নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ ইউনিয়ন নিবাসী দুষ্টু উকিল ও সমাজপতি মরহুম আফসার উদ্দীনের ছেলে সত্তুর উর্ধ্ব বিশাল দেহি রাজী উদ্দীন রাজুর চারিত্রীক সমস্যা সেই শৈশব কৈশর থেকেই।মন্ত্রীর ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় সুন্দরী নারী ও মদের প্রতি তার ছিল আজন্ম দুর্বলতা।যানা যায় চরিত্রহীন পিতা আফসর উদ্দীনেরও একাধীক পত্নি উপপত্নি ছিল।সত্য কথা বলতে রায়পুরা তথা নরসিংদী অঞ্চলের সমাজপতি ও নেতাদের চরিত্রে একজন রাজনৈতিক নেতার সবগুলো খারাপ গুন যেমন গড় মানের চেয়ে অনেক বেশি সেই সাথে মদ ও নারী এদের একটি কমন ফেনমেনন।ওখানকার এক জনপ্রীয় নেতা প্রাক্তন এমপি মরহুম সামসুদ্দীন সাহেরের মোট ছেলের সংখ্যা ৪৬ জন ও স্ত্রী সাত জন।তিনি নিজেও হিসাব রাখতেন না সন্ত্রাসী মারামারিতে তার কয় ছেলে নিহত হয়েছে।সেদিক থেকে ল্যাম্পট্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বর্তমান জীবিত নেতাদের কর্ণধার হওয়ার যোগ্যতা রাখে।এযাবৎ তিনি কত মেয়ের সর্বনাশ করেছেন তার হিসাব নিজেও দিতে পারবেন না।ইডেন কলেজের মেয়ে রাজী উদ্দীনের সবচেয়ে বেশি লাগতো।বর্তমানে তাঁর মন্ত্রনালয়ের পিয়ন চাপরাসি পর্যন্ত জানে তার এই নারী দুর্বল্যের কথা।মন্ত্রীর কক্ষে গত তিন বছরে কত নারী কত নাটক করেছেন তার সংখ্যা এরা বলতে পারবে না।দপ্তরটিকে মক্ষিরানী পাড়া বললেও ভুল হবে না।মন্ত্রীর বিবাহিত স্ত্রী কয়জন তার সঠিক তথ্য জানা না গেলেও স্থানীয়দের দাবী তিন চার জনের কম না।এলাকায় তারা যে পত্নিকে চেনে তারও চলচিত্র জগতে বিশেষ ক্ষ্যাতি আছে যা রায়পুরার লোক মুখে শোনা যায়।
লোকমান হত্যাকাণ্ড নিয়ে নরসিংদীতে প্রতিবাদের উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় সরকারের উচ্চমহল থেকেও রাজুর বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হয়।এতে রাষ্ট্রীয় উচ্চক্ষমতার একটি গোয়েন্দা সংস্থা ব্যাপক অনুসন্ধান শেষে মন্ত্রী রাজুর বিরুদ্ধে মদ, নারীসহ বহুবিধ কেলেঙ্কারির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি জরুরি প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। এতে মন্ত্রীর তিন বছরের আমলনামাসহ অতীত-বর্তমানের নানা চিত্রের লামপট্যের নরসিংদী অংশটুকু ছিল নিম্নরুপ।
বর্তমানে নরসিংদী সদর উপজেলার ইউএনও সাবেক এনডিসি সুন্দরী বিসিএস ক্যাডার মহিলা কর্মকর্তা ভেনিসা রডরিক্সের সঙ্গে মন্ত্রীর খুব সখ্য গড়ে উঠে যখন মন্ত্রীর ইচ্ছায় নরর্সিংদীর সাবেক জেলা প্রশাসক অমৃত বারই তাকে এনডিসির দায়িত্ব দেন।জানা যায়, কাজের অংশ হিসাবে ভেনিসাকে সার্কিট হাউসে মন্ত্রীর দেখাশুনা করতে হতো এবং মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হতে হতো।তাকে নিয়েও আরও অনেক রকমের মুখরোচক আলোচনা শোনা যায় শহরের লোক মুখে।দেশে থাকলে মন্ত্রী প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নরসিংদী চলে যান ও সার্কিট হাউজে অবস্থান করে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সুন্দরী ছাত্রী কিংবা টিচারদের সঙ্গে অন্তরঙ্গতা গড়ে তোলেন এবং তাদের সার্কিট হাউসে কারণে-অকারণে আমন্ত্রণ জানান বা দেখা করতে বলেন।
গত উপজেলা নির্বাচনে একদা তিনি সার্কিট হাউসের ভিআইপি রুমে নরসিংদী সদর উপজেলার সাবেক ইউএনও শারমিন জাহানের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করলে ইউএনও কোনো রকমে ছুটে বাথরুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যার হুমকি দেন।পরে অবশ্য নরসিংদীর তৎকালীন জেলা প্রশাসক অমৃত বারই সার্কিট হাউসের ভেতরেই বিষয়টি ফয়সালা করেন।
নরসিংদীর ভেলানগরে আজিজ বিল্ডিংয়ের পাশে অবস্থিত বিটিএম ইংলিশ স্কুলের এক অনুষ্ঠান চলাকালে এক সুন্দরী উপস্থাপিকাকে পছন্দ করে স্টেজের বাইরে ডেকে পাঠান এবং তার সঙ্গে অনেকক্ষণ আলাপ করেন।মেয়েটির বয়স আনুমানিক ২৬-২৭, নাম জানা যায়নি।তাকে তিনি সার্কিট হাউসে দেখা করতে বলেন।সেই মেয়েটি পরে তার ভাইকে বিষয়টি জানান এবং তিনি আর সার্কিট হাউসে যাননি।
