somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংবাদপত্রের মর্গ বা নিউজ লাইব্রেরীঃ পর্যালোচনা (সমাপ্ত)

২৭ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

NB: লেখাটি Bangladesh Journalism Review (BJR), Vol 4, Issue 4, July 2008 সংখ্যায় প্রকাশিত। {প্রবন্ধ লেখকের নাম: মোহা. মাহামুদুল হক, শিরোনাম: 'সংবাদপত্রের মর্গ বা নিউজ লাইব্রেরীঃ পর্যালোচনা'} BJR হচ্ছে BCDJC'র একটি মাসিক জার্নাল। ব্লগের পাঠকদের পড়ার জন্য এখানে পোষ্ট করা হলো। লেখার কোন অংশ বিশেষ কেউ উদ্ধৃত করতে চাইলে উক্ত BJR রেফারেন্স ব্যবহার করতে পারেন। তবে পুণপ্রকাশের জন্য অনুমতি প্রয়োজন। লেখাটি কয়েকটা কিস্ততে প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রথম কিস্তি এখানে দেখুন: Click This Link । ২য় কিস্তি পড়ুন এখানে Click This Link । আজকে শেষ হচ্ছে। ধন্যবাদ।
------------------------------------

বাংলাদেশে নিউজ লাইব্রেরীরর অবস্থাঃ

একটি দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতির সাথে সেই দেশের সংবাদপত্র বা সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানেরর উন্নয়ন বিকাশ ও উন্নয়ন নির্ভরশীল। শিক্ষার হার, জনগণের মাথাপিছু আয় ও ক্রয়ক্ষমতার উন্নয়নের সাথে সংবাদপত্রের বিকাশ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। যে দেশ যত উন্নত সে দেশের লাইব্রেরীর অবস্থা তত উন্নত। আবার সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের সুসংগঠিত আর্থিক ও নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর সে সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের নিউজ লাইব্রেরির বিকাশ ও উন্নয়ন নির্ভরশীল । একটা সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের অবস্থা যত উন্নত হবে, তার নিউজ লাইব্রেরী বা আর্কাইভস ততই নিয়মতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক।

অন্যদিকে, উন্নত, প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়মতান্ত্রিক নিউজ লাইব্রেরীর অবস্থা পর্যালোচনা করে উক্ত সংবাদপত্র কতটা উন্নত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে তা মূল্যায়ন করা যায়। ১৮৪৫ সালে New York Herald নিউজ লাইব্রেরী গড়ে তোলে। আমেরিকায় সে সময়ও সংবাদপত্রের ভাল অবস্থা ছিল। ১৮৫০ সাল থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় নিউজ লাইব্রেরীগুলির যে অবস্থা ছিল আজ ২০০৮ সালে এসেও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র লাইব্রেরীগুলির সে অবস্থা নেই। কারণ সে সময়ও আমেরিকায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে ক্লিপিংস, ইনডেক্সসিং প্রভৃতি কাজ করা হত। এবং এসব কাজ করা হত গ্রন্থাগার বিজ্ঞানের পেশাদার জনবল দিয়ে। ১৯১৩ সালে New York Times তো ইনডেক্স বই আকারে প্রকাশ শুরু করে। তাই বাংলাদেশের নিউজ লাইব্রেরীর অবস্থা পর্যালোচনায় এসব সূচক, প্রসঙ্গ ও অনুসঙ্গ বিবেচনার দাবী রাখে।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাস করে ১৪০.৪ মিলিয়ন জনসংখ্যা অর্থাৎ প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯৫১ জন। মোট জন সংখ্যার প্রায় অর্ধেক লোক দরিদ্র সীমার নীচে বাস করে। মোট জনসংখ্যার ৪৭.৫ শতাংশ যাদের বয়স ১৫ বছরের ওপরে লিখতে ও পড়তে পারে। এর মধ্যে পুরুষ ৫৩.৯০ শতাংশ এবং মহিলা ৪০.৮০ শতাংশ।

এরপরও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সার্বিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্রমশঃ অগ্রগতি হচ্ছে। বাংলাদেশে সংবাদপত্রও বিকাশিত হচ্ছে দ্রুতগতিতে তা গুণগত ও পরিসংখ্যানগত উভয় দিক থেকেই। অনেক বড় বিনিয়োগ নিয়ে নতুন নতুন সংবাদপত্র প্রকাশিত হচ্ছে।

