আমার প্রিয় পোস্ট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে গেলাম! ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই!! থ্যাংকস্ বিআরটিএ! - পাললিক মন
- আর্কিটেক্ট রিকশাচালক ও পরশ পাথরের গল্প - ই য়া দ
- চাঁদ নেমে আসে, আমার জানালার পাশে ... - সোহায়লা রিদওয়ান
- “আমি তোমায় ভালোবাসি” – এটার মানে কি রে ভাই?! - নাবিলা ইদ্রিস
- গণিতের সাহায্যে সিংহ শিকার - ম্যাভেরিক
- স্বেচ্ছাসেবা - ওয়ারা করিম
- জীবন এক অপূর্ব তুর্কি ঘোড়া ! - সোহায়লা রিদওয়ান
- **আলো ও অন্ধকারের গল্প** - বোহেমিয়ান কথকতা
- তারুণ্যে মুখরিত, সচেতন প্রাণে উজ্জীবিত কমিউনিটি অ্যাকশন আয়োজিত অগ্নি প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত - বোহেমিয়ান কথকতা
- উদ্বায়ীরা উধাও হও... - বিবেক সত্যি
- ~ প্রিয় যত পোস্ট ২ ~ [আপডেটেড] - জনৈক আরাফাত
- আমি আছি...আমি আছি... - ওমর নাসিফ
- জীবনের অর্থ খুজতে গিয়ে .... - আনহা
- আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........ - তায়েফ আহমাদ
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- কবিতা - সাকীব
- মাথার কাছে মায়ের শাড়ি - বিবেক সত্যি
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- গরীববেলার স্মৃতি-৩ (ঈদ উপলক্ষে রিপোস্ট) - আবু সাঈদ আহমেদ
- রঙধনু রঙে রাঙুক আমার স্বাধীনতা,আমার বিজয় - বোহেমিয়ান কথকতা
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- রূপসী বাংলা : জীবনানন্দ দাশ - একরামুল হক শামীম
- উদ্ভাবন - শাহীন আঁখি
- কিছু করার চেষ্টা - বাবুনি সুপ্তি
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- ছেলের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিকট আব্রহাম লিংকনের চিঠি। - ভিন্ন চিন্তা
- বাবাকে ছুঁয়ে দেখবো বলে - জাহিদ মজুমদার
- চৌদ্দগ্রাম শাখা ব্র্যাক অফিসে খুন রিক্সা চালক আব্দুর রশিদের সন্তানদের মুখ - অণৃণ্য
- উচ্চাকাঙ্ক্ষাহীন জেলে এবং দূরদর্শী পরামর্শদাতা - ম্যাভেরিক
- একটা বোনের জন্য হাহাকার - বিবেক সত্যি
- প্রসঙ্গ: এপ্রিল Fool: আসুন একটু ভাবি.. - ইঊসুফ সুলতান
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- আঁস্তাকুড়ে মরে পড়ে থাকা বেড়াল - শব্দ স্বনন
- ঘুম পাড়ানী মাসি পিসি......... - ফারজানা মাহবুবা
- শিক্ষাব্যবস্থা, ক্ষয়িষ্ণু সংস্কৃতি, যুদ্ধাপরাধী ইস্যু, জাফর ইকবাল ও আমাদের বুদ্ধিজীবি সমাজ- আপাত বিক্ষিপ্ত প্রাসঙ্গিক ভাবনা - সীমান্ত আহমেদ
- IBA Method ফলো করুন, শিক্ষাঙ্গন একদিনে ঠিক হয়ে যাবে। গ্যারান্টি!! - পাললিক মন
- বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ! - পাললিক মন
- জ্বলছে জাহাজ . . . - বিবেক সত্যি
- হয়তো ভালোবাসা গল্পে ছিল... - ভাঙ্গা পেন্সিল
- জল টলমল - অনাহুত আগন্তুক
- টক লাইক আ ফিজিসিস্ট দিবস - মুহাম্মদ
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- গাজায় ফিলিস্থিনীদের উপর নেমে আসা মানুষের তৈরী বিপর্যয় আর সুবিধাবাদী দালাল শ্রেনী। - এস্কিমো
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
অতঃপর, মানুষের রক্তে দিনলিপি সই হয় ? ঘামে ভেজা জীবন ...... রক্তেই শেষ হয় !
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫১
ডিপার্টমেন্টের একটা বৃত্তি কমিটিতে কাজ করার কারণে জীবনের খুব কাছাকাছি যাবার আর খুব খুব সাধারণ সব গল্পের অসাধারণ মমত্বটুকু ছুয়ে দেখার ভাগ্য হয় । ভাগ্য ই বলছি ............
খুব সামান্য ই বৃত্তির টাকা , প্রথম আর দ্বিতীয় বর্ষের ৩ জন করে ছাত্র-ছাত্রীকে তাদের আর্থিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হয়। তিরিশ - চল্লিশ আবেদনপত্র জমা পড়ে , সাক্ষাতকার পর্বে দুইজন ম্যাডাম এর সাথে আমিও থাকি......... কঠিন জাজমেন্ট করার চিন্তা নিয়ে বসে আমি কোমল থেকে কোমলতর হয়ে যাই। না যেয়েতো উপায় থাকেনা !
ওই ছেলেটা , বাবা নেই ........ বড় ভাই জমিতে কাজ করেন তাও পরের জমিতে। আরো অনেক ছোট ভাই বোন আছে। নিদারুণ আর্থিক কষ্টের মধ্য দিয়ে ঢাকা শহরে এসেছে যেই শহরে তার কেউ নেই ! ভাই এর অনেক কষ্টে পাঠানো টাকা দিয়ে মেসের ভাড়া টা হয় , হয়না তিনবেলা খাওয়া । মেধার স্বাক্ষর তো আমার হাতে থাকা সার্টিফিকেট গুলো এমনি বলে দিচ্ছিলো!
তারপর আরেকজন , ঠোটের কোনে ইনফেকশন ই জানান দিচ্ছিল অপুষ্টিতে ভোগা এই ভাইয়াটার নিজের যত্ন নেবার সামর্থটুকু নেই। প্রথম বর্ষে, উঠেছে আত্মীয়ের বাসায়, বেশ দূর সম্পর্কের। ম্যাম জানতে চানঃ কোন সমস্যা হয়? ও নিরুত্তর ই থাকে। আবারো জানতে চানঃ তোমার সাথে ভালো ব্যাবহার করেতো ? ও নিরুত্তর ই থাকে ।
আমি জিজ্ঞেশ করি , ও বাসায় পড়াও ? –"উহু, বাযার করতে হয়..." অস্ফুট কন্ঠে ....... কোমল কন্ঠে ম্যাম অনেক কিছু জানতে অনেক প্রশ্ন করেন , আমতা আমতা জবাব ,কিংবা নীরবতা । জানা যায় , ড্রইংরুমে গেস্ট আসলে নাকি যাওয়া নিষেধ !
আমি অশ্রু সম্বরণ করি ছেলেটার চোখে অশ্রু দেখে .........
মা কাঁথা সেলাই করে ওর পড়াশুনার খরচ চালাতেন গ্রামে , স্কুল কলেজেও প্রতিভার কারণে শিক্ষকরা ফি নিতেন না বলে ওর এতোদূর আসা , বললো একজন। কিন্তু এই শহরে কাঁথা সেলাইয়ের টাকাতে তো সাত দিন ও চলবেনা !
