সর্বশেষঃ আজ ২৬ আগষ্ট, ২০১০, এরশাদের সামরিক শাসন অবৈধ্য ঘোষনা করেছে আদালত।
যাহউক, স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবৎ আমরা যতগুলো নেতানেত্রী পেয়েছি তাদের সবাই মনেপ্রাণে দেশটাকে গণিমতের মাল ভেবেছে ও দেশটাকে যথেচ্ছ ভাগাভাগি করেছে। তার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদই ছিল সর্বৎকৃষ্ট ও সঠিক নেতা। এতদিন এরশাদ থাকলে অনেক ক্ষতি হতো বা লাভ হতো তা নিয়ে হাজার বিতর্ক চলতে পারে তবে একটা কথা হলফ করে বলা যায় এরশাদ থাকলে আজ আমরা ঢাকাকে যে দোজখ রূপে দেখছি তা কোন ভাবেই দেখতে হতো না। আজ আমরা যেই ঢাকা ও যেই বাংলাদেশ দেখছি তা মূলত নব্বুই ও দুই হাজার এই দুই দশকের ফসল।
আজ হয়তো ঢাকায় থাকার লোকই পওয়া যেত না। কারন সেই আশির দশকেই ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরনের অন্যতম পদক্ষেপ হিসাবে তিনি আদালত কাঠামোকে উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।এতদিনে অনেক আগেই তিনি সারাদেশে হাইকোর্ট বেঞ্চ স্থাপন থেকে শুরু করে প্রাদেশিক ব্যাবস্থা পর্যন্ত বিস্তৃত করে ফেলতো। স্থানীয় সরকারকে সম্পূর্ন ও সত্যিকারে শক্তিশালী করে শাসন ব্যাবস্থাকে মানুষের দোড়গোড়ায় নিয়ে যেত।
এতদিনে দেশে পূর্নাঙ্গ প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরনের সাথে আরও অসংখ্য পরিবর্তন হতো যা এই মুহূর্তে শুরু করলেও আমাদের আরও অন্তত বিশ বছর লাগবে। আজ আমরা যে গ্রামীন অবকাঠামোটুকু দেখছি তার সবটাই এরশাদের অবদান। আজ যে দেশের উপজেলাগুলোতে ২০ থেকে ২৫ টি সরকারী অফিস আছে। এগুলোকে আজ মাঠে বসে অফিস করতে হতো যদি না এরশাদের আমলে উপজেলা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হতো ও বিল্ডিংগুলো না করা হতো।
আজ যে থানায় ওসির পরিবর্তে এএসপি দিতে চাচ্ছি তা এরশদ চেয়ছিল ১৯৮৮ সালে।
গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য যে এলজিআরডি মন্ত্রনালয় তা এরশাদ করেছিল।
আরও কয়েক হাজার উদাহরন দেয়া যাবে যার পাঁচ শতাংশও স্বংয় মুজিব বা জিয়াও করেনি এদেশের গ্রামের গরীব মানুষের জন্য।আর হাসিনা খালেদাতো গত বিশ বছরে পুরো জাতিকেই চোর বদমাইশ আর ছিনতাইকরী বানায়া দিছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

