আমার প্রিয় পোস্ট

"রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার হোক, যেন ক্রসফায়ারে হত্যা করা না হয়।" মায়ের এ আবেদনে সাড়া না দিয়ে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' মারা হলো ডা. টুটুলকে

২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

পড়ুন পুলিশের 'বন্দুকযুদ্ধে' র কাহিনী বিডিনিউজ থেকে হুবহু নেয়া

নওগাঁ, জুলাই ২৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুলিশের সঙ্গে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' শেষ পর্যন্ত সত্যিই নিহত হলেন নিষিদ্ধ সংগঠন পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল-লাল পতাকা) শীর্ষ নেতা ডা. মিজানুর রহমান টুটুল। টুটুলের মা নভেরা খাতুন আগের দিনই তার ছেলের র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার কথা জানিয়ে তাকে 'ক্রসফায়ারে না মারার জন্য' সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকারের কাছে খোলাখুলি আবেদন জানান।

রোববার ভোররাতে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে চরমপন্থীদের গোলাগুলির সময় টুটুল মারা যান বলে দাবি করেছে পুলিশ। অন্যদিকে র‌্যাব তাকে আদৌ গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেই দাবি করেছে।

রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জেল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, রোববার ভোররাতে উপজেলার কালিগ্রাম ঈদগাহ মাঠে চরমপন্থীদের বৈঠকের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল এলাকায় পৌঁছলে চরমপন্থীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

দুই পক্ষের গোলাগুলিতে টুটুল গুলিবিদ্ধ হয় জানিয়ে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, "গুরুতর আহত অবস্থায় রাণীনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।"

ঘটনাস্থল থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৫ রাউন্ড গুলি ও কয়েকটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের দাবিও করেছে পুলিশ।

ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, "ডা. টুটুল পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল-লাল পতাকা) প্রধান নেতা। তার বিরুদ্ধে বৃহত্তর রাজশাহী ও পাবনাসহ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় হত্যাসহ দুই শতাধিক মামলা রয়েছে।"

তোফাজ্জল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ডা. টুটুলের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী গ্রামে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় তিনি 'চরমপন্থী' সংগঠনে জড়িয়ে পড়েন বলে পুলিশ কর্মকর্তাটি উল্লেখ করেন।

ডা. টুটুলের মা নভেরা খাতুন শনিবার রাতে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে গিয়ে সাংবাদিকদের জানান, তিনি জানতে পেরেছেন শুক্রবার রাতে র‌্যাব তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে। সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকারের কাছে ছেলের প্রাণভিক্ষা চেয়ে তিনি বলেছিলেন, "অন্যায় করলে আমার ছেলের রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার হোক, তাকে যেন ক্রসফায়ারে হত্যা করা না হয়।"

অশীতিপর নভেরা খাতুনের দাবি, গোপন রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও টুটুল কোনও ধরনের চাঁদাবাজি বা খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

টুটুলকে গ্রেপ্তারে তার মায়ের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল মজিদ শনিবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "টুটুল নামে কাউকে গ্রেপ্তারের কোনও তথ্য র‌্যাবের কাছে নেই।"

নভেরা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, "টুটুল গরিব মানুষের চিকিৎসা সেবায় নিজেকে নিয়োগ করেছিল। গোপন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও চাঁদাবাজি বা খুনের সঙ্গে সে জড়িত ছিল না। বরং পৈত্রিক জমিজমা বিক্রি করে তা গরিব মানুষের জন্য ব্যয় করেছে।"

'চরমপন্থী' দলে যোগ দেওয়ার পর টুটুলের সঙ্গে পরিবারের তেমন যোগাযোগ ছিল না জানিয়ে নভেরা খাতুন বলেন, "তবে মাঝে মাঝে লোক পাঠিয়ে সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা নিয়ে যেতো।"