কিংবা কারো কৃষক পিতা জানেন ও না , ছেলে ফিজিক্স পড়তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তী হয়েছে। জানেন শুধু , তার ছেলে তার আত্মা , তার ছেলে গ্রামের অন্য ছেলেদের মত না , তার ছেলে তাকে একদিন অনেক আরাম দেবে , কারন তার ছেলে শহরে পড়তে গেছে!
অনেক জীবনের গল্প শুনে চোখ ভারী হয়ে আসে আমার ! অনেক কষ্টের কথা শুনে কান্না চেপেছি। করুণ মুখে কিছু বলতে না পারা অনেকের জন্য বুকে হাহাকার টের পেয়েছি , তারপর স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করেছি নিষ্পাপ এই ছেলে মেয়েগুলোর জন্য। ইচ্ছে করেছে সবাইকে সাহায্য যদি করা যেত , কিভাবে কাউকে বাদ দেব ?
এই মুখ গুলোই তো ক্যাম্পাস কে সচল রাখে হাসি ঠাট্টা আর হই চই করে ! ক্লাস মাতিয়ে রাখে , জানতে পারেনা কেউ কিভাবে দিন গুলো কাটে তাদের। ওদের জন্য অনুভব হতে থাকা ভীষন মায়া একটু করে ফিকে হয়ে যায় যখন ভাবি এদেরি অনেকে দুই তিন বছরের মধ্যে পরিণত হবে নেতায়। উঠতে বসতে জুনিওরদের লাঞ্ছিত করবে যেমন ভাবে তারাও প্রথম দিকে হতো! আঙ্গুলের ফাকে থেকে সিগারেট সরবেনা , রাত কাটবে নেশায়। স্ট্যাটাস সিম্বল হিসেবে জুটিয়ে নেবে বান্ধবী , আর পরীক্ষা পেছানোর জন্য যা খুশী তাই করবে যারা একসময় কুপির আলোয় পড়ে স্কুলে ভালো ফলাফল করতো।
আবার ভিন্নতাও আছে , বাবা মায়ের মুখ গুলোকে সম্বল করে কেউ কেউ অনেক অন্যায় আর কষ্ট সহ্য করেও অবিচল থাকে স্বপ্ন পূরণে। জানে , কিভাবে কৃতজ্ঞতা জানাতে হয় সারাজীবন কষ্ট করে আসা জনম দুঃখী মা কে ,যে ঋন তাতো আর শোধবার নয় ! এই শহরে কেউ কিছু করে দেবেনা তাকে , দাড়াতে হবে নিজের যোগ্যতায় ...... তাই টেবিল আকড়ে পরে থাকে ...... যে সময় অন্যরা আড্ডা দিচ্ছে , মহড়া দিচ্ছে শক্তি প্রদর্শনের!
আবু বকর ওদেরি কেউ একজন ছিল। স্বপ্ন সিঁড়িটার অনেক ধাপ পার হয়েছিল। আর একটু সামনে ছিল দরজাটা ......... আলো এসে মুখে পড়ছিল ওর , ভাবনাতে মায়ের মমতায় ভরা মুখ ...... সারা জীবন ঘামে ভেজা বাবার গর্বিত হাসি ...........বড় ভাইবোনের হাসি হাসি মুখে বুক ভরে নিশ্বাস নেয়ার শব্দ ......... ছোট ভাইবোনের ভালোবাসাময় অনেক চাওয়া পাওয়া .........
তুমি অনেক ভালো থেকো ভাইয়া। আমরাও একদিন এভাবেই করুণাময়ের কাছে ফিরে যাব! না হয় তুমি কিছুটা আগেই গেলে! :-(
যারা তোমাকে তোমার জীবনের গল্পটা শেষ করতে দিলোনা কিংবা শুরু হতে দিলোনা , তাদের মুখে একদলা থুথু ছিটিয়ে দিলাম !
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: সত্তরের দশকের শেষের দিকের ছাত্ররাজনীতির গল্প শুনেছি , এতো তো খারাপ ছিলোনা অবস্থা !!
কি হবে স্টিকি করে ভাইয়া ?!
কৃতজ্ঞতা জানবেন।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ঘৃনা ...............
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অলস ছেলে বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: .....................
আর লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পুলসিরাত বলেছেন:
পোষ্টটি ষ্টিকি করার জন্য অনুরোধ করছি
লেখক বলেছেন: কি হবে স্টিকি করে আর , মানুষের বোধ জাগ্রত হোক ! তা যে করেই হোক না কেন ......
ধন্যবাদ ভাই।
শিমুল এলাহী বলেছেন:
থুথু দেয়ারও রুচী হয়না ঐসব খুনী জানোয়ারদের ।একটা পাগলা কুকুরের গায়ে থুথু দেয়া যায় কিন্তু ওদের গায়ে....
লেখক বলেছেন: " ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।একটি তদন্ত কমিটি করা হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হবে।"
................................................................
..............................................................
..........................................................
....................................................
..............................................
.........................................
.......................
তারপর এই ঘটনাও হয়ে যাবে পরিসংখ্যানের অংশ। আমরা সব ভুলে যাব। সব কিছু গল্প হয়ে যাবে। আবার মারামারি হবে ...... ভাংচুর হবে অন্য কোন কারণে , গবেট ছেলেগুলোকে ব্যাবহার করে নেতা থেকে মহান নেতা হবে কিছু জানোয়ার ।
আবুবকরের মা এর চোখের পানিতে কার কি যায় আসে ? কে খোজ নেবে তার পরিবারের ? কেন নেবে ? একটা লাশের প্রয়োজন ছিল , সেটাতো মিটেছে !!!
আমরা কেবল হত্যা করতেই জানি!
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
যেমন আমার বাবার কথা। কৃষকের ছেলে। ছেলেকে কৃষক হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। কখনও চাননি ছেলে লেখা পড়া করুক, "ও করে তুই তোর বউকে দু'প্রস্থ কাপড়ও কিনে দিতে পারবিনা।" কৃষকের ঘরে কেন জানি সেকালে লেখা পড়া ছিল নিষিদ্ধ কর্ম। বাবা আত্ম গোপন করে পড়তেন, গরুর জন্য ঘাস কেটে দিয়ে, যে টাকা পেতেন তা দিয়ে হত পরীক্ষার ফিস, দু এক বেলার ক্ষুধা মেটানোর দুধ। ক্ষুধা ও আলসারের সাথে যুদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করেছেন, বাড়ি থেকে টাকা পাঠায়নি বলে টাকার জন্য দুর্গম গ্রামে ফিরে গিয়েছেন, দাদার সেই পুরনো কথা, "কীসের লেখা পড়া!কীসের টাকা" সামনের মাসে ধান কেটে নিজে গিয়ে ধান বেচে দিবি।বাবা রিকশা চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলের খরচ দেয় বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে মিশুক চালায় এসব দৃশ্য দেখে সয়ে গেছে আমাদের। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে অন্তত টিউশানী করে চলতে পারে , কিন্তু পরীক্ষার ফিসের অভাবে যাদের এস এসসি পাশ দেয়া হয়না, বা জিপিএ পাচ পাবার পরেও দেখা যায় পরীক্ষার ফিস নিয়ে ভীষণ ঋণগ্রস্থ, পড়ার ফাকে ফাকে গ্যারেজে কাজ করে বা হোটেলের রুটি বেলে এসব শত কোটি দৃশ্য আমাদের আড়ালে রয়ে গিয়েছে।
অ:ট: শিরোনাম চুরি করা কেন? চোখের পানির জোরে এমনিতেই তো ভাবের শিরোনাম মাথায় আসার কথা।
লেখক বলেছেন: কিভাবে চুরি করা হলো , বুঝলাম না! যাইহোক , পালটানো হলো।
ধন্যবাদ।
মুকুট বলেছেন:
তুমি অনেক ভালো থেকো ভাইয়া। আমরাও একদিন এভাবেই করুণাময়ের কাছে ফিরে যাব! না হয় তুমি কিছুটা আগেই গেলে! :-(যারা তোমাকে তোমার জীবনের গল্পটা শেষ করতে দিলোনা কিংবা শুরু হতে দিলোনা , তাদের মুখে একদলা থুতু ছিটিয়ে দিলাম !
