আমার প্রিয় পোস্ট

স্বপ্ন ও বাস্তবতার দোলাচলে চলছে বাস্তবিক যাপিত জীবন

দিনবদলের সনদ রদবদল! ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ও আমাদের স্বপ্নভঙ্গ।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫১

শেয়ারঃ
0 3 0

"বঙ্গবন্ধু হত্যা, জেলহত্যা, সর্বোপরি যুদ্ধাপরাধের বিচারের মতো মৌলিক কিছু বিষয়ের সুরাহা না হলে দিনবদল হবে না"- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (আ'লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক)। পুরো খবর পড়ুন

অবশেষে আমাদের মোহভঙ্গ হচ্ছে। দিনবদলের সনদে রদবদল করলো আ'লীগ। দেশ গড়ার যে স্বপ্ন তাঁরা আমাদের দেখিয়েছেন তা' থেকে যেন দিন দিন যোজন যোজন দূরে সরে যাচ্ছেন সরকারের নীকত-নির্ধারকরা। সরকার গঠনের এক মাসের মাথায় নির্বাচনী সব প্রতিশ্রুতি ভুলতে বসেছেন তারা। আবারো সেই দমন-পীড়ন রাজনীতির পুনরাবৃত্তি দেখার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আ'লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের এ বক্তব্যে আমরা যেন স্বপ্নভঙ্গের একটা আলামত দেখছি। স্বপ্নটা আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন। বিগত সময়গুলোতে ক্ষমতায় থাকাকালে তাঁরা যে কাজ শেষ করতে পারেন নি তা দেশের বিদ্যমান এ বিদ্ধস্ত অবস্থায় করতে চাচ্ছেন।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু সেটা অবশ্যই সব রাজনৈতিক দলের (জামায়াত ছাড়া) সহযোগিতার ভিত্তিতে করতে হবে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বিতর্কিত কিছু ইসুতে সরকার আগ বাড়িয়ে মোড়ল সাজতে গিয়ে তাঁদের দেয়া প্রধান প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলোই চাপা পড়ে যাচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষ এতে চরম হতাশ।
আমি কিছুদিন ধরে ভাবছি- যদি রাজাকার না থাকতো, জামায়াত না থাকতো এ দেশে তাহলে আ'লীগের নির্বাচনী এজেন্ডা কী হতো? কী ইসু নিয়ে আ'লীগ বিএনপি'র চেয়ে এগিয়ে থাকতো? উত্তরটা জানা দরকার।
দ্রব্যমূল্য নিয়ে আ'লীগ সরকার গঠনের প্রথম দিকে কিছু তৎপরতা দেখা গেলেও তা' এখন ফাইলবন্দি ইসু। দশ টাকার চালের যে কোন প্রতিশ্রুতি তাঁরা দিয়েছিলেন তা'ও জোর গলায় অস্বীকার করা হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কোনো উদ্যোগ এখন পর্যন্ত চোখে পড়ছে না। বরং সরকার বিরোধী দলকে সংসদে আনতে ব্যর্থ হলো। সরকার কেন চিন্তা করছে না প্রধান প্রধান বড় দলগুলোকে ঐক্যমতে আনতে না পারলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব নয়। আ'লীগের একার পক্ষে সম্ভব নয় এ কাজ। এর আগেও তারা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে (১৯৯৬'র নির্বাচনে বিজয়ের পর)। এবারও আমরা একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি। সরকার ৫ বছর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে নানা প্রকল্ব গ্রহণ করবে, বিএনপি ও সমমনা দলগুলো বিরোধীতা করবে। সরকার দমন-পীড়ন রাজনীতির প্রয়োগ করবে। ফলাফল আবারো অস্থির হবে দেশ। কিন্তু সরকার যদি অন্তত বিএনপিকেও ঐক্যমতে আনতে পারে তাহলে জামায়াত একা কী করবে?
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা বঙ্গবন্ধু হত্যা, জেলহত্যা, সর্বোপরি যুদ্ধাপরাধের বিচারের মতো মৌলিক কিছু বিষয়ের সুরাহা হোক- কিন্তু সেটা দিনবদলের সনদকে ঠিক রেখে। এটি যদি না হয় তাহলে মানুষ দেখবে না কে রাজাকার আর কে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি। মানুষ দেখবে কে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে সেতুবন্ধন করতে পারছে। আমরা চাই আ'লীগই হোক এবার সে দিনবদলের মেলট্রেন। ত্রুটিযুক্ত এঞ্জিন নয়।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
সিওয়াইবি বলেছেন: খেমন আছেন শাহরিয়ার ভাই
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আমি শাহরিয়ার !!!!!!?????!!!!???

