somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘে কয় লাখ সিগনেচার দরকার ?

জাতিসংঘে ১ লক্ষ লোক সিগনেচার দিলেই নাকি জাতিসংঘ টিপাইমূখ বাঁধ নির্মান বন্ধ করে দেবে। কি আজিব কথা। একবার চিন্তা করেন মাথা ঠান্ডা রেখে - জাতিসংঘের এমন ক্ষমতা আছে কিনা। থাকলে এতোদিনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয় নাই কেন ? সিগনেচারের অভাব হতো ? জাতিসংঘে কথা হয় সরকারের সাথে সরকারের। জাতিসংঘ বড়জোর দুই দেশের মধ্যে দুতিয়ালী করতে পারে মাত্র। জাতিসংঘে কোন বিষয় উপস্থাপন করতে হলে সেটা সরকারকেই করতে হবে। কোন ব্যক্তি বিশেষ বা গোষ্ঠীর কথা জাতিসংঘ শুনে না। এখানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর কথা বলতে পারি আমরা। এক প্রবাসী ভদ্রলোক প্রথম এটার জন্য পিটিশন দিয়েছিলেন জাতিসংঘে। পরে বাংলাদেশ সরকার উদ্যোগ নেয়ায় সেটা ফলপ্রসু হয়।

আমরা সবাই কম বেশী উদ্বিগ্ন টিপাউমূখ নিয়ে। সরকার এবং সরকারের মন্ত্রী উপদেষ্টারা বাংলাদেশের স্বার্থ দেখছেন না এটা আমরা সবাই মনে করছি। তাহলে এই মূহুর্তে আমাদের করণীয় কি ? আমরা কিভাবে বাংলাদেশ সরকারকে বাধ্য করতে পারি এব্যাপারে সুষ্পষ্ট ভূমিকা রাখতে ? সেটা কি ১ লক্ষ সিগনেচার সংগ্রহ করে কোন পিটিশন দাখিল করে সম্ভব নাকি ১ লক্ষ লোকের মিছিল নিয়ে সংসদ ঘেরাও করে সম্ভব ? আমি কেবল জানি ১ লক্ষ সিগনেচারে কোন কাজ হবে না।

কেবল জানি আমাদের দেশপ্রেমকে পূজি করে ১ লক্ষ সিগনেচার কালেক্ট করার পিছনে কোন একটি দুষ্টচক্রের কোন দূরভিসন্ধি আছে। অমি রহমান পিয়ালের একটা ষ্ট্যাটাস থেকে কপি করলাম "এই মুহূর্তে আন্দোলনে নামার জন্য যে কয়টা ইস্যু পাবলিক গুরুত্ব দিয়া বিবেচনা করতেছে তার একটা টিপাইমুখ বাঁধ। এর বিরুদ্ধে লেটেস্ট যে প্রতিবাদ কর্মসূচীটা আসছে সেটা একটা অনলাইন পিটিশন। বলা হচ্ছে এতে এক লাখ সই দিলেই জাতিসংঘ এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবে। পাবলিকের মাথায় কাঠালভাঙার যত উপায় আছে তার মধ্যে সবচেয়ে লেটেস্টও এইটারে মনে হইলো। স্ল্যাকটিভিজম বা ইন্টারনেট পিটিশনের মাধ্যমে একটা ইস্যুতে জনমত জানানো যায় বটে, কিন্তু সেটার গ্রহণযোগ্যতা অন্তত জাতিসংঘে নাই কারণ সেখানকার জনগনের (মানে সাইনদাতাদের)পরিচয়ের ব্যাপারে কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নাই, তাই জাতিসংঘ সেটা গ্রহণ করে না। ওদের ওয়েবসাইটে গেলে দেখবেন কোনো ইহুদি যেন যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে না পারে এমন পিটিশনও দিছে লোকে। মোটের উপর জাতিসংঘের এমন কোনো ক্ষমতাই নাই, থাকলে তারা ইসরায়েলের অবৈধ বসতিস্থাপনের বিরুদ্ধেই তো হস্তক্ষেপ করতে পারতো। কিংবা আমেরিকারে ঠেকাইতে পারতো ইরাকে মানবাধিকারলংঘন থেকে। তো না জাইনা পাবলিক যারা এতে সই করতেছেন তার যেসব ঝুঁকি নিতেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা তুলে দিলাম:
১. এইটার একটা ফিশিং স্ক্যাম হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। আপনার আই্ডি হয় হ্যাক হবে নয়তো আপনার ইউজার প্রোফাইলের তথ্যাদি বিক্রি করে মোটামুটি বড় অংকের টাকা কামাবে এর নেপথ্যে থাকা লোকজন। এই টাইপের স্ক্যামের ব্যাপারে নিচের সাইটে তথ্য পাবেন প্রচুর: Click This Link

২. এই পিটিশনটার নাম বদলাইয়া যাইতে পারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করো বা গোলাম আযমের মুক্তি চাই নামে। তারপর সেটা দেওয়া হবে যুক্তরাজ্য আর ইউএস সরকারের ওয়েবসাইটে ।পিটিশনের গ্রহণযোগ্যতা এই দুইটা জায়গাতেই কিছুটা আছে

আমি বরং বলি এক লাখ সইদাতার বদলে এক লাখ মানুষের একটা মিছিল করা হোক। টিপাইমুখ অভিমুখে না পারি, সংসদ অভিমুখে গিয়াও, অন্তত সংসদ ভবনের রাস্তায় দাড়াইয়া আমরা এই বাঁধ বন্ধ করার ব্যাপারে প্রতিবাদ জানাইয়া আসতে পারি।অনলাইন একটিভিজমের বাস্তব প্রয়োগ এখন পর্যন্ত যা দেখছি তাতে আমি আশাবাদী না সেটা সম্ভব বলে। ১৪০০ মানুষের হম্বিতম্বি রাস্তায় যখন ১৪ জনে অনুদিত হয়, তখন হতাশ হইতেই হয় বৈকি।"

সুতরাং সাধূ সাবধান।

কাঙাল মামা'র এই পোষ্টে আরো বিস্তারিত পাবেন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29511748 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29511748 2011-12-28 21:03:30
তথ্য প্রয়োজন
বাংলাপিডিয়ায় আরেক রহিমন্নেসার কথা আছে। চারান গ্রামের এক বিখ্যাত ব্যক্তি নওশের আলী খান ইউসুফজাই (ইউসুফজয়ী) ১৮৮৮ সালে পাকুল্লার জমিদারকন্যা রহিমন্নেসাকে বিয়ে করেন। তার সম্পর্কে আর কোন তথ্য নেই। এই মহিলা মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা হলে মসজিদের বয়স ১০০ বছর আনুমানিক।

একজন গ্রামবাসী জানালেন এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা আরো ৩টি মসজিদ নির্মান করেন, যার একটি পাকুল্লার মসজিদ। টাঙ্গাইল জেলা তথ্য বাতায়নে দেখলাম পাকুল্লার এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেছেন মতিবিবি নামে এক মহিলা এবং তিনি আরো ৩টি মসজিদ নির্মান করেছেন। কিন্তু সেই ৩টি মসজিদ কোথায় সে সম্পর্কে কোন তথ্য নেই। পাকুল্লার এই মসজিদটি আনুমানিক নির্মান কাল ১৬শ খ্রীষ্টাব্দ। এটার সাথে একই সাথে রাজবাড়ী মসজিদ নির্মিত হয়ে থাকলে রাজবাড়ী মসজিদের আনুমানিক বয়ন ৩০০-৩৫০ বছর।

এই মতিবিবি সম্পর্কে আর কোন তথ্য নেই।

আমার যেসব তথ্য দরকার
১. দেলদুয়ার এবং পাকুল্লার জমিদারদের ইতিহাস
২. মতিবিবি সম্পর্কে কোন তথ্য
৩. আরো যে ৩টি মসজিদের কথা বলা হচ্ছে সেগুলোর তথ্য
৪. রাজবাড়ী মসজিদের ইতিহাস (যদি কারো জানা থাকে)

যে কোন ওয়েব লিঙ্ক বা বই এর রেফারেন্স দরকার, যেখান থেকে হয়তো ইতিহাসটা খূজে বের করা যাবে। আমাদের গ্রামের লোকজন মনে হয় একটার সাথে আরেকটা গুলিযে ফেলেছে।

আপনাদের সহযোগীতার জন্য আগাম ধন্যবাদ জানিয়ে রাখলাম।

মসজিদের কিছু ছবি মসজিদের কিছু ছবি ঢ়ঢ়
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29494987 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29494987 2011-12-02 18:30:40
ফটোগ্রাফী বিষয়ক বাংলা ব্লগ পোষ্ট ফটোগ্রাফী নিয়ে বাংলায় এমনিতেই খূব কম রিসোর্স আছে। সেই তুলনায় অন্তর্জালে বাংলায় ফটোগ্রাফী নিয়ে লেখার চর্চা আরো কম। বলা চলে এটা অতি সাম্প্রতিক কালের ঘটনা। মূলত বাংলা ব্লগের জনপ্রিয়তার সাথে এর একটা নিবিড় যোগসূত্র আছে। তবে বাংলা ব্লগস্ফিয়ারে ফটোব্লগ যতোটা পাওয়া যায় সে তুলনায় ফটোগ্রাফীর অন্য সব বিষয় নিয়ে লেখা খূবই কম পাওয়া যায়। এর মধ্যে ক্যামেরা সংক্রান্ত হেল্প পোষ্টগুলো খূবই জনপ্রিয়, তাতে কোন সন্দেহ নেই। এই পোষ্টটি মূলত ফটোগ্রাফী সংক্রান্ত সেই সব পোষ্টের তালিকা যা নবীন-প্রবীণ সবারই কাজে লাগতে পারে। আশা রাখছি এটা নিয়মিত আপডেট হবে …