...........আর কিছু বলার নাই, কারন এটা নাকি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। শেষ বিচারের দিনে সব ফয়সালা হবে, সেদিনের অপেক্ষায়
লেখক বলেছেন: শুধুই বিচ্ছিন্ন ঘটনা ?
কোন ব্যাপার না! কোন ঘটনাই নাকি না !!
আল্লাহ ই উত্তম ফয়সালাকারী...
ধন্যবাদ মুকুট ভাই।
আমি মদন বলেছেন:
কিন্তু আমাদের ছাত্র রাজনীতিতে এই সমস্যা এলো ? কি ভাবে এর সমাধান কি ? Click This Link
লেখক বলেছেন: পড়লাম আপনার লেখাটা। লাগলো অনেকটা সেই কুমিড়ের রচনার মত। যারা ছেলেটাকে মেরে ফেললো , মেরে পাঁচতালার উপর থেকে ফেলে দিল (উপর থেকে ফেলে দেয়া ছাত্রলীগের একটা স্টাইল মনে হয় , যেমন ডিএমসি তে নিজেদেরি ছেলে রাজিব কেও ফেলে দিয়েছিল !) ...... যারা সব অনিষ্ট করছে এই মুহুর্তে , আপনার লেখায় তাদের কোন দোষ ই চোখে পড়লো না !
ছাত্রলীগ হত্যা করবে , জিয়ার দোষ। টেন্ডারবাজি করবে , ভর্তীবানিজ্য করবে , জিয়ার দোষ! ছাত্রলীগ অস্ত্র হাতে মহড়া দেবে , সবার সামনে মাথা ফাটিয়ে দেবে , এখানে সেখানে বিরোধী মতাদর্শের কাউকে পেলে ধরে হাত পা ভেঙ্গে দেবে , তাও ঐ জিয়ার দোষ ????
লেখার শুরুতে রিক্যাপ এ ভুলেও লিখেননি কিভাবে হত্যা করা হলো নিরীহ ছেলেটাকে , কারা করলো!
এভাবে ইতিহাস লেখা যায়না ভাইয়া , নিরপেক্ষ না হতে পারলে এমন কিছু লিখতে না যাওয়াই উত্তম!
ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: প্রতিটা ছোট ছোট গল্প ই কিন্তু সত্যি , তারপরের কথা গুলো ও বাস্তবতা , আর তার পরের কথা গুলো আবুবকরের স্বপ্ন আমার ভাষায় আর আমি জানি সত্যি ই এমন ছিল ভাবনা গুলো , স্বপ্ন গুলো !!
ধন্যবাদ করবী পড়ার জন্য ......
লেখক বলেছেন: তোমার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা সুপ্তি।
মোল্লার দৌর মসজিদ পর্যন্ত যেমন , আমার দৌর ও বলা পর্যন্ত ......... আমার নিজের ক্যাম্পাস , আমারি ছোট কোন ভাই ...... কিন্তু কিছু করার নাই , চোখের সামনে রড দিয়ে পেটাতে দেখেছি ......... এখানে চেতনাধারী হলে সব কাজ জায়েজ হয়ে যায় , বুঝলে আপু !
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আমিও বলার কিছু খুঁজে পাচ্ছিনা.. কি বলব..
লেখক বলেছেন: বলার সময়তো মনে হয় শেষ হয়ে গেছে বহু আগেই :-(
আমরা তাই চুপ ই থাকি। একজন বলছিল , সব কিছু 'ঘটনাই না ' ভাবি , তাইলে আমাদের কষ্ট কম লাগবে!
ব্যাপার না ভাবি ...... সব স্বাভাবিক লাগবে !
সব ই কষ্টের কথা .........
জানজাবিদ বলেছেন:
পোস্টটা স্টিকি হলে খুশী হতাম।..............সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, চোখের সামনে এরকম কয়েকটা লাশ পড়তে দেখেছি। নিজের অবস্থাও খুব বেশী ভাল ছিলোনা।
লেখক বলেছেন: গত দশকের শেষ দিকে ঢাবি কে একজন এমনি এমনি তো আর ডাকাতদের গ্রাম বলেন নি , জানি বুঝি বিশ্বাস করি , কেন বলেছিলেন!
লেখক বলেছেন: ঘৃনা ছাড়া আর কি ই বা অস্ত্র আছে আমাদের মত ম্যাঙ্গো পিপলের ! তাই,
ঘৃনা ভরে এক দলা থুথু ই ছিটিয়ে দেই !
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন:
তুমি অনেক ভালো থেকো ভাইয়া। আমরাও একদিন এভাবেই করুণাময়ের কাছে ফিরে যাব! না হয় তুমি কিছুটা আগেই গেলে! :-(মনটা এমনিতেই খারাপ ছিল, এখন অনেক খারাপ লাগছে।
আল্লাহ তুমি সবকটা মানুষকে ভাল রাখ। সবাইকে বোধশক্ত দাও।
লেখক বলেছেন: ইন্ডিভিজুয়াল লেভেলে চিন্তা করলে অনেক অনেক অনেক খারাপ লাগতে থাকে !!! আবুবকরের শান্ত চেহারাটা অনেক বেশী পবিত্র লাগে ...............
ওকে হত্যা করা হয়েছে। শাহাদাতের মর্যাদাই ও পাবে ...... ইনশাল্লাহ
পারভেজ বলেছেন:
"যারা তোমাকে তোমার জীবনের গল্পটা শেষ করতে দিলোনা কিংবা শুরু হতে দিলোনা , তাদের মুখে একদলা থুতু ছিটিয়ে দিলাম !"এমন মৃত্যুর অবসান হোক।
লেখক বলেছেন: "জনতা চায় অলৌকিক পরিত্রান। বখতিয়ারের অগ্রবর্তী দলের মত সতেরজন বিজয়ী ঘোড়সওয়ার "
.........
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তুমিও তাদের একজন আপু , আমি যাদের কমেন্টের অপেক্ষায় থাকি !!! অনেক ধন্যবাদ আপু পড়ার জন্য ......... অনেক মন খারাপ নিয়ে লেখা ...... নিজের অভিজ্ঞতার কথাই !
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
তুমি অনেক ভালো থেকো ভাইয়া। আমরাও একদিন এভাবেই করুণাময়ের কাছে ফিরে যাব!
লেখক বলেছেন: আল্লাহ তাকে বেহেশ্তে রাখবেন , ওরতো প্রাপ্য জান্নাত ই ! কবরের এতটুকু কষ্ট যেন আবু বকরকে স্পর্শ না করে!
আবু বকর ,তোমার বাবা মা ভাই যেন তোমার স্মৃতিটুকু সম্বল করে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যান! জানিনা আমরা তোমার জন্য কি করতে পারবো, কিন্তু কিছু একটা করবো আবু বকর ! ইনশাল্লাহ , কথা দিচ্ছি তোমাকে !
