somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ডেট লাইন ঢাকা : ২২ নভেম্বর ২০১০; অপরাহ্ন
কিছু বলিলে সবাই হারে রে রে করিয়া ছুটিয়া আসিবে, তাই মুখ খারাপ করিলাম না। তবে উহাদের সম্পর্কে কিছু বলিতে হইলে বেবুজ্জেদের ভাষা রপ্ত করা লাগিবে। উহাদের মস্তিষ্কে বিবাহিত দম্পতি মানেই পরকিয়া আক্রান্ত, ভালবাসা মানেই পরিচিত কাহারো ফ্ল্যাটে গমন করিয়া প্রেমিকা রমন! হয়তোবা শৈশবে উহারা এমন পরিবেশেই লালিত পালিত হইয়াছিল, হয়তোবা পারিবারিক চরিত্রহীনতা উহাদের মগজে স্থায়ী ক্ষত সাধন করিয়াছে, কে জানে!!

আরো বেশি হতবাক হইলাম যখন চোখে পরিল অন্যরাও এই একই ফর্দ মানিয়া এইবারের নাটক নামের বিষ্ঠা ত্যাগ করিয়াছেন। যাহা হউক, দুই দিনের টেলিভিশন দর্শনে নব্য বাঙালি সমাজ সম্পর্কে নিদারুণ জ্ঞান অর্জিত হইলো।

মীর শওকত আলী পরলোক গমন করিয়াছেন। কয়েক দিবস পূর্বে উনার পুরানো এক সাক্ষাতকার দেখিয়া বুঝিলাম একজন মুক্তিযোদ্ধার গহীন তম অহম উনি শেষ মুহুর্ত অবধি ধারন করিয়াছিলেন। বিনম্র শ্রদ্ধা!

বরই পেরেশানির মধ্যে দিন কাটাই, খবরের কাগজে ছাত্র-অছাত্র-কুছাত্র বাদ দিয়া শুধু "লিগ" শব্দ খানা দেখিলেই মনটা হু হু করিয়া উঠে। কাহার পুত্র আর বাড়ি ফিরিবে না, কাহার কন্যা সম্ভ্রম হারানোর লজ্জায় আত্মাহুতি দিবার কথা ভাবিবে। ইহার সাথে যোগ হইয়াছে হরতালের গুজব। কাঁপিয়া উঠি, ঘুম কিংবা জাগরনের মধ্যেও। অর্ধলক্ষ বর্গমাইলের এই ছোটখাট দেশটাকে আরো বহুকাল ধর্ষিত হইতে হইবে বোধকরি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29275897 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29275897 2010-11-22 16:06:22
নাস্তিকদের লাশ দিয়ে "আরো" যা যা করা যেতে পারে। দ্বিপ্রহর রাতে শোনা যায় উল্লাস শীৎকার
জেগে ওঠো পুণ্যাত্মা, মুমিন মুসলিম
তুমুল জোৎস্নায় ধোয়া পবিত্র মাটিতে
ঐ দেখ পরে আছে নাস্তিকের লাশ।

কবরের আজাব কিম্বা দোজখের সাজা হবে পরে
ঈশ্বর সাধক বৃন্দ, সাঙ্গ কর কাজ
রাত বাকি নেই মোটে, সময় অল্প খুব
প্রতিশোধে স্পৃহা নিয়ে ছুটে এসো সবে।

শুরু হোক পায়ের মাংসল পেশী হতে,
কি দুঃসাহস, ঈশ্বরের জমিনে পা রেখে তাকেই অবজ্ঞা!
ছিড়ে ফেল মাংস পেশী, ছুড়ে দাও শেয়ালের ঠোঁটে,
কষ বেয়ে নেমে আসা রক্তে হোক হোলী।

এর পর হাতের আঙ্গুল কেটে তুলে দাও
কুকুরের মুখে। নরম হাড়ের লোভে তার মুখ লালা ভরপুর।
ডেকে আনো শকুন, পেট ছিড়ে খুড়ে ফেলে
উপড়ে নাও ফুসফুস।

হুশিয়ার! এর হৃৎপিন্ডে যা তা নয়, দ্রোহের আগুন ছিল।
বুকের পাঁজর গুলো লোহার করাতে কেটে
জড়ো করে রাখো পাশে। কানের একটু ওপরে ঢুকিয়ে দাও
ছ' ইঞ্চি গজাল।

যা কিছু রইলো বাকি, ছুড়ে ফেল ভাগাড়ের কোনে। পূব দিক ফর্সা
হয়ে এলো প্রায়। মসজিদে শোনা যায় ডাক।
আসসালাতু খায়রুম মিনান নাওম। কে ছিল ঘুমন্ত আজ?
ঘোর লাগা ক্লান্ত চোখে, হে ঈশ্বর সাধক, আজ তবে বাড়ি ফেরা যাক।

কান উত্কর্ণ রেখ, আবার ঘোষনা হবে কাল,
হুশিয়ার! হুশিয়ার!!




নিচের লেখাটি এবং তার বিভিন্ন মন্তব্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে..।

নাস্তিকদের লাশ দিয়ে যা যা করা যেতে পারে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29228459 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29228459 2010-08-23 20:35:54
আমি চাই হিন্দু নেতার সালমা খাতুন পুত্রবধূ; আমি চাই ধর্ম বলতে মানুষ বুঝবে মানুষ শুধু
আমি প্রচণ্ড অবিশ্বাস এবং আশংকা নিয়ে লক্ষ্য করছি আজকাল সামহ্যয়ারইন ব্লগে নাস্তিকতার বিরুদ্ধতার নামে যা হচ্ছে তা নেহায়েতই সাম্প্রদায়িক উস্কানি। বাংলাদেশের ৯০ ভাগ মানুষ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে বলেই বিরুদ্ধতাও ইসলামের সাথেই হয়। এটা মনে করা নেহায়েতই বোকামি যে নাস্তিকরা হিন্দু তাই মুসলামনদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে।

বহু বছর ধরে এদেশের মানুষের ভেতর যে সাম্প্রদায়িক সুসম্পর্ক বিরাজ করছে তা অটুট থাকবে বলে আমার বিশ্বাস। সাম্প্রদায়িক ভাবে চূড়ান্ত নোংরা শব্দ ব্যবহার করে অন্য ধর্মের কাউকে আঘাত করাকে ধিক্কার জানাই।

কোন ধর্মের স্বঘোষিত রক্ষাকর্তাগনের যুদ্ধ ধর্মহীনদের বিরুদ্ধে হতে পারে, অন্য ধর্মের কারো বিরুদ্ধে হওয়াটা নেহায়েতই নোংরামি।

ডিসক্লেইমার: ব্যক্তিগত জীবনে আমি ধর্মহীন একজন মানুষ। আমার ব্যক্তিগত জীবনাচরন এবং জীবনবোধ-এ সৃষ্টিকর্তার কোন স্থান নেই। তবে হুঁ, আমি মনে করি ধর্ম / ধর্মহীনতা যার যার ব্যক্তিগত বিষয় এবং সেটা নিজের ভেতর রাখাটাই যথার্থ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29215727 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29215727 2010-08-05 18:51:20
পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ!!
তখন ছিল সামরিক শাসন, জলপাই রঙের তুমুল তম বিস্তারে সারা দেশ থর থর করে কাঁপছে. কোন খবরের কাগজের ডিক্লারেশন বাতিল করাটা নিতান্তই নৈমিত্তিক ঘটনা। মনে পরে, যায়যায়দিন ছিল তখন তুমুল ফর্মে। চরিত্র-ও ছিল এখনকার তুলনায় ভিন্ন। সম্ভবত বিচিন্তা নামের একটি সাপ্তাহিককে নিষিদ্ধ করার পরের সপ্তাহে যায়যায়দিন সম্পাদকীয় পাতাটি পুরোই সাদা রেখেছিল। প্রতিবাদ হিসেবে। একবার বেশ কিছু পত্রিকার প্রথম কলামটি ফাঁকা দেখে চম্‌কে উঠেছিলাম, ওটাও প্রতিবাদ ছিল।

