নিহত দুই কর্মকর্তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহত রাজিয়া বেগমের মরদেহ দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি তার রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
এছারা শোক প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ূয়া, আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার এবিএম আনোয়ারুল হক, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (চোরের) সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএসএম আলী ও মহাসচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ (ডাকাত) সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও র্যাবের ডিজি হাসান মাহমুদ খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান, ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অব ডিজঅ্যাবল্ড পিপলস অরগানাইজেশনসের (ন্যাডপো) সদস্যরা। সচিবালয়ে নিহত দুই কর্মকর্তার জানাজায় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান ফকির, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা সহকর্মীদ্বয়ের অকাল বিদায়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন
ফকিন্নির পুলাপানরা আবার শোক প্রকাশ করতে গেছে।
ফকিন্নীর পুলাপান রাজা মহারাজা হলে যা হয়। এই জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে কখনও দেশ শাসন করার সুযোগ হয়নি তাই ১৯৭১ এর পর প্রথম সুজোগ পাইয়া ফকিন্নীর পুলাপানেরা সব একের পর এক রাজা মহারাজা হইতাছে।
আর এইসব ফকিন্নির পুলাপান মানে আমাদের ভিআইপি/মন্ত্রীরা কোথাও কোন রাষ্ট্রীয় কাজে/পারিবারিক কাজে গেলে ঢাকা সহ গন্তব্যের আশপাশের কয়েকটি জেলার সব সরকারী কর্মকর্তার সেখানে লাইন লাগাইয়া যাইতে হয়।
আর প্রধানমন্ত্রী কোথাও গেলেতো ঢাকা থেকেই দুইশ গাড়ীর বহর যোগদেয়ার জন্য সেখানে আগের দিনই রওনা দেয়। (পুলিশের হিসাব বাদ দিয়া, ২০০০ পুলিশই লাগে) এসব ছারা ভাব হয় না। রাজা আইছে রাজা আইছে ভাব। আসলে ফকিন্নীর পুলাপান রাজা মহারাজা হইলে যা হয় আরকি।
প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ টাকা মূল্যের একটি সফরেও সরকারের ৫ কোটি টাকা খরচ হয়। আসলে ফকিন্নীর পুলাপান রাজা মহারাজা হইলে যা হয় আরকি।
এমনই এক প্রথানমন্ত্রী সফরে যোগ দিতে গিয়েই এই সড়ক দুর্ঘটনা।
শনিবার সকালে মানিকগঞ্জে এক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সচিব নিহত হয়েছেন। ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠান যোগ দিতে তারা যাচ্ছিলেন। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উদ্বোধন করার কথাছিল। পরে সফর বাতিল করে টেলিকফারেন্সে ২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।
আমাদের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীরা আসলেই সব ফকিন্নির পুলাপান। চিয়ার পাইলেই এরা তা ভুইল্লা যায়। ভেবে আমি রাজা মহরাজা। না খাইয়াও গার্ডঅব অনার নিবার লাইগ্গা খারাইয়া থাকে। চরের ভেতরেও এদের আয়োজন করে গার্ড অব অনার নিতে হয় এবং তা দেখার জন্য আশেপাশের সব জেলার কর্মকর্তাদের লাইন লাগাইয়া দাড়াইয়া থাকতে হয়।পরের বাপের টাকার গাড়ী বহর লইয়া চলে। সব হালা জাত ফকিন্নির পুত।
আজও খোজ নিয়া দেখেন চার পাঁচটা ফকিন্নির পুত সফরে গেছে গাড়ি বহর সহ। গাড়ি ওদের পেছন দিয়া ভরা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