২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০০
থার্ড নয়ন বলেছেন: ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন এনালগ হয়ে যাচ্ছে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন ৩য় চক্ষু!

৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০০
রাজর্ষী বলেছেন: পোস্ট পইড়া বুঝলাম না কি কইতে চান। বিচারও চান আবার কন যে বিএনপি বিরোধীতা করবো, এসবের মানে কি? মনে যা আসে তা মুখে কওয়ার সাহস নাই তাইনা? হোনেন আমরা বিশ্বাস করি ঐ মৌলিক ব্যাপার গুলার সুরাহা না করলে দিন বদল হবে না। আগে রাজাকার, জংগী ও সকল অবিচারের সুরাহা করে নিতে হবে। নচেৎ এরা অতীতের মত ষড়যন্ত্র করে ১৫ আগস্ট বা ২১ আগস্ট জন্ম দিতে পারে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: পোস্টটি আবারো পড়ুন আশা করি বুঝতে পারবেন কী বলতে চেয়েছি।

"বিচারও চান আবার কন যে বিএনপি বিরোধীতা করবো, এসবের মানে কি?"- আপনার এ উক্তির জবাব হলো সাধারণত আমাদের দেশে কোনো সিদ্ধান্তে বিরোধী দলের মত না থাকলে বিরোধীতা চলতেই থাকে। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে কি? যদি বিএনপিকে ঐক্যমতে আনতে হয়- তবে সরকারের প্রধান অস্ত্র হবে জনগণের আস্থা অর্জন করা। আপনি বলুনতো সরকার এখন পর্যন্ত এমন কোন উদ্যোগ নিয়েছে কি যা সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে?

৪. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৬
ধীবর বলেছেন: বিচার চাইবার বা করার আড়ালে যদি আঃলিগ যদি মানুষের নিত্যদিনের বাস্তবতাকে কঠিন করে তুলতে চায়, তাহলে প্রতিবাদ আসবেই। সেক্ষেত্রে প্রতিবাদকারিদের স্বাধীনতা বিরোধি আখ্যা দিয়ে তাদের কন্ঠরোধ করা সম্ভব নয়।

যা দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে, বিচার নামের হুজুগে জাতিকে মাতিয়ে রেখে, তলে তলে আওয়ামী লিগ দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তিগুলি করে ফেলতে চাইছে। নইলে এত রাখঢাকই বা কিসের বা তাড়াহুড়া করারই বা কি দরকার? এই তাড়াহুড়া বা অতি আবেগীয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে, স্বাধীনতা পরবর্তি বাংলাদেশে, ভারতীয় সেনাদের অবাদে লুটপাট করতে দেওয়া হয়েছিল। সাথে ফারাক্কা চুক্তি, ২৫ বছরের গোলামী চুক্তি, বেরুবাড়ি প্রদান, ইত্যাদির কুফল মানুষ আজো ভোগ করছে। ওদিকে দ্রব্যমুল্যের অবস্থা তথৈবচ !

লেখককে ধন্যবাদ ও প্লাস।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধীবর। আসল ব্যাপারটি গুছিয়ে বলার জন্য।

৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৮
সোনার বাংলা বলেছেন:

বিনা মুল্যের সারের কথা ভুইল্লা গেছে আপায়!! তবে আপায় কিন্তু বিনা শর্তে ট্রানজিট
দেয়ার জন্য খাড়া সাথে ফারুইক্কা নেংটা!

সবই ডিজিটাল বাবার দান।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: জয় বাবা ডিজিটাল
সন্ধ্যার পর অন্ধকারে বেতাল।
খুঁটি ধরে গুঁটি খেলছে যেন
কয়েকটি মাতাল!!!

৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০২
রাজর্ষী বলেছেন: আমি কোন কুফল ভোগ করার সুযোগ পাইনাই, খালি গল্পই শুইনা গেছি। কিন্তু আমি কুফল ভোগ করছি যখন বিএনপি বাংদেশকে ভারতে পন্যে সয়লাব করে দিলো।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: "বাংদেশকে "??? নিজের দেশের নামটাই ঠিকমতো লিখতে পারলেন না ভাই। ভারতীয় পণ্যে সয়লাবই আপনার কাছে বড়ো ইসু? গত দু'বছর ও বর্তমান সময়ে মানুষ যে না খেয়ে মরতে বসেছে সেটা কি জানেন? কখনও কি আপনার আশপাশের বস্তিগুলোতে যেয়ে দেখেছেন কী দুর্দশায় মানুষের দিন কাটছে?

৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১০
ধীবর বলেছেন: ভাই রাজর্ষি, শুধু ছোট একটা উদাহারণ দেব। আমি জানি না আপনি বাজারে যান কিনা। গিয়ে থাকলে, বর্ষিয়ান কারু কাছে, ৮০ দশক আর বর্তমানের মাছের বাজারের অবস্থা তুলনা করতে বলুন। যে পঃ বঙ্গ আমাদের দেশের এক টুকরা ইলিশ মাছ পেলে বর্তে যেত, অনেক সময় সেখান থেকেই ইলিশ নাকি মাঝে মাঝে আমদানি করতে হয়। মাছে ভাতে বাংগালির দেশে মাছে আকাল, কেননা আমাদের নদীগুলিকে শুকিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। যদি সম্ভব হয়, গরমের দিনে উঃ বঙ্গে ঘুরে আসবেন। আর এ সবই হলো ফারাক্কা বাধের কারণে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: যথার্থ কথা।

৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৮
সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন: নির্বাচনের কিছুদিন পূর্বে আমি একটি পোষ্ট এ লিখেছিলাম, ক্ষমতার স্বাদ নিয়ে যারা চেয়্যারটিতে আসীন হউন না কেন, তাতে সাধারন জনতার কিছুই যাবে আসবে না। শুধু তাদের পশ্চাৎ দেশে কিঞ্চিৎ চর্বিজাত পদার্থ সংযোগ ঘটবে। আর যারা বসতে পারবেন না, তাদের আগামী পাঁচটি বছর উরু ও পা থেকে কিছু পরিমান চর্বি অপসারিত হবে।
এবং আগমীতে আমরা দিনবদলের সনদ (দিনবলদের) থেকে বছর বদলের সনদ লাভ করব।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: বদলে বদলে দিন পার
৫ বছর শেষে
দায়িত্ব কার?

৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
শুভ৭৭ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের ইস্যু না থাকলে আওয়ামী লীগ কী নিয়ে রাজনীতি করবে? তাই এই ইস্যু তারা জিইয়ে রাখবে।

এসব না ভেবে, আসুন কিছু লেখাপড়া করি।

কিছু এক কথায় প্রকাশঃ

রাজাকার ( পাকিস্তানের পক্ষে) = পাকিস্তানি রাজাকার

৭১ এর সময়ে পাকিস্তানি রাজাকার = war criminal

রাজাকার (ভারতের পক্ষে) = ভারতীয় রাজাকার

৭১ এর পরে ভারতীয় রাজাকার = post war criminal
১০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
রাজর্ষী বলেছেন: ফারাক্কার বিষয়ে একমত পুরো একমত। যৌক্তিক বিষয়ে ভারত কেন মহাভারতের বিরুদ্ধেও সারাজীবন লড়ে যাব। সেটা করছিও। কিন্তু অযৌক্তিক, বাজে প্রোপাগান্ডা ?ভারত বিরোধি ধোয়া তুলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল। কায়দা করে ৭১ এর সাফল্যকে ম্লান করার চেষ্টা? না এসব অনেক দেখেছি। এসব করে বিগত ৩০ বছর কারা কি করছে সেও দেখেছি। অতএব যৌক্তিক বিষয়ে আসুন।

বাংদেশ একটা টাইপো, এটা নিয়ে খোচা দেওয়া?!! আসলেই ফালতু ।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: ভাই রাজর্ষী। আপনারা যেভাবে কথা বলেন তাতে মনে হয় '৭১'র সাফল্য পুরোটাই আ'লীগের। আমি ভাই এ যুগের মানুষ। '৭১র মুক্তিযুদ্ধ দেখার সুযোগ হয়নি। কিন্তু ২০০৯ সালে মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেখার সুযোগ হয়েছে। আমার মনে হয়না ৩০ বছরের ইতিহাস এখন আমাদের প্রধান এজেন্ডা হওয়া উচিত। আমরা অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো। কিন্তু তা' জনগণের কল্যাণের কথা মাথায় রেখেই।
আমি ব্যর্থ ১২ ঘন্টা সময় চেষ্টা করেই আমার পোস্টের ভাষ্য আপনাকে বোঝাতে সক্ষম হইনি। অতীত বিবেচনায় দেখা গেছে আ'লীগ সব সময়ই নিজেদের মতকেই সঠিক ধরে নেয়।