আকাশনীল বলেছেন:
কিচ্ছু বলার নেই, শুধু বলি আমরা মানুষ হতে চাই, সত্যিকারের মানুষ।
লেখক বলেছেন: .....................সত্যিকারের মানুষ!
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
তুমি অনেক ভালো থেকো ভাইয়া। আমরাও একদিন এভাবেই করুণাময়ের কাছে ফিরে যাব! না হয় তুমি কিছুটা আগেই গেলে! :-(যারা তোমাকে তোমার জীবনের গল্পটা শেষ করতে দিলোনা কিংবা শুরু হতে দিলোনা , তাদের মুখে একদলা থুথু ছিটিয়ে দিলাম !
লেখক বলেছেন: আমরা ওদের বিদায় জানাই ! আর কতগুলো পশুকে স্বাগতম জানিয়েছি ......... :-(
শাহীন আঁখি বলেছেন:
আবুবকর চোখ খুলে দিয়ে গেলো ,সাধারণ জনতা কতঅসহায়! পঁয়ত্রিশ কোটি টাকার এস এ গেমস এর পাশেই টিভির খবরে ভেসে ওঠে আবুবকরদের ভেঙ্গে পড়ো পড়ো মরচে ধরা টিনের ঘরের ছবি। পুষ্টিহীন শীর্ণকায় মা-বোনের সর্বশান্ত অবয়ব।
বাংলাদেশ! দুঃখিনী বাংলাদেশ !!
জনতা চায় অলৌকিক পরিত্রান। বখতিয়ারের অগ্রবর্তী দলের মত সতেরজন বিজয়ী ঘোড়সওয়ার ।
লেখক বলেছেন: সব মায়েরাইতো একি রকম , তাইনা ? আমি মরে গেলে আমার আম্মুর যেমন কষ্ট হবে , আবু বকর ছেলেটার আম্মুরো ততই কষ্ট তাইনা ? কিংবা ফারুক ছেলেটার আম্মু কি ঘুমাতে পারেন রাতে ? আমাকে ম্যানহোলে পড়ে থাকতে দেখলে আমার আম্মু কিভাবে নিশ্বাস নিতো ? পারতো ?
হু , সব মায়েরাই একি রকম!
লেখক বলেছেন: আমাদের আকাশ ঢেকে রাখে ওরা, আমাদের স্বপ্নের ডানাগুলোকে কেটে দেয়। আমরা ঊড়তে পারিনা আর ! তারপর ওরা আমাদের চলার পথে কাঁটা বিছিয়ে দেয়! আমাদের স্বস্তিতে হাটাও বন্ধ হয়ে যায়! আমরা চুপ হয়ে বসে থাকি ! একদিন , আমাদের বসে থাকার জায়গাটাও ওরা কেড়ে নিয়ে যায়...... আর আমরা তখন... থাক! ... সে কথা আর কে জানতে চায় ?
অসৎ রাই এখানে জয়ী হয় , সৎ মানুষগুলো হয় লাঞ্ছিত , অপমানিত , নির্যাতিত !
kisuna বলেছেন:
সারাজীবন ভুলতে পারবনা সেই দিনের কথা, যেদিন সকালে খবরের কাগজে হামিম আর আবু বকরের মৃত্যু সংবাদ একসাথে ছাপা হয়েছিল।পোড়া চোখ সমুদ্রে যাও...
লেখক বলেছেন: হামীমের ঢেকে রাখা দেহ , মায়ের রক্তাক্ত মুখ ...... হাসপাতালে আবু বকরের লাশ ...... রক্তে ভেজা নোট খাতা ...
চোখটা এত পোড়ায় কেন?
ও পোড়া চোখ সমুদ্রে যাও....
বুক জুড়ে এই বেজন শহর
হা হা শূণ্য আকাশ কাঁপাও,
আকাশ ঘিরে শঙ্খচীলের
শরীর চেরা কান্না থামাও
জেরী বলেছেন:
তাদের জন্য অনেক অনেক ঘৃণা যাদের জন্য অকালে কারো প্রাণ ঝরে যায়
লেখক বলেছেন: গতকাল বিকেলে হাটছিলাম ক্যাম্পাসের রাস্তায় ......... চেনা সেই পরিবেশ ই , কিছুই থেমে থাকেনা , বরং হত্যাকারীরাই শান্তি মিছিল করছে ...............! আমরা কিভাবে সুবিচার আশা করতে পারি ?
আবু বকরদের সোনার টুকরো ছেলেগুলোকে এখন খুব বেশি খুঁজে পাওয়া যায় ? যায় না ....
বুয়েটের ৫ বছরের অভিজ্ঞতা বলে ... এত দূর আসতে হলে এত বেশি কিছু লাগে , আবুবকর রা গাঁয়ের ক্ষেতে কাজ করে সে রসদ সংগ্রহ করতে পারে না । আবু বকরের মা অনেক বছর মাথায় তেল দেননি , সেই টাকাটাও ছেলের জন্য তুলে রেখেছেন .....
আমরা তো কতই বলি , বিন্দু বিন্দু রক্তকে ঘামে পরিণত করে ...... আজ বুঝলাম শুধুই কথার কথা ভেবেই হয়ত বলি । আবুবকরকে দেখে বুঝি সত্যিকার অর্থেই কখন রক্ত , ঘাম হয়ে ঝরে । সারাজীবন আবু-বকর রক্ত পানি করা ঘামই তো ঝরিয়েছে , শহরের প্রিভিলেজড ছেলেগুলোকে টপকে সবার চেয়ে ভাল রেজাল্ট করে গেছে । কত অপেক্ষা .... তার বাবা , মা , ভাইয়ের .... যারা রাজনীতি বোঝেনি কোনদিন , যারা হয়ত আবু-বকরের রেকর্ড সিজিপিএ এর হিসাবও বোঝেনা , শুধু বুঝে ছেলে দু'টো দিন পর তাদের জন্য দু'দন্ড সুখ এনে দেবে ।
আবু-বকরের রক্তগুলো এখন আর বিন্দু বিন্দু ঘাম হয়ে ঝরবে না , পুরো রক্ত যে তার ঝরে গেল । আমরাও নির্লজ্জের মত দু'টো দিন পরেই ভুলে যাব সব । কি করে মনে থাকবে ? ওর পেছনে কোন নোংরা ছাত্ররাজনীতির দাগ নেই , নেই কোন রাজনৈতিক সহানুভূতি .... গাঁয়ের কোণে হঠাৎ ভেঙে যাওয়া স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে থাকা সেই মা কেমন আছে , সে কথাও আমাদের জানতে ইচ্ছা করবে না ।
আমরা বরং রাস্কেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেয়া নৃশংস বক্তব্য অস্বীকারের মত ডাহা মিথ্যা শুনেই তুষ্ট থাকব ..... আবুবকররা না হয় চলেই যাক , এই নোংরা অচলায়তন ওর মত পবিত্র মানুষগুলোকে ধারণ করতে জানে না
লেখক বলেছেন: বন্ধু ফারুক বললেন, "শুধু একাডেমিক বিষয় বলে নয়, ইতিহাস পড়তে মন থেকেই সে ভালোবাসতো। ইরান ও মধ্য এশিয়ার ইতিহাস ছিল খুব পছন্দের বিষয়।
এ বিষয়টা আমরাও তো অনেক পছন্দ করি তাইনা ?
