somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারীস্হানে নারী দিবস মানেই অর্থহীন বক্তৃতা, বাণী, ব্লা ব্লা

০৮ ই মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



শুনছি ভালোবাসা দিবসে কয়েক কোটী টাকার ফুল বিক্রয় হচ্ছে, নারীরা উপহার পাচ্ছেন সেদিন; টেলিফোনে দিনরাত ভালোবাসা চলছে পুরোদেশে; ৫ম শ্রেণীর মেয়েরও বয়ফ্রেন্ড আছে; মনে হয়, সুখী নারীর দেশে আছি আমরা।

বাংলাদেশে প্রাইম মিনিষ্টার নারী, রওশন এরশাদ বিরোধী নেত্রী, স্পীকার নারী, নারী মন্ত্রী আছেন আরো ২ জন; এ ছাড়া আরেক বড় দল, বিএনপি'র সভানেত্রীও নারী; সেইদলের একজন ভারিক্কী সুন্দরী মহিলা মাঝে মাঝে পুলিসকে কাং-ফু মারে; সব মিলিয়ে বাংলাদেশকে নারীস্হানও বলা যেতে পারে।

আবার শুনছি যে, ধর্ষণের পরিমাণ বেড়েছে, বিবাহ বিচ্ছেদ সীমা ছেড়ে গেছে, ভালোবাসার কথা বলে জিং জিং বেড়ে গেছে, বিয়ের আগে নাকি অনেকের বাচ্চা হচ্ছে , বাবাকে খুঁজে পাওয়া যায় না; গার্মেন্টস'এ চাকুরী দিয়ে বিনিময়ে জিং জিং করছে; নারীরা মাথায় করে তেতালায় ইট তুলছে, জাহাজ থেকে বালি খালাস করছে; ১২ লাখ কিশোরীকে চাকরাণী বানায়েছে, যখন ইচ্ছা তখনই মারধর করে; অনেকে স্বদেশে দেহ ব্যবসা করতে বাধ্য হচ্ছে; বিদেশেও দেহ ব্যবসায় বাংগালী মেয়েদের নিয়োজিত করা হয়েছে; ভালোর থেকে খারাপ খবরই তো বেশী দেখছি।

সমাজে নারীর বর্তমন অবস্হান নির্ণয় করে, তাঁদের অবদান ও সমস্যা বুঝে, তাঁদের পারিবারিক ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারী দিবস চালু করা হয়েছিল আমেরিকায়, ১৯০৯ সালে; এটা করেছিলেন সোস্যালিষ্ট মনোভাবের লোকজন; সোস্যালিষ্টরা করাতে আমি নিজেই একটু গর্ব অনুভব করছি, আমি এসব লোকদের পছন্দ করি।

গত বছর বাংলাদেশে নারী দিবস পালনের সময় আমাদের নারী প্রাইম মিনিষ্টার, বিরোধী-নেত্রী, স্পীকার কিছু বলেছিনে নাকি? বলে থাকলে ভালো, মোটামুটি ব্লা ব্লা আর কি; না হয়, এই বছর বলবেন, সেটাও হবে ব্লা ব্লা। ভাবছি, আমাদের দেশের ক্ষমতা থেকে নারীরা চলে গেলে, দেশে নারীদের অবস্হা কি হবে?

মনে হয়, যদি প্রতিটি শিশুর পড়ালেখার খরচের দায়িত্ব জাতি নেয়, আমরা শক্তিশালী জাতিতে পরিণত হবো, এসব সমস্যা কমে আসবে; জাতির কাছে সম্পদ আছে; শেখ হাসিনার বা রওশন এরশাদের পকেট থাকে ১ পয়সাও দেয়া লাগবে না।


সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১৮ রাত ১:০৬
২৪টি মন্তব্য ২৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার প্রফেশনাল জীবনের ত্যাক্ত কথন :(

লিখেছেন সোহানী, ২৮ শে মার্চ, ২০২৪ সকাল ৯:৫৪



আমার প্রফেশনাল জীবন বরাবরেই ভয়াবহ চ্যালেন্জর ছিল। প্রায় প্রতিটা চাকরীতে আমি রীতিমত যুদ্ধ করে গেছি। আমার সেই প্রফেশনাল জীবন নিয়ে বেশ কিছু লিখাও লিখেছিলাম। অনেকদিন পর আবারো এমন কিছু নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি হাসান মাহবুবের তাতিন নই।

লিখেছেন ৎৎৎঘূৎৎ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১:৩৩



ছোটবেলা পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের ভেতরে করে রাত জেগে তিন গোয়েন্দা পড়তাম। মামনি ভাবতেন ছেলেটা আড়াইটা পর্যন্ত পড়ছে ইদানীং। এতো দিনে পড়ায় মনযোগ এসেছে তাহলে। যেদিন আমি তার থেকে টাকা নিয়ে একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুক্তিযোদ্ধাদের বিবিধ গ্রুপে বিভক্ত করার বেকুবী প্রয়াস ( মুমিন, কমিন, জমিন )

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৮ শে মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:৩০



যাঁরা মুক্তিযদ্ধ করেননি, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে লেখা তাঁদের পক্ষে মোটামুটি অসম্ভব কাজ। ১৯৭১ সালের মার্চে, কৃষকের যেই ছেলেটি কলেজ, ইউনিভার্সিতে পড়ছিলো, কিংবা চাষ নিয়ে ব্যস্ত ছিলো, সেই ছেলেটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহ সাহেবের ডায়রি ।। সাংঘাতিক উস্কানি মুলক আচরন

লিখেছেন শাহ আজিজ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:০৪



কি সাঙ্ঘাতিক উস্কানিমুলক আচরন আমাদের রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীর । নাহ আমি তার এই আচরনে ক্ষুব্ধ । ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি ছবি ব্লগ ও ছবির মতো সুন্দর চট্টগ্রাম।

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ২৮ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:৩৮


এটি উন্নত বিশ্বের কোন দেশ বা কোন বিদেশী মেয়ের ছবি নয় - ছবিতে চট্টগ্রামের কাপ্তাই সংলগ্ন রাঙামাটির পাহাড়ি প্রকৃতির একটি ছবি।

ব্লগার চাঁদগাজী আমাকে মাঝে মাঝে বলেন চট্টগ্রাম ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×