আমার প্রিয় পোস্ট

সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

শেয়ারঃ
0 2 0

বাংলাদেশের অনেকেরই মনে একটা ভ্রান্ত ধারনা আছে যে , সৌদি আরবে কোরানের আইন ও রাসুল প্রদর্শিত পথ মোতাবেক দেশ পরিচালিত হয় । এ ধারনা সম্পুর্ন ভুল । সৌদি-আরবের বিভিন্ন প্রদেশ ও জেলার প্রধান একেক জন প্রিন্স কিংবা তাদের প্রতিনিধি । আইন-আদালত , শরিয়া কাউন্সিল সবই নামকাওয়াস্তে ।দেশ চলে রাজতন্ত্রের আড়ালে স্বৈরতন্ত্রের আরআন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকার ইশারায় ।লিখিত কোন নিয়মকানুন নেই । প্রদেশ ও জেলার প্রিন্স কিংবা তাদের প্রতিনিধির মৌখিক নির্দেশই বড় আইন ।নিয়ম-কানুন গুলো বড়ই বর্বর ও মধ্যযুগীয় ।

সৌদি-বাঙ্গালী ঝগড়া লাগলে পুলিস এসে দোষ যারই থাকুক বাঙ্গালীকে ধরে নিয়ে যায় । জেলে নিয়ে শুরু করে অমানুষিক নির্যাতন ।সৌদি পিচ্চিপোলাপান আজকালপথেঘাটে বাঙ্গালি একা পেলেই মোবাইল , টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয় বাধাদিলে মারধর শুরু করে । পুলিস আসলে কিংবা পুলিসের কাছে নালিশ করলে কোন লাভ নেই ।গত কয়েক বছর ধরে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির কারনে বাংগালিরা সাংঘাতিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ।


সৌদি আরবে এসে প্রথমেই একজন শ্রমিককে তার পাসপোর্ট কফিল কিংবা কোম্পানীর কাছে জমা রাখতে হয় ।একজন শ্রমিক চাইলেও কর্মস্থল পরিবর্তন করতে পারে না বা প্রয়োজনে দেশে যেতে পারে না ।এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কফিলরা বাংগালীদের সেই পুরনো দাসত্বের শৃংখলে বন্দি করে রাখে ।যারা গৃহকর্মের কিংবা বখরি চরানোর কাজ করে তাদের ঊপর প্রচন্ড শারিরীক নির্যাতন করা হয় ।কথা বা মতের অমিল হলেই ঘাড় ধরে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয় । আইন-নিয়ম কানুন , চুক্তিপত্র এসব যেহেতু কারো কাছে থাকে না,থাকলেও এসবের কোন মুল্যও নেই ।

ILO,মানবাধিকার সংগঠনের চিল্লাচিল্লি এখানে পৌঁছায় না ।

একটু টাকা-পয়সা হলে একটা গাড়ি কিনতে হলে তা কফিলের নামে কাগজপত্র করতে হয় । কোন বিদেশি সেদেশে জায়গা কিনতে পারে না বা নিজের নামে কোন সম্পত্তির মালিক হতে পারে না ।

বাংলাদেশের বহু জামাতপন্থী ধর্ম ব্যবসায়ী লণ্ডনে বাড়ি কিনেছে কিন্তু সৌদিতে কিনতে পারেনি ।বিলাতের “কাফের”রা সেই সুযোগ দিলেও সৌদির ভাইয়েরা সেই সুযোগ দেয়নি । বহু দুঃখের মাঝে এ ভেবে হাসিও পায় যে ,বহু যুদ্ধাপরাধি বৃটেন ও ইউরোপে পালিয়ে গিয়ে নাগরিকত্ত পেলেও সৌদিতে সেই সুবিধা আদায় করতে পারেনি ।এজন্য মাঝে মাঝে সৌদিতে লুকিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের পার্সপোর্ট বাতিল করে দেশে পাঠানোর কথা ঊঠলেই কান্নকাটি, দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে যায় ।

কোর্টের ভাষা আরবি । কোন অভিযোগ দাখিল করতে হলে আরবিতে লিখে কোর্টে জমা দিতে হয় । কোর্ট কোন জায়গায়তাও অনেকেই জানে না । বিচারে রায় হয় কোন আইনের ধারা মোতাবেক নয় ,হুকুমতের মর্জি মত ।তাই ন্যায় বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীন । বেশীর ভাগ রায় সৌদি কফিল বা কম্পানীর পক্ষে যায় ।এসব অনিয়মের বেড়াজালে কেউ কেউ খাপ খাইয়ে টিকে থাকতে পারে । বেশীরভাগই পারে না ।তাদের কপালে জুটে শারীরিক নির্যাতন ,জেল ,গলা ধাক্কায় দেশে ফেরত ।

