আওয়ামীলীগ যে কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেনা
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
প্রথমত, আওয়ামী রাজনীতির মুল পুজি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। আওয়ামীলীগ নিজেদের ছাড়া অন্য সবাইকে স্বাধীনতার বিরোধী বলে আখ্যায়িত করে এবং এটা নিয়ে জনগনকে মুলা দেখায়।যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে এই পুজি শেষ হয়ে যাবে।
দ্বিতীয়ত, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে শেখ হাসিনার ও শেখ সেলিমের বেয়াই সহ অনেক আওয়ামীলীগ নেতা ফেসে যাবে।
তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক চাপ। বিশেষত, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মানুষ ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা। এটা হলে অর্থনৈতিক চাপে সরকারের পতন ঘটবে।
চতুর্থত, যুদ্ধাপরাধ ইস্যু নিয়ে জামাতকে সব সময় চাপে রাখা যাবে। যাতে জামাত বিএনপির সাথে মিলে কোন আন্দোলন করতে না পারে। এই কার্ড আওয়ামীলীগ হারাতে চাইবেনা।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
তোমোদাচি বলেছেন:
সম্পুর্ন সহমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন:
২০০০০০০০০০০০০০০০০০০ % সহমত সহ +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
গানার বলেছেন:
তা না হলে আগের বারই বিচার কাজ শেষ করতো।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
বামদের কথা চিন্তা করছি। তারা কি করবে? মনে হয় না।এটা এখন সম্পূর্ণ একটি রাজনৈ্তিক ইস্যু।
লেখক বলেছেন: আওয়ামীলীগ যা বলে বামরা তাই করে।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
চাষী ছাগু , কয়দিন আগে শেখ মুজিবকে গালাগালী করে পোষ্ট মুছে দিয়েছো, এখন বালের পোষ্ট দিছো,
মধ্যপ্রাচ্যের লোকেরা তোমাদের মত আবালদের জন্য কাউকে দেশে পাঠাবে না এটা মনে রেখো।
বিচার এবার হবেই হবে, বিচারটা শক্তমতে করার জন্যে একটু দেরী হচ্ছে, হালকা বিচার শুরু করে রাজাকারেরা যেন ছুটতে না পারে , সেই জন্যেই দেরীলাফালাফি বন্ধ হবে কয়দিন পর তোমাদের।
লেখক বলেছেন: আশায় আশায় থাক
সুবিদ্ বলেছেন:
বিচার করবেনা এটা ঠিকনা.......বিচারটা ঠিকমতো করতে পারবেনা আসলে......
সেতূ বলেছেন:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যে আইন করে নিজের নিরাপত্তা নিঃ চিন্ত ও নিজের সুযোগ সুবিধা বাড়িয়েছে নিয়েছে কিন্তু
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সময় নষ্ট করছে ।
কারন
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করলে নিজ দলে লোকজন ও ঘনিষ্ট আত্তিয়দের ও একই কাতারে ফেলতে হবে..।
এবং
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনোই ময়লা নিজের হাতে পরিস্কার করেনা ইতিহাস তাই বলে.।
সেতূ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করলে নিজ দলে লোকজন ও ঘনিষ্ট আত্তিয়দের ও একই কাতারে ফেলতে হবে..।
আমি কিছু কইতাম্না।
লালসালু বলেছেন:
সেতূর সাথে সহমত
সপ্তম বলেছেন:
একটা হাছা কথা কই কয়েকদিন আগে মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রি এ কে খন্দকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করছিলেন
আচ্ছা যুদ্ধাপরাধীর বিচার কেন হয়নি
তিনি বলেন, এর আগে তাদের বিচার করার কোন সুযোগ ছিল না
সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন
কেন আওয়ামী লীগ তো ক্ষমতায় ছিল, তিনি কিছুতা ভ্যাব্যাচ্যাক্যা খেয়ে আসল কথা বললেন-
আওয়ামীলীগ এইকাজটা করলে তারা কখন ক্ষমতায় আসতো না।
সালমান খান বলেছেন:
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: চাষী ছাগু , কয়দিন আগে শেখ মুজিবকে গালাগালী করে পোষ্ট মুছে দিয়েছো, এখন বালের পোষ্ট দিছো,
মধ্যপ্রাচ্যের লোকেরা তোমাদের মত আবালদের জন্য কাউকে দেশে পাঠাবে না এটা মনে রেখো।
বিচার এবার হবেই হবে, বিচারটা শক্তমতে করার জন্যে একটু দেরী হচ্ছে, হালকা বিচার শুরু করে রাজাকারেরা যেন ছুটতে না পারে , সেই জন্যেই দেরীলাফালাফি বন্ধ হবে কয়দিন পর তোমাদের।
,,,আমার মনে হয়( কায়েস মাহমুদ ) ভাই আপনি মানুষিক ভাবে আক্রান্ত
কাওছার৯৯ বলেছেন:
@আিক বলেছেন: লাদেন কে ধরলে তো আমেরিকার কাজ শেষ....... লাদেন রা সব সময় বেচে থাকে, নাকি বাচিয়ে রাখা হয়?
,,একে বারে হাছা কথা,,,
মুক্তপ্রাণ বলেছেন:
সহমত
অক্টোপাস বলেছেন:
যেসব বলদ বিশ্বাস করে শক্তভাবে বিচারের জন্য আওয়ামী লীগ সময়ক্ষেপন করছে - তারা যেন সুযোগমতো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের লেজের দৈর্ঘ্য আকার-আকৃতি অবলোকন করে!!
সুধাসদন বলেছেন:
কিছুদিন ধরে সরকারের মন্ত্রীরা বলে যাচ্ছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর করার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হবে। আগে যদিও বলেছে এ বছরের মধ্যেই বিচার শুরু হবে, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। বিচার করার জন্য একটি বাড়িও নেয়া হয়েছে। অবশ্য কয়েকদিন আগে শাহরিয়ার কবিরদের চাপের কারণে ঐ বাড়িতে বিচার হবে না বলে আইনমন্ত্রী জানালেন।আমার কথা হচ্ছে, মুজিব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ৭৫-এ। কিন্তু যুদ্ধাপরাধ ঘটেছে ৭১-এ। সে সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছে। তাহলে আগের ঘটনার বিচার না করে পরের ঘটনার বিচার নিয়ে এত তোড়জোড় কেন? তাছাড়া মুজিব হত্যা মামলার রায় তো হয়েই গেছে, এখন একটা দিন দেখে কার্যকর করলেই হয়। এ কাজটার জন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার থেমে থাকবে কেন? ৭১ এ আওয়ামী লীগের বড় কোন নেতা নিহত হয়নি বলেই কি এ তালবাহানা ?
দুখী মিয়া বলেছেন:
"মহসিন৭১ বলেছেন: আমি ভাবছি অন্য কথা যুদ্ধাপরাধের বিচারে জামায়াত এর বেশী হলে ১৫/২০ জন নেতা অভিযুক্ত। ধরে নিলাম তাদের বিচার হয়ে গেল। তখন বাকী জামায়াতকে আওয়ামী লীগ ফেস করবে কিভাবে। কারন তখন ওদের তো আর যুদ্ধাপরাধী বলা যাবেনা। আবার জামায়াত নেতারা যদি কোনভাবে ফাক ফোকর দিয়ে আদালতের রায়ে বেকসুর হয়ে যায় তখন কী অবস্থা হবে। এটা নিয়ে আমি চিন্তিত"মহসিন ভাই দারুন বলেছেন। আপনার কথার সাথে আমি একমত।
ও.জামান বলেছেন:
সেতূ বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যে আইন করে নিজের নিরাপত্তা নিঃ চিন্ত ও নিজের সুযোগ সুবিধা বাড়িয়েছে নিয়েছে কিন্তু
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সময় নষ্ট করছে ।
হলুদ হিমু বলেছেন:
কায়েস মাহমুদ ও সালমান খানের মত আ:লীগের চামচারা এ ব্লগে যে কেনো আসে ?
জোনাকি বলেছেন:
মাইনাস
(সত্যি কথায় কোন কুত্তা যে বেজার হল বুঝতে পারতেছি না)
জোনাকি বলেছেন:
তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক চাপ। বিশেষত, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মানুষ ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা। এটা হলে অর্থনৈতিক চাপে সরকারের পতন ঘটবে।হাহাহা।
সোহেল সি এস ই বলেছেন:
যুদ্ধপরাধীদের বিচার আওয়ামীলিগ সরকার করবে না। মামলা হবে,আপিল হবে কিন্তু বিচার হবে না। সরকার মুলা ঝুলিয়ে রাখবে যতদিন ক্ষমতায় থাকবে। কারন, এটা একটা রাজনৈতিক ইস্যু। যুদ্ধপরাধীদের বিচার হলে জামাত হয়ে যাবে রাজাকারবিহীন ধোয়া তুলশী পাতা। তাহলে আওয়ামীলিগ রাজনীতি করবে কি নিয়ে?
নীল ভোমরা বলেছেন:
আপাততঃ যুক্তিযুক্ত। দেখি আওয়ামীলীগ কতটুকু আন্তরিক! আওয়ামী লীগের ওয়েট টেস্ট!তবে আমার ব্যাক্তিগত ধারনা.... বিচার শুরু করবে, তবে এই টার্মে শেষ করবেনা, বা কোন রায় কার্যকর করবেনা! বড়জোর উচ্চতর আদালতে সিদ্ধান্ত ঝুলতে থাকবে। বিচার শেষ করার সুযোগ চেয়ে আগামী নির্বাচনে আবারও ভোট চাইবে আওয়ামীলীগ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















