ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চিটাগাং বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের যে কয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে ওখানে যারা শিক্ষকতা করছে তারা এক একটি পুংডা। বিগত কয়েক মাস এবং গত ২০ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, ছাত্র রাজনীতি ও তাতে এদের ভূমিকার ইতিহাস ঘেটে আমি এই পেয়েছি।
এরা ছাত্র জীবন থেকে ওদের রাজনীতিবিদ বাপদের দ্বারা পশ্চাদ দ্বার বড় করে তার পর শিক্ষক হওয়ার সুজোগ পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পরও নানা সুজোগ সুবিধা ও পদ পজিশনের জন্য প্যান্টের পেছনের দিকে আর একটা জিপার লাগাই ঘুরে। দলবাজী ও রাজনীতিবিদদের ছত্রছায়ায় থাকার জন্য এরা নেতা কর্মীতো পরের কথা বহিরাগত ক্যাডারদের সাথেও নিয়মিত শয্যায় যায়। আর যারা এই মুহুর্তে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, প্রক্টর, ভিসি ইত্যাদী পদে আছে এদের কথা ভাষায় বর্ননা করা সম্ভব না। এরা ২৪ ঘন্টা মুখে ললিপপ (নেতা কর্মীর ঐ টা) নিয়া বসে থাকে।
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোন ভাবেই শিক্ষকের সংঙ্গায় পরে না। এরা এক একটা জঘন্য নরকের কীট। এদেশের ছাত্র রাজনীতিকে বর্তমান অবস্থায় আনার পেছনে এদের অবদান ৬০ ভাগ। এদের একটা উপযুক্ত নাম দেয়া দরকার। কি নাম দেয়া যায় ? আমি আমার জানা ভাষায় এদের উপযুক্ত কোন নাম পাচ্ছি না, একটু হেলপ করেন প্লীজ ...
দ্রব্যঃ মূলত ১৯৯০ থেকে ২০১০ এই বিশ বছরের আওয়ামীলীগ বিএনপির রাজনীতি এদেশের সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে ব্যাক্তিগত ভাবে নষ্ট করে দিয়েছে। সারাদেশটা জুরে আজ দেহপসারীনির দালাল কিলবিল করছে এমনকি দেশের বাইরে সাতটি মহাদেশ জুরে ছরিয়ে পরেছে এসব দালালেরা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

