আমার প্রিয় পোস্ট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে গেলাম! ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই!! থ্যাংকস্ বিআরটিএ! - পাললিক মন
- আর্কিটেক্ট রিকশাচালক ও পরশ পাথরের গল্প - ই য়া দ
- চাঁদ নেমে আসে, আমার জানালার পাশে ... - সোহায়লা রিদওয়ান
- “আমি তোমায় ভালোবাসি” – এটার মানে কি রে ভাই?! - নাবিলা ইদ্রিস
- গণিতের সাহায্যে সিংহ শিকার - ম্যাভেরিক
- স্বেচ্ছাসেবা - ওয়ারা করিম
- জীবন এক অপূর্ব তুর্কি ঘোড়া ! - সোহায়লা রিদওয়ান
- **আলো ও অন্ধকারের গল্প** - বোহেমিয়ান কথকতা
- তারুণ্যে মুখরিত, সচেতন প্রাণে উজ্জীবিত কমিউনিটি অ্যাকশন আয়োজিত অগ্নি প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত - বোহেমিয়ান কথকতা
- উদ্বায়ীরা উধাও হও... - বিবেক সত্যি
- ~ প্রিয় যত পোস্ট ২ ~ [আপডেটেড] - জনৈক আরাফাত
- আমি আছি...আমি আছি... - ওমর নাসিফ
- জীবনের অর্থ খুজতে গিয়ে .... - আনহা
- আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........ - তায়েফ আহমাদ
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- কবিতা - সাকীব
- মাথার কাছে মায়ের শাড়ি - বিবেক সত্যি
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- গরীববেলার স্মৃতি-৩ (ঈদ উপলক্ষে রিপোস্ট) - আবু সাঈদ আহমেদ
- রঙধনু রঙে রাঙুক আমার স্বাধীনতা,আমার বিজয় - বোহেমিয়ান কথকতা
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- রূপসী বাংলা : জীবনানন্দ দাশ - একরামুল হক শামীম
- উদ্ভাবন - শাহীন আঁখি
- কিছু করার চেষ্টা - বাবুনি সুপ্তি
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- ছেলের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিকট আব্রহাম লিংকনের চিঠি। - ভিন্ন চিন্তা
- বাবাকে ছুঁয়ে দেখবো বলে - জাহিদ মজুমদার
- চৌদ্দগ্রাম শাখা ব্র্যাক অফিসে খুন রিক্সা চালক আব্দুর রশিদের সন্তানদের মুখ - অণৃণ্য
- উচ্চাকাঙ্ক্ষাহীন জেলে এবং দূরদর্শী পরামর্শদাতা - ম্যাভেরিক
- একটা বোনের জন্য হাহাকার - বিবেক সত্যি
- প্রসঙ্গ: এপ্রিল Fool: আসুন একটু ভাবি.. - ইঊসুফ সুলতান
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- আঁস্তাকুড়ে মরে পড়ে থাকা বেড়াল - শব্দ স্বনন
- ঘুম পাড়ানী মাসি পিসি......... - ফারজানা মাহবুবা
- শিক্ষাব্যবস্থা, ক্ষয়িষ্ণু সংস্কৃতি, যুদ্ধাপরাধী ইস্যু, জাফর ইকবাল ও আমাদের বুদ্ধিজীবি সমাজ- আপাত বিক্ষিপ্ত প্রাসঙ্গিক ভাবনা - সীমান্ত আহমেদ
- IBA Method ফলো করুন, শিক্ষাঙ্গন একদিনে ঠিক হয়ে যাবে। গ্যারান্টি!! - পাললিক মন
- বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ! - পাললিক মন
- জ্বলছে জাহাজ . . . - বিবেক সত্যি
- হয়তো ভালোবাসা গল্পে ছিল... - ভাঙ্গা পেন্সিল
- জল টলমল - অনাহুত আগন্তুক
- টক লাইক আ ফিজিসিস্ট দিবস - মুহাম্মদ
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- গাজায় ফিলিস্থিনীদের উপর নেমে আসা মানুষের তৈরী বিপর্যয় আর সুবিধাবাদী দালাল শ্রেনী। - এস্কিমো
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
আহা ... যদি সব কিছুই কপি-পেস্ট করা যেত !!!!
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
সন্ধানীর ভল্যান্টারী মানে টানা কাজ আর কাজ। মোটিভেশন , এটাই সবচে ইম্পরট্যান্ট। রক্তদানে উৎসাহ দেয়া , বুঝিয়ে বলা, আশস্ত করা।আর টেবিলে বসলে তো সারাক্ষন কাজ! এবার বইমেলা উপলক্ষে টিএসসি তে একুশে ফেব্রুয়ারীর দিন ছিলাম আমি। কাজ করছি সবাই। একটানা। কত রকম আর কত বয়সের মানুষ যে আসছে।
রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হচ্ছে। অনেকে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে রক্ত দিতে আগ্রহী হয়ে বসে পড়ছেন। আমি দরজায় আছি। হাসিমুখে অভর্থনা জানাচ্ছি । কোন এক সময় টের পেলাম আমার শাদা ডাক্তারী এপ্রনটার কোন ধরে কেউ টান দিচ্ছে।
পাশ ফিরে নিচু হতেই , সাধারন দৃশ্য। ছোট একটা ছেলে। পথের জিনিশ। ধুলো বালি মাখা। অপুষ্ট। এদের অনেক দেখা যায় , হাইকোর্টের আশে পাশে ... বড় রাস্তা গুলোর সিগনালে।
তারপর , সে তার ভাষায় আমাকে কিছু একটা বোঝাতে চাইলো।
আমাকে ডাক্তার ভেবে ফেলেছে ,যেটা হতে এখনো অনেকদিন বাকি।
তার ভাঙ্গা ভাঙ্গা কথা বোঝা, এতো ভীরের মাঝে খুব ই কষ্টকর। তারপরও নিচু হয়ে জানতে চাইলামঃ কি হয়েছে ?
কিছুদিন আগে সে হাটতে হাটতে পড়ে গিয়েছিল হটাৎ করে । তার ভাষায়ঃ ক্যামতে য্যান উষ্টা খাইসি...... সে বলতে পারেনা কিভাবে পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রায় ই নাকি সে এভাবে হুট হাট পরে যায়। তারপর সে আমাকে দেখাতে চাইলো, কিছুদিন আগে পরে যাওয়াতে সে তার পায়ে খুব ব্যাথা পেয়েছিল,সেটা ।সে বলছিল, কিছু একটার সাথে আঘাত লেগেছিল। অনেক রক্ত বের হয়েছিল। খুব ব্যাথা হয়েছিল। অনেক ক্ষন আর উঠে দাড়াতে পারেনি। কিছুদিন খুব কষ্ট হয়েছিল হাটতে। এখনো অনেক কষ্ট হয়।
আমি এবার খুব ভালো করে তাকালাম ওর দিকে। বয়স নয়-দশ হতেও পারে। সারা গায়ে অসম্ভব ময়লা । ছোট্ট প্যান্ট। হাত গুলোতে অনেক ময়লা। মুখেও তাই। ঠোটের কোনে ইনফেকশন। হাতে একটা ময়লা কাগজ টাইপ। দুর্বল শরীর। দুর্বল চাহুনি। কিন্তু হাসি হাসি মুখ।
আর হটাৎ বুঝতে পারলাম, সে আপ্রান চেষ্টা করছে দাঁড়িয়ে থাকার। সে আসলে পড়ে যাচ্ছে !!
ওকে নিয়ে বসালাম চেয়ারে। অনেক নোংরা পা থেকে ক্ষতস্থান ট্রেস করতে পারছিনা আমি। ছেলেটার কিছু একটা হয়েছে, বসে আছে স্থির। বড় বড় স্বাস প্রশ্বাসের শব্দ পাচ্ছি। ও দেখিয়ে দিল কোথায় ব্যাথাটা। যথেষ্ট বড় ক্ষত !! সেখানে ময়লা ঢুকে এমন ভাবে ঢেকে গেছে , রক্ত জমাট বেধে গিয়ে... খারাপ অবস্থা। ড্রেসিং করলাম অন্য ভলান্টিয়ার দের সাহায্য নিয়ে। ব্যান্ডেজ বাধার পর জানতে চাইলাম , কি কি সমস্যা ওর। ওর একটাই কথা, মাথা ঘুরায় পরে যায়। তখন সে কিছু দেখেনা চোখে। কোন সময়টায় হয়, জানালো সকাল বেলাটায়। নাস্তা খাওয়ার আগে না পরে ?
হায়রে আমার প্রশ্ন, ওদের নাস্তা খাওয়ার কোন সময় কি আছে নির্দিষ্ট ?
: কখন কখন খাও তুমি ?
: আমিতো সারাদিন ই খাই! অনেক কিসু খাই।
এই তার কথা। কিন্তু সে সকালে কিছু খায়না তেমন। তার সারাদিনের অনেক কিছু হলো, আপা ভাইয়াদের আধা খাওয়া না খাওয়া ফাস্ট ফুড, ড্রিঙ্কস এর বোতলের তলায় যদি পাওয়া যায় কিছু ফোটা। আর কিছু টাকা হলে কলা-বন । কিন্তু এসব যোগারে অনেক বেলাই হয়ে যায়। সকাল টাইমটা তাই খাওয়া হয়না তার। অথচ একটা শিশুর জন্য সকাল যথেষ্ট ভাইটাল টাইমিং । এসময়ের খাওয়া তারা সারাদিনের কাজের শক্তির জন্য , জেগে থাকার জন্য ,সর্বোপরী সুন্দর দিন শুরু জন্য ভীষন জরুরী। অবশ্য এই সব কথা এদের জন্য তো প্রযোজ্যই না !
সকালে ঠিক মত পাকস্থলীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনা সে, তখন তার শরীর তার সাথে বিট্রে করে।
কিছু হাল্কা খাবারের ব্যাবস্থা করলাম। কারণ ছেলেটাকে তো হেঁটে উঠে যেতে হবে । টি এসসির সেখানে আইস্ক্রিম , বিস্কিট ছাড়া কিছু পেলামনা কিনে দেবার। দুর্বল ছেলেটার জন্য সামান্য সময়ের শক্তির ব্যাবস্থা। কিন্তু এটা কোন সমাধান ই না!
এক দুই ঘন্টার জন্য হয়তো, তারপর ?
কিন্তু এর বেশি আমি কি করবো ? এর বেশি আমি কি ই বা করতে পারি ?? আমি এতো অসহায়। কয়দিন পারবো ,যা আছে ক্ষমতা তা দিয়ে ? আমার সামর্থ নেই এর বেশি!
আই - এম -সো -পাওয়ারলেস ! :-(
আবার কাজে নেমে যেতে হলো ।
উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টিতে আমার পেছনে অনেকক্ষন বসে থেকে হটাৎ কখন ছেলেটা চলে গেল , আমি টের পাইনি !
(স্টোরী অফ নাবিলা)
![]()
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কেমন আছেন ভাইয়া ?
আসলে টেনশনে আছি , সময় এত তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছে । জানুয়ারি , ফেব্রুয়ারি , মার্চ ............. ইদানিং তেমন কিছুই করা হয়না । আগে ছিল অফিস - মুভি - নিউজ আর টুকটাক পড়া
এখন শুধুই অফিস আর ঘুম
পোস্টটা পড়ে সত্যিই অনেক মন খারাপ লাগল , খানিকটা সময় ভাবলাম ........কত কি দেখি , তারপর ভুল যাই । ভুলে গেলেই যেন সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে ।
কেমন চলছে ?
লেখক বলেছেন: হুম। আমরা খুব তারাতারি ই সব ভুলে যাই।
অফিস ,ঘুম... মুভি বাদ পরলো কেনো ?
নিউয না হয় নাইবা পড়লেন। পড়লেই অসুস্থ্য লাগবে ... ...
আমার চলছে ... ... চলছে একরকম ।। :-)
লেখক বলেছেন: সিনিয়র ভাই ঠিকি বলেছিলেন ... ... ...
নইলে পৃথিবী ব্যাপীএতো অবিচার, এতো অনাচার ,এতো অসহায়ত্ব দেখা সম্ভব না ... ...
লেখক বলেছেন: আপ্পি,আপনি আবারো আসবেন আমার ব্লগে ?? তাইলে আমাকেতো লিখতে হবে মাঝে মধ্যে :-( .... আমিযে লিখতে জানিনা তেমন !
আপনার অটিসম নিয়ে লেখাগুলো আমার কিইযে কাজে লেগেছে, বোঝাতে পারবোনা !!ওখানে জানাতে পারিনি...
আপনাকে কোটি কোটি থ্যাঙ্কস!!
হাসান মাহবুব বলেছেন:
চমৎকার লেখা।
লেখক বলেছেন: এটা একটা সত্য ঘটনা। কাল্পনিক কোন চরিত্রের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই! :-)
যেটা ঘটেছে না.ই. ছিল ... সন্ধানীর ভলান্টিয়ার।
ধন্যবাদ হাসান ভাইয়া।
টুশকি বলেছেন:
ছেলেটার জন্য খুব খারাপ লাগলো।দোয়া করি ছেলেটা সম্পুর্ন সুস্থ্য হয়ে যাক, আর কারো যেন খাবারের জন্য এত কষ্ট না করতে হয়। তুমি তো তাও অনেক করেছ। এটুকু কয়জন করে। আমি নিজেও হয়ত কিছুই করতাম না।
লেখক বলেছেন: যে ছিল ভলান্টিয়ার, ও করেছে কিছু, কিন্তু তাতে ও একটুও সন্তুষ্ট না। আপসেট বরং। শিশুরা সব যায়গায় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে ...আফ্রিকায় অনাহারে মারা যাচ্ছে, ফিলিস্তিনে ,ইরাকে ক্ষত বিক্ষত লাশ হচ্ছে ...
আমরা সেগুলো দেখে যাচ্ছি। আমাদের হাত পা বাধা।
কিন্তু আশে পাশের অনাহারী মুখ গুলোর জন্য হয়তো কিছু করা সম্ভব।
ধন্যবাদ টুশকি আপু।
লেখক বলেছেন: ডেফিনিটলি উই আর ... ...
বাট...
লেট দেয়ার বি লাইট ...
েজবীন বলেছেন:
লেখাটা ভালো লাগল.......আর শুধু পড়তে কেন, এমন করেই আশপাশের দেখা, উপলব্ধিগুলো গুছিয়ে বন্ধুদের (আমাদের আর কি
লেখক বলেছেন: আমার গুলো আসলে , অনেকটা ... আশ পাশ দেখা ই ... নিজের সামান্য কিছু অভিজ্ঞতা।
ধন্যবাদ জেবীন আপু ।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
আপনার লেখাগুলোতে এত মায়া ! ... নিয়মিত লিখবেন ...
লেখক বলেছেন: ব্লগে আসা হয় মূলত পড়তে।
লেখক নই।
পারিনা আসলে লিখতে!
অনেক বানান ভুল হয়। তাই কিছু লিখতে লজ্জাই লাগে !
বিবেক সত্যি বলেছেন:
কি মজার কথা বলছেন ! বানান ভুল হয় ? এইটা তো পরীক্ষার খাতা না যে বানান ভুলে মার্ক কাটা যাবে ...