১১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
রাজর্ষী বলেছেন: ৮০ এর দশকের থেকে এখনকার পরিস্থিতির জন্য মুলতঃ দায়ী বিএনপি। তারাই দীর্ঘতম সময় শাসন করেছে এই সময়। তারাই ভারতের বাজার বানিয়েছে।

আর চুক্তি নিয়া এসব ফালতু ফাল না পাইরা কোন চুক্তি করছে তার কোন ধারা খারাপ ডিটেইলস আলোচনা করুন। দেশের স্বার্থ বিরোধী হইলে আমিও প্রতিবাদ করবো। কিন্তু এখন পর্যন্ত এমন কিছু পাইলাম না। দেখান আগে তারপর অন্যকথা।
১২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২০
বাবুয়া বলেছেন: সবেতো শুরু >>>>>>>>>>>>>>
১৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: প্রথম কম্রন্টে ব্যাপক মজা পাইলাম।
পোস্টে +
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫
ধীবর বলেছেন: রাজর্ষির সাথে সহমত পোষন করে বলতে চাই যে, ১৯৯১ সালে তৎকালিন বি এন পির সরকারের আমলেই, মুক্ত বাণিজ্যের নামে বাংলাদেশকে ভারতের একচেটিয়া বাজার বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। আজকের বাংলাদেশে হিন্দির অপসংস্কৃতির যে কুফল, তার কিন্তু মুল কারণ ওই বি এন পি গৃহিত মুক্ত আকাশ নীতির কারণে।

দেশের জন্য অহিতিকর পদক্ষেপ গুলি বন্ধ না করে, শ্রেফ বি এন পি করেছে, তাই আঃ লিগও করবে, সেটি যুক্তিসঙ্গত নয়। খুব সত্য করে বলতে গেলে বলতে হয়, ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করা এই দুটি দল যত না দেশের তার চেয়ে বেশি আপন স্বার্থের কথা ভাবে। তাই এই দুটি বলয়ের বাইরে না গেলে, দেশের জন্য সত্যিকারের কিছু করা বেশ কঠিনই হবে।
১৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
কিরণময়ী বলেছেন: আওয়ামী লীগ আর বি এন পি , একি মুদ্রার এপিঠ - ওপিঠ !
বংবন্ধুর খুনিরা দুই দিন পর এমনি ই থাকবেনা। এটা কোন আর বড় ইস্যু নেই!
জামাতের হেল্প ছাড়া যুদ্ধাপরাধের বিচার অসম্ভব।ওদের বলতে হবে , যে প্রমান হলে তারা সেই সব নেতার জন্য রাজপথ কাপাবেনা। ওদের বিশাল জনসমাবেশের কথা মনে আছে ? বড় বড় ইসলামিক নেতা যেহেতু , জান দিয়ে ঝাপায় পড়বে নেতা কর্মিরা। শেষে গৃহযুদ্ধ !
যুবলীগের ,ছাত্রলীগের মানিকেরা প্রতিদিন যে হারে নির্যাতন চালাচ্ছে, পিটাচ্ছে , হত্যা করছে , শত শত মানুষ গুলোর জীবনের কি কোন দাম নেই ?
নাকি এটাই দিন বদল?
আমাদের অবস্থা হলো ,চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। আমরাই অশিক্ষিত লোভী আর অদূরদর্শী একটা অস্থির জাতি। আমাদের বাফার স্টেট হিসেবে ব্যাবহার করবেনাতো কাদের করবে ?? ওদের আর কি দোষ!
১৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৭
বুড়ো বলেছেন: "বংবন্ধুর খুনিরা দুই দিন পর এমনি ই থাকবেনা। এটা কোন আর বড় ইস্যু নেই!"

ধন্যবাদ কিরণময়ী ধ্রুব সত্যটি উপলব্ধিতে আনার জন্যে।

আসলে জাতি হিসেবে হয়তো আমরা বড়ই দুর্ভাগা। নয়তো স্বাধীনতার ৩০ বছর পরও আমাদের বাফার স্টেট বলে গালি দেবার স্পর্ধা পায় কী করে একজন বিদেশি সাংবাদিক? আর তা' শুনেও নানা গুনে গুনান্বিত আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চুপ-ই বা থাকেন কী করে?
১৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৫
সাইকাস বলেছেন: স্বাধীনতার ৩০ বছর ........না, ৩৮ বছর।

ইসলামিক প্রজাত্ন্ত ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের ৩০ বছর পূর্ন হলো।
ইরানের খবর জানেন?