নরসিংদী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২০০৯ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি ওই কলেজের রেজিস্ট্রার ইসরাত জাহানের সঙ্গে সংখ্য গড়ে তোলেন।তাকে সার্কিট হাউসে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন।তিনি প্রায়শই মন্ত্রীর সঙ্গে সার্কিক হাউসে দেখা করেন। জানা যায় তিনি এখন বিভিন্ন তদ্বিরের কাজ করেন এবং ঢাকায় সংসদ ভবনেও মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে থাকেন।নরসিংদী গভর্নমেন্ট মহিলা কলেজের শিক্ষিকা তৈয়বাকে কলেজের অনুষ্ঠানে পছন্দ হলে তাকে সার্কিট হাউসে দেখা করতে বলেন।তৈয়বাও মন্ত্রীর সঙ্গে মাঝে মাঝে দেখা করেন এবং বিভিন্ন তদ্বিরের কাজ করেন বলে জানা যায়।
তিনি নরসিংদীর রাঙামাটি এলাকায় সিরাজ ফকিরের বাড়ির উল্টোদিকে এক বাড়িতে প্রায়শই ফ্লাগ ছাড়া গাড়ি নিয়ে আসেন এবং সেখানে বেশ সময় অতিবাহিত করেন।সেখানে মণি (২৮) ও সুপ্তি (৩২) নামে দুই বোনের সঙ্গে তার কয়েক বছর ধরে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়।এমনও তথ্য লোকমুখে শোনা গেছে, মণিকে তিনি তিন মাসের গর্ভবতী অবস্থায় একটি ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন।কিন্তু স্বামী যখন বুঝতে পারেন তার স্ত্রী বিয়ের আগে থেকেই গর্ভবতী তখন তিনি মণিকে তালাক দেন।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে উপজেলা নির্বাচনের আগের দিন তিনি রায়পুরা এসে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করেন।তিনি তার পছন্দের প্রার্থীর জন্য এলাকায় আসেন। রাতে চলে যাওয়ার সময় তার গাড়িতে একজন সুন্দরী মেয়ে ওঠেন (নাম জানা যায়নি) তাকে নিয়ে তিনি অন্য কোথাও সময় কাটান বলেন জানা যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ শাসন আমলে রাজিউদ্দিন রাজু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন সে সময় ২০০০ সালে তিনি রায়পুরার মরজাল ইউনিয়নের বাসিন্দা ফুটবলার সন্তোষ সাহার সুন্দরী স্ত্রীকে নিয়ে এক ঘরে একত্রে ছিলেন।স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাড়ি ঘেরাও করে।পরে আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগিতায় বিষয়টি বেশি দূর গড়ায়নি।
তিনি নিয়মিত মদ্যপান করেন বলে জানা যায়।প্রকাশ্য মদ্যপান করার ঘটনা তার জীবনে অনেক।মন্ত্রী জীবনে কখনও নামাজ পড়েছে কিনা তা স্থানীয়রা বলতে পারে না।এই ছিল অতি সংক্ষেপে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজি উদ্দিন রাজুর সহি চারিত্রীক সনদপত্র।
পাঠক ভাবছেন এই যদি ওখানকার নেতাদের লাম্পট্য দোষেরই এই অবস্থা হয় তাহলে ঐ অঞ্চলের নেতারা অনান্য রাজনৈতিক আচরন ও সামাজিক অবস্থাকে এরা কি রকম রেখেছে? আপনাদের বলবো নরসিংদীর সাধারন জনগণ যুগের পর যুগ ধরে কি দোজখের মধ্যে বসবাস করছে তা নিজের কানে শুনলেও বিশ্বাস হবে না।ওখানকার রাজনীতি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে।হাইলাইটস এখানকার সমাজপতিরা বছরের পর বছর ধরে চরের দরিদ্র জনসাধারনকে সবসময় খুনাখুনি, রাহাজানি, চুরি ডাকাতি জুয়া ইত্যাদীর মধ্যে লাগিয়েই রাখে।এ অঞ্চলের সাধারন জনগণ মনে করে তারা আগের জীবনে কোন পাপ করেছিল তাই এরকম অবরুদ্ধ সমাজে বসবাস করতে হচ্ছে।.........আর যখন লোকমান কাইউমের মত তরুনরা নরসিংদী রায়পুরার সমাজে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখে তখন লোকমানের মত সাচ্চা দেশ প্রেমীক তরুনকে আতোতায়ীর হাতে নিহত হতে হয়।
মন্তব্যঃ অনেকে প্রথমেই ভাবেন না বিষয়টি ব্যক্তিগত, বলবেন না হলুদ সাংবাদীকতা।তাহলে তাদের জাতি একদিন নিৎকৃষ্টতম গালিটি টাইটেল হিসাবে দেবে।একজন রাজনীতিবিদ মাদক আশক্ত হলেও সেটাকে ব্যক্তিগত বলতে পারেন কিন্তু নারী আসক্তি ও অনৈতিক আচরনকে কোন ভাবেই ব্যক্তিগত বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।আর এদের এই আচরন প্রকাশ করাকে কেউ যদি কুরুচিপূর্ন মনে করেন তাহলে আপনি এদের অপকর্মের সমর্থক ও সুযোগ পেলে আপনিও একই চরিত্রের অধিকারী।
প্রচারে আমরা নেতার বায়োডাটা প্রকাশ করি
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



