somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অপরাহ্নের ভালো লাগা। আমার সারাটা রাতের প্রতীক্ষা
ভাবনার আড়ালে
মনের গহীনে
শুধু পথ চাওয়া।

আমার গন্তব্য তোমার মত
তোমার গন্তব্য আমার মত
হতে পারতো।

সবই তো ছিলো
শুধু ভাবনার অনিয়ম ছাড়া।

তোমার যাত্রা আমার পথ চাওয়া
তোমার স্মৃতিচারণ আমার দেয়াল
তোমার লাগামহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো আমার অঘোষিত যুদ্ধ।

কিছু নিশ্চুপ কথামালা

প্রতীক্ষার প্রহর কাটিয়ে
কোন এক প্রান্তরে পড়ে থাকে জীবনের কিছু গান।

অপরাহ্নের ভালো লাগা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28871559 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28871559 2008-11-20 09:33:29
অস্থির কথোপকথন-২

: যাওয়া কি খুব জরুরী? অনেক কথা যে বাকী ছিল!
: শংকাহীন চিত্তে বলে যাও।

: সেখানে তো সংকট? ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি।
: আর কিছু?

: পারিবারিক বৈঠকে এখন ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব সিন্ধান্থীনতায় ঝুলছে ঘর বাধাঁর স্বপ্ন
: জরুরী আইনটা প্রত্যাহার হলেই সবাই দলে ফিরবে। এর জন্য চাই নিরপেক্ষতা ও গনতন্ত্র। রোড়ম্যাপ অনুযায়ি কাজটা হতে দাও।

: সেখানেতো সংকট!
: আন্তর্জাতিকভাবে পর্যবেক্ষক মহলের সম্মতি নাও?

:সে তো আরো ভয়ের <img src=" style="border:0;" />! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় ফুফুর ছেলে আসছেন, উনি আইন বিশেষজ্ঞ। তুমি তো জান ফুফুর পুত্রবধু হিসাবে প্রথম পছন্দের আমি।
:তোমার হাতিয়ার তো গণতন্ত্র। গণতন্ত্রের বুলি ছুড়ে দিবে।

:সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ ফুফুর দিকে; এর পর কি হবে?
: টুয়েন্টি-টুয়েন্টি ভিশনের প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করবে; তুমি না বুদ্ধিমতি!

: না হয় বললাম,
-তুমি মঙ্গা পিড়ীত মানুষের মত আমার মুখে হাসি ফুটিয়েছো।
-ফারাক্কার পানির মত নার্য্য হিস্যা আদায়ের মত আমাদের ভালোবাসার রাস্তা সুগম করেছো
-বয়স্ক ভাতার ন্যায় আমাকে ভবিষ্যতের নিশ্চিত জীবন দেখিয়াছো।
-বিশ্বদরবারে মান মর্যাদা বৃদ্ধির ন্যায় তোমার পরিবারে আমাকে সম্মানে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছো।
-শিক্ষা হার বৃদ্ধির ন্যায় আমাকে ভালোবাসার কথা শিখিয়েছো।
-উপজাতি সম্প্রদায়ের মত আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছো।

: আর লজ্জা দিওনা; সবই করছি, আমাদের একটা সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য। তুমি তোমার মতামত ব্যক্ত করে আর্ন্তজাতিক মহলকে অনুরোধ করো। নিরপেক্ষ সিন্ধান্তের জন্য।

: যদি দূর্নীতি করে? ফুফু যদি কারচুপি করে? যদি চাঁদা দেয়?
: তোমার দাদা মানে - আমার হবু দাদা শ্বশুড়কে কেয়ার টেকার হিসাবে রাখবে। ( সবাই উনাকে সম্মান করে)

: ভালো বলেছো।
-"দাদা না হঠাৎ করে জরুরী অবস্থা দিয়ে মাইনাচ টু ফর্মূলা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে"- তাহলে আমাদের কি হবে( চোখের কোণায় জল টলমল)
: এতে সেমিনার/সিম্পোজিয়াম হবে; দাদাকে সৎ থাকতে বলবে।
তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে( ফুফুর ছেলে আর সংসদে কথা বলার সুযোগ পাবে না)। বৈঠক অর্থবহ হবে।

: তাহলে আজ এই পর্যন্ত। চল উঠা যাক।

: তাই হোক। সুস্ঠ গণতন্ত্রে মাধ্যমে আমরা নিজেদের কথা নিজেরাই বলি শুধু তোমাকে পাওয়ার জন্য।



আর একটু বসি। দূর আকাশে উড়ে গেলো একটা পাখি। মুক্ত কত মুক্ত..............।


অস্থির কথোপকথন-১ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28869632 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28869632 2008-11-16 03:24:36
ভাগ্যের পরিহাস যেন রহস্যে ঘেরা মনের ভেতর ভাঙ্গনের তোলপাড়।
গন্তব্যে পৌঁছতে হবে সঠিক সময়ে।

বাস্তবতায়
হতাশায়
চার ঘন্টায়-এক শত মাইল পাড়ি দিয়ে
সময়ের সাথে জীবন্ত লাশ হয়ে ঘুরি।

ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টিতে
পা আর চলেনা---শীতল হাওয়ায়
অতপরঃ
অন্ধকারে গা বাঁচিয়ে গন্তব্যে পৌঁছা।


দুঃস্বপ্ন ঘেরা সবারই চোখ
কোন সুবাতাস নেই

নির্ঘুম রাত।
ফিরে পাওয়ার সুখ।

অতটা সহজ ব্যাপার ছিলনা
রহস্যের ঘ্রাণে বিমোহিত পড়শী।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28868091 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28868091 2008-11-12 12:53:00
আপাততঃ দালান নির্মাণ বন্ধ কী করা জরুরী না?
বেলা অবেলায় সিদ্ধান্তহীনতায়
আপাততঃ দালান নির্মাণ বন্ধ।

নানামুখী প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য তৎপরতায়
সন্দেহ ও সংশয় নিয়ে
খেলার মাঠে একেবারে আনকোরা
আপাততঃ দালান নির্মাণ বন্ধ।

বদান্যতা বা উদারতায়
কৌতুহলের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে
অনুজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় সিদ্ধান্তে দু'টানা
আপাততঃ দালান নির্মাণ বন্ধ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28866501 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28866501 2008-11-08 23:30:55
সবার প্রিয় নাজনীন আপার জন্মদিন আজ।

যিনি অতি অল্প সময়ে লেখার মাধ্যমে সবার মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি হলেন আমাদের প্রিয় নাজনীন আপা। আজ ৬ নভেম্বর উনার জন্মদিন। শুভ জন্মদিন নাজনীন আপা।


নাজনীন আপার লেখা আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা দিলাম।

ক্ষিতিজ-কন্যা সম নারী

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৪

কি নিয়ম শুদ্ধতার?
অন্তরস্থ সমস্ত অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করে
কাষ্ঠ বৎ পুড়ে যাবে কাষ্ঠ-পুত্তলিকা?
এমন জ্বলন-
জ্বলন্ত শবের তাপে তৃণখন্ড ছাই?

