের প্রায়োরিটিটা বাই ডিফল্ট মনের উপর পড়ে না। পড়ে দেহের উপর। আর দেহের উপর পড়ে বলেই সামাজিক সমস্যাটা বেড়ে যায়। মানসিক সমস্যা তো হয়ই। কিন্তু সমাজের অধিকাংশ মানুষের অচেতনতার ক্ষেত্রে যে যে ডিফল্ট অপশন হয় দৈহিক প্রায়োরিটি, সেটা সমাজসেবকরা বোঝেন না।
আর সমাজসেবকদের মাঝেও যে কত শতাংশের প্রায়োরিটি মনের উপর, তা জানতে হলে সম্ভবত খুব গুড কোয়ালিটি স্ক্যানারের প্রয়োজন। সে গুড কোয়ালিটি স্ক্যানার কতজনের আছে, আর কতজনই বা সে সম্পর্কে সচেতন?

অনেকেই বলেন- আগে দেহকে প্রায়োরিটি দিয়ে নিই। পরে সেখানে সন্তোষজনক লেভেলে পৌঁছে মনকে প্রায়োরিটি দেব। কিন্তু যে ব্যাপারটা হয়তা তারা জানেন না, কিংবা জানলে মানতে হবে বলে সরিয়ে রাখেন, তা হল, দৈহিক প্রায়োরিটির অন্ত নেই। আর তার অন্ত নেই বলেই তার পেছনে মানুষ ১৭-১৮ঘণ্টা পার করে দেয়।মনকে প্রায়োরিটি দেওয়া কিংবা সে প্রায়োরিটি চায় কিনা, তা নিয়ে চিন্তা করার ফুরসত পায় কখন?

বুভুক্ষুর মত যারা দৈহিক চাহিদা নিয়ে পড়ে থাকে, তাদের যতই চাহিদা পূরণের বস্তু দেওয়া হোক, তা মরুভূমিতে পতিত পানির ফোঁটার মতই হয়ে যায়। এক্ষেত্রে, দেহকে প্রায়োরিটি দিলে তাই সন্তোষজনক বা সর্বোচ্চ(কারণ বেশিরভাগ মানুষ সর্বোচ্চকেই সন্তোষজনক মনে করে, যদিও মুখের বাক্যের সাথে তা মেলে না) লেভেলে পৌঁছানো সম্ভব না। অপরদিকে মনকে প্রায়োরিটি দিলে কিন্তু সে একটা নির্দিষ্ট দিকেই পৌঁছবে যদি সে মনকে ঘুঁটতে জানে। আর মানব-মনকে ভালমত ঘুঁটলে যে তা থেকে একটি বিষয়ই উৎসারিত হবে আর তা যে স্রষ্টার আনুকূল্যের সন্ধান ও মানবসেবা, তা বোধ করি অনেকেই জানে।

এখন, মনকে যারা প্রায়োরিটি দেন, কিংবা তার গুরুত্ব বোঝেন; তাঁরা দুদলে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন, অথবা বহুযুগ আগে থেকেই বিভক্ত হয়ে রয়েছেন- সাধু অথবা জ্ঞানপাপী। সাধুরা আবার দেহকে প্রায়োরিটি দেওয়া মানুষদের চাপে ঘর থেকে বেরোতেই পারেন না, ফলে তাঁদের দেখা পাওয়া আর সে পরশপাথর থেকে কিছুটা হলেও উপকার পাওয়া আমাদের মত মন আর দেহের দ্বন্দ্বের মাঝে দোদুল্যমান আদম সন্তানদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আর জ্ঞানপাপীদের প্রভাব-বলয় এতই বেশি ও দিন দিন বেড়ে চলেছে যে আমরা তাদের গ্রাসে প্রায়শঃই ঢুকে পড়ি। আমাদের কর্তব্য তাই সাধুদের নিরাপত্তা দিয়ে বাইরে বের করে আনা, যাতে তাঁরা পরশপাথরের ছোঁয়ায় মানব-কল্যাণ করতে পারেন। কিন্তু এই কর্তব্যের ব্যাপারে কতজন সচেতন, আর কতজন সচেতনভাবে অচেতন, তার অনুপাতে সচেতনদের পক্ষে সচেতনভাবে অচেতনদের তুলনায় বড় সংখ্যা আসবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ বিদ্যমান।

বড় সংখ্যা যে নেই, তা- তো শতভাগ নিশ্চিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28787445 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28787445 2008-04-13 16:58:49
ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে software piracy: বৈধ কি অবৈধ (বৃত্ত)

software কে computer এর মূল বিষয় বলা যেতে পারে। computer on করা থেকে শুরু করে off করার আগ পর্যন্ত আমরা কোন না কোন software ইউজ করতে থাকি। software engineer রা এসব প্রয়োজনীয় software তৈরী করে থাকেন। এগুলো তারা নিজেরা কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকেন। এটি একটি আইনসঙ্গত ব্যবসা। software engineer এবং software প্রতিষ্ঠান, উভয়েই এর মাধ্যমে আয় করে থাকে। software piracy হল এইসব সফট কোথাও থেকে সংগ্রহ করে কিংবা কিনে নিয়ে অবৈধভাবে crackসহ স্বল্পমূল্যে বিক্রয় করা অথবা internet এ free দেওয়া। এই দুটো কাজই অবৈধ। ইসলাম এ জাতীয় কাজকে সমর্থন করে না।