তখন সময় টা আলাদা, আমাদের মূল্য বোধ গুলো ছিল সতেজ, উদ্যত রাইফেলের সামনেও আমরা গণতন্ত্র মুক্তিপাক শ্লোগান বুকে নিয়ে অবলীলায় হেঁটে যেতে পারতাম। তখন সময়টা ছিল গুমোট, দম বন্ধ করা, নিষিদ্ধ ছিল অনেক কিছু-ই। তবু আমরা প্রতিবাদ জানাতে কুণ্ঠিত ছিলাম না। আমাদের ধমনীতে রক্ত গুলো তখন ঘোলাটে হয়ে যেতে শুরু করেনি। সেই সময়টায় আমার বয়স নিতান্তই ১০.

সকাল ৮ টায় ঘুম ভেঙ্গে প্রথমেই কাগজে চোখ বুলাই। ফেসবুক বন্ধের খবরটা পরার পর মনে হলো ঘরের সবগুলো জানালা কেউ শক্ত করে আটকে দিয়েছে, আমি ঠিক মতন দম নিতে পারছিলামনা। এটা নিতান্তই মানুষিক একটা অসুখ। আমি ফেসবুক সেভাবে ব্যবহার করিনা, ফেসবুক আমার ভেতর বিশেষ কোনো আবেদন তৈরি করতে পারে নি কখনই। কিন্তু তবু আমি সাফকেটেড ফিল করছিলাম।

টিভি দেখা হয়ে ওঠেনা, তবু চ্যানেল 1 বন্ধের খবরে আমার একই অনুভুতি হয়েছিল। বাংলাদেশের মতন একটা অনুন্নত দেশে ফেসবুক বা চ্যানেল 1 এখন অতটা মৌলিক অবস্থানে পৌছেনি, কিন্তু একটা খবরের কাগজ? "আমার দেশ" নামের পত্রিকাটি আমি কোনো দিন-ও খুলে দেখিনি। হতে পারে সেখানে হলুদ রঙের আধিক্য অনেক বেশি ছিল। কিন্তু "মধ্যরাতে কণ্ঠ রোধ" আমাকে সেই ২১ বছর আগের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29169362 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29169362 2010-06-03 17:17:14
সোডিয়ামের আলোয় কয়েকজন কামান্ধ পুরুষ | একজন প্রত্যক্ষদর্শীর অভিজ্ঞতা থেকে অনুলিখন
রাতের ঘড়িতে তখন দুটো কি আড়াইটে। কাওরান বাজারের নির্জন রাস্তা জুড়ে এলিয়ে পরেছে সোডিয়ামের নরম ঘোলাটে আলো, কয়েকটা ট্রাক আর বাস রাত জাগা কিছু মানুষকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো গন্তব্যের দিকে। ঘটনাটা পুরো জানা হয়ে ওঠেনি। শুধু মনে হচ্ছিলো এন.টিভির পাশের ব্রোথেল থেকে শিশুটি কেমন করে যেন বেড়িয়ে পরেছিল। পালাতে চেয়েছিল, হয়তোবা পালিয়েও গিয়েছিল প্রায়। কিন্তু মানুষের মত দেখতে ঐ পুরুষটি তাকে জোর করে ফেরাতে চাইছিল নরকে। মেয়েটি তখনো হাল ছারেনি (যদিও সে "হাল ছেরনা বন্ধু" গানটি শুনেছে বলে মনে হয়না)"।

কাওরান বাজারের রাস্তায় চলছিল এক শিশুর সাথে পুরুষাঙ্গের লড়াই!

কিছুক্ষনের ভেতরেই আরো কয়েকটি পুরুষাঙ্গ ঘিরে ধরলো শিশুটিকে; আকন্ঠ ঘৃনায় কুঁকড়ে উঠে সরে এলাম বারান্দা থেকে। অসহায়ত্বের তুমুল গ্লানি আমাকে তখন মেয়েটির চেয়েও আরো বেশি বিদ্ধস্ত করে ফেলেছে, ইচ্ছে করছিলো চরাচর কাঁপিয়ে একটি চিৎকার দিতে। পারিনি, যেমন পারিনি মেনে নিতেও, আমার আর ঐ শিশুটির অক্ষমতা!

বাচ্চা মেয়েটির কি হলো শেষে? জানা নেই, তবে অনুমান করতে পারি সহযেই। কি-ই বা আর হতে পারে। যে সমাজ তার শৈশব আর কৈশরকে গলা টিপে হত্যা করেছে তার কাছে বেশি কিছু আশা করা নেহায়েতই বাতুলতা। এই সমাজের কাছে সে শুধুই মেয়ে, একটা শরীর। সে কখনই শিশু হতে পারবেনা, পারবেনা কিশোরী হয়ে উঠতে!

সামান্য সমবেদনা জানানো ছাড়া আমি আর কিছুই করতে পারিনি ওর জন্য! আমার দু হাত বাধা, শুধু আপ্রান চেষ্টায় চোখের পট্টি টুকু খুলে রাখতে পেরেছি এখনো। কারো কাছেই নালিশ জানানোর নেই, নেই কোন অভিযোগ দাখিলের ন্যুনতম ইচ্ছে। হয়তোবা তারাই ওখানকার বাধা খদ্দের। কে জানে।

এন.টিভি, একুশে টিভি বা প্রথম আলোর পাশে গড়ে ওঠা ব্রথেলে যখন শৈশব বিক্রি হয় তখন কি-ই বা আর বলার থাকে।

(একজন প্রত্যক্ষদর্শীর অভিজ্ঞতা থেকে অনুলিখন। সময়কাল: গত সপ্তাহ)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29143518 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29143518 2010-04-27 20:12:26
নির্বংশ না করা পর্যন্ত থাইমেন না প্লিজ
আগুন পাহাড়ে জ্বলে নাকি পাহাড়িদের বুকের মধ্যে, সেইটা এখন খুবই মামুলি বিষয়। বিষয় হৈলো আবার আগুন জ্বলতেছে। না সেইটাও বিষয় না, আগুন সবসময়ই ছিল, কেউ নেভাইতে যায়নাই। বরং আরো কিভাবে আগুন জ্বালানো যায় সেইটা নিয়াই কাজ করছে সবাই।

আজ পর্যন্ত শক্তি দিয়া কোন জাতিরে দাবায়া রাখতে পারেনাই কেউ। বাংলাদেশের চেয়ে বড় উদাহরণ আর কি হইতে পারে? সেই বাঙালী কি কইরা স্বাধীন হবার কয়দিন পরেই অন্য কারো জাতীসত্বা নিয়া টান দেয়? হাজার হাজার সেটলার ঢুকায়া দিয়া যদি জাতীয়তাই বদলায়া দেয়া যাইতো তাইলে আইজও আমরা পাক সার জমিন সাদ বাদ নিয়া ফাল পারতাম।

কথা হইলো মানুষ শিখে না। নিজের ৯ মাসের রক্তক্ষরন দিয়াও আমরা শিখলাম না যে চাইলেই চাকমা বা মারমা কে বাঙালী বানান যাবেনা। যাবেনা আগুন লাগাইয়া, লুট কৈরা, খুন বা ধর্ষন কৈরা।

আগে সাগরে যাইতাম, এখন পাহাড়ে যাই। ঐখানের শান্ত সমাহীত চেহারাটা আমারে অনেক টানে। তার চাইতেও টানে মানুষ গুলা, মানুষগুলার সারল্য, নিষ্ঠা আর মানবিকতা। আমি দেখছি বান্দরবান কিম্বা রাঙামাটির বাঙালীরা কি ভয়ংকর ঘৃনার চোখে দেখে আদিবাসীদের। হালার লজ্জা শরম বইলা একটা কথা আছে; আরেকজনের এলাকায় জোর জবরদস্তি কইরা থাকুম, আর্মির পিছনে দাড়ায়া তাগোর ঘর বাড়িতে আগুন দিমু, মেয়েদের রেপ করুম, কিন্তু দোষ দিমু অগোরেই।

ভুল বুইঝেন না, অগো সব দাবীর লগে গলা মিলাইতেছি না। তবে যেই সব কারণে একটা সমগ্র জাতী নিজেদের আলাদা পরিচিতি চায় তার অনেক উপকরনই ঐখানে পর্যাপ্ত পরিমানে উপস্থিত। বাবা-মা বা সন্তানের লাশ, বোনের ধর্ষিত শরীর, নিজের বসত ভিটায় উপদ্রুতের মতন অবস্থান, জীবনের অনিশ্চয়তা...

গুলি চালাইয়া লাভ নাই হে, বরং সমাধান করেন, ওদের মানুষ হিসেবে ভাবতে শিখেন। বাধ বানায়া কয়েক লাখ মানুষরে সমূলে উৎপাটন করছেন, সেটলার ঢুকায়া কোনঠাসা করার কাজ এখনো চালাইতেছেন। এগুলা বন্ধ করেন! আয়নার সামনে দাড়াইয়া ওদের মানুষ বইলা ডাকেন একবার, দেখবেন সমস্যার সমাধান কত সহজ।

একটা দুইটা মাইরা লাভ নাই, নির্বংশ করার চেষ্টা কইরা দেখতে পারেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29104064 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29104064 2010-02-23 19:19:31
ইয়া ইছ্কুরুপ, তুই মাথার্থিকা কৈ পরলিরে বাপ??
আইচ্ছা যাউক প্যাচাল, অফিসে ঢুকোনের সাথে সাথে শুরু হইলো তেলেছমাতি কারবার, এইডা আছে তো সেইডা নাই, এইডা চলেতো ঐডা নষ্ট। এর পেডে বেদনা তো ওর মাথাত ডায়রিয়া। কাউরে পিডে হাত বুলাইয়া, কারো পিডে হাতা বুলাইয়া কুনুমতে রুমে আইসা ঢুক্লাম।

কপালের নামে গাইল পারা শেষ হৈলোনা। গাইলায়া ঐডার চৈদ্দগুষ্টি উদ্ধার কর্তে কর্তে টেবিলে মাথা রাইখা খানিক্টা রেষ্ট লমু ভাবছি তো শ্যাষ, এক হালায় কম্প্লান খায়া নতুন বানাইন্না ইআরপি লয়া কম্প্লেইন করতে আইছে। ইচ্ছা কর্তাছে হালারে বুরুজ আল ভুইলাগেছির মাথায় নিয়া আছাড় মার্তে। হালা বেকুব, টেষ্ট ফেজ এখনো শ্যাষ হয়নাই, এট্টু সবুর কর, সবুরে মেওয়া ফলে জানোছ্না?

যাউক্গা, আয়াম ছিম্ফলি ঠায়ার্ড অভ মাই টু টু টু টু লাইফ। এর চাইয়া জাবর কাটা অনেক ভালু।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29090569 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29090569 2010-02-03 12:10:38
সশস্ত্র রদ্দুরের সামনে আমার জবানবন্দি
ঠিক কতটা রোদ্দুর লাগে বীজ ফুটে জীবন বেরুতে?

আমি অনেকদিন ধরেই কাঁটাছেড়া করেচলেছি আমার এই জীবনটাকে। যা কিছু আরাধ্য ছিল, সবই এখন হাতের নাগালে। তবু কেন শরীরটাকে দুম্‌ড়ে নিয়ে গুম্‌রে গুম্‌রে দিন কাটানো!

ম্যাচের বাক্সে বন্দি করে রাখি বিস্ফোরনের বীজ!

কান পাতি, দূর থেকে সমুদ্রের ঢেউয়ের মত কানে বাজে সেই অমোঘ দুটো লাইন, দুনিয়ার মজদুর, এক হও! কতটা কাল হৃদপিন্ডে বাজে না সেই গান, ডিঙ্গা ভাসাও সাগরে সাথিরে, ডিঙ্গা ভাসাও সাগরে...., পূবের আকাশ রাঙ্গা হলো সাথী ঘুমায়োনা আর জাগরে.......।

ঘুম এবং জেগে থাকার ভেতর ঠিক কতটা দূরত্ব?

ঘুম ভাঙ্গলে শুরু হয় হিসেব, রিসেশনের গ্রাফ, ব্যালান্স শিটের দুই পাতার দূরত্ব কি ভাবে হ্রাস করা যায় তা নিয়ে আলোচনা আর নৈতিকতার খোলস ঠিক রেখে ঠিক কতটা শোষণ করা যায় তার পরিকল্পনা। রাতে স্বপ্নের ভেতর হানা দেয় রাইফেল, চড়ুই পাখি বাসায় গুলি করতে করতে ফের জেগে উঠি।

ফেস বুক, মেইল, ব্লগ, কোথাওনা কোথাও ঠিক-ই কয়েকজন ওত পেতে ছিল আজ, যেন ঘুম ভাঙলেই গ্রেফতার করে নিয়ে যাবে স্বপ্নের মিছিলে। আমার স্ত্রী জানেন এই সময়টাতে আমি কি ভয়ানক গুম্‌রে থাকি! আমাকে ও ঘাঁটায় নি।

ফের দেখা হবে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29088796 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29088796 2010-01-31 11:13:27
অনেক দিন পর একটা ফটু বলগ। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29063182 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29063182 2009-12-21 20:02:41 একদিন আকাশও মাথা হেঁট করেছিল ওদের স্পর্ধার কাছে। আমি আকাশ দেখেছি, খোলা চোখে যতটুকু দেখা যায় আরকি। সত্যিকারের বিশালতা সম্পর্কে ধারনাটা ওখান থেকেই পাওয়া বলতে পারেন।

হয়তো পুরোপুরি নয়। সবচেয়ে গর্বিত হই যখন ভাবি এই খোলা চোখে আকাশের চেয়েও বড় কিছু মানুষ দেখতে পেয়েছি, ছুঁতে পেয়েছি আমার সামান্য এই হাত দিয়ে।

আমি মুক্তিযোদ্ধাদের কথা বলছি।

কি অদ্ভুত এক সৌভাগ্য নিয়ে আমার জন্ম। আকাশের চেয়েও উঁচু মানুষ গুলোর সাথে একই সময়ে বেঁচে আছি। আমার সামান্য বোধ শক্তিতে এর চেয়ে বড় আর কোন প্রাপ্তি খুঁজে পাইনি আজ অবধি।

নিজের কথা যখন ভাবি, আপনাতেই কুঁকড়ে যাই, এতটাই ছোট একটা জীবন যাপন করে চলেছি। অথচ ঐ মুক্তিযোদ্ধারা মানুষই ছিলেন, আমার মতোই দেহাবয়ব, শুধু মনের দিক থেকে অসীম, সাহসের দিক থেকে স্পর্ধিত। কি অদ্ভুত, মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও কি করে মানুষ পারে এগিয়ে যেতে!! বেঁচে থাকা একজন মানুষ যখন নিশ্চিন্ত অবলীলায় মৃত্যুকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে হেঁটে যায় শুধুই দেশের জন্য, তাঁর চেয়েও কেউ মহান হতে পারে তা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।

আমার ছোট কাকাকে যখন দেখতাম, শিহরিত হতাম, উনি গেরিলা ছিলেন। পরের প্রজন্মটার জন্য কষ্ট হয়। ওরা শুধুই বইতে পড়বে এই সব মানুষের কথা যারা আকাশেরও সীমানা ঠিক করে দিতে পারতেন।

২০০৫ সম্ভবত, ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখ। চারুকলার সামনে হাঁটতে হাঁটতে রেডিও শুনছিলাম বিকেলের দিকে। সাক্ষাৎকার নেয়া হচ্ছিল কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার। পরিচয় দিতে গিয়ে একজন বলেছিলেন, আরবান গেরিলা, ...... রিজিয়ন। আমার প্রতিটি লোমকূপ দাঁড়িয়ে গিয়েছিল অজানা কোন কারণে। কি স্পর্ধিত উচ্চারণ। খুব ইচ্ছে হচ্ছিল একবার ছুঁয়ে দেখি।

আমার নিজের কোন ক্ষমতা নেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার, অথবা শুধুই ব্রাশফায়ার করে মেরে ফেলার। তবে বুকের ভেতর সেই ঘৃণা টুকু ঠিকই আছে, যেমন আছে পাকিস্তানের প্রতি ঘৃণা। আমাদের বাসায় পাকিস্তানের তৈরি যে কোন কিছু নিষিদ্ধ। কাপড়, বাসমতি অথবা টিভি চ্যানেল। আমার ছোট্ট ভাগনীটা পর্যন্ত কার্টুন নেটওয়ার্ক দেখেনা ওখানে পাকিস্তানি বিজ্ঞাপন দেখায় বলে। নেহায়েতই ব্যক্তিগত মামুলি বয়ান।

আমি বেড়ে উঠেছি আকাশ ফুঁড়ে উঠে যাওয়া কিছু মহামানবের সাথে একই সময়ে, তাঁদের কাউকে কাউকে আমি ছুঁয়েও দেখতে পেরেছি। আমার এই সামান্য জীবনে এর চেয়ে প্রাপ্তি আর কিছুই হতে পারেনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29058613 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29058613 2009-12-14 12:56:28
স্পর্ধার অনির্ধারিত বিকাশে ভাঁড়ামির ক্ষয়িষ্ণু বস্তুবাদ স্বপ্নের এলোমেলো বুনন। আহামরি নকশায় হয়তো
ছিল না তার সমূহ প্রকাশ; অপটু হাতের লাইনচ্যুত
হয়ে যাওয়া ছন্দের বিন্যাশকে আপনি কিন্তু হেলাফেলায়
উড়িয়ে দিতে পারেননা মোটেও।

শিল্পের প্রচ্ছন্ন আধিপত্যের ভেতরেও সেখানে
অবস্থান করে খোলা জানালার অর্থনীতি।
(স্বপ্ন ও স্বপ্ন ভঙ্গ এখানে নৈমিত্তিক কথকতা)
স্পর্ধার অনির্ধারিত বিকাশ যেখানে থম্‌কে দাঁড়ায়, ঠিক
সেই প্রান্তিক অবস্থান থেকে আমি বলছি,
এখানে স্বপ্নের আখ্যান ছিল, যা আজ বেশ্যালয়।
(পৃথিবীর তাবৎ বেশ্যাদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা পূর্বক,
যারা ক্ষুধার তাড়নায় শরীর বিলিয়ে দেয় নৈতিকতা অটুট রেখে)

হতাশ হইনা; নির্লজ্জ ভাড়ামির ভেতরেও অবস্থান করে
কুঁকড়ে যাওয়া কাতরতা, ক্ষয়িষ্ণু অবস্থান টিকিয়ে রাখার
আপ্রাণ প্রয়াস। ছোটবেলায় সার্কাস দেখেছিলাম কিনা মনে পরছেনা,
তবে অপার্থিব নৈপুণ্য প্রদর্শনীর আগে খানিকটা ভাঁড়ামো
হয়তোবা প্রস্তুত করে তোলে আমাদের মন ও মনন।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29049151 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29049151 2009-11-25 00:12:33
নর্ডিক্লাবের সুইমিংপুলে গা ডুবানো বাংলা দর্শন
তয় সমস্যার কথা হৈলো দাম কমানোর পর থিকা সারের ডিলারগো পি.এইচ বাইড়া মাথায় উঠছে। তারপর যখন কৈলো নজরদারি করা হৈবো সার ডিস্ট্রিবিউশনে, অবস্থাটা চিন্তা করেন? সার ব্যাবসায়ীগো জেবন বইলা আর কিছু থাকলোনা।

সারের ডিলারগো-ও তো আত্মীয় স্বজন আছে, বন্ধু চামচার অভাব নাই। অগো দুঃখে যদি সুময় মতন আগায় না আসে তাইলে আর বন্ধু হৈলো ক্যামনে। কথায় আছেনা, বিপদেই বন্ধুর পরিচয়!

সার ব্যাবসায়ী লগো স্যার স্যার করা ষারগো-ও সামনে মুনেলয় সুময়টা ভালা না। বকরি ঈদ এক্কেরে দরজায় খাড়ায়া ফুকি মারতাছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29045366 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29045366 2009-11-18 11:09:40
ওহে কর্ণধার, তরী তীরে সংলগ্ন কর
বঙ্গদেশটির মাটিতে শেষবারের মতন জলপাই শাসন আমলে খুব দম বন্ধকর একখানা পরিবেশ তৈরি হইয়াছিল। চেতনাগত দূষনের ফলশ্রুতিতে কোন মতেই মানিয়া নিতে পারিনা সামরিক শাসন। তাহা ছাড়া যেই রূপ অনিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শরীর-মন-মগজ ধোলাই চলিতেছিল, বুকের মধ্যকার জমাট বদ্ধ বারুদে কেমন যেন ধোঁয়াশার উপস্থিতি লক্ষ্য করিতেছিলাম।

যাহা হৌক, ঘোর কলিকাল হৈতে দেশ আম-জনতার হাতে আবার ফিরিয়া আসিয়াছে মনে করিয়া খানিকটা নিশ্বাস লৈয়াছিলাম কিছু দিন পূর্বে। কিন্তু কি করিব, বিধি বাম।

আম জনতার হাতে ক্ষমতা আসিবার পর হৈতেই জনতার জীবনে কেমন যেন উদ্ভট সময় আসিয়া উপস্থিত হইল। কোন মতেই বুঝিতে পারিলামনা একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি মানুষ কি কারণে বারে বারে করিয়া বেরায়। হয়তোবা কয়েক বছরের ক্ষুধা নিবৃত্তির তগিদেই আমাদের দেশপ্রেমিক বীর ছাত্রনেতাগন ঝাঁপাইয়া পরিলেন সমস্ত ধরনের টেন্ডারের মালিকানা পাইবার অভিপ্রায়ে। ইহাকে আমি প্রথমদিকে মোটেও পাত্তা দিবার কারণ বলিয়া মনে করিনাই। কিন্তু দিন যতই গেল, নেতাগনের ক্ষুধা ততই বারিতে লাগিল। আমি কোন মতেই নিজেকে বুঝাইতে সক্ষম হৈলাম না যে, এক জন মানুষের উদরে এতখানি ক্ষুধা কি করিয়া জমিয়া থাকিতে পারে!

যাহা হৌক, ছোট পোলাপান, অনেকদিন ধরিয়া ক্ষুধার্ত, একটু নাহয় বেশিই খাইয়া ফেলিয়াছে, ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতেই দেখি। কিন্তু বড় বড় নেতা গনের দশা দেখিয়া মনের ভিতরকার উদগ্র অস্থিরতা ক্রমশই বাড়িতে লাগিল। একে একে দখল হইতে লাগিল নদীতীরবর্তি স্থান সমূহ। বালু লৈয়া বানিজ্যের জন্য বোধকরি ইহার চাইতে ভাল আর কোন স্থান হৈতে পারেনা।

ছাত্রনেতা গনের টেন্ডার দখল, হল দখল, নেতৃত্ব দখলের সাথে সাথে দেশ নেতা গনের নদী দখল, জমি দখল, মানুষ দখল আর দেশ দখল চলিতে লাগিল উদয়াস্ত। তবু মানিয়া লৈবার আকুল চেষ্টা থামাইলাম না।

ইহার পর শুরু হৈল আইন শৃঙ্খলা লইয়া ঠাট্টা তামাশা। চাঁদাবাজি এমন আকার ধারণ করিয়াছে যে শুধু প্রান খানা হাতে লৈয়া বাহিরে যাওয়াটাকেও এখন আর নিরাপদ মনে করিতেছিনা। গলির মোড়ে সেই সব মুখ গুলিকে দেখিয়া কেমন অসহায় বোধ করিতেছি। ইহার সাথে শুরু হৈল চিনি লৈয়া তুলকালাম কাণ্ড, চাউলের বাজার দর আজ দেখিলাম মাধ্যাকর্ষনের সূত্র ভুলিয়া গিয়াছে।

আমি ঠিক বুঝিয়া উঠিতে পারিতেছিনা কোন দিকে যাইব। মনের মধ্যকার আজন্ম লালিত মুক্ত-স্বাধীন চেতনার উপর আজকাল আর বিশ্বাস রাখিতে পারিতেছিনা, বরং আয়নার সম্মুখে নিজের দিকে মধ্যাঙ্গুলি প্রদর্শন করিয়া আত্মীয় পরিজনদের মতন "উহাই ভাল ছিল" বলিবার জন্য হৃৎপিণ্ড আকুলিবিকুলি করিতেছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29016164 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29016164 2009-09-26 21:36:15
শহীদ জীবনের প্রথম ঈদ নিয়া পোস্ট (শিরোনাম সহযোগিতা : কাঁকন)
একটা সময় ছিল আইটি ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করতাম। হাতে প্রতিদিনই অনেক সময় থাকতো। বন্ধুদের সময় দিতে সমস্যা হতোনা। কিন্তু যে কোন চ্যালেন্জ গ্রহন করার জন্মগত বদ অভ্যাসের কারণে বছর দেড়েক ধরে প্রডাকশনটাও দেখছি অফিসের। সম্পূর্ন নতুন ধরনের কাজের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়া আর প্রতি মুহূর্তের নতুন নতুন সমস্যার মুখোমুখি হয়ে নিজের জন্যেও তেমন করে সময় বরাদ্দ রাখতে পারছিনা অনেক দিন ধরে।

সকাল ৯টায় ঘুম ভেঙে উঠে পত্রিকাটা হাতে নিয়ে প্রস্তুত হতে শুরু করি অফিসের জন্য। বাসায় ফিরতে ফিরতে রাট ১১টা। মাঝখানে এমনকি আজকাল আমার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী'র ফোন এলেও গলায় তুমুল বিরক্তি ফুটে ওঠে। সারাদিনে হয়তো ওর সাথে আমার কথা হয় ১৫ মিনিট।

আজ সকাল ১০:৪৫ থেকে অফিস করছি। বাসায় ফিরবো কখন সেটা এখনো বুঝে উঠতে পারছিনা।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29014032 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29014032 2009-09-21 17:02:57
আততায়ী মুগ্ধতার পথে - ২ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29002378 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29002378 2009-08-31 15:55:49 ব্লগে একটা বছর কাটায় লাইলাম <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /> গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম পোস্টটারে স্টিকি করন যায়?? <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29001885 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29001885 2009-08-30 13:01:59
রাত নিজ্‌ঝুম, ছোঁয়াছুঁয়ি খেলা এবং কয়েকটি শিশুর মৃত্যু!
রাত নিজ্‌ঝুম, পথে কত ভয় তবুও রানার ছোটে। রানার ছুটেও চলেছে সেই শেরশাহের কাল থেকে। অনেক অনেক খবর প্রতিদিন পৌঁছে যায় আমাদের নাস্তার টেবিলে, কলিগদের আড্ডায়, রাস্তার মোড়ের চায়ের স্টলে অথবা হঠাৎ নিরঙ্কুশ একাকিত্বের মুহূর্তে। খবর আসে, খবর পড়ি, জম্পেশ আড্ডার উপকরণ পেলে চেহারা জুড়ে ছড়িয়ে পরে প্রলম্বিত হাসি।

হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে, মন বাড়িয়ে ছুঁই। কাকে ছোঁব? কখন ছোঁব? আজকাল আমরা ছুঁতেও ভুলে গেছি, কিছুই আর আমাদের ছুঁতে পারেনা। পাশের ফ্ল্যাটে মৃতদেহ সৎকারের সময়েও আমরা মুন্না ভাই এমবিবিএস অথবা মনিটর জুড়ে বিস্তৃত সস্তা নারিদেহে পুরুষাঙ্গের উত্থান দেখে তৃপ্ত হই।

প্যারাসিটামল সিরাপ খেয়ে আরো একটি শিশুর মৃত্যু! (আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29000363 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/29000363 2009-08-27 12:20:00
ক্লাউড কম্পিউটিং, এখুনি পরখ করে দেখুন।
ব্যাপারটা এখনো তেমন একটা পরিচিতি না পেলেও এবং গুগলের ক্রোম আসতে বছর খানেক সময় লাগলেও এরই মধ্যে কয়েকটি কোম্পানি ক্লাউড বেজ্‌ড হোস্টেড ওয়েস ছেরেছে অনলাইনে। চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আমার মজাই লেগেছে।

গ্লাইড ও.এস
মোটামুটি ১০ গিগা ওয়েব স্পেস দেবে আপনাকে দরকারি ডকুমেন্টস রাখার জন্য। এর নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রসেসর, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন, ইমেইল ক্লায়েন্ট সহ অনলাইন মিটিং করার ব্যাবস্থা রয়েছে। আরো রয়েছে মিউজিন প্লেয়ার এবং বেসিক ফটোএডিটর। ২৫০ টি ফাইল ফর্ম্যাট সাপোর্ট করছে আপাতত।



ট্রাই করতে চিপি দিন


ঘোষ্ট
ইসরাইল এবং প্যালেস্টানিয়ান প্রোগ্রামারদের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি হয়েছে ঘোস্ট। অফিস স্যুইটের জন্য গুগল ডক্‌স এবং জো.হো. ব্যাবহার করা হয়েছে এখানে। যদিও গ্লাইড ও.এস অনেকটাই দ্রুত চালু হয়, আমার কাছে ঘোস্টকেই আকর্ষনিও মনে হয়েছে। ইমেইল ক্লায়েন্ট, মিউজিক প্লেয়ার, ফ্লিকার সার্চ, মেসেন্জার সহ এটাকে মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড ওয়েব ও.এস মনে হলো আমার কাছে। এর বিল্টইন ব্রাউজারটি ফাটাফাটি।
১৫ গিগা স্টোরেজ স্পেস দিচ্ছে ফাইল রাখার জন্য।



ট্রাই করতে চিপি দিন


স্টার্টফোর্স
১ গিগা স্টোরেজ স্পেস, নিজস্ব ওয়েব ক্লায়েন্ট, ওয়ার্ডপ্রসেসর, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন, মেসেন্জার এবং অডিও প্লেয়ার নিয়ে এটা অনেকটাই স্ট্যাবল একটি সিস্টেম।



ট্রাই করতে চিপি দিন


আরো বেশ কয়েকটি ওয়েবটপস্‌ বা হোস্টেড ও.এস পাবেন নিচের লিংকটিতে গেলে। এই পোস্টটি পুরাই কপি করা হয়েছে এখান থেকে <img src=" style="border:0;" />

9 Web-Based Office Productivity Suites ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28999055 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28999055 2009-08-24 17:31:28
একটা লেখা চাই, প্লিজ!
এইটা মোটেই আমার প্রিয় লেখকদের তালিকা নয়। সেই তালিকা অনেক বড়। এটা শুধু আমার নিজস্ব আক্ষেপ যে এই মানুষ গুলোকে তাদের স্বরুপে দেখছিনা অনেক দিন। বাকিরা বর্তমান তুমুল দৃপ্ততা নিয়ে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28995750 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28995750 2009-08-18 11:38:02
অন্ধ তীরন্দাজ
রাইত থিকাই আকাশটা গুমরায়া আছে। গেন্জির চিপা দিয়া সকালের নরম বাতাস চুকি মাইরা ঢুকতে শুরু করায় আধ খাওয়া বিড়িডা ফালায় দিয়া আবার ঘরের মইধ্যে ঢুকি। দেয়ালের ঘড়িটা আর কিছু ক্ষনের ভিত্রেই বারটা বাজবো এই কথা জানান দিতাছে সেই গত মাস থিকা। প্রইত্যেকটা দিনই মনে করি ফিরনের সময় এক জোড়া ব্যাটারি লয়া আসুম, কপাল আমার!

যাউক, বয়া থাইকা কাম নাই, বাড়ইতে হৈব। সকাল সকাল পৌঁছতে পারলে বাসের লাইনে ভীড় কম, পা চ্যাঙ্গায়া বইয়া সকালের নরম রইদে গা ভিজাইতে ভিজাইতে চইলা যাইতে পারুম।

চইলা যাইতে পারুম! কৈ যামু?

চইলা যাইতে হৈব, ফিরা আইতে হৈব। যাওয়া, আসা। এই হালার নিরন্তর সাইক্লিক অর্ডারের হাত থিকা রেহাই পামু কবে? শুধু যাওয়া আসা; জোয়ার ভাটার স্রোতে ভাসি। ফিরা আইতে হয় ডেড়ায়।

জিনের মধ্যে ন্যাচার হালা কোড কৈরা রাখছে, রাইত হওয়া মাত্র বাইত ফিরো, গাছের ডাল কিম্বা কাঠের খাটে পিঠ আর পাছা লাগাও। অন্ধকারে অনেক ভয় হাইটা বেড়ায় এদিক ওদিক, আন্ধারে বাইরে থাকন নিরাপদ না।

কাগজের এরোপ্লেন ছারছিলাম একদিন চাইরতলার উপ্রে থিকা। প্রথমটা পাশের বাড়ির ছাদে, ২য়টা ভাসতে ভাসতে হারায় গেল। বাসের মধ্যের দিকের সিট গুলা বলে অনেক নিরাপদ, মানে আমি লং রুটের কথা কৈতেছি। গোত্তা খাইলে সাম্নের মাইনষে মরবো, পিছন থিকা অন্য বাসে মাড়া দিলে আরেক গ্রুপ কব্বরে।

অনেক দিন হৈল জোছনা দেখিনা। উথাল পাথাল চান্দের আলোয় ভিজতে ভিজতে অপার্থিব ভাব্নায় আপ্লুত হওয়া হৈতাছেনা। সানলাইটের এক জোড়া ব্যাটারির দাম কত আজকাল? সারাখন সবকিছুর বারটা বাইজা আছে দেখতে ভাল্লাগেনা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28989139 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28989139 2009-08-05 13:51:01
কয়েকটা পুরান ছবি



.
.
.
.
.
.
.
.
(ফটোশপের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28982435 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28982435 2009-07-23 12:30:27
ছাগমেটাল কোবতেকে দমিয়ে রাখা যাবেনা!! মডু করছে ব্যান
তিন কুনারে ছাগল কৈলে
মডুর লাগে ক্যান?

চীফে যে খায় কাঠাল পাতা
এইটা সবতের জানা
এই কথাটা সবার সামনে
বলগে কওন মানা?

আগেও লিখছি চীফ্রে নিয়া
ছাগমেটালের লাইন
তাইলে আমার কাইলকার কোবতে
ভাঙলো ক্যামনে আঈন?

তার মানে কি চীফে আবার
ছাড়বে লাদি রোজ
এই ব্যাপারটা বলগ বাসী
নিত্য রাইখো খোঁজ


চীফে আবার ফর্মে ফিরছে, তাই এই কোবতেটা যে কুনু সুময় হাপিস হয়া যাইতে পারে। আমিন!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28981406 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28981406 2009-07-21 13:01:10
ছাগমেটাল কোবতের পুনরুত্থান <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> কাঠাল পাতার লগে
ছাগল চীফে পুস্ট দিছে
আম জনতার ব্লগে

বেশ কিছুদিন ছাগল চীফে
চুপচাপ ছিল ভীষন
আলুর বলগে বইসা বইসা
বানছে গুপন মিশন

মিশন টিশন ভাইসা গেছে
আলুর মড়ক লাইগা
চীফে আবার ফিরা আইছে
সামু পাড়ায় ভাইগা

এইইই সবাই মিলা চীফের মতন
চুরাই পুষ্ট লিখো
কাঠাল পাতা খাইতে খাইতে
ওয়েব ডিজাইন শিখো

চীফে আমরার গ্যানী হৈছে
খাইয়া কাঠাল পাতা
নিক ফ্যাক্টরি খোলার কামটা
ভাবছো তোম্রা যা তা?


এই পুস্ট খানা এখন আর পরথম পাতাত নাইক্কা, ক্যান হেইডা আমারে জিগাইয়েন্না <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28980997 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28980997 2009-07-20 17:43:05
আততায়ী মুগ্ধতার পথে - ১
খোঁজ নিয়া বাকি জানালো এস.আলমের বাস নাই, যাইতে হবে অন্যকিছুতে কৈরা। তাও সই, যাওয়া তো হোক।

রাত ১১টার সময় কলাবাগানের মোড়ে আমি, বাকি আর তার সাথে আরেকজন কলিগ এসে উপস্থিত। "মরা" সুমন সব সময়েই দেরি করে, বেটারে বার কয়েক ফোন দিয়া একই কথা শুনি, এইতো পাশের মোড়েই আটকায়া আছি, জ্যাম ছুটলে ১ মিনিটও লাগবোনা। জ্যাম ছোটার পরেও ১৫ মিনিট কাটাইয়া মরার ১ মিনিট শেষ হৈলো। এক দৌড়ে বাসে উঠলাম।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বান্দরবান শহরের বাঁকে আইসা বাসের ব্রেক ফেল হয়, ভাগ্য এইবারো ভাল, বাসের মুখ পাহাড়ের দিকে ছিল। সবার মতন আমরাও নাইমা পরলাম বাস থিকা। লোকজন কৈলো ৫ মিনিট হাটলেই বাজার পরবো সামনে, কিন্তু হালার স্কুটার অলায় চাইলো ৮০ টাকা। গাট্টি বোচকা মাথায় নিয়া হাঁটা শুরু করলাম।

মাঝ পথে সেলিম নামের এক রিকশাওলা বহুত হ্যানত্যান ভালবাসার কথা শুনাইতে শুনাইতে হাঁটা শুরু করলো। বাকির এক পরিচিত মানুষ ছিল বান্দরবানে, মোটামুটি মানের একটা গেষ্ট হাউজ ম্যানেজ করে দিলেন উনি। খাওয়াদাওয়া শেষ কৈরা গায়ে একটু পানি ঢেলেই সোজা বিছানায়।

বাকির কাকা বলে দিয়েছিল দুপুরে খাওয়ার আগে তার সাথে দেখা করতে। শুধু শুধু তাকে বিরক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেরাই হোটেল খুঁজতে বের হই। সাথে আবার জুটে যায় সকালের সেই সেলিম রিকশাওয়ালা। খাওয়ার পর শঙ্খ নদী দেখার জন্য সেলিমের পিছু পিছু নদী ঘাঁটে গেলাম। দাম দস্তুর করে উঠে পরি নৌকোয়। হালকা বাতাস, দু পারে পাহাড়ের সাড়ি, নদী যেন হাতে আঁকা। সেই অবিশ্বাস্য পাহাড়ী সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করার অন্তত আমার পক্ষে সম্ভব নয়।





মাঝি আর সেলিমের টুকটাক কথোপকথন শুনতে শুনতে মাঝে মাঝে তন্দ্রার মত লেগে আসছিল, হঠাৎ ঠিক করলাম পাহাড়ী মদ খাবো, হাতে বানানো ভয়ংকর তরল। যারা না খেয়েছে তাদের কাছে এর গল্প করার কোন মানে নেই!!

প্রকৃতির অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের ভেতর নদী ভেঙ্গে ভেঙ্গে নৌকো এগোচ্ছে, দূরের অস্পষ্ট পাহাড়ের নীলাভ ছায়া আর দু পাশের ঘন সবুজ তামাক ক্ষেতের এলোমেলো নাচ দেখতে দেখতে থামলাম মগ পাড়ায় কাছে। পাহাড়ের বাঁক ধরে খানিক হেঁটে পৌঁছে গেলাম শান্ত স্থির মগ পাড়ায়। মাঝি আর সেলিমের আয়োজনে সাথে সাথেই চলে এলো সেই আগুন পানীয়। জীবনে অনেকবারই ড্রিংক করেছি, কিন্তু সত্যিকারের বিদঘুটে গন্ধময় আগুন গেলার অভিজ্ঞতা সেই প্রথম।





মাতাল হইনি, তবে প্রতিটা ঢেকুর ওঠার সময় পচে যাওয়া চালের গন্ধে পুরো বান্দরবান জেলা যে কেঁপে কেঁপে উঠছিল সেটা টের পেতে সমস্যা হয়নি মোটেই।

সেলিমের আসল চেহারা টের পাই ফেরার পথে। আমাদের বারবার করে স্মার্ট বান্ধবীর লোভ দেখাচ্ছিল। আমরা চাইলেই সেই অপার্থিব তরুনিদের সঙ্গ বগালেক পর্যন্ত পেতে পারি আর তাদের কমনীয়তার বর্ণনা শুনলে বেহেশতের হুর পরিরা পর্যন্ত শরম পাবে।

কোনমতে আবার নদীঘাটে ফিরলাম। সেল ফোনে নেটওয়ার্ক পেতেই ফোন আসলো, আরো ২ জন কলিগ রেস্ট হাউজে অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।

রাতের খাবার খেতে গিয়ে সবাই সাবধান, শুনে এসেছি এখানকার মানুষ চলতে ফিরতে পারে এমন সবকিছুকেই খাবার বলে মনে করে। গরুর মাংস নেইনি ভয়ে, নিছক আলু ভর্তা ডাল আর ভাত দিয়ে অভক্তি করে খেলাম।



চাঁদের আলো যেন চরাচর গ্রাস করে ফেলবে, নতুন ব্রীজের ওপর দাঁড়িয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছিলাম চাদের আলোয় একেবেকে চলা শঙ্খ নদীর রূপ। গেষ্টহাউজে ফিরতে ইচ্ছে করছিল না। তবু ফিরতে হলো, কাল খুব ভোরে উঠেই রওনা হতে হবে বগালেকের উদ্দেশ্যে.... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28978100 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28978100 2009-07-14 16:47:27
কিছু শুয়োরের বাচ্চার বাবা-মার জন্য শোকগাথা শালারা খাইতে পারোছনা হেইডা কি আমাগো দোষ? তোর কোলের বাচ্চা দুধ পায়না, হাড় মাংস শুকায়া যাইতেছে, বুড়া মায়ের ওষুধ নাই, তো শালা তগোরে বাইচা থাকতে কইছে কে? মইরা যা। মরবিওনা, আবার কামের ন্যায্য মজুরি চাবি, পাইছোস কি? মগের মুল্লুক? বেজন্মা কি সাধে কৈ?

কাম কর শালারা, গতর খাটা, সকাল থিকা রাইত। ওভারটাইম চাইলে থোতা ভাইঙ্গা হাতে ধরায়া দিমু। ঈদের টাইমে বোনাস চাস? জায়গা মত বোনাসের টাকা ঢুকায়া দিমুনে। টাকা যে পাস হেইডাই তগো চোদ্দ গুষ্টির ভাগ্য। ওপেন মার্কেট ইকোনমি চিনোসনা শুয়োরের বাচ্চারা? না পোষাইলে অন্য কামে যা; মাইয়া হইলে মুখে লিপিস্টিক মাইখা রাস্তায় খাড়ায়া থাক, রাইতে মৌজে যাওনের সোময় উঠায়া লমু গাড়িতে।

শালা ওসির বাচ্চারে সেই কখন ফোন দিসি, কৈলো ১০ মিনিটের মধ্যে আইয়া বেবাগটিরে গুল্লি করবো। সন্ধ্যায় আমরা প্রেস কন্ফারেন্স ডাইকা "বহি শত্রুর" আক্রমন থিকা বাঁচাইতে না পারনের অপরাধে সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চামু। শালারা ভাবছোস কি আমাগোরে?

আমরা তগো বাপ মা, তরা সব শুয়োরের বাচ্চা!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28971191 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28971191 2009-06-29 12:35:19
সাঙ্গু নদী থেকে বগা লেক বগা লেকে যাওয়ার হাটা পথ ঝলসে যাওয়া পাহাড় পাহাড়ী এলাকা পাহাড়ে আগুন বগা লেকের পদ্ম বগা লেক বগা লেক (পাহাড়ের ধার দিয়ে বয়ে চলা ) লেকের পাশের গেস্ট হাউজ গভীর রাতের মগ্ন মিছিল সাঙ্গু নদীর রুপ -১ সাঙ্গু নদীর রুপ -২ তামাক ক্ষেতের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা স্রোত ধারা মগ পাড়ার বাড়ি

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28963278 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28963278 2009-06-11 17:31:34
ক্যাকটাস তুমি কেঁদো না, যীশুর মুকুটে কাঁটা!
মানুষ মানেই হলো সংশপ্তক। মানুষ কখনই হেরে যেতে পারেনা, হেরে যাওয়াটা ঠিক মানুষের কাজ নয়। অনিবার্য ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শুধু মানুষই পারে নতুন স্বপ্ন দেখতে, উঠে দাঁড়াতে, আড়মোড়া ভেঙ্গে ফের ঝাঁপিয়ে পরতে।

আপনি মানুষ, আপনারা মানুষ। তাই বাহবা দিতে চাছ্ছিনা আমি মোটেও, কারণ মানুষ হিসেবে এ ছাড়া আর কিই বা আপনারা করতে পারতেন বলুন? হেরে তো আর যাওয়া সম্ভব নয়, তাইনা? মানুষ কি হারতে পারে? কোনদিন শুনেছেন মানুষ হেরে গিয়েছে? পরাজিত হয়েছে? অসম্ভব!

আপনারা উঠে দাঁড়িয়েছেন ঠিক মানুষের মতন করে, যেই উঠে দাঁড়ানো দেখে গোলাপের ঝাড় থেকে নুয়ে পরা ডালটিও হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়াবার অনুপ্রেরণা পায়।

এবার আপনিই বলুন, আপনাকে বিশেষ করে অভিনন্দন জানানোর কি আদৌ কিছু আছে? <img src=" style="border:0;" />

প্রিয় এন.এইচ.আর, ভাল থাকুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28959964 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28959964 2009-06-04 11:04:57
আমার যত বিড়ম্বনা -২
যাই হোক, কয়েকদিন ঘাইটামাইটা স্ট্রাক্চার খাড়া করাইলাম, দুইজন প্রোগ্রামাররে দিয়া ডেমো রেডি করানো হৈলো, পরেরদিন প্রেস কন্ফারেন্সে দেখানি লাগবো। আসলে কাম্টা সি.ই.ও. ভাই আরেক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্তেছিল সেইটা আমি জানতাম না।

যাইহোক পরেরদিন ছিল শুক্কুর বার। আমার নিয়ম মত স্যান্ডেল, পান্জাবি পইরা কান্ধে ল্যাপি নিয়া প্রেস কন্ফুতে যাইয়া দেখি সবডি চেয়ার বুকড্‌। প্রথমে আহবায়ক্রা আমারে ঢুক্তে দিবেকিনা এই নিয়া আকারে ইন্গিতে কথা কৈলো কতক্ষন। পরে যখন শুন্লো আমিই ডেমো দেখামু গোস্বা মুখে একটা চেয়ার খালি কৈরা বইতে দিল। কুনুমতে ল্যাপি রেডি কৈরা, ক্যামেরা ফিট কৈরা রেডি হৈছি, শুনি প্রর্থমে হৈব বক্তিমা। বাইরয়া একটা সিগারেট ধরাইলাম। আধ ঘন্টা পর ডেমো শুরু হৈলো।

ডেমোতে কোন সমস্যা হয়নাই। চেয়ারে হেলান দিয়া সবার কথা শুন্তেছিলাম। হঠাৎ একজনে আইয়া কৈলো আপ্নের কাম্তো শেষ, এইবার আপ্নে চইলা যান। রাগে আর অফমানে মাথার চুল পর্যন্ত চিক্কুর মাইরা উঠলো। সি.ই.ও'র দিকে তাকাইয়া দেখি উনার মুখ্টা লাল। আমার লগেই বইর হইলো। আমারে কয় বাদ্দেও, ধর্তে পারেনাই তুমিই যে পুরা ডিজাইন কর্ছো।

কি আর কর্মু। মেজাজ খারাপ কৈরা বাসায় চইলা আইলাম। পরের সপ্তা খানিক ভালো ভালো শার্ট প্যান্ট পিন্দা হেব্বি মৌজ নিয়া অফিস কর্ছি, কিন্তু ল্যান্জাতো আর সোজা হওনের না, সপ্তা শেষ, মৌজও শেষ! ক্ষ্যাত তো ক্ষ্যাতই........

আমার যত বিড়ম্বনা -১ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28958187 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28958187 2009-05-31 14:23:01
গাছের বাঁকলে রৌদ্রের ছায়া পাতায় পাতায় রোদ্দুর মেলে ডানা।
যুগের সিড়িতে পিছু হটবার টোপ,
ছাই থেকে ফের জন্মাতে নেই মানা।

বুকের অতলে বিষাদের হাতছানি,
স্বপ্নের পিঠে আততায়ী মারে ছোড়া;
তোমার আমার জীবনের টানাটানি,
ছাই থেকে ফের জন্মাবো আনকোরা।

তুমি দেখে বলো মৃত্যু হয়েছে ওর,
আমি বলি তার চক্ষু এখনো লাল;
আঁধবোজা চোখে স্বপ্ন রঙের ঘোর,
দেখেনিও ফের জন্মাবে মহাকাল।

চেনা গণ্ডীর অচেনা বৃত্তে বাস,
ঠুনকো কাচের রাজ্যে আমার বাড়ি;
মাঝ রাত্তিরে চুপ্‌সিয়ে আসে শ্বাস,
ভোর হলে ফের ভাত নিয়ে কাড়াকাড়ি।

তুমি বলেছিলে ওখানে মানুষ থাকে,
রড-কংক্রিটে মজবুত তার খাঁচা;
তুমি বলেছিলে, বলেছিলে তুমি তাকে,
এর নাম নয় মানুষের মত বাঁচা!



প্রথম চার লাইন এপুর একটা কবিতায় কমেন্ট আকারে লেখছিলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28954948 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28954948 2009-05-24 13:08:21
মাত্র তোলা ছবি : একটু পরেই বৃষ্টি হবে, চলেন ভিজি ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28952218 http://www.somewhereinblog.net/blog/chondrobindu/28952218 2009-05-18 11:09:35