বিষদাঁত ভেংগে দিলে আবার গজাবে বিষদাঁত
গরলে গরলে বাড়ে কালকুটের আয়ু।

কী অপরূপ পরিহাস বিকিরণ করে
অতি হীন কাঁচ-খন্ড
পরশ-পাথর ভ্রমে-
মখমলে মোড়া সোনার থালায় তুলে নিলে।
কী অদ্ভুত বিভ্রান্তি!
ক্ষমাহীন অশুদ্ধতা-গ্লানি?

অবিনাশী নয় প্রেম
দমকা হাওয়ায়-
পুরোনো গোলাপ-দল ঝরে ঝরে পড়ে;
বৃথাই অমৃত বিতরণ--সোনার চামচে।

অগ্নি-নিরীক্ষণে যাবে তুমি, কতটুকু সতী?
ষোলশ গোপিনী সখা কৃষ্ণ চায়
ক্ষিতিজ-কন্যা সম নারী।


আজ জন্মদিনে সুস্থ ও আনন্দে ডুবে থেকো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28865383 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28865383 2008-11-06 08:56:41
নিজ গুণে নিজ গুণে

নিজ গুণে জনসেবা
নিজ গুণে নির্বাচন
নিজ গুণে শক্তির ঐক্য।
নিজ গুণে জাতীয়তাবদী।

নিজ গুণে দলবদল
নিজ গুণে নতুন দল
নিজ গুণে ক্ষমতা হস্তান্তর
নিজ গুণে আজীবন ক্ষমতা ধরে রাখার প্রয়াস।

নিজ গুণে সংলাপ
নিজ গুণে প্রেস ব্রিফিং
নিজ গুণে ক্ষমা করা
নিজ গুণে দলত্যাগী নেতাদের ফিরিয়ে আনা।

নিজ গুণে চাঁদাবাজি
নিজ গুণে সন্ত্রসী
নিজ গুণে ঘুষ নেয়া
নিজ গুণে জামিন লাভ।

নিজ গুণে নির্বাচন
নিজ গুণে ব্যালেট বক্স চুরি
নিজ গুণে নির্বাচনে জয়লাভে
নিজ গুণে বিপক্ষ দলের ভোট চুরির অভিযোগ।

নিজ গুণে কানের চিকিৎসা
নিজ গুণে কানাডা, লন্ডন, আমেরিকা।

নিজ গুণে অপোষহীন নেত্রী।


নিজ গুণে জনপ্রিয়তা ধরে রাখা
নিজ গুণে সৎপ্রার্থী
নিজ গুণে জয়লাভ
নিজ গুণে জনগণের সেবা করা।

জনগণ নিজগুণে ফুলের মালা দিয়ে ক্ষমতার আসনে বরণ করে নেয়া।



বি.দ্র: আমি চিটি
নিজ গুণে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি
নিজ গুণে ক্ষমা করে দিবেন।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28863832 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28863832 2008-11-03 03:28:00
মানুষ তো !! আনমনে হাঁটছি
নেশার কারণে লিখছি
হচ্ছে না গল্প, হচ্ছে না কবিতা
লিখছি, তারপরও লিখছি।
পত্রিকায় পাঠাচ্ছি আর পাঠাচ্ছি
ছাপাচ্ছে, ছাপাচ্ছে না, এরপরও পাঠাচ্ছি
মন ভালো নেই, মন ভালো নেই
সংসার নামক নাট্যমঞ্চে অভিনয় করছি প্রতিনিয়ত।
আত্মীয়-স্বজনদের হাসিমুখে আপ্যায়ন করছি
বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি
হৃদয়ের মানুষটির সাথে
গোপনে আলাপ করছি, দেখা করছি
অভিমান করে সমস্ত কিছু লন্ড-ভন্ড করছি,
আবার অনুরাগে কাছাকাছি বসছি।
বাজার করছি, মজার মজার রান্না করছি
চমৎকার রান্নায় প্রশংসার পঞ্চমুখে, গর্বিত হচ্ছি।
ঘরের মানুষটার সাথে
কখনো জড় পদার্থের মত
পাশে শুয়ে আছি।
কখনো অনিচ্ছাকৃত কাছে যাচ্ছি
কখনোও বা ওপাশ ফিরে থাকছি।
ঘরের সবার মন রাখতে গিয়ে
কখনো নিজের দিকে ফিরে তাকাইনি
মানুষ তো!!
আমিও মানুষ
এসব ক্লান্ত মনে, ক্লান্ত দেহে
মনের অগোচরে
বেলা অনেক হয়ে গেছে
অথচ, কখনো ঘরের মানুষটি
আমাকে দু'দন্ড দাঁড়িয়ে
ভালো-মন্দ জিঙ্গেস করেনি
আবেগে আশ্লেষে হৃদয়ের কাছে টানেনি
আমিও তো মানুষ!!!




বি.দ্র: দেখতে দেখতে সা.ই.ন-এ এক বছর হয়ে গেলো। ........( সা.ই.ন যেন একটি পরিবার, মায়াজালে জড়িয়ে গেছি)। বর্ষপূর্তিতে আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা দিলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28861238 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28861238 2008-10-28 21:29:36
আমি অতটা ভয় পাইনি, যতটা ওরা পেয়েছিল। ভোরের আলোয় সবকিছু পরিস্কার হল না,
জানা-অজানার খেলায় এখনও লুকোচুরি।
কিছুটা শংকিত, বিচলিত হয়ে
পদ যাত্রা একই পথে-
নার্সটা দ্রুতপায়ে এগিয়ে
রুম নং-৫
১টি শিশু, ২জন নারী।
আমি অতটা ভয় পাইনি, যতটা ওরা পেয়েছিল।

অবশেষে স্বীকারোক্তি-
চলে যেতে দেখিনি।
সামনের ঘরে আনাগোনা
আর দেখা মিলেনি; অবশ্যই না।
"তারা" এবার এসে বললো
'তুমি মুক্ত'
দীর্ঘশ্বাস- অজানায়!
স্বস্থির কিনা? জানা হলনা?
আমি অতটা ভয় পাইনি, যতটা ওরা পেয়েছিল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28858063 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28858063 2008-10-22 11:39:34
বিশ্বাসে - অবিশ্বাসে অবিশ্বাস্য পরিস্থিতির মাঝে
অতিবাহিত সময়;
অস্থির হয়ে উঠছে
চার দেয়ালের পরিবেশ।

বিরক্তির লেশ না দেখিয়ে
বাহকের মত বার্তা বিনিময়;
ইথারে ইথারে ভেসে আসছে
ঘরবিমুখ মানুষটির আর্ত্মনাদ।

বারে বারে সমঝোতায় ব্যর্থ
মধ্যস্থতাকারী;
নিরবতাকে শক্তির হাতিয়ার করে
হতাশায় দিন গুনে
মধ্যস্থতাকারী।

অতঃপর মুখোমুখি বসতে সম্মত
হয়ত বিশ্বাসে, হয়ত অবিশ্বাসে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28856362 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28856362 2008-10-18 12:34:36
বিপজ্জনকভাবে মাথার উপর ঝুলছে একজনের জন্মদিন। চুক্তিবদ্ধ দলিল
অবসর ভেঙ্গে দলে ফেরা
মূল্যবান আসবাব
সোনা মোড়ানো খাট
বিপজ্জনকভাবে মাথার উপর ঝুলছে একজনের জন্মদিন।

