আমার প্রিয় পোস্ট

রবীন্দ্র সরোবরের সেই আড্ডাটা ......

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

শেয়ারঃ
0 0 0

আমি আড্ডায় যাচ্ছি বলে একটা পোষ্ট দিয়েই বের হলাম বাসা থেকে। রাজলক্ষীর কাছে যেতেই ফোন। ১৩ নাম্বার সেক্টর থেকে নতুন এক ব্লগারের ফোন। আমি রাজলক্ষীতে চলে এসেছি শুনে বললেন আপনি যান, আমি আসছি একটু পরে। বাসে যাব নাকি অন্য কিছুতে চিন্তা করছি এমন সময় আবার ফোন। ধরতেই ওপাশ থেকে প্রশ্ন ভেসে আসলো আপনারা কখন আসবেন। আমি আমার রওনা হবার খবর দিয়ে বললাম যে আমি ৫ টার মধ্যেই পৌছে যাব, তিনি যেন সাড়ে ৫ টার মধ্যেই চলে আসেন। আমাকে অবাক করে দিয়ে তিনি বললেন তিনি রবীন্দ্র সরোবরেই আছেন। মোবাইলের ঘড়িতে তখন সোয়া ৩ টার মতো বাজে। অপেক্ষা করতে বলে আমি আমি সিএনজি নিলাম একটা। কলাবাগানের কাছে আসতেই নামলো তুমুল বৃষ্টি। রবীন্দ্র সরোবরের কাছে এসে সমস্যায় পড়লাম কোথায় নামবো এই নিয়ে। শেষে সিএনজি ড্রাইভারই বুদ্ধি করে অন্য পাশে একটা বন্ধ দোকানের সামনে নামিয়ে দিল। ঘড়িতে তখন ৪:১০ বাজে। অপেক্ষারত ব্লগার'কে ফোন দিলাম, দেখি ধরে না। মনসুরকে ফোন দিলাম, সে অন দ্য ওয়ে। রাতমজুর অন দ্য ওয়ে। এরমধ্যে আরো কয়েকটা ফোন পেলাম। সবার এক প্রশ্ন আড্ডাতো তাহলে হচ্ছেনা। আমি জানালাম আমি স্পটে আছি, আরো ৫/৬ জন অন দ্য ওয়ে (আসলে ২ জন)। বৃষ্টি দেখতে দেখতে ঠ্যাং ব্যাথা হয়ে গেল, বৃষ্টি থামার লক্ষণ নেই। মনে মনে শাপশাপান্ত করতেছি পানি জম্য রবীন্দ্র সরোবরের ছবি দেয়া এক ব্লগারকে। এই লোকের জন্যই এই দূরবস্থা।


আরিয়ানা আর শ্রাবণসন্ধ্যা, মাঝে জাফনা

একসময় দয়া করে বৃষ্টিটা থামলো। আমি আস্তে ধীরে ভিতরে গেলাম। গিয়েই আবার সেই অপেক্ষারত ব্লগারকে ফোন করলাম। এইবার ফোন ধরলেন এবং বললেন যে তিনি বাসে উঠে পড়েছেন, ফেরত চলে যাচ্ছেন। কি আর করা। আমার কেন জানি মনে হলো এটা মোতাব্বির কাগু। বদরুন্নেসা মহিলা কলেজে পরীক্ষা দিয়ে মনে হয় চলে এসেছিলেন আড্ডা দিতে।

প্রথমে আসলেন মনসুর। এরপর মিল্টন ভাই আর মূখ ও মূখোশ। এরপর বৃত্তবন্দী, আড্ডা না দিলে যার পেটের ভাত হজম হয়না। এরপর রাতমজুর আর শামিম। এরপর মনে হয় ব্লগারদের ঢল নামলো। আর এমনই ঢল যে আমার আর মনে রাখা সম্ভব হচ্ছিলো না কোনটা কে। আর ফোন তো বাজছিলো অনবরত, আপনারা কই। কালপুরুষ আসলেন আরিয়ানা আর শ্রাবণসন্ধ্যাকে নিয়ে, সাথে জাফনা। জাফনার ছবি দেখে কেন জানি মনে হয়েছিল শ্রাবণসন্ধ্যা ক্ষীনাঙ্গি আর খিটমিটে মহিলা, দেখা গেল উনি তার পূরো বিপরীত।