প্রেসক্লাবে যাওয়ার আগে সন্ধ্যায় নভেরা ছেলের 'প্রাণভিক্ষা চেয়ে' ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিও দিতে যান। তবে অফিস ছুটি হয়ে যাওয়ায় তাকে পরদিন আসতে বলা হয় বলে তিনি জানান।

টুটুলের জীবন ও রাজনীতি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, টুটুল 'চরমপন্থী' মহলে দাদাভাই নামে পরিচিত ছিলেন। কোটচাঁদপুরে জন্ম নেওয়া টুটুল ১৯৮৫ সালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি নেন। পাস করার পর প্রায় এক মাস সরকারি চাকরিও করেন তিনি। এরপর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। একসময় পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল-লাল পতাকা) প্রধান হন টুটুল।

স্থানীয়রা জানায়, মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন টুটুল। সরকারি চাকরি ছাড়ার পর পার্টির সার্বক্ষণিক কর্মী হিসাবে যোগ দেন। পরে বিয়ে করেন দলীয় সূত্রে পরিচিত খুলনার ফুলতলার দামোদরপুর গ্রামের মেয়ে রুচিকে। একটি সন্তান জন্মের কিছুদিন পর তাদের বিয়ে ভেঙে যায়।

পর্যবেক্ষকরা জানান, নীতি ও রণকৌশল নিয়ে ২০০০ সালে দলের সাধারণ সম্পাদক মোফাখখার চৌধুরীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব দেখা দিলে টুটুল আলাদা হয়ে যান। মোফাখখার চৌধুরী কয়েক বছর আগে র‌্যাবের 'ক্রসফায়ারে' মারা যান। টুটুলের দলের নাম হয় পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-লাল পতাকা)। আর দলের অন্য অংশটি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-জনযুদ্ধ) নামে সংগঠিত হয় তপন মালিথার মাধ্যমে। তপন মালিথা বা দাদা তপনও স¤প্রতি র‌্যাবের 'ক্রসফায়ারে' মারা যান।

ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, টুটুলের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলায় কোনও মামলা নেই। তবে তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ চরমপন্থী নেতা।


 

 

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ২৭২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ১২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৬
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: এ রাষ্ট্রব্যবস্থা যে কতটা নির্মম,হৃদয়হীন এবং ফ্যাসিষ্ট, এই ঘটনা সেটা আবারো প্রমান করলো।জনগনের চোখের সামনে,মিডিয়ায় সংবাদ আসার পরেও,এক বৃদ্ধা মায়ের আর্তি সত্ত্বেও তারা কিভাবে একজন মানুষ'কে দিনে-দুপুরে খুন করে।ধিক্কার জানাই এই রাষ্ট্রকে,সেই সংগে নিজেকে-এমন রাষ্ট্রের নাগরিক বলে।
পোষ্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। একটা জঙ্গীও ক্রসফায়ারে মারা হচ্ছে না কেন?

২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৮
comment by: মিয়াভাই সিলটী বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: হুদাই বলেছেন: ডা: টুটুল যখন শ্রেনী সংগ্রামের নামে মানুষ হত্যা করেছে, ইটের ভাটায় জলজ্যান্ত মানুষ পুরিয়ে মেরেছে তখন এই বৃদ্ধা মায়ের কান্না কোথায় ছিল?

সন্ত্রাসী সব সময়ই সন্ত্রাসী। সে যেই সংগ্রামের কথা কউক। এইধরনের বালছাল পোস্টের জন্য মাইনাচ।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি কি জানেন মারার পূবে তার বিরূদ্ধে ২০০ মামলা ছিল? মারার পরে এসব মামলা হয়।

৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
comment by: েক আিম বলেছেন: সন্ত্রাসী, জঙ্গি আর রাজাকারদের কোন বিচার নাই। মানবাধীকার মানবের জন্য, ওদের জন্য নয়, ওরা মানব নয়, ওদের জন্য যারা কাদে তারাও মানব নয়।