ঘটনাটা কাকতালীয় কিংবা নাটকীয়
বললেও দোষের কিছু নেই,
ব্যাপক ব্যস্ততা
চারিদিকে কারফিউ,
লোকজন ছুটছে আর ছুটছে
ক্লান্ত দেহে-
আর এগোতে পারা যায় না।
অবশেষে দিগন্ত ছুঁই ছুঁই পথে
পুলিশের লাটি চার্জ
আর মনে করতে পারছিনা।

অন্ধকার ঘরময়
জনশুণ্য
মশার উৎপাত
চিৎকার দিয়ে উঠি-
সাড়া নেই,
শিরদাঁড়ায় প্রচন্ড ব্যাথা।
দাঁড়াতে পারিনা, বসতে পারিনা
বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকি
দু'টো কানের দুল,
বিপজ্জনকভাবে মাথার উপর ঝুলছে একজনের জন্মদিন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28854930 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28854930 2008-10-15 12:11:45
অবিশ্বাস অবিশ্বাস - ১

তুমুল তর্ক-বিতর্ক
অবিশ্বাসের মোলায়েম সুর
ভোগ বিলাসের সন্ধিক্ষণ
মহোদয় জন্মদাতা আমার
কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না।
ভয়ে সংকোচে-
কাল বিড়াল ছানাটি
চুপটি মেরে বসে ঝিমায়,
তাৎক্ষণিক ডোর বেলটা বেজে উঠলে
নিলিপ্ত দৃষ্টিতে
চেয়ে চেয়ে দেখি নিঃশব্দ.......।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28853385 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28853385 2008-10-11 13:30:44
মুঠোফোনের কাব্য দোটানায় পড়তে হয়,
তোমার মুঠোফোনটি
তেমন কিছুটা দ্বন্দ্বে ফেলেছে।

একটা সময় ছিল
ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা,
অপেক্ষায় থাকা
ফোনের ডিসপ্লে চোখ রাখা।

ঋতু পরিবর্তনের মত সবকিছু বদলায়
চাওয়া-পাওয়া
আশা-আকাঙ্খা;
সকাল-সন্ধ্যার-
রঙের সাথে মন বদলালেও,
মুঠোফোনের প্রতি অগাধ বিশ্বাস
হ্য়ত বদলাবে না
হয়ত আমাকেই চাইবে।

ভূমিকা না রেখে কোনদিন কি
দিন-ক্ষণ ঠিক করতে পেরেছি?
ইদানিং মুঠোফোনটা বেজে উঠলে
আমাকে বিষন্ন দেখায়
দ্বিধা-দ্বন্দ্বে তাকিয়ে থাকি।

ভূমিকা পর্বে একটা কথা
সব সময় বলে আসছি
সাথে রেখো মুঠোফোনটি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28852576 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28852576 2008-10-09 10:00:58
দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঘরে বাইরে দ্বি-মুখী নীতি
সংকটাপন্ন মাসিক পত্রিকা
চলমান প্রকাশিত লেখাসমূহের
তুমুল সমালোচনার ঝড় উঠেছে
চায়ের কাপে।

অভিবাসীদের জন্য প্রণীত আইনের
বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
নতুন ঐতিহ্য
সংস্কৃতি
ব্যাপক বির্তক।

পশ্চিমা সংস্কৃতির গড্ডালিকা
প্রবাহে গা ভাসিয়ে চলছে
নাড়ি ছেঁড়া ধন
মূলধারার সংস্কৃতি থেকে
দূরে সরে যাচ্ছে
......................
আর ভাবতে পারছিনা।

বাংলা টাউন
বির্তক
দলাদলি
তৈল মর্দন
বির্তকের বলি শিক্ষিত সমাজ।

অড জব, বাতের ব্যাথা
পিঠে ব্যাথা, জরাজীর্ণ-
ঘুম ঘুম চোখে কফিতে চুমুক।
সোনার হরিণ
অবশেষে ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
হতাশা, পরকিয়া, বিচ্ছেদ
শেকড়ের সন্ধানে মনটা উদাস।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28851000 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28851000 2008-10-04 23:47:09
ছুঁয়ো না!! কথা জমিয়ে রেখেছি
ইচ্ছে হলে হজম করতে পারো।
গহীন রাতে উদাস করা মনে
তোমায় লিখেছি নীল খামে
ইচ্ছে হলে দৃষ্টি ফেলতে পারো।
স্বপ্নের ঘোর কেটে জেগে উঠে
কল্পনায় এঁকেছি তোমায়
তুলির আচঁড়ে;
ইচ্ছে হলে দেখতে পারো।
তবে, ছুঁয়ো না
চোখ ফেটে রক্তের
নদী হতে পারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28848764 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28848764 2008-09-28 01:52:38
কবিতার প্রহর সন্ধ্যা নামে,
আমি তোমায় খুঁজি
নীলিমায় বাদামী আকাশে
দিগন্তরেখা দেখাবো বলে।

আমি দিবসের তৃতীয়ভাগে
তোমায় খুঁজি নিষ্ঠুরভাবে;
জোছনা রাতে চাঁদের আলোয়
নিজেকে হারাবো বলে।

মিথ্যে কথা কবিতায় বলা চলে না
সহজ ভাষায় বলি,
চতুর্থ প্রহরে তোমায় চাই
তৃষ্ণায়। আত্মতৃপ্তিতে ভেজাব বলে।

অথচ প্রথম প্রহরে
তোমায় দেখি,
সকালের সোনালী রোদে
ঠিক এক ফোঁটা শিশির
বিন্দুর মত নির্মল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28844696 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28844696 2008-09-18 09:13:15
বিপরীত মুখী - দ্বিতীয় পর্ব সময়ে হাত ধরা
সময়ে ভালোবাসা।

সময়ে ফয়েজ লেক
সময়ে বাটালী পাহাড়
সময়ে পতেঙ্গার
ঢেউ গোনা।

সময়ে ওয়ার সেমেট্রি
সময়ে কফি-ইন
সময়ে মেডিকেলের গেইটে
তোমার জন্য প্রতীক্ষার
প্রহর গোনা।

সময়ে আকাশ ছোঁব বলে
তোমার সাথে প্রতিশ্রুত হওয়া।

সময়ে বাগান বিলাসের মত
নিথর দাড়িঁয়ে-
শুধু তোমার বদলে যাওয়া দেখা।




বিপরীত মুখী-১
Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28842884 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28842884 2008-09-14 06:27:03
বিক্ষিপ্ত ভাবনা বিক্ষিপ্ত ভাবনার অন্তরালে
আলো-আধাঁরের মায়াজালে;
নিজেকে জড়িয়ে রেখেছি
এক অদৃশ্য ছায়ার সাথে।

দুই.
হৃদয়ের সাথে ঢেউ খেলে যায়
শুন্য একাকিত্বের
চোখে মুখে শর্ষে ফুলের আবেশে
তাকিয়ে বেভুল দৃষ্টি
ফিরে শুন্য দিগন্তে।
হালকা স্পর্শে ভাঙ্গে নেশা
নিলর্জ্জ চোখের দৃষ্টি থেমে যায়
দিগন্তের সমান্তরালে.........।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28841478 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28841478 2008-09-11 08:04:33
অবয়ব

আত্মদন্ডে নিজেকে
দন্ডিত করতে,
নিজের বিরুদ্ধে একবার
দাঁড়িয়ে মুখোমুখি হতে চায়-
নিজেকে ক্ষমা করতে পারি না।
একাকিত্বের অনুভূতিতে অনুভব করে
দুঃখ মেশানো শ্বাসে
যেনো এক অবয়ব ভেসে উঠে;
কার অবয়ব? কে সে?

