somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খালেদা জিয়া বিশ্বাস করেননিঃ হাসিনা জানতেন ১২ জানুয়ারির মধ্যে মার্শাল ল হবে

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মূল লেখা এখানে
মোখলেসুর রহমান চৌধুরী। রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহমেদের সাবেক উপদেষ্টা এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক। বাংলাদেশের বৈদেশিক সাংবাদিক সংস্থা ওকাব-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট জনাব চৌধুরী ১/১১-এর জ্বলন্ত সাক্ষী। যে ক’জন মানুষ ১/১১’র ঘটনা ঘটার সময় উপস্থিত ছিলেন তার মধ্যে মোখলেস চৌধুরী অন্যতম। তিনি সব কিছু খুব কাছে থেকে দেখেছেন। ১/১১ কার ইঙ্গিতে হয়েছে, কীভাবে হয়েছে সব কিছুই নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি নিশ্চিতভাবে ১/১১’র ইতিহাসের একটি অংশ। বঙ্গভবন থেকে বের হবার পর তিনি এই প্রথম বারের মত কোন মিডিয়ার মুখোমুখি হলেন। তিনি সম্প্রতি আমেরিকায় বেড়াতে এসেছিলেন। আমেরিকায় অবস্থানকালে ঠিকানাকে দেয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাতকালে অনেক চালঞ্চল্যকর, শিহরণ জাগানো কথা বলেছেন। বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১/১১ এর ঘটনার কথা বিশ্বাস করতে চাননি, আর আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা জানতেন ১২ জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে মার্শাল ল’ জারি করা হচ্ছে। এই সাক্ষাতকারে জনাব চৌধুরী পুঙ্খানুপুঙ্খ ১/১১ এর সমস্ত ঘটনা তুলেছেন যা পাঠকদের দীর্ঘদিনের সুপ্ত কৌতুহল মেটাবে। এখানে সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য প্রশ্নোত্তরাকারে তুলে ধরা হলো-
ঠিকানাঃ আপনি কবে এবং কী কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন?
মোখলেসঃ যুক্তরাজ্য সফর শেষে এখন যুক্তরাষ্ট্র সফর করছি। আতীয়- স্বজন ও বন্ধু- বান্ধবদের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে।
ঠিকানাঃ ব্যক্তিগত সফরে এলেও দেখা গেছে আপনি কংগ্রেসম্যানসহ অন্যান্য কর্মকতাদের সাথে বৈঠক করেছেন, দেখা করেছেন, বিষয়টি কি বলবেন?
মোখলেসঃ কংগ্রেসম্যান জোসেফ ক্রাউলিসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট, হোয়াইট হাউজ এবং জাতিসংঘের অনেক কর্মকর্তার সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে। কাজের কারণে অনেকের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং সেই সুবাদে তাদের সাথে আমার সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। তারা যখন ঢাকায় গিয়েছিলেন তখন বঙ্গভবনেও তাদের সাথে আমার সাক্ষাত হয়েছিলো।
ঠিকানাঃ ক্রাউলি ছাড়া আর কার কার সাথে বৈঠক হয়েছে?
মোখলেসঃ ক্রাউলি ছাড়া আর যাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে তারা অফিসিয়াল। তারা জনপ্রতিনিধি নন। বাংলাদেশ আমাদের দেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নে আমাদেরকেই ভূমিকা রাখতে হবে সম্মিলিতভাবে, জাতিকে বিভক্ত করে নয়। একটি ঐক্যবদ্ধ জাতিসত্তা আমাদেরকে দেশে- বিদেশে তুলে ধরতে হবে। যে জাতি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে আতপ্রকাশ করেছে, সে জাতিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ভাল দিক আছে, যেগুলো প্রবাসী বাংলাদেশীরা গ্রহণ করবেন। আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে হিংসা- বিদ্বেষ, ঘৃণা, তুলনা, হায়- আপসোস ইত্যাদি বিরাট সমস্যা। অনেক মানুষ অলস জীবন যাপন করে। আমেরিকাসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের উন্নত জীবনের সাথে প্রবাসী বাংলাদেশীরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন ঠিক সেইভাবে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে মানব সম্পদ। এই মানব সম্পদকে কাজে লাগাতে হবে। জাতির সামনে এবং নেতৃত্বের সামনে ভিশন এবং মিশন দুটোই থাকতে হবে। বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও তারা পরস্পর পরস্পরের শক্র নয়- এই মানসিকতা যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত জাতিকে অনেক খেসারত দিতে হবে। রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের জনগণ দুই ভাগে বিভক্ত। কিন্তু জাতি হিসাবে আমরা ঐক্যবদ্ধ। রাজনীতি আমাদের করতে হবে। নির্বাচনের মধ্যদিয়ে একটি দল ক্ষমতায় যাবে, আরেকটি দল অবস্থান নিবে বিরোধী দলে। যখন যারা ক্ষমতায় যাবেন তাদের মনে রাখতে হবে- সারা দেশের মানুষের দায়িত্ব তাদের উপর অর্পিত- এই মানসিকতা যতক্ষণ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা সংকীর্ণতা পরিহার করতে পারবো না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে তাদের আপন আপন অবস্থানে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন। জাতীয় নেতাদের নিয়ে আমাদের বিতর্কের অবসান ঘটাতে হবে। রাজনীতিই আমাদের বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে, এই রাজনীতিকে ধ্বংস করা যাবে না।
ঠিকানাঃ আপনি কি বিশ্বাস করেন, যে রাজনীতির উপর ভিত্তি করে দেশ স্বাধীন হলো, গণতন্ত্রিক আন্দোলন হলো সেই রাজনীতি এখন ধ্বংস হবার পথে? সেই আশংকা থেকে এই সব কথা বললেন?