দেয়ালে টাঙানো লাল কাগজে লেখা_'লাইফ ইজ এ টেল, টোল্ড বাই অ্যান ইডিয়ট, ফুল অব ফিউরি সিগনিফাইং নাথিং...।'
হু ......... হয়তোবা হ্যা , কিংবা ... হ্যা না !
'পুরো ফার্স্ট ইয়ার একটি শার্ট-প্যান্টে পার করেছে সে।'
মনে আছে খায়রুলের কথা ? ওদের এক পোষাকে দেখি বলেই চোখেই পড়েনা !
চুপচাপ, লাজুক আবু বকর ক্লাস শেষে সোজা চলে আসতেন রুমে। বিভাগের বন্ধু সাজু জানালেন, 'আমাদের মতো আড্ডা দিত না সে। ঘনিষ্ঠ দুই-একজন ছাড়া কারো সঙ্গে তেমন কথা বলত না।' রেজা বলেন, 'সবসময় নিজেকে আড়াল করে রাখতে চাইত। হয়তো আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অন্যদের সঙ্গে মিশতে চাইত না।'
কিভাবে চোখে পানি না এসে পারে ? ওদেরটা সত্যিকারের দুঃখ! আর আমরা দুঃখবিলাস করি !
'সহজ-সরল, মেধাবী একটি ছেলে যে এভাবে হঠাৎ চলে যাবে, এটা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। এই মৃত্যু আমাদের হতবিহ্বল করে দিয়েছে।'
এমন ই তো হয় !"..... আবুবকররা না হয় চলেই যাক , এই নোংরা অচলায়তন ওর মত পবিত্র মানুষগুলোকে ধারণ করতে জানে না "
___________(তথ্য সূত্রঃকালের কন্ঠ)
শুভ্র রঙ্গীন, আকাশের দিন
তোমায় সেই জনতার গল্প শোনায়।
.........
স্বপ্ন দেখি সবুজ নিশান তোমায় নিয়ে জলসা দেখা।
লড়াই যেমন ঝড়ের রাতে
হেরে গেলেও বাঁচতে শেখা।
শুভ্র রঙ্গীন, আকাশের দিন,
লড়াই শেখায় তোমায় আমায় .........
( শিরোনামহীনের গান টা ডেডিকেট করলাম, আমার চোখের আড়ালে থেকে যাওয়া খায়রুল , আবু বকর ...... আর ওদের মত সবার জন্য , তোমরা বার বার আমার চোখ খুলে দাও ... কিন্তু আমি আবার ঘুমিয়ে যাই :-( )
রুদমী বলেছেন:
সোহায়লা কোনো লেখা পড়ে এমন করে কাদিঁনি কখনো। ঝাপসা চোঁখে পড়ে গেলাম জীবনের সত্যি কিছু কথা। কাদঁবোই শুধু, মন খারাপ হবে, কিন্তু কিছু করতে পারবোনা কারো জন্য। সবকিছু ভুলে আবার নিজের জীবন নিয়ে মেতে উঠবো! ওদের কষ্ট ওদের ই থাক!! আমার কি?! এমন করে কত জীবনই তো চলে গেল, কিছুকি করতে পেরেছি বলো? আমরা পারবোও না!!! শুধু একজন আরেকজন কে দোষ দিয়ে যাবো, আর বড় বড় কথা বলবো। কমেন্ট লিখে প্রমান করতে চাইবো আমি কত মহান!!! মহানই তো! এত বড় মন আমাদের, এই সব ছোট খাটো ঘটনা মনের গহীনে কোথায় হারিয়ে যায়, মনেও পড়েনা আর!
লেখক বলেছেন: তোমার যে ইচ্ছেটা আছে , তুমি যে অনেক কিছু করতে চাও , চোখ বন্ধ করে রাখোনি ... তাই তোমাকে অনেক পছন্দ করি রুদমী ! জানি সুযোগ পেলে তুমিও কথা সর্বস্ব হতেনা , এখনো নও অবশ্য! যে কষ্ট বোধ করে লিখেছি , তা কিন্তু শুধু আবু বকরের জন্য না ! আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিপূর্ণ মানুষ হবার কোন শিক্ষা দেয়া হয়না, পরিবেশ দেয়া হয়না...... উলটো অমানুষ হবার জন্য ক্যাটালিস্ট এর যোগান দেয়া হয়। ফলাফলঃ সবাইতো দেখছেই!
ধন্যবাদ তোমাকে মন্তব্যের জন্য! খুব সত্যকথন কিনা ......
লেখক বলেছেন: আজকে আরেক ইউনি তে , আরেকটা ছেলে ......... আরেকজন মা এর আত্মা ... ...
ভালো লাগেনা !
লেখক বলেছেন:
খুব নোংরা রকম দুষ্টচক্রে আটকে গিয়েছি আমরা সবাই ফারহান ভাইয়া ......... পরিত্রান কিভাবে কে জানে ?! স্রষ্টা যেন দয়া করেন ......
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
কি বলা উচিৎ? কি বলবো?
লেখক বলেছেন: কিছু বলার নেইতো...
ঘৃনা করি এদের ......
আর কখনো স্থান না দেই সভ্য সমাজে ...
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
আবু বকরের মৃত্যুটা হয়তো আমাদের মন্ত্রীর মতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা, কিন্তু তার মতো মেধাবীর জন্মটাও কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা? হয়তো বা ... হয়তো বা মন্ত্রী জানেন যে দারিত্রসীমার সর্বনিম্ন স্তর থেকে এইরকম সোনার টুকরা ছেলেরা উঠে আসবেই কারণ তেনার স্বগোত্রীয়রাই যে এদেরকে পায়ের চাপে পিষ্ট করে রেখেছেন - এদের দুয়েকজন মারা গেলেই বা কি ... আরো শয়ে শয়ে উঠে আসবেই ... আর তাদের রক্ত মাড়িয়েই সাহারা খাতুনরা সাফল্যের চূড়ায় উঠবেন ... এটাই হবে, কারণ এটাই হয়ে আসছে।
লেখক বলেছেন: আবির , তোমার কথাই ঠিক ! আজকের অবস্থাই দেখোনা ! ............... ঐসব রাজনৈতিক নেতারা কি সোনার টুকরো ছেলে চায় ? তারা চায় ব্রেইনলেস মাসলম্যান , শেইমলেস চামচ আর এথিকলেস একদল মাস্তান .........
হতাশ ! খুব হতাশ !
শিশিরবিন্দু বলেছেন:
অনেক সময় কথা হারিয়ে ফেলি অনেক কিছু বলতে গিয়ে। কি আর বলব আপু? "এই শহরে কেউ কিছু করে দেবেনা তাকে , দাঁড়াতে হবে নিজের যোগ্যতায় ...... তাই টেবিল আঁকড়ে পরে থাকে ...... " - কোথায় কোথায় যে কি কি খুঁজে নিই...ভাল থেক।
লেখক বলেছেন: বলার কিছু নাই ও আসলে আপু , শিক্ষা নিতে পারি ......... খুব কষ্টের সাথে জীবনযুদ্ধ করা মানুষগুলো তো আমাদের চোখ খুলে দেয় , আমরা যেন চোখ খোলাই রাখি , আমাদের দুঃখ কষ্ট গুলো ওদের তুলনায় কিচ্ছুনা , কিচ্ছুনা ! সত্যি , একটু তুলনা করেই দেখ...... আমিতো অল্প কিছু উদাহরণ বলেছি , আমার দেখা ... শোনা। জীবন তো আসোলে আরো অনেক করুণ ! সেই তুলোনায় অসম্ভব ভালো থাকা আমরা যেন অযথা নিজেকে নিয়ে কাতর না হই , আর তাদের পাশে দাড়াই মমতা নিয়ে , সাহায্য করি যেভাবেই হোক ! ওরা আমাদের পাশেই থাকে ......... খুব কাছেই থাকে , আমরা দেখার চেষ্টাও করিনা! নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকি ......
