আমার প্রিয় পোস্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দালাল শিক্ষক

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

শেয়ারঃ
0 7 0

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর রচিত হয় ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্যতম অধ্যায়টি। পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাক হানাদার বাহিনী আর তাদের দোসর রাজাকার আলবদর বাহিনী এদেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে নির্মমভাবে। পিছনে থেকে এদেরকে সহায়তা প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক নামধারী দালাল। স্বাধীনতার পর এদেরকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পট পরিবর্তনের পর এদের অনেকেই আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পূনর্বাসিত হন।

১. বেগম আখতার ইমাম, প্রভোষ্ট, রোকেয়া হল
২. ড. কাজী দীন মুহম্মদ, বাংলা বিভাগ*
৩. ড. মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, আরবি বিভাগ
৪. ড. ফাতিমা সাদিক, আরবি বিভাগ **
৫. ড. গোলাম ওয়াহেদ চৌধূরী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
৬. ড. রশিদুজ্জামান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ*
৭. ড. এ.কে.এম শহীদুল্লাহ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
৮. ড. এ.কে.এম. জামালউদ্দিন মোস্তফা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ**
৯. মোঃ আফসার উদ্দিন, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ
১০. ড. মীর ফখরুজ্জামান, মনোবিজ্ঞান বিভাগ
১১. ড. মোঃ শামসুল ইসলাম, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
১২. ড. আবদুল জব্বার, ফার্মেসী বিভাগ
১৩. ড. মাহবুব উদ্দিন আহমদ, পরিসংখ্যান বিভাগ
১৪. মোঃ ওবায়দুল্লাহ, পরিসংখ্যান বিভাগ**
১৫. মোঃ হাবিবুল্লাহ, শিক্ষা গবেষণা ইনষ্টিটিউট
১৬. আবদুল কাদের মিয়া, শিক্ষা গবেষণা ইনষ্টিটিউট**
১৭. ড. শাফিয়া খাতুন, শিক্ষা গবেষণা ইনষ্টিটিউট
১৮. লে. কর্ণেল (অব) মতিউর রহমান, স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট
১৯. আতিকুজ্জামান খান, সাংবাদিকতা বিভাগ
২০. ড. আফতাব আহমেদ সিদ্দীকি, উর্দূ ও পার্সী বিভাগ
২১. ফজলুল কাদের, উর্দূ ও পার্সী বিভাগ**
২২. নুরুল মোমেন, আইন বিভাগ
২৩. ড. এস.এম. ইমামুদ্দিন, ইসলামের ইতিহাস
২৪.মোঃ মাহবুবুল আলম, উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগ
২৫.ফাইজুল জালাল, উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগ**

জেনারেল টিক্কা খানের শিক্ষা সংস্কার কমিটি - দালাল শিক্ষক
১. ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, তৎকালিন ভিসি, ঢাবি*
২. ড. হাসান জামান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
৩. ড. মোহর আলি, ইতিহাস বিভাগ
৪.ড. এ.এফ.এম. আবদুর রহমান, গণিত বিভাগ
৫. আবদুল বারী, তৎকালিন ভিসি, রাবি
৬. ড. সাইফৃদ্দিন জোয়াদ্দার
৭. ড. মকবুল হোসেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এইসকল দালাল শিক্ষকেরা ১৪ই ডিসেম্বরের নারকীয় হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিল। আলবদর বাহিনীর অন্যতম জল্লাদ আশরাফুজ্জামান খানের ডায়েরীতে এদের অনেকের কথা লিপিবদ্ধ ছিল।

আরো যারা জড়িত ছিল
ক. নাসির আহমেদ, ইচ্চমান সহকারী, শিক্ষা ও গবেষণা ইনষ্টিটিউট**
খ.জহীর খান, পেইন্টার, চিফ ইঞ্জিনিয়ার এর অফিস**
গ.শাহজাহান, পিয়ন, চিফ ইঞ্জিনিয়ার এর অফিস**
ঘ. মোহাম্মদ মুস্তফা, পিয়ন, ষলিমুল্লাহ হল**
ঙ. এস.ডি. দলিলুদ্দিন, কেয়ারটেকার

* / ** ১লা অক্টোবর, ১৯৭৩ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এরা চাকুরী থেকে বরখাস্ত এবং বিম্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত হন। (সূত্র - দৈনিক বাংলা ৩রা অক্টোবর ১৯৭৩)

আমার কিছু কথা : উপরের দালালরা বেশীরভাগই ৭৫ পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পূনর্বাসিত হয়েছেন। এদের একজন মনোবিজ্ঞান বিভাগের ড. মীর ফখরুজ্জামান। তিনি শুধূ পূনর্বাসিতই হন নাই, মৃত্যুর পর তার নামে বিভাগের একটি ল্যাবের নামকরণ করা হয়েছিল। এরকম আরো ঘটনা হয়তো আছে। অথচ নিহত বুদ্ধিজীবিদের জন্য স্ব স্ব বিভাগে কি এরকম কিছু করা হয়েছে ?