মোখলেসঃ অনেকটা তাই। বর্তমানে বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে রাজনীতি মহাসংকটে নিপতিত।
ঠিকানাঃ এর কারণটা কী এবং এই আংশকার সঙ্গে ১/১১ এর যে পরিবর্তন তার কোনো সম্পর্ক আছে?
মোখলেসঃ আমি ১/১১ নিয়ে এই মুহূর্তে কোন মন্তব্য করবো না। দেশের বাইরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা শোভন হবে না। তবে এটুকু বলা যায়- আমাদের সংবিধান আমাদেরকে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা উপহার দিয়েছে। দুর্নীতি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পৃথিবীতে মানুষের আগমনের পর থেকে দুর্নীতি দেশে দেশে শেকড় গেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতেও বড় বড় দুর্নীতি রয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপান ও রাশিয়ার মতো উন্নত দেশেও লবিং, বিভিন্ন ফান্ড রেইজিং ও নির্বাচনের নামে দুর্নীতি হয়ে থাকে। ওয়াটারগেইট ও বোফোর্স কেলেংকারীর মতো দুর্নীতি বাংলাদেশে হয়নি। সিলিকন ভ্যালিতে যে দুর্নীতি হয় কয়েকটি বাংলাদেশ মিলেও সে দুর্নীতি হয় না। বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের সংজ্ঞায় রাজনীতি বা নির্বাচিত সরকারকে বলা হয় মাস্টার, আর সরকারি কর্মকর্তাদের বলা হয় সার্ভেন্ট। প্রত্যেকের দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হয়েছে, কেউ কারো সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়। বর্তমানে দেশে অগণতান্ত্রিক শাসন চলছে- যে ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানে নেই। সংবিধান অনুযায়ী কেয়ারটেকার সরকারের মেয়াদ ৯০ দিন এবং জরুরী অবস্থার মেয়াদ ১২০ দিন। সংবিধানে যে শাসন ব্যবস্থা নেই সেটিই অসাংবিধানিক এবং অবৈধ। সংবিধান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে প্রেসিডেন্ট স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার বৈধ। কেয়ারটেকার সরকার প্রধান নিয়োগ দানের ক্ষেত্রে আমাদের সময় দায়িত্ব নেয়া তথা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের কথা সংবিধানে উল্লেখ আছে। পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদ সংবিধান অনুযায়ী দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ করে নিয়োগ করা হয়নি। সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়োগের ক্ষেত্রে যে ৬টি অপশন আছে তাতে বিচারপতিদের চারটি অপশনের পর এবং প্রেসিডেন্টের ৬ষ্ঠ অপশনটি ছাড়া যে পঞ্চম অপশনটি রয়েছে তাতে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ করে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের বিধান রয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সংবিধান লংঘন করা হয়েছে।
ঠিকানাঃ এর জন্য প্রধান দুটো রাজনৈতিক দলকে আপনি কতটুকু দায়ী মনে করেন?
মোখলেসঃ আমাদের রাজনৈতিক সহনশীলতার অভাব ও আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অদূরদর্শিতার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। দেশের স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব যাদের ওপর অর্পিত তাদের নেতৃত্ব পর্যায়ে বিশ্বাস করে যাদেরকে বসানো হয়েছিলো এবং কতিপয় রাজনৈতিক নেতা শটকাটে ক্ষমতায় যেতে ও দুর্নীতর কথিত বিচার থেকে বাঁচতে বেঈমানী করেছেন, বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
ঠিকানাঃ অনেকেই বলেন ১/১১ পূর্ব পরিকল্পিত। আপনিতো এই ঘটনার ঐতিহাসিক সাক্ষী। কিছু বলবেন কি?
মোখলেসঃ এই ঘটনা যেদিন ঘটেছে সে দিন এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। অনেক আগে থেকেই এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিলো। দুই নেত্রীকে আমি একাধিকবার আমার আশংকার কথা ব্যক্তও করেছিলাম। তাদের দুই জনকে এক সাথে বসাতে চেয়েছিলাম। বেগম খালেদা জিয়া বসতে রাজি হয়েছিলেন কিন্তু শেখ হাসিনা বসতে চাননি। কারণ বিএনপির ওপর শেখ হাসিনার ক্ষোভ ছিলো।
ঠিকানাঃ ড. কামাল হোসেনের কোন ভূমিকা ছিল?