ব্লগারদের একাংশ

এক চাচা হাড়িতে করে কুলফি আইসক্রিম নিয়ে এসেছিলেন। আরিয়ানা অর্ডার দিচ্ছে দেখে দাদা বললেন নোংরা কিন্তু। আরিয়ানা হেসে উত্তর দিলো পঁচা জিনিস খেতে বেশী মজা। চাচা দেখলাম পলিথিন ছিড়ে কুলফি বের করে কলার পাতায় নিলেন, এরপর ছুড়ি দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে টুকরা করলেন। এবার খাওয়ার পালা। ওমা !!! পঁচা জিনিস খাওয়ার ব্যাপারে দেখি কেউ পিছপা না। শেষে আমিও নিলাম এক টুকরা মূখে। সুপার্ব !!! তবে দাম একটু বেশী, ২০ টাকা।

এরপর সবাই মিলে বসলাম সিড়ির মতো অংশে। আড্ডা কিন্তু চলছে সেই শুরু থেকেই। এবার চাঁদাবাজি। শামিম আর রাতমজুর মিলে তুলে ফেললো ৪২০০ টাকা। আমার কেন জানি মনে হলো সবাই টাকা দেয় নাই। মনসুরকে আস্তে করে বললাম মাথা গুনে ফেলতে। গুনে বললো ৫০+। এরমধ্যে চাঁদা দিয়ে কয়েকজন চলেও গেছে। শেষে শামিম, দন্ডিত পূরুষ আর আরো দূজন ব্লগার গেলেন সেই ৪২০০ টাকা নিয়েই খাবার আনতে।

আরো কিছু ব্লগার

দূর্ভাষী দেখি একহাতে ফোন ধরে আরেক হাত তুলে কাকে জানি ডাকছে। জিজ্ঞাসা করতেই বললো গোবলা। আমি মনে মনে একটা হাসি দিলাম। ওর কাছিমটা লেকের পানিতে কেমন সাঁতরায় সেটা টেষ্ট করতে হবে ঠিক করলাম। কিন্তু ছেমড়ি মহা চালাক, কাছিমটা রেখে এসেছে। ২ দিন আগে নাকি আরেকবার হারিয়েছিলো কাছিমটা, তাই আনতে নাকি সাহস পায় নাই। বলার সময় আবার দেখি মিটমিট করে হাসতেছে। বুঝলাম অরিজিনাল গোয়েবলসের সাথর্ক বাংলাদেশী সংস্করণ।

আড্ডারত ব্লগাদের দেখছেন দর্শকরা

এরমধ্যে টিপটিপ করে আবার বৃষ্টি শুরু হলো। আমরা সবাই আশ্রয় নিলাম গাছের নিচে। বৃষ্টি মাথায় করেই সবাই তুমুল আড্ডা দিচ্ছে। এক-আধ জন করে ব্লগাররা আসছেন তখনও। সুনীল সমূদ্র'দা বললেন ছোট একটা পরিচিতি হয়ে যাক। সবাইকে গোল করে দাঁড় করিয়ে দু'একটা কথা বলে সুনীল'দাকেই দাড় করিয়ে দিলাম, কারণ এই কাজে উনি পটু। আলো বেশ কমে এসেছে। এদিকে আমি আবার চোখে দেখি কম, রাত্রে তো সমস্যা হয়ই। আমি খালি মানুষের অবয়ব দেখছিলাম, চেহারা বুঝতেছিলাম না। কিঞ্চিত মোটামতো এক মহিলা হাতে ছাতা নিয়ে জটলার বাইরে দাড়িয়ে একটু ইতস্তত করতেছেন। আমি মনে করলাম ওয়াকওয়ে ধরে উনি হয়তো ওপাশে যেতে চাইছেন। আমি এগিয়ে গিয়ে সেটাই জানতে চাইলাম। উত্তরে উনি বললেন শুনতেছি কি বলে। আর ঠিক তখনই কে যেন বলে উঠলো আরে আইরিন যে। আ মর জ্বালা !!! এতোদিন জেনে আসলাম বিয়ের পর সবাই একটু মুটায়, এতো দেখি বিয়ে ঠিক হওয়ার খবরেই মুটিয়ে গেল। কতক্ষণ পর দেখলাম শফিকুল ভাই এর মেয়ে জাইমাকে এক হাতে কোলে নিয়ে আরেক হাতে ছাতা ধরে দাড়িয়ে আছে আইরিন। অদূর ভবিষ্যতের আগাম প্র্যাকটিস।