পরিসংখ্যান বিভাগের মোঃ ওবায়দুল্লাহ কে কিন্তু আমরা অনেকেই চিনি। তিনি বিটিভি আর বাংলাদেশ বেতারের একজন নাট্যকার - আসকার ইবনে শাইখ।

আমার এই পোষ্টের সূত্র
একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়
২য় সংস্করণ, জুন ১৯৮৭ পৃষ্ঠা ১৮৮-১৯০

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঘাতকদালালঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় ;
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
নিশিবাস বলেছেন: ধিক! এসব শিক্ষক নামধারী পশুদের।

পোস্টের জন্য ++++++++++
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
সুবিদ্ বলেছেন: বেগম আখতার ইমাম-ও এই লিষ্টে???
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: এ লিষ্টটা সাগ্রিক বিচারে। শুধূ ১৪ই ডিসেম্বরের হত্যাযজ্ঞের জন্য না।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: এই লিষ্টে ২ জন আছেন। ড. শাফিয়া খাতুন পরে মন্ত্রী হয়েছিলেন।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ২ জন না ৩ জন

৪. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
পথিক!!!!!!! বলেছেন: এই জন্য তো এত পাপের ধকল জাতিকে বইতে হচ্ছে
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। হয়তো এখনও সময় আছে কিছুটা, পাপের বোঝা হালকা করার।

৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক অনেক লাজ্জা পেলাম
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: এটাই আমাদের ট্রাজেডি ...

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার ষ্টিকি পোষ্টটা পড়েই কিন্তু এটা লেখার কথাটা মাথায় এসেছে।

৭. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
সাপিয়েন্স বলেছেন: এ তালিকায় মনে হয় এমন কিছু শিক্ষকের নাম আছে যাঁরা পাকিস্তানের অখন্ডতায় বিশ্বাস করতেন, কিন্তু রাজাকার আল-বদরের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না। শহীদ মুনীর চৌধুরীও পাকিস্তানের পক্ষে বেতারে নিয়মিত কথিকা লিখেছিলেন, সম্ভবত বাধ্য হয়েই। আল-বদর তাঁর প্রকৃত আনুগত্য পরে টের পেয়েই তাঁকে হত্যা করে।

বিজয়ের অব্যবহিত পরে রুশভারত-পন্থীদের প্রচণ্ড দাপটে অনেককে অহেতুকভাবে নাজেহাল করা হয়েছে। এই তালিকার কারো কারো অবদান বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে বা দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে সেইসব নব্য ক্ষমতাধরদের চাইতে বেশি ছিল। অজয় রায় প্রমুখ ভারতপন্থীরাই পরে শেখ সাহেবকে একদলীয় বাকশাল প্রবর্তনে বাধ্য করেছিলেন।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: পাকিস্থানের অখন্ডতায় বিশ্বাসী মানে কি ? বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী। এদেশের ৩০ লক্ষ মানুষকে হত্যা, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি সহ যত পৈশাচিক অত্যাচারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল এইসব দালালেরা। এদের ক্ষমা নেই, হতে পারেনা।

দূর্জন সর্বদাই পরিত্যাজ্য।

৮. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: আগে থেকেই কিছু কিছু নাম জানি। লজ্জা পেয়েছি।


আবারো লজ্জা পেলাম।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার ঠিক উপরেই দেখেন একজন সাফাই গাইছে কেমন নির্লজ্যভাবে।

৯. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: এদের পশু বলাও পাপ, পশুরাও বিনাকরণে এমন কাজ করে না।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: এদের ক্ষমা নেই ...

১০. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
নীরজন বলেছেন: এই ব্যাপারটাতে আমি কিছুই জানতাম না........................খুব অবাক হইলাম.............