নো ফাইল: নো হাংকি পাংকি: ডাইরেক্ট একশন।
৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: আমি ক্রস ফায়ারের পক্ষে... প্রায় দু'বছর আগে ব্লগে এটা নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছিলো। সেরকম একটি পোস্ট দিলাম.. ওখানে ক্রস ফায়ারের পক্ষে কেন থাকা উচিত তা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে-
Click This Link

৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪১
comment by: সেলিম তাহের বলেছেন:
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: এ রাষ্ট্রব্যবস্থা যে কতটা নির্মম,হৃদয়হীন এবং ফ্যাসিষ্ট, এই ঘটনা সেটা আবারো প্রমান করলো।জনগনের চোখের সামনে,মিডিয়ায় সংবাদ আসার পরেও,এক বৃদ্ধা মায়ের আর্তি সত্ত্বেও তারা কিভাবে একজন মানুষ'কে দিনে-দুপুরে খুন করে।ধিক্কার জানাই এই রাষ্ট্রকে,সেই সংগে নিজেকে-এমন রাষ্ট্রের নাগরিক বলে।

শিমুলের সাঠে সহমত।
৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪১
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "ওদের জন্য যারা কাদে তারাও মানব নয়"। যাক ,ডাক্তার টুটূলের মা তাইলে মানুষ না!
এতো সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪১
comment by: ছটিক মাহমুদ বলেছেন:
৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪২
comment by: ইমরান মামা বলেছেন: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: এ রাষ্ট্রব্যবস্থা যে কতটা নির্মম,হৃদয়হীন এবং ফ্যাসিষ্ট, এই ঘটনা সেটা আবারো প্রমান করলো।জনগনের চোখের সামনে,মিডিয়ায় সংবাদ আসার পরেও,এক বৃদ্ধা মায়ের আর্তি সত্ত্বেও তারা কিভাবে একজন মানুষ'কে দিনে-দুপুরে খুন করে।ধিক্কার জানাই এই রাষ্ট্রকে,সেই সংগে নিজেকে-এমন রাষ্ট্রের নাগরিক বলে।
পোষ্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
১০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
comment by: রিকো বলেছেন: ছটিক সাব এক্টা সন্ত্রাসী মরছে এতে এত্ত আল্লাদের কি আছে? এখন কি ভাগে টেকা কম পাবেন বইলা কান্দন আইতাছে নাকি অন্য কোন কানেকশন আছিলো? সাংবাদিক হইছেন সাংবাদিকের মত কাম করবেন। কোথায় এইগুলার ঝার বংশ তুইলা ধইরা মানুষরে সচেতন করবেন তা না এইগুলার মানবাধিকার লইয়া ফুটানি মারেন। এইগুলা যখন মানুষ মারছে তখন কই আছিলেন। যত্তোসব। আপনেগো মত লুকের জন্য সন্ত্রাসীরা অনেক সুবিধা পায়। থু আপনেগো মত লোকের মুখে।
১১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৬
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: রিকো বলেছেন: ছটিক সাব এক্টা সন্ত্রাসী মরছে এতে এত্ত আল্লাদের কি আছে? এখন কি ভাগে টেকা কম পাবেন বইলা কান্দন আইতাছে নাকি অন্য কোন কানেকশন আছিলো? সাংবাদিক হইছেন সাংবাদিকের মত কাম করবেন। কোথায় এইগুলার ঝার বংশ তুইলা ধইরা মানুষরে সচেতন করবেন তা না এইগুলার মানবাধিকার লইয়া ফুটানি মারেন। এইগুলা যখন মানুষ মারছে তখন কই আছিলেন। যত্তোসব। আপনেগো মত লুকের জন্য সন্ত্রাসীরা অনেক সুবিধা পায়। থু আপনেগো মত লোকের মুখে।
১২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২১
comment by: অপ বাক বলেছেন: আইনের সহায়তা চাওয়া এবং রাষ্ট্রের প্রতিটা নাগরিকের নিরাপত্ত বিধার করার কাজটা করবার জন্য রাষ্ট্রের নির্ধারিত একটা সংস্থা বিদ্যমান।