তুমিও অনেক ভালো থেক :-)
মুর্তজা হাসান খালিদ বলেছেন:
কি বলবো? ভাষা নাই ......
লেখক বলেছেন: উপোরেই বললাম ভাইয়া ...... শিক্ষা নিতে পারি। আমাদের প্রজন্ম টা যেন এমন না হয়! ইনশাল্লাহ ... এমন যেন না হই আমরা যখন বড় হব ......
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ভালোই করেছ ফাহিম চলে গিয়ে মনে হয় ......
কেমন চলছে সব ?
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
খুব ঘটা করে ছাত্রলীগ এবং সমমনা ছাত্র সংঠনের মুন্ডুপাত করলেন/করেন। জাবি, ঢাবি, বুয়েটে ছাত্র শিবির এক প্রকার নিষিদ্ধই। ঢাকার মানুষ শিবিরের চাক্ষুস তান্ডব দেখে খুব একটা অভ্যস্ত নয়। যদি শাবিপ্রবি, চবি, ইবি, রাবির খুব সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা শিবিরীয় তান্ডব, খুব খারাপি গুলো নিয়ে যদি কিছু লিখতেন, আপনার বিশাল পাঠক ও ভক্তকূল পড়ে ভাল দিক নির্দেশনা পেত। সে সুবাদে ভক্তকূলের থুতুর দলার খানিকটা ভাগ শিবিরও পেত।
লেখক বলেছেন: লেখায় কি কারো মুন্ডুপাত করেছি নাকি ?! না মনে হয় , আবার পড়বেন একটু?
লেখাটা প্রধানত বৃত্তি কমিটিতে কাজ করতে গিয়ে আমার যা অভিজ্ঞতা তা নিয়ে।
আর আমিতো রাবির ছাত্রী না , ঢাবির ছাত্রী ......... ওইদিন মারামারি , প্রক্টরের অফিস ভাংচুর ...... এগুলো নিজের চোখে দেখা কিনা ...... সব মিলিয়ে রিলেট করা। যাইহোক...
ভালো থেকেন ভাইয়া। আর আমার ঘৃনা সমস্ত হত্যাকারীর উদ্দেশ্যে ।
(আগের রিপ্লাইটা মুছে দিলাম , হালকা হয়ে গিয়েছিলো! )
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ম্যানহোলে এই বর্বরতা নিয়ে পারলে কিছু লিখুন।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে ভাইয়া। :-)
এটা কি ফরমাইশ, না অনুরোধ?
অনুরোধ হলে তো সেরকম বিনয় থাকা চাই।
অন্যকে ফরমাইশ না দিয়ে নিজে লিখলে অসুবিধা কি? বাংলাদেশে চাকর বাকরকে ফরমাইশ দিয়ে দিয়ে এমন অবস্থা যে মানুষ ব্লগে এসেও এসব ছাড়তে পারে না।
লেখক বলেছেন: হুম্মম্মম......... ব্যাপারনা আপু , কোন একজনের বিনয় থাকলেই হলো! আমি বিনয়ের সাথে এটাকে একান্ত অনুরোধ ই ভেবে নিয়েছি!
ধন্যবাদ আপু ...... তুমি তো জানোই আমার নামের অর্থ !
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
উম্মু ম্যাডাম, আগেই বলেছিলাম, দয়া করে রাগের মাথায় যেখানে সেখানে বেনিকাব হয়ে পড়বেননা। "এই বর্বরতা নিয়ে পারলে কিছু লিখুন।" -কথাটিতে অনুরোধ সূচক সৌজন্য প্রকাশের নূন্যতম যদি ঘাটতি থাকে, তাহলে সঠিক যথার্থ বাক্যটি লিখে বাধিত করবেন। ব্লগে আমার ছাইপাশ লেখা কেউ পড়েনা। আপনার বোদ্ধা লেখিকা, গবেষণা করে লিখেন, তথ্য সূত্রও দেন, জনতা জ্ঞান মুগ্ধ হয়ে পড়ে প্লাস দেয়, হিটও বাড়ায়। আপনারা লিখলেই কেবল পাঠককূলের কাছে সঠিক বার্তাটি পৌছে। দেখুন না আবু বকরকে নিয়ে এত পোস্টের পরেও আপনাদের এই পোস্টটি স্টিকি করার জন্য জনতা রায় দিচ্ছে।চাকর-বাকরের মুখ দেখিনা ১০ বছর হল, নিজে রান্না করে , ঘর মুছে, থালা বাসন ধুয়ে খাই।
কাজেই এই নগণ্য পাঠকের তরফ থেকে আপনাদের মত খ্যাতিমান লেখকদের কাছে এটা নিতান্ত অনুরোধ। হুকুম করার মত অভদ্র নই।
আপনার একান্ত "প্রতিক্রিয়া" মুগ্ধ,
সাঈফ
লেখক বলেছেন: আপনার বিনয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই !!!!!! থাকতেই পারেনা ! ........ অনুরোধ করেছেন জানি ! লিখতে পারলে ভালোই লাগবে।
উত্তেজিত না হন, কেমন... এটা আমার অনুরোধ থাকলো!
লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেখি পড়বো...
ধন্যবাদ অনেক।
নরাধম বলেছেন:
নতুন যে রাবি'তে ছাত্রলীগের ছেলেটাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, সেও খুবই গরীব ছেলে। গ্রামীনব্যাংকের লোন নিয়ে তার বাবা তাকে পড়াচ্ছে, সে খুবই ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট। আপনার লেখায় কি তার জায়গা হবে?
দেখুন আবুবকরকে নিয়ে আপনার লেখাটা খুবই টাচি হয়েছে, পড়ে মন খারাপ হল। ফারুককে নিয়েও একটা লেখা দিন, যদি ইচ্ছে হয়, অথবা ফারুকের কথা এই পোস্টে যোগ করে দিন পারলে। নাহয় আপনি হয়ত ইন্টেন্ড করেননি, তবুও লেখা থেকে একটা বিশেষ দলের প্রতি সহানুভূতির গন্ধ বের হচ্ছে।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আমার লেখাটা কিন্তু তাদের সবার জন্য! একটু মন দিয়ে প্রথম থেকে পড়ে দেখেন , আমার নিজস্ব কিছু অভিজ্ঞতা ...... কারো নাম বলিনি ... এসব আমাদের জানা ব্যাপার ই...... এটা নির্দিষ্ট কাউকে নিয়ে কিংবা কারো ঘটনা নিয়ে না ! ৬ ই ফেব্রুয়ারী কিভাবে ফারুক কে নিয়ে আসতাম লেখায় ? তখন সামনে আবু বকর ই ছিল! সমস্ত জীবনযোদ্ধাদের রিপ্রেসেন্টিটিভ ... ফারুক ও তাদের একজন! লেখা থেকে গন্ধ বের হলে কি আর করা ...... আমি ওটা নিয়ে চিন্তিত নই ! বাস্তবতা আমার কাছে বড় বিষয় ... আমি জানি আমি কি বলতে চেয়েছি।
আশা করি সবাই সেটা বুঝতে পারবে।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
রুদমী বলেছেন:
এই পোস্ট টা প্রিয়তে নিচ্ছি সোহায়লা , তোমার অসাধারণ লেখার জন্য , আর তোমার সুন্দর সব মন্তব্যের জন্য।
লেখক বলেছেন: আর বোলোনা ভাই ......... কষ্ট থেকে লেখা কি আর অসাধারণ হয় !খুব সাধারণ হয়।
আর ধন্যবাদ আবারো , কেউ আমার লেখা প্রিয় তে নিলে আমার কি যে ভালো লাগে ! সাধারণত কেউ নেয়নাতো :-)
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
সোহায়লা, লেখাটা খুব খুব সুন্দর। আর যেই বিষয়টা নিয়ে লিখেছ, তা নিয়ে কি বলব জানিনা, ভাষা নেই।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপু।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আপনা্র লেখাটা আগেও পড়ছিলাম আপু, তখন মন্তব্য করার ইচ্ছা ছিল না। এখনও নাই, শুধু উপস্থিতিটা জানান দিলাম।কিছু কিছু পোস্টে মন্তব্য করার দর্কার থাকে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুক্ত , উপস্থিতির জন্য ! :-)
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
ফারহান ভাইয়ের কথাগুলোই আমার কথা। কিছু বলার মতো খুঁজে পাচ্ছিনা।
লেখক বলেছেন: দোয়া করুন ...... ওইটাই আমরা একমাত্র করতে পারি , সর্বশক্তিমানের কাছে।
যা হচ্ছে , স্পিচলেস ই !
শামির শাকির বলেছেন:
খুব খারাপ লাগে ...
লেখক বলেছেন: খুব হতাশ লাগে ...
আমিই জিনিয়া বলেছেন:
ভাষাহীন।কষ্ট লাগছে খুব..
লেখক বলেছেন: কদিন বাদেই ভুলে যেতাম , ভুলেও যাচ্ছি .........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পোস্টটা দেখেছি ...
বন্ধু-কথন বলেছেন:
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে একটা পরামর্শ দেই- হলে সিট পাবার সিস্টেমটা দলীয় প্রভাবমুক্ত করেন, আবু বকররা আর মাস্তানদের মুখাপেক্ষী হবে না।শিক্ষক নামক অমানুষগুলো যে কবে মানুষ হবে। প্রভোস্ট আর হাউস টিউটররা কি পারে না মেধার ভিত্তিতে রুম বরাদ্ধ দিতে?
----
লেখাটাতে আত্নীয়করণ ছিল, নিজ ভাই হারানোর বেদনা আপনি তুলে ধরেছেন। কবে যে দুনিয়ার সবাই এভাবে ভাবতে শিখবে... আল্লাহ আপনার জীবনকে দীর্ঘ করুন আর লেখার প্রতিভাকে অক্ষুণ্ণ রাখুন- আমীন।
আফসোস এক্টাই- মতের বিপরীতে গেলে, আমরা পিটিয়ে মানুষ মারতেও দ্বিধাবোধ করি না। আল্লাহ এই পশুগুলোর মুখ উন্মোচন করে দিন।
লেখক বলেছেন: They were plotting and Allah too was planning, and Allah is the Best of the planners. - Sura Al-Anfal.
আবদুল মুনয়েম সৈকত বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে রাখলাম...................এবং পিলাচ
লেখক বলেছেন: আমি এখন আমার এই লেখাটা নিয়ে ভীষন ভাবে লজ্জিত হই , কি করলাম আমরা আবুবকরের জন্য ? এসব লোক দেখানো লেখা লেখিতে কি আসে যায় ? ঢাবি আজকে হলুদ উৎসবে ভেসে যাবে , কালকে সেখানে আরো চরম অসার ভালোবাসার আসর বসবে ...... আর আবুবকরের বাবা লজ্জায় মুখ ঢেকেই রাখবেন!
মা বাকরুদ্ধ হয়েই থাকবে !
আমি ভীষন লজ্জিত , ভীষন ভীষন লজ্জিত ! :-(
সুবিদ্ বলেছেন:
মোতাহার হোসেনের কাছে কবি নজরুলের লেখা একটা চিঠিতে পড়েছিলাম এরকম একটা লাইন, ক'ফোঁটা রক্ত দিয়ে একফোঁটা চোখের জল হয়, তোমাদের বিজ্ঞান তা বলতে পারে???আজ ভাগ্যিস উনারা কেউ বেঁচে নেই.....তাহলে দুঃখ পেতেন যে আজ শুধু অশ্রুতেই ভেসে যাচ্ছে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ
আমরা এত স্বার্থপর, দুর্ভাগা আমরা হবোনা তো কোন জাতিটা হবে, বলেন??
লেখক বলেছেন: এখন প্রতিদিন ই ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে স্টুডেন্ট পেটানোর কোন না কোন ঘটনা ঘটে , কখনো প্রকাশ্যে , কখনো গোপনে , কখনো হলে , রাতেই বেশী কিংবা দিনেও ! শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ঢাবির সাফল্য পয়লা বৈশাখ এ জমকালো বর্ষবরণ , বসন্ত বরণ , চলচ্চিত্র উৎসব , নবান্ন উৎসব ...... এই সব এ ! কেউ দেখাতে পারবে গত তিরিশ বছরে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে কোন আন্তর্জাতিক স্বিকৃতি বিজ্ঞানে , কোন গবেষনায় ......... ?
আর সাফল্য সবচেয়ে বেশী তাতো সবাই জানেই ... রক্তপাত আর অশ্রুপাতে !
ভেড়া বলেছেন:
সবকিছুরই নিশ্চয়ই মানে আছে । এই বিশ্বাসটুকুই সম্বল ।
লেখক বলেছেন: এখন যা হচ্ছে , সেটার কোন মানে নেই ! কোন মানে নেই ! আজকে আমার দেশ এ খোমেনী ইহসান আর আরিফ মোহাম্মদের লেখা রিপোর্ট টা পড়ে দেখেন .........
স্রষ্টা সব ই দেখছেন , এই বিশ্বাসটুকুই সম্বল !
মৌনোতা বলেছেন:
আমি এই প্রথম আপনার কোন লেখা পড়লাম এবং এক লেখাতেই ছোখের কেনো পানি এসে গেলো।আমিও আবু বকর নিয়ে অনেক পোস্ট দিয়েছে। সময় থাকলে আমার এখানে আসবেন।
লেখক বলেছেন: আসুক পানি মৌনোতা , আমাদের চোখের পানিতে অভিশপ্ত হোক হত্যাকারীরা ... সব হত্যাকারীরা !
ধন্যবাদ , আমি আপনার পোস্ট টা দেখেছি । দেখি ।কিছু একটা করার চেষ্টা আছেই ... ইনশাল্লাহ । দোয়া করবেন ।
মৌনোতা বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
লেখক বলেছেন: শুভকামনা আপনাকেও ।
মুনিয়া বলেছেন:
অনেকদিন পর ব্লগে ঢোকা... নোংরা রাজনীতির জালে ফেলে যারা মেধাবী জীবনগুলোকে এভাবে শেষ করে দিচ্ছে তাদের প্রতি ঘৃণা
লেখক বলেছেন: দেখো আমরা কিভাবে সব ভুলে যাই !কিভাবে আমাদেরকে ভুলিয়ে দেয়া হয় ......... সত্য থেকে দূরে চলে যাই আমরা সহযে , দুনিয়ার সুখ অনলি অন মাই ডিযুস ......... হারিয়ে যাও! ওক্কে , হারিয়ে যাচ্ছি ...... নো টেনশন !