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ এরকম আরো অনেক কিছুই হয়তো বর্তমান প্রজন্ম জানে না। পড়ার জন্য ধন্যবাদ

১১. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
একজন সৈকত বলেছেন: জাতি আর কত তালিকা দেখবে... এখন অপরাধের ন্যায় বিচার দেখতে চাই।
+
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: বিচার অবশ্যই হবে। তবে তার সাথে ইতিহাস জানাটাও জরুরী।

১২. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
জুল ভার্ন বলেছেন: রঞ্জু ভাই, আর একজন দালাল শিক্ষকের নাম লিখেননি তিনি হলেন ডঃ সাজ্জাদ আহমেদ যিনি স্বাধীনতার পরপরই দেশ ছেড়ে পালিয়েগিয়েছিলেন এবং ৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশে ফিরে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান পর্যন্ত নিয়োগ পেয়েছিলেন।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। একজন না বেশ কয়েকজন বাদ পড়ে গিয়েছিল। এটা আরেকটা লিষ্টে ছিল। আরেকটা লিষ্ট আছে রাবির দালাল শিক্ষকদের। সেটা আরেকদিন দিব।

১৩. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬
ভিজামন বলেছেন: কোন ক্ষমা নেই....
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: ক্ষমা করার সূযোগ আসলে নাই ...

১৪. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
সাপিয়েন্স বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার ঠিক উপরেই দেখেন একজন সাফাই গাইছে কেমন নির্লজ্যভাবে।[/si

'নির্লজ্জ' বানান ভুল। বাংলাদেশে সবারই বোধ হয় বাংলা ভালোভাবে শেখা উচিত।

না, আমার কোন পক্ষপাতিত্ব নেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার পক্ষে বা বিপক্ষে অংশ গ্রহণের সম্ভাবনা ছিল না। আমার এক কাজিন পাকিস্তানীদের হাতে নিহত হয়েছিল, আমার এক আপন বোন সপরিবারে কলকাতায় ছিল। তার স্বামী এখন সেই পুঁজি ভাঙ্গিয়ে জীবনে অনেক কিছু করে ফেলেছে।

যাঁরা 'পাকিস্তানপন্থী' ছিলেন, তাঁদের অনেকে দাবি করেন, তাঁরা ভেবেছিলেন যুদ্ধটা বাংলাদেশকে স্বাধীন নয়, ভারতের অংশ বা করদ রাজ্যে পরিনত করার প্রয়াস ছিল। শেখ সাহেব ফিরে এসে ভারতীয়দের খেদিয়ে না দিলে কি হতো বলা মুশকিল। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে প্রতি জেলার ডিসিও ছিল ভারতীয়। পাকিদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে সর্বাধিনায়ক উসমানী ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবজ্ঞা করা হয়েছিল বলে অনেকের ধারণা।

"রশোমন" ছবির মত বাস্তবেও সত্য বহুমাত্রিক। তালিকাটির অধিকাংশ ব্যক্তি সম্ভবত ঘৃণাযোগ্য, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রোশের বশে বা লাভের আশায় কয়েকজনকে তালিকায় ঢোকানো হয়েছে বলে সন্দেহ হয়।

এই শাফিয়া খাতুন আর উপদেষ্টা শাফিয়া এক নন।
সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনের নামটিও ভুল রূপে মন্তব্যে এসেছে। স্মৃতি প্রতারণা করে।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: "না, আমার কোন পক্ষপাতিত্ব নেই।" - এটা দিয়েই আপনার অবস্থানটা পরিস্কার হয়ে যায়। যে দেশে জন্ম, সে দেশের স্বাধীনতার প্রতি যদি পক্ষপাতিত্ব দেখাতে না পারেন, শত ধিক আপনাকে। ২৫শে মার্চের গণ হত্যার পরও যারা পাকিস্তানের প্রতি মমত্ব অনুভব করে তাদের পশু বলা ছাড়া উপায় নেই।

ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনকে দালালির জন্য ১৯৭৩ সালে ঢাবি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ড. শাফিয়া খাতুন মন্ত্রী হয়েছিলেন এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ছিলেন। সুত্র আগেই উল্লেখ করেছি।

১৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০১
তাজা কলম বলেছেন: ধিক এই সব জ্ঞানপাপীদের।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: শত ধিক !!!

১৬. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
তাজা কলম বলেছেন: সাপিয়েন্স বলেছেন: .......যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে প্রতি জেলার ডিসিও ছিল ভারতীয় .....

