ঢাকা, জুন ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দেশের প্রথম বেসরকারি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) ২৫ জুন থেকে চালু হচ্ছে।
ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসেস লি. এর চেয়ারম্যান এ মান্নান খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে দু'টি পয়েন্ট অব প্রেজেন্স (পিওপি) চালু করা হবে। পরবর্তী সময়ে তা আরো সম্প্রসারন করা হবে।
ঢাকার কমিউনিকেশন সলিউশন লিমিটেডের অধীনস্থ ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসেস লিমিটেড ও বহুজাতিক করপোরেশন সিসকো সিস্টেমের অংশীদারিত্বে এই গেটওয়ে স্থাপন করা হচ্ছে।
মান্নান খান বলেন, সিসকো কারিগরি সহযোগিতার কাজ করবে এবং ম্যাঙ্গোকে কম খরচে গুণগত ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করবে।
সিসকোর ভারত ও সার্ক অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজেস চেইনানি দিল্লি থেকে ফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "উচ্চ ব্যান্ডউইডথের ইন্টারনেট যে একটি দেশের অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে তা প্রমাণিত।"
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করলে ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসেস গত ২৫ ফেব্র"য়ারি আইআইজি'র লাইসেন্স পায়।
ম্যাঙ্গো এর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে (আইএসপি) উচ্চগতি ও উচ্চ ব্যান্ডউইডথের আন্তর্জাতিক সংযোগ দেবে। ম্যাঙ্গোর নেটওয়ার্ক কাঠামো বাংলাদেশের 'ইন্টারনেট ট্রাফিক' একশ' গুণ বাড়লেও তার চাহিদা পূরণে সক্ষম বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ম্যাঙ্গো'র আইআইজি বাংলাদেশের বর্তমান সাবমেরিন কেবল্ সংযোগের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এছাড়া অন্য একটি সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত স্যাটেলাইট আর্থ স্টেশন বা ভিস্যাট এর সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা (ব্যাকআপ) বজায় রাখবে তারা।
রাজেশ চেইনানি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য সর্বোচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তোলা যাতে ভোক্তাদের সময়ানুযায়ী ও কম খরচে সেবা দেওয়া যায়।"
তিনি বলেন, "আমাদের বিশ্বাস, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এর চাহিদা নয় গুণ বাড়বে।"
সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইডথ খরচ অনেক কমে গেছে। এতে করে বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ বাজারের সম্প্র্রসারণ ঘটেছে। তবে এখনও এখানে ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের গতি সেকেন্ডে ২ গিগাবিটের কম। ২০০৭ সালের হিসেবে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার এক শতাংশের নিচে (দশমিক ৩৫ শতাংশ); অপরদিকে এশিয়ায় এর গড় হার ১২ শতাংশের বেশি।
ম্যাঙ্গো দাবি করেছে নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ শেষ করার পর গ্রাহকরা ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানে আরো বেশি গতি পাবে।
চেইনানি বলেন, "আগামী তিন বছরে বাংলাদেশে আইপি ব্যাকবোন (ইন্টারনেটে তথ্যপ্রবাহের গতি) এর চাহিদা সেকেণ্ডে ২০ গিগাবিটে পৌঁছাবে।"
তিনি বলেন, "আমরা মনে করি বাংলাদেশে ম্যাংগোর কার্যক্রম চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে এটি এদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত।" ঢাকা, জুন ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দেশের প্রথম বেসরকারি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) ২৫ জুন থেকে চালু হচ্ছে।
ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসেস লি. এর চেয়ারম্যান এ মান্নান খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে দু'টি পয়েন্ট অব প্রেজেন্স (পিওপি) চালু করা হবে। পরবর্তী সময়ে তা আরো সম্প্রসারন করা হবে।
ঢাকার কমিউনিকেশন সলিউশন লিমিটেডের অধীনস্থ ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসেস লিমিটেড ও বহুজাতিক করপোরেশন সিসকো সিস্টেমের অংশীদারিত্বে এই গেটওয়ে স্থাপন করা হচ্ছে।
মান্নান খান বলেন, সিসকো কারিগরি সহযোগিতার কাজ করবে এবং ম্যাঙ্গোকে কম খরচে গুণগত ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করবে।
সিসকোর ভারত ও সার্ক অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজেস চেইনানি দিল্লি থেকে ফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "উচ্চ ব্যান্ডউইডথের ইন্টারনেট যে একটি দেশের অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে তা প্রমাণিত।"
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করলে ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসেস গত ২৫ ফেব্র"য়ারি আইআইজি'র লাইসেন্স পায়।
ম্যাঙ্গো এর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে (আইএসপি) উচ্চগতি ও উচ্চ ব্যান্ডউইডথের আন্তর্জাতিক সংযোগ দেবে। ম্যাঙ্গোর নেটওয়ার্ক কাঠামো বাংলাদেশের 'ইন্টারনেট ট্রাফিক' একশ' গুণ বাড়লেও তার চাহিদা পূরণে সক্ষম বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ম্যাঙ্গো'র আইআইজি বাংলাদেশের বর্তমান সাবমেরিন কেবল্ সংযোগের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এছাড়া অন্য একটি সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত স্যাটেলাইট আর্থ স্টেশন বা ভিস্যাট এর সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা (ব্যাকআপ) বজায় রাখবে তারা।
রাজেশ চেইনানি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য সর্বোচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তোলা যাতে ভোক্তাদের সময়ানুযায়ী ও কম খরচে সেবা দেওয়া যায়।"
তিনি বলেন, "আমাদের বিশ্বাস, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এর চাহিদা নয় গুণ বাড়বে।"
সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইডথ খরচ অনেক কমে গেছে। এতে করে বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ বাজারের সম্প্র্রসারণ ঘটেছে। তবে এখনও এখানে ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের গতি সেকেন্ডে ২ গিগাবিটের কম। ২০০৭ সালের হিসেবে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার এক শতাংশের নিচে (দশমিক ৩৫ শতাংশ); অপরদিকে এশিয়ায় এর গড় হার ১২ শতাংশের বেশি।
ম্যাঙ্গো দাবি করেছে নেটওয়ার্ক স্থাপনের কাজ শেষ করার পর গ্রাহকরা ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানে আরো বেশি গতি পাবে।
চেইনানি বলেন, "আগামী তিন বছরে বাংলাদেশে আইপি ব্যাকবোন (ইন্টারনেটে তথ্যপ্রবাহের গতি) এর চাহিদা সেকেণ্ডে ২০ গিগাবিটে পৌঁছাবে।"
তিনি বলেন, "আমরা মনে করি বাংলাদেশে ম্যাংগোর কার্যক্রম চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে এটি এদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত।"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