মহাকাশে ঊপগ্রহ প্রেরণ।
লোহা ও ইস্পাত শিল্পে ব্যাপক ঊন্নতি।
গাড়ি বানিয়ে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিকরণ।
তেল শিল্পে বিশসে ৪র্থ।
ট্রেনের বগি রপ্তানিকরন।
পারমানবিক প্রযুক্তিতে ব্যাপক উন্নতি।
ইরানি কার্পেট।
ইরানি পন্য সব জায়গায় সমাদৃত।
ইয়ারানি মশলা।

ইরানে versity তেও পড়া লেখা ফ্রি।
যার ৫৬% নারী।

ওরা সব কিছু করেছে মাত্র ৩০ বছরে,তাও মোল্লারা।

আমাদের ত ৩৮ বছর হয়ে গেল?
আমরা কি করলাম?
আমাদের কি ছিল না?
অথচ ইরান একটি পাথুরে দেশ।
আর আমাদের ছিল একটি সবুজ শ্যামল দেশ।

তার পরও আশাবাদী।
দেখি কি হয়।
১৮. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০
সাইকাস বলেছেন: স্বাধীনতার ৩০ বছর ........না, ৩৮ বছর।

ইসলামিক প্রজাত্ন্ত ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের ৩০ বছর পূর্ন হলো।
ইরানের খবর জানেন?

মহাকাশে ঊপগ্রহ প্রেরণ।
লোহা ও ইস্পাত শিল্পে ব্যাপক ঊন্নতি।
গাড়ি বানিয়ে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিকরণ।
তেল শিল্পে বিশসে ৪র্থ।
ট্রেনের বগি রপ্তানিকরন।
পারমানবিক প্রযুক্তিতে ব্যাপক উন্নতি।
ইরানি কার্পেট।
ইরানি পন্য সব জায়গায় সমাদৃত।
ইয়ারানি মশলা।

ইরানে versity তেও পড়া লেখা ফ্রি।
যার ৫৬% নারী।

ওরা সব কিছু করেছে মাত্র ৩০ বছরে,তাও মোল্লারা।

আমাদের ত ৩৮ বছর হয়ে গেল?
আমরা কি করলাম?
আমাদের কি ছিল না?
অথচ ইরান একটি পাথুরে দেশ।
আর আমাদের ছিল একটি সবুজ শ্যামল দেশ।

তার পরও আশাবাদী।
দেখি কি হয়।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভুল ধরিয়ে দেবার জন্যে। ওটা লেখার ভুল ছিলো।

১৯. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫
মেঘ বলেছেন: ৭বছরে ধৈর্য হারা হয় নাই এখন সরকার আসতেই সব ধৈর্য শেষ!! সমালোচনা করা খুব সহজ। আপনি নিজে দেশের জন্যে কি করছেন?? বিএনপি = বাংলাদেশ নপুংসক পার্টি, জেএমবি= জামায়াতের মধ্যে বিএনপি সংসদে না এলে দেশের কি ছেঁড়া যাবে??

২০. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১
কিরণময়ী বলেছেন: আমরাতো মোল্লা নিধনে ব্যাস্ত ভাই !
ওদের দেশে মোল্লা বলে কিছু নেই। জেনে বুঝে ইসলাম পালন। আমাদের ব্রিটিশরা শিখিয়ে গেছে , ইসলাম হলো মোল্লাদের। আর হুযুরদের।
তারপর , ইংরেযদের ভুত গুলো ,প্রেতাত্মা গুলো ,চায় দেশে অনেক মোল্লা হোক আর তারা তাদের নিধনে দেশটাকে ব্যাস্ত রাখুক। তাই ইসলাম কে যারা যেনে বুঝে পালন করে , তথাকথিত মোল্লাদের মত দরবার শরিফ এ যায়না ,তারা হয়ে যায় ............
জানেনিতো!মৌলবাদী আরো কত কি !
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: সুন্দর যুক্তি। ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এ ব্লগের সব পোস্ট লেখকের মৌলিক লেখা এবং সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যতীত এই ব্লগের কোন লেখা বা ছবি সম্পূর্ণ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই