আমার প্রিয় পোস্ট

য়াজাদ আর টুটুলের কারণে হারিয়ে গেল ব্লগারদের মহৎ একটি অর্জন

১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬

শেয়ারঃ
0 0 0

বৃহস্পতিবার রাত্রে আমরা ক'জন রওনা হয়েছিলাম রাজশাহীর উদ্দেশ্যে। মূল লক্ষ্য শ্বাশ্বত'কে দেখা এবং তার হাতে সামহোয়্যারইন ব্লগ এবং আমার ব্লগ এর উঠানো অর্থের চেক হস্তান্তর। আপনাদের আমি জানাতে চাই শ্বাশ্বতের হাতে ৪লক্ষ ৮২ হাজার টাকার চেক হস্তান্তরিত হয়েছে। চেকটা জমা হবে শ্বাশ্বতের বাবার একাউন্টে।

সেই সাথে আমি জানাতে চাই ২ জন ব্লগারের প্রচন্ড একগুয়েমির কারণে এই দুই ব্লগের সমস্ত অর্জন আজ ভূলন্ঠিত। আপনারা জানেন রাজশাহী ইউনির এক শিক্ষকের উন্নাসিক আচরণের কারণে এই দুই ব্লগের সন্মানিক ব্লগারবৃন্দ অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ছিলেন। শুধূমাত্র শ্বাশ্বতের কথা চিন্তা করে এই মহতি প্রচেণ্টাকে আমরা সামনে এগিয়ে নেয়ার মানসে ব্লগাররা রাজশাহী যেতে রাজী হয়েছিলেন।

ব্লগাররা ২টা বিষয়ে একমত হয়েছিলেন - ১. টাকাটা শ্বাশ্বত বা তার তার বাবার একাউন্টে দেয়া হবে, ইউনির ফান্ডে না। ২. ব্লগাররা কেউ প্রেস কনফারেন্সে যাবেন না। গত সোমবারে শাহবাগের মিটিং এ য়াজাদ সুপরিকল্পিত ভাবে প্রেস কনফারেন্সে যাওয়ার ব্যাপারে ব্লগারদের মত আদায়ের চেষ্টা করে। এক্ষেত্রে সে শ্বাশ্বতের প্রতি ব্লগারদের ভালবাসাকে ব্যবহার করে অস্ত্র হিসেবে এবং বলা যায় সফল হয়। আমি এবং দিপু এর তীব্র বিরোধীতা করি প্রেস কনফারেন্সে যাওয়ার ব্যাপারে।

পরদিন সেই শিক্ষক প্রেস কনফারেন্সে যাওয়ার কথা বলে একটি পোষ্ট দেয়। প্রাথমিক ভাবে আমি রাজশাহী যাব না বলে সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু কয়েকজন ব্লগারের পৌনপুনিক অনূরোধে রাজশাহী যেতে সম্মত হই। বৃহস্পতিবার একজন ব্লগার আমাকে আমার দেশ পত্রিকাটি পড়ার অনূরোধ করেন। অনলাইন এডিশন পড়ার পর আমি হতবাক হয়ে যাই ... সেই একই কাহিনী ... রাজশাহী ইউনির ছাত্ররাই ... সামহোয়্যার ইন ব্লগ বা আমার ব্লগ এর কোন উল্লেখ নাই। আমি সহ-ব্লগারদের বিষয়টি জানাই।

রাত্রে ট্রেনে বিষয়টি আবার উত্থাপিত হলে য়াজাদ রিপোর্টের পক্ষে সাফাই দেয়ার চেষ্টা করে। ট্রেনেই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত হয় যে আমরা প্রেস কনফারেন্স এ কোনভাবেই যাব না। পরদিন ষ্টেশনে সূজন এবং আরো একজন ছাত্র এসে আমাদের সেই শিক্ষকের বাসায় যাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। তাকে বলা হয় ব্লগাররা নাস্তা করে শ্বাশ্বতকে দেখতে যাবে। সেই মোতাবেক আমরা শ্বাশ্বতের বসায় যাই এবং চেক হস্তান্তর করি। ফেরার পথে য়াজাদ আবার সেই শিক্ষকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করে এবং আমাদের মতামত চায়। নেমেসিস তীব্র আপত্তি জানায়। তখন য়াজাদ জানায় সে যাবেই। তখন আমি প্রশ্ন করি আপনি যদি যাবেনই তবে আমাদের মতামত চাইছেন কেন ঘটা করে। এর কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেন নাই। নিরব দেখা যায় টুটুল ওরফে প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব কে। পথে কোন একটা আমবাগানের ছবি তোলার সময় এই দুইজন একান্তে কিছু আলাপ করেন। গাড়ীতে ফিরে য়াজাদ জানায় সে একটা প্লাস পেয়েছে। আমরা বুঝতে পারি কি ঘটেছে বা ঘটতে যাচ্ছে। বিকালের দিকে উজ্জল একটা মেসেজ পাঠা নেমেসিস কে। মেসেজটা ছিল এরকম - "আমরা নোংরা এটা জানতাম। কিন্তু আপনারা যে আমাদের চেয়ে বেশী এটা জানা ছিল না। আমি আর কোন ব্যাপারে আপনাদের সাথে নাই।" এখানে বলে রাখা ভাল উজ্জল আমাদের সাথেই রাজশাহী গিয়েছিল এবং স্টেশন থেকেই ক্যাম্পাসে চলে যায়।

সন্ধ্যার দিকে য়াজাদ এবং টুটুল কাউকে কিছু না বলেই কোথায় জানি চলে যায়। রাত ১০টার দিকে দিপু ফোনে যোগাযোগ করলে তাকে তাদের ব্যাগ নিয়ে রেষ্টুরেন্টে আসতে বলে। সেখানে উপস্থিত হলে আমি অত্যন্ত খোলাখুলিভাবেই তাদেরকে ইগনোর করি এবং অন্যদের করতে বলি। এতে নাকি য়াজাদ মনে দূঃখ পেয়েছে। নেমেসিস কে সে একথা জানিয়ে স্বীকার করেছে যে তারা সেই শিক্ষকের সাথে দেখা করতে গিয়েছিল।

নিজেকে আজ খুব ছোট মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে এই দুইজন আমার দুই গালে জুতা দিয়ে বাড়ি দিয়েছে সজোরে। ভাবছি আমার ইগো আমি কেন তাহলে বিসর্জন দিব। কোন দূঃখৈ .....

আমি এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
১. য়াজাদ আর টুটুলের সাথে আর কোন যোগাযোগ না।
২. শ্বাশ্বত ক্যাম্পেইন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার।
৩. প্রস্তাবিত "প্রাপ্তি ফাউন্ডেশন" এর কোন কার্যক্রমে নিজেকে সম্পৃক্ত না করা।

ভাল থাকবেন।
{এটি সম্পূর্ণই আমার নিজের ভাবনা এবং সিদ্ধান্ত}

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১
কৌশিক বলেছেন: সমস্যা বেশী গুরুতর নয়, কিন্তু রিএ্যাকশন মাত্রাতিরিক্ত দেখা যাচ্ছে। আপনাদের ব্লগীয় নর্ম বোঝার বিশাল ঘাটতি আছে দেখা যাচ্ছে।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আমি অধম ... এটাই সত্য।

১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: এস্কিমো ভাই, প্রাপ্তি বা শ্বাশ্বত বিষয়ে ব্লগারদের যে সামষ্টিক অর্জন ছিল, সেটাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
কৌশিক বলেছেন: "দালাল" ও "নির্লজ্জ" শব্দ দুটো বাদ দেবার অনুরোধ জানাই রঞ্জু ভাই। রাগটাও একটু প্রশমিত করুন। সুদূর লক্ষ্যটা থেকে দৃষ্টি পরিবর্তন হয়েছে আপনাদের সবার।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: যে ব্লগারদের নিয়ে কাজ করেছেন তারা যখন এতোই মূল্যহীন .....
আমি নিজেকে গুটিয়ে নিলাম।

৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
কানা বলেছেন: আমিও বুঝলাম না ব্লগারদের কুন মহৎ অর্জন হারিয়ে গেল? আমার তো মনে হইতাছে আপনার অর্জন হারাইছে, আর সেকারণেই আপনে এই অকাম খানা করলেন। আপনেরে একখান কতা জিগাই, জীবনে কি ন্যুনতম ভদ্রতাবোধ শিখছেন? মনে হয় না! আপনের এই পোস্টের জন্যই বরং ব্লগারদের অর্জন ভুলুন্ঠিত হইলো।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: উজ্জল সৎ সাহস থাকলে নিজের অরিজিনাল নিকে এসে কথা বলো।

৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫
আবু সালেহ বলেছেন: "রাত্রে ট্রেনে বিষয়টি আবার উত্থাপিত হলে য়াজাদ রিপোর্টের পক্ষে সাফাই দেয়ার চেষ্টা করে। ট্রেনেই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত হয় যে আমরা প্রেস কনফারেন্স এ কোনভাবেই যাব না"

তারপরেও কেন আবার এত কিছু....

!!!???
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: তারপরও কথা থেকে যায়।

৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: কিত্থেকে কি হইতাসে কিসুই বুঝতাসি না :|
৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
চাচামিঞা বলেছেন: মহৎ কিছু করতে গেলে অল্প বিস্তর বাধা তো আসবেই, তাি বলে নিয়েকে গুটিয়ে নেবেন কেনো?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: বাধা আসবে সেটা ঠিক আছে। কিন্তু নিজেদের লোকের হাতেই যদি অপমানিত হই ....

৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭
কালপুরুষ বলেছেন: কানা, বেশী বুইঝোনা। আমিও বলছি একই কথা। যে পাতে খায় সেই পাত যারা পুটা করে তারে কি বলে কো দেখিনি সোনার চান পিতলা ঘুঘু। তুমি তো দালাল সর্দার।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: দাদা উজ্জল তো চালাক ছেলে তাই না ....

৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
কালপুরুষ বলেছেন: আমিও পোস্ট দিচ্ছি। একটু সবুর করুন।
১২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
মীতু বলেছেন: ভাইয়া অন্যের কারনে কেন আপনি আপনার নিজেকে মহৎ কাজ থেকে গুটিয়ে রাখবেন ? যারা ভুল করে তাদের সাথে রাগ তো কোন মহৎ গুণের মধ্যে পড়ে না । আপনি আপনার কাজের মধ্যে যে মহত্বের পরিচয় দিয়েছেন তা আপনি কেন এত অল্পতে সব নিঃশেষ করে দিবেন । যারা ভুল করে আপনি ওদের বর্জন করুন । ক্যাম্পেইণ থেকে কেন নিজেকে প্রত্যাহার করছেন ? আর একটু ভেবে দেখুন ।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: অনেকেই অনেক কথা বলেছে। কান দেই নাই। যতটুকু প্রতিবাদ করার কথা ছিল চেষ্টা করেছি করতে। লক্ষ্যটা ঠিক রাখতে চেয়েছি। কিন্তু ঘরের লোক যখন এমনটা করে, তখন তো দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়। তাই এই গুটিয়ে নেয়া।

১৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
কৌশিক বলেছেন: এই প্রথম দেখলাম ব্লগিয় সংঘর্ষ বাস্তবেও ছড়িয়ে পড়তে। আমি, রাসেল, পিয়াল ভাই ব্লগজীবনে কম কাইজ্জা করি নাই, কিন্তু এমন উলংগভাবে বাস্তবেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার নজির নাই। ব্লগারদের সাথে মেশার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে বুঝতে পারছি। ফোন নম্বর, এড্রেসের ক্ষেত্রেও।

এমন পরিস্থিতি বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে জানলে আমি ভুলেও এই ক্যাম্পেইন বিষয়ে কাউকে কোন সমালোচনা করতাম না। সত্যিই লজ্জিত। য়াযাদ, টুটুল, ক্যামেরামান, কালপুরুষ, দীপু ও নেমেসিস আপনারা একটা ভাল কাজ করেছেন, একটু না, অনেক ভাল করেছেন - এটুকু শ্রদ্ধাবোধ সবসময় থাকবে।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: আমি আগেই বলেছি আমি অধম।

১৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
আউটসাইডার বলেছেন: আমাদের সকলকে ধিক্কার...ব্যাপারটা এত নোংরা না করলেও চলতো।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: সকলকে না। শুধূমাত্র ক্যামেরাম্যান নিকের রঞ্জুকে ধিক্কার।

১৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
মিলটন বলেছেন: ব্যাপারটা দুঃখজনক। কষ্ট পেয়েছি।
১৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
কানা বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: একবার ভাবলাম মুছে ফেলি। না, থাকুক উজ্জলকে চিনবে সবাই।

১৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
বৃত্তবন্দী বলেছেন: রন্জু ভাই,
এক জনের কাছ থেকে শুনে পরিস্থিতি বিচার করতে চাইনা।
দেখি আর কেউ কিছু বলেন কিনা?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: অবশ্যই। সাধূবাদ আপনার সিদ্ধান্তে।

১৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
হাফিজ খাঁন বলেছেন: এরকম মহৎ কাজে আপনারা কি করে সম্পৃক্ত হন ? আর ব্লগারদের উপার্জন কথাটা বুঝলাম না। যদি দয়া করে বোঝাতেন।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: উপার্জন কোথায় পেলেন ভাই ? সবাই যার যার সীমিত সাধ্য নিয়ে এক হয়েছিলাম। হয়তো ভবিষ্যৎ এ এটা একটা বড় শক্তিতে রুপান্তরিত হতে পারতো। আমি এই 'সমন্বিত শক্তি' কে একটা বড় অর্জন বলতে চাইছি।

১৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯
প‌্যান্ট ঢিলা মাস্তান বলেছেন: ব্যাপারটা খুবই দু:খজনক। টুটুল ভাই কিংবা য়াজাদ ভাইয়ের এমন করা উচিৎ হয় নাই বলে মনে করতাছি। মনে হইতাছে আমাদের সবাইরে পেটে লাত্থি মাইরা হাতে হারিকেন ধরায়ে দিছে।

মন খারাপ হয়ে গেলো।
২০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৬
কালপুরুষ বলেছেন: কানা, তোমার চরিত্র আমি ভাল কইরাই চিনি। তুমি আমার কোন বালেশ্বর বাল আমার তা জানতে বাকি নাই। অফ যাও। সময় আছে। দালালি তোমার পিরীতের মানুষের লগে করোগা। এইখানে নাক গলাইতে আইসো না। দুইদিনকার বৈরাগী ভাতরে কও অন্ন।
২১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:১৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: একটা সুন্দর ও মহৎ উদ্যোগকে মানুষ কিভাবে পন্ড করে দিতে পারে নিজের ইগোর জন্য সেটা আজ ভালো ভাবেই দেখলাম। :(
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শিশুসুলভ আচরন দেখে কস্টই লাগলো।

প্রেস কনফারেন্সে না যাবার ব্যপারে আপনাদের সম্মিলিত স্বীদ্ধান্ত ছিলো, এবং আপনারা সেখানে যানও নাই।
মামুন স্যারের বাসায় না যাবার ব্যপারে কি আপনাদের সম্মিলিত কোনো স্বীদ্ধান্ত ছিলো ? যদি না থাকে তবে সেখানে কে যাবে আর কে যাবে না সেটা তার বা তাদের একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়।
আপনি রাজি ছিলেন না, আপনার ইগোতে লেগেছে, আপনি যাননাই।