এই সেই ছাতা হাতে কিঞ্চিত মোটা মহিলা (ছবি শরৎ)

অবশেষে খাবার এলো। একটা করে নান আর শিক কাবাব। আর একটা করে মোজো। শেষের দিকে আরো অনেক ব্লগার আসায় খাবার একটু কম পড়েছিল। কালপুরুষ আর মনসুর একেবারেই খায় নাই। শামিম সহ আরো কয়েকজন শেয়ার করে খেয়েছে। আর কেউ বাদ গেছেন কিনা জানিনা। তবে ভবিষ্যতে কোন আড্ডা হলে এই খাওয়া-দাওয়া পবর্টি বাদ থাকবে।

আড্ডার জন্য শুরুতেই ধন্যবাদ দিতে হয় মনসুর আর রাতমজুরকে। এরপর শামিম, দন্ডিত পূরুষ এবং আরো দু'জন ব্লগার যাদের নাম আমি ভুলে গেছি, যারা আড্ডার মজা উপেক্ষা করে খাবার এরেঞ্জমেন্ট করেছেন এবং নিজেরা না খেয়ে অন্যদের খাইয়েছেন।

আর যারা বৃষ্টি উপেক্ষা করে এসেছিলেন এই আড্ডাকে প্রাণবন্ত করতে তাদেরকে শুধূই বলি - ধন্যবাদ

-------------------------------------------------------------------------------
"অত:পর একজন ব্যক্তির প্রতি আমার মনোযোগ আকর্ষিত হইল, তিনি সকল বক্ত্যব্যের শুরুতেই হ্যান্ডসআপ ভঙ্গিমা দিয়া শুরু করেন, আমার মনে হইল বলক একটি দু:সাহসিক কাজও বটে। তা না হইলে উদ্র্ধহস্ত ভঙ্গিমা হইবে কেন? নিশ্চয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে একটি নিবিড় যোগাযোগ ইহার রহিয়াছে।"

ছাত্র তো পূরাই ল্যাবেনডিশ, আবার বলক করা শিখতে চায়। ওহে ছবির ব্যক্তিটি অনমনস্ক শরৎ এর ভূড়ি ক্যামনে বলক করতে হইবেক সেইটা শিখাইতেছেন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আড্ডা ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ভাইজান কালদা আর জেমস ব্যানানার লগে আমিও আছিলাম:)
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: সরি ভাই।

২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:

পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান ভাই।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: সুনীল'দা আপনাকে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬
চতুষ্কোণ বলেছেন: আড্ডার ছবি দেখে ভালো লাগ.

ধন্যবাদ।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ...

৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
ইরোর বলেছেন: ক্যামেরা ম্যান ভাই উত্তরা কোথায় থাকেন? আমি সেক্টর ৭, রোড ১৮।

আমার খুব ইচ্ছে এমন আড্ডায় যাওয়ার কিন্তু আমি মানুষের সাথে খুব ভাল মিশতে পারিনা, তাই যাওয়া হয়না।

উত্তরাতে কি কোন আড্ডার আয়ওজন করা যায় না?
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: আমি আছি সেক্টর ১৪, রোড ১৩ তে। উত্তরায় আরো কয়েকজন ব্লগার বাড়লে চিন্তা করা যেতে পারে। আর আনঅফিসিয়াল আডডা তো যখন তখনই হতে পারে।

৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
মিলটন বলেছেন: একটি সুন্দর আড্ডা হওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। আপনারা চাঁদা দিলেন অথচ পরে আর থাকলেন না।

৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ.. ভাল থাকবেন..:)
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ...