যখন এই লোকটার হাতে কোনো মানুষ নিহত হয়, তখনও সেই দায়টা বর্তায় রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষী বাহিনীর ঘাড়ে। তারা নিজেদের উপরে অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিলো।

এবং তাদের হাতে যখন কেউ আটক হয় তখন সেই মানুষটাকে আইনি সুবিচার দেওয়ার দায়টাও বর্তায় সেইসব মানুষের ঘাড়ে। তারা আইনী কাঠামোর ভেতরে থেকে যখন আইনী আচরণ করতে ব্যর্থ হয় তখন তাদের অপরাধের গুরুত্ব অনেক বেশী।


রাজশাহীতে জেএমবির হাতে নিহত মানুষগুলোর মায়েদের কথা বিবেচনা করে বলা যায় বাংলা ভাই এবং শায়েখ আব্দুর রহমান ঠিক কোন পূণ্যবলে আইনি সংস্থার কাছে জামাই আদরে বিচারের মুখোমুখি হয়, এবং একই আইনী সংস্থার হাতে খুন হয় একই রকম সন্ত্রাসের দায়ে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি।

আইনের চোখে সবাই সমান হলে- সবার জন্য একই রকম আইন প্রযোজ্য হওয়া উচিত এবং সেটাই বাঞ্ছনীয় , তবে কতিপয় মানসিক রোগী যখন এই বেআইনী প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে উদ্ভট যুক্তিসম্ভার নিয়ে হাজির হয় তখন বুঝতে বাকি থাকে না, বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থতার ষোল কলা কিভাবে পূর্ণ করতে সক্ষম হলো।
১৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৩৮
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: অপ বাক বলেছেন: আইনের সহায়তা চাওয়া এবং রাষ্ট্রের প্রতিটা নাগরিকের নিরাপত্ত বিধার করার কাজটা করবার জন্য রাষ্ট্রের নির্ধারিত একটা সংস্থা বিদ্যমান

=================
সেই সংস্থার যোগ্যতা কখনোই চক্ষে পড়ে নাই। রাষ্ট্রর আগা থেকে মাথা সব্টাই ভেজালে ভরা। সন্ত্রাসীরা থানাপুলিশের বগলতলায় বইসা অকাম কুকাম কইরা বেড়ায়। পুলিশেও ভাগ পায়। সেই তুলনায় প‌্যাব ফেরেস্তা। পুলিশ ২০টা ভুয়া পাব্লিকরে ফাসাইলে র্যাব একটাও করে কিনা সন্দেহ। অন্তত পক্ষে ক্রশফায়ারে যারা পড়ে, তাদের সুকীর্তীর কথা পেপারে পউরা মনে হয়।
১৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৯
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: ব্যাপারটা হচ্ছে, ইসলামের নাম নিয়ে জঙ্গীবাদী তৎপড়তা যারা চালিয়েছিলো, এরা হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা কিছু সংগঠন । এদের মূল ভিত্তি / এদের ইন্ধনদাতা/ এদের অর্থের জোগানদাতা / এদের পৃষ্ঠপোষকতাকারী/এদের উদ্দেশ্য --- সবকিছুর শেকড় খুজে বের করাটা জরুরী ছিলো । এবং সেটা খুব ভালোভাবে করা হয়েছে ।


কিন্তু, এই যে কমিউনিষ্ট চরমপন্থী সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষের জীবনকে অতিষ্ট করে চলছে । হাজারো নিরীহ সাধারন মানুষের হত্যাকারী কমিইনিষ্টদের এই সংগঠন । এদের পুরো ইতিহাস / এদের পুরো কর্মপন্থা / এদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার আসলে কিছু বাকি নেই ।

অতএব, একটা একটা করে কমিউনিষ্ট সন্ত্রাসী রক্ত পতাকাধারী ধর আর ক্রশফায়ারে ফালায়া দাও.. সাবাস র্যাব... ধন্যবাদ র্যাব.. অভিনন্দন র্যাব...

সন্ত্রাসীর ভবলীলা সাঙ্গোৎসবে মিষ্টি বিলানো জনতার মিছিলে সামিল হলাম..
১৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৫০
comment by: সেলিম তাহের বলেছেন: ত্রিভুজ, স্তম্ভিত ও আশ্চর্য হবার ক্ষমতা আমার দিন দিন লোপ পাচ্ছিল, সেটা আজ আবার আপনি আপনার মন্তব্যের মধ্য দিয়ে ফিরিয়ে আনলেন।আপনার এই মন্তব্য ক্ষমাহীণ, চরম ফ্যাসিষ্ট!

আইনের শাসনে পরিচালিত কোন সভ্য রাষ্ট্রযন্ত্র বিনা বিচারে হত্যাকে সমর্থন করতে পারে না।
১৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৫৬
comment by: শাহবাজ বলেছেন: হাজারটা মানুষরে খুন করসে , তাদের মা কি জানোয়ার ছিল ?
খালি এই মায়ের কান্না চউক্ষে পড়ে আপনার

আবালীয় পোস্ট
১৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৪৩
comment by: হাসান মাহমুদ আিরফ বলেছেন: সন্ত্রাসীদের মানবাধিকারের জস্য যারা মায়কান্না কাঁদে তাদের ও ক্রসফায়ারে দেওয়া হোকককককককককককককককককককককক
১৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:২৩
comment by: রামন বলেছেন: রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্হা থেকে যখন গনতন্ত্র অন্তর্ধান হয় তখনই রাষ্ট্রে জম্ম লাভ করে মৌলবাদ ও জংগীবাদ। তেমনি একটি রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্হা যখন ভেঙ্গে যায়, বিচারের নামে হয় প্রহসন, তখনি সৃষ্টি হয় র‌্যাব নামের "ক্রশ ফায়ার বাহিনী"।
১৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বিনা বিচারে একজন মানুষকে হত্যা করার অধিকার কারও থাকতে পারে না। একজন অপরাধী, সে যদি জঘন্যতম অনেকগুলা অপরাধ করেও থাকে, তাহলে রাস্ট্রের উচিত তাকে বিচারের আওতায় এনে তাকে শাস্তি দেয়া, যাতে তাকে দেখে অন্য অপরাধীরা বুঝতে পারে অপরাধ করলে পার পাওয়া যাবে না। কিন্তু একজন খুনীর বিচার না করে রেব তাকে মেরে ফেলছে, তাতে রেবের যে লোকটা হত্যাকারীকে গুলি করল, সেও তো একজন হত্যাকারী, তার শাস্তি দেবে কে?

রাস্ট্র যখন নিজে খুনী হয়ে যায় তখন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না আসাটা অস্বাভাবিক। রাস্ট্রের আইনের প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা হারাবে তাতে, এটা মানবাধিকার নয়। এখানে অনেকে বলবেন, আমি যে এটা বললাম, কোথায় ছিল আমার এইসব মানবাধিকার মুলক কথা যখন অপরাধী কেউ সাধারন কোন মানুষকে খুন করেছিল। প্রশ্ন হচ্ছে, অপরাধী খুন করেছে বলেই তাকে বিচার করা হতে হবে। ক্রসফায়ার নামে একটি অবৈধ পন্হায় নয়। আমাদের দেশে অন্যায় করা অনেক সহজ। এই ক্রস ঢায়ারে ভয় দেখিয়ে অনেক কিছু করা যায়। রেবের মানুষজন ফেরেশতা না, তাদের ভুল হতে পারে। যেকোন একদিন তাদের হাতে কেউ একজন মারা পড়তে পারে যার অপরাধের মাত্রা হয়ত ততটা ছিল না। এমনটি হয়েছে ইতিমধ্যেই।
এছাড়া রেবের লোকজন যে কাউকে চাইলেই হত্যা করতে পারে, তাদের হত্যার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। আমরা যদি এই বর্বরতা মেনে নেি্, তাহলে যদি রেব কোন মানুষকে শত্রুতা বসে ক্রসফায়ার করে পরদিন লোকটার নামে নানা থানায় ৬/৭ টি হত্যা মামলা দিয়ে শীর্ষসন্ত্রাসী নামে চালিয়ে দেয়, তাতে কি করা যাবে? এমন কয়টা ঘটনা যে শোনা যায় নি তা কিন্তু না।