এলোমেলো ভাবনাগুলোকে
দূরে ঠেলে আবার কবিতা
পাঠে মনোনিবেশ করি,
ইচ্ছে অনিচ্ছের খেলার মত
দূরে, ঐ দূরে সোডিয়াম
লাইটের আলোতে নিজেকে
অন্যমানুষ ভাবতে থাকি
ভাবনাগুলোর ফাঁকে হানা দেয়
চিরচেনা সুর!
এ কে? কার অবয়ব?



ছবি সূত্র: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28838621 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28838621 2008-09-04 12:00:59
গোল্ডেন গেইট পার্ক এবং ফ্লাওয়ার কনজারভেটরি ( সান ফ্রন্সিসকো বেড়ানো শেষ পর্ব)


শুরুতে সারি সারি গাছ দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না। অনেক গাছ বেশ পরিচিত মনে হলো। হাটঁতে হাটঁতে মিউজিয়ামের সামনে গেলাম, সেখানে ছোট একটা জায়গায় পানিতে শাফলা ভাসছে............মনে হলো অনেক দিনপর শাপলা দেখালাম.......যদিও অনেক রোগা দেখতে।



মনে করলাম মিউজিয়ামের ভিতরে যাব আবার ভাবলাম, না থাক ওখানে ঢুকলে অনেক সময় নষ্ট হয়ে যাবে। গেলাম না। আবার হাটাঁ ধরলাম । মামা বললেন সামনে একটা লেক আছে সেখানে যাব। আমারা হাটঁতে হাটঁতে চলে এলাম কনজারভেটরি অফ ফ্লাওয়ার এ। সামনের ফুলের বাগান টা দেখার মত। বেশ কয়েকটা ছবি তুললাম ওখানে।



কনজারভেটরি অফ ফ্লাওয়ার মিউজিয়াম


মিউজিয়ামের সামনে

এর পর তিনজনে টিকেট করে ভিতরে গেলাম। এত ধরনের গাছ পালা এরা সংরক্ষণ করেছে অবাক লাগালো!! নানা প্রজাতির ফুলের গাছ। এমন অনেক ফুল আছে আমার কোন দিন দেখা হয়নি। আবার এমন ও ফুলের গাছ আমাদের দেশের সচরাচর আমরা লাগায়না, তাও শোভা পাচ্ছে সেখানে।











কলাগুলো বেগুনি, এই প্রথম দেখলাম।

ভিতরে এক ধরণের গরম। প্রতিটা রুমে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা। কোন কোন রুমে একটু ঠান্ডা আবার কোন কোন রুমে ভ্যাপসা গরম। প্রতিদিন অনেক অনেক পর্যটকরা আসছে.........ছবি তুলছে।






হঠাৎ চোখে পড়লো জোড়া নারিকেল। দেরি না করে ছবিটি তোলা হলো।


জোড়া নারিকেলের ছবি


পাশের রুমে ছিলো প্রজাপতির একটা রুম। ঢুকে কিছুটা অবাকই হলাম। এত প্রজাতির প্রজাপতি কোথা থেকে পেলো। নানা রংয়ের, নানা জাতির প্রজাপতি। একটা হাতে বসালাম অনেক কষ্টে.........।









ওখানে কিছু বাচ্চা ছিলো ওরা বেশ মজা পাচ্ছিলো। তবে বেশিক্ষণ থাকতে পারলাম না, গরম আর একধরণের বাতাস ছাড়ছে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসতে হলো।


মামার হাতে আইফোন ছিলো বিধায় অনেক বেচেঁ গেছি, নাহয় এই পার্কে সারাদিন হাটঁতে হতো। আইফোন থেকে ম্যাপ বের করে যাবো লেক এ। একি মুশকিল রাস্তা তো আর শেষ হয়না। জাপানিজ টি-গার্ডেন পার হয়ে প্রায় ২০ মিনিট হেটেঁ খুজেঁ পেলাম লেক ততক্ষণে তিনজনে বেশ কাহিল হয়ে গেছি।


জাপানিজ টি-গার্ডেন

লেকের পাড়ের ঠান্ডা হিমেল বাতাসে তিন ঘন্টা ধরে হাঁটার রেশ কিছুটা হলেও কমলো।


এই সেই যারে খুঁজে খুঁজে হয়রান


লেকের সাথে ঝর্না
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28837693 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28837693 2008-09-02 06:05:16
ঘুরে এলাম সান ফ্রান্সিসকো শহর ও গোল্ডেন গেইট..........
গোল্ডেন গেইট ব্রীজ

সান ফ্রান্সিসকো খুব ঘন বসতি ও পর্যটকের শহর। শহরের তিন দিকে সমু্দ্র থাকায় আবহাওয়া বেশ চমৎকার। গরম তেমন একটা পড়েনা, আবার শীত কালেও তেমন একটা শীত পড়েনা। গ্রীষ্মকালে সপ্তাহ দশদিন যা একটু তাপমাত্রা থাকে। ফ্যানেরও দরকার পড়ে না। আমরা গরমের জায়গা থেকে গিয়ে ঠান্ডাই লাগছিলো। চমৎকার আবহাওয়া ও পর্যটক এলাকার জন্য বাসা ভাড়া ও খাওয়া-দাওয়ার খরচ অনেক বেশী। পুরাতন শহর হিসাবে রাস্তাঘাট অনেক সরু। যাতায়াতের জন্য লোকজন গাড়ির চাইতে সাবওয়ে, ট্রেন, ইলেকট্রিক ট্রেন, ক্যবেল কার, বাস ইত্যাদিতে চলতে বেশি পছন্দ করে। বেশির ভাগ সময় দিনে কুশায়া থাকে, সূর্যের মুখ দেখা যায় কম। সেদিন মঙ্গলবার সকালটা ছিলো অন্যরকম। সূর্যের আলোতে সব দিকে ছিলো জ্বলমল। বলতে গেলে পরিবেশটা অনুকূলে ছিলো। আকাশটা বেশ পরিষ্কার ছিলো।

সমুদ্র থেকে তোলা শহরের ছবি

মামা, ও এবং আমি তিন জনে ট্রেনে করে "কেবল কার" স্টেশন এ আসি। "কেবল কার" নতুন একটা জিনিস দেখে বেশ বিস্মিত হয়েছিলাম। ইন্জিন আবিষ্কারের আগে তৈরি হয়েছিলো ১৮৩১ -১৮৩৪ এর দিকে। অনেক গুলো ছবি তুলেছি।
কেবল
কেবল কার

