somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্লগারস তদন্ত পেইজ - সাগর রুমী কেইস

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাতুল রেজা বলেছেন: দারোয়ানের চোখ এরিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় ই নাই। আমার বাসার দারোয়ান বলেছে সে রাত ৩ টার দিকে শব্দ শুনেছে। পেপ্পারে দেখলাম খুনিরা নাকি ডিম দিয়ে ভাত খেয়েছে, রুনি তাদের খাইয়েছেন। কিন্তু আমি যতদুর শুনেছি রুনি নিজেই বাসায় এসেছেন ১ টায়, সরওয়ার ২ টায়। খুন হয়েছে ৩ টার দিকে বা তার কিছু পরে। সকালে যদি কেউ কান্নার আওয়াজ শুনে থাকে তাহলে ঠিক ই শুনেছে। আর বিল্ডিং এর গ্রিল যেখানে কাটা হয়েছে, সেখান দিয়ে মানুষ যাওয়াও সম্ভব না, নিচে নামা তো দুরের কথা। তবে গেট এ একটা ঘাপলা হয়েছে এটা পরিষ্কার।

নীল-দর্পণ বলেছেন: মেঘ নাকি বলেছে মা আংকেলদের ডিম ভেজে দিয়েছে। আবার বলেছে ঐ আংকেলরা পিকনিকে গিয়েছিলো। তাহলে সেই পিকনিকে যারা গিয়েছিলো সবাইকে এক করে মেঘকে সামনে নিলে-ই ত মনে হয় চিনতে পারবে কারা রাতে বাসায় ছিলো !!

ইফতেখার5555 বলেছেন: বাচ্চাটাকে তার আত্মীয় দের কাছ থেকে সরানো দরকার সম্ভবত তাদের মাঝেই কেউ একজন খুন করেছে, এবং তাদের ফ্যামিলির কয়েকজন বোধহয় তাদের লুকোনোর চেষ্টা করছে, ছেলেটা যে খুনিদের চিনেছে তা স্পষ্ট , সে একেকবার একেক ডেস্ক্রিপশন দিচ্ছে তার অর্থ হল সে তার আশেপাশেই কারো ভয়ে মিসলিডিং তথ্য দিচ্ছে,
সকালে প্রথম বাসায় এসে পৌছান তাদের আত্মীয়রা , এবং এর আগ পর্যন্ত কেউ বের হয় নি তার মানে খুনি এদের সাথেই বা বিল্ডিং এর কোথাও অবস্হান করছিলো , পরে ভীড় বাড়লে সেই সাথে বেরিয়ে গেছে, পুলিশ অনেক সময় অনেক কিছু করতে পারে না, সত্য পুরোপুরি উন্মোচিত হওয়ার আগে, অনুসন্ধান চলাকালীন সময়েও মিডিয়াকে আপডেট দেয়া খুব সুবিধার কথা নয়।

ইফতেখার5555 বলেছেন: * দুই জন পূর্ন বয়স্ক মানুষের উপস্হিতিতে একজনকে বেধে ফেলাটা ঠিক পরিষ্কার হচ্ছে না আমার কাছে।
দুই জন মানুষের বাইরের মানুষের ইনভলভমেন্ট ছাড়া বের হয়ে যাওয়া টাও ক্লিয়ার না ,
*যে ভাবে খুন হয়েছে তাতে মনে হয়েছে খুনির তাদের উপর প্রবল আক্রোশ ছিলো, খুনি যে অপেশাদার তা গণমাধ্যমে আগেই এসেছে,
* রক্তপাতে মৃত্যু, দুই জন মরতে সময় লেগেছে ২-৩ ঘন্টা , গ্রীল কাটার জন্যে নিশ্চয় খুচরা যন্ত্র ব্যবহার করেছে খুনি তার মানে আরো ১/২ -১ ঘন্টা।

Fazlul Bari বলেছেনঃ সাগরের ঘটনায় জানা গেল তার জন্যে অপেক্ষমান খুনিরা রুনিরও পরিচিত ছিল। সে কারণে তিনি তাদের ডিম ভাজি করে ভাত খেতেও দিয়েছেন। আমাদের পরিচিত কেউ কত ঘনিষ্ঠ পরিচিত হলে আমরা তাদের আর কিছু না পারি ডিম ভাজি করে ভাত খেতে দেই? তারা নিশ্চয় সেখানে লম্বা সময় ধরে সাগরের অপেক্ষায় ছিল। বসে বসে হয়তো টিভি দেখেছে, গল্প করেছে।
বাসায় তাদের অপেক্ষার কথা সাগর হয়তো জানতেন। এসব নিয়ে রুনির সঙ্গে কথোপকথনের বিষয়টি মোবাইল, বাসা-অফিসের ফোনের কলচার্ট, ভয়েস রেকর্ড এসব নিয়ে অনুসন্ধান চালালে খুনের মোটিভ, খুনিদের সম্পর্কে একটি ধারনা পাওয়া যেতে পারে।
এ ঘটনা শুনে ভয় লেগেছে কেন জানেন? আমাদের মিডিয়ার লোকজন বরাবর এমনই আন্তরিক। বাসায় পরিচিত কেউ এলে তাদের শুধু খাওয়ানো নয়-‘আজ বেড়িয়ে যান’ বলে রাতে রেখে দেবারও আন্তরিক চেষ্টা করি। এভাবে যে আততায়ী-ঘাতকও আসতে পারে, তা মনে করিয়ে দিয়েছে সাগর-রুনি’র খুনের ঘটনা।

Fazlul Bari সবক’টি রিপোর্টের সারসংক্ষেপ একসঙ্গে গাঁথলে যা স্পষ্ট হয় তাহলো- এই জোড়া খুনের কারণ সাগর। তার ভালোবাসার স্ত্রী রুনি ঘটনার শিকার! সব খুনি যেমন অসতর্ক একটি প্রমাণ রেখে যায়, এই খুনিরাও তা রেখে গেছে। তা আমাদের বাপজান, আমাদের কাছে রেখে যাওয়া সাগর-রুনির স্মৃতি, আদরের মেঘ।

পাঁচ-ছয় বছরের শিশু হলেও চটপটে বুদ্ধিদীপ্ত সোনামনি মেঘের কারণে খুনের মোটিভ সম্পর্কে প্রাথমিক একটি ধারণা মিলেছে। রিপোর্টের কারণে সাগর খুনের টার্গেট হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম অথবা তেল-গ্যাস ইস্যু এর কারণ হতে পারে। কিন্তু একটি ব্লগে নিউইয়র্ক প্রবাসী সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম চৌধুরীর একটি লেখার সূত্র ধরে মনে হলো, তার সর্বশেষ কর্মক্ষেত্র মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সাম্প্রতিক কিছু বিষয়ও বিবেচনায় রাখতে পারে তদন্ত কর্তৃপক্ষ।

Fazlul Bari সে রাতে ২টার দিকে বাসায় ফেরেন সাগর। এরপর তিনি রাতের খাবার খেতে পেরেছেন কিনা, খুনিদের সঙ্গে তার বাতচিত, খুনের বর্ণনা এসব সম্পর্কে খুনিদের কেউ ধরা পড়লেই জানা সম্ভব হবে।

তবে একটা বিষয় স্পষ্ট খুনিরা বেশ সময় নিয়ে কাজ করেছে। আমাদের প্রিয় সাগরকে হাত-পা বেঁধে ইচ্ছামতো ছুরি মেরে আক্রোশ মিটিয়েছে! আর আমাদের প্রিয় রুনি যেহেতু তাদের চিনতেন বা চিনে ফেলেছেন, তাই তাকেও তারা বাঁচিয়ে রাখেনি।

মেঘ বলেছে, খুনিদের হাতে পিস্তলও ছিল। পোস্টমর্টেমের ডাক্তার বলেছেন, খুনিদের তার কাছে পেশাদার মনে হয়নি। এ কথার সঙ্গে মেঘ-এর পিস্তল দেখার তথ্য যোগ করলে সেটি খেলনা পিস্তলও হতে পারে। কারণ পিস্তল তারা ব্যবহার করেনি।

খুনের পরও যে অনেক সময় তারা সেখানে ছিল তা ধারণা করা যায় আরও কিছু তথ্যে। রান্নাঘরে সিগারেটের পরিত্যক্ত অংশ রেখে গেছে। তাদের পালানো সম্পর্কে ধারনা পাল্টাতে করেছে গ্রিল কাটার নাটক! এরপর মেঘকে দিয়ে দরজা বন্ধ করিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে চলে গেছে!

সমকালের রিপোর্টে প্রত্যক্ষদর্শিনী বাসিন্দা এক মহিলার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, তিনি ভোরের দিকে একজনকে প্রাচীর টপকে বেরিয়ে যেতে দেখেছেন। এসব কারণে মনে হচ্ছে, সাগরের খুনিরা মিডিয়া অথবা পার্বত্য চট্টগ্রাম সংশ্লিষ্ট হবার সুযোগ বেশি। এই দু’ক্ষেত্রে সাগরের ঘনিষ্ঠলোকজনকে রুনির ভালো জানা সম্ভব। সাগরের অনুপস্থিতিতে তিনি যাদের বাসায় বসতে-খেতে দিয়েছেন।

Rohan Uddin Fahad বারী ভাই এই নিউজে দেখলাম রাত দশটায় রুনির ভাই ঐ ফ্লাটে গিয়েছিলো...সে বাসা থেকে কয়টায় বের হয়েছিলো সেইটা কেউ লিখে নাই কোথাও...আসলেই যদি দু তিনজন লোক বাইরে থেকে আসে তাহলে রুনির ভাই এর তো দেখার কথা অথবা তার বেরিয়ে যাবার পরে লোক গুলোর ঢোকার কথা।











বাংলাদেশের ফুলিশদের দক্ষতা ও যোগ্যতা দেখে আমরা খুবই দূঃখিত।একটা অভার ক্রাউডেড রাজধানীতে, অভিজাত মধ্যবিত্ত এলাকায়, নিজেস্ব নিরাপত্তা সম্বলিত হাউজিং ফ্লাটে, পাঁচ তলায় উঠে দুইজন মানুষকে ধীরে ধীরে জবাই করে হত্যা করে হত্যাকারী চলে গেল অথচ ৪০ ঘন্টার বেশি পেরিয়ে গেলেও এখনও হত্যাকারী ধরা দূরে থাক, কোন কুল কিনারা করতে পারলো না -ফুলিশ।

বলতে পারেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন কি নিজে লগ অন করে সাগর ওদের এ্যাকাউন্টগুলো দেখেছে ? তিনি কি মোবাইলের নম্বর সেইভ করতে পারে ? তাহলে তিনি বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক বিশ্বের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন কিভাবে।কে বানলো তাকে ? কেন ? দেশ আজ ঘরে বাইরে যখন খুশি যেখানে খুশি যেকাউকে জবাই করে ফেলে রেখে চলে যেতে পারে।

ব্লগার্স তদন্ত পাতা - সাগর রুমী কেইস
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৬
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×