এ তথ্য কোথায় পেলেন? জনগণদের বিভ্রান্ত করার জন্য আপনার মতোন পাকিস্থানপন্থীরাই ইতিহাস বিভ্রান্ত করছে।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: সে যে কোন মূল্যে দালালদের কাযর্ক্রমকে বৈধতা দিতে চায়।

১৭. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
তাজা কলম বলেছেন: সাপিয়েন্সকে বলছি, ইতিহাস বিকৃত করার প্রচেষ্টা চালাবেন না।
১৮. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
সাপিয়েন্স বলেছেন:
যে দেশে জন্ম, সে দেশের স্বাধীনতার প্রতি যদি পক্ষপাতিত্ব দেখাতে না পারেন, শত ধিক আপনাকে।

ধন্যবাদ, আমার জন্ম ভারতে, এবং ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আমার পক্ষপাতিত্ব নেই। কোনটাই বাংলাদেশের বন্ধু নয়।

দুঃখিত, আমি শাফিয়া ও একই প্রতিষ্ঠানের শরীফা খাতুনের মধ্যে কনফিউজড হয়েছিলাম। শরীফার স্বামী হাইকোর্টের বিচারক মুজিব হত্যা মামলায় 'বিব্রত' হয়েছিলেন বলে আমার ধারণা ছিল তাঁর নামই এই তালিকায় ছিল। আমি এই তালিকা পুংখানুপুঙ্খভাবে সমীক্ষা করে দেখি নি, কিন্তু নিশ্চিত এর বাইরেও যেমন দালাল ছিলেন, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অনেককেও একই অর্থে দালাল বলা অনুচিত। মুক্তিযোদ্ধার তালিকাও দিন দিন ভুয়া হয়ে যাচ্ছে। এখন এমন সব ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা সনদের ফায়দা নিচ্ছেন, ১৯৭১ সালে যাঁরা ছিলেন বালক বা শিশু।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: আপনার জন্ম ভারতে ? ভাল কথা। সে হিসেবে আপনার দেশ ভারত জন্মসূত্র আর মনন সূত্রে পূরা পাকিস্থানী। আপনি বাংলাদেশী হলেন কি করে ?

আমরা তো আর আপনার মতো ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করিনা। তাই রেফারেন্স দিয়েই কথা বলি।

১৯. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
সাপিয়েন্স বলেছেন: @তাজাকলম

বিদেশে শ্রীমধুসূদন মুখার্জী নামে এক ভারতীয় সিভিল সার্ভেন্ট (যিনি একজন খুবই অমায়িক ভদ্র বন্ধু ছিলেন) আমাকে বলেন যে মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত পরে তিনি নিজে এবং তাঁর বহু সহকর্মী বাংলাদেশে জেলাপ্রশাসক নিযুক্ত হয়েছিলেন। 'প্রতি জেলা' যদি একটা অসত্য সাধারনীকরণ হয়, আমি তার জন্য দায়ী নই। তাঁরই উক্তি।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: আর পরে যে সূত্র দিয়েছেন সেটা একেবারেই অথেনটিক না। আপনি এ পযর্ন্ত যে সব কথা বার্তা বলছেন তার সবই ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা। এমনকি আপনার নিজের জন্ম নিয়ে বলা কথাটাও আমার মনে হলো মিথ্যাচার।

২০. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
তাজা কলম বলেছেন: @সাপিয়েন্স

তথ্যাটি মোটই ইতিহাস নির্ভর নয়। হয় আপনি, না হয় আপনার বন্ধু মিথ্যাবাদী।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৮

লেখক বলেছেন: সে অব্যাহতভাবে চেষ্টা করছেন ইতিহাস বিকৃতির ...

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন: র কিছু না হোক এইসব কুলাঙ্গারদের প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করুন।

২২. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
নির্ণয় বলেছেন:
@ সাপিয়েন্স

আপনি কি আসলেই হোমো সাপিয়েন্স না অন্য কিছু!
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: ভাল বলছেন :)

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লিংকের জন্য। কমেন্ট করে এসেছি।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: শত ধিক !!!

২৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১০
নাঈম বলেছেন: জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি, সেই পবিত্র স্থানেই এমন বেজন্মা দালালেরা ছিল, ভাবতেই লজ্জা ও ঘৃণায় নিজেকে ছোট মনে হচ্ছে রঞ্জু ভাই।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: যারা আমাদের সুপথের প্রদর্শক হতে পারতেন তাদেরকেই কি নির্মম নিষ্ঠুরতায় মেরে ফেলতে সাহায্য করেছে এইসব কুলাঙ্গার রা।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: হুম !!!

২৮. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩২
মনজুরুল হক বলেছেন:

এই পোস্টটিই স্টিকি হওয়া উচিৎ ছিল। কারা কারা মারা গেছেন সেটা আমরা জানি, এখনকার প্রজন্মও জানে, কিন্তু দালালদের আমরা চিনি না। যেটা এই পোস্টের মাধ্যমে চিনলাম।

অনেক ধন্যবাদ রঞ্জু ভাই।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মনজুরুল হক ভাই। আমি অবশ্য এটা পোষ্ট করেছি ষ্টিকি পোষ্ট টা পড়েই। তবে আপনার সাথে একমত। ঘাতক আর দালালদের চিনতে হবে, ইতিহাস জানতে হবে। তবেই না সচেতনা বাড়বে, বেগবান হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী।

তবে নুরুজ্জামান মানিকের পোষ্টটাও প্রয়োজনীয় এবং অর্থবহ।

২৯. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
জুল ভার্ন বলেছেন: @ রঞ্জু ভাই, আমি ভুল করে ডঃ সাজ্জাদ হোসাইনের নাম ডঃ সাজ্জাদ আহমেদ লিখেফেলেছিলাম। তার প্রকৃত নাম হলো ডঃ সাজ্জাদ হোসাইন।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এবার মনে হয় ঠিক আছে। আরেকটা লিষ্ট আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের।

৩০. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ধন্যবাদ রঞ্জু ভাই।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও।

৩১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
সজল৯৫ বলেছেন: ধন্যবাদ, এরকম আরো লিখা চাই
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: পাবেন, তবে একটু ধীরে। আমি টাইপিং এ খূবই ধীর, আর কোন কিছু দেখে টাইপ করতে গেলে তো কথাই নেই।

৩২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১০
আমি সাইরাজ বলেছেন: বাই মনে লয় বিরাত জ্ঞানি লুক ............
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: এরকম মনে করার কারণ ... ?

৩৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
মন যাযাবর বলেছেন: এরা কেউ কেউ এখন হয়ত মুক্তিযুদ্ধের জন্য মূল্যবান বক্তৃতাও দেন। এদের বিভাগের নামের পাশাপাশি তখন এবং এখনকার রাজনৈতিক পরিচয়টা উল্লেখ করলে ভাল হোত।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: আমার কাছে এদের বর্তমান তথ্য নেই। যা আছে ১৯৮৭ সালের তথ্য। তবে বেশীরভাগই অবসরে গিয়েছে, কেউ মারা গেছে, কেউবা বিদেশৈ। কর্মরত আছে কয়েকজন।

৩৪. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:০৯
ত্রিশোনকু বলেছেন: +++++

অন্য একটা সূত্র ধরে আসা।

অশেষ ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান। সরাসরি প্রিয়তে।

আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে/ স্মৃতি বিস্মৃতি না ঘটে থাকে তা'লে ডঃ মোহাম্মদ শামসুল ইসলামের স্ত্রীও ডালালীতে জড়িত ছিল। সেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিল। তাদের বোধ করি দুই সন্তান। বড়টি হুজুর (ছোটন), ছোটটি মেয়ে (তানিয়া)-আমেরিকা প্রবাসী, শামসু গত, স্ত্রী বেঁচে আছে এখনো। বনানী ৪ নন্বর সড়কে থাকে, ব্লক ও বাড়ি নম্বর মনে নেই, তবে বাসাটি চিনি।

কতৃপক্ষের পোস্টটি স্টিকি করা উচিৎ ছিল।
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিশঙ্কু'দা।

৩৫. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৮
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন:

তালিকা ভুক্ত প্রত্যেকটা রাজাকারের মধ্যে যেগুলো বেঁচে আছে সবগুলার বিচার চাই

সাপিয়েন্স তুমি কি বিহারি জেনেভা ক্যাম্প থাকো নাকি ?
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৩৬. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৭
নীল কষ্ট বলেছেন: দুঃখজনক এবং লজ্জাজনক ইতিহাস।
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। এটাই আসল কথা ...

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৯৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছবিওয়ালা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