আমার প্রিয় পোস্ট

আহা ... যদি সব কিছুই কপি-পেস্ট করা যেত !!!!

১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

শেয়ারঃ
0 3 0

সন্ধানীর ভল্যান্টারী মানে টানা কাজ আর কাজ। মোটিভেশন , এটাই সবচে ইম্পরট্যান্ট। রক্তদানে উৎসাহ দেয়া , বুঝিয়ে বলা, আশস্ত করা।আর টেবিলে বসলে তো সারাক্ষন কাজ! এবার বইমেলা উপলক্ষে টিএসসি তে একুশে ফেব্রুয়ারীর দিন ছিলাম আমি। কাজ করছি সবাই। একটানা। কত রকম আর কত বয়সের মানুষ যে আসছে।

রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হচ্ছে। অনেকে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে রক্ত দিতে আগ্রহী হয়ে বসে পড়ছেন। আমি দরজায় আছি। হাসিমুখে অভর্থনা জানাচ্ছি । কোন এক সময় টের পেলাম আমার শাদা ডাক্তারী এপ্রনটার কোন ধরে কেউ টান দিচ্ছে।

পাশ ফিরে নিচু হতেই , সাধারন দৃশ্য। ছোট একটা ছেলে। পথের জিনিশ। ধুলো বালি মাখা। অপুষ্ট। এদের অনেক দেখা যায় , হাইকোর্টের আশে পাশে ... বড় রাস্তা গুলোর সিগনালে।
তারপর , সে তার ভাষায় আমাকে কিছু একটা বোঝাতে চাইলো।

আমাকে ডাক্তার ভেবে ফেলেছে ,যেটা হতে এখনো অনেকদিন বাকি।

তার ভাঙ্গা ভাঙ্গা কথা বোঝা, এতো ভীরের মাঝে খুব ই কষ্টকর। তারপরও নিচু হয়ে জানতে চাইলামঃ কি হয়েছে ?

কিছুদিন আগে সে হাটতে হাটতে পড়ে গিয়েছিল হটাৎ করে । তার ভাষায়ঃ ক্যামতে য্যান উষ্টা খাইসি...... সে বলতে পারেনা কিভাবে পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু প্রায় ই নাকি সে এভাবে হুট হাট পরে যায়। তারপর সে আমাকে দেখাতে চাইলো, কিছুদিন আগে পরে যাওয়াতে সে তার পায়ে খুব ব্যাথা পেয়েছিল,সেটা ।সে বলছিল, কিছু একটার সাথে আঘাত লেগেছিল। অনেক রক্ত বের হয়েছিল। খুব ব্যাথা হয়েছিল। অনেক ক্ষন আর উঠে দাড়াতে পারেনি। কিছুদিন খুব কষ্ট হয়েছিল হাটতে। এখনো অনেক কষ্ট হয়।

আমি এবার খুব ভালো করে তাকালাম ওর দিকে। বয়স নয়-দশ হতেও পারে। সারা গায়ে অসম্ভব ময়লা । ছোট্ট প্যান্ট। হাত গুলোতে অনেক ময়লা। মুখেও তাই। ঠোটের কোনে ইনফেকশন। হাতে একটা ময়লা কাগজ টাইপ। দুর্বল শরীর। দুর্বল চাহুনি। কিন্তু হাসি হাসি মুখ।

আর হটাৎ বুঝতে পারলাম, সে আপ্রান চেষ্টা করছে দাঁড়িয়ে থাকার। সে আসলে পড়ে যাচ্ছে !!

ওকে নিয়ে বসালাম চেয়ারে। অনেক নোংরা পা থেকে ক্ষতস্থান ট্রেস করতে পারছিনা আমি। ছেলেটার কিছু একটা হয়েছে, বসে আছে স্থির। বড় বড় স্বাস প্রশ্বাসের শব্দ পাচ্ছি। ও দেখিয়ে দিল কোথায় ব্যাথাটা। যথেষ্ট বড় ক্ষত !! সেখানে ময়লা ঢুকে এমন ভাবে ঢেকে গেছে , রক্ত জমাট বেধে গিয়ে... খারাপ অবস্থা। ড্রেসিং করলাম অন্য ভলান্টিয়ার দের সাহায্য নিয়ে। ব্যান্ডেজ বাধার পর জানতে চাইলাম , কি কি সমস্যা ওর। ওর একটাই কথা, মাথা ঘুরায় পরে যায়। তখন সে কিছু দেখেনা চোখে। কোন সময়টায় হয়, জানালো সকাল বেলাটায়। নাস্তা খাওয়ার আগে না পরে ?

হায়রে আমার প্রশ্ন, ওদের নাস্তা খাওয়ার কোন সময় কি আছে নির্দিষ্ট ?
: কখন কখন খাও তুমি ?
: আমিতো সারাদিন ই খাই! অনেক কিসু খাই।

এই তার কথা। কিন্তু সে সকালে কিছু খায়না তেমন। তার সারাদিনের অনেক কিছু হলো, আপা ভাইয়াদের আধা খাওয়া না খাওয়া ফাস্ট ফুড, ড্রিঙ্কস এর বোতলের তলায় যদি পাওয়া যায় কিছু ফোটা। আর কিছু টাকা হলে কলা-বন । কিন্তু এসব যোগারে অনেক বেলাই হয়ে যায়। সকাল টাইমটা তাই খাওয়া হয়না তার। অথচ একটা শিশুর জন্য সকাল যথেষ্ট ভাইটাল টাইমিং । এসময়ের খাওয়া তারা সারাদিনের কাজের শক্তির জন্য , জেগে থাকার জন্য ,সর্বোপরী সুন্দর দিন শুরু জন্য ভীষন জরুরী। অবশ্য এই সব কথা এদের জন্য তো প্রযোজ্যই না !
সকালে ঠিক মত পাকস্থলীকে সন্তুষ্ট করতে পারেনা সে, তখন তার শরীর তার সাথে বিট্রে করে।
কিছু হাল্কা খাবারের ব্যাবস্থা করলাম। কারণ ছেলেটাকে তো হেঁটে উঠে যেতে হবে । টি এসসির সেখানে আইস্ক্রিম , বিস্কিট ছাড়া কিছু পেলামনা কিনে দেবার। দুর্বল ছেলেটার জন্য সামান্য সময়ের শক্তির ব্যাবস্থা। কিন্তু এটা কোন সমাধান ই না!
এক দুই ঘন্টার জন্য হয়তো, তারপর ?
কিন্তু এর বেশি আমি কি করবো ? এর বেশি আমি কি ই বা করতে পারি ?? আমি এতো অসহায়। কয়দিন পারবো ,যা আছে ক্ষমতা তা দিয়ে ? আমার সামর্থ নেই এর বেশি!

আই - এম -সো -পাওয়ারলেস ! :-(

আবার কাজে নেমে যেতে হলো ।


উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টিতে আমার পেছনে অনেকক্ষন বসে থেকে হটাৎ কখন ছেলেটা চলে গেল , আমি টের পাইনি !

(স্টোরী অফ নাবিলা)




 

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫১

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন ভাইয়া ?

২. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এইতো ভাল :)
আসলে টেনশনে আছি , সময় এত তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছে । জানুয়ারি , ফেব্রুয়ারি , মার্চ ............. ইদানিং তেমন কিছুই করা হয়না । আগে ছিল অফিস - মুভি - নিউজ আর টুকটাক পড়া

এখন শুধুই অফিস আর ঘুম

পোস্টটা পড়ে সত্যিই অনেক মন খারাপ লাগল , খানিকটা সময় ভাবলাম ........কত কি দেখি , তারপর ভুল যাই । ভুলে গেলেই যেন সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে ।

কেমন চলছে ?
১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:১৩

লেখক বলেছেন: হুম। আমরা খুব তারাতারি ই সব ভুলে যাই।
অফিস ,ঘুম... মুভি বাদ পরলো কেনো ?
নিউয না হয় নাইবা পড়লেন। পড়লেই অসুস্থ্য লাগবে ... ...

আমার চলছে ... ... চলছে একরকম ।। :-)

৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:১৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: বাঁচতে চাইলে অনেক কিছু ওভারলুক করা লাগে,এক সিনিয়র একবার এই বুদ্ধিটা দিসিলেন,নাইলে নাকি পাগল হয়ে যাওয়া লাগবে। এখন মাঝে মাঝে সেইটা টের পাই।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: সিনিয়র ভাই ঠিকি বলেছিলেন ... ... ...
নইলে পৃথিবী ব্যাপীএতো অবিচার, এতো অনাচার ,এতো অসহায়ত্ব দেখা সম্ভব না ... ...

৪. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:২২
নুশেরা বলেছেন: সংবেদনশীলতার অনেক যন্ত্রণা। অনেক।
আপনার লেখা ভাল লাগল। আবারও আসব এই ব্লগে নিশ্চিত।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: আপ্পি,আপনি আবারো আসবেন আমার ব্লগে ?? তাইলে আমাকেতো লিখতে হবে মাঝে মধ্যে :-( .... আমিযে লিখতে জানিনা তেমন !

আপনার অটিসম নিয়ে লেখাগুলো আমার কিইযে কাজে লেগেছে, বোঝাতে পারবোনা !!ওখানে জানাতে পারিনি...

আপনাকে কোটি কোটি থ্যাঙ্কস!!

১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: এটা একটা সত্য ঘটনা। কাল্পনিক কোন চরিত্রের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই! :-)
যেটা ঘটেছে না.ই. ছিল ... সন্ধানীর ভলান্টিয়ার।

ধন্যবাদ হাসান ভাইয়া।

৬. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:০১
টুশকি বলেছেন: ছেলেটার জন্য খুব খারাপ লাগলো।দোয়া করি ছেলেটা সম্পুর্ন সুস্থ্য হয়ে যাক, আর কারো যেন খাবারের জন্য এত কষ্ট না করতে হয়। তুমি তো তাও অনেক করেছ। এটুকু কয়জন করে। আমি নিজেও হয়ত কিছুই করতাম না।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: যে ছিল ভলান্টিয়ার, ও করেছে কিছু, কিন্তু তাতে ও একটুও সন্তুষ্ট না। আপসেট বরং। শিশুরা সব যায়গায় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে ...আফ্রিকায় অনাহারে মারা যাচ্ছে, ফিলিস্তিনে ,‌ইরাকে ক্ষত বিক্ষত লাশ হচ্ছে ...
আমরা সেগুলো দেখে যাচ্ছি। আমাদের হাত পা বাধা।
কিন্তু আশে পাশের অনাহারী মুখ গুলোর জন্য হয়তো কিছু করা সম্ভব।

ধন্যবাদ টুশকি আপু।

৭. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:১২
অ্যামাটার বলেছেন: "আই - এম -সো -পাওয়ারলেস ! :-("
সত্যিই...
১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: ডেফিনিটলি উই আর ... ...
বাট...

লেট দেয়ার বি লাইট ...

৮. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
েজবীন বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগল.......

আর শুধু পড়তে কেন, এমন করেই আশপাশের দেখা, উপলব্ধিগুলো গুছিয়ে বন্ধুদের (আমাদের আর কি :) ) জানান, তবেই দারুন রেখা পাবে আমরা......... :)
১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: আমার গুলো আসলে , অনেকটা ... আশ পাশ দেখা ই ... নিজের সামান্য কিছু অভিজ্ঞতা।
ধন্যবাদ জেবীন আপু ।

৯. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৩
বিবেক সত্যি বলেছেন: আপনার লেখাগুলোতে এত মায়া ! ... নিয়মিত লিখবেন ...
১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ব্লগে আসা হয় মূলত পড়তে।
লেখক নই।
পারিনা আসলে লিখতে!


অনেক বানান ভুল হয়। তাই কিছু লিখতে লজ্জাই লাগে !

১০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৪৯
বিবেক সত্যি বলেছেন: কি মজার কথা বলছেন ! বানান ভুল হয় ? এইটা তো পরীক্ষার খাতা না যে বানান ভুলে মার্ক কাটা যাবে ...
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: মার্ক কাটা গেলে ক্ষতি নেই ... এতো বড় হয়ে নিজের ভাষার বানান ভুল লেখা... লজ্জার ব্যাপার !অপরাধ ও বটে ! :-(

১১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১৭
সামুরাই বলেছেন: হ্যাটস অফ টু ইউ!!
গুড জব!!
চলুক
৫+
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: আমরা ছোট্ট একটা কাজ করতে যাচ্ছি, এই ব্যাপারে।
দোয়া করবেন ভাইয়া।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৪১
স্বর্ণলতা বলেছেন: আপনাদের কাজে আল্লাহর রহমত হোক । সফল হোক উদ্যোগ ।
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: দোয়া করবেন।

১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: হুম্মম ... ডিম , বাদাম... ওরা বাদামটা একটু খেতে পারে। কমদামে পাওয়া যায়।

১৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
সহেলী বলেছেন: তোমার সামনের দিনগুলো নিয়ে কেন যেন চিন্তিত হচ্ছি । ভাল থেকো ।
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: আমার সামনের দিন নিয়ে চিন্তিত হচ্ছেন , কেন ??
এটা শুনে আমিও চিন্তিত হয়ে পরলাম ...
কিন্তু ...
আল্লাহ ভরসা।

ভালো থেকেন সহেলী আপু।

১৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪০
কালপুরুষ বলেছেন: আপনার নরম নরম অনুভূতি আর সাধ্য ও সামর্থের কথাগুলো মনে দাগ কেটে গেল।
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: অনুভুতি ই সম্বল , সামর্থ নেই যখন... :-(
দোয়া করবেন কালপুরুষ ভাইয়া।

১৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৬
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ফারহান ভাই এর থেকে কপি করে দিলাম... সব কিছু না হোক, কিছু জিনিষ তো কপি করাই যায়!

ফারহান দাউদ বলেছেন: বাঁচতে চাইলে অনেক কিছু ওভারলুক করা লাগে,এক সিনিয়র একবার এই বুদ্ধিটা দিসিলেন,নাইলে নাকি পাগল হয়ে যাওয়া লাগবে। এখন মাঝে মাঝে সেইটা টের পাই।

মসজিদ থেকে নামায শেষে তাই বের হবার সময়, চোখের সামনে বাড়িয়ে থাকা হাত গুলোকে মাঝে মাঝে ‘দেখিনা!’

বাই দ্য ওয়ে, না.ই মানে কী?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৫৬

লেখক বলেছেন: না.ই. মানে N.I.... ভলান্টিয়ার...যে বলছে স্টোরীটা

১৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
পাশা বলেছেন: সোহা আপু,
তুমি তো অসাধারন লেখ।

বানান ভুল, এটা কোন ব্যাপার না। চালিয়ে যাও।

আমিও তোমার মত ---

ব্লগে আসা হয় মূলত পড়তে।
লেখক নই।
পারিনা আসলে লিখতে!


প্রিয়তে যোগ করলাম।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: নাহ নাহ ... কই অসাধারণ ??? বানান ভুল বিশাল ব্যাপার ভাইয়া , কেউ পরে যখন ধরিয়ে দেয় , এতো লজ্জা লাগে ! :-(

১৮. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: খুব খুব ভালো লাগল লেখাটা পড়ে। শুভকামনাটুকু রেখে গেলাম।
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: শুভকামনার জন্য অন্তর থেকে ধন্যবাদ। দোয়াই সম্বল...

১৯. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
আকাশ_পাগলা বলেছেন: সাংঘাতিক ইমোশোনাল পোস্ট।
++++
কঠিন জীবন তুলে ধরেছেন।

আমাকে বললেন, ফিজিক্সের ছাত্রী, এখন দেখি ডাক্তার হবেন কয়েকদিন পরে।
আসলে কোনটা?
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: এটা সত্যি ঘটনা আর ... আমার মেট এর ... ওর নাম ......না.ই. ও ডাক্তার হবে কিছুদিন পর !
আর আমি ওইটাই ...Doing major in Physics।কিছুই হবনা কিছুদিন পর ......
:-)

২০. ১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:০৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ম্যাজিক শিখে ম্যাজিশিয়ান, ফিজিক্স শিখে ফিজিশিয়ান।

১৫ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪

লেখক বলেছেন: ফিযিক্স পড়েতো ফিযিসিস্ট !

১৫ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: .................

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ব্লগে আসা হয় মূলত পড়তে।
লেখক নই,
পারিনা আসলে লিখতে।

canopuspoint.blogspot.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই