জরূরী অবস্থায় অন্যান্য সেক্টেরর মত মিডিয়া সেক্টেরও চলছে নানা অস্থিরতা। সময়মত বিনিয়োগ, টাকার সন্ঞালনসহ বিভিন্ন কারণে অেনক মিডিয়া প্রতিস্ঠানের আজ নড়বড়ে অবস্থা। তবে আর্থিক কারণই মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের এ অবস্থার জন্য বেশী দায়ী। বাংলাদেশে মিডিয়ার মালিকদের/সম্পাদকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন দুনীতির দায়ে অভিযুক্ত । তাছাড়া অন্য ব্যাবসার টাকা দিয়ে সংবাদপত্র বা টিভি চ্যানেল চালােনা যাচ্ছেনা । দৈনিক আজকের কাগজ এজন্য বন্ধ করে দিতে হয়েছে। আর্থিক চাপের কারণে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আমানুল্লাহ কবিরকে পদত্যাগ করতে হয়েছে।
সর্রশেষ নিজের গড়া দৈনিক যায়যায়দিন থেকে সোমবার পদত্যাগ করেছেন শফিক রেহমান। সন্ধ্যায় অনানুষ্ঠানিক সভা করে শফিক রেহমান তাদের কাছ থেকে বিদায় নেন।
শফিক রেহমান ১৯৮৪ সালে সাপ্তাহিক যায়যায়দিন বের করেন। এরশাদের আমলে একবার সেটি নিষিদ্ধ করা হয়। পরে 'যায়যায়দিন প্রতিদিন' নামে একটি দৈনিক বের করার মাত্র ৩৭ দিনের মাথায় তিনি সেটি বন্ধ করে দেন।
সাপ্তাহিক যায়যায়দিন ২০০৬ সালের ৬ জুন 'দৈনিক যায়যায়দিন' হিসেবে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু চার মাসের মাথায়, ২৭ অক্টোবর একসঙ্গে ১০৪ জন সাংবাদিক-কর্মীকে বরখাস্ত করেন তিনি।
এরপর গতবছর এইচআরসি গ্র"প শফিক রেহমানের কাছ থেকে যায়যায়দিনের মালিকানা কিনে নেয়। ওইসময়ই তিনি পত্রিকাটির মুদ্রাকর ও প্রকাশকের পদ ছেড়ে দেন।
এসব হচ্ছে শফিক রহমান ও যায়যায়দিনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস । শফিক রহমানের একরকম ব্যথতার ইতিহাস। কেননা, শফিক রহমান এর জীবনের ব্যক্তি জীবনে অনেক সফলতা থাকতে পারে কিন্ত প্রতিষ্ঠানিক সফলতা আমি তাঁর যাযাদি-ইিতহাসে দেখিনি। যদিও সাপ্তাহিক যাযাদি অনেকটা সফল পত্রিকা ছিল কিন্ত যেহেতু এর বর্ধিত কলেবর দৈনিকটি যেহেতু ব্যথ সেহেতু সাপ্তাহিক যাযাদিও এরকম ব্যর্থতার মধ্যে পড়ে। ব্যর্থতার কারণ যাই হোক। তবে রাজনৈিতক লেজুরবৃত্তি তাঁর ব্যর্থতার অন্যতম কারণ বলে আমি করি। আর তার ভাগ্যও হয়তো ব্যথতার সুরকি দিয়ে গড়া মোঘল সম্রাট হুমায়নের মত। কেননা জনৈক ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন ' If there was any chance of falling, Humayun was not the man to miss it." অথাৎ, যদি কোথাও কোন ব্যথতার সুযোগ হত বাদশা হুমায়ন তা ছাড়ার পাত্র ছিলেন না। শফিক রেহমানও কি বাদশা হুমায়ন ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