উনারা গিয়েছিলেন কারন উনারা যেতে চেয়েছিলেন। উনারা কোথায় যাবেন কি কোথায় যাবেন না সেটা উনাদের ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়ে কেউ কি কিছু বলতে পারে ? এজন্য য়াযাদ ভাইকে দালাল ও টুটুল বসকে নির্লজ্জ বলার মতো নোংরা প্রবৃতি কোথা হতে আসলো সেটা বুঝলাম না।

কোন দিপুর কথা বলছেন ?
সেই দিপু যে নিজের নাম পত্রিকায় না দেখে কাঁদতে কাঁদতে পোস্ট দিয়েছিলো ? সেই দিপু যে টুটুল বা মিলটনের নাম পত্রিকায় দেখে ইর্ষায় পোস্ট দিয়েছিলো ? সেই দিপু যে মামুন স্যারের আজাইরা পোস্টে উনাকে নোংরা ভাবে গালাগালী করে তার রুচিবোধের পরিচয় দিয়েছিলো ! ভালোই সংগি আপনার।

দালাল ও নিলজ্জ শব্দগুলো অশ্লীল লাগলো। একজন বয়স্ক মানুষের বালসুলভ আচরন দেখে মজা লাগছে না।

ফালতু পোস্টে কইষা মাইনাস।

১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব সুমন। আমরা ৬ জন লোক একসাথে গিয়েছি। য়াজাদ মামুন এর সাথে হাজারবার দেখা করুক আপত্তি নাই। সে কেন আমাদের মতামত চাইলো ? "বিচার মানি, কিন্তু তালগাছটা আমার" - য়াজাদ যেটা করেছে তার সারমর্ম হলো এটা। সে আগে কোন কথা না বলে মামুন এর সাথে দেখা করে এসে যদি আমাদেরকে বলতো, তাতেও মনে হয় এতোটা বিরক্ত আর কষ্ট পেতাম না।

দিপু গালিবাজ সন্দেহ নাই। তবে সে কখনই নিজের নামের জন্য পোষ্ট দেয় নাই। তার আপত্তির কারণ ছিল সামহোয়্যার ইন বা আমার ব্লগের কথা না বলে ব্যক্তি বিশেষের নাম কেন আসলো। সেটা যদি বুঝতে না চান, সে আপনার সমস্যা।

২২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৬
দখিনা বাতাস বলেছেন: হায় হায় রে.......... শ্বাশতের জায়গায় আমি থাকলে আর এই, দিনের পর দিন ব্লগে যেমনে কথা কাটাকাটি হইতাছে-- এইসব দেখলে আত্নহত্যা করতাম লজ্জায়।

তারপরেও সবাইকে সম্মান জানাই, কারন হয়ত কোথাও কারো কারনে একটু ভুলের জন্য এইসব হচ্ছে কিন্তু সবার উদেশ্শ্য ছিল খুবই মহৎ।

ভুল তো মানুষই করে, তার জন্য কি সম্মান দিবো না??
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
হটডগ বলেছেন: ঠিক আছে বুঝলাম। কিন্তু মামুন 'স্যার' এর বাসায় যেতে হবে, উনি রিসিভ করতে আসেন নাই কেন? নিদেনপক্ষে একটা ফোন করে বলেন নাই কেন, ভাই আপনারা একটু আমার বাসায় আসেন? উনি কি লাট বাহাদুর? ফাজিলের ফাজিল।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: উনি ফোন করেছিলেন য়াজাদ কে।

২৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩১
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: @ মাহবুব সুমন, আজিজের মিটিংয়ে প্রেস কনফারেন্স যাওয়া হবে বলেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো। আমরা যখন রাজশাহী ট্রেন থেকে নামি তখনও আমি জানি সেটাই হবে। কিন্তু তা হয় নি বুঝতেই পারছেন।

মামুন স্যার কিংবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি প্রতি এই প্রাপ্তবয়স্করা নুন্যতম সম্মানটুকুও দেখান নি। উল্টো শাশ্বতর পরিবারকে পরামর্শ দিয়ে এসেছে গণযোগাযাগ বিভাগের প্রেস কনফারেন্স না যাওয়ার জন্য।

একটা বিষয় ক্লিয়ার হওয়া দরকার। মামুন স্যারের পরামর্শ কিংবা আহ্বানে কি ব্লগাররা ফান্ড কালেকশনে নামছে? সমাকালে মিল্টন ভাইয়ের নাম আসার কারণে প্রথম দিনের তুলকালাম। তারপর প্রথম আলো এবং আমার দেশ'র নিউজ নিয়ে।
আমার প্রশ্ন হলো কাজ করছে অনেক লোক। পত্রিকায় নাম না আসায় কারোর গায়ে লাগলো না, এই ৪/৫ জনের কেন লাগলো? সব কাজ কি এই ৪/৫ জনই করেছে? গতকাল এই ব্লগাররা রাজশাহী গিয়ে নিজেদের ছোট করে এসেছে। আর আজকে এই পোস্টটা দিয়ে গোটা ব্লগ কমিউনিটিকে ছোট করেছে।

এবার আসি মেসেজ প্রসঙ্গে। মামুন স্যারের লেখা নিয়ে দীপু যখন তার স্টক অব ওয়ার্ডস টেস্ট করছিলেন, তখন আমি নেমেসিসের পাশেই ছিলাম। আরিফ রেজা খানের গালাগালির এক পর্যায়ে িতিন আমাকে বললেন, আপনেরা এত নোংরা! আর দীপুর গালিগুলো বোধহয় মহাভদ্রতা। পাঠক লক্ষ্য রাখবেন এইটা ছিলো ভার্চুয়ালি অসভ্যতা।

গতকাল ব্লগাররা রাজশাহী যাবে শুনে মামুন স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের যুবেরী ভবনে ২টা রুম বুক করেছিলেন। সারারাত জেগে সকালে ব্লগারদের স্বাগত জানাতে রেডি ছিলেন। আপনারা তার সাথে সাক্ষাত না করে চরম অসৌজন্যতা দেখিয়েছেন।