এই অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া কোন সুস্থ, স্বাভাবিক দেশে চলতে পারে না। আমরা যেন ১৬০০ শতকের পশ্চিমা কায়দায় চলে গেছি, অপরাধীদের শ্যৃট করে মেরে ফেলা...এই বর্বরতার প্রতিবাদ জানাই।

গতকালকে যে ঘটনাটা হল। লিটনকে গ্রেফতার করা হল। এই খবর প্রকাশ হল, কিন্তু রেব থেকে স্বীকার করা হল না। পরে লিটনের মা চারিদিকে ছুটাছুটি করলেন। লিটনের প্রতি কারো কোন মায়া থাকার কথা না। কিন্তু ওই মা যে ছুটাছুটি করলেন, তিনি কি বলেছিলেন আমার ছেলেকে ছেড়ে দাও, সে নির্দোষ? না, তিনি বলেছিলেন তার বিচার কর, তাকে মেরে ফেল না।
অথচ রেব স্বীকারই করল না। এখন নাটক করে তাকে মারা হল। এই যে রেব একের পর এক নাটকের মত দৃশ্যপট সাজাচ্ছে, এটাও তো একটা প্রতারনা। যে ফোর্স প্রতারনা করে তাকে এলিট বলি কি করে?

আব্দুর রহমানকে ধরেছিল যে রেব, সেই রেবকে আমি শ্রদ্ধা করি। তখন দেখেছিলাম তাদের সাহস। বাংলাভাই এর সাথে বন্দুকযুদ্ধের সময়ও তাদের সাহসের প্রশংশা করেছি। কিন্তু অপরাধী ধরে তাকে গুলি করে মেরে ফেলা কোন সভ্য সমাজে মেনে নেয়া হয়?
আমরা কি সভ্যতা ভুলে যাচ্ছি? অসভ্য হয়ে যাচ্ছি?
২০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
comment by: েক আিম বলেছেন: আমরা ছোট্ট আর গরিব দেশ বলে আমাদের সভ্যতা লোপ পাচ্ছে???

উন্নত বিশ্ব যে অন্যদেশের জনগনকে বিনা বিচারে হত্যা করছে?? আর তারাই আমাদের দেশের মানবাধীকার নিয়ে কথা কয়।

আর একবার পইরেন খালি ছিনতাইকারীদের হাতে আর যখন মাসের পুরা বেতনটা লইয়া যাইব, তখন নিজের ই রেব হইতে মন চাইব।

২১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
comment by: দস্যু বনহুর বলেছেন: অপ বাক বলেছেন: আইনের চোখে সবাই সমান হলে- সবার জন্য একই রকম আইন প্রযোজ্য হওয়া উচিত এবং সেটাই বাঞ্ছনীয় , তবে কতিপয় মানসিক রোগী যখন এই বেআইনী প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে উদ্ভট যুক্তিসম্ভার নিয়ে হাজির হয় তখন বুঝতে বাকি থাকে না, বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থতার ষোল কলা কিভাবে পূর্ণ করতে সক্ষম হলো।

 



 

comment by:
সাংবাদিক ও গবেষক

আমি জাত সাংবাদিক। বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা United News of Bangladesh(UNB)এর ইংরেজী সার্ভিসে সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছি। পাশাপাশি ইউকের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৪৯১৪