কোন ইন্জিন ছাড়া , শুধু মাত্র তারের সাহায্যে চলছে। মাটির নীচে কেবল বসানো আছে, কেবল গাড়ি টেনে নিয়ে চলছে। আবার একই রোড়ে অন্যান্য গাড়িও চলছে। ব্রেক করার জন্য আছে একটা হেন্ডেল। ট্রেনের মত দুইটা লাইন। এই বাসে চড়ার জন্য বিশাল লাইন। প্রায় ৩০মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। গাড়িগুলো টুরিস্টরা বেশি ব্যবহার করে। একমুখী চলতে পারে তাই অন্য মুখী করতে হলে শক্তি দিয়ে ঠেলে সোজা করতে হয়।



দেখলাম তিনজনে পিঠ লাগিয়ে ঠেলছে................... এ নিয়ে যারা জানতে ইচ্ছুক উইকি দেখতে পারেন Click This Link)

কেবল কার থেকে নেমে পৌছঁলাম Fisherman's Wharf এ। খুব জনপ্রিয় টুরিস্ট এলাকা। বিশেষ করে সি-ফুডের রেস্টুরেন্টের জন্য বিখ্যাত।

সব জায়গায় সিফুডের ছবি ও কাঁকড়ার ছবি সাইন বোর্ডে শোভা পাচ্ছে।
এছাড়া বেশ কয়েকটা মিউজিয়াম ও দেখার আছে, আবার ঘোড়ার গাড়ি ও আকর্ষনের মাত্রাকে বাড়িয়েছে ভিন্নভাবে।



ওখানে আসার প্রধান উদ্দেশ্য হল আলকাতরাজ এ যাবো। আলকাতরাজ ছিল পৃথিবীর ভয়ংকর একটা "জেলখানা" যা মিলিটারির অধিনে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত ছিলো। এর পর থেকে মিউজিয়াম হিসাবে আছে। পুরাটা পাথরের তৈরি একটি দ্বীপ।


বিশ্বের ক্রিমিনালদের এখানে রাখা হত, পালিয়ে যাওয়ার কোন পথ নাই। এত বড় সমুদ্র পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়, এ ছাড়া পুরা দ্বীপ ছিলো বৈদ্যুতিক তারে ঘেরা। আর সমুদ্রের পানিও অনেক ঠান্ডা.............


আলকাতরাজ এর ছবি

প্রতিদিন হাজার হাজার লোকজন এ মিউজিয়াম দেখতে আসে। আমরা তিন জনে টিকেট কাউন্টারে গেলাম, " বললো টিকেট সব বিক্রি হয়ে গেছে আগামি ২ দিন পর্যন্ত কোন টিকেট নাই। আমরা একটা ভুল করেছি অনলাইন এ টিকেট বুকিং দিই নাই। বেশির ভাগই অনলাইনে টিকেট বুকিং দিয়ে ফেলেছে। মাথায় হাত। মনটা খারপ হয়ে গেলো।

হাটঁতে হাঁটতে আবার চলে আসলাম, Fisherman's Wharf এর দিকে এখানে এসে দেখলাম। এখানে এসে দেখলাম "এডভ্যান্স টুর গোলডেন গেইট" এক ঘন্টার ভ্রমণ। আর দেরি না করে কাউন্টারে গেলাম। মাত্র ১ মিনিট বাকি ছিলো শিপ ছেড়ে........দিব তাড়াতাড়ি টিকেট করে তিনজনে দৌড়............।
শিপেএকঘন্টা ঘুরে ...।...।আলকাতরাজ হয়ে গোল্ডেন গেইট ব্রিজ হয়ে ফিরে আসবে। বেশ মজাই তো দুধের স্বাধ ঘুলে মেটান।


সমুদ্রের মাঝে আলকাতরাজ


পর্যটকরা শিপ থেকে আলকাতরাজ এ নামছে


আলকাতরাজ এ যাওয়া না হলেও পাশে হয়ে ঘুরে আসার আনন্দই আলাদা। সবচেয়ে ভালো লাগলো গোল্ডেন ব্রিজের নীচে যখন গেলাম। অনেক ছবি তুললাম বটে কিন্ত গোল্ডেন গেইটের পুরা ছবি তুলতে পারলাম না। কাছ থেকে দূর থেকে তুললাম, তাও হলো না। কি আর করার!!!





এলব্যাটরোস ছিলো সাথে গোল্ডেন গেইট পর্যন্ত.....


সী-লায়নের কিচির মিচির শব্দ বেশ মজাই লাগছিলো


পানির মাঝে রেস্টুরেন্ট ( নিয়ে যওয়ার জন্য আছে সাটল বোট)

এক ঘন্টা পর আবার চলে আসলাম Fisherman's Wharf এ।


দেখলাম পাইরেটরা দাড়িঁয়ে আছে,


চকলেটের হোলসেলের দোকান......।

এর পর গেলাম একটা মিউজিয়ামে। সেটা আরেক মজার জিনিস। দেখলাম বিশ্বের অনেক ছোট ছোট মেশিন এখানে শোভা পাচ্ছে। পেনি বানানোর মেশিন.............৫১ সেন্ট দিলাম.........১সেন্ট বানিয়ে দিলো। বেশতো ১সেন্ট বানানোর জন্য ৫০ সেন্ট মজুরী........


বানানো ১সেন্ট


এই সেই পেনি বানানোর ইন্জিন

এছাড়া প্রথম ইশ্টিম ইন্জিনের একটা হোন্ডা শোভা পাচ্ছে..........কাঁচ দিয়ে ঘেরা...........চড়া হলো না।


ইশ্টিম ইন্জিনের হোন্ডা( একটা মাত্র তৈরি হয়েছিলো, যা রাস্তায় চলছিলো)

মিউজিয়াম থেকে বের হয়ে কিছুটা হেঁটে কেবল কার ষ্টেশনে আসতে বেশ কষ্টই হলো .............হাঁটতে হাটঁতে পায়ে ফোস্‌কা পড়ে
গেছে...........


সারাদিনের আনন্দ আর ক্লান্তি নিয়ে টুরিষ্টদের ভিড়ে আবার কেবল কারের লাইনে দাঁড়িয়ে গেলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28836926 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28836926 2008-08-31 09:01:32
বিপরীত মুখী সময়ে কানামাছি;
সময়ে ডাংগুলির
প্রেমে নিমগ্ন থাকা।

সময়ে সরিষা ক্ষেত মাড়িয়ে
তোমার কাছে আসা,
সময়ে একটু ভালোবাসার
চোখে চোখ রাখা।

সময়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার ঠেলে
তোমার কাছে প্রাণপনে ছুটে আসা।
সময়ে বৃষ্টিতে ভিজে তোমার কাছে
কাঁদা পায়ে আসা।
তুমি আমার দেখে ভীষন
অবাক হতে-
সময়ে তোমার অবাক হতে দেখে
নিজেকে ভাবনায় ঠেলে দেয়া।

সময়ে বড় ভাইয়ের তাড়া খেয়ে
বাশঁঝাড়ে লুকিয়ে থাকা,
শুধু একটু স্পর্শ পাবার আশায়।

