somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধিক আমেরিকা, গুয়ামের মানুষের জন্য 'এটমিক শেলটার 'নেই!

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গুয়ামের মানুষকে মানসিকভাবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে বলেছে আমেরিকা আজকে; ট্রাম্প সেখানকার গভর্ণরের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছে; সেখানকার লোকেল পত্রিকায় সাধারণ প্রস্তুতি নেয়ার জন্য বলা হয়েছে; এতে কিন্তু একটা গোপন বিষয় বেরিয়ে এসেছে, সেখানকার মানুষের জন্য এটমিক শেলটার নেই; পত্রিকায় বলা হয়েছে বাড়ীতে অবস্হান করতে, নিজকে লুকিয়ে রাখতে ও নিজকে ঢেকে রাখতে, বিস্ফোরণের ফ্লাশের দিকে না তাকাতে, ২৪ ঘন্টার ভেতর গোসল করে নিতে, গোসলের সময় কনডিশনার ব্যবহার না করতে। এখানে আমেরিকার মানুষ মার খাবে, ক্যাপিটেলিজমের আসল রূপ প্রকাশ পেয়েছে; রাশিয়ার ১০০ ভাগ মানুষের জন্য শেলটার আছে; চীনের কি পরিমাণ মানুষের জন্য শেকটার আছে বুঝা মুশকিল, ওরা মানুষের জন্য চিন্তিত নয়, পার্টির লোকদের জন্য ব্যবস্হা আছে। উত্তর কোরিয়ার সেনাদের জন্য ব্যবস্হা আছে।

গুয়ামে এখন দেড় লাখ মানুষ আছে, ৪৫ হাজারের মতো সৈন্য, ৫ হাজারের মতো টুরিস্ট বাকীগুলো সাধারণ মানুষ; কিন্তু এদের জন্য কোন এটমিক শেলটার নেই। আমেরিকা সাধারণ মানুষের জন্য কোন ব্যবস্হা না করেই যুদ্ধের কথা বলছে? গুয়ামের সাধারণ মানুষ এই দ্বীপ ত্যাগ করে কোথায়ও যেতে পারবে না।

চীন চাচ্ছে আমেরিকাকে কমপক্ষে একটা বড় ধরণের হোঁচট খাওয়াতে, রাশিয়াও সেটাতে বিশ্বাস করে; চীন ও রাশিয়াই যুদ্ধটা বেশী চাচ্ছে; ওরাই কিমকে যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে; ওদের ধারণা, এতে জাপান, দ: কোরিয়া ও আমেরিকা বিশালভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে; উত্তর কোরিয়ার মানুষ সম্পুর্ভাবে মুছে গেলেও ওদের কোন দু:খ নেই' ওরা জানে যে, এতে সাধারণ আমেরিকানরাও প্রাণ হারাবে।

আমরিকান এক জেনারেল বলেছে যে, কোরিয়া থেকে গুয়ামে মিসাইল আসতে ১৮ মিনিট সময় লাগবে; তারা মিসাইলকে অনুসরণ করে ধ্বংস করতে সমর্থ হবে; তবে, মিসাইল টেকনোলোজীর এক দক্ষ লোক বললো, এসব মিসাইল সেই দিকে খেয়াল রেখেই তৈরি করা হয়েছে; ফলে, আমেরিকা সব টেকনোলোজী সম্পর্কে জানে বলে ধরে নেয়া ভুল হবে।

আমেরিকা বিশ্বাস করছে যে, আমেরিকা প্রথমে আঘাত করে কোরিয়ার উৎক্ষেপন কেন্দ্র ও আর্টিলারীগুলোকে ধ্বংস করে দেবে; তবে, আমেরিকা চীন ও রাশিয়াকে বিশ্বাস করছে না; আমেরিকা ভাবছে যে, যুদ্ধ লেগে গেলে, চীন ও রাশিয়া আমেরিকান বিরোধী ভুমিকায় নামতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫২
৪৬টি মন্তব্য ৪৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাতালদের কবিতা

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫২




বন্ধুগন, তাজমহলের গায়ে সবাই মদ ঢালো
আগুন ধরিয়ে দাও, পুড়ে যাক শালা যতসব প্রেম
ভদ্রতার মুখোশ খুলে ফেলে দাও ড্রেনে
রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে মুতে দাও-
কোনো দামি গাড়িতে।

ভোগবাদী সমাজে নারীরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

⌂ ভ্রমণ » বাংলার সোনালী ঐতিহ্যের প্রাচীন রাজধানীতে একদিন !

লিখেছেন নিয়াজ সুমন, ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৩








নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাকড়সা

লিখেছেন তারেক ফাহিম, ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৫




মাকড়সা একটি নিরীহ প্রাণি। কারো কোন ক্ষতি করে না। নিজের খাবারের জন্য আবার কোথাও ছোটাছুটিও করে না। শুধু জাল পেতে সারাক্ষন বাসায় বসে থাকে। মশা মাছি জালের সুতোয় আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

উড়ালপুরের রাজপুত্র [প্রিয় প্রামানিক ভাইয়ের 'আজব কানা' অবলম্বনে]

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৯



উড়ালপুরের রাজপুত্র,
দিনে স্বপন দেখে।
বলে না সে কোন কিছু,
মুখ বুজে যে শিখে!

সাপের চোখে পাতা দেখে,
হাতির দেখে পা।
ঘোড়ার ডিম দেখে বলে,
ওটা কিনতে ঝাপা।

ব্যাঙের ছাতাও হয় যে রঙ্গিন,
সেই পুত্রের চোখে।
কেঁচো'র আছে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সততার পুরস্কার...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২০



১. বেশ কয়েক বছর আগের ঘটনা। টেম্পুর জন্য দাঁড়িয়ে আছি চট্টগ্রামের চকবাজার মোড়ে। অনেক মানুষ অপেক্ষা করছে। রাস্তার ঐ পাশে টেম্পু থামার সাথে সাথেই ভরে যাচ্ছে। এ পাশে ঘুরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×