বিস্তারিত ... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29447973 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29447973 2011-09-14 16:40:14
পিকনিক স্থগিত তবে ... এই পোষ্টে করা সত্য কথার যত দোষ আর মিথুন-১ এর করা ২৪ ও ৩১ নং কমেন্টের প্রতি সন্মান জানিয়ে পিকনিক আপাতত স্থগিত করা হলো। তবে আমরা অতি শীঘ্রই এই মানবতাবাদী ব্লগারদ্বয়ের কাছ থেকে শীতার্ত এবং ক্ষুধার্ত মানুষদের কষ্ট লাঘবের জন্য একটি ব্লগীয় উদ্যোগ আশা করছি। আশা করছি তারা এজাতীয় মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করে বাধিত করবেন।

আমরা সামান্য টাকা-পয়সা বা নতুন পূরাতন গরম কাপড় দিয়ে এ উদ্যোগে শরীক হওয়ার চেষ্টা করবো। তাদেরকে অবশ্যই স্বশরীরে ব্লগারদের মাঝে আসতে হবে, প্রতিনিধি গ্রহনযোগ্য না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29303056 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29303056 2011-01-06 23:29:48
পিকনিক ২০১১

সম্ভাব্য তারিখ - ২১শে জানুয়ারী ২০১১ সম্ভাব্য স্থান - কাপাসিয়া শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে সম্ভাব্য চাঁদা - ৫০০ টাকা (১২ বছর পর্যন্ত ৩০০টাকা / গেষ্ট ৫০০ টাকা) চাঁদা দেয়ার শেষ তারিখ - ১৪ জানুয়ারী ২০১১ সর্বোচ্চ ৫০ জন ব্লগার যেতে পারবেন

আগামী ৮ এবং ১৪ তারিখ আমরা পাবলিক লাইব্রেরীতে বসবো এবিষয়ে বিস্তারিত আলাপ এবং চাঁদা কালেকশনের জন্য।

যারা যেতে চান এই ইমেইল এড্রেসে নাম + নিক + মোবাইল নাম্বার + কতজন যাবেন পাঠান। অন্যান্য ব্লগীয় উদ্যোগের মতো এখানেও ছাগুরা বর্জনীয়।

যোগাযোগ ক্যামেরাম্যান ০১৯১২০৪৩৫৩০
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29300771 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29300771 2011-01-02 16:18:12
ব্লগীয় ফটোওয়াক - ২৫শে ডিসেম্বর ২০১০

এবারে ২৫শে ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটিতে একটা ব্লগীয় ফটোওয়াকের ব্যাপারে সবাই প্রচন্ড আগ্রহী ছিল। কিন্তু সমস্যা হলো যাব কোথায়। প্রথমে ভাবা হয়েছিল রমনা চার্চে বড়দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠান এরপর সোজা শিশুপার্ক। ঢাকার বাইরে যাওয়ার কথাও চিন্তা করা হয়েছিল, কিন্তু ২৬ তারিখ হৈতাল থাকায় বিকালে বা সন্ধ্যায় ফিরতে সমস্যা হতে পারে এই জন্য সেটা বাদ দেয়া হলো। শেষ পর্যন্ত ঠিক হলো আমরা যাব মিরপুর আমাদের পাঠশালায়।

রুবেল নামের এক যুবক এই অসাধারণ স্কুলটা পরিচালনা করছে নানা প্রতিকুলতা মাথায় নিয়ে। বস্তিবাসী ছেলে-মেয়েদের জন্য এই স্কুলটা চলছে পরিচিতজনদের অর্থানুকুল্যে। আমরা অনেকেই গতবছর স্কুলটা দেখতে গিয়েছিলাম, কিন্তু পরে আর সেরকমভাবে খোজ-খবর রাখা হয়নি। গত বিজয় দিবসের শোভাযাত্রার পরে কৌশিক আমাদের আবার স্মরণ করিয়ে দিল সেই স্কুলের কথা। পাবলিক লাইব্রেরী থেকে বেরুনোর সময় রুবেল ২৫ তারিখের বাৎসরিক উৎসবের দাওয়াতপত্রটি দিয়ে যায়।

অনুষ্ঠান হবে সারাদিনব্যাপী। চিত্রাংকন, গান, নাচ, নাটক করবে সবই ক্ষদে শিক্ষার্থীরা। বিকালে আছে কনসার্ট আর কবিগান। শিরোনামহীন, সমগীত আর লীলা - এই ৩টি ব্যান্ড আর কৃঞ্ষকলি ইসলাম এই কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবেন। কবিগানে থাকবেন নির্মল সরকার এবং অজিত সরকারের দল।

ছুটির এই একটা দিন আমরা না হয় ক্যামেরাবন্দী করি এই সব সূবিধা বঞ্চিত শিশুদের প্রতিভা আর আর তাদেরকে যারা নিরলসভাবে ।ালোর পথে নিয়ে যাচ্ছে তাদের সেই ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টাকে।

স্থান- আমাদের পাঠশালা
ঠিকানা- বাড়ী- ৪০, লাইন-২৫, ব্লক-ডি,পল্লবী,মিরপুর-১২, ঢাকা.
সময়- সকাল ৯.৩০ এ উপস্থিতি (সরাসরি আমাদের পাঠশালায়)

ফোন- ক্যামেরাম্যান-০১৯১২০৪৩৫৩০, বিদ্যাসাগর-০১৬১৫৭১৭৯৯৯

কৌশিকের পোষ্ট
বিদ্যাসাগরের পোষ্ট
ক্যামেরাম্যান এর পূরানো পোষ্ট

অন্যান্য পোষ্ট এর লিঙ্ক কৌশিকের পোষ্টে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29294608 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29294608 2010-12-23 10:41:17
বাংলা ব্লগ দিবস : ফটোব্লগ
শুভেচ্ছা বক্তব্য দিচ্ছেন ড. আনিসুজ্জামান

বক্তব্য দিচ্ছেন আরিল


পুরস্কার হাতে অর্ফিয়াস

সূধীমন্ডলীর উদ্দেশ্যে জানা

উপস্থিত ব্লগারদের একাংশ

নতুন একজন ব্লগার

আরেকজন নতুন ব্লগার - অন্তরা মিতু

ছিনতাইকারীর শিকার বাকি বিল্লাহ

পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের প্রথম ধাপ - চোখে চশমা

ড. আনিসুজ্জামানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানালেন জানা

কিন্নরির আতিথেয়তা

দশভূজা - একহাতে মাইক্রোফোন আরেক হাতে ফুচকা

নাফিস ইফতেখার

রঙ্গিলা রাইসু

সোনালী-রুপালী (কোনটা কে মনে নাই)

শরৎ

তাজা কলম ভাই

ছোট গল্পকার

লাভলু'দার ভিডিও ষ্টিমিং, পিছনে ডলিবয় জীবনানন্দদাশের ছায়া

ফাহমিদুল হক (আমি আরেকটু বয়স্ক ভদ্রলোক আশা করেছিলাম)

"এই কয়টা পোষ্ট দিয়ে চেক চাও কিভাবে ?" - মডুমাতা ইজ বকায়িং এন আবাসিক। পিছনে আবার মডুর ছায়াও দেখা যায় <img src=" style="border:0;" />

ফটো অফ দ্য বাংলা ব্লগ ডে ২০১০ <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29293648 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29293648 2010-12-21 17:09:18
এবারের বিজয় শোভাযাত্রা : ফটোব্লগ


শোভাযাত্রা



জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গন, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা


কৌশিক নতুন একটা ডকু তৈরী করছে, তার মহড়া

আমাদের লাল্টু ব্লগার - শরৎ

নগর বাউল

রাজু ভাস্কর্য

মনসুর কিন্তু আসলেই হ্যান্ডসাম আছে <img src=" style="border:0;" />

ছোট পরিবার, সূখী পরিবার

লাল টুকটুকে দুই পরী - জাফনা আর কিন্নরী

বাহন

বেলুন

হেলিকপ্টার

প্রাণের উৎসব

সামুর বিজয় শোভাযাত্রা শেষ করে চলে গিয়েছিলাম মুক্তব্লগের উদ্বোধনী অনুষ্টানে। জনাব মোহিত কামাল এই ব্লগটির ইদ্ভোধন করেন। আরিল-জানা সহ সামুর বেশ কয়েকজন ব্লগার উপস্থিত ছিলেন। ডোমিনাস পিজ্জায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের চমৎকার এক ডিনারে আপ‌্যায়িত করা হয় অতিথিদের।