সময়ে চাঁদের জোছনায় নিজেকে
তোমার খুব কাছাকাছি দেখা;
সময়ে তোমার একটু দেখার আশায়
তিন ক্রোশ পায়ে হেঁটে এসে
তোমার প্রতীক্ষার প্রহর গুনা।

সময়ে তোমার চলে যাওয়া দেখে
শুধু নিরবে চোখের জল ফেলা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28833857 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28833857 2008-08-23 09:36:34
স্বাধীনতার কবি- শামসুর রাহমান।
লেখা থেকে নিজেকে কখনো বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। মৃত্যুর আগে খুব বেশি অসুস্থ হলে পরিবারের সদস্যরা বিশ্রাম নিতে বললে- তিনি বলতেন-" কাগজ কলম নিয়ে বসাইতো আমার সবচেয়ে বড় বিশ্রাম।" তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই।কিন্তু তিনি দিয়ে গেছেন দেশকে , জাতিকে ও সমাজকে অনেক কিছু। তাই তো শেষ বারের মত হাসপাতালে শুয়ে তিনি শেষ কথা লিখেন,
"আমাকে ক্ষমা করে দিও"
যেদিন মরবো আমি, সে দিন কী বার হবে, বলা মুশকিল।
শুক্রবার? বুধবার? শনিবার? নাকি রবিরার?
যে বারই হোক,
সেদিন বর্ষায় যেন না ভেজে শহর, যেন ঘিনেঘিনে কাঁদা
না জমে গলির মোড়ে। সে দিন ভাসলে পথ-ঘাট,
পূর্ণবান শবানুগামীরা বড়ো বিরক্ত হবেন।
( শামসুর রহমান 'বিবেচনা' নিজ বাসভূমে)


১৭ আগষ্ট, ২০০৬ কবি শামসুর রাহমান মৃত্যু বরণ করেন। কবি মৃত্যুর পাচঁদিন পর ঢাকায় কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও নাগরিক শোক সভায় আয়োজন করে। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশের শিল্পি, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজিবী, শিক্ষাবিদ, নারীনেত্রী, সংস্কৃতকর্মী, সাংবাদিকসহ সব শ্রেনীর মানুষ প্রয়াত কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্বা জানালেন। অনুষ্ঠানে কবির বন্ধু কবি-সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক 'শামসুর রাহমান' কে স্বাধীনতার কবি বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি, নজরুল জাতীয় কবি, জীবনান্দদাস রূপসী কবি, শামসুর রাহমানের পরিচয় হোক "স্বাধীনতার কবি"। আমরা দেখতে পাই যখনই রাজনৈতিক টানাপোড়েন, মানুষের নিত্যদিনের সংগ্রামে তিনি কলম তুলে নিয়েছেন। উনসত্তরে গণআন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর লেখা কবিতা "আসাদের শার্ট"
গুচ্ছ গুচ্ছ রক্তকরবীর মতো কিংবা সূর্যাস্তের
জ্বলন্ত মেঘের মতো আসাদের শার্ট
উড়ছে হাওয়ায় নীলিমায় ।

বোন তার ভায়ের অম্লান শার্টে দিয়েছে লাগিয়ে
নক্ষত্রের মতো কিছু বোতাম কখনো
হৃদয়ের সোনালী তন্তুর সূক্ষতায়
বর্ষীয়সী জননী সে-শার্ট
উঠোনের রৌদ্রে দিয়েছেন মেলে কতদিন স্নেহের বিন্যাসে ।

ডালীম গাছের মৃদু ছায়া আর রোদ্দুর- শেভিত
মায়ের উঠোন ছেড়ে এখন সে-শার্ট
শহরের প্রধান সড়কে
কারখানার চিমনি-চূড়োয়
গমগমে এভেন্যুর আনাচে কানাচে
উড়ছে, উড়ছে অবিরাম
আমাদের হৃদয়ের রৌদ্র-ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠে,
চৈতন্যের প্রতিটি মোর্চায় ।

আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখন্ড বস্ত্র মানবিক ;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা ।

সাধারণ মানুষের মুখে, সাধারণ পাঠকের কাছে উঠে আসে।

এসময় পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ৬৬টি, অন্যান্য রচনার মধ্যে উপন্যাস ৪টি, প্রবন্ধগ্রন্থ ১টি, ছড়ার বই ৮টি, অনুবাদ ৬টি।
মরেও অমর হয়ে রইলেন এই অধুনাধারায় কবি। যতদিন বাংলা ভাষা, বাংলাদেশ থাকবে ততদিন কবি থাকবে বাংলা ভাষা জুড়ে। তঁর মৃত্যু দিবসে কবিকে জানাই শ্রদ্ধা ও ভালোবাস। আপনার রুহের মাগফেরাত কামনা করি।

-(সংক্ষেপিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28831711 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28831711 2008-08-17 03:47:58
এই আমি কিছুটা বিচলিত আর ঈষৎ বিব্রত হয়ে উঠেছিলাম।
আমার কম্পমান হাতে হাত রেখে
প্রশ্ন করেছিলে; কোথায় যাবে?
কোনদিকে? আর কদ্দুর?
বললাম এই তো-
সামনের মোড়টা যদি পার হতে পারি, তবেই
ধীরে সুস্থে পৌঁছে যাবো গন্তব্যে আমার।
তোমার হাতে নিজেকে সমর্পণ করে
কিয়দ্দুর হেঁটে যেতে-
যেতে ভাবি যেন
রোদে পোড়া, বৃষ্টিতে ভেজে, মেঘনাকাতর এই আমি
কি জানি কোথায় যাচ্ছি!!


ছবি সুত্র:
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28830716 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28830716 2008-08-14 07:58:25
চাঁদের হাসির বাধঁ ভেঙ্গেছে......।
শিমুলকে গাড়ীতে বসিয়ে রেখে মনির মিলাকে খুঁজতে এলো। অন্ধাকার টার্মিনাল, কে কাকে খুঁজে পায়? দোকান থেকে বের হয়ে মিলা একটা বাসের কাছে এসে দাঁড়ালো। ততক্ষনে বিদ্যুত চলে এসেছে। হঠাৎ চোখ পড়লো, বিমর্ষ চেহেরায় মনির দাঁড়িয়ে আছে।
-তোমরা এতক্ষণ দেরি করলা কেনো? আমার কথা কি একটু ভেবেছো?
-প্লিজ দোস্ত রাগ করো না। চাঁদগাঁও আবাসিক থেকে বের হয়েছি এক ঘন্টা -হলো। বহদ্দার হাটে বিশাল জ্যাম। তোমার বাসা টার্মিনালের পিছনে দেখে তোমাকে এখানে থাকতে বলেছিলাম। প্লিজ তোমার সব কথা পরে শুনবো, আগে গাড়ীতে চল। শিমুল একা বসে আছে। অনেক দেরি হয়ে গেলো।

মিলা নিজেকে সংযত করে বিনাবাক্যে গাড়ীতে চেপে বসল। গাড়ি ইপিজেড এর মোড় পার হয়ে পুরাতন বিমান বন্দরের রোড় ধরে এগোচ্ছে।
সন্ধ্যা নেমে আসছে প্রায়। চারিদিকে কিছুটা অন্ধকারের ছোঁয়া পাওয়া যাচ্ছে। মিলার মনের ভিতর কেমন জানি একটা আনন্দের বাতাস ঢেউ খেলে যাচ্ছে। আজ চাদঁটা সত্যি অনেক বড় দেখাবে? কি রকম হবে দেখতে? ১৩৩ বছর পর উজ্জ্বল চাঁদ আমাদের দেখার সৌভাগ্যা হলো। নিজেকে আর ধরে রাখা যায়না। আনন্দে তিনজনের চোখ মুখ লালচে হয়ে আসছে। সত্যি সৌভাগ্য বলতে হয় আমাদের। বড় ও উজ্জ্বলতম চাঁদ দেখার আনন্দ আর সইছে না। মনে হলো চাঁদের উৎসব হবে। জোছনার উৎসব হবে।

চট্রগ্রাম সিমেন্টের মোড়টা পার হতেই ড্রাইভার জোরে গাড়ি ব্রেক করলো, গাড়ি থেমে গেলো। ধাক্কায় তিনজনে জটলা পাকিয়ে গেলো। তিনজনের মাঝে একমাত্র ছেলে হলো মনির। মোটেও সাহসী না। শিমুল একটু সাহসী বটে। চট করে গাড়ী থেকে নেমে পড়লো।
-কি হলো ড্রাইভার ? কোন সমস্যা গাড়ী থামলো কেন?
-বুঝলাম না। দেখি কি হলো।?
- আপনি গাড়ী বের করার আগে চেক করে দেখবেন না। ( গাড়িটা অবশ্য শিমুলের বাবার)

মিলার মনের ভিতরে কেমন তোলপাড় শুরু হলো। তিন জনের কপালে হাত। আজ বুঝি আর চাঁদ দেখার ভাগ্য নাই।
-ড্রাইভার সবকিছু দেখে বললো, গাড়ি ওভার হিট আর চালানো যাবে না, গেরেজে নিতে হবে।
অগত্যা কি আর করা ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া। এত কষ্ট করে বাস টার্মিনাল, আগ্রাবাদের জ্যাম ঠেলে কাছেই এসেই ভাগ্যটা পিছনে চলে গেলো। আর ক'য়েক মাইল গেলে তো পৌঁছে যেতো গন্তব্যে। চাঁদ দেখার আনন্দ মনে হয় মাটি হতে চল্‌ল। কিছুক্ষণ পরেই টেক্সি পেয়ে গেলো। এ দিকে টেক্সি পেতে অবশ্য অনেকটা বেগ পেতে হয়। কথায় আছে শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। তিনজনের দাঁতের ফাকে সুখের হাসি দেখা দিলো।

চারিদিকে অন্ধকার নামার আগেই তিন জন কর্ণফুলি নদীর নেভাল একাডেমির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছালো। আজ অনেক লোকের সমাগম। লোকজন তেমন চেঁচামেচি করছে না। সবাই যার যার আসনে অধীর আগ্রহে বসে আছে। বাদাম ওয়ালাদের তেমন হাক ডাক নেই। নদীর পানিও অনেক শান্ত, কলকল চলার শব্দ নেই। মনে হচ্ছে সবার সাথে একাত্ব ঘোষনা করছে। ঐ দূরে কাফকো ও চট্রগ্রাম সার কারখানার পিদিম আলো একটু পর পর জ্বলে উঠছে। পতেঙ্গা বন্দরে ভিড়তে আসা জাহাজগুলো ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে। পশ্চিমে শাহ্‌ আমানত বিমান বন্দরের বিমান রানওয়ের শব্দ কানে আসছে।

এসব কোলাহলকে উপেক্ষা করে পূর্ব আকাশে আস্তে আস্তে ফর্সা হয়ে সবচেয়ে বড় চাদঁটি উঁকি মেরে উঠলো। শিমুল চিৎকার দিয়ে উঠলো, 'ঐ তো চাঁদ'। শিমুলের মত আরো অনেকে আনন্দ প্রকাশ করলে ও সবাই আবার চুপ। মিলা ঠিক বুঝতে পারলো না কেন? চাঁদ ধীরে ধীরে বড় আকারে দেখা যাচ্ছে। প্রথম দেখা চাদঁটি যখন উঁকি দেয় ঠিক লালচে!!! পরে আস্তে আস্তে সাদা হতে থাকে। মিলার কাছে ব্যাপারটা খুব অবাক লাগলো। পৃথিবীর সৌন্দর্য্য যখন থেকে উপলব্ধি করা শিখেছে, চাঁদের জোছনায় নিজেকে হারিয়েছে বহুবার। কিন্তু আজকের মত এত বিশাল চাঁদ, এত জোছনাময় চাঁদ কখনো তো দেখেনি। সেটা কল্পনায়ও আসার কথা না। চাঁদের জোছনায় নিজেকে অন্যমানুষ ভাবতে ভালো লাগছে মিলার।



শিমুল আর মনির কি বিষয় নিয়ে বেশ মনোযোগ সহকারে কথা বলছে। মিলা ঠিক আমল করতে পারলো না। মিলা চাঁদের মাঝে মনে হয় ভালোবাসা ও ভাললাগার স্পর্শ খুঁজে পেলো। মিলা ওদের কাছে থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে একটু দূরে পাথরে বসে চাঁদের জোছনা অনুভব করতে লাগলো। বাদামওয়ালা এসে বারবার বিরক্ত করে যাচ্ছে এসব খেয়াল কারার অবকাশ কোথায়? নিজেকে হারিয়ে ফেলেছে..............। কে বেশি প্রিয় চাঁদের জোছনা না প্রিয় মানুষের হাসি? এসব ভাবনায় মিলা তলিয়ে যেতে লাগলো। মনের অগোচরে আপনা আপনি গেয়ে উঠলো....
চাঁদের হাসির বাধঁ ভেঙ্গেছে
উছলে পড়ে আলো
ওরজনী গন্ধা তোমার গন্ধ সুধা ঢালো
চাঁদের হাসির বাধঁ ভেঙ্গেছে।

Click This Link



ছবি কৃতজ্ঞতা :
Click This Link
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28829218 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28829218 2008-08-10 01:40:28
একটি অনু কবিতা সংযোজনে সংবেদনে সরে যাই;
বারে বারে আপ্লুত মোহে
তোমায় দেখি অতি নিকটে
দুইটি বিপরীত মেরুর সন্নিকটে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28827842 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28827842 2008-08-06 01:55:08
বলি- যেতে দেবো না। ( "সুসানকে" এবং ব্লগের সকল বন্ধু-বান্ধবীদের উৎসর্গ করা হলো) আমরা একত্রিত ছিলাম, এছাড়া
আর কিছু স্মরণ নেই।

আমি শুধু তোকে স্মরণে রেখেছি;
তুই আমাকে আবেগে-আশ্লষে
নিপীড়িতা করেছিলি-

কিন্তু আবার পরিভ্রমণ করি, মিলিত হয়
এবং বিচ্ছন্নও হয়।
আবার, তোকে জড়িয়ে ধরে বলি-
যেতে দেবো না।

আমি তোকে দেখি অতি নিকটে
নিরব তোর- ওষ্ঠ
বেদনা আহত, খানিক কম্পমান
বলি- যেতে দেবো না।



[]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28827163 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28827163 2008-08-04 04:15:17
রংধনুর বিষন্নতা........ হ্য়ত জানতে চাই না
কিংবা খুঁজি না - তাই জানিনা।

রংধনু- শুনলেই মনে হয়
বে নী আ স হ ক লা
তবে আমি যে রংধনু'র
কথা বলছি; তা নিছক
এক শাড়ীর আত্মকথা।

সাত রং নেই নাম রংধনু শাড়ী
অতঃপর অন্তহীন যাত্রা;
বর্ণালী কথা, কখনো কানে
আসতেই হেমন্তের শীত শীত ভাব।

স্পর্শ ছোঁয়ায় চোখ বুঝলাম
আর মনে নেই;
সেই শাড়ী এখনও
আমায় কাদাঁয়....
গীতি বিচিত্রার মত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28826722 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28826722 2008-08-03 00:27:53
ঘুরে এলাম "সান পেডরু হারবার ও মেরিটাইম মিউজিয়াম "
সকাল

সকাল থেকে মনস্থির করলাম "সান পেডরু সী-বিচে" যাব। বীচ আমাকে সব সময় টানে, বীচ দেখার আনন্দ আমার মনে হয় কোন দিন শেষ হবে না। মনে করলাম দুপুরের খাওয়াটা একটু আগে খেয়ে বের হব, যাতে সময় পাওয়া যাবে। এখন গ্রীষ্মকাল দিন বড়, বাইরে গেলে অনেক্ষণ বেড়ানো যায়। খাওয়া প্রায় শেষের দিকে হঠাৎ ঘরটা নড়ে উঠলো। মাঝে মাঝে জোরে কেউ হাটঁলে নড়ে উঠে। এ দেশে প্রায় ঘর-বাড়ি কাঠের তৈরি। প্রথমে আমি তাই ভাবলাম। এর পর দেখি জোরে নড়ে উঠলো, দুলতে লাগলাম। ও বললো ভুমিকম্প হচ্ছে, বাইরে চলো........। আইঁটা হাতে বাইরে দৌড় দিলাম। নীচে যাওয়ার পরও একটা ঝাঁকুনি দিয়েছিলো। আবার ঘরে এসে খাওয়া শেষ করলাম। টিভিতে নিউজে দেখতে বসলাম। কোথাও কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। ৫.৬ রিখটার স্কেলে ছিলো। ( এ রকম অবস্থা হলে কিংবা ক্ষয়-ক্ষতি হলে অনেক সময় রাস্তা ঘাট বন্ধ করে দেয়। রাস্তা ঘাটে যাতে আটকা না পরি তাই জেনে নেয়াও দরকার)।

............
বাসা থেকে ৪৮ মিনিটের রাস্তা। আমরা ১.২০ এর দিকে পৌঁছালাম সান পেডরু বীচ ও পোর্টে.........। পানি এতটা নীল কল্পনাও করিনি। অনেকে গোসল করছে, কেউ আবার মাছ ধরছে............। ও গিয়ে মাছ ধরা দেখলো অনেক্ষণ। ঠান্ডা হাওয়ার মনটা ভরে গেলো। সে ফাঁকে আমি কিছু ছবি তুলে নিলাম।
সান পেডরু বীচের ছবি


হারবর ব্রজের নীচে চায়না শীপ আসিতেছে।


চায়না শীপ


সান পেডরু বীচ


মেরিটাইম মিউজিয়ামের বাইরে........


শীপের ইন্জিনের পাখা


শীপের ঘন্টা

মেরিটাইম মিউজিয়াম হলো নৌবাহিনীদের একটা মিউজিয়াম। এখানে ১০০ বছর আগের জলপথে ব্যবহ্নত জিনিস দেখতে পেলাম। সব দেশের বিখ্যাত জাহাজ এর মডেল বেশ চমৎকৃতভাবে সুরক্ষিত আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় জাহাজের মডেল হলো "মেরি কুইন" যা ১৯৩৬ সালে তৈরি করা হয়েছিলো। বর্তমানে যুক্তরষ্টের লস এন্জেলেস শহরের লংগ বীচে সু-রক্ষিত অবস্থায় আছে।

মিউজিয়ামের ভিতরে:


মেরি কুইন। ১৯৩৬



১৯২৪ সালে তৈরি নৌকা



ডুবুরীর পোষাক



ময়ূরপন্খী নৌকা

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28825874 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28825874 2008-07-31 10:39:39
অনুধ্যান পথ পেরিয়ে
ক্লান্ত দেহে
স্থির দৃষ্টিতে
চেয়ে দেখার
ফুরসত কোথায়!

কোথাও জানি একটা
ভাটা পড়ে গেছে;
ছোট একটা সংশয়
একটা দীর্ঘশ্বাস,
মনের অগোচরে
ভেসে বেড়ায়।

কখনো এ ভাবনা থেকে
মুক্ত হয়ে ফিরে দেখার
অবসর হয়নি,
কখনো এ মায়াজাল
ছিন্ন করার---
দুঃসাহস হয়নি।

হয়তো, কালের বিবর্তনে
নিজেকে মায়াজালে
এতটা নিবিড়ভাবে
সম্পৃক্ত করেছি।
হয়তো, ভুলে থাকতে চেয়েছি;
ভুলে থেকে যদি
অতীতটা মুছে যেতো
তবেই নিশ্চিত হতে পারতাম।

এসব ভাবনাকে উপেক্ষা
করে ছোট একটা
দীর্ঘশ্বাস বড় কষ্ট বাড়ায়,
ফিরে যেতে চায়
স্বর্ণালী দিনগুলিতে
যেখানে ছিলো সুখের বসবাস।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28824812 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28824812 2008-07-28 02:24:06
চিরঞ্জীব মৃত্যুর.... ঘন ঘন কালো মেঘ,
আহা! সাদা মেঘ কবে ছিল
স্মরণে নেই।

ষোড়শে পা পড়ায়...।
তবে, হারালাম সাদা মেঘ।
অতঃপর - করুনায়, ছলনায় বশবর্তী হয়ে
যন্ত্রনায় হাহাকরে,
বিষাদে বিষাদে যোগ হয়
সাদা মেঘগুলি আমার
কালো বর্ণ ধারণ করে।
মেঘগুলি এখন নির্বুদ্ধিতায়
ভেসে বেড়ায়,
কেউ তারে করে না য্ত্‌ন;
ডাকে না তারে
দেয় না রত্‌ন।

স্বপ্নতে বিভোর
মরে যেতে চায়,
হাসির পাত্র হতে চায়না;
কাল মেঘ নিয়ে
বাঁচতেও চায় না।

বৃথাই প্রচেষ্টা......
তবুও জাগিয়ে রাখে, বাঁচিয়ে রাখে
একটি ভালবাসা, প্রতিদিন
আমাকে দূর্জয় সাহস দেয়
চিরণ্জীব মৃত্যুর।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28823194 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/28823194 2008-07-23 01:50:04