যে চলে গেল , সে গেল ...... জনমদুঃখী করে গেল রক্ত পানি করে আগলে রেখেছিল যারা তাদের...
আমাদের কি ? আবার এমন কিছূ ঘটার জন্য আমরা না হয় অপেক্ষা করি , আরেকটা পোস্ট লিখে দায়িত্ব পালন করে ফেলবো!
ভার্চুয়াল ঘৃণা জানাই ...... আর কি ই বা করতে পারি
ধন্যবাদ মুনিয়া , অনেকদিন পর ই আসলে তোমাকে দেখলাম!
লেখক বলেছেন: শুধু থুথু ছিটিয়ে আত্ম-প্রশান্তি লাভ হয় , আর কিছুই হয়না ! মন টা তখনি ভীষন খারাপ হয়ে যায় !
লেখক বলেছেন: হুম্মম ......
ওমর নাসিফ বলেছেন:
তোমার লেখা শিরোনামটা সলিল চৌধুরীর গানের কথা মনে করিয়ে দেয় সোহা-পৃথিবীর ইতিহাসে কবে কোন অধিকার বিনা সংগ্রামে শুধু চেয়ে পাওয়া যায়
লেখক বলেছেন: অথবা ,
আহ্বান, শোন আহ্বান,
আসে মাঠ-ঘাট বন পেরিয়ে
দুস্তর বাধা প্রস্তর ঠেলে
বন্যার মত বেরিয়ে
যুগ সঞ্চিত সুপ্তি দিয়েছে সাড়া
হিমগিরি শুনল কি সূর্যের ইশারা
যাত্রা শুরু উচ্ছল চলে দূর্বার বেগে তটিনী,
উত্তাল তালে উদ্যাম নাচে মুক্ত স্রোত নটিনী
এ শুধু সত্য যে নব প্রাণে জেগেছে,
রণ সাজে সেজেছে, অধিকার অর্জনে।
সলীল চৌধুরীর গান ...
কিংবা
আমি বলি ,
আমরা এভাবেই থাকছিলাম
ভাবছিলাম
লিখছিলাম
পড়ছিলাম
দুঃখবিলাস করছিলাম
ভুলছিলাম
ঘরেই ফিরে আসছিলাম
সুবোধ সন্তান মায়ের !
আর অনেক অনেক কোন এক দূর থেকে কেউ একজন তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাঁকিয়ে দেখছিল , চোখের কোনে জল ছিলোনা ...... মায়ের কষ্টে একাকার হয়ে ছিল আর আমাদের ভন্ডামী দেখে করুণা করছিল !
আল্লাহ তো সব দেখছেন , তাইনা নাসিফ? আবু বকর , ফারুক ... আর ওদের মত যারা মজলুম , তাদের অভিশাপে ছাই হয়ে যাক যালিমেরা !
ওমর নাসিফ বলেছেন:
আজকে আবু বকরের পরীক্ষার ফল জানার পর তার মায়ের অবস্থা কল্পনা করছিলাম................... Darkness, Depression
A wind of thought flows through my mind
With it comes aggression
Peace I can not find
লেখক বলেছেন: হু , গতকাল কোন এক গ্রামের কোন এক ছোট্ট ঘরে ভীষন খুশীর দিন হতে পারতো , কোন এক মা আনন্দে চোঁখ মুছতে মুছতে চুলে তেল দিতে বসতো ,বড় ভাইটা কিছু টাকা যোগার করে এক হাড়ি রসের মিষ্টি কিনে হাসতে থাকতো, ছোট ভাই-বোন গুলো ঢাকায় পড়তে আসার স্বপ্ন দেখতে থাকতো, কোন এক বৃদ্ধ বাবা গামছায় ঘাম মুছে ............... নাহ আর লেখা যাচ্ছেনা , পারছিনা !
আবুবকরের প্রথম হওয়াতে কি আসে যায় ? বরং খুব আনন্দে হ্যাপ্পি বার্থডে করলাম , সেটাই বেশী জরুরী ছিল!
আমরা অসভ্য হয়ে গিয়েছি নাসিফ , ব্যাস আর কিছুনা...
সাকীব বলেছেন:
কষ্ট পাচ্ছি। আর কি বলবো।
লেখক বলেছেন: কিছু বলার নেই আসলে সাকিব, চেয়ে চেয়ে দেখি তাই!
কল্পনাতে শুভ্র বলেছেন:
লেখাটা পড়ে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল |মাঝে মাঝে যখন চিন্তা করি একটা মানুষ কত কষ্ট করে বেচে থাকে আর আমি কত আরামে বেচে আছি তখন নিজের উপর খুব ঘৃণা হয় |
লেখক বলেছেন: ভাল ভাবে বেঁচে থাকা মানুষগুলোকে তাই এই নেয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতাস্বরূপ কিছু কাজ করতে হয়, যেন ঘৃনা না জন্মে, চিত্ত সন্তুষ্ট হয়, মানুষ পরিচয়টা সমুন্নত হয়!
আমরা কি করি? যেন করি.........
না করলে একদিন হয়তো এর জন্য জবাবদিহীতার সামনে পড়তেই হবে আমাদের!
ভালো থেকো রিদওয়ান, শুভকামনা।
শরিফ নজমুল বলেছেন:
"যারা তোমাকে তোমার জীবনের গল্পটা শেষ করতে দিলোনা কিংবা শুরু হতে দিলোনা , তাদের মুখে একদলা থুথু ছিটিয়ে দিলাম ! "কমেন্ট লেখার ভাষাও পাচ্ছি না। শুধুই কষ্ট পাওয়া।
লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: একজন ফারুক হত্যার জন্য বাংলাদেশের এখানে সেখানে থেকে এক হাজার জন এরেস্ট করেছে, বকরের জন্য কয়জন? একজনও কি? অবিচার, অনিয়ম, বৈষম্য, অপরাধ ...............
সবকিছুর ফয়সালা একদিন হয়, হয়ে যায়, হয়ে যাবে।ইনশাল্লাহ...
ধন্যবাদ শরীফ নজমুল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























আর লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের ছেলে মেয়েরা বিদেশে পড়াশুনা করে থাকে..তারা ছাত্র রাজনীতি থেকে অনেক দুরে থাকে। আর একটা সময় আবার তারাই এমপি আর মন্ত্রি হয়। আর সাধারণ ঘরের ছেলে-মেয়েরা রাজনীতির কবলে পড়ে কেউ জীবন দেয়..কেউ বা পঙ্গুত্ব বরণ করে থাকে। আমাদেরকে সচেতন হতে হবে.. আর দুই নম্বর রাজনীতিবিদদেরকে ঘৃনা করতে হবে প্রয়োজনে প্রতিরোধ করতে হবে। তা না হলে এইভাবে মায়ের বুক খালি হতে থাকবে..
৯০ এর দশকে আমি ও ছাত্র রাজনীতি করি.. আমি দেখেছি ছাত্র নেতারা কিভাবে চাদাঁবাজী টেন্ডারবাজী আর নিরীহ ছাত্রীদের সাথে অশানীল মন্তব্য করে। কিভাবে মানুষ মেরে উল্লাস করে থাকে.. তাই আমি সবমসয় ছাত্র রাজনীতির এই অপকর্মকে ঘৃনা করে আসছি।