এখানেই দেখা হলো ব্লগার লীনা ফেরদৌস আর তার ৭ মাস বয়সী মেয়ে মাধূর্যের সাথে।

সাধ না মিটিলো, আশা না পুরিলো - ফায়ারওয়ার্কসের ছবি তোলার আশা ছিলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর যাওয়া হয় নাই সংসদ ভবন এলাকায়। সেটা হয়েছে কিনা তাও জানিনা। ৪/৫ দিন আগে প্র্যাকটিস হিসবে সামনে এক বিল্ডিংএ এয়েল্ডিং ওয়ার্কনের ছবি তুলেছিলাম কিছু। তারই একটা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29291574 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29291574 2010-12-17 23:20:30
বিজয় শোভাযাত্রা ২০১০
বছর ঘুরে আবারও চলে এসেছে বিজয়ের মাস। আর ক'টা দিন পরেই সেই ঐতিহাসিক বিজয়ের দিন - ১৬ই ডিসেম্বর। যেদিন বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা ইসলামের ধ্বজাধারী পাকিস্থান নামের এক অশুভ রাষ্ট্র আর তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের বিরুদ্ধে এক অসম যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো। সে বিজয় ছিলো সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে বাঙ্গালীর ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল।

সামহোয়্যার ইন পরিবারের সদস্যরা (ব্লগার এবং ডেভেলপার টিম) গত দু'টি বছর অত্যন্ত আনন্দ ইদ্দীপনার সাথে বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। একই ধারাবাহিকতায় এ বছরও আমরা মাতবো বিজয় উৎসবে। তেমন বিশাল কিছু না, শাহবাগে জমায়েত হয়ে একসাথে একটা শোভাযাত্রা - যেটা শাহবাগ-টিএসসি-শহীদ মিনার হয়ে আবার ফিরে আসবে শাহবাগে। এরপর কোথাও বসে ছোট একটা চা পর্ব, চলবে আলাপচারিতা সাথে থাকবে কবিতা আবৃতি, স্মৃতি রোমন্থন কিংবা গান।

তারিখ ও সময় : ১৬ই ডিসেম্বর ২০১০ সকাল ৯:৩০ জমায়েত : শাহবাগ, জাতীয় জাদুঘর এর সামনে যোগাযোগ : ০১৯১২০৪৩৫৩০ (ক্যামেরাম্যান)

ব্লগাররা সব দিচ্ছে ডাক, ছাগুরা সব নিপাত যাক

১৯৭১ সালে হানাদার পাক বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকারদের পক্ষাবলম্বনকারী, তাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী, জামাত-শিবির, ছাগু, ছুপা ছাগু - এসব ক্যাটাগরিতে যারা পড়েন তারা নিষিদ্ধ। আপনি আস্তিক কিংবা নাস্তিক তাতে কোন সমস্যা নেই। তবে ইসলামের নামে আপনি যদি ধর্ম ব্যবসায়ী জামাত-শিবির / অন্যান্য ইসলামি (তথাকথিত) দল যারা ১৯৭১ সালে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন এ সহযোগীতা করেছিলো তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র সহমর্মিতা পোষণ করেন - আপনার আসার দরকার নেই।
আমরা তাদের সাথে হাতে হাত ধরে হাটতে আগ্রহী না

মূল পোষ্ট
রাতমজুরের পোষ্ট
মনসুরের পোষ্ট
কৌশিকের পোষ্ট

আগ্রহী ব্লগারদের ১৬ই ডিসেম্বর পর্য়ন্ত এব্যাপারে পোষ্ট দেয়ার অনুরোধ রইলো।

২০০৮ এর শোভাযাত্রা
২০০৯ এর শোভাযাত্রা
২০০৯ এর শোভাযাত্রা ছবি ব্লগ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29290058 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29290058 2010-12-15 13:05:24
বিজয় শোভাযাত্রা ২০১০
বছর ঘুরে আবারও চলে এসেছে বিজয়ের মাস। আর ক'টা দিন পরেই সেই ঐতিহাসিক বিজয়ের দিন - ১৬ই ডিসেম্বর। যেদিন বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা ইসলামের ধ্বজাধারী পাকিস্থান নামের এক অশুভ রাষ্ট্র আর তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকারদের বিরুদ্ধে এক অসম যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো। সে বিজয় ছিলো সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে বাঙ্গালীর ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল।

সামহোয়্যার ইন পরিবারের সদস্যরা (ব্লগার এবং ডেভেলপার টিম) গত দু'টি বছর অত্যন্ত আনন্দ ইদ্দীপনার সাথে বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। একই ধারাবাহিকতায় এ বছরও আমরা মাতবো বিজয় উৎসবে। তেমন বিশাল কিছু না, শাহবাগে জমায়েত হয়ে একসাথে একটা শোভাযাত্রা - যেটা শাহবাগ-টিএসসি-শহীদ মিনার হয়ে আবার ফিরে আসবে শাহবাগে। এরপর কোথাও বসে ছোট একটা চা পর্ব, চলবে আলাপচারিতা সাথে থাকবে কবিতা আবৃতি, স্মৃতি রোমন্থন কিংবা গান।

তারিখ ও সময় : ১৬ই ডিসেম্বর ২০১০ সকাল ৯:৩০ জমায়েত : শাহবাগ, জাতীয় জাদুঘর এর সামনে যোগাযোগ : ০১৯১২০৪৩৫৩০ (ক্যামেরাম্যান)

ব্লগাররা সব দিচ্ছে ডাক, ছাগুরা সব নিপাত যাক

১৯৭১ সালে হানাদার পাক বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকারদের পক্ষাবলম্বনকারী, তাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী, জামাত-শিবির, ছাগু, ছুপা ছাগু - এসব ক্যাটাগরিতে যারা পড়েন তারা নিষিদ্ধ। আপনি আস্তিক কিংবা নাস্তিক তাতে কোন সমস্যা নেই। তবে ইসলামের নামে আপনি যদি ধর্ম ব্যবসায়ী জামাত-শিবির / অন্যান্য ইসলামি (তথাকথিত) দল যারা ১৯৭১ সালে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন এ সহযোগীতা করেছিলো তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র সহমর্মিতা পোষণ করেন - আপনার আসার দরকার নেই।
আমরা তাদের সাথে হাতে হাত ধরে হাটতে আগ্রহী না
রাতমজুরের পোষ্ট
মনসুরের পোষ্ট
কৌশিকের পোষ্ট

আগ্রহী ব্লগারদের ১৬ই ডিসেম্বর পর্য়ন্ত এব্যাপারে পোষ্ট দেয়ার অনুরোধ রইলো।
২০০৮ এর শোভাযাত্রা
২০০৯ এর শোভাযাত্রা
২০০৯ এর শোভাযাত্রা ছবি ব্লগ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29288125 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29288125 2010-12-12 11:33:39
ফায়ারওয়ার্কস ফটোগ্রাফী
সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা চলে আমাদের বেশীরভাগেরই আতশবাজী'র ছবি তোলার অভিজ্ঞতা নেই। এই ১৬ই ডিসেম্বর ২০১০ বিজয় দিবসে আবার একটা আতশবাজী হতে যাচ্ছে সংসদ ভবন এলাকায়। সুতরাং আমরা এদিন আতশবাজীর ছবি তোলার একটা প্রচেষ্টা নিতে পারি। গত দু'দিন আমি নেট ঘাটছিলাম এ সংক্রান্ত টিপসের জন্য। বলাই বাহুল্য, অনেকের মতো আমার নিজেরও কোন অভিজ্ঞতা নেই আতশবাজীর ছবি তোলার। আর তাই আপনাদের কাজে লাগবে মনে করেই টিপসগুলি শেয়ার করছি। ফটোগ্রাফীতে অভিজ্ঞদের তাদের মতামত বা সাজেশন শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

কি কি লাগবে
১. ট্রাইপড - এটা অবশ্য অবশ্যই দরকার। আতশবাজীর ছবি তুলতে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে স্লো শাটার স্পিড। সেক্ষেত্রে ক্যামেরা হাতে নিয়ে একেবারে স্থির হয়ে থাকা অসম্ভব। সুতরাং আপনার একটা শক্ত সমর্থ ট্রাইপড অবশ্যই লাগবে।
২. রিমোট শাটার রিলিজ - এটা তার সমেত অথবা তার ছাড়া (ইনফ্রারেড) হতে পারে। এটাও মূলত ব্যবহার করতে হবে ক্যামেরা শেক এড়ানোর জন্য। এটার বিকল্প হিসেবে টাইমার ব্যবহার করতে চাইলে কোন লাভ নেই, কারণ ঠিক কখন সেটা আকাশে উঠবে আপনি সেটা জানছেন না।
৩. লেন্স - আপনি যদি উৎপত্তিস্থল থেকে বেশ দূরে থাকেন তবে আপনার দরকার হবে টেলি লেন্সের। আর মোটামুঠি কাছে থাকলে ১৮-৫৫ কিট লেন্স দিয়ে কাজ চলবে আশা করি।