ব্যাপারটা অনেকটা এরকম যে আপনি আপনার গাড়িটা লক করে পার্ক করে বাইরে গেলেন। আর আমি সে সময় এসে আপনার গাড়িটা master key দিয়ে খুলে বসে গাড়িটা চালিয়ে নিয়ে চলে গেলাম। তারপর নকল কাগজপত্রও তৈরী করে ফেললাম, কিংবা গাড়িটা কারও কাছে বিক্রি করে দিলাম! তখন কি কাজটা অবৈধ হবে না? কিংবা আপনি একটা ছবি এঁকেছেন, টেবিলে রেখে উঠে গেলেন কোন কাজে, আর আমি ছবিটার নিচে নিজের নাম লিখে ছবিটা আমার আঁকা বলে দাবি করলাম! কাজটি কি অবৈধ হবে না? ঠিক তেমনি একজন কিংবা একটি প্রতিষ্ঠান কোন একটা software তৈরী করেছে বিক্রয় করার জন্য, আর আমি সেটা চুরি করে crack করে ব্যবহার ও বিক্রি করলাম। কাজটা কি তাহলে ঠিক হবে?


আশা করি আমি আমার মূল বক্তব্য আপনাদের বোঝাতে পেরেছি। কিন্তু আমার বক্তব্যে হয়ত আপনাদের মনে একটা প্রশ্ন আসতে পারে, এ গুনাহ এর কাজ এড়াতে হলে কী করা? computer তো আর জীবন থেকে বাদ দেওয়া যায় না। তাছাড়া অনেকে এটা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। এ গুনাহ থেকে রক্ষা পাবার সহজ উপায় হল crack করে যেসব সফট ইউজ করতে হয়, সেসব সফট ইউজ না করা, download না করা।

কিন্তু, in most of the casees, বাংলাদেশের কম্পিউটারগুলোতে যে windows XP ইউজ করা হয়, তা pirated। মূল সিডির দাম অনেক, তাই কেউ সেটা কেনার কথা চিন্তা করতে পারেন না। চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ টাকায় যখন্এক্সপির সিডি পাওয়া যাচ্ছে, তখন কে বিদেশ থেকে order দিয়ে হাজার টাকা খরচ করে আসল সিডি কিনবে? তাছাড়া সেটা সবার সামর্থ্যেও কুলাবে না। তাহলে এক্ষেত্রে কী করতে হবে? এক্ষেত্রে সমাধান হল, আসল সিডি কেনা কিংবা কারও genuine সিডি থেকে install করা, যেক্ষেত্রে কাজটি অবৈধ নয়। বাংলাদেশে এ কাজটিও করা কষ্টসাধ্য। কারন, এদেশে windows XPএর আসল সিডি খুব দূর্লভ। এভাবে সম্ভব না হলে একটু কষ্ট করতে হবে। ঢাকায় কিছু computer বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান আসল সিডি দিয়ে XP instal করে দেয়। তারা অনেক দাম দিয়ে বিদেশ থেকে এই সিডি কিনে নিয়ে আসে এবং তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে হার্ডডিস্ক কিংবা computer কিনলে তারা সেটা দিয়ে install করে দেয়। কষ্ট করে সেখান থেকে আসল সিডি দিয়ে install করিয়ে আনতে হবে।

computer এর অন্যান্য sofware, যেগুলো অতি প্রয়োজনীয়, তার বেশিরভাগ net এ free পাওয়া যায়। তবে সেটা অবশ্যই মূল software প্রতিষ্ঠান যে free version দেয়, সেটা ইউজ করতে হবে। বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারেরই একটা free version মূল প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া যায়। সেটা download করে ইউজ করলে তাতে কোন দোষ নেই। তবে free সফট net থেকে নিয়ে ব্যবসা করা যাবে কিনা, তা software টি install করার সময় license agreement দেখতে হবে।

জনপ্রিয় দুপি operating system হল windows XP, আর linux. linux open sousrse এর operating system. এটা free পাওয়া যায় এবং এই free ইউজ করাটা অবৈধ নয়। windows XP এর genuine সিডি পাওয়া নিয়ে সমস্যা হলে যে কেউ linux operating system ইউজ করতে পারেন। এটা most safe operating system, hang করে না, virus affected হয় না। তবে operating windows এর মত এতটা user friendly নয়। তবে পাপ থেকে বাঁচতে হলে যে এতটুকু কষ্ট করতেই হবে!

(আমি নিজেও বর্তমানে এক্সপির আসল কপি সংগ্রহের চেষ্টায় আছি। কারও কাছে থাকলে দয়া করে জানাবেন।)

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: সামহোয়্যারের একজন visitor, যিনি আমাকে এই পোস্ট লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28786528 http://www.somewhereinblog.net/blog/brittoblog/28786528 2008-04-10 09:38:58