ক্যামেরাম্যান এবং কালপুরুষ দাকে একটা প্রশ্ন করি: ব্লগারদের উদ্যেগে টাকা তুলেছিলাম শাশ্বতর চিকিৎসা সহায়তার জন্য। আপনারা কোন অধিকারে এই চেক অরুন সত্যর নামে দিলেন? হাক না তিনি শাশ্বত'র বাবা! এটা কি টাকা দেওয়া অসংখ্য মানুষের সাথে প্রতারণা হয় নি?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ উজ্জল।
১. সোমবারে ডিসিশন হয়েছিল প্রেস কনফারেন্স এ যাওয়া হবে।, কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য দেয়া হবে না।
বুহস্পতিবারে যখন আমার দেশ এ আবারও একই ধরণের রিপোর্ট হলো তখন ষ্টেশন/ট্রেনে আলোচনা করে ঠিক করা হয় প্রেস কনফারেন্স এ যাওয়া হবে না।
২. মিলটন এর নাম পত্রিকায় আসায় দিপু আপত্তি করেছিল নিজের নাম প্রচারের উদ্দেশ্যে না। তার এবং আমার একটাই কথা - আমরা এই কাজে সম্পৃক্ত হয়েছিলাম দুটি ব্লগ সাইট কে কেন্দ্র করে। আমরা প্রচন্ড ভাবে চাইছিলাম এই দুটি ব্লগ সাইটের নাম প্রচারিত হোক। আপনার মামুন স্যার এর প্রতি ক্ষোভ একই কারণে। উনি পত্রিকায় রিপোর্ট করাচ্ছিলেন এমনভাবে যাতে সারা দেশের মানুষ শুধূ রাজশাহী ভার্সিটি উদ্যোগের কথা জানে। সামহোয়্যার ইন বা আমার ব্লগের কথা কজন জেনেছে তার কাছ থেকে ?
".... পত্রিকায় নাম না আসায় কারোর গায়ে লাগলো না, এই ৪/৫ জনের কেন লাগলো? সব কাজ কি এই ৪/৫ জনই করেছে? " - এই ৪/৫ জন সব কাজ না করলেও, তারা ২টি বাংলা ব্লগ সাইটকে রিপ্রেজেন্ট করছে। আমি চাই আপনার স্যার মাত্র ২টা নাম পত্রিকায় পাঠাক - সামহোয়্যার ইন ব্লগ আর আমার ব্লগ। দেখি আপনার স্যার শুধূ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম না নিয়ে সাথে এই দুই ব্লগ সাইটের নাম বলতে পারেন কিনা।
৩. আমরা তো তার সাথে দেখা করার জন্য যাই নাই। আর তাকে আমরা বলিও নাই আমাদের জন্য কোন ব্যবস্থা করতে। আমরা কালপুরুষদা'র পৈত্রিক বাড়ীতে উঠবো সেটা তো আগেই ঠিক করা।
৪. সোমবারেই কিন্তু ঠিক করা হয়েছিল চেকটা শ্বাশ্বত বা তার বাবার নামে হবে। তুমিও সেখানে ছিলে। য়াজাদ জনে জনে জিজ্ঞাসা করেছে এটার বিষয়ে এবং প্রেস কনফারেন্সের বিষয়ে। তখন আপত্তি কর নাই কেন ? আর চেকটা কিন্তু আমার বা কালপুরুষদা'র ব্যাংকের না। টুটুলের। বোকার মত একটা প্রশ্ন করলা তাও আবার ভূল লোক কে।

২৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
হটডগ বলেছেন: মামুন স্যার কিংবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি প্রতি এই প্রাপ্তবয়স্করা নুন্যতম সম্মানটুকুও দেখান নি।
---------------------------------------------------------------------------
দেখুন ভাই, মামুন সাহেব আপনার স্যার, আর রাজশাহী বিশবিদ্যালয় আপনার বিশবিদ্যালয়। কোন প্রাপ্তবয়স্ক লোকই আরেক জনের স্যারকে বা বিশবিদ্যালয়কে সম্মান দেখাতে বাধিত নন।
২৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
হটডগ বলেছেন: @ আনিসুজ্জামান উজ্জল। উনি বিশবিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেই উনি উনার চাইতে বসস্ক মানুষের সম্মান দাবী করেন নাকি? লাটের বাট দেখলে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। নিজের সম্মান নিজে রাখার যোগ্যতা রাখেন নাই। উনার বাসায় গিয়ে সম্মান দেখাতে হবে? কেন উনি একটা ফোন করে উনাদের বলতে পারেন নাই যে আপনারা আমার বাসায় আসেন? ভদ্রতাবোধ আপনি শিখাচ্ছেন? না আপনার অপদার্থ শিক্ষক মামুন স্যার শিখাচ্ছে?
২৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: @ হটডগ
এই মহানুভবদের জিজ্ঞাসা করেন মামুন স্যার কতবার ফোন করেছেন ওই রাতে, মামুন স্যারের হয়ে স্বাগত জানাতে সুজন এবং আরেকজন ভোর সাড়ে ৪টা থেকে স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলো, ওনারা তার সাথে কি আচরণ করেছে? আর বাসায় যাওয়ার ব্যাপারে মামুন স্যার কতবার ফোন করেছেন সেটা জিজ্ঞাসা করুণ।
২৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
কৌশিক বলেছেন: উজ্জ্বল আপনার সাথে আমি একটু ডিফার করি। শাশ্বতের বাবাকে চেক দেওয়ার প্রসংগটা নিয়ে প্রতারণা হয় না। আপনারা শাশ্বতর রক্ত সম্পর্কিত না হয়ে যদি শাশ্বত ক্যাম্পেইনে মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারেন, তাহলে বাবার নামে চেক দেয়াটা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে না।
৩০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯
হটডগ বলেছেন: অকে, ফোন করেসেন নিজে? দেন সরি।
৩১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
হটডগ বলেছেন: তবে উনার উচিত ছিল লোক না পাঠিয়ে নিজে রিসিভ করা, যেহেতু এমনিতেই অনেক ভেজাল আগে উনি ক্রিয়েট করসেন।
৩২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: পর পর ২টা দিন-রাত ধরে স্যার একটা ভিডিও ডক্যুমেন্টারী তৈরি করছেন প্রেস কনফারেন্সের জন্য। শুক্রবার রাত ২টা পর্যন্ত প্রেস কনফারেন্সের বক্তব্য ঠিক করেছেন। ওনার প্রতিনিধিকেই অপমান করা হইছে। আপনি কি মনে করেন ওনাকে সম্মান দ্যাখাইতো এইসব প্রাপ্ত বয়স্করা?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: ওনার ইগো থাকতে পারলে আমার মতো সাধারণ ব্যক্তির থাকবে না কেন ? আমি তো সোমবারদিনই আপনাকে বলেছিলাম মামুন যদি সামান্য সরি বলে প্রেস কনফারেন্স এ যাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়, আমি সাথে সাথে সরি বলতে রাজী আছি। ওনাকে যদি ষ্টেশন এ পেতাম তাকে আমরা কজন এড়াতে পারতাম ? মানীর মান সবাই রাখে।

৩৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫০
হটডগ বলেছেন: সেটা দেখাইতো না হয়তো, কিন্তু মনে রাখবেন উনার প্রতিনিধিরা উনার চাইতে কম সম্মানিত মানুষ নন। বিশবিদ্যালয়ের প্রভাষক-অধ্যাপক হওয়ার সাথে সাথে মানুষের ওজন সের থেকে মনে উন্নীত হয় না যে রাস্তা ঘাটে সালাম-সম্মানের আধার হয়ে যাবেন। এইসব ফালতু সেন্টিমেন্ট ছাড়ুন।
৩৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
মাহবুব সুমন বলেছেন: আমার বোঝার সমস্যা নাই। বুঝে শুনেই বলছি।
যেহেতু আপনাদের আপত্তি ছিলো মামুন স্যারের বাসায় যাবার কিন্তু য়াযাদ ভাইয়ের আগ্রহ ছিলো সেহেতু উনি আপনাদের সাথে আগে কথা বলেছিলেন ( আমার বুঝ মতে )। সেটা না করে উনি যদি সবার অজান্তে দেখা করতেন তখন সেটা হতো বেশী বাজে হতো।

যাই হোক,আমার আর বলার কিছু নাই আপনার সাথে।

সব কিছুই খুব বাজে লাগছে। আমরা কামড়া কামড়ি করছি, ইগো নিয়ে ফোর প্লে করছি আর শ্বাশত একটু একটু করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। হায়রে ইগো।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: আপনার বুঝা আপনি বুঝছেন তাতে সমস্যা নাই।
উনি মামুন এর সাথে দেখা করার কথা জানান নাই। উনি দেখা করতে চান - এই বিষয়ে আম জনতার মতামত চাইছিলেন। যখন নেগেটিভ মতামত আসলো তখন গোঁ ধরে বললেন তিনি যাবেনই। আপত্তিটা এখানেই।

৩৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
হটডগ বলেছেন: উনি নিজের সম্মানের ডরে আসেন নাই বলতে চাইতেসেন? আর প্রতিনিধিদের অসম্মান করলে তেমন কিছু যায় আসে না, নাকি?
৩৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬
হটডগ বলেছেন: আমিও মাহবুব সুমনের সাথে একমত; আপনাদের সাথে আসচেন যেহেতু, য়াযাদ আর প্রতু সাভাবিক ভাবেই আপনাদের মতামত জিজ্ঞাসা করসেন, এটা সাভাবিক কার্টেসি-গোপনে দেখা কইরা আসলে সেইটাই হত প্রব্লেম।
৩৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ঘটনার চেয়ে রি-একশন অপ্রয়োজনীয়ভাবে তীব্র এবং পারসোনাল।মাইনাচ।
৩৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "দালাল" এবং "নির্লজ্জ" শব্দদুটি প্রবলভাবে আপত্তিকর। প্রত্যাহারের দাবি জানাই।
৩৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: হাক না তিনি শাশ্বত'র বাবা! এটা কি টাকা দেওয়া অসংখ্য মানুষের সাথে প্রতারণা হয় নি?
ভাই, আপনি এটা কি বললেন ...?