লেখক বলেছেন: মার্ক কাটা গেলে ক্ষতি নেই ... এতো বড় হয়ে নিজের ভাষার বানান ভুল লেখা... লজ্জার ব্যাপার !অপরাধ ও বটে ! :-(
লেখক বলেছেন: আমরা ছোট্ট একটা কাজ করতে যাচ্ছি, এই ব্যাপারে।
দোয়া করবেন ভাইয়া।
ধন্যবাদ আপনাকে।
স্বর্ণলতা বলেছেন:
আপনাদের কাজে আল্লাহর রহমত হোক । সফল হোক উদ্যোগ ।
লেখক বলেছেন: দোয়া করবেন।
লেখক বলেছেন: হুম্মম ... ডিম , বাদাম... ওরা বাদামটা একটু খেতে পারে। কমদামে পাওয়া যায়।
সহেলী বলেছেন:
তোমার সামনের দিনগুলো নিয়ে কেন যেন চিন্তিত হচ্ছি । ভাল থেকো ।
লেখক বলেছেন: আমার সামনের দিন নিয়ে চিন্তিত হচ্ছেন , কেন ??
এটা শুনে আমিও চিন্তিত হয়ে পরলাম ...
কিন্তু ...
আল্লাহ ভরসা।
ভালো থেকেন সহেলী আপু।
কালপুরুষ বলেছেন:
আপনার নরম নরম অনুভূতি আর সাধ্য ও সামর্থের কথাগুলো মনে দাগ কেটে গেল।
লেখক বলেছেন: অনুভুতি ই সম্বল , সামর্থ নেই যখন... :-(
দোয়া করবেন কালপুরুষ ভাইয়া।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
ফারহান ভাই এর থেকে কপি করে দিলাম... সব কিছু না হোক, কিছু জিনিষ তো কপি করাই যায়!ফারহান দাউদ বলেছেন: বাঁচতে চাইলে অনেক কিছু ওভারলুক করা লাগে,এক সিনিয়র একবার এই বুদ্ধিটা দিসিলেন,নাইলে নাকি পাগল হয়ে যাওয়া লাগবে। এখন মাঝে মাঝে সেইটা টের পাই।
মসজিদ থেকে নামায শেষে তাই বের হবার সময়, চোখের সামনে বাড়িয়ে থাকা হাত গুলোকে মাঝে মাঝে ‘দেখিনা!’
বাই দ্য ওয়ে, না.ই মানে কী?
লেখক বলেছেন: না.ই. মানে N.I.... ভলান্টিয়ার...যে বলছে স্টোরীটা
পাশা বলেছেন:
সোহা আপু,তুমি তো অসাধারন লেখ।
বানান ভুল, এটা কোন ব্যাপার না। চালিয়ে যাও।
আমিও তোমার মত ---
ব্লগে আসা হয় মূলত পড়তে।
লেখক নই।
পারিনা আসলে লিখতে!
প্রিয়তে যোগ করলাম।
লেখক বলেছেন: নাহ নাহ ... কই অসাধারণ ??? বানান ভুল বিশাল ব্যাপার ভাইয়া , কেউ পরে যখন ধরিয়ে দেয় , এতো লজ্জা লাগে ! :-(
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
খুব খুব ভালো লাগল লেখাটা পড়ে। শুভকামনাটুকু রেখে গেলাম।
লেখক বলেছেন: শুভকামনার জন্য অন্তর থেকে ধন্যবাদ। দোয়াই সম্বল...
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
সাংঘাতিক ইমোশোনাল পোস্ট। ++++
কঠিন জীবন তুলে ধরেছেন।
আমাকে বললেন, ফিজিক্সের ছাত্রী, এখন দেখি ডাক্তার হবেন কয়েকদিন পরে।
আসলে কোনটা?
লেখক বলেছেন: এটা সত্যি ঘটনা আর ... আমার মেট এর ... ওর নাম ......না.ই. ও ডাক্তার হবে কিছুদিন পর !
আর আমি ওইটাই ...Doing major in Physics।কিছুই হবনা কিছুদিন পর ......
:-)
লেখক বলেছেন: ফিযিক্স পড়েতো ফিযিসিস্ট !
রাহা বলেছেন:
হুমমম...
লেখক বলেছেন: .................
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
গুরু, আপনে কই?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















মনটা অনেক খারাপ হল