আমার প্রিয় পোস্ট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে গেলাম! ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই!! থ্যাংকস্ বিআরটিএ! - পাললিক মন
- আর্কিটেক্ট রিকশাচালক ও পরশ পাথরের গল্প - ই য়া দ
- চাঁদ নেমে আসে, আমার জানালার পাশে ... - সোহায়লা রিদওয়ান
- “আমি তোমায় ভালোবাসি” – এটার মানে কি রে ভাই?! - নাবিলা ইদ্রিস
- গণিতের সাহায্যে সিংহ শিকার - ম্যাভেরিক
- স্বেচ্ছাসেবা - ওয়ারা করিম
- জীবন এক অপূর্ব তুর্কি ঘোড়া ! - সোহায়লা রিদওয়ান
- **আলো ও অন্ধকারের গল্প** - বোহেমিয়ান কথকতা
- তারুণ্যে মুখরিত, সচেতন প্রাণে উজ্জীবিত কমিউনিটি অ্যাকশন আয়োজিত অগ্নি প্রতিরোধ বিষয়ক কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত - বোহেমিয়ান কথকতা
- উদ্বায়ীরা উধাও হও... - বিবেক সত্যি
- ~ প্রিয় যত পোস্ট ২ ~ [আপডেটেড] - জনৈক আরাফাত
- আমি আছি...আমি আছি... - ওমর নাসিফ
- জীবনের অর্থ খুজতে গিয়ে .... - আনহা
- আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........ - তায়েফ আহমাদ
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- কবিতা - সাকীব
- মাথার কাছে মায়ের শাড়ি - বিবেক সত্যি
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- গরীববেলার স্মৃতি-৩ (ঈদ উপলক্ষে রিপোস্ট) - আবু সাঈদ আহমেদ
- রঙধনু রঙে রাঙুক আমার স্বাধীনতা,আমার বিজয় - বোহেমিয়ান কথকতা
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- রূপসী বাংলা : জীবনানন্দ দাশ - একরামুল হক শামীম
- উদ্ভাবন - শাহীন আঁখি
- কিছু করার চেষ্টা - বাবুনি সুপ্তি
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- ছেলের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিকট আব্রহাম লিংকনের চিঠি। - ভিন্ন চিন্তা
- বাবাকে ছুঁয়ে দেখবো বলে - জাহিদ মজুমদার
- চৌদ্দগ্রাম শাখা ব্র্যাক অফিসে খুন রিক্সা চালক আব্দুর রশিদের সন্তানদের মুখ - অণৃণ্য
- উচ্চাকাঙ্ক্ষাহীন জেলে এবং দূরদর্শী পরামর্শদাতা - ম্যাভেরিক
- একটা বোনের জন্য হাহাকার - বিবেক সত্যি
- প্রসঙ্গ: এপ্রিল Fool: আসুন একটু ভাবি.. - ইঊসুফ সুলতান
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- আঁস্তাকুড়ে মরে পড়ে থাকা বেড়াল - শব্দ স্বনন
- ঘুম পাড়ানী মাসি পিসি......... - ফারজানা মাহবুবা
- শিক্ষাব্যবস্থা, ক্ষয়িষ্ণু সংস্কৃতি, যুদ্ধাপরাধী ইস্যু, জাফর ইকবাল ও আমাদের বুদ্ধিজীবি সমাজ- আপাত বিক্ষিপ্ত প্রাসঙ্গিক ভাবনা - সীমান্ত আহমেদ
- IBA Method ফলো করুন, শিক্ষাঙ্গন একদিনে ঠিক হয়ে যাবে। গ্যারান্টি!! - পাললিক মন
- বেঞ্চমার্ক মুহাম্মদ (স):। লাইফ ইজ বিউটিফুল। ট্রাই করেই দেখুন না। প্লিজ! - পাললিক মন
- জ্বলছে জাহাজ . . . - বিবেক সত্যি
- হয়তো ভালোবাসা গল্পে ছিল... - ভাঙ্গা পেন্সিল
- জল টলমল - অনাহুত আগন্তুক
- টক লাইক আ ফিজিসিস্ট দিবস - মুহাম্মদ
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- গাজায় ফিলিস্থিনীদের উপর নেমে আসা মানুষের তৈরী বিপর্যয় আর সুবিধাবাদী দালাল শ্রেনী। - এস্কিমো
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
ভ্যাঙ্গাড়ি
০১ লা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১০
আমি যখন স্কুলে যাই, অনেক ছোট তখন আমাকে কিছুদিনের জন্য ভ্যাঙ্গাড়িতে দেয়া হয়েছিল। হ্যা, ভ্যাঙ্গাড়ি!! ভ্যানগাড়ি ......
ঐ যে ছোট ছোট ভ্যান গুলো, যার গায়ে লেখা থাকে, "আপনার বাচ্চাকে ভ্যানে দিতে চাইলে চালকের সাথে যোগাযোগ করুন"।
আমাদের গাড়ি ছিলনা, আমার পরে আরো ছোট বাবুরা বাসায়, তার উপর আম্মু পড়াশুনাও করছিল তখন, তাই আমাকে আনা-নেয়ার কেউ ছিলনা। ভ্যাঙ্গাড়ি সব সমস্যার সমাধান করে দিল কিছুদিনের জন্য! নিশ্চয়ই বাবা চালকের সাথে যোগাযোগ করেছিল ........
আমার ভ্যাঙ্গাড়ির যাতায়াতের সময়টুকু ছিল বিজয়গাঁথা ! আমি কিভাবে বাসায় অসম্ভব সাহসিকতার সাথে ইঁদুর মেরে ফেলি, তার রোমহর্ষক বর্ণনা করে ভ্যানের সবাইকে ভয় পাইয়ে দেয়াই ছিল আমার কাজ! তার পর কিভাবে এক রাতে চোর এসেছিল আর আমি কিভাবে তাদের মোকাবেলা করেছিলাম সেই গা ছম ছম করা কাহিনী শুনে ভ্যাঙ্গাড়িতে সবাই আমাকে সেরকম সম্মানের আসনে বসিয়ে দিয়েছিল! ছয়-সাত বছর বয়সী সুপারগার্ল আমি তখন, সব পারি! শহরের ছেলেধরারা আমাকে ভয় পায়! আমার নাম শুনলে তাদের হিসু পেয়ে যায় এমন অবস্থা! ভ্যানে আমার পাশে বসতে পারাটাও সেকালে বেশ আভিজাত্যের ব্যাপার ছিল! কী আর বলবো ( লজ্জিত বেশ .........) ইয়ে মানে জনগন আমাকে যোগ্য মর্যাদা দিতে কার্পণ্য করেনি! :-D
বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলা বাচ্চা হিসেবে আমি তুখোর ছিলাম! স্কুল জীবনের প্রথম দিকের গল্প , তাই ঠিক মনে পড়ে!
এখোনও বাচ্চাদের ভ্যাঙ্গাড়িতে যেতে দেখি। তাদের পাশে আমার রিকশা থামলে, আমি খুব করে খেয়াল করি ওই ভ্যানের সুপারগার্লটা বা সুপারবয়টা কে? পট পট করে কথা বলে যাওয়া বাচ্চা দেখলেই বুঝি, ওইতো আমি! সবাই হা করে তার অসীম সাহসিকতা কিংবা রোমহর্ষক এডভেঞ্চারের গল্প শুনছে নিশ্চই! হয়তো এখন সেটা ভার্চুয়াল কোন গেইমের জগতের! সব ভ্যানে একটা দুইটা ম্রিয়মাণ বাচ্চা থাকে, অতিশয় ভদ্র বাচ্চাটা চুপ করে বসে থাকবে পুরো পথটা। মাঝে মাঝে খুব হই চই , কারণ ভ্যাঙ্গাড়িতে কয়টা বজ্জাত টাইপ ছেলেবাচ্চাও থাকবে (মেয়ে না কিন্তু...... মেয়েরা ভালো বাচ্চা :-) যারা কিছু হলেই ফাইট করবে! চলন্ত ভ্যানেই রেসলিং শুরু হয়ে যায়! তখন ভয় পেয়ে অন্য ভালো বাচ্চারা চিৎকার করা শুরু করে দিলে ভাল মানুষ ভ্যাঙ্গাড়ি মামা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন!
ভীষণ ধুলোবালি, ভীষণ গরম, ভীষণ গাড়ীর ধোঁয়া আর ভীষণ দ্রিম দ্রিম করে ছুটে চলা বড় বড় গাড়ির পাশ কেটে ছোট ছোট বাচ্চাদের বাক্সবন্দী করে নিয়ে ভ্যাঙ্গাড়ি মামা যেতে থাকে। আমার ছোট্ট বেলার ফ্যান্টাসী জগৎটার কথা মনে পড়ে......... বানিয়ে গল্প বলার মধ্যে কী আনন্দ, কী আনন্দই না ছিল!! আমি কাতর হই .... ভেবে ভেবে!
ভ্যাঙ্গাড়ি মামারা রিকশা মামাদের মত না। তারপরও রুক্ষ শহুরে পথে অনেকগুলো বাচ্চা নিয়ে সে বিপদেও পড়ে... কখনো কোন বড়লোকের মোটরগাড়িতে চাকা দিয়ে পেন্সিল স্কেচ করলে সেটা গাড়িওয়ালা আঙ্কেলের কেন পছন্দ হবে?
যখন ভীষণ ব্যাস্ত রাস্তায় বাক্সবন্দী বাচ্চারা দেখে তাদের ভ্যাঙ্গাড়িটা মধ্য রাস্তায় থেমে আছে, আর তাদের ভ্যাঙ্গাড়ি মামাটা খুব মার খাচ্ছে অসহায় ভাবে, তখন কেমন লাগে ওই বাচ্চা গুলোর? ভীষণ অসহায়ত্ব, ভীষণ মন খারাপ হয়ে যাওয়া ! ভ্যাঙ্গাড়ির সুপারহিরো বাচ্চাটাও তখন কিছু করতে পারেনা...... তার চোখে পানি টলমল করে , তার ভ্যাঙ্গাড়ি মামাটা মার খাচ্ছে! সে কিছু করতে পারছেনা, তার পাওয়ার স্যুটটা নেই, আসলে কোনদিনতো ছিলোওনা, তার পাওয়ারশিপটাও নেই ......... একটু আগেই বন্ধুদের বলা গল্প গুলো ফিকে হয়ে যায়! সবাই ওকে মিথ্যেবাদী ভাবছে, কী কষ্ট, কী অপমান! ভ্যাঙ্গাড়ির অনেকেই তখন ভ্যাঙ্গাড়ি মামার জন্য কাঁদছে, কারো চোখে পানি, কারো কান্না মনে মনে ......... অসহায় বাচ্চাগুলো প্রতিজ্ঞা করে নিরবেই, যখন বড় হবে তখন ওই লোকটাকে উচিত শিক্ষা দেবে যে তাদের বড় ভালো মানুষ ভ্যাঙ্গাড়ি মামাকে মারলো!
ভ্যাঙ্গাড়ি মামা একসময় ছাড়া পেয়ে ফিরে আসে, পুরোণো মলিন তালি দেয়া জামাটার হাতায় চোখ মুছতে মুছতে বাক্সবন্দী ক্ষুদে স্বপ্নচারীদেরকে নিয়ে আবারো চলতে শুরু করে, কত দায়িত্ব তার, ক্লান্ত হলে কি চলবে?! এতো গুলো বাচ্চার বাড়ি ফেরা ......... বাচ্চারাও তখন শক্ত হাতে ভ্যাঙ্গাড়িতে লোহার শিক ধরে বসে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রতীক্ষা বলেছেন:
ইশ খুব ভাল লাগল পড়তে! কত কত মজার স্মৃতি সাথে কষ্টেরও!
লেখক বলেছেন: জীবনের একটা phase. উপভোগ্য ছিল...... নির্মল ছিল।
ধন্যবাদ প্রতীক্ষা।
রোডায়া বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো৷
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোডায়া, কাচ্চা-বাচ্চা লেখাটা পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: না বুঝিয়ে দিলে কিছুতেইতো বুঝতামনা! :-)
আমি জীবনেও ভ্যানগাড়িতে চড়ি নাই! আমরা এগুলোরে বলতাম মুরগীর খোপ আর এর ভিত্রে যারা বইসা থাকে তারা হৈল মুরগীর বাচ্চা!
মজার লেখাটা শেষ দিকে এমন দুঃখের করে দিলেন কেন!
লেখক বলেছেন: এখন অবাক হই, কিভাবে ঢুকতাম! স্কুলে ভ্যানগাড়ির অভিজ্ঞতা থাকা ভালো! যেমন ভার্সিটিতে ভার্সিটির লাল বাসে চড়ার! একটা ব্র্যান্ড ব্র্যান্ড ইমেজ আসে! :-)
শেষটা কি দুঃখের নাকি? প্রায়ইতো এমন ঘটে! নিজের দেখা দৃশ্যগুলো আশ্রয় করেইতো লেখা......
ধন্যবাদ তায়েফ ভাই।
রুদ্র তুফান বলেছেন:
মজার লেখাটা শেষ দিকে এমন দুঃখের করে দিলেন কেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুদ্র, বেশী দুঃখের হয়নাইতো!
সাকীব বলেছেন:
অসাধারন হইসে। লেখাটা যে মানুষের মনে ছাপ ফেলসে তার প্রমান উপরে তায়েফ আর রুদ্রের মন্তব্য।তুমি নিশ্চই স্কুল আ, এ্যা, র কথা বলতেসো। তখন আমিও তো ভ্যাঙ্গারীতে যাইতাম স্কুলে। ওয়ান থেকে আম্মা নিয়া যাইতো। আমার ভ্যানে একটা আপু ছিল। সে ছিল এরকম, বেশি চ্যাটাং চ্যাটাং করতো। চালক সংক্রান্ত কোন কিছু মনে নাই অবশ্য।
তুমিতো ভাল শিশু সাহিত্য লিখতে পারবা। লেখা শুরু করো। লেখার প্রথম অংশ বাচ্চাদের মনস্তত্তের মধ্যে ধুকে যাওয়ার মতো করে লিখসো। (কোথায় যেন একটা বিসর্গ আসে 'মনস্তত্তের' মধ্যে। মনঃস্তত্ত?)
লেখক বলেছেন: তোমার মনে ছাপ ফেলসে, গুড এনাফ তাইলে :-)
আ এ্যা তে কিনা , নাহ মনে হয়! ওয়ানে পড়ি ...... এরকম হবে আবার এর আগেও হতে পারে! গভঃল্যাবে ভ্যান সিস্টেম ছিলোনা! আমাদের স্কুলে ছিলোতো।
যেদিন সবার শেষে আমাকে নামানো হতো, সেদিন মন খারাপ হতো!
শিশু সাহিত্য লিখতে পারবো?? ধুর...... শিশু পালনের টাইম এখন, সাহিত্য লেখার সময় কই ?? :-D
মনঃস্তত্ব , এমন বানানটা।
ধন্যবাদ ধন্যবাদ !
ভেড়া বলেছেন:
খুব ভাল্লাগলো ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দামাল ছেলে বলেছেন:
অনেক ভালো হয়েছে আপুমণি!
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া! :-)
লেখক বলেছেন: ওদের দেখে হাসি, ওরা লজ্জা পেয়ে যায়! তারপর ওদের মধ্যে আমাকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায়! :-)
মাহমুদ ফয়সাল বলেছেন:
কিছু বাচ্চা চুপচাপ শুধু শুনে... আমি ওদেরই একজন। আমি সবসময় চুপচাপ দেখি আর শুনি। বলতে শিখলাম না আজো!অল্প কিছুদিন "ভ্যাঙ্গাড়ি" তে চড়েছিলাম, বছরখানেক। তবু স্মৃতিতে অনেক কিছুই মিলে গেলো।
বিষয়বস্তুর চাইতে সুন্দর আপুমণির লেখার ধরণটা। একদম মন ছুঁয়ে গেছে!!
লেখক বলেছেন: চুপ চাপ বাচ্চাদেরও দরকার আছে! নইলে ব্যালান্স হবেনা আর আমার মতদের "একক আধিপত্য" করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে!!!
গল্পে গল্পে সময়টা অনেক ভালো কেটে যেত তাইনা, আব্বু-আম্মুর সাথে বাসায় আসাতো খুব বোরিং আসলে !:-)
ধন্যবাদ ফয়সাল, শুভকামনা ভাইয়াকে।
লেখক বলেছেন: তাইতো দেখছি! তবে পিচ্চিকালে বানিয়ে গল্প বলাটা চাপাবাজির পর্যায়ে যায়না, বরং ওটা প্রতিভা! মানে যাকে বলে ক্রিয়েটিভিটি .........
এখন গল্প বানাতে পারিনা ! :-(
ওমর নাসিফ বলেছেন:
তুমি যে ছোটবেলায় খুব dominant আচরণ করতা তার ছায়া লেখাটাতে আছে। কারণ ভ্যাঙ্গাড়িতে কয়টা বজ্জাত টাইপ ছেলেবাচ্চাও থাকবে (মেয়ে না কিন্তু...... মেয়েরা ভালো বাচ্চা :-)
এই ধরনের চরম biased একটা লেখা এত লোকে পছন্দ করল কেমনে?? ওই.... তুমি মেয়ে হইয়াও যে নির্দয়ভাবে ছেলেদের খামচাইতা ছোটবেলায় সেইটার কি হবে? আমি আর সাকীব যে তোমারে ধইর্যা মাইর দেইনাই সেই সময় সেই কৃতজ্ঞতা না জানায়া তো দিব্যি ছেলেবাচ্চাগুলারে বদ বানায়া দিলা...মাগনা পাইছো না???
যাই হোক, লেখাটারে রিপোর্ট করতে গিয়া দেখি প্লাস দিয়া দিছি
লেখক বলেছেন: আমি তোমাদের মাইর খাইনাই ???? ইহা তুমি কি বলিলে?! পুরা জাতি হতভম্ব! যথেষ্ট মাইর খাইসি তোমাদের, হয়তো আমি দূর্বল ছিলামনা তাই একপর্যায়ে প্রতিবাদী হয়ে খামচি দিসিলাম! আমার কোন দোষ নাই! সাকীব হাত প্যাচায় পেছনে নিয়ে ধরে রাখতো, এই মাইরের কথা কে ভুলবে ?? নির্মম নির্মম!
মেয়ে বাচ্চারা সাধারণত রাস্তা ঘাটে ফাইট করেনা, কারণ তারা ভদ্র। সো সিম্পল!
:-) :-)
মেঘকন্যা বলেছেন:
আমিতো এস.এস.সি. র টেস্ট পরীক্ষা পর্যন্ত ভ্যানে করে যেতাম।খুব আনন্দের ছিল আসলে দিন গুলো।সবার সাথে সবার খুব চমৎকার সম্পর্ক ছিল,গানের কলি খেলতাম,আর গল্পেরতো কোনো শেষই ছিলনা।
লেখক বলেছেন: ভ্যানের অভিজ্ঞতা অল্প কদিনের, ঝাপসা কিন্তু জমাট বেধে থাকা স্মৃতি অবলম্বন করে লেখা। বড় বেলার ভ্যান অভিজ্ঞতা অনেক অন্যরকম হতো জানি :-)
ধন্যবাদ মেঘকন্যা।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লাগলো ভাঙ্গাচোরা (!) ভ্যাঙ্গারিনির্ভর স্মৃতিকথন। একটু কষ্টের ছোঁয়া রেখে গেলে শেষের দিকে।
লেখক বলেছেন: যখন বাচ্চারা প্রতিবাদ করতে পারেনা, তখন ওদের খুব কষ্ট হয়, আর সেটার কথাও কাউকে বলতে পারেনা .........
ধন্যবাদ কালপুরুষ ভাই।
লেখক বলেছেন: বাসার কাছে স্কুল থাকলে আর কি ......... কোন মজা নাই! :-)
বৃষ্টি হলেও স্কুলে যেতে হয়!
বড় বিলাই বলেছেন:
আমি ছিলাম ঠিক আপনার উল্টা। ভ্যাঙ্গারির সবাই আমার উপর সুপার হিরো গিরি চালাত। আমি বোকার মত চুপ করে সহ্য করতাম।
লেখক বলেছেন: উপরে একজনকে এটাই বলছিলাম যে শান্ত বাচ্চাদেরও দরকার আছে, এক বনে অনেক বাঘ হলেতো ভীষণ সমস্যা!!
কিন্তু এই সুযোগে ক্ষমতার অপ-ব্যাবহার করে শান্ত বাচ্চাগুলোর উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তাতো খুবি অন্যায়! খুবি অন্যায়, মেনে নেয়া যায়না!:-):-)
অনেক ধন্যবাদ বড় বিলাই!
লেখক বলেছেন: নিচের ছবিটার মত একটা সবুজ পথে ভ্যাঙ্গাড়িতে করে যাওয়াটা হয়তো এখনো আমার স্বপ্ন! কিছু স্বপ্ন দেখতে থাকাতেই জীবনের আনন্দ! সব সত্যি হয়ে গেলে বেঁচে থাকা আর কি নিয়ে ??
চমৎকার মন্তব্য রাকিব ভাইয়া। কেমন আছেন ?
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
আমিও এদের দিকে তাকাই মুগ্ধ দৃষ্টিতে ।বাচ্চাদের দেখতে খুব্বি ভালো লাগে, আমার নিজের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে! বড় বোনের সাথে ভালই মিল! আমিও তো এই রকম খুঁজি কোনটা আমি!
আমি যখন ব্যাচ করে ছাত্র পড়তাম, সব সময় খুঁজতাম কোন ছাত্রটা আমার মত!! উলটা পালটা ভাবনা ভাবে, প্রশ্ন করে!!
রাস্তায় খেলতে দেখলে খুঁজতাম কোনটা অফসাইডে বেশি পেটায়, ক্যাপ্টেইন ক্যাপ্টেইন ভাব নেয়... !
অসাধারণ আপু
লেখক বলেছেন: অনেক গুলো বাচ্চা একসাথে থাকলে তাদের আলাপ আলোচনা শুইনো, অনেক হাসতে হয় আর অনেক মজা লাগবে! অসম্ভব বলে কিছু নাই ......... সব সম্ভব! সব কিছু করে ফেলছে!
ছোট বেলার পাপ গুলোও এতো নির্মল, কল্পনা করি আর দূঃখ পাই! যেমন ধর কষ্ট করে বাথরুমে না গিয়ে বারান্দার ফুলের টবেই .........হা হা হা!
অনেক মারা-মারি করতাম ঠিকি, কিন্তু ব্লাড ফোবিয়া ছিল। খামচি দিতে ভালো লাগলেও রক্ত দেখলে আতঙ্কিত হয়ে পড়তাম! অনুতপ্ত তখন আমি ......
এখনও গুন্ডা বাচ্চাদের আমার বেশী পছন্দ হয় :-)
অনেক ধন্যবাদ বাপ্পী!
ভাঙ্গন বলেছেন:
ভ্যাঙ্গাড়ি।
অদ্ভূত সুন্দর নাম দিলেন।
যদিও আমাদের এলাকায় ভ্যান-ই বলা হয়।
..........
স্কুলে যাবার জন্য ভ্যাঙ্গাড়িতে চড়িনি।
আপসুস।
লেখক বলেছেন: আমি তো ভ্যাঙ্গাড়ি বলতাম! ধ্বনি বিপর্যয় :-)
স্কুল ভ্যান স্মৃতিময়।
শুভকামনা ভাঙ্গন, ভাল থেকেন অনেক!
আট আনা বলেছেন:
আমার একটা সমস্যা হলো আমি ঠিকমত প্রশংসা করতে পারিনা। অপ্রয়োজনীয় (তেল মারা আর কি আমিও ক্লাস টু পর্যন্ত ভ্যানগাড়িতে করেই যাতায়াত করেছি। কত স্মৃতি! অবাক ব্যাপার হলো আমাদের গ্রুপেও একটা চাপাবাজ লিডার ছিল। বাপ্পী নামের ছেলেটার চাপাবাজির প্রধান ক্ষেত্র ছিল বিদেশি খেলনার বর্ণনা যেগুলো আমরা চোখেও দেখিনি কোনদিন, পাড়ার অন্যান্য সিনিয়র ছেলেদের সাথে মারামারির গল্প ইত্যাদি ইত্যাদি। এক মেয়ে আমাকে একদিন একটা কথা বলেছিল, ছোট মানুষ মানে না বুঝে বাসায় এসে ওটা বলে দিয়েছিলাম। এখনও মাঝে মাঝে সেটা নিয়ে আমার বোনেরা আমাকে ক্ষেপায়। আমাদের ভ্যানের চালক ছিলো মানিক কাকু। স্কুল ছুটির পর কিছুদুর কমন রাস্তা ছিল সব ভ্যানগুলোরই। সেই সমসয়টায় রেস হতো কোন ভ্যান আগে যায়। মানিক কাকুর সাকসেস রেট ছিল আকাশচুম্বী। অনেক মজারই ছিল সেই ভ্যানে করে যাতায়াত। মাঝে মাঝে দেরি হয়ে গেলে ভ্যান মিস হতো। তখন মটরসাইকেলের পেছনে আব্বার কোমর জড়িয়ে ধরে বসে থেকে স্কুলে যেতাম। এটাও আমার অনেক প্রিয় ছিল, তবে ভ্যান ভ্রমণটা বেশী।
লেখাটা কালকে রাতেই পড়েছি। পড়ার পর আপনার প্রিয় পোস্টের লিস্ট দেখতে দেখতে রাগিব ভাইয়ার এসওপি পোস্টে চলে গেলাম, সেখান থেকে আরেকজনের ব্লগে, আরেকজনের ব্লগে। এই করতে করতে দেরি হয়ে গেল, ঘুমাতে চলে গিয়েছিলাম। যাহোক অনেক সুন্দর লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অভিভূত আপনার অনন্য কমেন্টে! এটাই সুন্দর একটা পোস্ট হয়ে যেতে পারতো। ছোটবেলার চাপাবাজি অকপটে স্বিকার করে নেয়া যায়, কোন লজ্জাবোধ নেই! :-)
আর ভ্যাঙ্গাড়ি রেস, সেটাতো হিস্ট্রি! মনে করিয়ে দিলেন......... পথে অন্যস্কুলের ভ্যান এর সাথে দেখা হয়ে গেলে সে কি উত্তেজনা ... দাঁড়িয়ে গিয়ে ভ্যাঙ্গাড়ি মামাকে পেট্রোনাইয করা! জোরে মামা জোরে......
সব সুন্দরের পেছনেই কিছু কষ্টের গল্প আছেই! আমরা খুব সহজেই বলে ফেলি ”রিকশায় ঘুরতে আমার খুব ভালো লাগে”। আমারই কত ভাল্লাগে, কিন্তু একজনের দেহের সর্বশক্তি দিয়ে রিকশার প্যাডেল ঘোরানো, ঘামের বিনিময়ে আমাদের আনন্দ খুজে নেয়া......
আমি মোটেই রকশার বিরোধী না, বেকারত্বের এ দেশে কোনভাবে তবু বেঁচে থাকুকতো হাড় জিরজিরে মানুষগুলো... ... আমরা একটু সদয় যেন থাকি তাদের প্রতি।
খালা-মামা-চাচার পাঠানো অপার্থিব সব খেলনা অনেক বাচ্চারই চাপাবাজির ভীষণ সহায়ক! অন্য বাচ্চাদের আতকে দেবার জন্য খুব ভালো উইপন! হা হা :-)
অসংখ্য ধন্যবাদ সাবস্ট্যান্ডার্ড, অনুভূতি আর স্মৃতিকথা সুন্দর করে শেয়ার করার জন্য। কৃতজ্ঞতা আর ভালো থেকেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পুরাতন। এখন যদি বাচ্চাদের সাথে উঠতে যান, ওরা আপনাকে নাও নিতে পারে। বুদ্ধি করে সাথে অনেক চকোলেট রাখলে সম্ভাবনা আছে :-)
ম. রহমান বলেছেন:
ভ্যাঙ্গাড়ি তে কখনোই চড়া হয়নি...! আমার মতো অনেকেরই হয়তো আপসুস । তবে, স্কুল জীবনে "সাতচারা", "দারিয়া বাঁধা", " গোল্লাছুট", "কানামাছি", "বউচি","লাটিম", "মার্বেল" এ ধরনের খেলাধুলায় মেতে থাকতাম । আহা ! সেই যে আমার ছোটবেলার দিনগুলো !
ছোট বেলায় একবার রিক্সা চালাতে চেষ্টা করেছিলাম, তা ও পারিনি...ডানে নাকি বামে যেন শুধু টানে !
লেখিকার স্মৃতিশক্তি বেশ প্রখর । অসাধারন হইছে...
লেখক বলেছেন: হু , আফসোসের কথাই! আমার যেমন ওই খেলা গুলো না খেলার আফসোস থাকবে ......... মাংসচোর খেলেছি! আর কানামাছি অবভিয়াসলি :-)
স্মৃতিশক্তি তেমন প্রখর না, টের পাই এক্সাম হলে বসার পর :-(
শুভকামনা ম ভাইয়া।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
অপূর্ব!
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ মে ঘ দূ ত। কেমন আছেন ?
মেহবুবা বলেছেন:
ভ্যাঙ্গাড়িতে সবাই আমাকে সেরকম সম্মানের আসনে বসিয়ে দিয়েছিল --- আসন কি ছাদে ছিল ?জানি না , কেন একটু পানি চলে এল চোখে , বাতাস জোরে বইছে ; কোন ধূলো -বালি চোখে পড়েছে কিনা কে জানে । তোমার কোন দোষ নেই , যা লিখেছো এমন ঘটে কত । কে আর ঘাটে এসব । তোমার ঘটে বুদ্ধি কম , তাই এত সহজে লিখে দিলে ।
লেখক বলেছেন: --- আসন কি ছাদে ছিল ?
হা হা মেহবুবা আপু, ছাদে হলে মজাই হোতো! সাবু মনে হত নিজেকে, সাবু যখন চাচা চৌধুরীর সাথে প্লেনে যেতো, তখন প্লেনের ছাদে বসতো!
বিকেলের এক ঘটনার প্রেক্ষিতে রাতে লেখাটার হুট করে জন্ম নেয়া। অকারণে থাপ্পর খেলো রিকশা-ওয়ালা, মিরপুর রোড আলমাসের সামনে। কম ভাড়া দিয়ে চলে যাচ্ছিল ............ প্রতিবাদ করায় সমানে থাপ্পর! শৈশবের ক্ষোভ ছিল কিনা আমার, স্পষ্ট না... তবে আর অসহায় বাক্সবন্দী বাচ্চাদের মত কষ্ট পাইনি এবার!
অনেক ধন্যবাদ আপু, অনেক! আমরা একি রকম আবেগী হয়তো ......
ভ্যাঙ্গাড়িতে চড়ার অভিজ্ঞতা নেই। আমি ভাবতাম অভিজ্ঞতাটা মোটেও সুখকর নয়। এখন মনে হচ্ছে একেবারে খারাপও নয়। শেষটায় ভীষন মন খারাপ হলো। ভীষন।
লেখক বলেছেন: অভিজ্ঞতাতো বেশ মজার ই ছিল! অল্প স্বল্প আনন্দময় সময়......
শেষটাই বাস্তবতা, সবলেরা সব সময়ই দুর্বলের উপর প্রতিশোধ নেয়, হোকনা অমানবিক!
শুভকামনা চতুষ্কোন!
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
আপনি সম্ভবত অনেক বই পড়েন, না হয় আপনার যে ভাষা, এমন হতেই পারে না। কেবল ভাষা নয়, বিষয়টি শেষের দিকে এমন ভাবে টার্ন করছে, তাছাড়া এখানে আপনার দৃস্টিভঙ্গির যে চিত্র ফুটে উঠেছে; আপনার প্রতি অনেক শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। আপনি কি 'আঙ্কল টমস কেবিন' পড়েছেন, সম্ভবত আপনার ভাল লাগবে। আচ্ছা আচ্ছা... 'বানিয়ে গল্প বলার মধ্যে কী আনন্দ, কী আনন্দই না ছিল!!' এটি তো বানিয়ে বলেন নি? হা হা হা...
'তখন কেমন লাগে ওই বাচ্চা গুলোর? ভীষণ অসহায়ত্ব, ভীষণ মন খারাপ হয়ে যাওয়া ! ভ্যাঙ্গাড়ির সুপারহিরো বাচ্চাটাও তখন কিছু করতে পারেনা...... তার চোখে পানি টলমল করে, তার ভ্যাঙ্গাড়ি মামাটা মার খাচ্ছে! সে কিছু করতে পারছেনা,'
সে কিছু করতে পারছেনা, এই বাচ্চারা, অনেকেই বড় হতে হতে আর বাচ্চাও থাকে না, তাদের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে যায়। তখন নতুন ভ্যাঙ্গাড়ির সুপারহিরো বাচ্চার ভিলেন হয়ে যায় সেই বাচ্চা।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: বাচ্চাকালে অনেক বই পড়তাম ঠিকি, কিন্তু এখন আর বই পড়া হয়না! আঙ্কেল টমস কেবিন পড়েছিতো, মানুষ বিক্রির গল্প!
ক্লাস সিক্স-সেভেনে কোন সেবা ক্লাসিক বাদ ছিলোনা.........
লেখাটা সবটা বানানো না, সত্যি!
প্রতিটা বাচ্চা কোমল! বড় হয়ে যে যাই হয়ে যাকনা কেন...... চারপাশের জগতের কাঠিন্য সব কোমলতা নষ্ট করে দেয়!
অনুভূতিপ্রবন হওয়াটা শিশুদের সবচেয়ে সুন্দর বৈশিষ্ট্য, ওরা একটা সামান্য বিড়ালের কষ্টে কাঁদতে পারে, ওরা শেরাটনের সামনে বাবা-মা কে বাধ্য করে ফুল কিনতে কারণ রাস্তার ঐ তারই মত বাচ্চাটার কষ্ট তাকে ছুঁয়ে যায়, ওরা কাউকে কষ্ট পেতে দেখলে তার পিঠে হাত বুলিয়ে দেয়! যেই বড় মানুষ গুলো বড় হয়েও এই অনুভূতি গুলো ধরে রাখতে পারে, তারাই সত্যিকারের মানুষ। সৃষ্টিকর্তার চোখেও তারা শ্রেষ্ঠ!
যারা হারিয়ে ফেলে শৈশব, তাদের জন্য সমবেদনা! আমি শৈশব হারাতে চাইনা, বার বার মনে করে নির্মল হতে চেষ্টা করি, হয়তো ব্যার্থ চেষ্টা ... তাতে কি!?
আপনিও ভাল থেকেন ভাই।
সাকীব বলেছেন:
আমি তোমাকে মারতাম!?!? চাপা মারার আর জায়গা পাওনা????? আচ্ছা আমকে বলসো ভাল, আমি হয়তো কখনো কিল টিল দিসি এক আধটা, মনে নাই। কিন্তু নাসিফ? ওর নামে বদনাম করো কিভাবে? ওতো খালি পেস্ট খাইতো আর ভ্যাবলার মত দাঁড়ায় থাকতো। সর্বোপরি তোমার একদলীয় খামচিতন্ত্রের কথা সবার জানা আসে। তুমি আর নাজিয়া সবাইকে খামচাইতা। তোমার মোটেই ব্লাডফোবিয়া ছিলনা, কোন কোন কোমলমতি শিশুদের হয়তো 'সোহেলা ফোবিয়া' ছিল। যাইহোক এতদিন আগের কথা তুইলা জাতিকে বিভক্ত করতে চাইনা।
লেখক বলেছেন: না মারার কি? মারা-মারি কি করতানা নাকি? আররে ...
আর "সোহেলা ফোবিয়া"!? ইহা কি? পৃথিবীর বাসিন্দারা এই শব্দটা প্রথম বারের মত শুনলো! তারা এটাকে অন্য গ্রহের কোন শব্দ কিনা, পরীক্ষা করে দেখতে চায় ...........
সবাই বড় হয়ে ভুলে যায়! যেমন কোনদিন খামচি দিসি কিনা, মনেই পড়েনা! তোমারও একই ঘটনা।
হু,জাতি আগের কথা তুলে এমনি শত-বিভক্ত! তুমি আর নতুন বিভাগ না কর! ধন্যবাদ :-)
ওমর নাসিফ বলেছেন:
কি?????? আমি পেষ্ট খাইতাম??? তোরে ডাকলাম মিথ্যাচারের জবাব দিতে আর তুই উল্টা আমার চরিত্র হননের চেষ্টা করছ্ বেটা মিথ্যুক?? তুমি যে একবার বান্দ্রামী করতে গিয়া আলমারি ফালায়া দিছিলা মনে পড়ে? তোমার কীর্তিকলাপ নিয়া পুরা একটা নতুন পোষ্ট দেওয়া যায়!!!!
তবে সোহায়লার ব্যপারে যা বলছ তা সবই ঠিক...
লেখক বলেছেন: হা হা হা , আচ্ছা শত্রুর শত্রু =বন্ধু, বন্ধুর শত্রু =শত্রু আর শত্রুর বন্ধু =শত্রু......... ঠিক আছেনা আমার ইকুএশান গুলা ?
আলমারী ফেলেছিলো, এটা মনে পড়ছেনা! কিন্তু নিশ্চয়ই ফেলেছে :-D
নতুন পোস্ট টা দাও নাসিফ, প্লিয! আমরা পড়ি!
আর তোমার ব্যাপারে সাকীব যা বলসে সবই ঠিক ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ম্যাভেরিকদা! সম্মানিত :-)
ভালো থেকেন অনেক!
কাব্য বলেছেন:
আমার ভ্যান গাড়িতে যাওয়া হয়নি কখনো লেখক বলেছেন: যাওয়াটা অত বেশী বৈচিত্রময় হয়না, চোখে ঘুম ঘুম ভাব! আসার সময় এনার্জি থাকে সেইরকম! আর কান্না-কাটি............ খুবই কমন ব্যাপার! কত কারণে যে ভ্যাঙ্গাড়িতে ছেলে মেয়েরা কাঁদতে পারে, হিসেব নেই!
সুন্দর আপনার অবসার্ভেশন কাব্য :-)
লেখক বলেছেন: তাইই সই :-)
যখন এটা আপুর কাছ থেকে!
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন:
ভ্যাঙ্গাড়িতে চড়ার অভিজ্ঞতা নেই। প্রাইমারীতে আম্মুর সাথে যেতাম স্কুলে। আর হাই স্কুলের ভ্যাঙ্গাড়ি ছিলই না কখনো!লেখাটা পড়ে ভাল লাগল। নিজের ছায়া খুজে পেলাম যেন...
লেখক বলেছেন: ভ্যাঙ্গাড়ি ভীষন মিস করেছো তাইলে :-)
অনেক বাচ্চার স্কুল লাইফের পার্ট এটা, ছোট্ট একটা মুড়ির টিনের ভেতর অনেকগুলো কিচিরমিচির করা চড়ুইপাখি। মজা করতে করতে, হাসতে হাসতে, গাইতে গাইতে পথটা শেষ করে!
ধন্যবাদ ডাচম্যান।
কৌশিক বলেছেন:
ঠিক এইরকম একটা লেখা পড়ছিলাম কার যেন! হেভি হেভি
লেখক বলেছেন: কার হতে পারে? ............
ধন্যবাদ ভাইয়া
অপরাহ্ন বলেছেন:
এত্তো এত্তো ভালো লাগলো । দীর্ঘজীবি হোন ।
লেখক বলেছেন: ভাল থেকেন অপরাহ্ন, শুভকামনা অনেক।
লেখক বলেছেন: সুন্দর নিক হিরম্ময় কারিগর !!
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
সকাল রয় বলেছেন:
অ-সা-ধা-র-ণ
আজ আর কিছু নয়
আজ শুধু মুখবন্ধ
ভালো লেখায় মন্তব্য করতে ভয় পাই কেননা ভালো লিখতে না পারার যন্ত্রণাটা আমাকে কুড়ে কুড়ে খায়
লেখক বলেছেন: আপনার কি ধারণা আপনার ব্লগ দেখিনি আমি ?? ওই গল্প- কবিতা গুলো যা পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে সেগুলো কি অন্য কেউ লিখে দিয়েছে, হু ?? :-)
আমিতো লেখক ই না কোন সকাল রাত্রী! সাহিত্যের কোন শাখায় আমার পদচারণা নেই!
অনেক অনেক শুভকামনা আপনার জন্য!
লেখক বলেছেন: নাহ নাহ ...... কি বলেন! বরং আপনি ভালো পাঠক বটে :-)
ফারা তন্বী বলেছেন:
আমিও চড়েছি। ৯১'এর দিকে হবে মনে হয়। আমাকে মিশুক নামের একটা ছেলে খালি মারতো। আমি ক্লাশে ফার্সট হতাম বলে ওর যত রাগ। আর সেই রাগ ঝাড়তো বাসায় ফেরার পথে। ভ্যানের মধ্যে। কত মার যে খেয়েছি!! লেখক বলেছেন: আমার সময়কালটা এটাই... ৯০-৯১' এর দিকে! আশ্চর্য ব্যাপারটা হলো মিশু আর জিশান নামে আমারো ক্লাসমেট ছিল, যাদের সাথেই যত ক্ল্যাশ হতো! পরে ওয়ানে উঠে আমিতো মেয়েদের স্কুলে এডমিশন টেস্ট দিয়ে চলে গেলাম।
ভ্যাঙ্গাড়িতে নারী নির্যাতন! কি মারাত্বক :-০
ভালো থাকবেন ফারা তন্বী, আমরা খুব সম্ভবত সম-বয়সী।
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
স্যার, আপনার এই লেখাটা পড়ার পর থেকে এর বিষয়টি আমার মাথা থেকে যাচ্ছে না, আমি এই বিষয়টি নিযে গল্প লিখতে চাচ্ছি, আপনার অনুমতি নিতে এলাম। আপনার এই লেখার সাথে অবশ্য সামন্যই মিলবে, ভাবছি দুটা জগৎ দেখাবো, ছোট বেলা আর বড় বেলা, শেষে নায়ক বড় বেলাকে অস্বিকার করে ছোট বেলায় ফিরে আসতে চাইবে।আপনার সমর্থনের আশায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: আররে কোন অনুমতির ব্যাপার নেইতো!!! সমর্থন সম্পূর্ণ......!
আপনার গল্পটা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
আমি গল্প লিখতে পারিনা, অন্য কেউ লিখলে আমিতো অনেক খুশী হবো! :-)
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
ধন্যবাদ। অবশ্যই দেখাবো, কিন্তু লাম্বা সময় লাগবে। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: তবু লিখুন :-)
তিতাকথা মিঠাকথা বলেছেন:
১২ এবং ২৭ নং কমেন্ট প্রসঙ্গে:কমেন্ট গুলো মনোযোগের সহিত পড়লাম। এগুলোর প্রত্তুত্তরে কোন কোথা বলাটা সমীচিন মনে করি না। বড়দের কথাবার্তায় ছোটদের অনুমতিহীন প্রবেশ অভদ্রতার শামিল বৈকি! কিন্তু সুযোগ থাকা সত্বেও সত্যকে সমর্থন না করা যে আরো বড় অভদ্রতা সে ব্যাপারে অন্তত যে কারো দ্বিমত থাকবে না তা বলিষ্ঠতার সাথে বলতেই পারি। আর সে দিকটা লক্ষ্য রেখেই আমার এই দু:সাহসিক উদ্যোগ!!!
"সোহেলা ফোবিয়া" এই শব্দ যুগল পৃথিবীর মানুষ কবে প্রথম শুনেছে তা বলতে না পারলেও শৈশবের একেবারে শুরুতেই যে আমি এর সাথে পরিচয় পর্ব সেরে নিয়েছিলাম তা কিন্তু হলফ করে বলতে পারি। সত্যিকারার্থে একে শুধু পরিচয় বললে মহাপাপ হবে।
হারজীত বড় কথা নয় বরং অংশ গ্রহণই আসল কথা।
সত্যি বলতে কি এমন ডেন্জারাস প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা তো আর চাট্টিখানি কথা না!!!!! তারপরও সাকীব ভাইয়ার সে সাহসী প্রতিবাদ আজও প্রেরণার উৎস।
সে দিনগুলো সত্যিই ভোলার নয়।
লেখক বলেছেন: ব্রুটাস, তুমিও???
বড়ভাইসমূহ কতৃক উপঢৌকনপ্রাপ্ত হয়ে আজকে তুমিও চক্রান্তকারীদের দলে নাম লেখালে? ভুলে গেলে সোনালী অতীত! আপুর স্নেহ, ভালোবাসা ( :-( :-( :-( )...... সব কি মিছে ? আজ আমি ভয়বদন্তী???
না!
সব ষড়যন্ত্র! সব! বাংলার জনগন এ ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবেনা! বাঙ্গালী লড়তে জানে, তবু হারতে জানেনা! জীবন দিয়ে তারা অপশক্তির ষড়যন্তের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে। বাংলার মাটিতে মীরজাফরদের কোনদিন জায়গা হয়নি, হবেওনা ইনশাল্লাহ!
লেখক বলেছেন: কচু!
ওমর নাসিফ বলেছেন:
জীবন্ত ভয়বদন্তীকমেন্টে ১০০০ খান + দেওয়া হইল। শৈশবের সোহায়লার অতীব স্বার্থক নামকরণ।
অসাধারণ। সোহায়লা-দি জীবন্ত ভয়বদন্তী
লেখক বলেছেন:
নাসিফ-The Ultimate Toothpaste Eater
(দন্তমাজন ভক্ষক)
তিতাকথা মিঠাকথা বলেছেন:
ধন্যবাদ নাসিফ ওমর। কৃতগ্গতায় নতশীর.....
লেখক বলেছেন: জনগন সহ্য করবেনা !!
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
নাহ, কখনও উঠিনি ভ্যাঙ্গাড়ি-তে! ভর্তিই তো হয়েছি একবারে ক্লাস টু-তে। এর পর রিকশা। তবে, লেখাটা অনুভব করতে পারছি। এখনও জ্যামে পড়লে, পাশের ভ্যাঙ্গাড়ি-তে বাচ্চাদের কিচিরমিচির দেখতে খুব ভালো লাগে। সবারই ভালো লাগার কথা। [একটা কমেন্ট বোধহয় সামু-তেও এলো!]
লেখক বলেছেন: আপনি কেনো একেবারে ক্লাস টু তে ভর্তী হলেন? তাইলেতো ওয়ানে যা শেখানো হয় তা আপনি পারেননা! আপনি অ আ লিখতে পারেন? এ বি সি ডি ? ১ থেকে ১০০ লিখতে পারেন? না মনে হয়, আহারে ভাইয়া আপনিতো এগুলো শেখার সুযোগ পাননি!!
[সেটাই দেখছি, কৃতজ্ঞতা .........]
কৌশিক বলেছেন:
ওরে বাপরে! কমেন্ট পইড়া মাথা আউলায়া গেলো...এইখানে কারা কারা ঐ ভ্যঙারীতে চড়তো তাদের হাজির করা হোক! রাজামশাই কোথায়? জলদি এদের চাবকানোর ব্যবস্থা করেন দুষ্টামীর জন্য!
লেখক বলেছেন: আমি যে কি শান্তিপ্রিয় বাচ্চা ছিলাম!!! অনেক স্মার্ট শিশু ছিলামতো, তাই পরশ্রীকাতর হয়ে আমার এমন শৈশবকাল নিয়ে মিথ্যে সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে! জাতিকে বিভ্রান্ত না হবার আহবান জানাচ্ছি! :-)
আমরা তিনজন একি স্কুলে একি ক্লাসে পড়াশুনা শুরু করেছিলাম কৌশিক ভাইয়া। ওরা অবশ্য আমার ভ্যাঙ্গাড়ি-মেট ছিলোনা!
থাকলেতো আরো জেলাস হয়ে .........
ধন্যবাদ ভাইয়া মজার মন্তব্যের জন্য !
শরিফ নজমুল বলেছেন:
এ তো শুধু স্মৃতিকথা নয়, একটি মেসেজ। এই সমাজে দুর্বল যে কত ভাবেই মার খাচ্ছে তার একটি চিত্র।আপনার লেখাগুলো অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী, বিবেক কে জাগ্রত করার মত।
লিখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এ তো শুধু স্মৃতিকথা নয়, একটি মেসেজ।
এক্সাক্টলি...... ধরুনঃ এই গরমে ভীষন পিপাসা নিয়ে, কাঠফাটা রোদে কালো শীর্ণ পা গুলো ভারী ভারী মানুষগুলোকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে, জোরসে প্যাডেল ঘুরাচ্ছে দেহের সর্বশক্তি দিয়ে, অশিক্ষিত অজ্ঞ সমাজের বঞ্চিত একশ্রেনী। তারা যখন এমন কষ্টকর অবস্থায় কোন গাড়িতে লাগিয়ে দেয়, গাড়ির সামনে চলে আসে, তখন এসি গাড়িতে বসা শাদা জামা পড়া মানুষগুলো নেমে এসে যখন অশ্রাব্য গালি-গালাজ করে, সাথে এলো-পাথারি কিল-ঘুষি, সেটা কি সভ্য আর অমানবিক আচরণ না! আমরা কেন পরিপ্রেক্ষিত বুঝিনা? বুঝে একটু মানবিক হইনা?
ধন্যবাদ শরীফ নজমুল, লেখার মূলভাবটির সাথে একাত্মতার জন্য!
শিরীষ বলেছেন:
ভাল লাগলো!
লেখক বলেছেন: শুভকামনা শিরীষ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
প্লাস..ভ্যাঙ্গাড়িতে চড়ি নাই! প্রথম স্কুলটা ছিল আমাদেরই বাসার নিচ তলায়। তবে দাদু ভাইরা (ভ্যান ড্রাইভারকে ডাকতাম) খুব আদর করত।
বিরাট ফাঁকা জায়গা ছিল, গাছ ছিল, পুকুর ছিল... সেই বাসার কথা মনে পড়ে গেল।
লেখক বলেছেন: বাসার নিচেই স্কুল হওয়াটা কেমন? প্রথম স্কুলের স্মৃতি অন্যরকম। আমি তখন স্কুলে যেতাম শুধুই টিফিন খাওয়ার জন্য! :-)
ধন্যবাদ মাহমুদ রহমান ভাইয়া।
তিতাকথা মিঠাকথা বলেছেন:
উপরিল্লিখিত বক্তব্যের প্রতিবাদ লিপি:চক্রান্তকারী, ষড়যন্ত্র এইসব ধুঁয়া তুলে জাতিকে বিভ্রান্ত করার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার এই অন্যায় প্রয়াশ জাতি কখনই সত্য হতে দেবে না। উপঢৌকন গ্রহনের কথা বলে জাতির সামনে আমার মাথা নত করার এই অলীক বাসনা অচীরেই ধূলীস্মাৎ হয়ে যাবে। আর তখন অন্যের কাঁধে ভর করে গড়তে চেষ্টা করা স্বপ্নীল সিংহাসন তাসের ঘরের মত বিলীন হয়ে যাবে। তাই এই অনাগত প্রলয়ের কথা মাথায় রেখে অতীতের ভুলের কথা অকপটে স্বীকার করে আমাদের ছায়াতলে এসে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহনের উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে আমার প্রতিবাদ লিপির ইতি টানছি।
লেখক বলেছেন: হ্যাহ! যখন বিগফিশদের অপকর্মের উপর সরেজমিন প্রতিবেদন আসে পেপারে তখন পরে এটার প্রতিবাদও আসে এরকম! কিন্তু বেইল নাই! অসত্যচারের সাথে কোন আপোষ নাই! জনগন আমার সাথে আছে! অন্যের কাঁধে ভর করে সিংহাসন গড়বো ক্যান? ওই, আমার নিজের কাঁধ নাই????
অতীতে পরিস্থিতি বুঝে কাজ করেছি! বর্তমানেও তাই! বরং আমাদের ছায়াতলে আসো, এই ছায়া বিশাল............ পুরা বাংলাদেশ! তোমার গায়ে কোনভাবেই রোদ লাগবেনা :-D :-D
হাসিব, দয়া করে আমার লেখাটার ব্যাপারে একটা সুস্থ্য কমেন্ট কর! আর কত চামচ হবা, এবার একটু প্লেট-বাটি কিছু হও, বহুত ফায়দা হবে! দোয়া করবো ......
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
কিসসু শিখিনি! কথা সত্য! তাই এখন বোধহয় শুধু ক্যালকুলেশন-এ ভুল করি! আর, বাসার ইচ্ছে ছিলো একবারে ক্লাস ফোর-এ ভর্তি করানো। এতো পিচ্চিকালে এত ভারী ব্যাগ- এটা গার্জেনদের ভাবতেই নাকি কেমন লাগতো!
লেখক বলেছেন: ক্যালকুলেশনে ভুল করা ঠিক হচ্ছেনা! ওগুলো ক্লাস ওয়ানের উপরের ক্লাসে শেখায়তো...
একেবারে ক্লাস ফোর এ ভর্তী হলে ৩ টা বছরের পড়াশুনা মিস হয়ে যেতো! সেগুলো এখন শিখতে হতো আপনাকে :-)
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো হয়তো আপনি ক্লাস ওয়ানটা পড়ে নিতে পারেন!
কৌশিক বলেছেন:
জাতি অলরেডি বিভ্রান্ত, দ্বিধাবিভক্তি, বিক্ষুব্ধ, দ্রোহিত, সন্দিগ্ধ, লোডশেডিত - এর মধ্যে আরো বিভ্রান্তিও এ্যবজর্ব করা যাবে, আরো সমস্যার সংকুলন হবে, নো চিন্তা!
লেখক বলেছেন: কোথায় আমাদের চেষ্টা করা দরকার বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসার, দ্বিধা ঝেড়ে ফেলার, ক্ষোভ দমনের, সন্দেহ দূর করার ............ সেখানে আরো সমস্যাগ্রস্থ হতে বলছেন! মনের দুঃখে, বুঝতে পারছি......
নাহ,জাতি হিসেবে দিন দিন হতাশাবাদী হয়ে যাচ্ছি আমরা !
প্যাথেটিক!
চিন্তার বিষয় !
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
মজা অনেক...মনে আছে, পেন্সিল আনতে ভুলে গেছি... ওমনি দৌড় দিয়ে ঘর থেকে নিয়ে আসলাম!
একই পোষাকের পিচ্চিদের দৌড়ঝাপ বেশ উপভোগ্য। সেই বয়সে কি ভাবতাম মনে নেই, তবে এখন ভাবতে ভালই লাগে।
আর আমাদের সপ্তাহে একদিন টিফিন দিতো!
লেখক বলেছেন: হু ব্যাপারটা মজারই! যখন তখন স্কুলে যাওয়া। ভ্যাঙ্গাড়ি মামা চলে এসেছে কিন্তু রেডি হওয়া শেষ হয়নি, টেনশানে পেন্সিল কিংবা কোন খাতা বই ফেলেই দৌড়! পানির ফ্লাক্স কিংবা টিফিন নিতেও পারা গেলোনা হয়তো, এমনতো হয়েছেই .......... :-)
হানিফ রাশেদীন বলেছেন:
কেমন আছেন স্যার? আমার আঙ্গিনায় যাবেন? আপনার যে অনূভব, তাতে করে, আপনি গেলে স্বভাবতই আমার উৎফুল্ল হওয়ার মত ব্যাপার।নতুন লেখা কবে পাবো?
লেখক বলেছেন: গিয়ে এসেছি আপনার ব্লগবাড়িতে, কবিতা জিনিশটার সাথে সহজে মিশতে পারিনা, এটা আমার ব্যার্থতা! :-(
ভ্যাঙ্গারিতে চড়ি নাই... আমি/আমরা বড়লোক ছিলাম
স্কুল বাসের বডিতে, ড্রাইভারের সিটের পাশে লেখা ছিল - 'ইহা জাতীয় সম্পদ। এর মূল্য ৭,০০... (কয়টা শূণ্য ছিল ভুলে গেসি
আপনি পরীক্ষার টেনশন নিয়া এত মজা করে পোস্ট দেন ক্যাম্নে???
আমি নিজে ভদ্র-স্লাশ-আদর্শ-স্লাশ-ফার্স্ট বয় ছিলাম... তবুও এই বান্দর লেখিকার পোস্টে প্লাস দাগাইলাম
---
তখন ফাইজলামী কম করছি বলে মাঝে মাঝে এখন আফসোস হয়
লেখক বলেছেন: স্কুল বাস সরকারি ছিলো! কিন্তু সেখানে দাম লেখা কেন ?? :-০
কোন আমলের সাতলাখ বলেনতো? শায়েস্তা খাঁর আমল নিশ্চয়ই না! পি এল হলো ব্লগ লেখার আদর্শ সময় :-)
আমি আদর্শ ভালো বাচ্চা ছিলাম, কেনো যে সাকিব-নাসিফ এর কথায় জনগন বিভ্রান্ত হচ্ছে! ওরাতো পরশ্রীকাতর ...........
এট্টূ বান্দরামী করতাম, এই এতোটুকুন .........
আপনি তো কিছুই লিখছেন না অনেকদিন! লিখুন, আমরা পড়ি ভাইয়া।
ভালো থেকেন!
লেখক বলেছেন: হয়ে উঠিনি , এমনি ছিলাম। পড়াশুনা করবো ভেবে জেগেই থাকি, পড়াটা আর হয়না তেমন! স্বিকার করি, ভীষণ পঁচা অভ্যাস! ই-বুক ওপেন করি পড়তে, কিন্তু তার চেয়ে বেশী ব্রাউসারটার উইন্ডোই ওপেন থাকে! :-(
@রিপ্লাই-টু-কমেন্ট ৫৫-
- গাড়ির গায়ে দাম লিখা ছিল যাতে জনগণ মূল্য বুঝে জিনিস্টার যত্ন নেয়। সতর্কতার সাথে ব্যবহারের জন্য আরেকটা বাক্য লিখা ছিল, এই মুহূর্তে মনে নেই
- পিএলে পড়েন আপু, দিন-রাত। রেজাল্ট পরে কাজে দিবে, একটা সার্টিফিকেট আপনি সারাজীবন সব জায়গায় ক্যারি করবেন।
- পোস্ট করবো ইনশাআল্লাহ, কিন্তু আপাতত থিসিস বিষয়ক জটিলতায় একটু ব্যস্ত।
লেখক বলেছেন: -আচ্ছা ...
-কি যে হবে সার্টিফিকেটে !!
-লিখুন! :-)
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
কমেন্ট ৫৬ তে, আপনারা দু'জন ২৪ ঘণ্টায় কয়ঘণ্টা করে ঘুমান। কয়দিন ধরে ভাবছি কারা কয়ঘণ্টা করে ঘুমায় তার উপর একটা সার্ভে করবো। ইতিহাস পড়ে মনে হইতেছে, সফল মানুষেরা কম ঘুমায়!
লেখক বলেছেন: আমিতো অনেক ই ঘুমাই আরাফাত ভাইয়া, বেঁচে থাকতে যতটুকু ঘুম প্রয়োজন , তারচেয়ে হয়তো বেশী ই ঘুম হয় ২৪ ঘন্টায়! :-)
শিশিরবিন্দু বলেছেন:
ভাল লিখেছেন অনেক। ছোটবেলায় খুব শখ ছিল ভ্যানগাড়িতে চড়ার। ভ্যানে চড়া ছেলেমেয়েদের দিকে খুব হিংসা নিয়ে তাকাতাম। আর নিজেকে সান্তনা দিতাম এই ভেবে যে, ইশ, ভ্যানে জায়গাটা কি ছোট, কিভাবে বসতাম ওখানে আরাম করে? মনে মনে ওই পিচ্চিটুকুন জায়গায় বসার যে কি আগ্রহ ছিল! আর মনে মনে আব্বা-আম্মার উপর রাগ হতাম স্কুলের এত কাছে বাসা নেয়ার জন্যে লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। আমি কি তোমার কাছে হটাৎ করে বড় হয়ে গেলাম নাকি? :-) এই লেখাটা লিখে মনে হয় ভালই করেছি! কতজনের "সেইম ওল্ড স্টোরী" জানা গেলো! ছোট ছোট সুখ কিংবা দুঃখ ............... এখন ভেবে ভেবে আদ্র হয় মন!
ভালো থেকো আপু।
শায়মা বলেছেন:
ভ্যান গাড়ী করে যাওয়া বাচ্চাগুলোকে দেখি আর ভাবি বাবা মায়ের সাথে হাত ধরে বা গাড়ি করে যাওয়া বাচ্চাগুলো থেকে ওরা মহানন্দে সুখে আছে। এক ঝাঁক কলকাকলী, শাসন নিষেধের ভয় নেই। আবার স্বাবলম্বীও লাগে দেখতে। কখনও আপনার মত করে ভাবিনি। খুব কষ্ট লেগেছে আপু।
আপনি খুব ভালো লিখেছেন। অনেক ভালো লাগলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: কেউ আমার লেখা প্রিয়তে নিলে আমি অনেক খুশী হয়ে যাই! অনেক! ভাবনা কিন্তু সত্য কে আশ্রয় করেই ............ কিছু দৃশ্য স্বাভাবিক আমাদের কাছে হয়ে গেছে ,কিন্তু হবার কথা ছিলোনা! যেমনঃ নিউমার্কেটে গেলে যেই ছোট ছেলে মেয়েদের সেফটিপিন, ক্লিপ, ব্যান্ড হাতে ফেরি করতে দেখি, অসহায় ওদেরকেই প্রায়ই লাঠি পেটা করে গার্ডরা। কোন অধিকারে এটা করে? কিছু ফেরি করে বিক্রি করা আমাদের দেশে অবৈধ কিছুনাতো! তাইলে ওই ছোট বাচ্চারা কেন মার খাবে? একবার আমি নিউমার্কেটের ভেতরে সিঙ্গাপুর মার্কেটের ওখানে খুব পেটাচ্ছিল একজন গার্ড, ব্যাগ ফেরি করা বাচ্চা ছেলেকে ......... গিয়ে চার্জ করলাম, লোকটা একটু থতমত খেলো তারপর ভীরে হাওয়া হয়ে গেল! এইসব অনাচার খুব যেন স্বাভাবিক ঘটনা! কিন্তু নাহ , এগুলো অস্বাভাবিক, সভ্যতা বিবর্জিত! আমাদের প্রতিবাদ করা দরকার।
অনেক অনেক ধন্যবাদ শায়মা। খুব ভালো থেকেন!
রুদমী বলেছেন:
সুপারগার্ল সোহায়লা!! এমন সুন্দর, মন ছুঁয়ে যাওয়া একটা লেখায় এত্তদিন পর কমেন্ট করার জন্য প্রথমেই সরি।লেখার শুরুতেই চোখে পরলো এই লাইনটা "ঐ যে ছোট ছোট ভ্যান গুলো, যার গায়ে লেখা থাকে, "আপনার বাচ্চাকে ভ্যানে দিতে চাইলে চালকের সাথে যোগাযোগ করুন"।" আমি কিছু কিছু ভ্যান দেখেছি লেখা ছিল "আপনার বাচ্চাকে স্কুলে দিতে চাইলে চালকের সাথে যোগাযোগ করুন"। আমার প্রশ্ন ছিল বাচ্চাকে স্কুলে দিতে চাইলে ভ্যান গাড়ির চালক কিভাবে হেল্প করতে পারবে? বাচ্চাকে স্কুলে দিতে চাইলে তো স্কুল অফিসে গিয়ে কথা বলা উচিত!! যায় হোক পরে দেখি এমন ভ্যান গাড়ির ছবি তুলে একজন ফেবুতে এটা নিয়ে জোক করছে। কি বক বক করছি। আসল কথায় আসি এবার!
এই টুথপেস্ট খাওয়া, গুন্ডা বাচ্চা যে বানিয়ে বানিয়েও গল্প বলতে পারবে এটা আমি ঠিক বুঝতে পেরেছি
"ভ্যানে আমার পাশে বসতে পারাটাও সেকালে বেশ আভিজাত্যের ব্যাপার ছিল!" বসতে তো পারছিনা আপা, কিন্তু ফ্রেন্ড হতে পেরেই বেশ অভিজাত মনে করছি...আর যেদিন তোমার হাতের রান্না খাবো সেদিনের খুশির কথা না হয় নাই বললাম!!!
প্রথমে লেখাটা পড়ে ভাবলাম স্মৃতিচারন। হা স্মৃতিচারনই, কিন্তু সাথে আরও যোগ করে দিলে ভ্যানগাড়ি মামার মায়া মমতা, আর গরীব মানুষ গুলোর প্রতি আমাদের ব্যবহার। লজ্জাই মাথা নিচু হয়ে যায়।আমরা যা দেখে বড় হলাম, এখনো কিন্তু দৃশ্য গুলো এমনই আছে। এসব জিনিশ গুলো এতটাই নরমাল হয়ে গেছে যে আর যেন চোখেই পড়েনা। তোমার লেখা গুলো এগুলো মনে করিয়ে দেয়, ভাবিয়ে তোলে আবার। এজন্যই এত ভালো লাগে তোমার লেখা গুলো।
"জনগন আমাকে যোগ্য মর্যাদা দিতে কার্পণ্য করেনি!" আমার এই বন্ধুটাকে জনগন যেন কখনই তার যোগ্য মর্যাদা দিতে কার্পণ্য না করে! কখনই না!!!
লেখক বলেছেন: - আররে আররে স্যরির কি আছে! :-) তুমি যখনি লিখতে তখনি ভালো লাগতো!
- যে পেইন্ট করেছে লেখাটা, "স্কুল ভ্যানে" লিখতে গিয়ে ভুল করেছে! হা হা ...... ভ্যান বাদ! তাতেই যত বিপত্তি ।
-খুব তারা তারি দেশে চলে এসো! বুঝলে ...
- তোমার মত একটা বন্ধু যেন সবার হয়! এটা খুব সুন্দর একটা ব্যাপার, খুব ভালো মনের আর নরম একটা মানুষ বন্ধুর চেয়েও বেশী কিছু হয়ে পাশে থাকলে! জাস্ট ব্লেসিংস এন্ড আই এম ব্লেসড :-)
সুন্দর মন্তব্যটার জন্য কৃতজ্ঞতা জেনো রুদমী আপা!
হেডফোন বলেছেন:
অসাধারণ লেখা প্লাস।আপু একটা কথা শুনুন চুপিচুপি?
(এই ব্লগটাও আবার বানিয়ে বানিয়ে লিখলেন নাতো?)
লেখক বলেছেন: তাইতো, কনফিউসড হয়ে গেলাম!
পড়ে কি বানানো মনে হয় হেডফোন ? :-)
ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: দিদি ............ :-)
ধন্যবাদ অরুদ্ধ , পড়ার জন্য!
অলস ছেলে বলেছেন:
সুন্দর অনুভূতির ততোধিক সুন্দর বর্ণনা। অনেক পড়ে এসে পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অলস ছেলে ভাই। সম্মানিত, একসময় তো পড়েছেন ই!
ভাল থেকেন।
হেডফোন বলেছেন:
সুপারগার্লরা একটু স্মার্ট হওয়াটাই স্বাভাবিক, আর তাদের বানানো গল্প তো সুপারগার্ল/সুপারবয়গন শুধুমাত্র ধরতে পারবেন, কারন মানিকে মানিক চিনে। আমিতো আপনার বিষ্ময়কর গল্পের ফ্যান, তাই ধরতে পারছি না। মে বি ব্লগও ভ্যাঙ্গাড়ি টাইপের কিছু একটার মতো হতে পারে।(Just Kidding)
লেখক বলেছেন: সেই দিন কি আর আসে, দিন বদলাইসেনা ভাইজান! সুপারগার্ল এখন ডাম্ব ওয়ান!
:-)
কল্পনাতে শুভ্র বলেছেন:
ছোটবেলায় স্কুলে যাও্য়ার ভ্যানগাড়িতে চড়ার খুব শখ ছিল | কখনো চড়তে পারি নাই|লেখাটা আফসোসটা আরও বাড়ল | লেখার শেষটা বেশ কষ্টের |
লেখক বলেছেন: একদিন চড়ে দেখো! বাচ্চাদের রিকোয়েস্ট করে উঠে পইড়ো :-)
ধন্যবাদ রিদওয়ান? কেমন আছো ?
ওমর নাসিফ বলেছেন:
@রুদমী আপু: টুথপেষ্ট খাওয়া নিয়ে যা লেখা হয়েছে তা লেখিকার আশৈশব উর্বর মস্তিষ্কের উদ্ভট কল্পনা। এ রকম উদ্ভট ব্যাপারে আপনি ভুলবশত: প্রতারিত হয়েছেন ভেবে খারাপ লাগছে।@লেখিকা:
লেখক বলেছেন: সাকিব আমাকে মনে করায় দিলো আর তুমি আমাকে বল উদ্ভট কল্পনা ???? পেস্ট খাওয়ার মত একটা যুগান্তকারী ঘটনা নিয়ে এভাবে মিথ্যাচার করেনা নাসিফ! যা হবার তাতো হয়েই গেছে, এখন আর কি করা ?! আর এখন পেস্ট না খেলেই হয়!
আর, কিছু মানুষ আছে যারা ব্লগ এ নিক খুলে মাইনাস দেবার জন্য। আমি জানি কে দিয়েছে, ব্যাপারনা! অন্ধ ছেলে-মেয়েদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে লেখাতেও মাইনাস দিতে তাদের ভালোলাগে! তাইলে না হয় দিক! ক্ষতি কি ? :-)
লেখক বলেছেন: তুমি কোন পেস্ট খেতে রুদমী? নাসিফ পিওর দন্তমাজন ভক্ষক! ইদানিং ও কোন কোম্পানিরটা খাচ্ছে জানা দরকার।
রুদমী বলেছেন:
টুথপেস্ট**
হেডফোন বলেছেন:
@ নাসিফ ওমর: টুথপেষ্ট আমারো খুব প্রিয় ছিলো। আব্বু আমার টুথপেষ্ট খাওয়ার যন্ত্রনা এড়াতে না পেরে স্পার্কস নামে একটা টুথপেষ্ট আনা শুরু করেছিলে, যেটার স্বাদ অত্যান্ত উৎকট ছিলো। মেরিল ফ্রেশ জেল টা আমার সবচেয়ে বেশি প্রিয় ছিলো।@ সোহায়লা রিদওয়ান: হাতি চিরকাল হাতিই থাকে, হাতি বড় হয়ে গন্ডার হয়ে যায় না (Just a funny example). দিন বদলাইসে তাই বলার স্টাইলটাও বদলাইসে। আগে ভ্যাঙ্গারি আর এখন বল্গারী, একি সেম জিনিষ আরকি। ((Just Kidding)
লেখক বলেছেন: হু আমি এখনও হাতি ই আছি! :-)
কিন্তু গল্প বলার ধরনটা বদলেছে! আগে 'অল্প সত্য+ বেশী মিথ্যা'... এখন সত্য বলার চেষ্টা থাকে, অর্ধ সত্য কিছু থাকে, অসত্য এড়াতে চাইলেও মাঝে মাঝে হয়ে যায় :-(
লেখক বলেছেন: My sense of humor not so bad :-D !
ওমর নাসিফ বলেছেন:
@ রুদমী এবং হেডফোন: আসলে সান্তনা দেয়ার একটা সচেতন চেষ্ঠা চোখে পড়ছে! আপনাদের প্রচেষ্ঠার জন্য ধন্যবাদ। তবে সান্তনা ঠিক কাজে লাগলনা কারণ, কাজটা আমি করিনি। সোহায়লা তার সন্ত্রাস আর মিথ্যাচারের অতীত অভ্যাস ছেড়ে দিয়েছে এই সরল বিশ্বাসে দেখছি মহা প্রতারিত হয়েছি লেখক বলেছেন: আমিতো ভুলেই গিয়েছিলাম! ধন্যবাদ সাকীবকে যে মনে রেখেছে বন্ধুর সব কিছু! আহা , কি বন্ধন, কিছুই ভুলতে পারেনি ও! ( আমার চোখে পানি ........... :-(
প্রোপাগান্ডা বলে একটা শব্দ আছে, আমাকে সন্ত্রাসী বলা আর ওইযে মুসলিমদের পৃথিবী জুড়ে সন্ত্রাসী আর মৌলবাদী বলা একই ব্যাপার!
সব মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা !!!
আরিফ সিদ্দিকি বলেছেন:
আপনার এ লেখাটা আমার দেশ পাঠকমেলার পাতায় পডেছি,খুব ভালো লেগেছে। আমাদের জন্য আরো লেখে যান। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই আরো একবার এখানে এসে পড়ার জন্য!
জিকসেস বলেছেন:
ওয়েল রিটেন
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস জিকো। আমার ব্লগে ওয়েলকাম :-)
লেখক বলেছেন: মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম খুব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি!
সুপারগার্লটার সামনে "পরীক্ষা- The Exam".
দোয়া করবেন! :-)
সাবিনা বলেছেন:
আপনার অন্য লেখার মত এটাও সুন্দর! ধন্যবাদ ♥
লেখক বলেছেন: সুন্দরতো , নতুন ইমোটিকন ♥ পেলাম !! অসংখ্য ধন্যবাদ :-)
সাবিনা বলেছেন:
♥....♥....♥
লেখক বলেছেন: So nice of you ! :-)
সুবিদ্ বলেছেন:
মনটা ছুঁয়ে গেলো.........কখনো চড়া হয়নি, কিন্তু বাচ্চাদের যখন হৈচৈ করতে করতে বা শান্তভাবে যেতে দেখি......খুব ভালো লাগে.......
লেখক বলেছেন: হু অনেক ই ভাল্লাগে! এখন একটা ভ্যানগাড়ী কিনতে ইচ্ছে করে! একটা সুযোগ আসছে, দেখি কি করা যায়! :-)
শুভেচ্ছা!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















