আমার প্রিয় পোস্ট

যায়যায়দিন থেকে শফিক রেহমানের পদত্যাগ ও তার ব্যর্থ যাযাদি ইতিহাস

০৬ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

শেয়ার করুন:                   Facebook


জরূরী অবস্থায় অন্যান্য সেক্টেরর মত মিডিয়া সেক্টেরও চলছে নানা অস্থিরতা। সময়মত বিনিয়োগ, টাকার সন্ঞালনসহ বিভিন্ন কারণে অেনক মিডিয়া প্রতিস্ঠানের আজ নড়বড়ে অবস্থা। তবে আর্থিক কারণই মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের এ অবস্থার জন্য বেশী দায়ী। বাংলাদেশে মিডিয়ার মালিকদের/সম্পাদকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন দুনীতির দায়ে অভিযুক্ত । তাছাড়া অন্য ব্যাবসার টাকা দিয়ে সংবাদপত্র বা টিভি চ্যানেল চালােনা যাচ্ছেনা । দৈনিক আজকের কাগজ এজন্য বন্ধ করে দিতে হয়েছে। আর্থিক চাপের কারণে আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আমানুল্লাহ কবিরকে পদত্যাগ করতে হয়েছে।

সর্রশেষ নিজের গড়া দৈনিক যায়যায়দিন থেকে সোমবার পদত্যাগ করেছেন শফিক রেহমান। সন্ধ্যায় অনানুষ্ঠানিক সভা করে শফিক রেহমান তাদের কাছ থেকে বিদায় নেন।

শফিক রেহমান ১৯৮৪ সালে সাপ্তাহিক যায়যায়দিন বের করেন। এরশাদের আমলে একবার সেটি নিষিদ্ধ করা হয়। পরে 'যায়যায়দিন প্রতিদিন' নামে একটি দৈনিক বের করার মাত্র ৩৭ দিনের মাথায় তিনি সেটি বন্ধ করে দেন।

সাপ্তাহিক যায়যায়দিন ২০০৬ সালের ৬ জুন 'দৈনিক যায়যায়দিন' হিসেবে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু চার মাসের মাথায়, ২৭ অক্টোবর একসঙ্গে ১০৪ জন সাংবাদিক-কর্মীকে বরখাস্ত করেন তিনি।

এরপর গতবছর এইচআরসি গ্র"প শফিক রেহমানের কাছ থেকে যায়যায়দিনের মালিকানা কিনে নেয়। ওইসময়ই তিনি পত্রিকাটির মুদ্রাকর ও প্রকাশকের পদ ছেড়ে দেন।

এসব হচ্ছে শফিক রহমান ও যায়যায়দিনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস । শফিক রহমানের একরকম ব্যথতার ইতিহাস। কেননা, শফিক রহমান এর জীবনের ব্যক্তি জীবনে অনেক সফলতা থাকতে পারে কিন্ত প্রতিষ্ঠানিক সফলতা আমি তাঁর যাযাদি-ইিতহাসে দেখিনি। যদিও সাপ্তাহিক যাযাদি অনেকটা সফল পত্রিকা ছিল কিন্ত যেহেতু এর বর্ধিত কলেবর দৈনিকটি যেহেতু ব্যথ সেহেতু সাপ্তাহিক যাযাদিও এরকম ব্যর্থতার মধ্যে পড়ে। ব্যর্থতার কারণ যাই হোক। তবে রাজনৈিতক লেজুরবৃত্তি তাঁর ব্যর্থতার অন্যতম কারণ বলে আমি করি। আর তার ভাগ্যও হয়তো ব্যথতার সুরকি দিয়ে গড়া মোঘল সম্রাট হুমায়নের মত। কেননা জনৈক ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন ' If there was any chance of falling, Humayun was not the man to miss it." অথাৎ, যদি কোথাও কোন ব্যথতার সুযোগ হত বাদশা হুমায়ন তা ছাড়ার পাত্র ছিলেন না। শফিক রেহমানও কি বাদশা হুমায়ন ?



 

 

  • ১০ টি মন্তব্য
  • ২৬০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩
comment by: সুজনবাঙালী বলেছেন: দৈনিক যায়যায়দিনের প্রথম দিকের সার্কুলেশন ছিল দেড়লাখের মতো। ভেতরের ছোটন গংরা সাবোটাজ করার আগে।
০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: সার্কূলেশন ১.৫ লাথ হলেইতো একটা পত্রিকা সফল হয় না। ধন্যবাদ।

২. ০৬ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
comment by: লালপ্রভাত বলেছেন: তারে একটা ললিপাপ ধরাইয়া দেয়া হোক।
৩. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:০৪
comment by: আমি সাগর বলেছেন: যাযাদর সার্কুলেশন দেড় লাখ ছিল কবে?
৪. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:০৪
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: সুজনবাঙালী বলেছেন: দৈনিক যায়যায়দিনের প্রথম দিকের সার্কুলেশন ছিল দেড়লাখের মতো। ভেতরের ছোটন গংরা সাবোটাজ করার আগে।


ছোটন গংরা না থাকলে উলটো আরো আগেই লেহমানের হাতে হারিকেন ঝুলতো...
৫. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৩
comment by: মনচলি বলেছেন: অতি লোভে সম্পাদক নষ্ট।
কি দরকার ছিল সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক করার।
০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত। রেহমান সাহেবও এখন হয়তো তাই ভাবছেন।

৬. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
comment by: অতন্দ্র প্রহরী বলেছেন: উনি এখন মৌচাকে ঢিল দ্বাড় করিয়ে ফেলবেন নো চিন্তা।
মেধাবীরা কখনও মরে না।
০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: মেধাবীর সংজ্ঞা কী? এত মেধাবী এজন্যইতো ব্যর্থতার এত ঝুলি নিয়ে নুইয়ে পড়ছেন আর বংলা ভাষাকে তার পত্রিকায় 'বাংলিশ' বানিয়েছেন। সাংবাদিতায় নতুন কী দিয়েছন তিনি যা মানুষ মনে রাখতে পারে। বরং বাংলা ভাষার বারোটা বাজিয়েছেন শফিক রেহমান । ধন্যবাদ।

৭. ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:২৮
comment by: মাইনুল বলেছেন: আমার পোস্টের সাথে আপনার পোস্টের অনেক মিল দেখতে পাচ্চি। সুন্দর এনালিসিসের জন্য ধন্যবাদ।

 



 

comment by:
সাংবাদিক ও গবেষক

আমি জাত সাংবাদিক। বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা United News of Bangladesh(UNB)এর ইংরেজী সার্ভিসে সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছি। পাশাপাশি ইউকের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৪৯১২