মোখলেসঃ ড. কামাল হোসেন, বি. চৌধুরী এবং কর্নেল অলি দীর্ঘদিন থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর জন্য ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছিলেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অংশ বিশেষও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলো। পাঁচ বছরে বিএনপি সরকারের পুরোটা ভোগ করে সেই সরকারের বিদায়ের আগে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী বি. চৌধুরী ও কর্নেল অলির দলে ঘটা করে যোগদানের ঘটনাতো সবাই দেখেছেন। ড. কামালতো ২০০৫ থেকে এ প্রক্রিয়ায় জড়িত উল্লেখ করে হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিয়েছেন। ড. কামাল সম্পর্কে আব্দুল গাফফার চৌধুরী ও শেখ হাসিনা যা বলেছেন তাতে সব পরিষ্কার হয়ে গেছে। তার কালো টাকা সাদা করা, ট্যাক্স ফাঁকি দেয়া, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে থাকা, নির্বাচনে জয়লাভ না করতে পারা ও অগণতান্ত্রিক শক্তির দালালী করার ঘটনার সাক্ষীতো সবাই।
ঠিকানাঃ আপনি কি মনে করেন ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে এবং যে নির্বাচন হবে তার মাধ্যমে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে?
মোখলেসঃ এখন সরকারের যে প্ন্যান রয়েছে বা তারা যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে তাতে করে মূল সাঁতারুদের হাত পা বেঁধে তাদের পানিতে ফেলে সাঁতার দেয়ার মতো ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কৃত্রিমভাবে সীমিত সংখ্যক জনপ্রতিনিধিকে নির্বাচনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। তাতে প্রকৃত জন রায় ফুটে উঠবে না।
ঠিকানাঃ নির্বাচন হবে বলে কি আপনি মনে করেন?
মোখলেসঃ নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচন কীভাবে করা হবে সেটাই প্রশ্ন।
ঠিকানাঃ ১/১১ পর শেখ হাসিনার সাথে আপনার কি যোগাযোগ হয়েছে বা কথা হয়েছে?
মোখলেসঃ শেখ হাসিনা একজন নেত্রী। তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ হতেই পারে।
ঠিকানাঃ দুই নেত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী?
মোখলেসঃ দুর্নীতি দমন অভিযান প্রথমে যেভাবে শুরু করা হয়েছিল দুই নেত্রী তাতে কোনো আপত্তি করেননি। দুই নেত্রীকে আনটাচড রেখে সত্যিকার অর্থে যারা বাংলাদেশে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদের যদি সুষ্ঠু বিচার করা হতো তাহলে আমার দৃঢ়বিশ্বাস দুই নেত্রীর সমর্থন সরকার পেত এবং এর মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসতো তাদের পক্ষে দুর্নীতি করা কঠিন হয়ে পড়তো। দুই নেত্রীর বিরুদ্ধে মামলাগুলো যদি সৎ উদ্দেশ্যে দেয়া হতো তাহলে তাদের বিদেশে চিকিৎসায় পাঠালে পরে দেশে ফেরা যাবে না, রাজনীতি ছাড়তে হবে, রাজনীতি ছাড়লে দুর্নীতির মামলা তুলে আজীবন সম্মান ও মর্যাদা দেয়া হবে ইত্যাদি উদ্যোগ নেয়া হয় কেন? এর ফলে সবাই আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারছেন বলে আমি মনে করি। দুই নেত্রীকে মাইনাস করার উদ্দেশ্য থেকে প্রমাণিত হয় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি এখানে মুখ্য উদ্দেশ্য নয়, মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদেরকে নেতৃত্ব থেকে বের করে দেয়া। বাংলাদেশের জনগণ যদি তাদেরকে চায়, তাহলে পৃথিবীর এমন কোন গণতন্ত্র আছে, যে গণতন্ত্রে তাদের বের করে দেয়ার কথা বলা হবে! আমি এক দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা করবো আরেক দিকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধা করবো অথচ তাদের উত্তরাধিকার হিসাবে যারা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন সেই দুই নেত্রীকে মাইনাস করতে চাইবো, এটা কি গণতন্ত্রের পক্ষে? আমরা একটি নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম যে নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ মহা জোট অংশ নিয়েছিল। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতো। এই দুটি দলের একটি দলকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে তা ছিলো আমাদের কল্পনারও অতীত। কিন্তু আজ দেখছি একটি প্রধান দল নয়, দুটি প্রধান দলকে বাইরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটাই কি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শপথ বাস্তবায়নের নমুনা?

সংক্ষিপ্ত ...... পুরোটা পড়ুন মূল লেখায়..
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০১
১৪টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×