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...

৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার আড্ডার পোস্ট। বর্ণনা ও উপস্থাপন ভাল লাগলো।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা ...

৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
জানপরী বলেছেন: আড্ডার শেষ ফটো। নীল বৃত্তের মধ্যে গ্রুপ ফটোর ফটোগ্রাফার।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনারেকেও ...

১১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: ইস পরবাসে বলে মিস করলাম।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: দেশে আসলে খবর দিয়েন ...

১২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২
মুহিব বলেছেন: আহারে....মিস করলাম। পরেরবার আর মিস হবে না ইনশাল্লাহ।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: বেটার নেক্সট টাইম ...

১৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: যেতে যেতে যেতে পারলাম না।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে আসলাম। আশা করি এরপর কোন একদিন হঠাৎ করেই আলাপ পরিচয় হয়ে যাবে এই শহরের কোন এক প্রান্তে।

১৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনার ম্যাসেজের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু যথারীতি মিস করলাম। সময় বের করতে পারলাম না।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে আশা করেছিলাম।

১৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
ডট কম ০০৯ বলেছেন: আমি ভাল
বাড়িত বইসা আরামে চা খাইছি আর বৃষ্টি দেখছি।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: :)

১৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
কাব্য বলেছেন:
বৃষ্টিতে ভিজ্জা আমার ঠান্ডা লাইগ্যা গেছে :(
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: এইটার সমাধান হইলো লেকের পানিতে গলা পর্যন্ত ঘন্টা তিনেক ডুইব্যা থাকা।

১৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
অপ্‌সরা বলেছেন: বাহ বাহ ক্যামেরাম্যান ভাইয়ার ক্যামেরার ছবিগুলো খুবই সুন্দর হয়েছে!!!
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। একটু কষ্ট করে আসা গেল না আড্ডাতে ?

১৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
চোরকাঁটা বলেছেন: আমার ফটুক আসে নাই :(
তয় আপনে আড্ডাবাজ মানুষ, ইডা টের পাইছি ;)
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: আড্ডাবাজ মানুষ !!! আসলেই, আড্ডা দিতে গিয়া আর এতো এতো ব্লগার দেইখা ভূইলাই গেছিলাম চোরকাটারে ধরতে হবে ...

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: :)

২০. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
আরিয়ানা বলেছেন: চমৎকার আড্ডা চিত্র !!!!
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: :)

২১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫১
শফিকুল বলেছেন:
আমার ছবিটা সুন্দর হইছে।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: :)

২২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: নেক্সট টাইম, আড্ডায় চান্দাবাজী করে খাওয়া বন্ধ :)
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: কি আর করা ...

২৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩
পুরাতন বলেছেন: জটিল হইছে ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: শেষ ছবির সেই দুই হাত তুলে বলককারী হতভাগাটা আমি !!!

২৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৮
শ।মসীর বলেছেন: আমিও কিন্তু খাইনাই, শামীম ভাইর হাতে প্যাকেট দিয়া দিছি ;)

আড্ডা জটিল হইছে, খাওয়ার পর্ব বাদ দেয়া ঠিক হবেনা মনে হয় ভাইয়া, খাওয়ার চেয়ে খাওয়া নিয়া খোচখুচিটাই অনেক মজার :)
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৪২

লেখক বলেছেন: সেটা ঠিক, খাওয়াটা হয়তো আড্ডার ক্ষেত্রে গৌণ। কিন্তু বড় কোন ঘাপলা হলে মানসম্মান বাঁচানোটা কিন্তু কঠিন হয়ে যাবে।

২৬. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৮
দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন: আড্ডার চিত্র আপনার বর্ণনায় চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। উদ্যোক্তা হিসেবে আপনি সবসময়ই সফল।