ডিএফপি'র হিসেব অনুযায়ী ডিসেম্বর ২০০৫ পর্যন্ত বাংলাদেশে ২০৬২ টি বাংলা ও ইংরেজী দৈনিক এবং বিভিন্ন সাময়িকী নিবন্ধিত হয়েছে। সংখ্যাগত বিচারে বাংলাদেশে সংবাদপত্র ও পত্র পত্রিকার বিস্ফোরণ ঘটেছে একথা বলা যায়। কিন্তু গুণগত ও অন্যান্য শর্তাবলী আরোপ করলে ১০/১৫ টি দৈনিক ও গুটি কয়েক সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকাকে বিচার বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নের আওতায় বিবেচনা করা যায়।

ডিএফপির উক্ত হিসেব অনুযায়ী (২০০৫) দেখা যায়, উক্ত সময়ে ১ লক্ষের ওপর প্রচার সংখ্যা ছাড়িয়েছে এমন দৈনিকের সংখ্যা মাত্র ৭টি। এগুলি হচ্ছে যথাক্রমে দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক নয়াদিগন্ত ও দৈনিক সমকাল। শুধু দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক প্রথম আলোর প্রচার সংখ্যা ২ লক্ষের ওপরে। ঐ সময়ে ইংরেজী দৈনিক বাংলাদেশ অবজারভার, ডেইলী স্টার ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট এর প্রচার সংখ্যা যথাক্রমে ৩৫,০০০, ২৮,১০৫ এবং ২১,৬৩০ কপি। বিসিডিজেসি কর্তৃক প্রকাশিত মিডিয়া ডাইরেক্টরী 'মাধ্যম ২০০৪' এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী দেশে ২০/২১টি দৈনিক ছাড়া বাকিগুলির আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। তাই প্রচার সংখ্যা ও আর্থিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনা করে ২০/২১ টি সংবাদপত্রের প্রতিষ্ঠানকে বিশ্লেষণের আওতায় এনে বাংলাদেশের নিউজ লাইব্রেরীর অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়েছে।

একথা উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বাংলাদেশে নিউজ লাইব্রেরীর বিকাশ খুব বেশী দিনের না হলেও এদেশে গ্রন্থগার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু হয় ১৮৫০ এর দশকে। বাংলাদেশে গ্রন্থগার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু হয় উনিশ শতকে মাত্র চারটি গণ-গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে (যশোর পাবলিক লাইব্রেরী-১৮৫১, বগুড়া উডবার্ণ পাবলিক লাইব্রেরী-১৮৫৪, বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরী-১৮৫৪, রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী-১৮৫৪।৮

বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগার, বিশেষ গ্রন্থাগার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক গ্রন্থাগার ও জাতীয় গ্রন্থাগার সব মিলিয়ে দেশে ২,৪০০ টির মত গ্রন্থাগার রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি গণমাধ্যম গ্রন্থাগারও রয়েছে। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) গ্রন্থাগার, বাংলাদেশ টেলিভিশন গ্রন্থাগার, বাংলাদেশ বেতার গ্রন্থাগার, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর গ্রন্থাগার এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট গ্রন্থাগার উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ২০০৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চালু হয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশন আর্কাইভস। পিআইবি গ্রন্থাগারকে একটি আধুনিক ও উন্নত গ্রন্থাগার বলা যায়। তবে অন্যান্য গণমাধ্যম গ্রন্থাগারগুলি তেমন উন্নত নয়।

বাংলাদেশে প্রধান প্রধান দৈনিক সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রকৃত অর্থে কোন পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থাগার নেই। এসব সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে নিউজ লাইব্রেরী রেফারেন্স বিভাগ, কর্ণার বা ডেস্ড়্গ নামে অভিহিত। কোন কোন সংবাদপত্রে রেফারেন্স এডিটর বা লাইব্রেরীয়ান পদে দু'একজন কর্মরত। সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে চলতি মাসের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রগুলি সাময়িকভাবে বাঁধাই করা হয় কিন্তু স্থায়ীভাবে বাঁধাইয়ের ব্যবস্থা থাকে না। মাস শেষ হলে নতুন মাসের পত্রিকা প্রতিদিন এক জায়গায় বাঁধাই হতে থাকে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত সংবাদপত্রের ইনডেক্সসিং শুরু হয়নি। প্রধান প্রধান দৈনিকগুলি ইন্টারনেট সংস্করণ বের করছে। এসব পত্রিকার ওয়েব পেজ-এ রয়েছে অনলাইন আর্কাইভস। ইন্টারনেট আর্কাইভস এক বছর অথবা কোন কোন আর্কাইভে দু'/তিন বছরের পত্রিকার ইন্টারনেট সংস্করণ সংরক্ষিত হচ্ছে। ইন্টারনেট আর্কাইভস সাজানো হচ্ছে সাল-তালিখ অনুযায়ী। বিষয় বা টপিক অনুযায়ী নয়। বস্তুতঃ বাংলাদেশের সংবাদপত্রের নিউজ লাইব্রেরী বা আর্কাইভস এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ নিউজ লাইব্রেরী বা আর্কাইভস এর আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য পায়নি।

সুপারিশমালাঃ
১. নিউজ লাইব্রেরীতে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জনবল নিযুক্ত করতে হবে ;
২. নিয়মিত ইনডেক্সসিং খুবই প্রয়োজন। তিন মাস, ছয় মাস বা এক বছর পরপর ইনডেক্স বই/প্রকাশনা আকারে বের করা;
৩. সংবাদপত্র সংরক্ষণে মাইক্রোফিল্ম পদ্ধতির ব্যবস্থা করা ;
৪. গ্রন্থাগার উপকরণসহ ভৌত ও প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। বিশেষ করে দ্রুত ও সহজে তথ্য প্রাপ্তির জন্য নিজস্ব সফটওয়্যার বা সমন্বয়মূলক গ্রন্থাগার সফটওয়্যার প্রচলন অতীব জরুরী ;
৫. গ্রন্থাগার কর্মী ও সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য পেশাগত ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদকগণের মধ্যে দু’একজন ছাড়া সাংবাদিকতায় কারো একাডেমিক ডিগ্রী নেই। এজন্য সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে পূর্নাঙ্গ পেশাদারিত্ব এখনও গড়ে ওঠেনি। তবে বর্তমানে সংবাদপত্রগুলির বিভিন্ন পদে সাংবাদিকতায় ডিগ্রী-প্রাপ্তদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এটা সাংবাদিকতার মান উন্নয়নের জন্য খুবই একটা ইতিবাচক দিক। তবে সংবাদপত্রের মূল ভূমিকায় তাদের সংখ্যা খুবই কম। সেরূপ নিউজ লাইব্রেরী বা রেফারেন্স বিভাগেও গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বা একাডেমিক ডিগ্রীধারী জনবল নেই বললেই চলে। নিউজ লাইব্রেরী বিকাশিত বা পূর্ণাঙ্গ বৈশিষ্ট্য ধারণ না করার ক্ষেত্রে এটা একটা বড় অন্তরায় হিসেবে বিবেচনা করা যায়। সংবাদপত্রের নিউজ লাইব্রেরী বা রেফারেন্স বিভাগের মান বাড়াতে দ্রুত ও সহজে তথ্য সেবা নিশ্চিত করতে বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনার দাবী রাখে।

সহায়ক তথ্যসূত্র:

১. ইন্টারনেট
২. ইন্টারনেট
৩. মোহাম্মদ সা'দাত আলী, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও লাইব্রেরী, কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, ঢাকা-২০০২।
৪. ড. এস, এম, মান্নান, 'বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর গ্রন্থাগার ব্যবস্থা ও সাংবাদিকতা পেশা' বাংলাদেশের গ্রন্থ গ্রন্থাগার ও অন্যান্য প্রবন্ধ, মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান সম্পাদিত, বিশ্বপরিচয়, ঢাকা, ২০০৪।
৫. মোহাম্মদ সা'দাত আলী (২০০২), পূর্বোক্ত।
৬. এফ ফ্রেজার বন্ড, সাংবাদিকতা পরিচিতি, অনুবাদ ফেরদৌস নিগার হোসেন, বাংলা একাডেমী, ঢাকা, ১৯৮৭।
৭. মোহাম্মদ সাদা'ত আলী, পূর্বোক্ত।
৮. ড. এস, এম, মান্নান (২০০৪), পূর্বোক্ত।

সমাপ্ত/









১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×