অন্যান্য বিষয়
আতশবাজীর ছবি তোলার জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে ম্যানুয়াল মোড। অন্য কোন মোড ব্যবহার করলে কাল ফ্রেম ছাড়া আর কিছু আসবে না।
১. ফোকাস - আপনাকে ফোকাস করতে হবে ইনফিনিটি'তে। এর জন্য দূরে কোন কিছুর উপর ফোকাস করে লক তরে নিতে পারেন।
২. এপারচার - f/৮ থেকে f/১৬ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে f/১১ দিয়ে শুরু করে প্রয়োজন অনুযায়ী কমানো বাড়ানো যেতে পারে।
৩. শাটার স্পিড - আপনার যদি রিমোট শাটার রিলিজ থাকে তবে বাল্ব মোড ব্যবহার করাটাই শ্রেয়। বাজী আকাশে উড়ে গিয়ে এক্সপ্লোড করলেই বাটন টিপে দিন। শেষ হলেই আবার বাটন চাপুন। রিমোট শাটার রিলিজ বাটন না থাকলে ২ বা ৩ সেকেন্ডের শাটা স্পিড দিন। এক্ষেত্রে ২/১ টা দেখে শাটার স্পিড এডজাষ্ট করে নিতে হতে পারে।
৪. আইএসও - এটা ১০০ তে রাখলেই মনে হয় ভাল। প্রয়োজন অনুসারে আরেক ধাপ (২০০) বাড়ানো যেতে পারে।

লোকেশন এবং ফ্রেমিং আপনাকে প্রয়োজন এবং সূবিধানুযায়ী ঠিক করে নিতে হবে।
তাহলে দেখা হচ্ছে বিজয় দিবসে ...
হ্যাপি ক্লিকিং ...
-------------------------------------------------------------------------------
তথ্য সূত্র ১
তথ্য সূত্র ২
তথ্যসূত্র ৩
তথ্যসূত্র ৪
তথ্যসূত্র ৫
.... গুগল করলে আরো পাবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29286898 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29286898 2010-12-10 12:03:07
প্রিয় ইংরেজী গান - আইল্যান্ডস ইন দ্য ষ্ট্রিম
লিরিকস
Baby, when I met you there was peace unknown
I set out to get you with a fine tooth comb
I was soft inside, there was somethin' going on

You do something to me that I can't explain
Hold me closer and I feel no pain
Every beat of my heart
We got somethin' goin' on

Tender love is blind
It requires a dedication
All this love we feel
Needs no conversation
We ride it together, ah-ah
Makin' love with each other, ah-ah

Islands in the stream
That is what we are
No one in-between
How can we be wrong
Sail away with me to another world
And we rely on each other, ah-ah
From one lover to another, ah-ah

I can't live without you if the love was gone
Everything is nothin' if you got no one
And you did walk in tonight
Slowly loosen' sight of the real thing

But that won't happen to us and we got no doubt
Too deep in love and we got no way out
And the message is clear
This could be the year for the real thing

No more will you cry
Baby, I will hurt you never
We start and end as one, in love forever
We can ride it together, ah-ah
Makin' love with each other, ah-ah

Islands in the stream
That is what we are
No one in-between
How can we be wrong
Sail away with me to another world
And we rely on each other, ah-ah
From one lover to another, ah-ah

Sail away
Oh, come sail away with me

Islands in the stream
That is what we are
No one in-between
How can we be wrong
Sail away with me to another world
And we rely on each other, ah-ah
From one lover to another, ah-ah

Islands in the stream
That is what we are
No one in-between
How can we be wrong
Sail away with me to another world
And we rely on each other, ah-ah
From one lover to another, ah-ah

শুনুন তাহলে গানটি ...


উইকিপিডিয়া ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29286321 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29286321 2010-12-09 12:03:57
ফটোওয়াক @ বলধা গার্ডেন
এবারের ফটোওয়াকটাও দারুণ হয়েছে। আসলে ব্লগারদের যে কোন উপলক্ষে একসাথে হওয়ার মজাটাই যেন আলাদা। সাথে কালপূরুষ'দা থাকলে খাওয়া-দাওয়াটাও বেশ জম্পেস হয়। তো এবারের ফটোওয়াকে গিয়েছিলাম ১৬ জন। বড় সারপ্রাইজ ছিল লাভলু (লাভলুদা) আর তানিয়ার আসাটা। বর্ণনাতো আগেই সব জেনে গেছেন, তাই আর সেদিকে গেলাম না। ফটোওয়াকের পরে সবাই মিলে ঠাটারী বাজারে ষ্টার হোটেলে কাচ্চি / মোরগ পোলাও আর শেষে কালপূরুষ'দার সৌজন্যে ফালুদা - জোশ !!! ফটোওয়াক শেষ করে আমরা ৪ জন (বৃত্তবন্দি, আইরিন, হানী আর আমি) গিয়েছিলাম দনিয়া এ কে হাইস্কুলে ইভটিজিং বিরোধী পোষ্টারিং এ যোগ দিতে। যদিও পূরোটা সময় থাকতে পারি নাই। সেখানে আলাপ হলো ব্লগার পারভেজ আলম আর শিপু ভাই এর সাথে। পারভেজ আলম আন্তরিক এবং মজার মানুষ।

চলেন এবার তাহলে কিছু ছবি দেখি। হাই রেজ ছবিগুলো পাবেন এখানে























SWiBlog Photographers গ্রুপে ঘুরে আসতে পারেন অন্যান্যদের ছবি দেখার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29279362 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29279362 2010-11-28 10:41:26
ত্রিরত্নের ফটোওয়াক
আমি আমার কাজ সেরে দুপুরে পৌছে গেলাম শাহবাগ, ফোন দিলাম বৃত্তকে। কিছুক্ষণ পরেই এসে হাজির হলো। আমরা দু'জনে প্রথমে গেলাম কোহিনুর এ, কলিজার সিঙ্গারা খেয়ে রওনা হলাম চারুকলার দিকে। সেখানে ছবি তুললাম কিছু। আমি তুললাম গাছপালা আর নানারকম পোকামাকড় ক্যামেরাবন্দি করলো বৃত্তবন্দি। এরপর সেখান থেকে সোহরোওয়ার্দি উদ্যানে। সেখানে একপ্রস্ত চা খেয়ে শুরু করলাম হাটা। ঘন্টাখানেক পর আহাদিল জয়েন করলো আমাদের সাথে। তিন নেতার মাজার দিয়ে শেষ হলো ত্রিরত্নের ফটোওয়াক।

এরপর হাটতে হাটতে হাকিম চত্বরে। সেখানে কিঞ্চিত চা-নাস্তা। মাঠের মধ্যে অন্ধকারে বসে গল্প করছি এমন সময় অন্ধকার ফুড়ে সামনে এলো অন্যমনস্ক শরৎ। ক্লাস শেষ করে সিগারেট খূজতে এসেছিলো। অন্ধকারে আমাদের কেমনে দেখলো কে জানে। কিছুক্ষণ পর সে নিস্ক্রান্ত হলো তার ঢাউস একটা মোটর বাইক নিয়ে।

আমরাও নিস্ক্রান্ত হলাম আরো কিছুক্ষণ পর।

ম্যুরাল @ চারুকলা

কালের সাক্ষী

কনট্রাষ্ট

ফার্ণ

পাতাবাহার

চারা গাছ

পাতাবাহার

পামট্রি

সিল্যুয়েট

মালিকবিহীন তালগাছ


ফুল

জীবন যেমন

ফেরিওয়ালা




তিন নেতার কবরস্থান

অবহেলা

পরিত্যাক্ত

অপেক্ষা ...

কীটতত্ত্ববিদ

দ্য বস

সূর্যাস্ত
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29276517 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29276517 2010-11-23 16:26:04
ফটোব্লগ : কোরবাণী শিশু, অসুস্থ এবং দূর্বলচিত্তদের জন্য নয়
ফটোওয়াক : ঈদের আগের দিন

ইচ্ছা ছিল ঈদের ফেষ্টিভ মুডটা তুলে আনবো ক্যামেরায়। ঈদের জামাত, কোলাকুলি, বেড়ানো, খাওয়া-দাওয়া সবই থাকবে। কিন্তু দেখা গেলো কোরবাণী ছাড়া আর কিছুই তোলা হয় নাই। তারই কয়েকটা নিয়ে এবারের ফটোব্লগ।


প্রথম ছবিটা গতকাল বিকালের আর এটা কোরবাণী করার কিছুক্ষণ আগের


প্রস্তুতি শুরু ...
নিস্ফল প্রতিরোধ, অবশেষে পরাস্ত ...




স্যাক্রিফাইস ... ... স্যাক্রিফাইসড ... ...


দ্য জার্নি বিগিনস ..


পূনরাবৃত্তির অপেক্ষায় ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29273762 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29273762 2010-11-17 20:26:57
ফটোওয়াক : ঈদের আগের দিন
বাসা থেকে নিচে নামতেই চোখে পড়লো নরসিংদির এনথ্রাক্স মুক্ত পরিবেশ থেকে আমদানীকৃত কালো গরুটার দিকে। ভাবলাম এটাকে দিয়েই শুরু করি। কাল এই সময় হয়তো এ থাকবে আমার উদরে। ক্লিক ! ক্লিক !!

গেট দিয়ে বেরুতেই দেখি দুই পিচকি একটা ওয়াকারকে গাড়ী বানিয়ে খেলছে। কোন বাসা থেকে হয়তো পুরানো হিসেবে দিয়ে দিয়েছে। ওতেই তাদের আনন্দ আর যেন ধরে না।

এরপর ক্লিক ! ক্লিক !! ক্লিক !!!

ষাঁড়টার কুঁজটা বেশ, সেই সাথে ইয়েটাও <img src=" style="border:0;" />

ছাগোলস এন্ড দেয়ার কিপারস


কেউ বেচে গরু-ছাগল আর কেউ বেচে খড়-ভূষি




কয়েকহাত দূরেই ফুট ওভারব্রিজ। তবে এইভাবে একে-বেকে গাড়ীর মধ্যে দিয়ে রাস্তা পার না হলে যেন জীবনটাই বৃথা




এক সেকেন্ডের জন্যও কারও দেরী সহ্য হয় না

নিনজারাও কম কিসে ...



প্রেমিকের হাত ধরে রাস্তা পার হওয়ার মজাটাই যেন আলাদা ...


ফুট ওভার ব্রিজেে দিয়ে রাস্তা পার হবেন ? দেখেন অবস্থা !!!

ফুটপাথেও শান্তি নাই।

আজ দুইটা বোধোদয় হলো। প্রথমতঃ গরু দুই রকমের। একটার ৪টা ঠ্যাং। এইটারে ঈদের দিন কুরবানী করা হয়। আরেকটা গরু ২ ঠ্যাং ওয়ালা। যারা যে কোন সময় যে কোন পরিস্থিতিতে কুরবানী হওয়ার চেষ্টা করে।

দ্বিতীয়ক টাকা আদায়ের ২টা তরিকা আছে। ভদ্রলোকেরা ফাইল আটকিয়ে টাকা নেয়। যেটাকে আমরা বলি ঘুষ। আর ফকিরেরা রাস্তায় ঠ্যাং মেলে দিয়ে পথ আটকে টাকা চায়। যেটাকে আমরা বলি ভিক্ষা।

আপনাদরন সকলের ঈদ আনন্দে কাটুক।
ঈদ মোবারক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29273331 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29273331 2010-11-16 19:45:07
জিয়াউর রহমানের কবর হলো আজ ...
আর সে কারণেই হয়তোবা আমি জিয়াউর রহমানের ভক্ত নই একেবারেই। তার রাজনৈনিক দর্শন চুড়ান্ত রকমের ফালতু বলেই মনে করি। তবে একটা ব্যাপারে আমার কোন দ্বিমত নেই। সেটা জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক সততা। হ্যাঁ স্বীকার করতেই হবে জিয়াউর রহমান তার নিজের, পরিবারের কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের জন্য একটা পাই পয়সারও দূর্নীতি করেন নাই।

এহেন জিয়াউর রহমান যখন নিহত হলেন, তখন আমরা সবাই ভাঙ্গা স্যুটকেস আর তালি মারা নাইট ড্রেস দেখে আপ্লুত হয়েছিলাম আবেগে। তঃকারীন সরকার তার পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে তাদের কিছু সূযোগ-সূবিধা প্রদান করে। যার মধ্যে বিপুল মূল্যমানের দু'টি বাড়ী ছিল। রাষ্ট্র নিয়ম নীতি মেনে যে কাউকে সূবিধা দিতেই পারে।

এরমধ্যে অনেক জল গড়িয়েছে পদ্মা-মেঘনা-যমুনায়। খালেদা জিয়া রাজনীতিতে এসেছেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তারেক-কোকো বাবা-মার পরিচয়ের সুবাদে ব্যবসা করে বৈধ-অবৈধ প্রচুর অর্থ-বিত্তের মালিক হয়েছেন আজ।

নতুন সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ এবার খালেদার নামে বরাদ্দকৃত ক্যান্টমেন্টের বাড়ী নিয়ে প্রশ্ন তুলে। বিএনপি'র দাবী এটা আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে করেছে, কারণ এর আগে তারা গণভবন হাসিনার নামে বরাদ্দ দিয়ে ধরে রাখতে পারে নাই। হক কথা। আমার নিজেরও কিছুটা অস্বস্থি ছিল হাসিনার নামে গণভবন বরাদ্দ নিয়ে। যেটা কখনই সুবিবেচনা প্রসূত বলে মনে হয় নাই।

যাই হোক। সরকারী সিদ্ধান্তে বেরিয়ে আসে খালেদাকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ী বরাদ্দে কিছু পদ্ধতিগত ত্রুটি ছিল এবং সেটা আইনানুগও ছিল না। দেয়া হয় বাড়ী ছাড়ার নোটিশ। খালেদা জিয়ার সামনে হয়তো দু'টি পথ খোলা ছিল। এক আন্দোলন করে জনগণ কে বোঝানো যে এটা আওয়ামী প্রতিহিংসা আর দুই - আদালতে যাওয়া। প্রথমটির একটি খারাপ দিক হলো এতে জনগণ খালেদাকে লোভী মহিলা, ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করেন ইত্যাদি ভাবতো। তবে আদালতে না গিয়ে আজকের পরিস্থিতি (বাড়ী ছাড়া) সৃষ্টি হলে সাধারণ জনগণের একটা বড় অংশ খূব সহজেই এটাকে আওয়ামী লীগের প্রতিহিংসা বলেই মনে করতো। দ্রব্যমূল্য, বিদ্যুৎ ইত্যাদি নিয়ে জনগণ এমনিতেই পেরেশানিতে আছে। সো তারা খূব সহজেই বুঝতো সরকার উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর তালে আছে।

বিএনপি আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। একটা বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন - খালেদা জিয়া এদেশের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের অন্যতম। শীর্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে তার আইন আদালতের উপরে আস্থা রাখাটাই সমিচিন। আদালত রায় দিল - সরকারী সিদ্ধান্ত বৈধ। বিচার মানি, কিন্তু তালগাছ আমার টাইপের কথাবার্তা বলা শুরু করলো বিএনপির লোকজন। তাহলে আদালতে যাওয়ার প্রয়োজনটা ছিল কেন ? এরপর আপিল করা হয়েছে। আপিলে স্থিতাবস্থা রাখার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। আদালত সাতাবস্থা জারী করেননি, শুনানির দিন ধার্য করেছেন। বাড়ী ছাড়ার সময় পার হলে আপনারই তো উচিত বাড়ীটা ছেড়ে দেয়া। আপিলে জয়লাভ করলে সরকারের মূখে তুরি মেরে এই বাড়ীতেই তো আবার ফিরতে পারতেন বিজয়ীর বেশে। আর আওয়ামী লীগের কোর্টে বল দিয়ে এসেছে বিএনপি নিজেই। মওদুদ আহমেদের মতো একটা নরকের কীট থাকলে এরকমটাই সম্ভব।

অনেকেই অনেক কথা বলছেন আজ। হয়তো এটা খালেদা বা বিএনপি'র প্রেষ্টিজ ইস্যু। একটু অন্যভাবে চিন্তা করেন। খালেদা জিয়ার আজ অনেক কিছুই আছে, সম্মান, অর্থ, বাড়ী-গাড়ী কোন কিছুরই অভাব নেই। তারপরও একটা বাড়ীর জন্য পূরো দেশের মানুষকে জিম্মি করা !!!

জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় কোন ব্যক্তিগত সূবিধা নেন নাই। তার কোন আত্মীয়ের নাম আমরা জানতাম না। আর আজ !!! তারেক-কোকো কোটিডতি, সাঈদ ইস্কান্দার শাহিন, দুহিন এরকম কতো নাম আমরা জানি। তারপরও একটা বাড়ীর জন্য খালেদা জিয়াকে হরতাল ডাকতে হয়, আন্দোলনের ডিক দিতে হয় এমন একটা বাড়ীর জন্য যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই।

কি করলেন খালেদা জিয়া ? আদালতে গিয়েও আদালতকে অবজ্ঞা করলেন কি ? না, তিনি আসলে জিয়াউর রহমানকেই কবর দিলেন চির তরে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29271426 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29271426 2010-11-13 18:17:10
সামহোয়্যার ইন ব্লগ ফটোগ্রাফার্স : নতুন ফ্লিকার গ্রুপ
আমি আপনাদের এই গ্রুপে জয়েন করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনি যে পর্যায়ের ফটোগ্রাফার হোন না কেন, নবীন-প্রবীন কিংবা শখের আশা করবো এই গ্রুপে যোগ দিয়ে গ্রুপটিকে সমৃদ্ধ করবেন। আর আপনার কি ধরণের ক্যামেরা আছে সেটা নিয়েও চিন্তা করবেন না। মোবাইল ক্যামেরা থেকে ডিএসএলআর - আমরা চাই আপনি আপনার চমৎকার সব ছবি, আলোচনা আর জ্ঞান দিয়ে আমাদের সবার জ্ঞানকে আরো সমৃদ্ধ করবেন।

গ্রপের ঠিকানা - সামহোয়্যার ইন ব্লগ ফটোগ্রাফার্স ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29265499 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29265499 2010-11-02 10:58:24
জারজ'টাকে এখনই গ্রেফতার করা হোক
সরকারের কাছে জোর দাবী অবিলম্বে এই জারজ'টিকে গ্রেফতার করে বিচারের কাঠগড়ায় তোলা হোক।

জামাত নেতা গোলাম আজম ও গভর্ণর মালেক '৭১ সালে পাকসেনাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।


১৯৮১ সালের ১লা জানুয়ারী ফিলিস্তিনের যুদ্ধে শহীদ ২ জন বাংলাদেশীর জানাযা পড়তেবায়তুল মোকাররমে এলে এভাবেই গোলাম আজম'কে জুতাপেটা করেন উপস্থিত নামাজীরা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29263012 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29263012 2010-10-28 13:31:03
সিলিকা জেল
ক্যামেরা এবং লেন্স সবসময়ই শুকনো আবদ্ধ জায়গায় রাখা উচিত যাতে জলীয় বাস্প এর কোন ক্ষতি করতে না পারে। এর জন্য ডেসিকেটিং বক্স ব্যবহার করা যায়। এর সর্বনিম্ন দাম হলো ১৫০০ টাকা। এ ছাড়া ক্যামেরা যেখানে রাখবেন সেখানে সিলিকা জেল দিয়ে রাখলে সেটা জলীয় বাস্প শুষে নিবে।

বাজারে বেশ কয়েক রকমের সিলিকা জেল পাওয়া যায়।
১. সাদা সিলিকা জেল - দাম ২৫০ টাকা কেজি (খোলা)
২. নীল সিলিকা জেল - দাম ৩০০ টাকা কেজি (খোলা)
৩. কালার লেস সিলিকা জেল - দাম ৩৫০ টাকা কেজি (৫০০ গ্রাম পাউচ)

আরেকটা আছে যেটা পাউন্ড হিসেবে বিক্রি হয় এবং ১ পাউন্ডের প‌্যাকে। এটার দাম ৪০০ টাকা পাউন্ড। নীল সিলিকা জেল জলীয় বাস্প শুষে নিতে নিতে একসময় ডিসকালার হয়ে যায়। তখন তাওয়ার উপর কিছুক্ষণ ভেজে নিলে পানিটা উড়ে যায় এবং কালারটা ফিরে আসে। এটা তখন আবার ব্যবহার করা যায়। অন্য গুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, তবে সেগুলোর রং এর পরিবর্তন তেমন একটা হয় না।

---------------------------------------------------------------------------
আমি গতকাল ইত্তেফাকের উল্টোদিকে এক সাইন্টিফিক ষ্টোর থেকে সিলিকা জেল কিনেছি। কেউ প্রয়োজন মনে করলে সেখান থেকে কিনতে পারেন।

পিমকো ইন্সষ্ট্রুমেন্টস
সাইন্স কমপ্লেক্স বিল্ডিং
৩৪, শহীদ নজরুল ইসলাম সড়ক (হাটখোলা রোড)
ঢাকা ১২০৩
ফোন ৭১২০২৯০]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29261674 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29261674 2010-10-26 14:23:54
ফটোওয়াক কিংবা পূজো মন্ডপ পরিদর্শন (পর্ব ২) ফটোওয়াক কিংবা পূজো মন্ডপ পরিদর্শন (পর্ব ১)

রমনা কালী মন্দির


শাঁখারী বাজারের একটি পূজা মন্ডপ


ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দূর্গা প্রতিমা


শিব মন্দির @ ঢাকেশ্বরী


অ্যানথ্রাক্সের কারণেই কি মাংসের দোকানে ছিলা মুরগী ?


পূরান ঢাকার আরেক ঐতিহ্য - বিরিয়ানীর দোকান


চটপটি


কুটিরশিল্প


ঈদ কিংবা পূজো - আনন্দ তো বাচ্চাদেরই


না ফোটা পদ্ম


মুরালী - কোনটা নিবেন ?


আগামীর নায়ক


পূরান ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম


ভ্যান ভ্রমন


ভ্যান ভ্রমন


ভ্যান ভ্রমন


ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ভিতর ব্লগারদের একাংশ


গব্বর সিং (বৃত্তবন্দীর তোলা)

------------------------------------------------------------------------------
উইকিপিডিয়ায় কিছু ছবি পাঠিয়েছিলাম ..

হ্যান্ডিক্র্যাফটস
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দূর্গা পূজা
শিব মন্দির
রমনা কালী মন্দিরের গেট ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29256952 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29256952 2010-10-18 00:36:58
ফটোওয়াক কিংবা পূজো মন্ডপ পরিদর্শন (পর্ব ১)
হ্যালো ! হ্যালো !! মাইক্রোফোন টেষ্টিং !!! থুক্কু ক্লিক ! ক্লিক !! ক্যামেরা টেষ্টিং !!!

দ্বিতীয় ঘটনা আমার নিজের। ফটোওয়াকে আহবায়ক হিসেবে একটু আগেই উপস্থিত হওয়া দরকার ছিল। উত্তরা থেকে শাহবাগ যেতে দুই আড়াই ঘন্টাও লেগে যায় ইদানিং। হিসাব করে আমি ঠিক করলাম ৮টায় বের হয়ে যাব, এরাউন্ড ১০টায় আমি পৌছে যাব। সেই মতো আমি ৫টায় উঠে গোসল করে, কিছুক্ষণ নেট ব্রাউজ করে ৭টার মধ্যে রেডি হয়ে নাশতা করতে বসলাম। বোন এসে জানাল অয়ন ক্লাসে যাবে। আমি ইচ্ছা করলে ওর সাথে গাড়ীতে যেতে পারি। দূলাভাই অফিসের কাজে খূলনা যাচ্ছে, সুতরাং গাড়ী শাহবাগে আমাকে নামিয়ে দিয়ে আসতে পারবে। সুতরাং আমি নাশতা সেরে গাড়ীতে উঠলাম। ছবির হাটে নেমে মোবাইল বের করে দেখি সময় ৮:৫০। কি আর করা। ছবির হাটের চলমান স্থাপত্য কর্ম দেখে সময় কাটানোর চেষ্টা করলাম। দুই কাপ চা খেলাম। তাও দেখি সময় কাটে না। প্রথম আসলো বৃত্তবন্দি আর সবার শেষে আসলো যেমন ইকনোমিক্স। তখন ঘড়ির কাঁচা ১১টা পার হয়ে গেছে অনেক আগেই। শেষ পর্যন্ত আমরা আমাদের ঐতিহাসিক ফটোওয়াক শুরু করতে পারলাম।

সামনে রাষ্ট্রপ্রধান, পিছনে বাংলাদেশ ফয়সল এসকর্ট করে নিয়ে যাচ্ছে ৩ নারী ব্লগারকে

কালপূরুষ'দা ক্যামেরা এনেছিলেন ২টা। একটা ধার দিলো আইরিনকে। আর আইরিন ক্যামেরা হাতে পেয়েই শাটার টেপা শুরু করলো। শেষে তাকে বলা হলো বালিকা এইটা ডিজিটাল ক্যামেরা না, এক ফিল্মে ছবি নেয়া যায় ৩৬টা। কালপূরুষ'দা অবশ্য আশ্বস্থ করলেন এই বলে যে আরেকটা রোল দেয়া যাবে। আমরা উদ্যানের মধ্যে দিয়ে রমনা কালী মন্দিরের দিকে এগুতে থাকলাম। পথে ফুল, প্রজাপতি, গাছ, ঘুমন্ত মা আর সন্তান সহ আরো অনেক কিছুর ছবি তুলতে ব্যস্ত হলো সবাই। আর্ট কলেজের ছাত্ররা দেখলাম শিল্প চর্চায় ব্যস্ত। আরো কিছুদূর এগুতেই দেখি রাস্তায় এক ফাজিল শুয়ে আছে লুঙ্গিটা কোমরের উপরে তুলে দিয়ে। ভাল করে খেয়াল করি নাই, ব্যাটার জননাঙ্গে মনে হয় কোন সমস্যা ছিল সেটাই সে প্রদর্শন করছিলো। আমি কিছুক্ষণ এক প্রজাপতির ছবি তোলার ব্যর্থ চেষ্টা করলাম। শেষে মনে মনে আবৃত্তি করতে করতে আবার রওনা হলাম ...