বাবা কে দিবে না তো কাকে দিবে ...?
৪০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১৮
মিলটন বলেছেন: @ উজ্জল,

আপনার কমেন্ট থেকেই কপি পেষ্ট করলাম, "ক্যামেরাম্যান এবং কালপুরুষ দাকে একটা প্রশ্ন করি: ব্লগারদের উদ্যেগে টাকা তুলেছিলাম শাশ্বতর চিকিৎসা সহায়তার জন্য। আপনারা কোন অধিকারে এই চেক অরুন সত্যর নামে দিলেন? হাক না তিনি শাশ্বত'র বাবা! এটা কি টাকা দেওয়া অসংখ্য মানুষের সাথে প্রতারণা হয় নি?"

আপনার কাছে প্রশ্ন, আপনি কোনটাকে প্রতারনা বলছেন?
৪১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
ঠিকানা বলেছেন:
বাবা কে দিবে না তো কাকে দিবে ...?
৪২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: দেখছি ,কস্ট পাচ্ছি।
একটা মহৎ উদ্যোগ কি ভাবে নস্ট করা হয় সামান্য তুচ্ছ কারনে।
মানবতার কিভাবে গৌন হয়ে যায় তুচ্ছ ইগোর কারনে।
বলার আর কিছু পাচ্ছি না।
৪৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
হটডগ বলেছেন: কি টাকাটা কোণ ফান্ডে জমা দেওয়া উচিত বলে মনে করেন উজ্জল সাহেব? রাজশাহী বিশববিদ্যালয়ের ফান্ডে না মামুন 'স্যারের' ব্যাঙ্ক একাউন্টে? ছাগোলের মত কথাবার্তাতো এও বলতেসে দেখি ভালই।
৪৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭
নাজ বলেছেন: শাশ্বতর কথা যেদিন শুনলাম, সেদিনই ভেবে রেখেছিলাম…আমার এবারের স্কলারশীপের টাকাটা আমি শাশ্বত’র ফান্ডে দিয়ে দিবো। যেই কথা, সেই কাজ। দিলাম পুরো টাকাটাই। এরপরে আমি আর কোনদিন এই ব্যপারটাতে ইনভোল্ভ হইনি। কিন্তু এই ফান্ড রাইসিং এর জন্য ব্যাঙ্ক একাউন্ট থেকে শুরু করে প্রতিটা জিনিসে আমি যে মানুষটার নাম ব্যবহার হতে দেখেছি, আজ সেই মানুষটা তার একটা কাজের জন্য কিনা নির্লজ্জ আর দালালের পর্যায়ে চলে গেল?

বাহ্‌!!
একেই বলে যথার্থ প্রতিদান।

আমি অতি নগন্য মানুষ, আপনাদের মত বড় মানুষের কাছ থেকে খুব ভাল কিছু শিখে গেলাম...
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: আপু আমি দূঃখিত আপনাকে কষ্ট দেয়ার জন্য। আমি গত জানুয়ারী থেকে টুটুলকে চিনি। ব্লগে যে কজন মানুষকে সামনাসামনি দেখে পছন্দ হয়েছে টুটুল তার মধ্যে অন্যতম। তাহলে এই ধরণের একটা মানুষকে কেন আমি নির্লজ্জ বললাম ? এই ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার পর একটা সময় পর আমি বুঝলাম টুটুল ছেলেটা যতোটা ভাল কোঅর্ডিণেশনে ঠিক ততোটাই খারাপ। সাথে আছে একধরণের গাছাড়া ভাব। ওকে জিজ্ঞাসা করে দেখেন একে আর নেমেসিসকে ব্লগের বাইরে আমি ঠিক কতোটা কথা শুনিয়েছি। তারপর এর কোন উন্নতি হয় নাই। আর তার ফলশ্রুতি হলো এই পোষ্ট।

৪৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
কালপুরুষ বলেছেন: উজ্জল,

মিথ্যাচারের একটা সীমা আছে। আমরা কেন শাশ্বত কিংবা শাশ্বত'র পরিবারকে বলবো প্রেস কনফারেন্সে না যাবার জন্য? আমরা সেটা বলার কে? আমরা আমাদের অধিকারের সীমাটা ভাল করেই জানি। তুমি সেটা জানোনা। কারন তুমি তোমার স্যারকে নিয়ে মোহগ্রস্থ।

এবার বলো, চেকটা কী তোমার মামুন স্যারের নামে দিলে তুমি খুশী হতে? না উজ্জ্বল বাবু, আমরা সেটা করিনি। কারন শেয়ালের হাতে মুরগী তুলে দেয়াতে আমাদের ভীষণ আপত্তি। তুমি কী তাই চেয়েছিলে নাকি? চেকটা মামুন সাহেবের নামেই দেয়া হোক? উনিই কী শাশ্বত'র সব? তুমি কী জানো (প্রেস কনফারেন্স করেও জানতে পারলেনা?) শাশ্বত ঠিকমত লিখতে পারেনা। শাশ্বত'র পক্ষে সই করা কিংবা ব্যাংকে যেয়ে টাকা তোলা মোটেও সম্ভব নয়। তবে সেক্ষেত্রে শাশ্বত'র অভিবাবক কে? শাশ্বত'র বাবা অরুন সত্য নাকি তোমার মামুন স্যার? তাহলে টাকার চেকটা কাকে দেবো? অরুন সত্যকে নাকি মামুন সাহেবকে? আহা মামুন সাহেব চেকটা না পেয়ে মনে হয় খুব কষ্ট পেয়েছেন যা তোমার কথায় স্পষ্ট হলো। তোমার আর তোমার মামুন স্যারের উদ্দ্যেশ্য একণ আমার কাছে রীতিমত সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। আশা করি ব্লগারাও সেটা বুঝবেন।

অধিকারের প্রশ্নটা মনে হয় আমাকে ও ক্যামেরাম্যানকে করা ঠিক হয়নি। সবাইকেই করা উচিৎ ছিল। কারণ সবার সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতেই চেকটা প্রত্যু শাশ্বত'র বাবার হাতে তুলে দিয়েছে। আর শাশ্বত'র বাবা ছাড়া শাশ্বত'র জন্য তোলা অর্থের চেক গ্রহণের ক্ষেত্রে অন্য কেউ যোগ্য ব্যক্তি হতে পারেনা। তুমি কিংবা তোমর মামুন স্যার নন। ব্যাপারটা বুঝেছো আশা করি। সাংবাদিকদ সম্মেলনে তোমার মামুন স্যার চেকটা হাতে পাননি বলে কী তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে? ব্লগারই বলুক কার হাদে চেকটা দেয়া উচিৎ ছিল? আমরা অসংখ্য মানুষের সাথে প্রতারণা করেছি কিনা ব্লগাররাই বিচার করুক। কিন্তু এতে যে তোমার স্বরূপ প্রকাশ হয়ে যাবে সেটা কী খেয়াল করেছো? এই বুদ্ধি নিয়ে সাংবাদিকতা করো? হায়রে! তুমি আমার দেশের ছেলে, কবে তোমরা বুদ্ধিমান হবে সেটাই ভাবছি।
৪৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: শাশ্বতর বাবার অ্যাকাউন্টে দেয়া দোষের কিছু নয়। তাহলে তো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনভাবেই ধরা যায় না। কারণ এটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। আর ব্লগাররা নিজেদের উদ্দ্যোগে টাকা তুলেছেন। তাহলে এত কথা কেন বলা হলো এবং হচ্ছে?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: শ্বাশ্বত'র বাবার একাউন্টে কেন দেয়া হয়েছে, সেটা তুমি খুব ভালই জান। ত্যানা প‌্যাঁচাইয়া লাভ নাই।

৪৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪১
কালপুরুষ বলেছেন: উজ্জল, আর একটা কথা। তোমার স্যার কি প্রতারণা সংক্রান্ত কোন ক্লাশ নেন? এমন কোন পাঠ কি গণসংযোগ ও সাংবাদিকতার সিলেবাসে আছে? তবে আমার কিছু ক্লাশ করার শখ ছিল। প্রতারণার সংজ্ঞাটা জেনে নিতাম।
৪৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: কালপুরুষ বলেছেন: উজ্জল, আর একটা কথা। তোমার স্যার কি প্রতারণা সংক্রান্ত কোন ক্লাশ নেন? এমন কোন পাঠ কি গণসংযোগ ও সাংবাদিকতার সিলেবাসে আছে? তবে আমার কিছু ক্লাশ করার শখ ছিল। প্রতারণার সংজ্ঞাটা জেনে নিতাম।

.................................................

এটাতেই তো বোঝা যায় আপনার জ্ঞানের বহর কত টনটনে। আর ক্লাশ করার দরকার কি?
৪৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
কালপুরুষ বলেছেন: উজ্জল মিয়া, এতো কথা উঠতো না যদি সব টাকা তোলার পুরো ক্রেডিটটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা তোমার মামুন স্যার না নিত। তারা পরের ধনে পোদ্দারি করছিল সেটাই আমাদের আপত্তির বিষয় ছিল। তোমার আর তোমার স্যার কি চীজ সেইটা সবাই বুঝতেছে। এইবার থামলে ভাল হয়।
৫০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪
আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: আর আপনারা কার বা কাদের অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে এই কাজে এসেছিলেন? ভাগে কত পাইলেন? এটা অবশ্য আপনার স্বদলীয় একজনের তথ্য।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: তুমি তো আমাদের সাথেই ছিলা। তুমিও যা পাইছো বাকি সবাই তাই পাইছে।

৫১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
হটডগ বলেছেন: বুঝা গেল এই আবাল (গালি দিলাম) রাজশাহী বিশবিদ্যালয় নিয়া পড়া আছে। কে বাচুক আর মরুক সেটা বেপার না, রাজশাহী বিশবিদ্যালয়ে কেন টাকা জমা দেওয়া হয় নাই সেটা বেপার, রাজশাহি বিশবিদ্যালইয়ের মহান প্রভাষক মামুন স্যারের বাসায় কেন গেল না সেটাই বেপার। শাশতে বাবার কাছে টাকা দিলে রাজশাহী বিশবিদ্যালয়ের অপমান হয় যে আবাল বেকুব মনে করে, হের সাথে কতা কইলে মুক নস্ট হইবেক। মিয়া রাজশাহি বিশবিদ্যালয় আর মামুন স্যারটাই তো দুনিয়াটার সব না; আনুগত্য ভালো, কিন্তু সেটা যখন পোষা কুকুরের পর্যায়ে চলে যায়, সেটাই সমস্যা ক্রিয়েট করে। যে আবাল মনে করে শাসতর বাবা না, রাজশাহী বিশবিদ্যালয় কতৃপ ক্ষ ব্লগারদের চেকের প্রকৃত দাবীদার, হেরে আর কি কইতাম!
৫২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: ক্যামেরাম্যান সাহেব

আপনার লেখা, মন্তব্য , পালটা মন্তব্য আর এখানের বিতর্ক পড়ছিলাম, অনেক ভাবে চেষ্টা করলাম নোংরামিতে নিজেকে জড়াবো না, তবে জড়িয়ে ফেলতেই হলো। পরবর্তী কথাগুলো পছন্দ না হলেও কিছু বলবার নেই আমার।

শাহবাগের মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত ছিলো প্রেস কনফারেন্সে সবাই যাবে তবে তারা কেউই কোনো সংস্থা বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করবে না, বিকল্প সিদ্ধান্ত ছিলো কেউ যদি ব্যক্তগত ভাবে মনে করে সে এই ইন্টেলেকচ্যুয়াল মকারি দেখতে যায় তবে সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। অন্তত তার প্রতি অনুরোধ থাকবে সে যেনো প্রতিনিধিত্বশীল কোনো মন্তব্য না করে।

বিবেচনা হলো একজন যদি নিজে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে সে একটা কাজ করবে, সেটা না করতে দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা আছে? মেসবাহ য়াযাদ যদি মামুন সাহেবের সাথে দেখা করে সেটা করতে পারার অধিকার তার নেই? অন্তত এজন্য তাকে দালাল উপাধি দিতে হবে কেনো? প্রাপ্ত বয়স্ক একজন মানুষের পৃথিবীর যেকোনো মানুষের সাথে যোগাযোগ এবং সম্পর্ক স্থাপনের পূর্ণ অধিকার আছে, সেইটুকু স্বাধীনতা সে রাখে।

ব্লগের সম্মান এতে ভূলুণ্ঠিত হওয়ার কারণ কি?

টুটুল যদি এতে য়াযাদের সাথে সঙ্গী হিসেবে যায়, সেটাও তার নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। এ জন্য তাকে নির্লজ্জ বলবার কারণ বুঝলাম না।

আমরা যুথবদ্ধতার নামে নিজেদের গণ্ডীকে সীমিত করে ফেলছি প্রতিনিয়ত। কার সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে এবং কার সাথে রাখা যাবে না- কে কোথায় যাবে এবং কে কোথায় যাবে না- এইসব ব্যক্তি মানুষ নিজেই নির্ণয় করে নিক না, সমস্যা কোথায়? আমাদের কেনো খবরদারি করতে হবে?

এখন আপনি যদি নিজেই নির্ধারণ করে দেন কার কার সাথে সম্পর্ক রাখাটা উচিত এবং কার সাথে রাখা উচিত না, সেটা কি আপনার অধিকারের পর্যায়ে পড়ে? আপনি কোন ক্ষমতায় এটা নির্ধারণ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন?

অনেকেই অনুরোধ করেছে অন্তত অহেতুক বিশেষণ মুছে ফেলবার জন্য। আপনার ব্যক্তিগত অভিমানটুকু নিজের কাছে রেখে নিজের ভাবনাকে নিজের কাছে রেখে দেওয়াই উপযুক্ত ছিলো। যদিও আপনার ব্যক্তিগত অনুভব প্রকাশের অধিকার আপনার আছে, তাই আপনি আপনার ব্লগে কাকে কি বলে অভিহিত করবেন, কার সাথে গলা জড়াজড়ি করে নাচবেন আর কার পুঙ্গির বালে আগুন লাগাবেন এটা আমি বলে দিবো না।

তবে আমার মনে হয় অন্তত তাদের ব্যক্তিগত মতামতের অধিকার আপনি হরণ করছেন- এবং এমন গোয়ার্তুমি করছেন যা আপনার পক্ষে অশোভন।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: আমি আপনার মতো লেখক নই। কতটুকু বুঝাতে পারবো জানি না, তবে চেষ্টা করছি।
য়াজাদ বা যে কেউ কার সাথে দেখা করবে সেটা তার নিজষ্ব ব্যাপার অবশ্যই। আবার সে দেখা করেছে বলেই আমাকেও তার সাথে যেতে হবে বা তাকে সাপোর্ট করতে হবে তাও কিন্তু না। য়াজাদ যদি আমাদের বলতো মামুন এর সাথে ফোনে তার বিস্তর কথা হয়েছে, তাই সে দেখা করতে যাবে - কোন সমস্যা হতো না। কিংবা আমাদের না জানিয়েই দেখা করলো এবং আমি সেটা জানলাম ৩য় পক্ষ মারফত কিংবা ধরেন ব্লগ পড়েই - কি হতো ? হয়তো মনে কষ্ট পেতাম বা য়াজাদকে ফোন করেই বলতাম - মিয়া এটা করতে পারলেন।

কিন্তু য়াজাদ কি করেছিল ? সে যাবে কি যাবে না সে সম্পর্কে মতামত চাইছিলো আমাদের। অধিকাংশ যখন নেগেটিভ মতামত দিল সে গোয়ারের মতো বললো সে যাবেই। তাহলে "বিচার মানি কিন্তু তালগাছটা আমার" এই মনোভাব থাকলে মতামত চাওয়া কেন ? এটার কি কোন ব্যাখ্যা সে দিতে পারবে ?

বিশেষণ সবার অনূরোধে আগেই মুছতে চেয়েছিলাম, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে দেরী হয়ে গেল। দায়ভার আমার।

আরেকটা কথা। আমি কিন্তু খুব শিক্ষিত পলিশড লোক না। পেটের দায়ে যে এলাকায় যাই সেখানকার লোকজন কথা বলতে গেলে আগে একটা, পিছনে একটা আর মাঝখানে একটা গালি দেয়। আর সেটা তাদের কাছে গালি না, কথার অলংকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যদি ইগো ছাড়তে না পারেন, আমাকে দোষ দিয়ে লাভ নাই।

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

৫৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: উজ্জল আঃমামুন কি কোনো নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখছেন? টু বি ডান লিস্টে অনেক কিছুই আছে দেখলাম- তবে উদ্যোগটাতে প্রাণের ছোঁয়া নেই।
অপেশাদারিত্বের ছাপ সর্বাঙ্গে।

যা করা উচিত এবং যা করা অনুচিত এসব নিজে দার্শনিক সমস্যাক্রান্ত একজন মানুষের নেতৃত্বে তোমরা একটা কাজ শুরু করেছো। তোমাদের অনাবিল বিশ্বাস সেই মানুষটাকর উপরে তোমাদের নির্ভরতা সবটুকুর প্রতি সম্মান রেখেই বলছি আঃমামুন একটা আবাল।

সে হয়তো অন্য কোনো কাজের জন্য যোগ্য ব্যক্তি তবে এই কাজ তাকে যতবার দেওয়া হবে যাদের জন্য দেওয়া হবে, প্রতিবার অন্তত নিয়তিবাদী হয়ে দুই হাত তুলে মোনাজাতে বসতে হবে। যদি কখনও প্লানিং পর্যায় থেকে একটিভ একশন পর্যায়ে ফান্ড কালেকশনের উদ্যোগটা শুরু হয়।

তার নির্মমতায় আমি বিস্মিত। ক্লাশে আমি কি পড়াবো, কোন কথা বললে ছাত্র কি প্রতিক্রিয়া দেখাবে এইসব নিয়ে আলোচনা করা যায়, শিক্ষক নিজের পাঠপ্রক্রিয়াকে সফল করতে অনেক রকম পরিকল্পনা গ্রহন করেন, তবে এটা নিয়ে এহেন নাটকীয়তা, একটা স্লাইড শো, একটা আবেগঘন বক্তৃতা, একটু করতালি আর একটু চোখের পানি মোছার অভিনয় করতে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হয়।

আঃমামুন মূলত একজন ভণ্ড মানবতাবাদী শিক্ষকের ভুমিকা গ্রহন করেছেন। তার জন্য করুণা রইলো। আর শ্বাশতের জীবনিশক্তির প্রতি শ্রদ্ধা। যার বাঁচবার এতটা তাগিদ সে নিজের চেষ্টায় বেঁচে উঠতে পারবে হয়তো আমাদের সহায়তা পেলে তবে আঃমামুনীয় প্রক্রিয়ায় যদি তার জীবন বাঁচানোর সহযোগিতার উদ্যোগ নিতে হয় তবে আমাদের অসীম সময় পর্যন্ত প্রার্থনা করতে হবে- শ্বাশত সে সময় পর্যন্ত বেঁচে থাক যত দিনে মামুন সাহেব একটা মোটামুটি ফান্ড সংগ্রহ করতে পারে- এই প্রার্থনাটাও নাস্তিক হয়েও আমাকে করতে হয়। করতে হচ্ছে।
৫৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১২
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আপনারা পারেন বটে। জীবনে অনেক ধরণের সংগঠন করেছি, উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু এমনটা দেখি নি।

প্রেস কনফারেন্সে না যাওয়াটা ঠিক আছে। ব্যক্তিগত যোগাযোগটাকে বড় করে দেখে যে ভাষা ব্যবহার করলেন সেটা আপত্তিকর তো বটেই।

আবারো বলছি আপনারা পারেন।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: মাসুম ভাই, আমি যদি আপনাকে বলি আপনার লাগলো কেন তাহলে আপনি কি বলবেন ? অনেক উত্তর হতে পারে। আপনার হয়ে একটা উত্তর আমিই দেই। আপত্তি থাকলে জানাবেন।

আপনার লাগছে কারণ আপনিও এটার একটা অংশ ছিলেন।

বাইরের কোন লোক না, ভিতরেরই একজন - যার সাথে কদিন আগেই কাধে কাধ মিলিয়ে বসুন্ধরায় দাড়ালাম, সেই যদি মকারি করতে চায় তখন কি করবো বলেন। য়াজাদ দেখা করতেই পারে মামুনের সাথে। কিন্তু দেখা করতে যাওয়া নিয়ে মকারী করাটা আমার পছন্দ হয় নাই। আর টুটুলের কথা আগেই বলেছি, ছেলে ভাল, তবে এইসব কাজে যে শক্ত মানসিকতা আর কোঅর্ডিনেশন স্কিল দরকার সেটা তার একেবারেই নাই। ফোনে বহুবার তাকে এবিষয়টা নিয়ে বলেছি। লাভ হয় নাই কোন। কেমন জানি একটা গাছাড়া ভাব দেখায়।

.... কিংবা হয়তো আমারই নিচু মানসিকতা।

ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

৫৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: হুমমম...ঘটনাগুলো যেভাবে প‌্যাঁচ খেয়ে গেল, তা দু:খজনক । অধিক সন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট ।

কে কার সাথে দেখা করবে এসব তার ব্যাপার অবশ্য, তবে প্রচন্ড কৌতুহল হচ্ছে, এতো ভোটাভুটি, গাছতলায় আলোচনা , এতো মানঅভিমানের জন্ম দিয়ে "জনাব মামুন" এর সাথে দেখা করতে চাওয়ার হেতু কি হতে পারে ?? দেখা করাতে আপত্তি নেই , শুধু হেতুটা জানতেই এই কথাগুলো বললাম, যদি না একান্তই ব্যক্তিগত হয়ে থাকে কারো... যদি শ্বাশত বিষয়ে মহৎ কোন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থেকে থাকে যদি সম্ভব হয় এই সাক্ষাতের কোন সারসংক্ষেপ আশা করব কখনও ব্লগে ।


১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: "অধিক সন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট"
টুটুল সাহেবকে এই কথাটাই বুঝাতে পারি নাই।

দেখা করাটা কার্টসিই মনে করেন। কিন্তু দেখা করা নিয়ে মতামত আহ্বান, মতামত বিপক্ষে যাওয়ার পর গোয়াড়ের মতো যাবোই ঘোষণা দেয়া, তারপর কাউকে কিছু না বলেই চলে যাওয়া - এঘুলো আসলে ভাল লাগে নাই একদমই।

৫৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
নাঈম বলেছেন: খুবই দুঃখজনক একটি ঘটনা
৫৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
মুহিব বলেছেন: এডিটের জন্য ধন্যবাদ। তবে মামুন স্যারের কোন দোষ দেখি না। বর্ষপূর্তি ৩ কবে পড়ব?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: ".... মামুন স্যারের কোন দোষ দেখি না।"
আপনি যদি কেবল আমাদের রাজশাহী সফর বিবেচনা করে কথাটা বলে থাকেন, তাহলে কথাটা ঠিক আছে।

আমি কিন্তু কেবল রাজশাহী সফর নিয়ে ভাবতে পারি না, আমাকে ভাবতে হবে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত।

৫৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আচ্ছা এই মামুন আবালগং এই পর্যন্ত কত টাকা কলেকশন করতে পারছে?
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: আমার দেশ পত্রিকায় দেখলাম ৭ লক্ষ টাকা
আর সামহোয়্যারইন ব্লগ আর আমার ব্লগ মিলে তুলেছে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।
মোট ১২ লক্ষ টাকা।

৫৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭
ফাহমিদুল হক বলেছেন: দু'জনের কারণে এই মহৎ অর্জন হারাবে না বলেই মনে করি।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬০. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯
জামাল ভাস্কর বলেছেন: শ্বাশত সত্যের চিকিৎসার্থে তহবিল সংগ্রহের ব্লগীয় প্রচেষ্টা দেইখা বেশ ভালো লাগতেছিলো, কিন্তু একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের ইগোসেন্ট্রিক আচরন থেইকা ব্যাপারটা আর ভালো লাগনের মধ্য সীমাবদ্ধ থাকলো না...তার ইন্টেলেকচ্যুয়াল মকারিটা ভালোই কৌতুকপূর্ণ হইতেছিলো...তার লগে আরো একজন ব্লগার তার জোকারির প্রতিভা দেখাইতে পাল্লা লাগাইলেন...আর সেইসাথে যুক্ত হইলেন আরো অনেকে...মাঝখান দিয়া যেই ছেলেটারে এই অ্যাক্টিভিশনের শুরুর আহ্বানটা জানাইতে দেখছিলাম তারে দেখলাম কিরম বিব্রত হইলো, কিরম অস্থিরতায় আচ্ছন্ন হইলো!

একটা সহযোগিতামূলক আয়োজন যে কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ইগোসেন্ট্রিক মানুষের লেইগা তার গুরুত্ব হারাইতে পারে সেইটার নজীরও আমাগো সামনে আসনের সম্ভাবনা দেখতে পাই...

শ্বাশত সত্য'তো কেবল একটা নাম আমাগো কাছে...আসল উপলক্ষ্য'তো মানবতার মুক্তি...প্রাপ্তিরে জীবনের পথ দেখাইয়া যার শুরু এই ব্লগার সমাজে...

সবশেষে প্রত্যুৎপন্নমতিত্বরে আমার স্যালুট জানাই এইরম একটা আয়োজনের পুরোধা হওনের জন্য...আমাদের আসলে প্রয়োজন ভালো মানুষের, যারা ডাকলে সচেতন মানুষের সাথে অনেক জোকাররাও নামবো পথে...
৬১. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
কৌশিক বলেছেন: সেটাই, নিজেকে অপরিহার্য মনে করলেই বিপদ।
৬২. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০২
রফিকুল ইসলাম ফারুকী১১ বলেছেন: ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমার মনে হয় ব্যাপারটা শুধুই ভুল বোঝাবুঝি। সবাই মিলে বসে আলোচনা করলেই ব্যাপারটার একটা ফয়সালা হয়ে যাবে।
৬৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:০৩
মুকুল বলেছেন: জামাল ভাস্করের সাথে একমত।
৬৪. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২০
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: সুন্দর পোস্ট
ধন্যবাদ আপনাকে

ভাল লাগলো

ভাল থাকুন
৬৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩৯
ব্রাইট বলেছেন: "ক্যামেরাম্যান এবং কালপুরুষ দাকে একটা প্রশ্ন করি: ব্লগারদের উদ্যেগে টাকা তুলেছিলাম শাশ্বতর চিকিৎসা সহায়তার জন্য। আপনারা কোন অধিকারে এই চেক অরুন সত্যর নামে দিলেন? হাক না তিনি শাশ্বত'র বাবা! এটা কি টাকা দেওয়া অসংখ্য মানুষের সাথে প্রতারণা হয় নি?"


--------------------------------
ঠিক, প্রতারনা হইছে। চেকটা মামুনের নামে দিলে বোধহয় ঠিক হইতো।
৬৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৫৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: টাকার অংক, ঢাকায় তোলা টাকা মিলিয়ে ৭ লক্ষই, তবে হাতে আছে ৫ লক্ষ ৯০ হাজারের মতো, আর ১ লক্ষ প্রতিশ্রুত।

ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যানকে সবার অনুরোধ বিবেচনা করবার জন্য।
৬৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:০৯
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: আপনাদের কাজ কারবার দেখে লজ্জা লাগতেছে ।
৭০. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১৮
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
বিষয়টা অনেক দেরীতে জানলাম । ঠিক কি মন্তব্য করবো বুঝতে পারছি না ।

তবে আমি শংকিত !

এরপরে আর কোন প্রাপ্তি বা শাশ্বতের জন্য কেউ এইভাবে এগিয়ে আসবে না । যে দু'জন মানুষের বিরুদ্ধে আপনার ক্ষোভ , তাদের অবদান , নিষ্ঠা , ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে কষ্ট করা সে তো আপনাদের চোখেই দেখা , সাথেই তো ছিলেন। তবে কেন সামান্য কারণে তা ধূলোয় মিশিয়ে দিচ্ছেন ? নিজেরা আলোচনা করেও তো বিবাদ টা মেটানো যাইতো ।

সত্যিই খুব বেশী দুঃখজনক !
৭১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৫
সাইফুর বলেছেন: থুবই দু:খজনক
কিছু বলার ভাষা নাই
তবে ব্যাপারটা ব্লগে না আনলেই ভালো হতো..
আর এখানে একটা বড় ভুলবোঝাবুঝি হচ্ছে হয়ত...

আপনারা সবাই এতদিন এত কষ্ট করলেন...
এত অল্পতেই কেনো..একে অপরকে ভুল বুঝলেন?
ব্যাপারটা খুবই খারাপ লাগলো...

সব ভুলবোঝাবুঝির অবসান হোক
সবাই আবার একত্রে এরকম কোন কাজে একত্রিত হতে যেন পারি...

৭২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭
আসিফ আহমেদ বলেছেন: আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনারা একটু বসলেই এই ভুল বোঝাবুঝি মিটে যাবে। আমার কাছে আপনারা সবাই এই যুদ্ধের একেকজন বীর যোদ্ধা। আপনাদের সবার জন্য শুভকামনা।
৭৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০৫
লুলুপাগলা বলেছেন: ব্লগে ঝগড়া করে অসংখ্য দিনরাত পারকরা যাবে, সমস্যা তাতে আরো জটিলতাই পাবে। আমার মতামত হলো শাশ্বত ক্যাম্পেইনে যারা জড়িত ছিলেন তাদের জরুরী ভিত্তিতে একবার বসা প্রয়োজন। একসাথে বসলে হয়তো ক্ষোভগুলি প্রশমন হতো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৪১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছবিওয়ালা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