আইন সবার জন্য সমান নয় । একজন সৌদি চাইলেই ভিনদেশি কারো স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষন করতে পারে ।বিচার পাওয়া তো দুরের কথা , ঊল্টো বিচার প্রার্থীরই সে দেশে থাকা সমস্যা হয়ে যায় ।আর ভিনদেশি কেউ অভিযুক্ত হলে তার শিরোচ্ছেদ ।প্রকৃত আইনের-শাসন থাকলে ভিনদেশি-সৌদি উভয়েরই শিরচ্ছেদ হওয়ার কথা ।

বহু সৌদি বহু বিবাহের কারনে কিংবা শেষ বয়সে এসে অল্প বয়সী মেয়ে বিয়ে করার কারনে বহু যুবতী তরুনীকে বিধবা কিংবা নিসংগ জীবনযাপন করতে হয় ।এসুযোগে বহু বাঙ্গালী গৃহকর্মী বা ড্রাইভারের সাথে তাদের একটা প্রনয়ের সম্পর্ক গড়ে ঊঠে । সম্মতিসুচক শারিরীক সম্পর্কের কারনে কিংবা সন্দেহের বশবর্তী হয়ে কোন সৌদি অভিযোগ জানালে অসহায় বাঙ্গালীর জান শেষ । তার পক্ষে দাড়ানোর কেঊ থাকে না ।খুব দ্রুত রায় হয়ে দ্রুত শিরোচ্ছেদ কার্যকর হয় ।

একজন সৌদি চাইলে ভিনদেশি কোন মেয়েকে বিয়ে করতে পারে । কিন্তু কোন ভিনদেশি চাইলে সৌদিমেয়েকে বিয়ে করতে পারে না ।

এরকম বহু বিপরীতধর্মী নিয়ম কানুন আছে –বলে শেষ করা যাবে না ।


বহুদিন আগে ILO মধ্যপ্রাচ্যে কাজের পরিবেশ ও নিয়মকানুন শ্রমিক বান্ধব করার উদ্যোগ নেয় ।দুবাই থেকে কাজ শুরুও করে । কিন্তু এরপর কি হয়েছে আর জানা যায়নি ।

Uncle Tom’s Cabin এর মত কিছু কিছু দয়ালু কফিল যে নাই তা নয় ।ঐ ধরনের কফিল পাওয়া ভাগ্যের ব্যপার । দেশে কিছু কিছু প্রবাসীকে আদম ব্যবসা,দু-নম্বরি ছাড়াওবিশাল অর্থবিত্তের মালিক হতে দেখা যায় ।এর একমাত্র কারন , কপালগুনে সে একজন ভালো কফিল পেয়েছে ।এদের দয়া দাক্ষিন্যের কথা বলে শেষ করা যাবে না । ছুটিতে ফিরতে দেরী হলে স্বয়ং কফিলের বাংলাদেশে চলে আসা থেকে শুরু করে এমন কিছু নেই যা সে বাংগালীটির মংগলের জন্য করে না ।

কিং বর্তমান কট্টরপন্থী মোতোয়াল্লী প্রধানকে বহিস্কার করে মধ্যপন্থী একজনকে বসিয়েছেন । দেখা যাক, শ্রমিক বান্ধব কোন কিছু আমরা পাই কি-না ।

(ক্রমশঃ)

(৫ম পর্ব ) (৭ম পর্ব )

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
হায়রে দুনিয়া বলেছেন: পুরা আরবই ত একটা অসভ্য, বর্বর জায়গা। আর সৌদি সেই অসভ্যগুলির কিং।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: জ্বী জনাব ।

২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১১
হায়রে দুনিয়া বলেছেন: এই পোস্টে মাইনাস টা দিল কোন রাজাকার??
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: দিক সমস্যা নেই ।

৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১২
ম্যাকানিক বলেছেন: আবারো একটা ফাটাফাটি লেখা টুটুল ভাই।
আইন-আদালত , শরিয়া কাউন্সিল সবই নামকাওয়াস্তে ।দেশ চলে রাজতন্ত্রের আড়ালে স্বৈরতন্ত্রের আরআন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকার ইশারায় ।লিখিত কোন নিয়মকানুন নেই । প্রদেশ ও জেলার প্রিন্স কিংবা তাদের প্রতিনিধির মৌখিক নির্দেশই বড় আইন ।নিয়ম-কানুন গুলো বড়ই বর্বর ও মধ্যযুগীয় ।
এক্কেবারে খাটি সত্যি কথা লিখছেন ভাই
পাচ তারা না দাগায়া থাকা গেলো না।
আম্রিকানরাও যতই বড় বড় মানবতাবাদী ডায়লগ দেক না কেনো তলে তলে ঠিকই সৌদী প্রিন্সদের তেল মালিশ করে চলে।
নিজের চোখে দেখা
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: ব্লগের বড় অংশ দেশে থাকে ।প্রবাসী আপনি সহ অল্প কয়েকজন । এদের নিয়ে কেঊ লেখে না ।তাই প্রবাসের সমস্যানিয়ে লেখা দেখলেই প্রবাসীদের হৃদয় হু হু করে –যা দেশের কেউ অনুভব করতে পারে না ।

৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৩
কবির বিটু বলেছেন: একটা বই পরেছিলাম, নাম: ‍‌বিউইন্ড দ্যা ভেইল" লেখক ডাঃ সেমুর গ্রে। সে তিন বৎসর সৌদী রাজ পরিবারের সান্নিদ্ধে ছিল।

একটি মজার তথ্য এখোনো মনে আছে সেটি হলোঃ ডাঃ এর স্ত্রী বাদশার একটি পোট্রেট এক দিলে বাদশা জানতে চায় এ কাজ কে করেছে? ডাঃ তার স্ত্রীর কথা বললে বাদশা হেসে উড়িয়ে দেয়। বলে ডাঃ তুমি খুব মজা করতে পারো।
তিন বৎসর সেই দেশে থাকাকালীন সময়ে সে কখনো তাকে বিশ্বাস করাতে পারেনি এটা তার স্ত্রীর আকাঁ। কারণ বাদশার ধারণা মেয়েরা কখনোই এরকম শিল্পের কাজ করতে পারে না। মেয়েরা শুধুই স্বামিদের যৌনসঙ্গী।
আগ্রহী পাঠক এই বইটি পড়ে দেখতে পারেন।
প্রকাশকঃ ঐতিহ্য প্রাকাশনী
ধন্যবাদ
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: আচ্ছা বইটি পেলে পড়ব ।

৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২০
কামরুল৯৯ বলেছেন: কারনে অকারনে গলা কাটলেই ভাবে ইসলাম মনে হয় পুরাটাই সৌদিতে পইড়া রইছে।
শালারা চোর বাটপার।হাজার হাজার ডলার কামাই আকাম কুকাম কইরা বেড়ায় কিন্তু আমাদের মতো গরিব মুসলিম দেশগুলোকো একটুও সাহায্য করেনা।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: সাহায্যের দরকার নেই ।
শুধু শ্রমিকবান্ধব পরিবেশ আর উপযুক্ত মুজুরি পেলেই হয় ।

৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩
ম্যাকানিক বলেছেন: আপনার পর্যবেক্ষন অনেকটাই আমার সাথে মিলে যায়।
বর্তমান কিং আবদুল্লাহ যথেষ্ট উদার।
আমেরিকান ইউরোপিয়ানরা এই সুযোগ পুরা কাজে লাগাচ্ছে এবং বাংলাদেশ সরকারের হাতেও এখন যথেষ্ট সুযোগ ছিলো কিন্তু সরকার এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সম্পোর্ক উন্নয়ন ত দুরের কথা এই ব্যাপারে চিন্তা ভাবনাও করে কিনা সন্দেহো আছে।
কিছুদিন আগে শুনেছিলাম মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত লেবার এট্যাচে নিয়োগ দেবে সরকার।
শুধু লেবার অফিসার নিয়োগ দিয়েই কি সমস্যার সমাধান হবে? বলে মনে হয়?
এই সব অফিসার রা দোজখের মত গরম মরুভূমিতে গিয়ে দেশী ভাইদের সমস্যা শুনে মন খারাপ করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না।
তবে
এই লেবার অফিসারদের মধ্যপ্রাচ্যের যেই দেশেই নিয়োগ দেয়া হোক না কেনো আগে দেশ থেকেই তাদের সেই দেশের ভাষা লিখতে ও পড়তে পাড়ার প্রশিক্ষন দিয়ে সেই দেশের কালচার সম্বন্ধে যথেষ্ট জ্ঞ্যান দিয়ে পাঠালে আরব কোম্পানী মালিকদের সাথে অথবা কফিলদের সাথে তাদের দেশেরই আঈন এর ফাক ফোকড় দেখিয়ে বাংলাদেশী ভাইদের রক্ষা করতে পারবেন।
এখন আরবদেরকে আমরা যতই অসভ্য বর্বর বলি না কেনো সেই বর্বরদের টাকাই কিন্তু আমাদের প্রবাসী রেমিটেন্সের একটা বড় অংশ আর এই বর্বর লোকদের সাথেই আমাদের বাংলাদেশের শ্রমিকদের বড় একটা অংশ বছরের পর বছর কাজ করছে সুতরাং আমাদের নিজেদের স্বার্থেই আরবদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন জরুরী।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত ।
সমাধান নামে একটা পর্ব থাকবে । আপনার কিছু কমেন্ট সেখানে যুক্ত করব ।
সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৩~৫ জন করে রাষ্ট্রদুত নিয়োগ দেয়া উচিত ।
তাদের “নিজ” নয় দেশসেবার মানসিকতা থাকতে হবে ।

৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪১
অরণ্যচারী বলেছেন: বাংলাদেশের বহু জামাতপন্থী ধর্ম ব্যবসায়ী লণ্ডনে বাড়ি কিনেছে কিন্তু সৌদিতে কিনতে পারেনি ।বিলাতের “কাফের”রা সেই সুযোগ দিলেও সৌদির ভাইয়েরা সেই সুযোগ দেয়নি । বহু দুঃখের মাঝে এ ভেবে হাসিও পায় যে ,বহু যুদ্ধাপরাধি বৃটেন ও ইউরোপে পালিয়ে গিয়ে নাগরিকত্ত পেলেও সৌদিতে সেই সুবিধা আদায় করতে পারেনি ।এজন্য মাঝে মাঝে সৌদিতে লুকিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের পার্সপোর্ট বাতিল করে দেশে পাঠানোর কথা ঊঠলেই কান্নকাটি, দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে যায় ।

ভালো একটা জিনিস খেয়াল করছেন। :)
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেকের ধারনা সৌদি জামাতকে সমর্থন করা প্রত্যাহার করলে তারা সৌদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে উঠেপড়ে লাগবে ।

৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
ম্যাকানিক বলেছেন: সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৩-৫ জন করে রাষ্ট্রদুত নিয়োগ দেয়া উচিত ।
ভাই ৩-৫ জন রাস্ট্রদুত লাগে না।
ভালো আরবি জানা একজন রাস্ট্রদুত আর কয়েকজন অফিসার যারা আরব দেশের আঈনী বিষয়ে দেশ থেকেই স্টাডি করে যাবেন এবং আরবদের নেগোশিয়েশন কালচার এ নিজেদের অভ্যস্ত করে নিবেন এবং যাদের শুরু থেকেই টার্গেট থাকবে রয়াল ফ্যামিলির সাথে কানেকশন গড়ে তোলা এবং সেই কানেকশন পরবর্তী বদলী অফিসারকে বুঝিয়ে দিয়ে আসা।
আর আরবদের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো করতে খুব বেশী কিছু কিন্তু করা লাগে না।
প্রতি বছরই অনেক বাংলাদেশী নাগরিক নানা ভাবে আরবদের টাকা মেরে অথবা নানা ধরনের অপরাধ করে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে যায় আরবদের অনেক দিনের দাবী এই ধরনের অপরাধীদের কে তাদের হাতে তুলে দিতে অথবা এর একটা ন্যায্য বিচার করতে।
বাংলাদেশ সরকার নিজে বিচার করতে না পারলেও বাংলাদেশ পুলিশ যদি তাদের ধরে মধ্যপ্রাচ্যের অপরাধ করা দেশে পাঠিয়ে দেয় তাহলে লাখ লাখ বাংলাদেশী সেই দেশের নাগরিকদের কোপানল থেকে বেচে যায় আর সাথে সাথে অপরাধ প্রবন অন্য বাংলাদেশীরাও সেখানে সাবধানে চলাফেরা করবে এই কারনে যে এখানে অপরাধ করে দেশে চলে গেলেও বাচা যাবে না।
বিনিময়ে সেই দেশের নাগরিকদের কাছ থেকেও একই সুবিধা চাইতে পারে বাংলাদেশ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: অপরাধীদের ভিসা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া ,
মধ্যপ্রাচ্যে অপরাধ করে দেশে ঢুকা বন্ধ করতে হবে ।

৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
অলস ছেলে বলেছেন: আইন সবার জন্য সমান নয় । একজন সৌদি চাইলেই ভিনদেশি কারো স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষন করতে পারে ।বিচার পাওয়া তো দুরের কথা , ঊল্টো বিচার প্রার্থীরই সে দেশে থাকা সমস্যা হয়ে যায় ।

সত্য কথা
-------


বাংলাদেশের অনেকেরই মনে একটা ভ্রান্ত ধারনা আছে যে , সৌদি আরবে কোরানের আইন ও রাসুল প্রদর্শিত পথ মোতাবেক দেশ পরিচালিত হয় । এ ধারনা সম্পুর্ন ভুল ।

আরও বড় সত্য কথা। ইসলামী আইনের অন্যতম মূলনীতি হলো আইন সবার জন্য সমান। এমনকি রাসুল সা: এর মেয়ে ফাতেমা চুরি করলেও তার হাত কাটা হবে বলে রাসুল সা: বলেছেন।
--

সৌদি রাজপরিবার তাদের এ শাসনামলের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল আজীজের উত্থানের সময় থেকে এখনো সফলভাবে ইসলামকে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগিয়েছে। কিন্তু এ অমানবিক অবিচার বেশিদিন চলার না। শেষ হতেই হবে। আরেকটা বিষয় আছে। আপনি ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখবেন, আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, সৌদিরা যে অপরিমেয় সম্পদ আর প্রাচুর্য পেয়েছে তারপর যে খারাপ হয়েছে, আমরা বাঙ্গালীরা যদি ঐ অবস্থায় থাকতাম তাহলে আরো বেশি খারাপ হতাম। আপনি নিজেই ভালো কফিলদের কথা বলেছেন। এটা্ও এমন বাস্তবতা, যা অগ্রাহ্য করার মতো না। সংক্ষেপে আমি যা দেখেছি, সৌদি আরবের প্রায় অর্ধেক বাড়িই যৌন অনাচারে ভর্তি। যদিও পরিবেশ আর রাখঢাকের কারণে এর প্রভাব আরো বেশি বলে সবার মনে হয়। কিন্তু খুব সুন্দর পারিবারিক পরিবেশে ভালো আছে, খাদ্দামার সাথে অনাচার নাই, এমন অনেক পরিবারই আছে। প্রায় অর্ধেক (যুব প্রজম্মের প্রায় সবগুলাই) স্বয়ং আযাযীল শয়তানের সাক্ষাত স্যাঙ্গাৎ। আর কিছু মানুষ আছে ফেরেশতার মতো। কিছু মানুষ স্বাভাবিক, ভালো খারাপ কিছুই না।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন ।

১০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬
চিকনকালা বলেছেন: জামাত শিবিরের কর্মিরা সৌদি আরবকে ইসলামি রাষ্ট্র মনে করে। এদেশের মানুষকে সৌদিআরবের উদাহরন দেয় যে সৌদি সরকার নামাজের সময় হলে সবাইকে নামাজে যেতে বাধ্য করে। ইসলাম কায়েম হয়েছে সে দেশে।

বাংলাদেশকে এরকম ইসলামি রাষ্ট্র বানাতে চায়। সে জন্য সহিংস সংগ্রাম ও জেহাদ চালাচ্চ্ছে।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: কি রকম রাষ্ট্র হবে তা তো বুঝতেই পারছেন ।

১১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২২
একজন সৈকত বলেছেন:
বরাবরের মত চমৎকার ও প্রয়োজনীয় একটি লেখা।
আরব দেশগুলি- যে দেশগুলিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রবাসী রয়েছে কিংবা যে দেশগুলি থেকে সর্বোচ্চ পরিমানে রেমিটেন্স আসে, সেই আরব দেশ সম্পর্কিত বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞের আরো প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি। আরব বিশেষজ্ঞরা আরব দেশগুলির সাথে সম্পর্কোন্নয়নের পাশাপাশি এদেশীয় প্রবাসীদের সুখ-সুবিধা, বিশেষ করে তারা যাতে আইনের সাহায্য প্রয়োজনে পায় ন্যায় বিচার ক্ষেত্রে, সে দিকে সাহায্য করতে পারেন। তাঁদেরকে সেসব দেশের দূতাবাসে, এনজিও কর্মকান্ডে নিয়োগ দিয়ে হয়তো আমরা আরব ডেশগুলিতে আমদের এই বিপন্ন অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করতে পারে। সরকার এইসব দিক ভেবে দেখতে পারে। কারন এই সব দেশে কর্মী নিয়োগ বন্ধ হলে সবচেয়ে ক্ষতি সরকারেরই।
আশা করি আপনার আগামী কোন লেখায় আমাদের দেশ কি করে এই আরব মুল্লুকের সাথে আরো সহযোগিতামূলক পজিটিভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, সে ব্যাপারে সমাধানমূলক লেখা পাবো।
+
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: আরব বিশেষজ্ঞরা আরব দেশগুলির সাথে সম্পর্কোন্নয়নের পাশাপাশি এদেশীয় প্রবাসীদের সুখ-সুবিধা, বিশেষ করে তারা যাতে আইনের সাহায্য প্রয়োজনে পায় ন্যায় বিচার ক্ষেত্রে, সে দিকে সাহায্য করতে পারেন। তাঁদেরকে সেসব দেশের দূতাবাসে, এনজিও কর্মকান্ডে নিয়োগ দিয়ে হয়তো আমরা আরব ডেশগুলিতে আমদের এই বিপন্ন অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করতে পারে ।
.............................................................................................।
এটাও একটা ভালো সমধান ।
একটু বিশদ ভাবে জানতে চাই ।

১২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
জানজাবিদ বলেছেন: মক্কায় আল বাইক ফাস্টফুড শপে গিয়ে সৌদি তারুণ্যের কিছু রূপ দেখার সৌভাগ্য হয়েছিলো। এরা আমাদের ডিজুস প্রজন্মের চেয়েও কয়েক কাঠি অ্যাডভান্স।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: কী রকম !

১৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
ফিরোজ-২ বলেছেন: চমৎকার ও প্রয়োজনীয় একটি লেখা।
১৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭
চিকনকালা বলেছেন: আপনার লেখাটা খুব ভাল লেগেছে। আরো লিখবেন সৌদি আরব ও অন্যান্য দেশ যেমন কুয়েত, কাতের, আবুধাবি, দুবাই সম্পর্কে জানতে চাই।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: সামান্য কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া একই ।

১৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৩
চিকনকালা বলেছেন: আপনার সৌদি আরবের জীবন নিয়ে আরো লেখা দেখলাম। সময় করে পড়ার ইচ্ছা থাকল। আমার পরামর্শঃ আপনি এই লেখা গুলো একত্রিত করে এবং আরো কিছু সংযোজন করে আগামী বই মেলায় প্রকাশ করতে পারেন। মানুষ অনেক কিছু জানতে পারবে।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: বই লেখার যোগ্যতা আমার নেই ।এই ব্লগে অনেকে আরো
অনেক ভালো লেখে ।তবে উতসাহ পেলে খুশি হই ।
আপনি বইটি প্রকাশে কোনভাবে সাহায্য করতে পারেন ?

১৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৬
রাগ ইমন বলেছেন: পড়ছি এবং প্রিয় পোস্টে ।
১৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২
আলীবাবা বলেছেন: আইনকানুন এবং প্রয়োগের দিক দিয়ে আমি দুবাইকে অনেক বেটার মনে করব। অনেকটা আধুনিক আইনকানুন কোন কল্লা কাটাকাটির ব্যবস্থা নাই। কোর্ট সহ অন্যান্য আফিসে আরবীর প্রাধান্য থাকলেও হিন্দি এবং ইংরেজীরও প্রাধান্য আছে। তবে বিচারের ক্ষেত্রে যেটা বললেন সেটা আমার মতে ওদের ফেভারে যাতেই পারে, ওরা লোকাল আমরা খারেজী ওরা একটু সুবিধা বেশি পেতেই পারে। তাপ্ররেও আমি দুবাইতে অনেক ন্যায় বিচার দেখেছি। আরেকটা কথা হইলো আরবী লোকালদের টাকা ইনকামের লোভ আমরাই বাঙ্গালীরাই দেখাইছি, তাদেরকে বেশি খারাপ আমরাই করছি। সৌদির পুলাপাইনদের ছিনতাইয়ের যে কথা বললেন তাও আমি দুবাইতে কখনই দেখি নাই তবে আফ্রিকান বা পাকিস্থানী বেলুচিদের দেখেছি ছিনতাই করতে। উপরুন্ত এখানকার লোকাল ছেলেদের আমি রাস্তাঘাটে অনেক ভদ্র আচরন করতেই দেখি।



আরবী মাইয়াগো ব্যায়াফক ভালা পাই ;)
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দুবাই আধুনিক সভ্যতার পতিতালয় ।
তবে দুবাইয়ের এই উন্নতি হয়েছে ILO র কারনে ।তাদের ঊচিত মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোকেও চেপে ধরা ।

১৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০
আলীবাবা বলেছেন: [উপ্রের একটা কমেন্ট কাইটা দিয়েন]


দুবাইতেও আরবী স্পন্সর না দিলে কোম্পানী পরিবর্তন করা যায় না। তবে দুবাইতে কোম্পানী পরিবর্তনের করার একটা সুযোগ আছে। যেমন, আপনি যদি চান স্পন্সর কে কিছু দিরহাম ধরাইয়া দিলে ভালো হইলে সে আপনাকে রিলিজ দিবে কিন্তু রিলিজ নিতে আবার সরকারী একটা চার্জ দিতে হয়। আর যদি রিলিজ না দেয় তাহলে আপনে ক্যান্সেল চাইতে পারেন, ক্যান্সেল না দিলে পুলিশের সহানুভূতির আশ্রয় নিতে পারেন। ক্যান্সেল হলে আপনাকে কমপক্ষে ৬ মাসের জন্য এই দেশে নিষিদ্ধ করবে আবার কিছু টাকা খরচ করাইলে নিষিদ্ধ করানো টা কাটানো যায়। পুলিশের সহানুভূতি বল্লাম এইজন্য যে, আপনি যেহেতু কোম্পানীর সাথে এগ্রিমেন্ট করা তাই ইচ্ছা করলেও কফিল/আরবাব আপনাকে ইচ্ছা করলেই ক্যান্সেল করতে পারবে না আবার আপনিও আপনার সুবিধার জন্য ইচ্ছামত ক্যান্সেলেশন চাইতে পারেন না। এইজন্য বললাম কফিল/আরবাবের সাথে আপনার সমঝতা বা পুলিশ দিয়ে সহানুভূতি আদায় করা। তবে ক্ষেত্রবিশেষ বড় বড় শেখ বা কোম্পানীর সাথে এত কিছু করে পারা যায় না। বাধ্য হয়েই নিয়তিকে মেনে নিতে হয়। তবে এখানেও বাড়ী গাড়ি করতে হলে আরবী স্পন্সর নিতে হয়। যৌনাচারের ব্যাপারটা আরবীদের কাছে হাতের মোয়া হইয়া গেছে। আর দুবাই হইয়া গেছে আন্তর্জাতিক হেরেমখানা। আপনাদের সৌদি থিকা শুরু কইরা কাতার, ওমান, কুয়েত, বাহরাইন, সব জায়গা থিকা শেখ সাহেবরা আসে আমোদ ফূর্তি করার জন্য। দুবাই আইসা অন্যান্য দেশের আরবীদের মাথা গরম হইয়া যায়। নারী, গাড়ি আর বাড়ী শেখদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সম্পদ।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন:

দেখা যাচ্ছে দুবাই সৌদি থেকে একটু ভালো ।

১৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৫
চিকনকালা বলেছেন: @লেখক কে বলছি। হ্যা করব। আপনি লিখতে থাকুন। যোগাযোগ হবে।
২০. ০২ রা মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন: একটা ব্যাপার হলো, UAE অনেক আধুনিক এবং এখানে আমরা বাঙ্গালীরা যা করছি সেটা সত্যিই অবাক করার মতো। শুধু এখানে নয় কুয়েতের কিছু জায়গায় বাঙ্গালীরা যা করে সেটা মন্তব্য করার মতো ভাষা আমার জানা নেই। বাহারাইন এর কিছু জায়গা আছে সেটা হয়তো এখানে মন্তব্যকারী অনেকেই জানেন। মোট কথা আমরা যে কত খারাপ তা আমরা অনেক আগেই প্রমাণ করে ফেলেছি। আরবীদেরকে খারাপ বা বর্বর বলার আগে আমাদের উচিত নিজেদের অবস্থান দেখা, ওরা যা করছে ওদের অবস্থান থেকে আমরা যদি সে অবস্থায় থাকতাম তাহলে আমরা যে কি করতাম তা চিন্তাও করতে পারছিনা। সত্যিই আমরা ধরনীতে বরই নির্মম এক বর্বর জাতি, যারা থাকতে ভিক্ষা করি, বুঝেই ভুল করি, জেনেশুনে আগুনে হাত দিই। মাঝে মাঝে নিজেকে বড়ই অনাথ মনেহয়। আসলে ভাই বলে বুঝানো যাবেনা আমরা যে কি????