প্রজাপতি, প্রজাপতি
কোথা যাও নাচি নাচি
দাঁড়াও না একবার ভাই।


মা ঘুমাচ্ছে তার এক সন্তানকে নিয়ে, আরেকজন চেয়ে অসহায় দৃষ্টিতে
অবশেষে রমনা কালী মন্দিরে পৌছে দেখি প্রতিমা বহু দূরে। আমার জুম (৫০ এমএম) এটা কাভার করবে না। শেষ পর্যন্ত অন্যদের দেখাদেখি জুতো খূলে পূজোর অংশে বেদীর কাছাকাছি চলে গেলাম। ছবি কিছু তুললাম। তবে হিন্দু ধর্মালম্বিরা মনে হয় আমাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজেই টের পাচ্ছিলো যে আমরা হিন্দু না। যদিও কিছু বলে নাই। আমরা যখন রমনা কালী মন্দির থেকে বের হবো, ঠিক সেসময়েই আমাদের সাথে এসে জয়েন করলো একরামূল হ শামিম। এখান থেকে বের হয়ে আমরা রওনা হলাম শাঁখারী বাজারের দিকে ছয় রিক্সা নিয়ে, মোটমাট ১২ জন। পথে যানজটের কারণে অনেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম। আমি বুদ্ধি করে আমাদের রিক্সা নিয়ে গেলাম তাঁতী বাজারের মূখে, আমাদের পিছনে এসে হাজির যেমন ইকনোমিক্স আর তার বান্ধবী। আর বাংলাদেশ ফয়সল আর নিশো পথ হারিয়ে ফেললো আমাদের কাছাকাছি এসে। ওদের রিক্সাওয়ালা পূরানো ঢাকার কিছু চেনে না আবার ওরাও চেনে না। প্রায় আধা ঘন্টা ধরে ফোনাফুনির পর ওদের টিকির দেখা পাওয়া গেল। ফয়সল এসে জানাল একধরণের ১৮+ দূর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার কারণেই মূলতঃ এই বিপত্তি। এদিকে আইরিন, আহাদিল আর কালপূরুষ'দা জায়গামতো পৌছে বার বার ফোন করছেন। আমিও তাঁতী বাজারের ভিতর দিয়ে রওনা হলাম শাখারী বাজারের দিকে। পথে মাঝে মধ্যে লোকজনকে জিজ্ঞাসা করে নিচ্ছিলাম যাতে এই সরু গলির গোলক ধাঁধায় হারিয়ে না যাই। ফোনে কথা বলে কালপূরুষ'দাও বাকিদের নিয়ে রওনা হলেন আমাদের দিকে। কোন এক জায়গায় আমাদের দুই দলের দেখা হয়ে গেল। এরমধ্যে ছবি তোলা হচ্ছিলো অনেক।

লা জবাব

শাখারী বাজার খূবই সরু একটা গলি। গলির মাঝেই বাঁশ আর কাঠ দিয়ে ৬/৭ ফিট উচু পাটাতন তৈরী করা হয়েছে। নিচ দিয়ে লোকজন মাথা নিচু করে পারাপার হচ্ছে আর পাটাতনের উপরে তৈরী করা হয়েছে মন্ডপ। সেখানেই স্থাপন করা হয়েছে দেবী দূর্গার প্রতিমা। মাঝামাঝি জায়গায় সরু করে একটা সিড়ি রাখা হয়েছে, পূজারীরা উপরে উঠে পূজা দিচ্ছেন। শাখারী বাজারে প্রতি এক-দেড়শ গজ পরপরই এরকম পূজা মন্ডপ। তাঁতী বাজারে সংখ্যাটা একটু কম। কোন মন্ডপে হয়তো পূরোহিত মনত্র পাঠ করছেন তো পরের মন্ডপেই বাজছে হিন্দি গান। এটা আমার কাছে একটু অড লেগেছে। ছোটবেলায় ময়মনসিংহে যেসব পূজা দেখেছি সেখানে সবসময়ই নানারকম ভক্তিমূলক গান বাজতে দেখেছি আর সন্ধ্যার পর আরতি সহ হতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর একটা ব্যতিক্রম দেখলাম। ময়মনসিংহে পূজা দেখতে গেলে সেই আমলে লুচি-নিরামিষ বা খিচুরী খেতে দিত। এখানে সেরকম কোন ব্যবস্থা দেখলাম না। চিন্তা করে দেখলাম ঢাকায় আসলে এটা সম্ভবও না। প্রসাদ হিসেবে দেখলাম ছোট ছোট চিনির মিষ্টি দিচ্ছে। অবশ্য আমি খূব একটা শিওর না ওটা প্রসাদ ছিল কিনা, তয়েকজনকে দেখলাম পূজো দিয়ে হাতে করে নিয়ে আসতে।

সাপে বাজায় বীণ, নাচে কেবল মানুষ তা ধিন ধিন বৃত্তবন্দী

শাঁখারী বাজার থেকে বের হয়ে কালপূরুষ'দা বললেন তিনি আমাদের নতুন একটা আইটেম খাওয়াবেন, যদি সেটা পাওয়া যায়। কেউ হেটে কেউবা রিক্সায় রওনা হলাম বাংলাবাজার টৌরাস্তার দিকে। আমি ভুল করে রাষ্ট্রপ্রধান আর ফয়সলকে নিয়ে হাজির হলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ওভার ব্রিজের কাছে। পরে ফোন করে জানলাম দাদা গেছেন আরেক মোরে লালকুঠির কাছে ক্যাফে কর্নারে। আবারও হাটা। পৌছে দেখি সবাই ওয়েট করছে আমাদের জন্য। প্রথমেই এলো পাঁকা পেঁপেঁ। সেটা শেষ হতেই এলো ক্র্যাম্ব চপ। এটা নিয়ে আগেই একটা পোষ্ট দিয়েছি, তাই বিস্তারিত আর লিখলাম না। এরপর এলো ধূমায়িত চা। ১২ জনের মধ্যে মনে হয় ৯ জন চা খেলো। কে জানি কানের কাছে বলে উঠলো আইরিন নাকি কালো হয়ে যাবার চিন্তায় চা খায় না। এখান থেকে বের হতেই শামিম বিদায় নিলো। ও এখন সমকালে চাকরি করছে বিকালের পালায়। আমরা হেটে রওনা হলাম আহসান মঞ্জিলের দিকে। পথে বৃষ্টি আমাদের বাধাগ্রস্ত করলো কিছুটা। দাদা এই সূযোগে পাটুয়াটুলির এক দোকান থেকে ভাবীর জন্য একটা কালো ঘড়ি কিনে ফেললেন কালো শাড়ীর সাথে পড়ার জন্য। আহসান মঞ্জিলের কাছে এসে বৃষ্টি বেড়ে গেল। আমরা আশ্রয় নিলাম পাশের এক মার্কেটে। আর তখনই ফোনে বৃত্তবন্দীর কাছে জানলাম আহসান মঞ্জিল বন্ধ। দোষটা আমারই, এটা মাথাতেই আসে নাই।

এরপর কিছুক্ষণ শলাপরামর্শ হলো কোথায় যাওয়া যায় - লালবাগ কেল্লা নাকি ঢাকেশ্বরী মন্দির। শেষ পর্যন্ত ঠিক হলো ঢাকেশ্বরী মন্দিরেই যাব। কিন্তু কি মুশকিল, কোন রিক্সাই যেতে চায় না। খালি একটা ভ্যান দেখে কেউ একজন জিজ্ঞাসা করে বসলো যাবে কিনা। ব্যাটা ভ্যানওয়ালা নিমেষেই রাজি। সবাই হৈ হৈ করতে করতে সেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রওনা হলাম ঢাকেশ্বরীর দিকে। নানা অলিগলি পেরিয়ে অবশেষে আমরা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে। এর মধ্যে যীশুও আমাদের সাথে জয়েন করলো। এখানেও বেশ কিছু ছবি তোলা হলো।

রমনা কালী মন্দিরের প্রবেশ পথ

এখানে এক ফটো সাংবাদিকের কান্ড দেখলাম। সে ছবি তুলছিল বেদীর বাইরে থেকে, সামনে বেদীর উপর পূজারীরা আসছে যাচ্ছে। ব্যাটা সাংবাদিক বার বার একে তাকে "এই সরেন" "সামনে আসেন কেন" এই জাতীয় কথা বলছে। আমি তার কান্ড দেখছিলাম। আমাকে তাকাতে দেখে বলে এই মোবাইল গুলার জ্বালায় ছবি তোলা দায়। আমি তাকে বললাম ওরা আসছে পূজা করতে আর আপনি আসছেন ছবি তুলতে। এভাবে আপনি বলতে পারেন না। ছবি তোলার ইচ্ছা থাকলে জুতা খূলে উপরে উঠে গিয়ে ছবি তুলেন। আমার কথা শুনে আমার দিকে কতক্ষণ কটমট করে চেয়ে থেকে সরে গেল লোকটা।

এরপর বিদায়ের পালা। কয়েকটা গ্রুপ ছবি তোলা হলো। যেমন ইকনোমিক্স দেখি সবার ইমেইল এড্রেস আর ফোন নাম্বার কালেক্ট করছে। সব শেষে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমি আর দাদা বিদায় নিয়ে চলে এলাম আজিমপূর, উত্তরার বাস ধরার জন্য।

