somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... টানা চারদিন বৃষ্টিতে সে গায়—
বৃষ্টির গান
সে হাসে—
বৃষ্টিহাসি

টানা বৃষ্টি—
চারদিন বৃষ্টির টানাস্পর্শ
চোখে হাঁটে আনন্দ পরিখা

দুই
আমি খুব ভালো আছি
যেমন ভালো ছিলাম
বৃষ্টিতে—
চেরাগিপাহাড় ডুবে...

আবারও আমি দরজা বন্ধ করি

বৃষ্টিতে পোড়ে বিকেলের হাড়-মাংস
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29352040 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29352040 2011-03-27 13:24:11
যাত্রা চোখের সংকীর্ণতা ধোঁয়া
নির্ভয়ে সাহস মাড়িয়ে নিঃশ্বাসে ছুটে আসা বরপইরের মোহ। নৈঃশব্দরা বুকপকেটের ভাঁজে অসহায় পুড়ে। হাতের মুঠোই জমছে আরো কিছু দ্বিধা। দ্বিধাবোধে আড়চোখ তাকায়! তোমার গুটিয়ে নেয়া উত্তাপে ক্লান্তি নামে সানবাঁধানো পুকুরঘাটে... অস্বস্থি! যা ভুল তা চিরকালই ভুল; তুচ্ছ-তাচ্ছিল এভাবেই প্রচারিত মুখরোচক আতুরঘরে কালযাপন। দীপ জ্বেলে গুটিকয়েকের পর্যবেক্ষণ; যত্নে সংগৃহিত টেবিলে হাতের ছাপ... আলাপে-সালাপে প্রদীপের আভা থেকে বেরিয়ে আসা ভিড়ের পঙতি

কাল চুলে ক্লান্তিকর শ্বাস; দৃষ্টিপাতের চোখ
যা ঘটে গেল রয়ে গেল অমীমাংসিত; পাপ


টিপসই
পূর্বাহ্নে ক্ষয়ে যাওয়া সংকীর্ণ যাত্রা, আরো একবার চোখে চোখ রেখে ধর্ণার বশবর্তি হয়ে দু’একর নিয়ত অশান্তি টেনে ধরো। ত্যাগের সমস্ত মহিমা বরফ বয়সে মেপে ছোট একটা বিভ্রান্তির কারণ হলেও পিছপা হবার সম্ভবনা থাকে না। এখানে গুটিকয়েক ষড়যন্ত্রকারী ঘটনা- অপব্যাখায় আমাদের বোধে প্রচণ্ড রকমের আঘাত হানলে সমবেত শক্তি তাদের উৎপাদিত গুহা থেকে তুলে আনল বোঝাপড়া। মাত্র কুড়ি টাকায় শাদাকাগজে টিপসই আর বিষয়সম্পত্তি নাম পরিবর্তনের স্বাক্ষীদাতা যখন মৃত... মগজ থেকে তুলে আনে মৃত্তিকা ঋণ


রেলষ্টেশন
ঢাকা থেকে যে বগি টেনে নিয়ে যাচ্ছিল তাতে অপরিচিত পাশের জানালা তরঙ্গে দুলছিল। অট্টহাসির ধ্যান ভেঙে বিমূর্ত চোখাচুখি... আসা-যাওয়া শ্বাস। হাসির ভেতর খেলে রহস্য গোপন। গভীর বিশ্বাসে নীরব মিনিট। কি বলা জরুরি না-ভেবেই সমান্তরাল রাস্তায় বিলীন চোখ... বিশেষ কেউ চেনার নেই, জানার নেই তাতে কী? বগিতে ঝুলে থাকা অজস্র চোখে ফুটে অবিশ্বাস...

সময় আড়ষ্টতায় ঈষদুষ্ণ চোখাচোখিতে চট্রগ্রাম ষ্টেশনে যখন পা রাখি, তখন বিকেল চারটা


একান্নবর্তী পরিবার
পুরনো পোষাকে ভুঁ ভুঁ ন্যাপথেলিন গন্ধে মাতোয়ারা মন... আমাদের হারিয়ে যাওয়া একান্নবর্তী পরিবারের স্মৃতি স্বপ্ন হয়ে ভাসে তেপান্তরে। একত্রে খেলাধুলা, হাসি কান্না, খাবারে ভাগাভাগি আজ আর দেখা যায় না। মজবুদ গঠনতন্ত্র; দাদাজানের গর্জনে বাবা চাচা কাঁপতো থির থিরিয়ে... আর বড়দের মান্য, ছোটদের স্নেহ পারিবারিক রেওয়াজ

আরামদায়ক বর্তমান হালফ্যাশন, মূল্যবান মুদ্রা খরচ, ডাইনিং টেবিল ভর্তি খাবার, স্বাদ নাই... ভাগাভাগি কাড়াকাড়ির আনন্দও নাই। দাদা দাদী, চাচা চাচী, ফুফু ও আত্মীয়রা মিলে একসাথে খাবারের টেবিলে হৈ-চৈ আনন্দ যান্ত্রিক জীবনে নেই...

সুখ নাই, সুখ নাই, আগের মত সুখ নাই


আঘাত
সাবলিল বিদায়ক্ষণ, অনুভবের রেখায় গুটিয়ে নেয়া দু’হাত। জানো— এই সমস্ত বোধের ইচ্ছাকে হত্যা কর বড় ভাল ছিলাম। যা এখনও ঘুরপাক ইচ্ছাগাছের সাথে!... সে ইচ্ছাকে আঁকড়ে ধরে ফলবতি গাছে পানি জমাই। আর মন রুমালে টেনে টুনে ফুল তুলি

উপরের সিঁড়িতে এ নিয়ে রসালাপ! থামাতে কতশত চেষ্টা। যার সঙ্গে জীবনের হাতখরচ। বিশ্রাম, জন্ডিসের পোকাক্রান্ত দেহখানি। হলুদচোখ; হলুদহাতে সারস রুলামে নিস্প্রাণ ফুলে ... গুটিয়ে ফেলা মনোরমায় ক্ষীণ আশা। অধিকার হরণে সময় তিক্ততায় চারপাশ মেঘাছন্ন; দিবা-রাত্রি জেগে থাকা... রক্তাক্ত এই দেহ


বৃক্ষ
এ আমি আর সে আমিতে তেমন পার্থক্য নেই; এটুকু জানি বুঝি সব দূরালাপ-ধীরালাপ আঁতুরঘরে তালাবন্দি। নিজেকে বড়ই ঠোঁটকাটা ভাবতে বলতে বিশ্বাস মানো। এতে কৈফিয়ত নেই, অভিযোগেও তালা ভাঙ্গে না আর, ভূয়োদর্শী বিরোধ আপন ভাবনায় চারদেয়াল দূরে... প্রশান্তির দেয়াল সরে সরে প্রশস্থ। দূর পরিজনরা সুখে তা দিয়ে উছিলায় বাকবাকুম... মুখ লুকিয়ে, নাক ডুবিয়ে বৃক্ষে ধর্ণা দেয়। আমরা জানতাম আর এ-ও জানতাম শেষ মিনিট আলাপে-সালাপে অভ্যর্থনায় কতজন বাকী।... স্বপ্ন যার বদৌলতে মিনিবাসের সংকেত অমানিশায় হাসে। অনেক আয়োজন, চরম উত্তেজনায় পূর্ণ হল, সত্যি কি কেউ জেনেছে ভ্রু’কুটি ক্যামেরাগিরি আর তুমুল করতালি...

দূর আসক্তির নিদানে রাস্তা ভুলে যদি কারো প্রতিক্ষীত বারান্দাসঙ্গমের রঙ ফিকে হয়ে এলে নিঃশ্বাস টেনে-টুনে হাই তুলে। মিত্ররা কাছাকাছি ঘিরে... রাত্রি, অযত্নে বেড়ে ওঠা ক্ষয়গাছ


অ-শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
তাদের উর্বর মস্তিস্ক ভাবে-বিস্ময়ে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলো, তা বলতে চেয়ে ভারী হাতদরজায় ঠেসে দাঁড়িয়ে নার্ভাসলি অপেক্ষার চেয়ে পূর্বপ্রস্তুতিতে রঙিন গাল...। দুশ্চিন্তারা খুঁড়ে-খুঁড়ে জমে ইচ্ছা-অনিচ্ছার ঘরে। খবর বিলির আগ মুর্হূত সংকেত মর্মর ধ্বনি হঠাৎ বেজে উঠলে... তাদের ক্ষত-বিক্ষত আত্না-পুড়ে বিষন্ন-চিন্তায়। আমরা নিশ্চিত, এটি তাদের তিক্ত হৃদয়ের প্রার্থনা। কেবল অ-শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। তাদের আর আমাদের অনুভূতি অসম বিবর্ণ। কামনার রঙে প্রতিস্থাপিত জয়গান। তাদের দখল ধামাচাপায় পড়ে যত গৌরবের পুঁথিযশ আর অবিশ্বাস্য রকমের মৌলিকতা


হারানোসিম্ফনি
এক জিনিস বেশি দিন ভালো ঠেকে না। সহকর্মিরা বলে... উগ্র-নাসিকা। দেবতাতূল্য প্রণাম যাকে... সমস্ত অধিগ্রহণ উজাড় করে আবারও বানাই নতুন তালিকা। অতএব, আগের মত সন্তুষ্টি আর আসে না। যার সম্মন্ধে এত এত অনুভব। সে সম্পর্ক আজ শব্দহীন, অর্থহীন। অগোচরে কেবল অ-চোখাচোখি। সময়-অসময়ে কফিতে মুখ লুকিয়ে নিজেই নিজের প্রতিচ্ছবি দেখি...। বেহিসাবি যাতায়াত; শরীর উত্তাপ উদ্বায়ী। আমির সঙ্গে আমিত্বের তফাৎ…

গুরুজন বলে হারানো জিনিসের কদর বেশি ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29329031 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29329031 2011-02-18 08:50:41
প্রকাশিত হয়েছে নম্রতা এর প্রথম গল্পগ্রন্থ: একগোছা নদী

ব্লগের পরিচিত নাম কবি নম্রতার (ফারাহ্ সাঈদ) প্রথম গল্পগ্রন্থ: একগোছা নদী এবারের বইমেলাতে প্রকাশিত হলো।

বইটা পাওয়া যাচ্ছে মম প্রকাশনীর স্টলে। স্টল নং : ৮৩ , ৮৪
গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন হবে আজ শুক্রবার বিকেলে ৫টা ৩০ মিনিটে বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে।

আশাকরি বইটি আপনাদের ভালো লাগবে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29324377 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29324377 2011-02-11 14:26:09
মোহগ্রস্থ কেটে গেলে ফলবতিগাছে রহস্যঝরে ঘ্রাণে-অঘ্রাণে
আমায় ডাকে প্রসারিত ওইহাত
প্রভাবিত জরাগ্রস্থ, ঘ্রাণে-অঘ্রাণে
স্মৃতিঘাত আঁশ তুলে—
ধ্রুবক উড়ছে ফাঁকা বলয়ে

কৈফিয়ত
সময়ের ভাগাভাগি নিশিচরম, পাঠ চুকিয়ে
অনুভব, রোদ ছিঁড়ে আত্মার যুগলচোখ, দেহবিবর
মর্মরে হাওয়ায় আবদ্ধ... অন্যচোখে নিজেকে দেখা
ঠাণ্ডায় জমে যাওয়া শীতের রাতে... অপেক্ষা!
যেন দীর্ঘ সময়ের মাতাল করাত...

ছায়াফুল
হিসেবের ভেতর-বাহির আপন শ্বাসকথন
রচয়িতার যোগাবেগ কামনার উষ্ণ মুখমণ্ডল
আপনে-গোপনে কোটরগত ছায়াফুল
বিনম্র চেষ্টারত করুনাফুল ফুটে বোধের চারদেয়ালে
আপন জিজ্ঞাসায়—
...ভাব ধরে রাখা ঝাপ্সা দু’চোখ

মগ্ন হও আধারে-উত্তাপে
অবিশ্বাসের দানায় বাঁধে পরবর্তী পূর্ণসুখ... বিফল
অভিনয় কত? এসবে আর দ্বিধা কাটে না
শুকনো গলায় পাথর কি কখনো ভিজে?
মগ্ন হও আধারে-উত্তাপে

আঁকারাত
বুঝাতে কি বা বাকি থাকে বলো, যখন রাত জেগে রক্তাক্ত ঠোঁটে খুঁটে খুঁটে খাও গুপ্তধন আর শরীরের উত্তাপে নড়েচড়ে জানালার কাচ; ভাঙ্গে মাতাল যমুনার পাড়... বন্ধ চোখে আর কত কাচ ভাঙবে... এ অরণ্যে? পুজোর সময় পার হলে স্নান ঘরে কোলাহল বাড়ে। মাতাল দেহখানি এলিয়ে শিথানে-পৈতানে

মায়াবি রাত, তুমিও কি যাদুকর? আর একটু ঘুমুবার দাও


ক্ষত
রাত্রি হাসে আলাপে-প্রলাপে; বাড়ি ভর্তি কোলাহল। আমি রাতের শেষপিঠে পিঠ ঠেকিয়ে মৌমাছির জটলা দেখি। বিভিষিকার চোখে অযাচিত মরণ ফাঁদ

উইক-এণ্ডে সময় নিয়ে আলাপ-প্রলাপ সারবো বলে প্রায়ই কথা তুলে রাখি। রাস্তায় জ্যাম নেই আগের মত, সেলফোনে ফুল সিগন্যাল, জ্বর-সর্দির লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না, তাহলে কিসের এত বাক্-বণিতা... প্রান্তে এসে তরী ডুবে! এই যে কথার বিপরীতে কথা তুলে রেখে কী করে নাক ঢেকে শ্বাস নাও!

বৃষ্টিস্নাত গোধূলিবেলা, পারাপার, আরও যত আলাপ। যা সত্যি তার কদর তিক্ত... ইচ্ছার নৌকা আর ঘাটে ভিড়ে না, কারণ তুপের অনলে যেমন আগের মত রাত মজে না


নিশানা
প্রায় ভাবায়, অভিপ্রায় করে এ যাত্রা ফিরিয়ে দিয়ে যত না ভুল করেছি, রাত্রির গায়ে আলো জ্বেলে ভুল করেছি তত বেশি। অনুভবে হাঁটে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। একজন পাঠক হিসাবে তোমায় কি কম পড়া হলো? চাপাশ্বাসে রাত্রির নিশানা উড়ে শিথানে-পৈতানে। চেয়ে দেখো, স্বপ্নগাছে আর কি যে ঘাম ঝরছে! ...প্রভাত জমিয়ে

কলঘরে কিসের শব্দ...


মোহগ্রস্থ কেটে গেলে ফলবতিগাছে রহস্যঝরে
মোহগ্রস্থ শীতলপাটি হাতের তালুতে আঁধার ঢেলে বদলে নেয়া যত সময়; সবকিছুর ভেতর ব্যস্ত অধিকার হরণ এবেলা। রচয়নে মহানামা কেবল উপহাসে মাথাঠুকে... উপরের সিঁড়িতে আলোর নাচন ... আহা! নিজেকে বদলিয়ে যদি তরতরিয়ে ফুলচাষে তুলে আনা যেত গুটি কয়েক স্বপ্ন এই হিমের শহরে! তবে কি, এমন বিনিদ্ররাতের পাহারাদার থেকে অব্যহতি মিলতো?... জান নেই, কখনও ছিলনা, যার আশির্বাদ, যার প্ররোচনায় এতদূর হেঁটে আসা...

কখনো-সখনো সর্বাপেক্ষা প্রয়োজন ঠেকে তা বিনয়ের সঙ্গে বলতে চেয়ে এমন পরিহাসের সুরে ও-কথা শুনালে... স্বপ্নগাছে পানিপড়া বন্ধ হলেই এমন দু’চারটি কথা শুনতে আর তিতা লাগে না। এতদিনের যত্নে গড়ে উঠা ফলবতি গাছে কেবল রহস্য-ছায়া!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29317763 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29317763 2011-01-31 14:10:01
পূর্ণসুর http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29302847 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29302847 2011-01-06 15:50:13 দুইটি জলছাপ
তাকে যখন দৃষ্টির আড়ালে রাখি, জলছাপে নয়নের কোণ ভিজে। ছেঁড়া-ছেঁড়া কথামালায় আমরা পূর্নজন্মের হাজারো প্রশ্নোত্তরে নিজেদের পছন্দের তালিকা তৈরি করে ঈষদুষ্ণ ঘামে স্ফটিকের মত শীতল জলে দু'পা ডুবিয়ে নদী ভ্রমণে হাওয়াবিন্দুর মত নেচে উঠি...

জলের তীব্রতা একই সমান্তরাল... একই আশা থেকে কিছুতেই পৃথক ভাবতে পারি না। এখনও স্বপ্ন আছে বলে জলছাপ, হাওয়াবিন্দু দিবা-নিশি স্বপ্নজলে ভাসে

জলস্বপ্ন, একাকার হয়ে আমাদের দিকে হাতছানি দেয়, আমরা জিজ্ঞাসা বাদ দিয়ে দুইয়ে-দুইয়ে আঙুলে চার গুনি। যোগ আর গুণের একই সমরোহ। জলাবাসন, গ্রহণের আসক্তিতে খুঁটি গাড়ি



কার্নিশে ঝুলে পূর্ণতা
বিশ্রামে যেতে দেয় না এ-বেলা। কার্নিশে ঝুলে থাকা গত রাতের পূর্ণতা আমার চোখে আরও একধাপ জড়িয়ে-প্যাচিয়ে থাকে। সময়পূর্ণতায় ধীরে ধীরে সরিয়ে যাচ্ছে পর্দা। বহুবার জানতে চেয়েছো?... সে কথা আজ না-হয় থাক। বার বার উত্তরের অপেক্ষায় থেকে থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখো। এ-বেলায় আমি অপারগ হলে, দুরে সরে থাকা ছায়ায় হাত বুলাও

ক্ষীণ আশা ঝলমল করে সুরের মোহনায়। রাতপরিখারা হাঁটে। র্নিদেশ, বন্ধ হউক এ যাত্রা। গন্তব্য হোক যাত্রাসম। আরেক ধাপে নিজ প্রস্থান হোক ঠাণ্ডা প্রদোষকাল

আঁধারে মেঘের অর্ঘ্য। যাতায়াত জেনে যাই... পূর্ণতাঝলক


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29293940 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29293940 2010-12-22 02:44:19
অগ্নিস্বাক্ষী বিশ্বাস আর পূর্ণ আস্থায় দিবারাতি ছায়া ও জলের ধারে
বিবর্ণ ছায়ারাত। শত জনমের পূজোর পরশে হারাই কাহন
আমার জানা ছিল না অনুভব গুটিয়ে ফেলা তপ্তাকর্ষণ
যেভাবে তীব্রতায় চোখে জীবন্তস্মৃতি ঘুরেফেরে আসে
বয়স মাত্র সোয়া তিন বছর...

বৃষ্টিকাহন, চলন্ত পিপীলিকার সারিতে লাইনচ্যুত
অবিরত দর কষাকষি, হিসাবের লাভ-লোকসান
যার কিছুই থাকে না, তারই সবচে' বেশি হারাবার ভয়!
মেঘের হিসেব সর্বত্র বদলায় আর জমে অগ্নিস্বাক্ষী

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29289353 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29289353 2010-12-14 11:03:27
২২ নভেম্বর, গোপন রহস্য উদ্ধার
ঠাণ্ডা হানা দিয়েছে শহরে। বাইরে মিষ্টি রোদেও হাত-পা গুটিয়ে আসে। এই শহরের কত রূপ, কত জাতি, কত সংস্কৃতির লোক বাস করে, সবাই কি সুখী? সে ভাবনা মনের দ্বৈত বসবাস। মনে মনে হাঁটি আমার প্রিয় শহরে আর পা ফেলি অন্যশহরে। আবেগ জমানো সুখ ঢাকি, মুখ লুকিয়ে অনিচ্ছায় আবারও ঠাণ্ডা হাওয়ায় মিশে যাই

অনেক পর্যবেক্ষণের পর দিগন্তে জমে থাকা ধোঁয়ায় উপহারের অধিক গুরুত্বে স্নাত হই আরেকবার। সে এক অসাধারণ মহৌষধ; মোক্ষম সময়ের ফিতা টেনে টেনে এর দৈর্ঘ্যে কাগজের লেপ, টুপিতে নিজেকে আবরণ করে একটি উদগত রাতযাপনের প্রতীক্ষায় থাকি। প্রতিটি মোহ কেমন আনন্দ তা আরেকবার টানি, বারবার মনে হয় উপলব্ধিতে বোবা দৃষ্টি...

ভুলে নয়, মাঝে-সাঝে ভাবি দিন শেষে লেটারবক্সে জমে থাকা বিল আর বাণিজ্যিক পোষ্টার তুলে আনবো। আজও সান্ধ্যসঙ্গমে এগারো ধাপ সিঁড়ি পার হয়ে লেটারবক্সে হাত পড়তে কড়কড় শব্দে বেরিয়ে এলো একখানা শক্ত বাক্স। প্রেরকের ঠিকানা অতিখুদ্রাক্ষরে কারুকাজে লেখা। প্যাকেটটি হাতে নিয়ে খুঁটিয়ে খঁটিয়ে নাম উদ্ধারের ব্যর্থতায় খামটা খুলতে বেশ তালগোল পাকিয়ে আর সময়ক্ষেপণ না করে যত্নে করে পাশ কেটে টেনে বের করি গোপনরহস্য... ভিতরে বিশেষ তরিকায় আরো কয়েকটা ধাপ পেরিয়ে রঙিন শক্তকাগজ টেনে নিজেকে উদ্ধার করি...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29278868 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29278868 2010-11-27 13:39:58
দেহরাত রাতের উপাসনা ভেঙ্গে অপেক্ষারত মেঘ
দেহরাতের রানওয়ে ঝুলে আছে দু'চোখ

দীর্ঘ আমার স্পর্শের হাত, দেখি নিরালায়
সুদূর থেকে ছুঁয়ে যাই তোমার সুখ আর
চুষে নামাই অপার যন্ত্রণা

অপলকে নামাও লোভাতুর দৃষ্টি
ঘুমরাত...
দরজায় কড়া নাড়ে অপেক্ষমান শিশির]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29272446 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29272446 2010-11-15 02:33:20
কেন্দ্রবিন্দু অনুগল্প- কেন্দ্রবিন্দু



সরু গলি, চেনা রাস্তা শুধু টানে। যতবার এ-পথ দিয়ে ফিরি ততবার চোখ টেনে ধরি যতদূর যায়। সরব জনপথ, কেবল আমিই কাউকে দেখি না। নিথর আঁখি কাকে খোঁজে! ...আজও স্পর্শের ঘ্রাণে দু'চোখ কেন্দবিন্দুতে খোঁপ গেঁড়ে বসে। দূরপথের যাত্রী, নেশাতুর চোখ, অদেখাক্লান্তি লেগে থাকে কপালের ভাঁজে। কাঁচা ঘুমের নেশায় ঢলে পড়ে চোখ। যাতায়াতের জন্য এই একটি মাত্র রাস্তা। গলির কাছাকাছি আসতেই মনের অগোচরে নেশা কাটে। চলন্ত বাসটাকে শক্ত খুঁটিতে টেনে ধরি মনে-প্রাণে। অব্যবহৃত সময়ের ফাঁকে কে কার জন্য দাঁড়ায়! সময়ের প্রয়োজনবোধ জনভেদে একেক রকম... চলন্ত যান তো তার গন্তব্যে পৌঁছবেই! একাত্মবোধ না হওয়ার কি কোন উপায় আছে?

লোকজন জটলা বেঁধে কি যেনো দেখছে; গলির খানিক পরে। হয়তো ক্যানভাস, কিংবা বাঁদুড়গণা, সাপের খেলাও হতে পারে। নয়তো কী? যে স্পর্শে আজো আমার দু'চোখ টেনে রাখে। গলি পার হতেই বুকের ভিতর কেঁপে কেঁপে উঠে শিখা হালকা-পাতলা গড়নের ঘ্রাণে! ...যে হারায়, কিছুতেই ফিরানো যায় না। এছাড়া তার যাওয়াও না যাওয়াতেও কারো কিছু আসে যায় না। এতো মানুষ জটলা বেঁধে কি দেখছে? বাস থেকে নেমে পড়ার তুমুল আগ্রহ চেপে রাখি। তা কি হয়? আমাকে তো পৌঁছতে হবে...

'মধ্যাকাশে শুকতারা' আমার-তোমার এ নিয়ে কত ফ্যাসাদ। ধানক্ষেতের আইল মাড়িয়ে ক্লান্তিতে শ্যামনগরে পা রেখে কতবার বিমূখ হয়ে ফিরে গেছো! তখন ভাবলেও ততটা মর্ম বুঝি নি। ...পরের সালে উপরের ক্লাসে যাওয়ার মত থরথর করে শুধু হরণ করেছো মনপ্রাণ। ভাগ্য কি কখনো ত্যাগ করে? প্রদাহ বড় যত্নে শিকড় গড়ে মন্দিরে। আনচান করে উঠে চারিপাশ। বাস থেকে বেশ কিছু যাত্রী নেমে পড়েছে। বেশ ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। জটলা বেঁধে সবাই কি দেখছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29268695 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29268695 2010-11-08 13:48:44
গোলকধাঁধা ডিপ্রেশন, ঘুমরাত স্বপ্ন হয়ে আসে বিশ্রাম
অতিসংবেদনে তার অবস্থান নির্ণয়, যদি
বলা যেতো! বিস্ময়ে এমন অবান্তর ইচ্ছাকে
দূরে ঠেলে কবিতায় মুখ লুকাতে হতো না;
আমার চাওয়া-পাওয়া এরচে' বেশি ছিলো না

বেপরোয়া ইচ্ছ-অনিচ্ছা অবস্থান কল্পে
ডিপ্রেশন কেটে গেলে কখন যে স্বস্তিতে
নিয়ত সময়ক্ষেপণ, এ ভরা শীতে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29261485 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29261485 2010-10-26 08:09:36
মর্মাহত মোম যার ভিতর-বাহির শ্বাসে মর্মাহত অশরীর
প্রসারিত হাওয়াবিন্দু; সমস্ত মোম...
দিকনির্দেশনাতে পাশ কেটে যায়, তবু
এ আর্দ্রতা হারাবার আগে অনুভবে দাঁড়াই
অনুভবে খুন হই

পদত্যাগপত্র কিছু শব্দে; নিঃশব্দ
আলো-আঁধার হউক না আরো জটিল সমীকরণ
আত্মস্থ করুক প্রতিমা দ্বিগুণ আঁধার
অলঙ্কৃত হউক ভাঁজ করা বিবর্ণছায়া!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29257502 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29257502 2010-10-19 01:02:16
স্নায়বিক ২
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29256499 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29256499 2010-10-17 12:09:07
ডুব শ্বাসে-প্রশ্বাসে পুড়ে চিরহরিৎ...
গ্রহণ করছো যাহা একান্ত বলয়ে
কাঙ্ক্ষা গভীর অনুরাগী; ভাগাভাগি
মেঘপুজোর আগে পায়ে পায়ে হাঁটি
অতল ভাবনায় ডুবে

শুভরাত্রি—
আরোহণ ভাঙছো আমার দশহাত মাড়িয়ে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29253414 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29253414 2010-10-12 03:45:22
প্রলাপ প্রলাপ

কেউ জেগে নেই। এ সময়ে কেউ কি জেগে থাকে? স্বপ্নে বিভ্রান্ত! আত্নগোপন! অবচেতনে হাৎড়ে বেড়ানো চাওয়া-পাওয়া। বসন্তস্বপ্নে কে উঁকি দেয়? আবারও বিভ্রান্ত! হৃদয়ের বাঁধ ভাঙতে-ভাঙতে সাঁতার কাটা সময়ের তোড়
২.
বাইরে সুরের মূর্ছনা। ঝিঁ-ঝিঁ পোকা মেলেছে সুরের ডানা। বলেছি, আর আত্নগোপন নয়। এসে-ই পড়ো এই ধরায়, এই সুরের মজলিশে। বরাবর নিজেকে গোপন করে কি পাও?
৩.
জল, কখন যে নাড়ায়! আমি হিসেবের বাইরে গিয়ে দাঁড়িয়ে র’বো। এখানে কি ছিল? কেউ কি থাকে? পুরনো সিন্ধুক থেকে ব্যর্থতা সরিয়ে শাদা আর সুরের মধু তৈরি করবো
৪.
শেষরাত ঘুমহীন রাত। যে সূর্যটি আমার হৃদয়ে বাতি জ্বেলে ছিলো। তার উষ্ণানুভবে চোখ কাঠ হয়ে আসছে। সূর্যবাতি চেয়ে দেখো- আমার চোখে ছেঁড়া-ছেঁড়া নক্ষত্র। সবই কি বিভ্রান্ত!
৫.
ঘুমের ভেতর আত্নগোপন, সুরের মূর্ছনা, আর্তনাদ
বেহিসাবি শেষরাত আর জেগে থাকা স্বপ্নচাঁদ



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29249645 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29249645 2010-10-05 02:25:55
রোড বিশ্রাম। ইতস্তত বাজপাখি অনুসরণ করে প্রকৃতি
আর প্রান্তে এসে যার প্রতিফলন বৃহদাকার
শূন্যবাঁক আর ফাঁকা চিহ্নের সঙ্গে নিয়ত লড়াই-লাইন
বাড়ি ফেরত মানুষের ঢল, বিন্দু-বিন্দু ঘাম

বদলে নেয়া আর বদলে যাবার প্রস্তুত সময়ে
দলিল পরিবর্তনের মোহাচ্ছন্ন আবাস
জোড়-বিজোড় মনোপুলি খেলায় উদ্বায়ী ঘর্ম-গ্রন্থি
আর
আমরা সেখানে সময় বিক্রি করি
মাত্র আট দশমিক পঞ্চাশ সেন্টে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29244222 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29244222 2010-09-24 00:32:09
আজ কবি শাহনাজ সুলতানা'র জন্মদিন
শূন্য করতল
দুঃখ বা যন্ত্রণা কিছুই নেই!
সবুজ রঙ মরে গেলো পাতার—
পাতার রঙ কেনো হয় ধূসর?
ভালোবাসার কুটুমপাখি গান
গেয়ে ভুলে যায় দূর অরণ্যে
এটাই নিয়ম; চিরন্তর সত্য
তবুও দাঁড়িয়ে থাকে কৃষ্ণচুড়া
শুকনো ডালে ঝুলে দীর্ঘশ্বাস

সদা হাস্যজ্জ্বল এবঙ মমতাময়ী নারী শাহনাজ আপা

চলুন সামুর আড্ডাটা আজ তাঁর বাসায় হউক।
কারা যাচ্ছি সে আড্ডাতে, চলুন তার একটা তালিকা করে ফেলি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29243177 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29243177 2010-09-22 03:26:09
স্পর্শের বাইরে থাকো ধূসরপাতা গ্রহণ
দিনের বৈরিতা শেষে
উজ্জ্বল তারতম্য আর কত
বলো সময়ক্ষেপন
বলো অপেক্ষা, সংগোপন

গ্রহণে সীমাবদ্ধতা; এবং অন্যান্য
খোলাচোখ পরিহাস পরিতাপ

দীর্ঘ দিনের ক্লান্তি
অপেক্ষায় ছিল না বলে
অপেক্ষরত দীর্ঘতর ছায়া

বিনয়
মুখমণ্ডলকৌণিক বরাবর চারপাশ
যেখানে চিরন্তন পা বাড়ায় শপ্তর্শি
কিন্তু,যাকে হাসিখুসি দেখি আজ
মোমের মত অনুভব অনুনয়

কন্ঠস্বর
তাপমাত্রা বাড়ে আর জমে বিস্ফোরণ আবেগ
যা ঘটে গেলো, থামাতে গিয়ে অনেক চোট
কত কিছুই না সইতে হয়... বিষয় বিবেচনার
বোধ থেকে জন্ম নেয়া সমুদয়; আজকের

লক্ষ্যভেদে ঠিক চিনে নেয়া; ত্বক
ঈষদ মাত্রায় কে আপন, কে পর!


স্মৃতিড্রয়ার
সূর্যটা হেলেছে সাগরের জলরাশিতে
অনুরাগে জীবনের প্রথম প্রতিশ্রুতিতে
আবদ্ধ হয়নি; গভীর মনোযোগ জলরাশির আলোর
নাচনে জীবনের সাদৃশ্য খুঁজে দেখি...

কাঠের মত আত্মা পুড়ে পুড়ে এর মূল্যবৃদ্ধি

মনের কথা অগোছালো জমে জানালার শিকে
খুব উৎসুখ... মাতাল সাগর, মাতন হাওয়া

নিছক কৌতূহলে তুলে আনে স্মৃতির ড্রয়ার

ধূসরপাতা
আমার ধর্য্যের ভিতর আছে সাধনা
বিভ্রান্তি, যখন খুব একা হতে থাকি
যার বসবাস; আত্না
জড়িয়ে-প্যাঁচিয়ে শিখি নতুন আশা
নির্ভরতায় বদলায় হাওয়া

উপায়হীন চক্র, স্পর্শের বাইরে ভাবনা

একটি রাস্তা ধূসরপাতা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29239395 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29239395 2010-09-14 02:12:33
প্রস্থানে একাই দাঁড়াও বোবাকাহিনী সম্পর্ক
দাহ! বহন করো দূরে, আরো দূরে
ও-পাড়ের প্রতিধ্বনিতে ফিরে স্বস্তি
নিত্য বসবাস সংশয় গোপনে

পাপ...

মেঘের ঠোঁটে জমে অনিয়ম নিয়মে

২।
প্রকৃত আত্মহত্যা, হত্যার চেয়ে ভয়াবহ ভেবে নিজেই আত্মহত্যার মাপ গুনি। যোগাযোগে বারবার দোষারোপ। বাঁধার পেছনে অদৃশ্য বাঁধা। হিসেবের শূন্য পাতায় জমা হয় এক মুঠো রোদ!

বিস্ময়ে নয়, সম্পর্কের গভীরে জন্ম নেয়া আরও একটি সম্পর্ক। আগুনের ছোঁয়ায় যেখানে... চৈত্রের দাবাদাহে মোম গলে। করোটি বরাবর আত্মহত্যা দাহে প্রদাহে


চাপা
আমি হিম হয়ে অদূরে দাঁড়িয়ে থাকি; মৃত্যু
চাপা, সে এক ভিনদেশী! যার চোখে কষ্ট দেখি

অনাগত দিনে ভাবনায় পার করি এ-বেলা
যেনো সেজেছি আগুন মনে

নজরে নজরে তবুও শেষ হবে না...

কি যে করি— এও এক গোপন বিষাদ
তার হাত ছুঁলে পেতে যাই সর্বনাশের সুর

সূর্যস্নান
স্মৃতি পসরায় রহস্য-জট খুলি অতি গোপনে
আমরা এর গভীরে যেতে যেতে আবারও
যাত্রা সংক্ষিপ্ত করি; মৃত্যু পৌঁছায় দ্বারে
ভেঙ্গে পড়ে আকাশ; জীবন সায়াহ্নে
একত্রে সূর্যস্নান...
অপেক্ষায় থাকি, হউক না আরেকটা ভোর


বৃষ্টিস্নাত
তুমি কি জানতে মেঘের উচ্চতা কত? কার বা সাধ্য আছে বাধ্য হবার! বিনয় করে যার অমরত্বে ছুটেছি... হিসেবের মাথামুণ্ডু খেয়েছে জলবরফ, শীতলের আর্দ্রতা মাড়িয়ে পাহাড়ের চূড়ায় ভর করে আমি পাড়ি দেই শীতের দেশে। অন্যরকম বৈরি আবহাওয়া। মেঘ আমাকে ত্যাগ করো না। ধুলোয় মিশে যাবে আমার আত্মা। যদি পারো ছায়া রেখে যেও এতেই পেয়ে যাবো জীবনের জয়গান। আমি বৃষ্টির গায়ে আর জল মাখতে চাই না!

নিজেকে দেখে নিই হিমে... শুদ্ধ হবো মেঘ, স্নাত হবো বৃষ্টির জলে


মোহ
অন্ধকারের ঠোঁটে লেগে থাকে পাপ
মেঘের হিসেব নিতে নিতে মাথা নত
বৃষ্টি; নির্ভুলভাবে পাঠ চলে প্রকৃতির
আকিঞ্চন ঘুমে কাঙ্ক্ষা জড়িয়ে প্যাঁচিয়ে
মোহাচ্ছন্নদৃষ্টি...

পাশে দাঁড়াব, শুধু আতঙ্ক...
কেঁপে কেঁপে ওঠে দীর্ঘশ্বাস



পৃথক
নিজেকে আর পৃথক ভাবতে পারি না
মিশে থাকার অনুভব এ-বেলায় হউক না ভাগাভাগি
অদৃশ্যগহ্বর কেনো যে ধরে রাখো প্রবলইচ্ছা
মেঘরাত্রি, কেনো যে কাঙ্ক্ষায় স্বপ্ন দেখি!
সময়ে জড়িয়ে রাখো ক্রমশঃ কথা, বোঝাপড়া…
মনের সাথে অধিক বিশ্বাস চেপে রাখি
বিরুদ্ধে যেতে পারি না
অনুভবে মিশে আছো; মিশে থাকি—



মুদ্রার এ-পিঠ ও-পিঠ
কারো জন্য অপেক্ষা নয়, আছে বিশ্বাস। সবকিছু ভেতর হাঁটে কেবল প্রজাপতির ডানা। যদি ভাবা যেতো, বিশ্বাসে চিনে নেয়া সহজ হত আপন-পর। ঘাটে কি এখনও বয়ে বেড়ায় দীর্ঘশ্বাস? ঘটনার পুনরাবৃত্তি কিংবা উৎসাহ ব্যঞ্জনা! যে মুদ্রা ও অন্যান্য হাতের তালুতে নাচের দীক্ষা। বড় তিক্ত পূর্ব অভিজ্ঞতা, শুধু প্রয়োজনে হানা দেয়। ছোট ছোট খণ্ড থেকে বিশাল, ধরা ছোঁয়ার বাইরে। কেবল পুরানো সঙ্গীত আর বুননের কৌশল...

হিসেবের বাইরে পুনয়ায় দেখি মুদ্রার এ-পিঠ ও-পিঠ খেলা


অবতরণ
নীরবতায় একা পূর্ণ দুই ঘন্টা!
হাতের তালুতে ভ্রমর নৃত্যখেলা
শব্দের পরতে পরতে বোঝাপড়া

আসা-যাওয়া ভ্রু'কুটি ভাঁজে ভাঁজে
চাঁদমুখ... মেঘের অবতরণ


বোধ-বিশ্বাস
সর্ম্পকের গভীরে থাকে মোহ

শ্বাসে পোড়াও মুক্তি, সন্ধি
গ্রহণে যথেষ্ট আড়ষ্টতা, মম...

চলো এবার নীল খাই, জলে
উপলব্ধি করো হাড়ে হাড়ে

বাহুতে খুঁজি মেঘের আনাগোনা
আমাকে ফিরিয়ে দিও না, পাশে
আছি, রেখো বোধে ও বিশ্বাসে


ঘৃণা
স্বার্থপর, আমাকে ঘৃণা করো
শব্দে-বাক্যের পরতে পরতে
অনুভবে শেখা নির্ভুল কারুকাজে

যেখানে কেটে যাবে সারা জীবন!

নিজে নিজে তৈরি করি সাইরেন
আয়নার বিপরীতে মুখ লুকাই; দেখি
ঠোঁটে বিদ্ধ হয়ে আছে আকুতি; স্বার্থপর
আমাকে আরেকবার ঘৃণা দাও


দিব্যি
অদৃশ্য, বার-বার আমাকে দোষী করে যাচ্ছো! কিছু বলবো না, আমার কিছুই বলার নেই, আমি কাঙাল... চেয়ে থাকি নির্জনে। আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনি, তাই— অকারণে আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাও। ফাঁসির কাষ্টে আমি যেতে রাজি— কি করতে হবে শুনি?

আমার চাওয়া-পাওয়ায় হয়তো ত্রুটি ছিলো। আমি তো তোমাকে আঘাত করতে চাইনি। ভালোবেসে আগলে রাখতে চেয়েছি...


অসম্পূর্ণ
সত্যিকারের অবস্থান নির্ণয় করতে
শিরা-উপশিরায় হেঁটে বেড়ায়; দু'টানা
শিথান-পৈতান হারিয়ে
ঘুমকাতর...
দিকনির্দেশনা হাতড়ে বেড়ায়


নির্ভরতা
কেউ জানলো না; শুধু আকাশ আর মেঘ ছাড়া
আমরা তো পৃথক কেউ নয়
যদি বল ঠাঁই দাঁড়িয়ে র’বো এ-বেলায়

অনেকাংশে নির্ভর হয়ে পড়ছি দিন দিন
তাও-কি আমাকে বে-হিসেবি করে তুলছে
টুকরো টুকরো স্মৃতি; তুষারের মত
জমে থাকে তুঁতনির পাশে
পরিণত কর। আমাকে পরিণত কর
শত বছরের নিস্পৃহ ঠোঁটে


বোবাকাহিনী
বছর খানিক পুরানো ছেঁড়া কাঁথার গন্ধ সরেনি পাটে। প্রতিটি রাতের গল্প শেষে চিরাচরিত নিয়মে ভূমিষ্ট হয় নতুন আলো, যা পূর্ণ তাসের ছকে বাঁধা। এ বাঁধাকে অতিক্রম করে অসম্পূর্ণ বোবাকাহিনী সাঁতরে বেড়াই... ছেঁড়া কাঁথায়। কখনও সখনও এর জীবন্ত ছবিতে মুখ গুঁজে শ্বাস টানি! শ্বাসের ভেতর নিজের রিভিউ দেখি

ওপাশে ডাক পড়লে... দ্রুত সরিয়ে রাখি। ফরওয়ার্ডে যা দেখি, অনুমানে বুঝে নিই... প্রস্থান রেখার গভীরেও কত বোবাকাহিনী


অপেক্ষা
ভাবছি, কখন এসে ধ্যান ভাঙাবে

বিশ্বাস কর— উৎসাহ কখনও কমতি ছিল না
সাইন ইন হয়ে জেগে থাকি এ-বেলা ও-বেলা
শিল্প- সমস্ত সত্তা জুড়ে যার অবস্থান

রাত যতই গভীর হতে থাকে
বৃষ্টির শব্দে আনচান করে করে মন
কেবল পুরো অস্তিত্বের বাঁশী বেজে উঠে সুদূরে

কবির এত রাতজাগা ভোরের অপেক্ষায় নয় তো?



অপেক্ষা-২
দিবারাত্রিঘোরে যেভাবে পুরানো হিসেব

কর বৃদ্ধি, পাশ কাটার অবকাশ নেই
নীরবতায় পুড়তে পুড়তে রাত পার
ছেঁড়া বিজ্ঞপ্তিতে ধীরে ধীরে জং ধরে
শুরু হয় আরেকটি নতুন স্বপ্ন বোনার

দিন চলে যায়, যে যার মতো
এডিয়ে যেতে পারি না শুধু—

অপেক্ষার পালা, আবারও বাড়তে থাকে


অধরায় পাপ নেই
তারে কখনো কাঁদতে দেখিনি। আমিও কাঁদি না… গভীর অনুরাগে তৈরি হয় গোপনপরিখা। স্মৃতিগাছে ঝুলে অপরাধবোধ! যথেষ্ট বোধশক্তিতে নয়নকোণে জমা হয় শত বছরের কুয়াশ।ধীরে-ধীরে হত্যা করে ছেঁড়াস্বপ্ন, নিদারুণ যন্ত্রণায় অধরায় পাপ নেই বুঝে নিই আরেকবার। মেঘের ভেলায় বিনি সুঁতোয় বেঁধে নিই শক্ত করে... বিশ্বাস ব্যতীত আর কিছু সম্বল নেই... চোখে চোখে কথা বলি; অদৃশ্যভাষা বুঝে নেয় আপন মহিমায়

মেঘ নিভৃতে জয় করে নেয় প্রাণ, আমি হবো কি অন্য একটি মহাকাশ...


ঘোর
আমার স্বপ্নের ভেতর যে স্বপ্ন হয়ে ভাসে
আলো-আঁধারে আলতো ভাবে হাত বুলিয়ে...

এসো, ঘোরে এসো, এসো আরো গভীরে

রাত্রি আমার হাহাকার ধ্বনি
আমিও কি নির্মম ঢেউ!

ভেসে ভেসে যাচ্ছি সুদূরে...



অভিব্যক্তি
যে রূপে দেবদারু কাঠ প্রতি ইঞ্চিতে পুড়ে... একক আত্মায় গভীরে জমে বন্যা বিস্মিত চিন্তা-চেতনা

যার জন্য উদ্ধিগ্ন! কাঁটাছেঁড়া অভিব্যক্তি

দুই
আশ্বাস নিয়ে বসে আছি, দীর্ঘ সময়ে অনিয়ম, আপন নিয়মে। ভেবে নিয়েছো আত্মার বিস্ফোরণ হোক এ বেলায়। যদি তাই হয়— আমার প্রশ্ন-উত্তর আমারই থাক। অনুভব চিল হয়ে ভেসে যাক ওই দূরে... অধিকার হনন হোক মাঠ-প্রান্তে...

আমি পরাজিত সৈনিক নিজের সঙ্গে চিরন্তন যুদ্ধে


চতুর্থ ভগ্নাংশ
চতুর্থ ভগ্নাংশের একাংশ প্রদানে অস্বীকার
যা কবিতায় কেন্দ্রবিন্দু
অন্যান্য স্মৃতি, বিস্মৃতি, মুক্ত কিংবা গতি
কবিতায় পরিধি

গভীরতার কথা কেউ কেউ বলে
আবার কেউ কেউ বলে না; তম্মধ্যে—
ধারণা ও প্রয়োগ নিয়ে ব্যস্ত থাকে
...বৈদ্যশিক্ষক

লোভের বসে রচনাশৈলী অধিক হারে
ঘনত্ব হারায়— উপরতলার মর্ম লেবাসে লেবাসে
বার বার মৃত্য হয় চতুর্থ ভগ্নাংশের
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29218259 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29218259 2010-08-09 06:20:42
গাছচিত্রের ও-পাড়ে নির্লজদৃষ্টি
বাহানায় কাটে শীতঋতু। শীতে হানা দেয় অতিথি পাখি, দেখতে দেখতে গাছের ঝরা পাতায় নড়েচড়ে ওঠে শত বছরের স্মৃতি। কখনো বেপরোয়া হয়ে শীত ঋতুর ঘোরে বাসর সাজাই বাদামী, হলুদ কিংবা লালচে পাতা...

ঝাপসা হয়ে আসে গাছের স্বচিত্র প্রতিফলন। আয়নার বিপরীতে নির্লজদৃষ্টি নড়েচড়ে ওঠে; প্রতিবিম্ব হয় করুনার সুরে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29210786 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29210786 2010-07-30 02:46:43
ছাপ
আর ডেকো না; সাঁতার মর্মে মর্মে...



---
রচনাকাল: জুলাই' ২০১০]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29209187 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29209187 2010-07-28 03:40:05
সতীর্থ-২ দিবা-নিশি শীতল মাংসে উষ্ণতা জমে আর কমে

দুই
অনুসন্ধানের কাছে হার মেনে তুমি মনে মনে ভেবেছো
দারিদ্র্যের বেশ ধরবে; সেও ভালো ভিখারি সাজনি!

তিন
রাত্রি হলে ভয়ে ভয়ে বিছানাও আর্দ্রতা হারায়
পুরনো সেই ছাতিমগাছ, আমাকে জড়ায়...

চার
কখনো একমত হতে পারিনি!...
মতামত সুচিন্তিত এবং জড়তায়

পাঁচ
ভালোবাসা পণ্য দামে বিক্রি হলে
আমিই প্রথম বিলবোর্ড লাগাবো...

ছয়
একটাই তো জীবন! এ জীবনে ক্ষুধাও অনেক
ভালোবাসা কি খাদ্য, বস্ত্র, আমাকে খাবে!

সাত
প্রতিশ্রুতি থেকে তুমি অনেক দূরে সরে গেলে সেখানে
একটি চাপা বিষক্রিয়া ও পাপগাছ ধীরে ধীরে বাড়ে

আট
তারা আমাদের শিখিয়েছে অনেক মুখের বুলি-
তা যদি যথেষ্ট হয়, আমরা কী চাপা পড়ে যাচ্ছি?

নয়
গোপনে গোপনে আমরা সবাই মাতাল
শুধু ভালো মানুষের বেশ ধরে থাকি

দশ
জীবনটা নাট্যশালা, যে যত
অভিনয় করবে সে তত লাভবান

এগার
অভিমান আর ক্ষুধা এক জিনিস নয়
সঠিক শব্দ সঠিক জায়গায় যোগান দিতে হয়

বার
জানা শোনা হলো নদীর মত
স্রোতের অগভীরে ভেসে যায়, আবার ফিরে আসে

তের
দেনা ধারে নুয়ে পড়েছে জীবনটা
কিন্তু এ কী সম্ভব আবার ফিরে দেখা!

চৌদ্দ
নম্র হয়ে আসে আমার গ্রহণের মাত্রা

পনের
বার-তের নয়, এবার দিব্যি বলছি


সতীর্থ-১ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29207083 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29207083 2010-07-25 14:06:33
মেঘের ভেতর আমি আমাকেও চিনি দেবদূত রাতপরিখা
মাঝরাতে ভাঙা স্বপ্নের গলা জড়ানো শ্বাসে আলজিব কাঠ হয়ে নিঃশ্বাসে পুড়ে। আরেকটি রাত জাগার চিত্র মনের কোণায় চিরঞ্জীব! নিজেকে সরিয়ে রাখি; আর আধো আধো স্বপ্ন হাতড়ে বেড়াই পুরানো সিন্দুকে...

দেয়ালের ছায়ায় নিজেকে চেপে রাখি। অসর্তক যাত্রায় থেমে থাকে ঘড়ির কাঁটা। হাতের কাছে টেবিল লেম্পে লেপ্টে থাকে গতরাতের পূর্ণতার সুখ। ঘ্রাণের টেবিলে জমা হয় আরেকটি নির্ঘুম রাতের পরিখা

স্পৃহা
যতই সহজ হতে দেখি চারপাশ
ততই কি সহজে ধরা দেয়!
থেমে যেতে-যেতে ঘুণ ধরা দেহখানি
যাকে খুঁজি পৃথিবীর ওইপ্রান্তে—
দিব্যি সে ভালো আছে— আনন্দে
আত্নগোপন দেখে—
ত্রিসীমায় আমিও ফাঁদ পেতে থাকি...

মনের ফাঁদে যাকে আটকানো যায় না
জালের ফাঁদে সে কি তাকে আটকায়!
খুব গভীরে পা বাড়াই না, ভাবি
সবকিছু সঙ্গে আমার মূর্খতা...

নির্মাণ
আমি অন্ধের মত ছুটে আসি এই প্রান্তে। সমস্ত রাগকে উপেক্ষা করে কখনও নির্মাণ করি কবিতার শরীর। ঘৃণায় তাড়িয়ে দাওনি কখনো, হে মহান। দেবীর চিৎকারে এখন আর আকাশ ভেঙ্গে পড়ে না... যতই মেঘের কাছে ছুটে যাই আপন সুরে...

খুব যত্ন করে স্মৃতির পাতায় হাত বোলাও। বাইরের আকাশটা উদাস করে দেয় মন। মেঘের উপর ভর দিয়ে আমি ছুটে চলি আপন নিশানায়। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভাবি, মেঘে ভর করে যদি ভেসে যেতাম...


দেবদূত
গোপনে চেপে রাখি তার চাপা হাসি
জড়িয়ে রাখি তারে কবিতার সংলাপে
চিরচেনা... ক্রুদ্ধ ফেরত! শুদ্ধ কবিতা!

উৎ‍সাহ দিনে-দিনে থামে, করুনায়
যার ভেতর সুন্দরের নাচ দেখে নেয়া
আহা!...
বোধের শক্তি নেই; কেবলি প্রতিউত্তরবিহীন
সম্মুখ থেকে দেখে নিই যার শেষকীর্তন

অমিমাংসিত থেকে যায় কিছু চাওয়া পাওয়া
চিরচেনা... ক্রুদ্ধ ফেরত! শুদ্ধ কবিতা!

মেঘের ভেতর আমি আমাকেও চিনি দেবদূত
চিরন্তন উৎ‍সর্গ করে যাই একটি শুদ্ধ কবিতা!


শূন্যতা
আমাকে টেনে রাখছে শূন্যতা। অবিকল দু'হাত ধরে, আমার সমস্ত সত্তায় ভর করে— সে বিশ্বস্ত হাতে আরও চেপে ধরে… গ্রাস করে সমস্ত কিছু। আহার, নিদ্রা নাই। সে আমার কানে ফিসফিস করে বলে- আপন কথা

ট্যাবের জলে সেও ঝলঝল করে, জলরঙ মাখি। রাতের রঙ ফিকে হয়ে আসলে সূক্ষ তারতম্যে স্তরে-স্তরে প্রলোভিত করে। আকাশের নীল রঙ লীন হয়ে আসে। মোহজটিলতা ঘুরপাক খায়
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29202269 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29202269 2010-07-18 06:03:47
সহজ সমীকরণ রাত
অন্ধকার ঝুলে থাকে মাথায় উপর
আমি যে সত্য পেতে যাচ্ছি...
উল্কার মত নিম্নরেখায় নেয়া গেল না
একটি সহজ সমীকরণের

চিরচেনা তার আশাবাদী চোখ, গির্জার ফোঁটাফুল
মসৃণ বৈসাদৃশ্য; একটি পরিপূর্ণ গির্জায় গায়কদল

অধিকার বলে হরণ করে নিলে কালের যাত্রা
শব্দের নগরে বাস করে ঘুমন্ত নেশা
বক্ররেখায় নিশিদাগ; পিছনের বাঁকে ছুঁড়তে থাকি

অপেক্ষা, বোধের চোখে


নিয়তি
প্রকৃতির নিয়ম, ভাগ্যের সূত্রেগাঁথা! আলতোভাবে বলেছিলে কাল অপেক্ষা করো সেদিনের মতো...। আমার পুরো অস্তিত্বের গোপন সংশয়ে পার হয় নির্ঘুম রাত। অপেক্ষা আর অপেক্ষায় আমি অতিরিক্ত বোধ থেকে নিজেকে সংযত রাখতে চেয়েছি বহুবার, আপন জিজ্ঞাসায়। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের জমজমাট খেলা এখানে নয়, আছে একটি বোবা গোঙানির শব্দ, অসংলগ্ন বাক্যালাপ কান পেতে শুনি... যত পারো বলে যাও, কাঁকনের শব্দে ভাঙ্গে না নেশা! প্রচণ্ড আক্ষেপ উঠে দাঁড়াই। একি আমার ভাগ্য, না নিয়তি!

আমি আবারও কাঁদতে ভুলে যাই


সুখটান
হেমন্তের শুভ্র ডানা ভরে এনে দাও সুখ
গোপনের বুক চিরে খুঁজি মুখ… স্বর্গসুখ

পতন নিঃশব্দ টেনে ধরে আঁখি… চিরন্তন
দূরে সরে যেতে শুভ্র আভায় লুটাবে মিলন

বৃষ্টি আর স্বর্গের দেবদূত হাসে মিটিমিটে
চোখে বুজে বৃষ্টির আবেশ; সুখটান খুঁটে

ইচ্ছা করে গায়ে জড়াই, মিশে যাক নিঃশ্বাস
স্বর্গ আর দেবদূত একই রকম বিশ্বাস


নিরুপায়
আমাকে আর কাঁদাইও না... দোহাই। এজীবনে কোন প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়াইনি! নির্বোধের মত একাকী সঙ্গী নিজের ছায়া, চিরকাল যার জন্য প্রতীক্ষা, সে আমাকে কাঠগড়ায় দেখতে চায়। তারচে' আরো বেশি নির্বোধ আমি, বলার সাহস নেই। চোখের ভেতর শ্বাসজল দেখে মিনতি টেনে ধরো

বিলম্বের জন্য কান্না চেপে রাখি। যেখানে শুরু হয়েছিলো, সেখানে ফিরে যেতে মন আকুল হয়ে ওঠে। নিজেকে কখনো পরিপূর্ণ একজন ভাবতে পারি না। অপরাধী ভেবে পিছনে হাঁটি। সময়ে শ্বাস‌-প্রশ্বাস ভারী হয়ে আসে। নিজেকে সামলে নিই; যতবার মুখোমুখি দাঁড়াই

হাতে হাত রেখে দেবতার আসনে তোমাকে সাজাই। আসন পাতি, মুখোমুখি বসি না; আমি নিরুপায়…


স্পর্শ
স্পর্শে কৃপণ নই; স্বপ্নে খেলি
স্বপ্নে হারাই
নিজেকে নিজে প্রশ্ন করো দেখো—
কখনও কি স্পর্শের ঠোঁটে
অবিশ্বাস দেখেছো?

ভালোলাগার মুহূর্ত চেপে যাই চোখ বুজে
আমি বরাবরই কৃপণ, তোমার ভাষায়!
সুদূরে দেখি নিজেকে, ছায়া মাড়িয়ে
তোমার চুপ থাকার দৃশ্য উপভোগ করি, আর
আমার হৃদয় থেকে ঝরে পড়ে তুষারের ঘাম
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29196835 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29196835 2010-07-11 10:00:31
গোপন
তারে বাঁধতে পারি না বাহুডোরে, চাওয়া-পাওয়া সংশয়ে ছোট হয়ে আসে… তুই থাক না অতি গোপনে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29193987 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29193987 2010-07-06 22:43:58
স্নায়বিক
সাহসিক পরিচর্চায় হাতের নাগালে ধরা দেয় ধুমকেতু, অনায়াসে পা বাড়াই, স্বপ্নের ঘোরে হাঁটি, ওপারে নামে বর্ষা… স্নায়বিক পরিচর্যা শুরু হলে আমার কিছু বলার থাকে না

মনের চোখ থেকে একটি মিনিটের জন্য আড়াল করতে পারি না; ফের চোখে চোখ রাখি; চোখের ভাষা বুঝে নিই আপন মহিমায়। চোখ যে কখন হলো রুদ্ধভাষা!

রূপভেদে ভিন্নতার ছাপ রেখে যাও গোপনে বিরুপ ভৎসনায়। নিজের আড়ালে দেখি, তার স্বরুপ। চোখে ছেঁড়া পাপড়িতে মিলিয়ে নেয়া দুঃখ। আমি আর কিছু ভাবতে পারি না
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29189548 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29189548 2010-07-01 15:58:37
আসক্তি উপলব্ধি
আমার মনে যে ক্ষণ ক্ষণ রঙ বদলানোর
চিত্র
আমার অন্ধকার সময়ের যে হাহাকার
ধ্বনি
ভালোবাসার কথা কান ভরে শোনার যে
আকাঙ্খা


চাওয়া-পাওয়ায় পাপ নেই, দ্বন্দ্ব-সন্দেহ নেই
গভীর অনুরাগে দীপ্তিশূন্য অদৃশ্য ছায়া ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29186841 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29186841 2010-06-28 09:22:32
নিদ্রা বার বার ওপাশের সুনসান শব্দ কানে বাজে

কার নিঃশ্বাস জুড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছো
মেঘজল
শ্বাস‌-প্রশ্বাসে জন্ম নেয় বিস্ময় খুলে

চোখে লেগে থাকে গ্রহণ
নীরব ভূকম্পন
নিদ্রা ঝুলে আছে

মনের কিছু কথা বলে যাই নিস্পৃহ ঠোঁটে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29184126 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29184126 2010-06-24 14:45:48
দেহভাঁজ দেহভাঁজ



তারে খুব কাছাকাছি রাখি।নিজের সাথে বনিবনা না হলে, চোখের আড়াল করি। ...আর শূণ্যতা! সে-ও এক হাহাকার! আকুতি নিয়ে ফিরি বারা বার। কিসের দর্শনে এমন করে উঠে চারপাশ!

আকুতি নিয়ে করি নাড়াচড়া- দেহস্বপ্নভাঁজ

২।
খুব ফুরফুরে সময়টা পার হলে; আদিম নিয়ম ভেঙে দাঁড়াই। নিজেদের অন্যকিছু ভাবতে পারি না। শুধু পাশবিক পূজো ছাড়া...

কী হবে আর স্বপ্নের সাথে বসবাস করে। এসো, নেমে পড়ি জলে… জল সেঁচি


৩।
এতো নির্ভর কখনো ছিলাম না। গত ক'দিন ধরে ভাবছি থিয়েটারে যাবো, সাথে কিছু কেনাকাটা। এতোটা পাশাপাশি থেকেও মনে হয় অনেক দূরে... সবকিছু কেমন যেন, শ্বাসরূদ্ধ অবস্থা!

এরপরও আমি নতুন করে স্বপ্ন দেখি। বুননের মাঝে নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করি…


৪।
ক্লান্ত দেহে আবারও রিসিভার তুলি, ও-পাশ থেকে হারিয়ে যাওয়া ক্ষীণ কন্ঠে তোমার জলছবি দেখি… প্রহর জমা হতে হতে বাড়ছে আগ্রহ, এ-বেলা ও-বেলা কেমনে যে ফুরায়! ঘোর কেটে না।তুমি কথা না-বললে বুক চৌচির, যদি এসে বলো… কানভরে শুনি

নিয়তি আমার, বদলা নিতে নিতে বারবার হেরে যাওয়া


৫।
নিজেকে আড়াল রাখা; সে-ও কি এক ধরণের লুকোচুরি! ইচ্ছেমতো করছি আনাগোনা… বাঁধতে পারি না লাজে। অভিলাস সেতো লুকিয়ে রেখেছি নয়নজলে। ভাবি এই বুঝি রিসিভারটা আবার টেনে ধরলো! গর্জে উঠলো আমুক নিয়মে। মানে না কোন বাধাঁ... সবকিছুর ভিতর লুকিয়ে থাকে জানাশোনা

শরতে সাদা মেঘের কাছে আজও জানা হলো না; ডুবে যেতে যেতে কেনো আবারও ভাসি অপয়াজলে...


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29181717 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29181717 2010-06-21 04:19:07
অদৃশ্য দখল
এ জীবন দখল হয়ে গেছে এক অদৃশ্য সীসায়।মৃত মানুষের ওজন নাকি সীসার চেয়েও ভারী?সংকীর্ণ আসনে প্রতিযোগিতা জীবনঋজু]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29177959 http://www.somewhereinblog.net/blog/chitiblog/29177959 2010-06-16 09:35:37