পরবর্তী আড্ডাতে খাওয়ার পর্ব বাদ দিতে চাচ্ছেন কেন দাদা? খাওয়া ছাড়া কি আড্ডা জমে? অন্তত হালকা কিছুতো থাকা চাই। আর প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়ে ব্লগাররা সিরিয়াস না। সো ডোন্ট ওরি।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে আসল কথা হলো আমি কিন্তু নিজে কিছু করি না। যেটা করি সেটাকে বড়জোর সমন্বয় করা বলা যেতে পারে। আর আপনাদের মতো চমৎকার কিছু ব্লগার থাকায় আমার কাজটা পানির মতো সোজা হয়ে যায়।

খাবার ছাড়া খালি খালি লাগে এটাও ঠিক। তবে এই আড্ডাতে যদি আরো কয়েকজন খাবার না পেতো (সেটা হতো যদি ৪/৫ জন চলে না যেতো) ? সমালোচনার ক্ষেত্রে আমরা সবাই বড় নির্মম।

২৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
অপটিমাস প্রাইম বলেছেন: আমি গেছিলাম সরোবরে (প্রায় প্রতিদিনই হাটতে যাই)। আপনাগোও দেখছিলাম, কিন্তুক ভয়ে কাছে যাই নাই।
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: ভাই আমরা তো খূব নিরীহ ...

২৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
সেলিনা শিরীন শিকদার বলেছেন: আপনাদের আড্ডাটি নিয়মিত হোক। সকলের প্রতি শুভেচ্ছা রইলো। :)
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আর আপনিও তাতে যোগদান করবেন সে আশাই করছি ...

২৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
রথে চেপে এলাম বলেছেন: আমি আশে পাশেই ছিলাম। যাব কি যাব না ভাবতে ভাবতে চলেই গেলাম :)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: আসার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ...

৩০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
মন মানে না বলেছেন: আমার ছবি ২ টা :D :) :P আসছে ।

ধন্যবাদ ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম ...

৩১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: এই পোষ্টটা দেখি নি!

আমাকে আপনি বলছিলেন, নাকি অন্য কেউ.......জাফনাকে দেখে নাকি মনে হত আমি আরেকটু শুকনা পাতলা হব। আমি বলেছিলাম, রান্না যা হয়, জাফনা না খেলে তো আমাকেই খেতে হয় তাই এ অবস্থা। :) ভাইয়া আমাকে আপনার খিটখিটেও মনে হোত!

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: রোজার ইফতার আড্ডায় শান্তির দেবদূত এক একজন ব্লগারের সাথে পরিচিত হচ্ছিলেন আর বলছিলেন ধারণার সাথে মিলছে না। উনি ধারণা করে রেখেছিলেন অমুক ব্লগার দেখতে এইরকম হবে হয়তো। কিন্তু দেখা গেলো সেই ব্লগার তার ধারেকাছেও নেই। আমার ধারণাটাও অনেকটা সেরকমই।

আর হালকা-পাতলা মহিলারা একটু খিটমিটে হন বলেই জানি। আর স্বাস্থ্যবতীরা হাসি-খূশী।

আশা করি রাগ করেন নাই।

৩২. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪০
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: সত্যিই ভাল লাগল আপনার লেখাটি পড়ে এবং ছবিগুলো দেখে । আমি সত্যি সত্যি মিস করলাম আড্ডাটা। পরের বার কিন্তু আমাকে বাদ দিতে পারবেন না। খবর দিয়েন।
ধন্যবাদ
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: প্রোফাইলে আমার ইমেইল এড্রেস দেয়া আছে। একটা ইমেইল করলে খবর পাবেন যথা সময়ে। আর ব্লগে তো জানানো হয়-ই ...

৩৩. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: আবার কবে আড্ডা দিবেন আপনারা........???
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: হয়তো কোরবানির পর ...

৩৪. ২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:১৩
আই আনাম বলেছেন: আমারও একখান ফডু আছে দেখতাছি :)
২৫ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: এতোদিনে আবিস্কার করলেন !!!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছবিওয়ালা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