কালকের ফটোওয়াকের সময় আমার যেটা মনে হয়েছে এই ১২-১৩ জন ব্লগারের মধ্যে মাত্র কয়েকজনেরই পূরান ঢাকা, পূজা ইত্যাদির ব্যাপারে জ্ঞান আছে, যদিও অন্যান্যদের আগ্রহ ছিল ব্যাপক। আর এই ব্যাপক আগ্রহের কারণেই সবাই এসেছে। আমার নিজের খ্রীষ্টানদের বড়দিন বা বৌদ্ধদের মাঘী পূর্নিমা ইত্যাদির কোন অভিজ্ঞতাই নেই। ভাবছি এখন থেকে সব পালা পার্বনেই ক্যামেরা হাতে বেরিয়ে পড়বো।

[এর পরের পর্বগুলো হবে একেবারেই ফটো ব্লগ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29255830 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29255830 2010-10-16 02:53:35
ফটো অফ দ্য ডে
বস্তুটি ত্র্যাম্প চপ। মূল উপাদান ছাগলের মাংস। এটাকে ভাঁজা হয় বিস্কুটের গুড়ো সহযোগে। আমার অবশ্য মনে হয়েছিল এটা কাটলেট। তবে সুস্বাদু খাবারের নামে কি বা আসে যায়। মূল্য প্রতি পিস মাত্র ৬০ টাকা। পাওয়া যায় বাংলা বাজারের অনতিদূরে লালকুঠির সন্নিকটে ক্যাফে কর্নার নামের এক রেস্তোরায়।

আপনাদের জন্য এই তৃপ্তিদায়ক খাবারটির একটা নমুনা দিলাম।

মুশকিল হলো আমার ঠিক পাশেই বসেছিলো একরামুল হক শামিম। খাদ্য রসিক হিসেবে যার ব্যাপক পরিচয় আছে। আমি ক্যামেরা অন করে শাটার স্পিড, এপারচার, আইএসও ঠিক করে যেই প্লেটের দিকে ফোকাস করেছি, দেখি এই অবস্থা। কি আর করা। জানেনই তো কাবাব মে হাড্ডি হ্যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29255140 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29255140 2010-10-14 21:39:45
ব্লগীয় ফটোওয়াক
তারিখ - ১৪ই অক্টোবর ২০১০ বৃহ্স্পতিবার
সময় - সকাল ১০:৩০
স্থান - শাঁখারী বাজার + আহসান মঞ্জিল
জমায়েতের স্থান - ছবির হাট, শাহবাগ
(যাতায়াত এবং খাওয়া-দাওয়া নিজ নিজ দায়িত্বে)

আপাতত যারা যাবেন
১. আহাদিল
২. যীশু
৩. বৃত্তবন্দী
৪. বাংলাদেশ ফয়সল
৫. কালপূরুষ'দা
৬. মনসুর
৭. রাষ্ট্রপ্রধান
৮. জসিম
.....
এবং ক্যামেরাম্যান
সৌম্য এবং গুরুজী (সম্ভাব্য)

যারা যেতে আগ্রহী নাম/নিক এবং ইমেইল বা সেল নাম্বার দিন, প্লিজ।

ক্যামেরাম্যান ০১৯১২০৪৩৫৩০
----------------------------------------------------------------
য়ীশুর ছবিব্লগ: পূজা পর্ব ১
য়ীশুর ছবিব্লগ: পূজা পর্ব ২ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29252058 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29252058 2010-10-09 19:22:27
প্রিয় ইংরেজী গান
মনে হয় কপিরাইটের ঝামেলায় সামুতে ভিডিওটা আসছে না। আলাদা করে ২টা লিংক দিলাম।
ইউটিউব লিংক
ডেইলিমোশন লিংক
ইউটিউবে গানটি ৪৮০পি বা ৭২০পি এইচডি তে শুনতে হবে, নাহলে সাউন্ড শোনা যাবে না।

সাথে আরো একটা গান ঘুরছিলো মাথায়, মনে হচ্ছিলো এটাও মনে হয় ব্লন্ডির গাওয়া। কিন্তু পেলাম না। স্কুল লাইফের এক বন্ধু ফোন করতেই ওকে জিজ্ঞাসা করলাম। ও বললো ইউরিদমিক্স এর কথা। শেষে আবারও শরনাপন্ন হলাম অন্তর্জালের। "ওয়ান ওয়ে টিকেট" গেয়েছিল ইরাপশন। ভারতের উষা উত্থুপ মনে হয় হিন্দিতে এটার একটা রিমেক ভার্ষন বের করেছিলেন। আপনাদের জন্য অরিজিনাল টাই দিলাম।



ব্লন্ডি'র অফিসিয়াল সাইট
ব্লন্ডি @ উইকিপিডিয়া
ইরাপশন @ উইকিপিডিয়া ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29250974 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29250974 2010-10-07 18:05:06
ফটো অফ দ্য ডে ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29248242 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29248242 2010-10-01 22:38:16 মনসুর আড্ডার ডাক দিয়েছে ...
আবদুল্লাহ আল মনসুর গতবছরের সফল আড্ডার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আবার একটা আড্ডার ডাক দিয়েছে।

তারিখ : ১লা অক্টোবর ২০১০
সময় : বিকাল ৪:৩০
স্থান : পাবলিক লাইব্রেরী, শাহবাগ

আস্তিক-নাস্তিক-ধার্মিক-অধার্মিক সাধারণ-অসাধারণ সব ব্লগারই আমন্ত্রিত, শুধূমাত্র জামাত-শিবির এবং এদের যে কোন পর্যায়ের সমর্থক বাদে।

মনসুরের আড্ডা পোষ্ট (মন্তব্য এখানেই)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29247655 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29247655 2010-09-30 18:31:13
লেনোভো বিষয়ক সমস্যা
আমি জানি ডেলের একটা মাষ্টার পাসওয়ার্ড থাকে। লেনোভোর কি এরকম কিছু আছে ?

কোন সাজেশন থাকলে প্লিজ হেল্প করেন। আগাম ধন্যবাদ রইলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29244168 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29244168 2010-09-23 22:44:13
জিপিএস কোথায় পাব ?
ঢাকায় কোথায় পাব এবং সম্ভাব্য দাম কত হতে পারে ?

ইবে তে কমদামি পেলাম এটা ১৯.৮৯ ডলার ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29242259 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29242259 2010-09-20 10:00:21
লাইট পেইন্টিং
যা যা লাগবে - একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা (হাইব্রিড / সেমি ডিএসএলআর হলেও চলবে যেখানে ম্যানুয়াল সেটিং এ শাটার স্পিড নিয়ন্ত্রণ করা যায়), একটা ট্রাইপড (না পেলে উচু টেবিল, আমি টেবিলের উপর রাখা সিপিইউ ব্যবহার করেছি) আর একটা টর্চলাইট।

যেভাবে করবেন - প্রথমে আপনার ডিএসএলআরের ম্যানুয়াল সেটিংস এ যান। সেখানে আপনার লেন্সের সর্বোচ্চ বা এর কাছাকাছি এপারচার সেট করিন। আমি ৩.৫ / ৪.৫ এগুলো ব্যবহার করেছি। এরপর শাটার স্পিড সেট করুন ৫ - ৮ সেকেন্ড। আমি করেছিলাম ৫ সেকেন্ড। আইএসও সেট করুন ১০০। অটো বা বেশী দিলে ছবি খূব একটা ভাল আসবে না। এরপর ক্যামেরার সেলফ টাইমারটি অন করুন। ১০ সেকেন্ডের টাইমার দিলেই হবে। এরপর ক্যামেরাটি ট্রাইপড বা উচু টেবিলের উপর রাখুন। এরপর শাটার টিপে দিন। মনে রাখবেন ১০ সেকেন্ড পর শাটার খূলবে। আপনি টর্চলাইট জ্বালিয়ে ক্যামেরা থেকে ৩-৪ ফিট দূরে দাড়ান। ১০ সেকেন্ড পর যখন শাটার খূলবে জলন্ত টর্চলাইট দিয়ে শুন্যে কিছু লিখুন বা আকুন। মনে রাখবে আপনার সময় ৫-৮ সেকেন্ড (যেটা শাটার স্পিড হিসেবে সেট করেছেন)। যদি শাটার বন্ধ জওয়ার আগেই আপনার লেখা বা আকা শেষ হয়ে যায় তবে টর্চলাইট নিভিয়ে (অফ) করে ফেলুন। এবার প্রিভিউতে দেখুন কি দেখা যায়। প্রথমবারেই হয়তো পারফেক্ট হবে না। ট্রায়াল এন্ড এরর সিস্টেমে চালিয়ে যান।

আমি সর্বাংশে সফল হইনি একারণে যে এখনও পূরো একটি শব্দ লিখতে পারিনি। লেখাগুলো জড়িয়ে যায়। হয়তো আপনি পেরে যাবেন। আরেকটা কথা লেখা কিন্তু উল্টা আসবে। যে কোন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে সোজা করে ফেলুন।

এই সেই ইউটিউব ভিডিও...

হ্যাপি লাইট পেইন্টিং !!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29233281 http://www.somewhereinblog.net/blog/cameramanblog/29233281 2010-09-01 00:51:30