আমি গর্বিত যে আমি বাংলাদেশের মাটিতে জন্মেছি, কিন্তু আমি লজ্জিত ............
০২ রা মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: এতটা ভেংগে পড়ার দরকার নেই ।

২১. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:১১
টুনা বলেছেন: আপনার কথা সবই ঠিক আছে । তবে আমার বর্ননায় বলেছি যে, সৌদিদের বিরুদ্ধে নালিশ করলে সহজে মানতে চায়না । তবে হাতে-নাতে ধরে সোপর্দ করতে পারলে বিচার পাওয়া যায় ।ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং শেয়ার করার জন্য ।
ভাল থাকবেন ইনশেল্লাহ্‌ ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: একমত

২২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ ভোর ৪:২০
ভীরু বলেছেন: সবগুলা লেখাই পড়লাম, বুঝলাম সৌদীরা শুধু বাঙ্গালীদের সাথেই খারাপ, কারনটা আপনি নিজেও লিখেছেন- বাঙ্গালীদের চুরি চ্যাছড়ামী ইত্যাদী বিস্বস্ততা হারানোর অন্যতম কারন। জানতে ইচ্ছা হল- আপনারা সচেতনরা এ ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন...
১৯ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:১৬

লেখক বলেছেন: আপনারা সচেতনরা এ ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন.


এরা আরো বড় টাউট





২৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ ভোর ৫:০৩
দ্যা ডক্টর বলেছেন: আরবরা বর্বর কথাটা শুধু শোনা কথা। ভালো খারাপ মিলেই মানুষ। আরবরা যত চ্যারিটি চালায় পৃথিবীর অন্যসব মিলিয়ে এত আছে কিনা সন্দেহ। তারা আমাদের দেশের লোকজনের মত প্রচার করে দান করেনা এটাই আসল সমস্যা। গাল্ফের প্রধান ব্যবসা গুলো যেসব শেখের মালিকানায় তাদের সবারই নিজস্ব চ্যারিটি আছে। রমদান আসলে গাল্ফে সব খাবার জিনিসের দাম কমে যায় কেন? রাস্তায় বিলবোর্ডে অসুস্থ, গরীব মেধাবি ছাত্র, বিশাল অংকের জরিমানা নিয়ে কয়েদি, স্বদেশি গৃহহীনদের সাহায্য করার জন্য যাকাত ফান্ড বিজ্ঞাপন দেয়, অন্য কোথাও দেখেছেন?

গতকালের ঘটনা বলি, আমার স্পন্সর কাতারি আমাকে নিয়ে একটি জায়গায় যায়। ওটা ছিল এক পাকিস্তানির বাসা যে ১৫/২০ দিন আগে চেক বাউন্স এর কেসে জেলে যায় এবং তার ফ্যামিলির ভিসাও ক্যনসেলড হয়ে যায়। ঐ লোকের স্ত্রী কিভাবে যেন আমার স্পন্সরের সাথে যোগাযোগ করে। আমার স্পন্সর ঐ মহিলা এবং চার ছেলেমায়ের টিকেট করে দেয়, আসার সময় জিজ্ঞেস করে বাসায় টাকা পয়সা কিছু আছে কিনা, পরে মহিলার হাতে ১০০০ রিয়াল দিয়ে আসে এবং তার বাসার ড্রাইভারের নাম্বার দিয়ে আসে যাতে এয়ারপোর্টে যাওয়ার সময় তাকে কল করে নিয়ে যায়।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: অশিক্ষিত মানুষ পশুর সমান।
আরব সমাজ অশিক্ষিত তাই বর্বর।

ব্যতিক্রম উদাহরন হতে পারে না।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
I am a service holder.I like blogging
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই